Tag: police

police

  • Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026)। ভোট গণনা হবে ৪ মে, সোমবার। গণনাও বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগ করছে (Police Counting Observers) নির্বাচন কমিশন। ১৬৫ জন নতুন কাউন্টিং অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। ১৬৫টি বিধানসভার গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। একাধিক গণনাকক্ষ সম্বলিত গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে তাঁদের।

    কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ (Assembly Election 2026)

    কমিশন সূত্রে খবর, একাধিক গণনা কক্ষ রয়েছে, এমন গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ অবজার্ভারও। শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ গণনাপ্রক্রিয়ার জন্যই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, কাউন্টিং ও পুলিশ অবজার্ভাররা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখেই কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, ভোট গণনায় কেন কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের রাখা হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল। সেখানে মুখ পোড়ানোর (নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বহাল রাখায়) পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। আরও একবার মুখ পুড়িয়ে রণে ভঙ্গ দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শীর্ষ আদালত কমিশনের ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকায়ই শিলমোহর দেয়। আদালত জানিয়ে দেয়, কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্টরা কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তাঁরা যদি কমিশনের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন, তাহলে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী নাকি রাজ্য সরকারের কর্মী, তাতে কী এল, প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ (Assembly Election 2026)।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    এই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বলেন, “গণনা কেন্দ্রে সমস্ত দলের এজেন্ট থাকবে, তাহলে অসুবিধা কোথায়? কমিশনের কাছে কেন্দ্র-রাজ্য উভয় কর্মীদের মধ্যে থেকে আধিকারিক বাছার অধিকার রয়েছে। কমিশন যদি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করেন, তাতে অসুবিধা কোথায়? রাজ্যই হোক বা কেন্দ্র, এঁরা সবাই সরকারি কর্মী।” তাই এই বিভাজন আসছে কোথা থেকে, প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি পিএস নরসিংহ। ১৩ এপ্রিল যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কমিশন, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে, আলাদা করে নির্দেশ দেওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই বলেও জানিয়ে দেয় বেঞ্চ (Police Counting Observers)। এর পরেই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের কথা জানায় কমিশন। কী কাজ করবেন এই কাউন্টিং অবজার্ভার এবং পুলিশ অবজার্ভাররা? সূত্রের খবর, গণনা চলাকালীন পর্বে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়, গণনা প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তা দেখবেন অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভাররা। পুলিশ অবজার্ভাররা গণনাকক্ষে ঢুকতে পারবেন না। তাঁরা শুধু দেখবেন বাইরে কোনও গন্ডগোল হচ্ছে কিনা (Assembly Election 2026)।

     

  • ED: রবি-সকালে ইডির হানা কলকাতা পুলিশ কর্তার বাড়িতে

    ED: রবি-সকালে ইডির হানা কলকাতা পুলিশ কর্তার বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন হওয়ার কথা ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। তার আগে রবিবার সাতসকালে ইডির (ED) হানা কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (Kolkata Police DC) শান্তনু সিং বিশ্বাসের বাড়িতে। বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে এই পুলিশ কর্তার বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। তার পরেই শুরু হয় তল্লাশি। সূত্রের খবর, বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর মামলার জেরে ইডির এই অভিযান। এই শান্তনু একসময় কালীঘাট থানার ওসি ছিলেন। রবিবার সকালে বেহালার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেন ইডির আধিকারিকরা।

    খোদ ডিসির বাড়িতেই অভিযান (ED) 

    বালিগঞ্জে অশান্তির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে প্রকাশ্যে আসতে এবং ‘লাইভ’ করতে দেখা গিয়েছে। এই ঘটনায় এর আগেও এক আইপিএস আধিকারিককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। আর এবার খোদ ডিসির বাড়িতেই চালানো হল তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, বেহালায় ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে এদিন হানা দিয়েছে ইডি। স্থানীয়দের দাবি, তিনি মূলত প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির সূত্রেই জয়ের নাম উঠে এসেছিল। বেশ কিছু নগদ অর্থ বেহালার এই বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই ব্যবসায়ীকে দু’বার তলবও করেছিল ইডি। কিন্তু দু’বারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তার পর ফের রবিবার তাঁর বাড়িতে অভিযান তদন্তকারীদের (ED)।

    বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তদন্ত ইডির আধিকারিকদের

    এদিন ভোরেই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে রওনা দেয় ইডির একাধিক দল। সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বেহালায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। অভিযোগ, বার বার ডাকাডাকি করা সত্ত্বেও বাড়ির দরজা খুলছিলেন না কেউ (Kolkata Police DC)। অনেকক্ষণ পরে দরজা খোলা হয়, এবং ইডি ঘরে ঢোকে। বালিগঞ্জেও ভোরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আধিকারিকরা। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ২৯৪টি আসনে দু’দফায় ভোট হবে। ফল প্রকাশ হবে ৪ মে। নির্বাচনী প্রচার বন্ধ হওয়ার আগেই জোরকদমে প্রচার করছে রাজনৈতিক দলগুলি। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মামলায় খাস কলকাতায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি।

