Tag: Political Mobilisation

  • Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল (Osman Faizan Ali)। এই বিক্ষোভকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলির ভূমিকা নিয়ে।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Osman Faizan Ali)

    প্রতিবাদ কর্মসূচিটি হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) উদ্যোগে। আন্দোলনটিকে ছাত্র-যুবদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিভিন্ন পোস্টার ও প্রচারসামগ্রীতে ওসমান ফয়জান আলির ছবি দেখা গিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্ল্যাকার্ডে তাঁর পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ান ওসমান ফয়জান আলি – ফ্রম ইউএসএ’। বিক্ষোভকারীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের অনেকেই পোস্টারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কয়েকজন আবার জানান, সংগঠকদের কাছ থেকে তাঁরা পোস্টার পেয়েছেন এবং ছবিতে থাকা ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই।

    কে এই ওসমান ফয়জান আলি?

    জানা গিয়েছে, ওসমান মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘@bbm_india_’-এ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও নিট ইস্যু নিয়ে একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব কনটেন্টে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ইঙ্গিতও উঠে এসেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ১ জুন ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের উদ্দেশে মন্তব্য করতে গিয়ে ওসমান বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবেগ ও উত্তেজনা উসকে দিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ভিডিওতে সরাসরি কোনও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ডাক দেওয়া হয়নি (Osman Faizan Ali)। সম্প্রতি প্রকাশিত আরও একটি ভিডিওতে তিনি দিল্লি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। তবে সেই ভিডিওতেও আন্দোলন আটকে দিলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘Button Ballot Movement by Osman Faizan Ali’-এর পুরনো কিছু কনটেন্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদের ভোটারদের এআইএমআইএম (AIMIM) এবং কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থন করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যে বিজেপিকে পরাজিত করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ককরোচ জনতা পার্টি-সমর্থন এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য ওসমানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি (CJP)।

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্র। এখন দেশের বাইরে অবস্থান করেও কোনও ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে আন্দোলনের বয়ান গঠন, জনমত প্রভাবিত করা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার করার সুযোগ পাচ্ছেন (Osman Faizan Ali)। যন্তর মন্তরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রচারসামগ্রীর উৎস সম্পর্কে কতটা সচেতন, এবং সর্বোপরি, বিদেশে থেকে অনলাইন সক্রিয়তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনায় অনলাইন প্রচার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং জনআন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে (CJP) আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Osman Faizan Ali)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

  • Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরেই ভারতের হতাশ তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে ককরোচ জনতা পার্টি, সংক্ষেপে সিজেপি (Cockroach Janta Party)। ভাইরাল ভিডিও, ইনফ্লুয়েন্সার নেটওয়ার্ক, ইনস্টাগ্রামে প্রচার এবং সরকারবিরোধী বার্তার মাধ্যমে সংগঠনটি নিজেদের দেশের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল যুব আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। তাদের নেতৃত্ব বারবার দাবি করেছে, সংগঠনের অনুসারীর সংখ্যা কয়েক কোটি এবং এটি একটি তৃণমূলভিত্তিক গণআন্দোলনের প্রতিফলন।

    ককরোচ জনতা পার্টি, প্রশ্ন যেখানে (Cockroach Janta Party)

    তবে ৬ জুন, দিল্লির যন্তর-মন্তরে (Jantar Mantar) আয়োজিত সংগঠনের প্রথম বড় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের বড় ফারাকটাই তুলে ধরে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক ও অনিয়মের তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল অনলাইন ক্ষোভকে বাস্তব রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের সক্ষমতা প্রদর্শন করা। কিন্তু সমাবেশের ভিড় নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয়—ককরোচ জনতা পার্টি কি সত্যিই একটি গণভিত্তিক আন্দোলন, নাকি এটি মূলত অ্যালগরিদম, ভাইরাল কনটেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল একটি ডিজিটাল ঘটনা?

    সমাবেশে লোকজন কই?

