Tag: Praggnanandhaa

Praggnanandhaa

  • Praggnanandhaa: পিছিয়ে পড়েও ইতিহাস! প্রথম ভারতীয় হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জয় প্রজ্ঞানন্দের

    Praggnanandhaa: পিছিয়ে পড়েও ইতিহাস! প্রথম ভারতীয় হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জয় প্রজ্ঞানন্দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দের (Praggnanandhaa)। প্রথম ভারতীয় দাবাড়ু হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর (Grand Chess Tour) খেতাব জিতলেন ২১ বছরের এই তরুণ তুর্কি। পিছিয়ে থেকেও ফাইনালে ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন প্রজ্ঞানন্দ। ফাইনালে এক সময় ছ’পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন তিনি। এরপর কারুয়ানাকে দু’টি র‌্যাপিড গেমে হারিয়ে দেন। তার পর ব্লিৎজ গেমে ১৫-১৩ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রমেশবাবু। ফাইনালে কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়েছে ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টারকে। তবে, আগ্রাসী দাবা খেলে ফাইনাল জমিয়ে দেন তিনি।

    ভারতীয় দাবায় ঐতিহাসিক মুহূর্ত

    ভারতীয় দাবাকে আরও একবার নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন প্রজ্ঞানন্দ।এই খেতাব জিতে ২ লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার পেলেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ টাকার সমান। প্রজ্ঞানন্দের কেরিয়ারে এটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শিরোপা। এদিন র‌্যাপিড রাউন্ডে চাপে ছিলেন দুই দাবাড়ুই। কারণ চার গেমের এই রাউন্ডই হয়ে ওঠে আসল ফাইনাল। সেখানেই চাপ সামলে কিস্তিমাত করেছেন প্রজ্ঞানন্দ। প্রথম গেমে কিছুটা চাপে পড়ে যান ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার। জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও সময়ের চাপে ভুল চাল দিয়ে পরিস্থিতি জটিল করে ফেলেন। কারুয়ানাও ভুল করলে ম্যাচ ড্র হয়। পরের ম্যাচগুলি জিতে ১৫-১৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন প্রজ্ঞানন্দ।

    পরবর্তী লক্ষ্য দাবা অলিম্পিয়াড

    বছরের শুরুটা প্রজ্ঞানন্দের জন্য ভাল হয়নি। ক্যান্ডিডেটস টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার নেমেই ব্যর্থ। কিন্তু এরপর স্বপ্নের ফর্মে ফেরেন। নরওয়ে চেসে ম্যাগনাস কার্লসেনকে (Magnus Carlsen) দু’বার হারিয়ে শিরোপা জয়। জেতেন সেন্ট লুইস র‍্যাপিড ও ব্লিটজ খেতাবও। সিঙ্কফিল্ড কাপেও যুগ্মভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন। প্রজ্ঞানন্দের কথায়, ‘ক্যান্ডিডেটস জিতলে ভাল লাগত ঠিকই। কিন্তু এই টুর্নামেন্ট জেতাও দারুণ একটা ব্যাপার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পরেই এই টুর্নামেন্টের স্থান। এই স্তরের প্রতিযোগিতায় জিততে গেলে অনেক মানসিক দৃঢ়তা লাগে। আমি শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে পেরে খুশি।’টানা একমাস দাবার বোর্ডে মগ্ন থাকার পর প্রজ্ঞার পরবর্তী লক্ষ্য এখন দাবা অলিম্পিয়াড (Chess Olympiad)। আগামী ১৬ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানের সমরকন্দে খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে ভারতীয় দল। সেখানেও অন্যতম প্রধান ভরসা প্রজ্ঞানন্দ।

  • Praggnanandhaa: নরওয়েতে অপ্রতিরোধ্য ভারতের কিশোর দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ

    Praggnanandhaa: নরওয়েতে অপ্রতিরোধ্য ভারতের কিশোর দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবায় ভারতের বিষ্ময় বালক প্রজ্ঞানন্দ রমেশবাবু-র ঘরে এল বড় খেতাব। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তথা দুনিয়ার এক নম্বর দাবাড়ু নরওয়ের ম্যাগনাস কার্লসেন-কে চলতি বছর পরপর দু বার হারিয়ে শোরগোল ফেলে দেওয়া ১৬ বছরের প্রজ্ঞানন্দ (Praggnanandhaa) নরওয়েতে খেতাব (Norway title) জিতল। এই টুর্নামেন্টে শীর্ষ বাছাই হিসেবেই খেলতে নেমেছিল প্রজ্ঞানন্দ।

    ভারতের অপর প্রতিশ্রুতবান দাবাড়ু ভি প্রনীথকে হারিয়েই খেতাব জয় নিশ্চিত করে প্রজ্ঞানন্দ। এই টুর্নামেন্টে রানার্স হলেন ইজরায়েল মার্সেল এফরোস্কি আর তৃতীয় স্থানে শেষ করলেন সুইডেন জুং মিন সিও।

    নরওয়ে চেজ গ্রুপ এ ওপেন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হল আর প্রজ্ঞানন্দ। নয় রাউন্ডের প্রতিযোগিতায় ভারতের ১৬ বছরের গ্র্যান্ডমাস্টারের সংগ্রহ ৭.৫ পয়েন্ট। প্রতিযোগিতায় কোনও ম্যাচ হারেনি প্রজ্ঞানন্দ। যদিও চ্যাম্পিয়ন হতে পারা নিয়ে শেষ রাউন্ড পর্যন্ত কিছুটা সংশয় ছিল। শেষ রাউন্ডে ভারতের আন্তর্জাতিক মাস্টার ভি প্রনীথকে হারিয়ে খেতার নিশ্চিত করে প্রজ্ঞানন্দ। 

    আরও পড়ুন: ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারিয়ে অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতের ‘বিস্ময় বালক’ প্রজ্ঞানন্দ

    চ্যাম্পিয়ন হয়ে খুশি প্রজ্ঞানন্দ। এই প্রতিশ্রুতবান দাবাড়ুর কথায়, ‘‘এই প্রতিযোগিতায় বেশ উঁচু মানের খেলা হয়েছে। প্রতিটা ম্যাচে পরিকল্পনা অনুযায়ী চাল দিতে পেরেছি। নিজের খেলায় আমি খুশি।’’

    একাদশ শ্রেণির ছাত্র প্রজ্ঞানন্দ কয়েক মাস ধরেই বেশ ভাল ছন্দে রয়েছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেনকেও হারিয়েছে সে। ফলে আত্মবিশ্বাসও রয়েছে যথেষ্ট। প্রজ্ঞানন্দের এই সাফল্যে তাই অবাক নয় ভারতের দাবা মহল। এর পর ভারতের ‘বি’ দলের হয়ে চেন্নাইয়ে দাবা অলিম্পিয়াড খেলবে প্রজ্ঞানন্দ। কয়েক দিন পরেই যোগ দেবে ভারতীয় দলের শিবিরে।

    বিশ্বনাথন আনন্দের প্রিয় ছাত্র প্রজ্ঞানন্দ জানায়, খেলার আগে বা খেলা চলাকালীন কোনও চাপ নেয় না সে।  লক্ষ্য থাকে একটাই— দাবার বোর্ডে সেরাটা দেওয়ার। ফলের কথা সেই মুহূর্তে মাথায় ঢুকতে দেয় না ১৬ বছরের এই বিস্ময় বালক। বড় প্রতিযোগিতায় বা বড় প্রতিপক্ষের সামনে মাথা ঠান্ডা রাখাটাই শ্রেয় বলে মনে করে সে। তাই এ ভাবেই খেলা চালিয়ে যেতে চায় প্রজ্ঞানন্দ।  

LinkedIn
Share