    প্রসঙ্গত, বেআইনি নির্মাণ মামলায় শুক্রবার শহরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। দিন কয়েক আগে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল তারা (Kolkata Police DC)। রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর (ED)।

     

  • Supreme Court: কালিয়াচক নিয়ে কড়া সুপ্রিম কোর্ট, সিবিআই বা এনআইএকে দিয়ে তদন্ত, শোকজ মুখ্যসচিব সহ চারজনকে

    Supreme Court: কালিয়াচক নিয়ে কড়া সুপ্রিম কোর্ট, সিবিআই বা এনআইএকে দিয়ে তদন্ত, শোকজ মুখ্যসচিব সহ চারজনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভের নামে মালদার কালিয়াচকে গ্রামবাসীর হাতে তিন মহিলা সহ সাত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের বন্দি হওয়ার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। সাত বিচারককে প্রায় ১০ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মালদার ঘটনাকে বিচার ব্যবস্থার ওপর ‘নির্লজ্জ হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে, বিষয়টিকে ‘কর্তব্যে গাফিলতির চরম নির্দশন’ উল্লেখ করে সিবিআই বা এনআইএকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, মালদার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে শোকজও করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    ঠিক কী ঘটেছিল কালিয়াচকে?

    এসআইআর- এর তালিকায় নাম নেই, এর প্রতিবাদে বুধবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল মালদার কালিয়াচকের মোথাবাড়ি। কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। জনরোষ আছড়ে পড়ে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের উপর। যার জেরে রাতদুপুরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে মালদার কালিয়াচক। বিক্ষোভকারী জনতা দীর্ঘক্ষণ ধরে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখেন সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কালিয়াচকে দীর্ঘক্ষণ ধরে আটকে রাখা হয়েছিল তিন মহিলা সহ সাত বিচারককে। বেলা যত গড়াতে থাকে (Kaliachak Incident), ততই লোকে-লোকারণ্য হয়ে পড়ে এলাকা। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর মধ্যরাতের পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে ওই বিচারকদের। এমনকী, উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়ে বিডিও অফিসের গেট আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, লাগানো হয় আগুনও। ঘটনাটি কমিশন কলকাতা হাইকোর্টকে জানালে, হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টকে অবগত করে।

    “নির্লজ্জ হামলা’, সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”

    আজ, বৃহস্পতিবার বিষয়টি আনা হয় সুপ্রিম কোর্টের গোচরে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চেই উত্থাপিত হয় এই বিষয়টি। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই ঘটনাকে বিচার ব্যবস্থার ওপর একটি ‘নির্লজ্জ হামলা’ এবং আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়, বরং বিচারাধীন অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে এবং বিচারকদের মনোবল ভেঙে দিতে এটি একটি সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ। বেঞ্চের অপর সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর মন্তব্য, “আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল।” সুপ্রিম কোর্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিচারকদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক হামলা চালিয়ে আইনের শাসনকে বুড়ো আঙুল দেখানো কাউকেই বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে একে ‘ক্রিমিনাল কনটেম্পট’ বা ফৌজদারি আদালত অবমাননা হিসেবে গণ্য করা হবে।

    প্রশাসনের আচরণে অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    কালিয়াচকের ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের আচরণে অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে আমরা একটি চিঠি পেয়েছি। গতকাল রাতে আমাদের মধ্যে কয়েকজনকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানানো হয় যে, মালদা জেলার কালিয়াচক এলাকায় তিন মহিলা-সহ মোট সাতজন বিচারককে দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রেখেছিল। ঘেরাও শুরু হয়েছিল বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে।” ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন (Supreme Court), “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তাঁর চিঠিতে জানান, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার—কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফোন করতে হয়েছিল।”

    “সব থেকে পোলারাইজড রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ”

    প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “এই ঘটনা কোনও অপরাধের থেকে কম নয়। আমরা কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেব না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজের দায়িত্ব পালন করেনি। তাদের গাফিলতির প্রমাণ এতে রয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের যোগাযোগ করার পরেও কেন তারা কোনও পদক্ষেপ করলেন না সে বিষয়ে তাদের জবাব দিতে হবে।” শুধু তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গকে ‘মোস্ট পোলারাইজড স্টেট’ বলে উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ প্রধান বিচারপতি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত আপনার রাজ্যে সবাই রাজনীতির ভাষায় কথা বলেন। সব থেকে পোলারাইজড রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। আপনি কী ভাবছেন কারা এসব করছে আমরা বুঝি না? আমরা রাত দুটো পর্যন্ত সব কিছুর উপর নজর রেখেছি। খুব খুব দুঃখজনক ঘটনা।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি 

