Tag: political violence

political violence

  • West Bengal Poll Violence: ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের! বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ

    West Bengal Poll Violence: ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের! বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি ধরে রাখতে ডায়মন্ড হারবারে ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের (TMCs Gundagiri)! আজ, বুধবার পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ। অভিযোগ, বসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সরদারের গাড়িতে (West Bengal Poll Violence) হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, এলাকাজুড়ে তৃণমূল ব্যাপক ‘গুন্ডাগিরি’ চালাচ্ছে। সরদার জানান, ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়, আক্রমণ করা হয় তাঁর গাড়ি চালককেও। বিকাশ বলেন, “পুরো বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের গুন্ডাগিরি চলছে। ২০০-২৫০ জন তৃণমূলের গুন্ডা লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে আমার গাড়িতে হামলা করেছে। তারা আমার চালককেও মারধর করেছে।”

    বিজেপির বুথকর্মীর অভিযোগ (West Bengal Poll Violence)

    এদিকে, নদিয়ার চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রের এক বিজেপি বুথকর্মীর অভিযোগ, বুধবার ভোরে একদল দুষ্কৃতী তাঁকে আক্রমণ করেছে। ওই বুথকর্মীর নাম মোশাররফ মির। তিনি হাতরা পঞ্চায়েতের ৫৩ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট। তাঁর দাবি, সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ ১৫-২০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি লোহার রড ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁকে মারধর করে পালিয়ে যায়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। আপাতত, সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তাঁর মাথায় ছ’টি সেলাই পড়েছে।

    কী বলছেন মির?

    মির বলেন, “তৃণমূলের কিছু গুন্ডা লুকিয়ে ছিল জানিয়াল্লামুল্লার বাড়িতে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। জানিয়াল্লামুল্লা নিজেই একজন অপরাধী। তার কাছে বন্দুক ছিল। আরও দু’জনের কাছেও বন্দুক ছিল। তারা সেগুলি দেখাচ্ছিল। তারপর আরও ১৫-২০ জন আমাদের দিকে আসে। তাদের হাতে ছিল লোহার রড ও লাঠি। তারা প্রথমে আমায় আক্রমণ করে, মারধর করে ফেলে দেয় (West Bengal Poll Violence)।” তিনি আরও বলেন, “তারা আমায়  বারবার আঘাত (TMCs Gundagiri) করতে থাকে। আমার সঙ্গে থাকা লোকজনকেও আক্রমণ করা হয়। আমার মাথায় ছ’টি সেলাই পড়েছে। আমি চাই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করুক। আমি বিচার চাই।”

    এদিকে, এদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত নদিয়া জেলায় ভোটের হার ছিল ১৮.৫০ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমান সর্বোচ্চ ২০.৮৬ শতাংশ ভোট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। হুগলিতে ভোট পড়েছে ২০.১৬ শতাংশ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ১৭.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণে যথাক্রমে ১৭.২৮ শতাংশ ও ১৬.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে, আর হাওড়ায় ভোটের হার ১৭.৭৬ শতাংশ। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে মূল লড়াই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। এর আগে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করেন। দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টির মধ্যে ১৪২টি আসনে ভোট হচ্ছে। মোট ভোটার প্রায় ৩.২১ কোটি। এর মধ্যে ১,৬৪,৩৫,৬২৭ জন পুরুষ, ১,৫৭,৩৭,৪১৮ জন মহিলা এবং ৭৯২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন (West Bengal Poll Violence)। প্রসঙ্গত, ১৪২টি আসনে ভোট হলেও, সবার নজর “বিগ ফাইভ” আসনগুলির দিকে। ভবানীপুরের হাই-প্রোফাইল আসনের পাশাপাশি, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কেন্দ্র টালিগঞ্জেও তারকাখচিত জমজমাট লড়াই চলছে (TMCs Gundagiri)।

     

  • Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আসরে গুলি চালানোর অভিযোগে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই কোল অ্যালেন আগে থেকেই একটি ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার তৈরি করে (Donald Trump) নিজের পরিবারের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ‘পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহী’ শব্দগুলি (Shooting) ব্যবহার করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না থাকলেও, অনেকেই মনে করছেন, ওই কথাগুলি অভিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করেই লেখা হয়েছিল।

