Tag: polling booth

polling booth

  • Assembly Elections 2026: এবার বুথের দায়িত্বে এনবিসিসি, কলকাতা হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    Assembly Elections 2026: এবার বুথের দায়িত্বে এনবিসিসি, কলকাতা হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন নির্বিঘ্নে শেষ করতে বুথ নিরাপত্তা নিয়ে বড় পদক্ষেপ  জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Assembly Elections 2026)। জানা গিয়েছে, এবার বুথগুলির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে এনবিসিসিকে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে এটাই জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, বুথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেই মামলার শুনানিতেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বুথগুলির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের কাজ করবে এনবিসিসি। এর আগে যে সংস্থা এই দায়িত্বে ছিল, তাদের সরিয়েই এনবিসিসিকে দেওয়া হচ্ছে বুথের দায়িত্ব।

    ফাঁক-ফোকর রুখতে নয়া ব্যবস্থা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের দাবি, রাজ্যের বুথগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যাতে কোনও ফাঁক-ফোকর না থাকে, তাই এই সিদ্ধান্ত। আদালতে জানানো হয়েছে, বুথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্টিংয়ের দায়িত্বও থাকবে ওই সংস্থার ওপর।দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠেছিল বুথ নিরাপত্তা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেই প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি এখনও চলছে। গত ১৩ জানুয়ারি শমীক ভট্টাচার্য সশরীরে কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আবেদন জানান। শমীক জানান, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতিটি বুথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে নির্বাচনের আগেই সুরক্ষা ব্যবস্থা সার্ভে করা জরুরি।

    শমীকের বক্তব্য

    তিনি জানান, এতদিন বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ম্যাকিনটোশ বার্ন। তারা প্রায় ছ’মাস আগেই সেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে। তাই বর্তমানে রাজ্যের বুথ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হন শমীক (Assembly Elections 2026)। আবেদনে তিনি জানান, রাজ্য সরকার যদি ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে অপারগ হয়, তবে প্রয়োজনে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়। এর পরেই জাতীয় নিরাপত্তা কমিশন জানায় বুথের দায়িত্ব দেওয়া হবে এনবিসির হাতে। উল্লেখ্য যে, এনবিসিসির পুরো রূপটি হল ন্যাশনাল বিল্ডিংস কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন লিমিটেড। বর্তমানে এর সরকারি নাম এনবিসিসি ইন্ডিয়া লিমিটেড। এটি ভারত সরকারের একটি নবরত্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, যা ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয় এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শ ও রিয়েল এস্টেট প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে (Assembly Elections 2026)।

     

  • Betul fire incident: ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে বাসে আগুন! পুড়ল একাধিক ইভিএম

    Betul fire incident: ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে বাসে আগুন! পুড়ল একাধিক ইভিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মঙ্গলবার ৭ মে ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। সারা দেশে নির্বিঘ্নে ভোটদান হলেও ভোট শেষে রাতের অন্ধকারে ঘটল অগ্নিকান্ডের (Betul fire incident) ঘটনা। আগুন লাগার খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যায় দমকল। ধীরে ধীরে আগুন নিভিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জানা গেছে, বাসে মোট ছটি ইভিএম ছিল। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Betul fire incident)

    ঘটনাটি মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ মধ্যপ্রদেশের গোলা গ্রামের কাছে ঘটেছে। ভোট শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রদেশের বেতুল ভোটকেন্দ্র থেকে ইভিএম (Electronic Voting Machines) নিয়ে বাসে ফিরছিলেন পোলিং অফিসারেরা। ঠিক সেই সময় পথে হঠাৎ বাসে আগুন (Betul fire incident)লেগে যায়। হঠাৎ করে আগুন লেগে যাওয়ায় বাস থেকে চালক-সহ সকলে নেমে যান। দুটি ইভিএম মেশিন অক্ষত অবস্থায় বের করা গেলেও বাকি চারটি ইভিএম আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
    জানা গেছে, বেতুলের ২৭৫, ২৭৬, ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯ এবং ২৮০ নম্বর বুথের ইভিএম–এর ক্ষতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা নির্বাচন কমিশনকে (Election commission) জানানো হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে ওই ছটি বুথে আবারও ভোট হবে কি না। 

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার তৃতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হয়েছে (Lok Sabha election 2024), তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪ টির পাশাপাশি গুজরাতের ২৫, কর্নাটকের ১৪, মহারাষ্ট্রের ১১, উত্তরপ্রদেশের ১০, মধ্যপ্রদেশের ৯ টি, ছত্তীসগঢ়ের ৭ টি, বিহারের ৫ টি, অসমের ৪ টি, গোয়ার ২ টি, দাদরা ও নগর হভেলীর ১ টি এবং দমন ও দিউয়ের ১ টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বেতুল লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃতীয় দফায় মোট ৭২.৬৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। তবে আগ্নিকান্ডের ঘটনায় (Betul fire incident) ইভিএম মেশিন গুলি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় কমিশন আবারও এই কেন্দ্রে পরবর্তীতে ভোটের সিদ্ধান্ত নেবেন কিনা তা সময়ই বলবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share