Tag: policy

  • OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল করে দেওয়া হল ওবিসি সংরক্ষণ (OBC Quota Row) নিয়ে রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকারের নীতি। নজিরবিহীন এই পদক্ষেপ করল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা। ওবিসি সংরক্ষণ কমিয়ে করা হল ৭ শতাংশ (TMC Govt Policy)। আগে ওবিসি ‘এ’ ক্যাটেগরিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সুযোগ মিলত। ওবিসি ‘বি’ ক্যাটেগরিতে ছিল ৭ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১০-সালের আগের সংরক্ষণ নীতিই বহাল রাখল রাজ্য সরকার। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু জাতি তাদের নায্য অধিকার ফিরে পাবে। ৭ শতাংশ সংরক্ষণের জন্য অনগ্রসর হিসেবে ৬৬টি জাতির তালিকাও প্রকাশ করেছে রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত প্রথম সরকার।

    ওবিসি সংরক্ষণের হার (OBC Quota Row)

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে একলপ্তে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্তও নেয় রাজ্যের নয়া মন্ত্রিসভা। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য থাকা ওবিসি সংরক্ষণ আপাতত বাতিল করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে এই মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, কেবল তফশিলি জাতি এবং উপজাতির বাইরে থাকা প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু সম্প্রদায়ই পাবেন নয়া সংরক্ষণ ব্যবস্থার সুবিধা। সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে অবিলম্বে কার্যকর হতে চলেছে এই নয়া নিয়ম। মঙ্গলবারই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। রাজ্যপালের নির্দেশে প্রকাশ করা হয়েছে সেই তালিকাও।

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ!

    বাম রাজত্বের শেষ পর্বে এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রথম দিকে ২০১০-এর মার্চ থেকে ২০১২-র মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের নাম তোলা হয়েছিল ওবিসির তালিকায়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে মামলা দায়ের হয় (OBC Quota Row)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে তুষ্টিকরণে রাজনীতি করতে গিয়ে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকায় জায়গা দেয়। ২০২৩ সালে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকায় নিয়ে আসে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ের সংখ্যা পৌঁছয় ১৭৯-এ।

    শুভেন্দুর সরকারের ফরমান

    ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল সরকারের আমলে যত ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছিল শুভেন্দুর সরকার। সোমবারের বৈঠকে সেই তালিকা যাচাই এবং উপ-শ্রেণিবিভাগের তালিকা বাতিল করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় ক্যাবিনেট। তার পর মঙ্গলবারই জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে বাকি ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল। আদালতের যুক্তি ছিল, ধর্মের ভিত্তিতে এই সম্প্রদায়গুলিকে ওবিসি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ২০১০ থেকে বিলি হওয়া ৫ লাখের মতো ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়ে যায়। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত (TMC Govt Policy) রাজ্য সরকার। সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি বলেই অসমর্থিত সূত্রের খবর (OBC Quota Row)।

  • Indias Energy Policy: “সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব যারা দেবে, তাদের থেকেই তেল কিনবে ভারত,” সাফ কথা ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের

    Indias Energy Policy: “সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব যারা দেবে, তাদের থেকেই তেল কিনবে ভারত,” সাফ কথা ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক (Indias Energy Policy) বাড়ানো সত্ত্বেও রাশিয়ার থেকে ভারত তেল কেনা অব্যাহত রাখবে। সাফ জানিয়ে দিলেন মস্কোয় নিযুক্ত নয়াদিল্লির রাষ্ট্রদূত (Indian Envoy)। রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘তাস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় কুমার বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে নয়াদিল্লির জ্বালানি বাণিজ্য অব্যাহত থাকার জবাবে ভারতীয় আমদানির ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করার ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তকে লক্ষ্য করে এই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য, অযৌক্তিক এবং অযথার্থ।” তিনি শুল্ক বৃদ্ধিকে ন্যায্য বাণিজ্যের নীতি ক্ষুণ্ণকারী এক শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তাসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর রাশিয়া-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতা বৈশ্বিক তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করেছে।” প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটন যখন ভারতের আমদানির ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে মোট শুল্ক হার ৫০ শতাংশে নিয়ে যায়, তার কয়েক সপ্তাহ পরেই এল মস্কোয় নিযুক্ত নয়াদিল্লির রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য।

    ভারতের প্রতিনিধির সাফ কথা (Indias Energy Policy)

    ভারতের প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, ভারতের জ্বালানি নীতি মূলত তার জনগণের জন্য নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজনে গঠিত, বাইরের কোনও রাজনৈতিক চাপে নয়। তিনি বলেন, “সরকার দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিতে থাকবে।” কুমার বলেন, “বাণিজ্য সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ভিত্তিতেই হয়। তাই যদি বাণিজ্যিক লেনদেনের ভিত্তি ঠিক থাকে।  সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব যারা দেবে, তাদের থেকেই তেল কিনবে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতি এটিই।” ভারত বারবার (Indias Energy Policy) রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে চলেছে। নয়াদিল্লির যুক্তি, সাশ্রয়ী জ্বালানির প্রাপ্যতা তার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শীর্ষকর্তারা আরও জানান, অন্যান্য দেশ, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলিও এখনও কিছু মাত্রায় মস্কোর সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। কুমার বলেন, “আমাদের বাণিজ্য বাজারের উপাদানের ওপর ভিত্তি করে এবং ১৪০ কোটি ভারতীয় মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে করা হয়। অন্য দেশগুলিও, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ রয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করছে।”

    জয়শঙ্করের আগের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আগের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে। শনিবার জয়শঙ্কর ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে অন্যায্য ও অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “নয়াদিল্লি ভারতের কৃষক ও ক্ষুদ্র উৎপাদকদের স্বার্থে কখনও আপস করবে না।” প্রসঙ্গত, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে ভারত ২০২২ সাল থেকে রাশিয়া থেকে (Indian Envoy) অপরিশোধিত তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই জ্বালানি কিনে চলেছে ভারত। কুমার বলেন, “ভারত ও রাশিয়া জাতীয় মুদ্রায় নিষ্পত্তির জন্য একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থা চালু করেছে (Indias Energy Policy)।”

LinkedIn
Share