    প্রধান বিচারপতি এও বলেন, “অন্যান্য সিনিয়র বিচারপতিরা যোগাযোগ রাখছিলেন। রাত বারোটার পর তাঁরা মুক্ত হন। পরে যখন তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন, তখনও তাঁদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে মারা হয়, ছোড়া হয় পাথরও।” নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ডিস্ট্রিক্ট জাজদের নির্দেশও দেন প্রধান বিচারপতি (Kaliachak Incident)। এদিন বিরক্ত প্রকাশ করে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল।”  গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশনের ওপরই আস্থা রাখে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বাগচী বলেন, “কমিশনকে প্রয়োজনীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।”  নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে শীর্ষ আদালতের পরামর্শ, রাজ্য প্রশাসনকে এই জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ যাতে মসৃণভাবে হয় তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করতে হবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন এই ঘটনা জুডিশিয়াল অফিসারদের ওপর ব্যাপক ভয়ের প্রভাব ফেলবে। আমরা প্রধান বিচারপতির চিঠি দেখে অত্যন্ত হতাশ (Supreme Court)।”

    রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার উদাহরণ

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “এর আগে নির্দেশ দিয়ে আমরা বলেছিলাম, এসআইআর প্রক্রিয়ায় আপত্তি নিষ্পত্তির দায়িত্ব বিচারকদের দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ঘটনা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার উদাহরণ। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জানাতে হবে, কেন বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও তাঁরা বিচারকদের নিরাপদে সরিয়ে (Kaliachak Incident) নেওয়ার ব্যবস্থা করেননি?” পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত, মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কপূর, মালদা পুলিশ সুপার অনুপম সিংকে শোকজের নির্দেশ দিল সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। তাঁর বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হবে না, সেই কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। আগামী সোমবার পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলাটি ফের শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। ওই দিন শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাজির থাকতে হবে এই চারজনকে। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ— ঘটনার তদন্ত সিবিআই কিংবা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র মতো স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে করাতে হবে। যে সংস্থার উপর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তারা সরাসরি এই আদালতে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বাধ্য থাকবে। শুধু তাই নয়। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে সেগুলি সেই সব জায়গায় মোতায়েন করতে হবে, যেখানে বিচারকেরা আপত্তি নিষ্পত্তির কাজ করছেন।

  • Assembly Election 2026: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল কমিশনের, এক ধাক্কায় সরানো হল ২ এডিজি, ১২ সুপারকে

    Assembly Election 2026: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল কমিশনের, এক ধাক্কায় সরানো হল ২ এডিজি, ১২ সুপারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল। এবার নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026) এক ধাক্কায় বদল করে দিল রাজ্যের ১২ জন পুলিশ সুপারকে (Election Commission)। সরানো হয়েছে কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কেও। সরানো হয়েছে চার পুলিশ কমশনারেটের কমিশনার, এডিজি পদমর্যাদার দু’জনকেও। ইন্দিরার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইয়েলওয়াড় শ্রীকান্ত জগন্নাথ রাওকে। বদলে দেওয়া হল রাজ্যের ১২ পুলিশ জেলার সুপারকেও।

    এসপি বদল (Assembly Election 2026)

    বীরভূমের পুলিশ সুপার করা হয়েছে সূর্যপ্রতাপ যাদবকে। তিনি ২০১১ ব্যাচের আইপিএস। এই জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন আমনদীপ। কোচবিহারের এসপি সন্দীপ কাররাকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৬ ব্যাচের আইপিএস জসপ্রীত সিংকে। বারাসত পুলিশ জেলার নয়া এসপি হলেন ২০১২ ব্যাচের আইপিএস মিস পুষ্পা। এখানে ছিলেন প্রিয়ব্রত রায়। এক সময় কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) ছিলেন প্রিয়ব্রত। সরানো হয়েছে ডয়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার সুপারকেও। বিশপ সরকারকে সরিয়ে এই পদে বসানো হয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (সদর) ঈশানী পালকে। ইসলামপুর পুলিশ জেলার সুপার জোবি থমাসকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ২০১৪ ব্যাচের আইপিএস রাকেশ সিংকে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি ধৃতিমান সরকারকে সরিয়ে বসানো হয়েছে ২০১৩ ব্যাচের আইপিএস সচিনকে।

    কাকে, কোথায় সরানো হল

    বেলডাঙায় অশান্তির পর সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সানি রাজকে। পাঠানো হয়েছিল এসবিতে। মঙ্গলবার কমিশন তাঁকে পাঠিয়ে দিলেন হুগলি (গ্রামীণ)-এর পুলিশ সুপার করে। বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার আরিশ বিলালকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের আইপিএস অলকানন্দা ভাওয়ালকে। মালদার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনুপম সিংকে। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পারিজাত বিশ্বাসকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ২০১২ ব্যাচের আইপিএস অংশুমান সাহাকে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পলাশ ঢালিকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৫ ব্যাচের আইপিএস পাপিয়া সুলতানাকে। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমানকে সরিয়ে বসানো হল ২০১৬ ব্যাচের আইপিএস সুরিন্দর সিংকে। পুলিশ সুপার ছাড়াও বদল করা হয়েছে দু’জায়গার এডিজিকেও। দক্ষিণবঙ্গের নয়া এডিজি হয়েছেন ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস রাজেশকুমার সিং (Election Commission)। আগে এই পদে ছিলেন রাজীব মিশ্র। উত্তরবঙ্গের এডিজি করা হয়েছে ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস কে জয়রামনকে (Assembly Election 2026)। ওই পদে ছিলেন সুকেশ জৈন।