    ইস্তাহারে কী লিখেছিলেন ধৃত যুবক (Donald Trump)

    হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস’ ডিনারে গুলি চালানোর অভিযোগে ধৃত যুবক কোল অ্যালেন ওই ইস্তাহারে লিখেছিলেন, “আমি আর কোনও পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহীর অপরাধে আমার হাত রক্তাক্ত হতে দিতে রাজি নই।” যদিও সেখানে তিনি সরাসরি ট্রাম্প বা মার্কিন প্রশাসনের কোনও কর্তার নাম উল্লেখ করেননি। ঘটনার পর ট্রাম্প সিবিএসের ‘৬০ মিনিটসে’ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হিংসার অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘উগ্রপন্থায় প্রভাবিত’ ইস্তাহার বলে মন্তব্য করেন। মিডিয়াকে ‘ভয়ঙ্কর মানুষ’ বলে দেগে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, ও (কোল অ্যালেন) এটা লিখেছিল। আমি ধর্ষক নই। আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি।”

    “আমি পিডোফাইল নই”

    নিউজ অ্যাঙ্কর তাঁর কাছে জানতে চান, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ট্রাম্পকেই বোঝাতে চেয়েছিলেন কি না। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি পিডোফাইল নই। মাফ করবেন, আমি পিডোফাইল নই। আমি ধর্ষক নই। কোনও অসুস্থ মানুষের লেখা এসব বাজে কথা আপনি পড়ছেন? আমার সঙ্গে এমন সব বিষয়ের নাম জড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কই নেই। আমি পুরোপুরি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি।” তদন্তকারীরা ওই যুবকের ইস্তাহার খতিয়ে দেখছেন (Shooting)। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ইস্তাহার থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে সন্দেহভাজনের লক্ষ্য ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তারা। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে গুলির শব্দ শোনা গেলে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের আধিকারিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’!

    কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনাটি বলরুমের বাইরে ঘটে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি এক বা দু’রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সিঁড়ির কাছে তাঁকে আটক করা হয়। হোয়াইট হাউসের এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলার কয়েক মিনিট আগে তাঁর পরিবারকে একটি উদ্বেগজনক ইস্তাহার পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে একজন ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’ বলে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, কোনও ইরানি অপারেটিভ সহজেই নিরাপত্তা ভেদ করে ঢুকে পড়তে পারে—এভাবে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল বলেই তুলে ধরে তিনি। ইস্তাহারে ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের আধিকারিকদের টার্গেট করার ইচ্ছের কথাও উল্লেখ ছিল। রাজনৈতিক হিংসার বারংবার উল্লেখও পাওয়া গিয়েছে ওই ইস্তাহারে।

    ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’কে এক মার্কিন কর্তা জানান, ওই নথিতে ‘সর্বোচ্চ পদমর্যাবদা থেকে সর্বনিম্ন পর্যন্ত’ কর্তাদের টার্গেট হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। যদিও এফবিআই (FBI) পরিচালক কাশ প্যাটেলের নাম ওই তালিকায় ছিল না। হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিযুক্ত লিখেছিলেন (Shooting), দেওয়াল ভেদ কম করার জন্য সে স্লাগের বদলে বাকশট ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি, যাতে (Donald Trump) প্রয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যদের ভেদ করেও এগিয়ে যাওয়া যায়।

  • Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই শেষ হল ২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের (Assam Assembly Election) প্রচার। এদিনই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

    কাঠগড়ায় খাড়্গে (Assam Assembly Election)

    হিন্দুদের প্রতি চরম হতাশা ও বিদ্বেষের প্রকাশ হিসেবে, শ্রীভূমি জেলার দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের এক নির্বাচনী জনসভায় খাড়্গে দলের মুসলিম সমর্থকদের উসকানি দেন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, “প্রয়োজনে মাঝপথে নমাজ আদায় ছেড়ে দিয়েও আরএসএস এবং বিজেপি কর্মীদের আক্রমণ করতে হবে।” এই দুই সংগঠনকে তিনি তুলনা করেন বিষধর সাপের সঙ্গে। খাড়্গে বলেন, “কোরআনে বলা আছে, যদি বিষধর সাপ দেখ, তাহলে তাকে মেরে ফেলতে হবে, এমনকি যদি নমাজ আদায় মাঝপথে ছাড়তেও হয়। আরএসএস-বিজেপি সেই বিষধর সাপের মতো। যদি তাদের না মারো, তবে তোমরা নিরাপদে থাকবে না।”

    একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের

    কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যে রাজ্যজুড়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে। আরএসএসের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে দিশপুর এবং শিলচর থানায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, দক্ষিণ অসমের এক নির্বাচনী সভায় দেওয়া এই বক্তব্য অবমাননাকর, উসকানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িকভাবে সংবেদনশীল (Mallikarjun Kharge)। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যে আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে বিষধর সাপের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং তাদের নির্মূল করার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে (Assam Assembly Election)। আরএসএস জানিয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে শত্রুতা, ভয়ভীতি ও হিংসা উসকে দিতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে ধর্মীয় ভাবাবেগকে হাতিয়ার করাও খাড়্গের বক্তব্যে স্পষ্ট।

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই বক্তব্য ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮৩ নম্বর ধারার অধীনে দুর্নীতিপূর্ণ নির্বাচনী আচরণের মধ্যে পড়ে। এটি জনসাধারণকে ভয় দেখানো এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর শামিল (Assam Assembly Election)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে “বিষাক্ত” বলে চিহ্নিত করা এবং তাদের নির্মূল করার আহ্বানকে সংগঠনের সদস্য ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাতের প্ররোচনা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, এই মন্তব্য হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং অসমে জনশান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে পারে। এমন বক্তব্য সময়মতো মোকাবিলা করা না হলে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে।

    আরএসএসের বক্তব্য

    আরএসএসের তরফে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক আলোচনাকে সংবিধান ও আইনের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নির্বাচনী প্রচারে এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়, যা সামাজিক ঐক্য ও শান্তিকে বিপন্ন করে (Assam Assembly Election)। এদিকে, খাড়্গের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি থানায় এফআইআর দায়ের করেছে বিজেপিও। অসম বিজেপির দাবি, ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য কংগ্রেস এমন পর্যায়ে নেমে গিয়েছে যে তারা সনাতন সভ্যতার পবিত্র প্রতীকগুলিকেও আক্রমণ করছে। কংগ্রেস নেতার এই উসকানিমূলক মন্তব্যকে হিন্দু বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতি সরাসরি অপমান হিসেবে তীব্র নিন্দে করেছে অসম প্রদেশ বিজেপি।

    প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্য

    পদ্মশিবিরের মতে, আরএসএস-বিজেপিকে নিষিদ্ধ করার দাবি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার পরিচয় এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যও প্রকাশ করে। বিজেপির অভিযোগ, সনাতন সভ্যতায় প্রকৃতি ও জীবজগতকে পবিত্র হিসেবে মানা হয়, কিন্তু ভোটের মেরুকরণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেস (Mallikarjun Kharge) এমনভাবে উপস্থাপন করেছে, যাতে ভগবান শিবের পবিত্র অলঙ্কারকেও ক্ষতিকর হিসেবে দেখানো হয়েছে—যা লাখ লাখ ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে (Assam Assembly Election)। এই ধরনের বক্তব্য শুধু নিন্দনীয় নয়, সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে বিপজ্জনকও। অসম বিজেপি এই উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি শহরের বাসিষ্ঠ থানায় এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও। নির্বাচনী প্রচারে উত্তেজনামূলক ও সমাজবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় খাড়্গের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

  • PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দমন-পীড়ন সয়েও দলকে শক্তিশালী করেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জরুরি অবস্থা থেকে শুরু করে কংগ্রেস আমলের দমন-পীড়ন এবং বাংলার মতো রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা—সব কিছু সহ্য করেও তাঁরা দলকে শক্তিশালী করেছেন এবং দেশের সেবা করেছেন।” সোমবার বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে (BJPs Foundation Day) কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির কর্মীদের নিষ্ঠা ও ত্যাগের প্রশংসা করতে গিয়েই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলি তুলে ধরতে বিজেপি কর্মীরা কখনও পিছপা হন না। তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ভারতের ভবিষ্যৎকে উন্নত করবে। তাই কর্মীরা সব ধরনের কষ্ট সহ্য করেছেন—তা জরুরি অবস্থার সময় হোক বা কংগ্রেস আমলের অত্যাচার। অনেক কর্মী নিজেদের জীবনও উৎসর্গ করেছেন। আমরা বাংলার মতো রাজ্যে দেখেছি, যেখানে হিংসা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।”

    জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

    রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রাথমিক সময়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সেই সময় ভুলতে পারি না, যখন ১৯৮৪ সালে কংগ্রেস রেকর্ড সংখ্যক আসন জিতেছিল, কিন্তু একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাও করেছিল। এর ফলে মানুষের বিজেপির প্রতি আস্থা বাড়ে এবং ধীরে ধীরে আমরা আসন জিততে শুরু করি।” ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আদর্শগত পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেই সময় দুটি মতাদর্শ সামনে আসে—একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং অন্যটি সেবাভিত্তিক রাজনীতি (PM Modi)।”

    আরএসএস থেকে প্রেরণা

    তিনি জানান, বিজেপি আরএসএস থেকে প্রেরণা পেয়েছে (BJPs Foundation Day)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরএসএসের বিশাল ও পবিত্র বটবৃক্ষের ছায়ায় আমরা নিঃস্বার্থ উদ্দেশ্য ও সততার সঙ্গে রাজনীতিতে প্রবেশের প্রেরণা পেয়েছি। প্রথম কয়েক দশকে আমরা সংগঠনের নীতিনির্ধারণে নিজেদের শক্তি নিয়োজিত করেছি। পরে সময় আসে, যখন বিজেপি নিজেকে একটি শক্তিশালী কর্মীভিত্তিক দল হিসেবে গড়ে তুলতে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করে।” তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বিশাল কর্মীবাহিনী গড়ে তুলেছি যারা সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করে, দলের আদর্শকে নিজেদের জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং কোনও পরিস্থিতিতেই নিজেদের মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করেনি (PM Modi)।”

    আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি

    বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসের আবেগঘন তাৎপর্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেখানে আমরা দলকে মায়ের মতো মনে করি। তাই এই দিনটি শুধু রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়, প্রতিটি কর্মীর জন্য আবেগের দিন। এই দিনটি আমাদের দেশসেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ দেয় (BJPs Foundation Day)।” বিজেপির সভাপতি নীতিন নবীনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আমি বিশেষভাবে আমাদের সভাপতি শ্রী নবীনজিকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সভাপতি হওয়ার পর এটি দলের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস। বর্তমানে পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন চলছে, সেখানে আমরা দলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। মনে হচ্ছে নবীনজি দলে নতুনত্ব ও সতেজ শক্তি এনেছেন।”

    বিজেপির প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আজ বিজেপি যে শিখরে দাঁড়িয়ে আছে, তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু লাখ লাখ কর্মীর পরিশ্রম, তাঁদের ত্যাগ ও কঠোর সাধনা—এগুলি সত্যিকারভাবে কেবল সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, যিনি নিজে এই যাত্রার অংশ ছিলেন।” বিজেপির (PM Modi) উৎপত্তি জনসংঘ থেকে, যা ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর কংগ্রেসকে পরাজিত করার লক্ষ্যে জনতা পার্টির সঙ্গে একীভূত হয়। পরে আরএসএস এবং জনসংঘের সদস্যদের দ্বৈত সদস্যপদ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর ফলে জনসংঘের সদস্যরা জনতা পার্টি ছেড়ে ৬ এপ্রিল ১৯৮০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি প্রতিষ্ঠা করেন (BJPs Foundation Day)। গঠনের পর থেকে বিজেপি দুজন প্রধানমন্ত্রী দিয়েছে—অটল বিহারি বাজপেয়ী এবং নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • Panchayat Vote: হিংসা অব্যাহত! মুর্শিদাবাদে ভোটের বলি ১, হামলায় জখম আরও ১