    সিজেপি (Cockroach Janta Party) কোনও প্রচলিত রাজনৈতিক দল বা ছাত্র সংগঠন থেকে গড়ে ওঠেনি। বরং ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবকেন্দ্রিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল পরিমাণ ফলোয়ার রয়েছে দাবি করে প্রথমবারের মতো বড় জনসমাবেশের আয়োজন করায় ৬ জুনের বিক্ষোভকে অনেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুহূর্ত হিসেবে দেখেছিলেন। প্রশ্ন উঠেছিল, কোটি কোটি অনলাইন ফলোয়ার কি হাজার হাজার মানুষকে রাজপথে নামিয়ে আনতে পারবে? সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কি রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে? ভাইরাল জনপ্রিয়তা কি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ভিত্তি হতে পারবে? বিক্ষোভের জমায়েত দেখে অবশ্য এই সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বিস্তৃত প্রচার ও একাধিক ইনফ্লুয়েন্সারের সক্রিয় অংশগ্রহণ সত্ত্বেও, যন্তর-মন্তরের সমাবেশে উপস্থিতি সংগঠনের দাবি করা বিশাল ফলোয়ারের সংখ্যার তুলনায় নিতান্তই নগন্য (Jantar Mantar)।

    সংগঠনের শক্তি

    বিক্ষোভে ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবক ও সমর্থকদের দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্বও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনেকে অনুষ্ঠানের দৃশ্যপট মোবাইলবন্দি করে তৈরি করছিলেন অনলাইন কনটেন্ট (Cockroach Janta Party)। তাই অনেকের কাছে পুরো পরিবেশটি রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি একটি বড় ইনফ্লুয়েন্সার সমাবেশের আকারও নেয়। সিজেপির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা। প্রচলিত ছাত্র আন্দোলনের মতো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্থানীয় সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের পরিবর্তে এই সংগঠনের শক্তি মূলত এসেছে অনলাইন প্রচার ও ভাইরাল হওয়া কনটেন্ট থেকে (Jantar Mantar)।

    কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে সভা নয়

    সমাবেশে ককরোচ আঁকা মুখোশ, পোস্টার, শিল্পকর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক নানা প্রতীক ব্যাপকভাবে দেখা যায়। সমাবেশে অংশ নেওয়া অনেকের কাছে এটি সমমনা সমর্থক ও অনলাইন পরিচিতদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এটি ডিজিটাল আন্দোলনের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া অনায়াস হলেও, সেই সমর্থনকে দীর্ঘমেয়াদি ফিল্ড লেভেলের সংগঠনে রূপ দেওয়া অনেক বেশি কঠিন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থী ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অনিশ্চয়তা এবং নিয়োগ ও ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন (Cockroach Janta Party)। তাঁদের অনেকেই জানান, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে নয়। শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত ত্রুটি-বিচ্যুতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই তাঁরা উপস্থিত হয়েছেন (Jantar Mantar)।

    সরকারবিরোধী কণ্ঠ

    অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে আবার এমনও জানিয়েছে, বহু সমর্থক বাস্তবে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক, শেয়ার ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মধ্যেই নিজেদের সমর্থন সীমাবদ্ধ রাখেন। সিজেপির উত্থানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় এই ইনফ্লুয়েন্সার অতীতে বিভিন্ন বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছেন। বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাঁর প্রকাশ্য যোগাযোগ এবং নিজেকে সরকারবিরোধী কণ্ঠ হিসেবে উপস্থাপন করা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চার বিষয় হয়েছেন তিনি। বিদেশি ভাষ্যকার এবং পাকিস্তানের কিছু কর্মীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি যদি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করে, তাহলে নেতৃত্ব, আদর্শ, অর্থায়ন, নেটওয়ার্ক ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে (Jantar Mantar)। যন্তর-মন্তরের কর্মসূচিতে প্রধান দাবি ছিল, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

    দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? 

    সমালোচকদের একাংশের মতে, কেবল একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেই শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তা নয়। এতে একটি বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে আসে—প্রতীকী জবাবদিহি কি যথেষ্ট, নাকি বাস্তব সংস্কারের জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতিগত প্রস্তাব, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? বিক্ষোভে এই প্রশ্নগুলির সুস্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ৬ জুনের এই কর্মসূচি হয়তো তাৎক্ষণিক দাবির চেয়ে বেশি আলোচিত হবে ডিজিটাল যুগের আন্দোলনের শক্তি ও সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন হিসেবে। সিজেপি অনলাইন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে, সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করতে এবং তরুণদের মধ্যে একটি পরিচিত ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে সফল হয়েছে।

    ভাইরাল জনপ্রিয়তা বনাম বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি

    কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে পারবে কি না, তা এখনই বলা যাবে না (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এলেও কোটি কোটি অনলাইন ব্যবহারকারীর দাবি এবং বাস্তব জনসমাগমের ব্যবধানই এই কর্মসূচির সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে (Jantar Mantar)। ভবিষ্যতে সেই ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আপাতত এই জমায়েত একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জনপ্রিয়তা এবং বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি সবসময় এক নয় (Cockroach Janta Party)।

     

LinkedIn
Share