    পুলিশ কমিশনারও বদল

    চার কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনারও বদল করা হয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের নয়া সিপি হয়েছেন প্রণব কুমার। সুনীল কুমার চৌধুরীকে সরিয়ে বসানো হয়েছে তাঁকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের নয়া সিপি হয়েছেন অখিলেশ চতুর্বেদী। এই পদে ছিলেন আকাশ মাঘারিয়া। ব্যারাকপুরের নয়া সিপি হয়েছেন অমিতকুমার সিং। আগে ছিলেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সুশীলকুমার যাদবকে বসানো হয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি পদে। আগে এই পদে ছিলেন কোটেশ্বর রাও।প্রসঙ্গত, সোমবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    মমতার চিঠির পাল্টা বদলির নির্দেশ

    এদিকে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই বা রাজ্যের মতামত না নিয়েই পুলিশ-প্রশাসনে রদবদলে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য তিনি সোমবার রাতে চিঠি দেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। চিঠিতে তিনি লেখেন, আগে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের তরফে রাজ্যের কাছে তিনজনের একটি প্যানেল চেয়ে পাঠানো হত। সেই তালিকা থেকেই কমিশন একজনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এবার সেই প্রচলিত রীতি মেনে চলা হয়নি। কমিশনের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, ভবিষ্যতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হোক এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক রীতি অনুসরণ করা হোক (Assembly Election 2026)। মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠি লেখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নবান্নে চলে এল কমিশনের তরফে নতুন বদলির নির্দেশ (Election Commission)।

     

  • West Bengal Assembly Elections: সরানো হল বঙ্গের দুই পুলিশ কর্তাকে, তাঁদের জায়গায় এলেন কারা?

    West Bengal Assembly Elections: সরানো হল বঙ্গের দুই পুলিশ কর্তাকে, তাঁদের জায়গায় এলেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন ঘোষণা (West Bengal Assembly Elections) করার পর পরই কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও বদলে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ডিজিপি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। ডিজি এবং আইজিপি (ভারপ্রাপ্ত) পদে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে।

    নয়া পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ (West Bengal Assembly Elections)

    কলকাতার নয়া পুলিশ কমিশনার অজয় ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফের প্রথম আইজি। রবিবার বিকেলেই দিল্লিতে সাংবিধানিক বৈঠক করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেন। এ রাজ্যে ভোট হবে দু’দফায়-২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। ভোট ঘোষণার ঠিক পরেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। ভোট ঘোষণার পরেই জ্ঞানেশ জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, শান্তিপূ্র্ণ এবং হিংসামুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই রদবদল করা হচ্ছে প্রশাসনে।

    জ্ঞানেশের কড়া বার্তা

    কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানেশের নেতৃত্বে এ রাজ্যে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারা রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ওই বৈঠকে জ্ঞানেশ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, জেলাশাসক হোন কিংবা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। রাজ্যে নার্কোটিক্স অ্যাডভাইসরি কমিটি না থাকায় (West Bengal Assembly Elections) জ্ঞানেশ ভর্ৎসনা করেছিলেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীতকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, কমিশন সব তথ্য রেখেছে। এর সাতদিনের মাথায়ই সরিয়ে দেওয়া হল বিনীতকে। জানা গিয়েছে, কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ভোটের দফা কমানোর অনুরোধ করেছিল সব রাজনৈতিক দলই। তাদের দাবি মেনেই দফা কমিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এবার এরাজ্যে বিধানসভার ভোট হবে দু’দফায়। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টি আসনে , পরের দফায় হবে বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে (Election Commission)। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায় (West Bengal Assembly Elections)।

     

  • Missing Children List: ১২,৪৫৫ জনের নেই হদিস, নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ!

    Missing Children List: ১২,৪৫৫ জনের নেই হদিস, নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ভারতে নিখোঁজ শিশুর পরিসংখ্যান। সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ভারতের নিখোঁজ শিশুদের সংকটের (Missing Children List) একটি ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে এই নিয়ে তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ভারতে মোট ৩৩৫৭৭ জন শিশু নিখোঁজ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা ১২,৪৫৫ জন। এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি বহু শিশু। তবে অনেক দিন ধরে জমে থাকা মামলার তথ্যের উপর নির্ভর করে এই পরি সংখ্যানকে তুলে ধরা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর (এনসিআরবি) সূত্রেও উপলব্ধ। বাংলার শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমাজকর্মী এবং গবেষকদের কপালে বিরাট চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এই পরিসংখ্যানে পশ্চিমবঙ্গে শিশু সুরক্ষার কী অবস্থা? তা জানতে গেলে সত্যই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়।

