Tag: Police Encounter

  • Baruipur Case: বারুইপুরকাণ্ডে নির্যাতিতার বাবা পেলেন চাকরি, ‘সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    Baruipur Case: বারুইপুরকাণ্ডে নির্যাতিতার বাবা পেলেন চাকরি, ‘সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Case) গোটা রাজ্য তোলপাড়। এই কঠিন পরিস্থিতিতে মৃত ছাত্রীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিহত ছাত্রীর বাবাকে সরকারি চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

    সরকারি চাকরি-আর্থিক সাহায্য

    রবিবার মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পরই মঙ্গলবার সরাসরি বারুইপুর পুলিশ সুপারের দফতরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রথম থেকেই বারুইপুরের ঘটনায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিহত ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সবরকমের সাহায্য়ের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিন, পীড়িত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নিহত নাবালিকা ছাত্রীর বাবাকে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। তাকে সরকারি কারা দফতরে নিয়োগের ঘোষণা। পাশাপাশি পরিবারকে সরকারি আর্থিক সাহায্যও প্রদান করা হয়।

    কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)?

    পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পরিবারকে বলে এসেছি কাস্টডি ট্রায়াল এবং কনভিকশন এক্সিকিউশন মুখ্যমন্ত্রীর মনিটরিংয়ে হবে। একটা দৃষ্টান্তমূলক নজির এই কেসে রাখা হবে। সরকারের পক্ষ দিয়ে কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সেটা নিয়ে আমি বলব না। কিছু অ্যাসিস্ট্যান্সের বিষয় থাকে, যদি ফ্যামিলি রাজি থাকে। ফ্যামিলি রাজি ছিল। সরকার পাশে দাঁড়িয়েছে।”

    আইনি পদক্ষেপ ও এনকাউন্টার

    বারুইপুরকাণ্ডে (Baruipur Case) কড়া অ্যাকশন নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত চারজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণ (Reconstruction)-এর সময় এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে এক অভিযুক্ত।

    সুরক্ষায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ি, সিসিটিভি

    নাবালিকা ছাত্রীর মৃত্যুর পর সূর্যপুর এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছিল। পরিবারের আবেদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন। পুরো এলাকাকে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর তড়িঘড়ি এই হস্তক্ষেপে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ। ভয় অনেকটাই কমেছে। এবার নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বলছেন এলাকাবাসীরা।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নিহতের বাবার

    মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাসের পর মৃত ছাত্রীর বাবা বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানান এবং সরকারের সহযোগিতার কথা নিশ্চিত করেন। চাকরি পাওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন,”এই মুহূর্তে তাদের মানসিক অবস্থা একদম ভাল নেই। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা থিতু হলে তবেই সরকারের দেওয়া কারা দফতরের কাজে যোগ দেবেন”। সরকারি চাকরি ও আর্থিক সাহায্য দিয়ে প্রশাসন বোঝাতে চেয়েছে যে, এই কঠিন সময়ে তারা পরিবারের অভিভাবক হিসেবে পাশে রয়েছে। নিহতের বাবার জন্য কারা দফতরের চাকরিটি পরিবারের ভবিষ্যৎ আর্থিক অনটন দূর করতে সাহায্য করবে। তবে এই মুহূর্তে কন্যাসন্তানকে হারানোর শোক এতটাই গভীর যে, নিহতের পিতা এখনই কাজে যোগ দিতে পারছেন না। মানসিকভাবে কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর তিনি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। অন্যদিকে, স্কুলের লাইব্রেরিটি নিহত নাবালিকার স্মৃতিকে চিরকাল এলাকায় বাঁচিয়ে রাখবে।

  • Samik-Sukanta Reaction: বারুইপুর ‘এনকাউন্টার’ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা, বিরোধীদের অভিযোগে কড়া জবাব শমীক-সুকান্তর

    Samik-Sukanta Reaction: বারুইপুর ‘এনকাউন্টার’ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা, বিরোধীদের অভিযোগে কড়া জবাব শমীক-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের পুলিশি গুলিতে মৃত্যুর পর রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। একদিকে পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রকৃত মূল অভিযুক্তকে আড়াল করতেই এই ‘এনকাউন্টার’ ঘটানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

    ‘অপরাধীর ঠাঁই জেল বা মৃত্যু’— শমীকের কড়া বার্তা

    বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং কোনও অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না।’’ তাঁর বক্তব্য, খুন বা ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িতদের পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক, আইনের আওতায় আনা হবে। শমীকের আরও দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে অপরাধচক্র ও দৌরাত্ম্য চলছিল, তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। কোনও রাজনৈতিক নেতার আশ্রয় বা প্রভাব খাটিয়ে কেউ পার পাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিল বিজেপি

    তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মূল অভিযুক্তকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যেই পুলিশের এই পদক্ষেপ। সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘তৃণমূলের বক্তব্যের আর জনসমর্থন বা বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। গত ১৫ বছরের শাসনকালে রাজ্যের মানুষ তাদের কার্যকলাপ দেখেছেন।’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যেকের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তবে কামদুনি-সহ অতীতের একাধিক ঘটনায় তৃণমূলের ভূমিকা মানুষ ভোলেনি। তাই এই ধরনের অভিযোগকে সাধারণ মানুষ গুরুত্ব দেবে না।’’