    Panchayat Vote: হিংসা অব্যাহত! মুর্শিদাবাদে ভোটের বলি ১, হামলায় জখম আরও ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) দিন হামলায় জখম আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হল মুর্শিদাবাদে। শুক্রবার সকালে মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই রঘুনাথগঞ্জের চর বাজিতপুরের চাঞ্চল্য ছড়ায়। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সইবুর রহমান(৬০)। তিনি এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জের ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বড়োশিমূল গ্রাম পঞ্চায়েতের চর বাজিতপুরে। এদিন সকালেই কলকাতা এনআরএস হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। গত শনিবার ভোটের (Panchayat Vote) দিন দুষ্কৃতীরা প্রথমে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে ও পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, সোমবার মৃতের আরও এক ভাই মইদুল শেখের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী  আকরুজ্জামান বলেন, ‘‘সকালেই আমি এই দুঃসংবাদ পেয়েছি। ভোটের দিন ওখানে আমাদের দলীয় কর্মীদের বেধড়ক মারা হয়। একজনের মৃত্যু হল। সাতজন এখনও হাসপাতালে রয়েছে। আমি প্রশাসনকে বলেছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।’’ 

    সামশেরগঞ্জে হামলায় গুরুতর জখম সিপিএম প্রার্থীর শ্বশুর সহ দুই

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফের উত্তপ্ত হল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ। এখানকার নিমতিতা অঞ্চলের দুর্গাপুর গ্রামে সিপিএম প্রার্থী মাস্তুরা খাতুনের শ্বশুরের ওপর প্রাণঘাতী হামলা হয়। সন্ধ্যায় স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো সামশেরগঞ্জেও ভোটের (Panchayat Vote) দিন ছাপ্পা চলছিল, সেসময় তা দেখে সরব হয় বিরোধীরা। তখনই সিপিএমের প্রার্থী মাস্তুরা খাতুনকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় তৃণমূল প্রার্থী। রেজাল্ট বের হতে দেখা যায় ওই বুথে জিতেছে তৃণমূল। ভোটে (Panchayat Vote) জিতেই প্রাণঘাতি হামলা চালায় তৃণমূল প্রার্থী ও তার দলবল। এমনটাই অভিযোগ সিপিএম প্রার্থীর শ্বশুর সাহেব শেখের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে সামশেরগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    শুক্রবার আহতের অবস্থার অবনতি হলে জঙ্গিপুরে স্থানান্তর করা হয়

    গুরুতর আহত অবস্থায় অনুপনগর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয় সিপিএম প্রার্থীর শ্বশুর সাহেব শেখকে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় শুক্রবার তাঁকে স্থানান্তর করা হয় জঙ্গিপুরে। ঘটনাস্থলে এখনও মোতায়েন  রয়েছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। হাসপাতাল চত্বরে শুক্রবার মাস্তুরা খাতুন বলেন, ‘‘তৃণমূল নেতা আনসার ও তার দলবলেরা আমাদের বাড়িতে চড়াও হয়। আমার শ্বশুর এবং ভাইকে মারধর শুরু করে তারা। আমাকেও বেধড়ক মারে ওরা। এই ঘটনায় আমরা বিচার চাইছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Political Violence: রাজনৈতিক হিংসায় বাড়ছে মানসিক অবসাদ! শিশুদের সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    Political Violence: রাজনৈতিক হিংসায় বাড়ছে মানসিক অবসাদ! শিশুদের সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    টিভির পর্দা, খবরের কাগজ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিন, সর্বত্রই হিংসার দাপট (Political Violence)। রক্তের বন্যা। রাজনৈতিক নির্বাচন হোক কিংবা বিনোদনের ওটিটি চ্যানেল, হিংসার পাল্লা সর্বত্রই ভারী। আর তার জেরেই বাড়ছে বিপদ, এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন বিপদের আশঙ্কা? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, হিংসা (Political Violence) প্রতিদিন বাড়ছে। রাজ্যে সবে শেষ হল পঞ্চায়েত নির্বাচন। মনোনয়ন তোলা থেকে জমা দেওয়া, ভোট গ্রহণ থেকে ফল প্রকাশ, প্রত্যেক পর্বেই চলেছে হিংসা। শাসক দলের দাপটে কখনও বিরোধী দলের কর্মীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আবার কখনও গুলি চালানোর জেরে আহত অবস্থায় হাসপাতাল ভর্তির খবর জানা গিয়েছে। লাগাতার হিংসার ঘটনার জেরে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষত, শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞ মহল। এই ধরনের হিংসার ঘটনার জেরে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। রাজনৈতিক হিংসার পাশপাশি বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, বিনোদনের দুনিয়াতেও এখন হিংসাত্মক ঘটনা বেশি দেখানো হয়। বিশেষত ১৫-১৮ বছর বয়সি বহু ছেলেমেয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, সিরিজ দেখে। যেগুলোতে মূলত নানা ধরনের হিংসার ঘটনা বেশি দেখানো হয়। আর এই সব মিলিয়ে কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে নানা মানসিক সমস্যা।

    কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে মানসিক অবসাদ, রাগ, মানসিক চাপ এবং সিদ্ধান্তহীনতার মতো সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব সামান্য ব্যাপারেই দেখা যাচ্ছে, কম বয়সি ছেলেমেয়েরা ভয়ানক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। আবার ছোট কোনও সমস্যাতেও তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। তারা এমন কিছু করে ফেলছে, যা অনভিপ্রেত। আসলে, তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। কোনও কিছুর উপরে বিশ্বাস করতে পারছে না। ফলে, মানসিক চাপ ও অবসাদ তৈরি হচ্ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, খুব কম বয়স থেকেই পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করতে হবে। সেটা সামাজিক হোক বা রাজনৈতিক (Political Violence)। নিয়মিত খবর দেখানো যেমন দরকার, তেমনি সেগুলো সম্পর্কে আলোচনাও জরুরি। কনসালট্যান্টদের মতে, হিংসার ঘটনা বাড়ির ছোটদের সামনে এলে, তাদের বোঝানো দরকার, যা হচ্ছে তা ঠিক নয়। হিংসার মাধ্যমে আসলে সাফল্য পাওয়া যায় না। তবে, কখনই তাকে বাস্তব বিমুখ করা যাবে না। হিংসার ঘটনা (Political Violence) হচ্ছে বলে তা লুকিয়ে যাওয়া উচিত নয়। কোন ধরনের রাজনৈতিক পরিবেশে সে আছে, সে সম্পর্কে অবহিত থাকা জরুরি। তবে, বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক হতে হবে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। অতিরিক্ত হিংসা যাতে কম বয়সিরা না দেখে, বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েরা যাতে অপরাধমূলক অনুষ্ঠান বিশেষ না দেখে, সে সম্পর্কে অভিভাবকদের সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে তারা এই ধরনের অপরাধ দেখে তা অনুকরণের চেষ্টা করে। যা তাদের জন্য মর্মান্তিক হতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: একই পরিবারে ৩ প্রার্থী, নেই রাজনৈতিক হিংসা! অন্য নজির পূর্ব মেদিনীপুরে

    Panchayat Election: একই পরিবারে ৩ প্রার্থী, নেই রাজনৈতিক হিংসা! অন্য নজির পূর্ব মেদিনীপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। প্রতিটি রাজনৈতিক দল রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ভোটপ্রচারে। তবে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট ব্লকের কোলা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আশুরালী গ্রামে ভোটপ্রচার (Panchayat Election) একটু অন্য রকম। এই গ্রামে প্রার্থীদের মধ্যে নেই ভোট নিয়ে হিংসা, বিবাদ কিংবা প্রার্থীদের মধ্যে ভোটপ্রচার নিয়ে টক্কর। এই আসনটি ওবিসিদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় গ্রামের একটি পরিবারেরই তিনজন প্রার্থী নির্বাচনের ময়দানে নামতে বাধ্য হন। তৃণমূল, বিজেপি এবং সিপিআইএম প্রার্থী নির্বাচিত হয় আশুরালী গ্রামের পাল পরিবার থেকেই। এক কথায়, পরিবারের কাকা ও দুই ভাইপো লড়ছেন আশুরালী গ্রাম থেকে। কাকা সন্ন্যাসী পাল লড়ছেন সিপিআইএম থেকে, ভাইপো শান্তনু পাল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে এবং অপর ভাইপো উত্তম পাল লড়ছেন বিজেপি থেকে।