    শিশু নিখোঁজ তালিকায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ (Missing Children List)

    মমতার রাজত্ব যেখানে মা মাটি মানুষের নামে উন্নয়ন হয় আর সেই রাজ্য এখন শিশু নিখোঁজ ও পাচারে (Missing Children List) এগিয়ে। গত এক দশকের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ আবারও নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। ২০২২ সালের এনসিআরবি (NCRB) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১২,৪৫৫ জন শিশু নিখোঁজ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮৫% মেয়ে। মোট মেয়েদের পরিসংখ্যান ১০,৫৭১ জন। এখনও পর্যন্ত ৬,৯৯৪ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাজ্যে উদ্ধার বা খুঁজে পাওয়ার হার প্রায় ৫২ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি দুটি মামলার মধ্যে একটিরও সমাধান হচ্ছে না। উল্লেখ্য ২০২৩ সালের মধ্যে রাজ্যে সকল বয়সের নিখোঁজ ব্যক্তিদের মোট মামলার প্রায় ১.২ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছিল। তখন পুনরুদ্ধারের মামলায় হার ছিল ৫২ শতাংশ।

    পশ্চিমবঙ্গ কেন শীর্ষে? প্রধান কারণ কী?

    • ১> ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ ও উন্মুক্ত সীমান্ত থাকায় এটি মানব পাচারের একটি প্রধান করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘ সীমান্তে কাটা তার নেই, নদী, জঙ্গল এবং সমুদ্র থাকায় অবাধে চোরা কারবার, শিশু পাচার (Missing Children List) কাজ হয়ে থাকে। এই এলাকাকে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে উল্লেখ যোগ্য পাচারের জায়গা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে রিপোর্টে। ফলে রাজ্যের শাসক দলের ওপর দায় অবশ্যই বর্তায়।
    • ২> পাচার চক্র: দরিদ্রতা, কর্মসংস্থান এবং বেকারত্বের তাগিতে মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ব্যাপাক ভাবে শিশু পাচারে (Missing Children List) এগিয়ে। জেলাগুলোতে দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে পাচারকারীরা সক্রিয় থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের পাচার করে দিল্লি, মুম্বই, মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে চলে যাওয়া হয়। ইটভাটা, খামারের মতো গৃহস্থলি বা বাণিজ্যিক সংস্থায় যৌন কর্মীর মতো কাজে নিযুক্ত করা হয়।
    • ৩> পুলিশের এফআইআর-এ দেরি: অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়েরি না করে ২৪-৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করে, যা পাচারকারীদের রাজ্য পার হওয়ার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু নিখোঁজ শিশুর (Missing Children List) খোঁজ দ্রুত নিলে হয়তো উদ্ধার কাজ সহজ হয়।
    • ৪> লিঙ্গ বৈষম্য: নিখোঁজ শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশই মেয়ে। এদের মূলত পরিচারিকার কাজ, জোরপূর্বক বিয়ে বা যৌন ব্যবসায় ব্যবহারের জন্য পাচার করা হয়।
    • ৫> সরকারি উদ্যোগ: কেন্দ্রীয় সরকার ‘অপারেশন মুসকান’ এবং ‘ট্র্যাক চাইল্ড’ (TrackChild) পোর্টালের মতো ব্যবস্থা নিলেও রাজ্যগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং সঠিক তথ্য আপলোড না করার ফলে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের কেন্দ্র-বিরোধী নীতির কারণেও সঠিক তথ্য সামনে উঠে আসছে না বলে জানা গিয়েছে রিপোর্টে।

    জাতীয় পোর্টাল তৈরির নির্দেশ

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যজুড়ে নিখোঁজ শিশুদের (Missing Children List) তদন্তের সমন্বয় সাধনের জন্য একটি জাতীয় পোর্টাল তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে তথ্য দিতে খুব একটা উৎসাহী নয়। বেশির ভাগ কেসে নিষ্ক্রিয়তা এবং দেরি অপরাধীদের অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ব্যাপক ভাবে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে।

    সাতটি রাজ্যে পরিসংখ্যান শূন্য!

    প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, ৩৩,৫৭৭ সংখ্যাটি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি ৩৩,৫৭৭টি পরিবারের হাহাকার। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং শিশুদের (Missing Children List) সুরক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক ও সামাজিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আশ্চর্যজনকভাবে দেশের সাতটি রাজ্য জানিয়েছে তাদের রাজ্যে কোনো শিশু নিখোঁজের তথ্য নেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৪০ কোটির দেশে এটি কার্যত অসম্ভব। এই ঘটনা মূলত মামলা নথিভুক্ত না করা (Underreporting) বা তথ্য গোপনের ইঙ্গিত দেয়।

