Tag: PMO

PMO

  • PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল এআইয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যতের কল্পনা করা, যেখানে প্রযুক্তি মানবতার অগ্রগতি সাধন করবে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (PMO) তরফে জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় সম্মেলনস্থল ভারত মণ্ডপমে মোদি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি উপস্থিত একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদি (PM Modi)

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি ভাষণ দেবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা। এরপর অন্য নেতাদের সঙ্গে তিনি ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো ২০২৬ পরিদর্শন করবেন, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ‘লিডার্স প্লেনারি’ অধিবেশনে অংশ নেবেন মোদি। এতে রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী এবং বহুপাক্ষিক সংস্থার প্রবীণ প্রতিনিধিরা এআই সংক্রান্ত জাতীয় ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার—যেমন শাসনব্যবস্থা, পরিকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে তিনি সিইও রাউন্ডটেবিলে অংশ নেবেন। এতে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষ এক্সিকিউটিভরা সরকারি নেতৃত্বের সঙ্গে বিনিয়োগ, গবেষণা সহযোগিতা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং এআই ব্যবস্থার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ (সবার কল্যাণ, সবার সুখ)। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হল এআই ক্ষেত্রে ভারতকে (PM Modi) অগ্রণী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা, যেখানে এআই মানবকল্যাণে কাজ করবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখবে। সম্মেলনটি তিনটি স্তম্ভ – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) এবং অগ্রগতি (Progress) -এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাতটি কর্মদলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই দলগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরার মতো সুনির্দিষ্ট ফল উপস্থাপন করবে।

    সাতটি মূল থিম

    সাতটি মূল থিম হল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে এআই, এআই সম্পদের গণতন্ত্রীকরণ, সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তি, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য এআই, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান, স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা। এই সম্মেলনে ৫০০-রও বেশি বৈশ্বিক এআই নেতা অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকবেন প্রায় ১০০ জন সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক, এবং ৪০০ জন সিটিও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। এছাড়াও ১০০-রও বেশি সরকারি প্রতিনিধি, যার মধ্যে (AI Impact Summit 2026) ২০-রও বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং প্রায় ৬০ জন মন্ত্রী অংশ নেবেন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সাউথ ব্লক ছেড়ে পাকাপাকিভাবে চলে গেল সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সের নয়া ঠিকানায়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কৃষক, নারী, যুবসমাজ এবং অসহায় নাগরিকদের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন। সেবা তীর্থ থেকে নেওয়া তাঁর প্রথম সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দেন, ঘোষণা করেন লাখপতি দিদি উদ্যোগের ব্যাপক সম্প্রসারণের। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ দ্বিগুণ করেন এবং অনুমোদন করেন স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর।

    পিএম রাহাত প্রকল্প চালু

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দিয়েছেন, তার লক্ষ্য হল দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জন্য সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদবিহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া। আধিকারিকরা জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও ক্যাশলেস চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে প্রাণহানি রোধ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

    ছ’কোটি  লাখপতি দিদি-র লক্ষ্য (PM Modi)

    সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, নির্ধারিত মার্চ ২০২৭ সময়সীমার আগেই তিন কোটির ‘লাখপতি দিদি’ লক্ষ্যমাত্রার চৌকাঠ পার করা হয়েছে। এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় সরকার মার্চ ২০২৯-এর মধ্যে ছ’কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির নয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লাখপতি দিদি উদ্যোগের লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের টেকসই জীবিকামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বছরে কমপক্ষে ১ লক্ষ টাকা আয় করতে সক্ষম করে তোলা (PM Modi)।

    বাড়ল কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ

    কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা করেছেন। এই তহবিল ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো এবং গুদামঘর, কোল্ড স্টোরেজ ইউনিট ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের মতো সামষ্টিক কৃষি সম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে। আধিকারিকরা জানান, এই বর্ধিত বরাদ্দ কৃষি মূল্যশৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

    স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন

    ভারতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ১০,০০০ কোটি টাকার করপাস-সহ স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন করেছেন। এই নয়া তহবিল প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ এবং ডিপ টেক ও অগ্রসর উৎপাদন খাতের মতো উচ্চ-বৃদ্ধির ক্ষেত্রকে সাহায্য করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

LinkedIn
Share