    কামদুনি মামলার ফাইল পুনরায় খোলার দাবি

    বারুইপুর কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে কামদুনি গণধর্ষণ মামলারও উল্লেখ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কামদুনি মামলার ফাইল নতুন করে খোলা হোক এবং সেই মামলার তদন্তের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা হোক।’’ তাঁর অভিযোগ, সেই ঘটনায় নির্যাতিতারা পূর্ণ বিচার পাননি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকে গিয়েছে।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস

    শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে নৃশংস অপরাধের ক্ষেত্রে কোনও রকম শিথিলতা দেখানো হবে না। জনগণ সেই প্রতিশ্রুতির উপর আস্থা রেখেই সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছেন। ফলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে।’’

    পুলিশের পদক্ষেপের পাশে সুকান্ত মজুমদার

    ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার পক্ষেই সওয়াল করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তার বক্তব্য, কোনও অভিযুক্ত যদি পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়, তাহলে পুলিশ পাল্টা গুলি চালাতেই বাধ্য। সুকান্ত বলেন, ‘‘পুলিশের দিকে গুলি ছুড়লে পুলিশ তো আর জয়নগরের মোয়া ছুড়বে না, পাল্টা গুলিই চালাবে।’’

    কী দাবি পুলিশের?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অপরাধস্থলে ঘটনাক্রমের পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সে আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এরপর পুলিশের দিকেই গুলি চালায় বলে দাবি তদন্তকারীদের। পুলিশের দাবি, আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালানো হলে অভিযুক্ত গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে পুলিশের ‘এনকাউন্টার’ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানের বার্তা দিচ্ছে শাসক বিজেপি।

  • Baruipur Police Encounter: পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু বারুইপুর ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত প্রভাসের

    Baruipur Police Encounter: পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু বারুইপুর ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত প্রভাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরে ১২ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গুলিতে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। সেই সময় পুলিশের পাল্টা গুলিতে গুরুতর জখম হয় সে। পরে তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পুনর্নির্মাণের সময় কী ঘটেছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে, প্রায় পৌনে ১টা নাগাদ তদন্তকারী দল প্রভাসকে নিয়ে সূর্যপুরের ঘটনাস্থলে যায়। উদ্দেশ্য ছিল ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে অপরাধের ধারাবাহিকতা খতিয়ে দেখা। অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর প্রভাস এক পুলিশকর্মীর কাছ থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তাকে আটকাতে গেলে পুলিশের দিকে এক রাউন্ড গুলিও চালায় বলে দাবি তদন্তকারীদের। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে প্রভাস আহত হয়। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    তদন্তে সহযোগিতা করছিল না অভিযুক্ত

    তদন্তকারী সূত্রের দাবি, গ্রেফতারের পর থেকেই প্রভাস জিজ্ঞাসাবাদে অসহযোগিতা করছিল। বিভিন্ন প্রশ্নের বিভ্রান্তিকর ও অসংলগ্ন উত্তর দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেই কারণেই ঘটনার প্রকৃত ক্রম এবং অভিযুক্তের ভূমিকা স্পষ্ট করতে পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

    কীভাবে প্রথম সন্দেহের তালিকায় আসে প্রভাস?

    গত রবিবার সকালে সূর্যপুর এলাকার একটি পুকুর থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, তাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন। প্রাথমিক তদন্তে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, নিখোঁজ হওয়ার আগে ওই নাবালিকাকে প্রভাসের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। তদন্তে এলাকার কিছু সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের হাতে আসে। যদিও ওই ফুটেজের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি মাধ্যম। পুলিশের দাবি, ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রভাসের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই মামলায় প্রথম গ্রেফতার হয়েছিল প্রভাসকেই।

    আরও এক অভিযুক্ত গ্রেফতার, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে চার

    এদিকে, এই মামলায় আরও এক অভিযুক্ত কবীর মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট এলাকায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এসটিএফ, বারুইপুর এসওজি এবং জেলা পুলিশের যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে কবীরকে পাকড়াও করে। ঘটনার পর থেকেই কবীর পলাতক ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে বারুইপুরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং ঘটনায় তার ভূমিকা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই গ্রেফতারের পর ধর্ষণ-খুন মামলায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার। এর আগে প্রভাস, আনন্দ সর্দার এবং দিবাকর সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘জিরো টলারেন্স’; বিক্ষোভ-হিংসাতেও কড়া পদক্ষেপ

    মঙ্গলবার বারুইপুরে গিয়ে জেলা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসন ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ঘটনার পর বিক্ষোভের নামে ভাঙচুর ও পুলিশের উপর হামলার অভিযোগেও তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রায় ২০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং কাউকেই ছাড়া হবে না। পুলিশ জানিয়েছে, হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিকে বুধবার বারুইপুরে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর।

LinkedIn
Share