    জাতীয় ট্র্যাকিং সিস্টেমও তথ্য নেই

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই তথ্য সার্বিক ভাবে পাচার, নির্যাতন, হত্যার বিষয়কে সমাজতাত্ত্বিকরা ইঙ্গিত করেছেন। মমতার রাজত্বে এই তথ্য শাসক দলকে ব্যাপক ভাবে চাপে ফেলেছে। এই তথ্য কেবল এক বছরের তথ্য নয়, বরং গত কয়েক বছরের জমে থাকা অমীমাংসিত মামলার প্রতিফলন। শিশুদের নিখোঁজের (Missing Children List) ঘটনা যদি প্রশাসন নথিভুক্ত না করে, পুলিশ যদি অভিযোগ দায়ের না করে তাহলে জাতীয় ট্র্যাকিং সিস্টেমও আপলোড হয় না। ফলে বাস্তব পরিসংখ্যান অধরাই থেকে যায়। বাংলার আমজনতার অবশ্য দাবি তৃণমূলের রাজত্বে পুলিশ কোন অভিযোগকেই এফআইআর করতে চায় না। রাজ্যের ভাবমূর্তি দেশের সামনে খারাপ হবে এই ভাবনার জায়গা থেকে অপরাধ, অভিযুক্ত, দুষ্কৃতীদের প্রচারের আলোয় নিয়ে না আসার একটি বড় শক্তি শাসক দলের অন্দরে রয়েছে।

  • Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আবারও জঙ্গি হামলা চালানো হবে! যে ঘটনা মনে করাবে ২৬/১১-এর ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র (Lashkar-e-Taiba) ডেপুটি চিফ সইফুল্লাহ কাসুরির একটি বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভিডিওতে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ২৬/১১-র ধাঁচে (Lashkar-e-Taiba Attack) সামুদ্রিক পথে বড়সড় জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে। ২০০৮ সালের সেই হামলায় জঙ্গিরা আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে একাধিক স্থানে নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। ফলে এবারও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

    ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”

    ভিডিও বার্তায় কাসুরি দাবি করেছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তান “আকাশে আধিপত্য” দেখিয়েছে এবং ২০২৬ সালে তারা “সমুদ্রে আধিপত্য” প্রতিষ্ঠা করবে। তার কথায়, স্থল, জল ও আকাশ— কোনও ক্ষেত্রেই ভারতের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না। কাসুরি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেয় এবং সাম্প্রতিক ভারতীয় সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওে সংঘটিত জঙ্গি হামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবেও কাসুরির নাম উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ভিডিওতে কাসুরি মুরিদকে ও বহাওয়ালপুরে ভারতের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাসুরি। এই দুই স্থানকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবার কার্যকলাপের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”-এর অভিযোগ তোলে এবং কাশ্মীরে চাপ বাড়ালে অন্যত্র অশান্তি ছড়ানোর হুমকিও দেয় লস্করের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এমনকী,  ভারতীয় ধর্মীয় স্থানগুলিও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন— যা নিয়ে নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    পশ্চিম উপকূলে কড়া নজরদারি

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্টের মতো আটটি জায়গায় হামলা চালায় আজমল কসাব ও তার দলবল। ২০২ সালের ২১ নভেম্বর কসাবের ফাঁসি হয়। এই হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি আমেরিকায় ৩৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে। এই হামলায় নিহত হন ১৬৪ জন মানুষ। আহত হন তিনশো’রও বেশি। জানা গিয়েছিল, করাচি থেকে সমুদ্র পার করে মুম্বই এসে হামলা চালায় ১০ পাক জঙ্গি। হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba Attack) যোগ ছিল। ভারত বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে যে পাকিস্তানের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেয়। যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাসুরির বক্তব্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিম উপকূলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অতীতের অনুপ্রবেশ রুটগুলিতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। যদিও গোয়েন্দাদের মতে, এই হুমকির কিছু অংশ প্রচারমূলকও হতে পারে, তবু কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায় পাঁচটি জিমকে কেন্দ্র করে চলা একটি ইসলাম ধর্মান্তর চক্রের (Mirzapur Gym Conversion Racket) পর্দাফাঁস করেছে পুলিশ। দুই হিন্দু নারী আলাদা আলাদা অভিযোগ (Police) দায়ের করে জানান, মুসলিম জিম প্রশিক্ষকেরা তাঁদের যৌন হয়রান করেছে, অর্থ আদায় করেছে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপ দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ভাদোহির এক পুলিশ কনস্টেবল ইরশাদ খানও এই ধর্মান্তর চক্রের সঙ্গে জড়িত।

    ফরিদ আহমেদ (Mirzapur Gym Conversion Racket)

     জিআরপি  তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ ‘আয়রণ ফায়ার’ ও ‘কেজিএন ২.০’ নামের জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি তরুণীকে ফাঁদে ফেলেছিল বলে অভিযোগ। এর আগে মির্জাপুর কোতওয়ালি দেহাত পুলিশ মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। খারঞ্জা ফলসের কাছে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের গুলি গিয়ে লাগে ফরিদের পায়ে। ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে মির্জাপুর পুলিশ।