    তিনজনেরই রাজনীতিতে (Panchayat Election) হাতেখড়ি

    পেশায় তিনজনেরই ছোটখাট ব্যবসা। কাকা সন্ন্যাসী পালের দোকান রয়েছে কোলাঘাটে খড়িচক মোড়ে, তৃণমূল প্রার্থী (Panchayat Election) শান্তনু পালের ফুলের ব্যবসা এবং বিজেপি প্রার্থী উত্তম পালের বাড়ির সামনে ছোটখাট একটি দোকান। তিনজনই রাজনীতিতে সক্রিয় নন। বলা যেতে পারে, রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ভোট যেহেতু সামনে, তাই প্রাথমিক ভোটপ্রচার হিসেবে তিনপক্ষই দেওয়াল লিখন শুরু করেছে। গত নির্বাচনে এই বুথটি বামেদের দখলে ছিল। তাই এবারেও জেতার ব্যপারে আশাবাদী পরিবারের কাকু অর্থাৎ সিপিআইএম প্রার্থী সন্ন্যাসী পাল। পাশাপাশি তৃণমূল প্রার্থী শান্তনু পালের দাবি, দিদির উন্নয়নের জোয়ারে জয় মিলবে তাঁর। অন্যদিকে অপর ভাইপো বিজেপি প্রার্থী উত্তম পালের দাবি, রাজ্য সরকারের দুর্নীতি, বেকারত্বই তাঁদের জয় এনে দেবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে।

    সবাই চান শান্তিতে নির্বাচন (Panchayat Election) সম্পন্ন হোক

    তিন প্রার্থীই বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু করেছেন ব্যবসার ফাঁকে। তবে তিন প্রার্থীই একই বাড়িতে বসবাস। নেই রাজনৈতিক বিদ্বেষ বা হিংসা। তিন প্রার্থীরই একটাই বক্তব্য, শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হোক পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election)। রাজনীতির ময়দানে যেই জিতুক, কোনওভাবেই হিংসার রেশ পরিবার বা গ্রামের মানুষের মধ্যে যাতে না পড়ে, সেই আবেদনই করছেন তিন দলেরই প্রার্থী। তবে ভোটের পর ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে এলাকার মানুষ। কে শেষ হাসি হাসবে, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটা দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Murder: গত ৭ দিনে খুন ৩ বিজেপি নেতা-কর্মী! রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে

    BJP Murder: গত ৭ দিনে খুন ৩ বিজেপি নেতা-কর্মী! রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ৭ দিনে খুন (BJP Murder) ৩ বিজেপি নেতা। পশ্চিমবঙ্গে যে আইনের শাসন একেবারেই নেই তা নিয়ে বহুবার সরব হয়েছে বিজেপি সমেত বিরোধী দলগুলি। রাজ্যের বর্তমান হিংসার চিত্র প্রমাণ করছে, বিরোধী দলের দাবি মিথ্যা নয়। এমনটাই বলছে কোনও কোনও মহল। একদিকে, রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার ২ বছর পূর্তি পালন করছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ২ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিরোধীদের উপর নামে লাগামছাড়া সন্ত্রাস। প্রায় ১ লক্ষের ওপর বিজেপি কর্মী ঘর ছাড়া হয়। ২৫ হাজারের বেশি রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটে। পরিসংখ্যান বলছে ভোট পরবর্তী হিংসায় ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটে (BJP Murder)। লুট, সন্ত্রাস, মহিলাদের ওপর নির্যাতন কোনও কিছুই বাদ যায়নি। বিজেপি ইতিমধ্যে তাই ২ মে’ কালা দিবস হিসেবে পালন করেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব শহিদদের উদ্দেশে তর্পণও করেছেন। কিন্তু পরিস্থিতির বদল হয়নি এতটুকু। ফের একবার শাসক দলের সন্ত্রাসের শিকার হতে হচ্ছে বিজেপিকে। পুলিশ-তৃণমূলের যৌথ সন্ত্রাস।

    ১ মে রাতে ময়নায় খুন (BJP Murder) হন বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া

    বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন (BJP Murder) করা হয় বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে। তিনি ছিলেন বাকচার বুথ সভাপতি। জানা গিয়েছে, ওই বিজেপি নেতা ১ মে রাতে যখন বাড়ি ফিরছিলেন সেই সময় তাঁর স্ত্রীর সামনেই তাঁকে জোর করে প্রথমে মোটরবাইকে চাপিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কিছুটা দূরে রাতে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। আজ ময়না জুড়ে বন‍্‍ধ চলছে ১২ ঘণ্টার । 

    ২৯ এপ্রিল খুন (BJP Murder) হন জামুড়িয়ার বিজেপি নেতা রাজেন্দ্র সাউ

    গত ২৯ এপ্রিল জামুড়িয়ায় শুটআউটে মৃত্যু হয় বিজেপির কনভেনর রাজেন্দ্র কুমার সাউয়ের। গাড়ির মধ্যে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বলছেন, শনিবার দুপুরে জামুড়িয়ার বোগরা এলাকায়, ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে নির্জন জায়গায় দীর্ঘক্ষণ এই সাদা গাড়িটি দাঁড়িয়ে ছিল। সন্দেহ হওয়ার গাড়ির কাছে যান স্থানীয়রা। তখনই দেখা যায়, গাড়ির ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। 

    ২৭ এপ্রিল খুন (BJP Murder) হন কালিয়াগঞ্জের বিজেপি কর্মী মৃত্যুঞ্জয় বর্মন

    গত ২৭ এপ্রিল নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত কালিয়াগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে যুবককে গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠে। সেদিন, গভীর রাতে অভিযান চালানোর সময় গুলি চালায় পুলিশ। নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মন, বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের খুড়তুতো ভাই এবং একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী বলে জানা যায়। বারবার পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। এই ঘটনা বিজেপির আনা অভিযোগকেই সত্য প্রমাণ করল বলে মনে করছেন, ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Factionalism: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, চলল গুলি, জখম পুলিশ 

    TMC Factionalism: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, চলল গুলি, জখম পুলিশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Factionalism)। তার জেরে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ (Police) কর্মীও। সোমবার রাত ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বসিরহাটের শাকচূড়া বাজারে। ঘটনার জেরে থমথমে এলাকার পরিস্থিতি। ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অশান্তি এড়াতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    নেপথ্য কাহিনি…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শাকচূড়া বাজারের টাকি রোডের ওপর রয়েছে তৃণমূলের (TMC) একটি পার্টি অফিস। সোমবার রাতে সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে তুমুল অশান্তি (TMC Factionalism) হয় বলে অভিযোগ। প্রথমে চলে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ। পরে শুরু হয় বচসা। কিছুক্ষণ এভাবে চলার পর শুরু হয় দু পক্ষে হাতাহাতি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বসিরহাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ওই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কয়েক রাউন্ড গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। গুলির ঘায়ে জখম হন অনন্তপুর পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল প্রভাস সর্দার। গুলি লাগে তাঁর বাম কাঁধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ। এর পরেই ছত্রভঙ্গ হয় দুষ্কৃতীরা। জখম ওই পুলিশ কর্মীকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল বাহিনী। রয়েছেন বসিরহাটের পুলিশ সুপার জেবি থমাস কে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    গুলি চালানোর ঘটনার পরে পরেই স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার ছেলে সহ ৪১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল নেতা সিরাজুল ইসলামকেও। পার্টি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দু রাউন্ড গুলি। তৃণমূল কর্মী কুতুবউদ্দিন গাজি বলেন, আমাদের এক নেতা বাজারে ছিল। আচমকাই সিরাজুলের অফিস থেকে বেশ কিছু জন বেরিয়ে তাঁকে মারধর করে ও বন্দুক দেখায়। আমরা ছুটে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়। তিনি বলেন, পার্টি অফিসে পুলিশ ঢুকতে যাওয়ার সময় গুলির আওয়াজ শোনা যায়। একজন পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। সিরাজুলের ছোট ছেলে বা ভাইয়ের হাতে একটা বন্দুকও দেখা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share