    লাকি আলি খান 

    এদিকে, চক্রটির মূল হোতা আশফাক ওরফে লাকি আলি খান এবং তার ভাই ইমরান খানের বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যাতে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। একই সঙ্গে পুলিশ দুই ভাইয়ের প্রত্যেকের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কনস্টেবল ইরশাদ খান অবৈধ তোলাবাজি থেকে অর্জিত অর্থে দামি গাড়ি চালাতেন এবং একাধিক জিমের একটি চেইন গড়ে তুলেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)। অভিযুক্ত মুসলিমদের পরিচালিত জিমে যেসব হিন্দু নারী যেতেন, তাঁদের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘সান্নো’ নামের এক মুসলিম নারীকে (Police)।

    ‘কেরালা স্টোরি’

    একটি তথাকথিত ‘কেরালা স্টোরি’ ধাঁচের ঘটনায়, সান্নো নামের ওই মুসলিম মহিলা চক্রটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং হিন্দু মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করে তাঁদের ফাঁদে ফেলার কাজ করতেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। কোনও ‘শিকার’ যদি একটি জিমে ফাঁদে না পড়তেন, তাহলে তাঁকে ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব ন্যস্ত হত অন্য জিমের হাতে। ইসলামে ধর্মান্তরের লক্ষ্যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম— কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন ৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার সিল করে দিয়েছে, যাতে প্রমাণ লোপাট না করা যায় (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    জেলাশাসকের বক্তব্য 

    জেলাশাসক পবন কুমার গঙ্গওয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব জিম পরিচালনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর জিমগুলি সিল করে দেওয়া হয় (Police)। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ শত শত ছবি, ভিডিও ও চ্যাট-সহ গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে। পুলিশ এই জিম-কেন্দ্রিক ইসলামি ধর্মান্তর চক্রের আর্থিক লেনদেনের সূত্রও খতিয়ে দেখছে। কেজিএন ২.০ জিমের মালিক অমিত দুবে জানান, জিমটি এই ধরনের বেআইনি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা তিনি জানতেন না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই জিমের দামি যন্ত্রপাতি ধর্মান্তরের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে কেনা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাত পর্যন্ত জিমে যাতায়াত ছিল মহিলাদের এবং সেখানে পার্টির আয়োজনও হত (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    মির্জাপুরের পুলিশ সুপার সোমেন ভার্মা বলেন, “এটি কোতওয়ালি দেহাত এলাকার একটি মামলা। দুই মহিলা তাঁদের জিমের মালিক ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক ও অন্যদের বিরুদ্ধে নারীদের শোষণ, তোলাবাজি এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার সব অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, সিটি এএসপি নীতিশ সিং জানান, পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি পরিচালনা করতেন তিন ভাই ও তাঁদের এক জামাই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বহু ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর। মির্জাপুর পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান চালিয়ে তিনটি জিম সিল করে এবং মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (Police)।

    পৃথক অভিযোগ

    কোতওয়ালি দেহাত থানায় পৃথক অভিযোগে দুই হিন্দু মহিলা জানান, মির্জাপুরে জিম ট্রেনার হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। এমনকি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও তৈরি করেও ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং শেষে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হয় (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ২০ জানুয়ারি নটওয়ান মিল্লত নগরের বাসিন্দা মহম্মদ শেখ আলি আলম এবং গোসাই তালাব এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ জাহির ও শাদাব নামের আরও দু’জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ও আটক সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একটি সংগঠিত ‘লাভ জেহাদ’ নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল।

    ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত

    অভিযুক্ত জাহির কেজিএন-১ জিমের মালিক। তবে তিনি যুক্ত ছিলেন কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সঙ্গেও। যাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁরা আগে কেজিএন জিমে যেতেন, সেখানেই অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। বি-ফিট জিমে যাওয়া এক অভিযোগকারী জানান, অভিযুক্ত শেখ আলি তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ধীরে ধীরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। পরে তাকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করা হয়। এমনকি তার নামে ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত অভিযুক্তরা (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ভুক্তভোগীর দাবি, শেখ আলি আলম একাধিকবার তাকে বোরখা পরিয়ে ছবি তুলেছে এবং দিনে পাঁচবার নামাজ পড়তে বাধ্য করেছে। তাকে দরগায় নিয়ে গিয়ে কালমা পড়তে বাধ্য করা হয় এবং জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানো হয়। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে শেখ আলি আলম তাঁকে গালিগালাজ করে, অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, জিম ট্রেনার ফয়সাল ও তার সহযোগীরাও এই ধর্মান্তর চক্রে যুক্ত।

    ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, এখন পর্যন্ত সিল করা পাঁচটি জিমে প্রায় ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলে শোষণ ও ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে এবং তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা চলছিল। এখন পুলিশ শুধু অভিযুক্তদের কল ডেটা রেকর্ডই নয়, জিমগুলির অর্থায়নের উৎসও তদন্ত করছে। যদিও জিম ট্রেনারদের বেতন ছিল মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, তবু তারা দামি ব্র্যান্ডের পোশাক ও জুতো এবং দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করত।  রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মির্জাপুরের কয়েকজন (Police) প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিও এসব জিমে বিনিয়োগ করেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

     

  • Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেসিকে (Messi Goat Tour) নিয়ে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যা হল, তাতে বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে তৃণমূল-শাসিত বাংলার। তবে শনিবার সন্ধেয় হায়দরাবাদ সাক্ষী রইল আর্জেন্টিনার তারকা-ফুটবলার লিয়োনেল মেসির ম্যাজিকে (Satadru Dutta)। রবিবার বিশ্বজয়ী ‘লা আলবিসেলেস্তে’র অধিনায়ক পা রাখছেন মুম্বইয়ে। উল্লেখ্য যে, হায়দরাবাদের পর রবিবার মুম্বইয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সফরের প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে ছাড়াই। এদিকে, শনিবার যুবভারতীর ঘটনায় গ্রেফতারির পর বিধাননগর আদালতে তোলা হলে শতদ্রুকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

    শতদ্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Messi Goat Tour)

    যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুরের ঘটনায় শতদ্রুর বিরুদ্ধে মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিন আদালতে গোট ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তের আইনজীবীর সওয়াল, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে, এমন কী এমপিও আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি কী এমন কাজ করেছেন, যার জন্য এই আইনে মামলা হবে। পাশাপাশি জামিনের আবেদনও জানানো হয়।

    শতদ্রুর প্রশ্ন

    এদিন শতদ্রু নিজে পুলিশি হেফাজতের বিরুদ্ধে প্রশ্ন (Messi Goat Tour) তুলে বলেন, “স্টেডিয়ামে যা ঘটেছে, তার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা কেন? ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতেরই বা প্রয়োজন কেন?” সরকারি আইনজীবী বলেন, “মেসির সামনে কে যাবেন, আর কে যাবেন না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আয়োজকের। আয়োজক নিজের লোকজনকে নিয়ে এমনভাবে মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন, যাতে সাধারণ দর্শকরা তাঁকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি।” জনসমাগম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আয়োজকের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছে, এই মর্মে সবপক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত শতদ্রুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায়।

    এদিকে, যুবভারতীর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি তাদের কাজ শুরু করে দিল। রবিবার কমিটির সদস্যরা যুবভারতীতে (Messi Goat Tour) পৌঁছে প্রথমেই মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের সঙ্গে কমিটির বাকি দুই সদস্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী মেসির প্রবেশপথের করিডর, নিরাপত্তা (Satadru Dutta) ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর করেন।

  • Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় প্রেস ক্লাবে হানা দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালাল ইসলামাবাদ পুলিশ (Pakistan Police)। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার জেরে বন্ধ ইন্টারনেট। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগেও তপ্ত পাকিস্তান। এহেন আবহে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বিশ্বজুড়ে।

    সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা (Pakistan Police)

    পাক সংবাদমাধ্যমের খবর, রাজধানী ইসলামাবাদের কেন্দ্রে অবস্থিত এই প্রেস ক্লাবে কাশ্মীরি সাংবাদিকদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ অভিযান চালায়। ওই সাংবাদিকরা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (JAAC) ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচি কভার করছিলেন। এই জেএএসি-ই শাহবাজ শরিফ সরকারের বিরুদ্ধে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাঠি হাতে পুলিশ কর্মীরা প্রেস ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করছে এবং সেখানে বসা লোকজনের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আরও কিছু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কয়েকজন পুলিশকর্মী কিছু প্রতিবাদকারীকে বাইরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছেন সাংবাদিকরা

    আর একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, এক সাংবাদিক এক হাতে তাঁর ক্যামেরা ধরে রয়েছেন। আর অন্য হাতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার আঁকড়ে ধরা কলার থেকে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছেন (Pakistan Police)। এশিয়া ওয়ান টিভি চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিক আনাস মালিক সংবাদপত্রকে জানান, পুলিশ ক্লাবে এসেছিল কাশ্মীর থেকে আসা সেই সাংবাদিকদের গ্রেফতার করতে, যারা জেএএসির প্রতিবাদের ডাক কভার করছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশ কর্মীরা গুণ্ডাদের মতো আচরণ করছিল।”

    আর এক সাংবাদিক হামিদ মির জানান, পুলিশ জেএএসি সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছিল এবং ক্যাফেটেরিয়ায় উপস্থিত সাংবাদিকদের টার্গেটে পরিণত করেছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই অভিযান চালানো হয় যখন পাক অধিকৃত থেকে আসা লোকজন প্রেস ক্লাবের বাইরে ওই নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা করে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছে পাকিস্তান হিউম্যান রাইটস কমিশন (এইচআরসিপি)।

    পুলিশি অভিযানের ঘটনায় পাকিস্তান জুড়ে তীব্র নিন্দা শুরু হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে নকভি জানান, তিনি এই দুঃখজনক ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং ইসলামাবাদের ইনসপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন (Pakistan Police)।

LinkedIn
Share