Tag: President of India

President of India

  • Draupadi Murmu: নিউজিল্যান্ড-ফিজি-তিমুর সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর

    Draupadi Murmu: নিউজিল্যান্ড-ফিজি-তিমুর সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ৫ থেকে ১০’ই অগাস্ট পর্যন্ত ফিজি, নিউজিল্যান্ড এবং তিমোর লেস্তে সফর করবেন। নতুন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ মজুমদার একথা জানান। তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রপতির (President Of India) এটিই প্রথম ফিজি ও তিমোর সফর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি কার্যকর করেছে। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির ওপর বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে।

    ফিজিতে রাষ্ট্রপতির কী কর্মসূচি? (Draupadi Murmu)

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) আগামী সপ্তাহে তিন দেশের সফরে যাচ্ছেন। তাঁর প্রথম সফর ফিজি থেকে শুরু হবে। সেই দেশের সংসদে তিনি ভাষণ দেবেন। তাঁর ফিজি সফর ৫ অগাস্ট থেকে শুরু হবে। ৭ তারিখ পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন। ফিজিতে রাষ্ট্রপতি মুর্মু সেই দেশের রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম কাটোনিভের এবং  প্রধানমন্ত্রী সিটিভেনি রাবুকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন। বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ মজুমদার বলেন, “ফিজির সঙ্গে আমাদের জনগণের মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। ফিজির জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং তাঁরা ভারতের ভাষা, রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেছে। এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁদের কথাবার্তা হবে। আমাদের দুই দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত ও ফিজির সম্পর্ককে আরও সুনিশ্চিত করবে। ভারত-ফিজির একটি শক্তিশালী উন্নয়ন অংশীদার হয়েছে। অনেক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কয়েক বছর আগে ঘোষণা মতো আমরা সুভাতে একটি ১০০-শয্যার তৃতীয় হাসপাতাল তৈরি করব।”

    আরও পড়ুন: ৫০০ টাকা থেকে ৫ কোটির সাম্রাজ্য! কৃষ্ণার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনুপ্ররণা শত শত নারীর

    তিন দেশের সফর নিয়ে কী বললেন বিদেশ সচিব?

    রাষ্ট্রপতি মুর্মুর (Draupadi Murmu) তিন দেশ সফরের আরও বিশদ বিবরণ দিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ  মজুমদার বলেন, “প্রেসিডেন্ট (President Of India) প্রথমে ফিজি এবং পরে নিউজিল্যান্ড এবং তারপরে তিমুর-লেস্তে যাবেন। ভারতের রাষ্ট্রপতির এই সফরের একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি ঘোষণা করেছিলেন। এই তিনটি অঞ্চলই আমাদের অ্যাক্ট ইস্ট নীতির মধ্যে পড়ে। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের একটি খুব পুরানো এবং শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা আমরা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশগুলির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali:  ‘রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া উপায় নেই’, সন্দেশখালি ঘুরে মত জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের

    Sandeshkhali: ‘রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া উপায় নেই’, সন্দেশখালি ঘুরে মত জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারে ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) । রাস্তায় বেরিয়ে গর্জে উঠেছেন নির্যাতিতা মহিলারা। সোমবার অসহায় সেই নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করতে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা সহ তিনজনের প্রতিনিধি দল সন্দেশখালি যান। নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানিয়েছেন। আতঙ্কিত মহিলারা রেখা শর্মার কাছে রাষ্ট্রপতি শাসনের আর্জি জানিয়েছেন।

    নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বললেন রেখা শর্মা? (Sandeshkhali)

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সন্দেশখালির আগেই আটকে দেওয়া হয়। সুকান্তর ওপর পুলিশি নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এর আগে তফসিলি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) গিয়ে নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। সেখানে সন্দেশখালির মানুষের সঙ্গে কথা বলে রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে তিনি সওয়াল করেন। এমনকী সন্দেশখালি থেকে ফিরে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করা হয়। সোমবার দুপুরে  জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা সোজা সন্দেশখালি পৌঁচ্ছে যান। সন্দেশখালির পাত্রপাড়া, দাসপাড়া, কান্ডার পাড়র মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। যারা দীর্ঘদিন অভিযোগ করছিলেন, সেখানে অত্যাচার হয়েছে তার রিপোর্ট নিয়ে সোজা সন্দেশখালি থানায় যান। এদিন মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিদের সামনে সেই রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষেই সওয়াল করলেন এলাকার মহিলারা।

     জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন কী বললেন?

    জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা বলেন, আমি নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। ভয়াবহ অবস্থা। দুটি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি। শ্লীলতাহানির অভিযোগও অনেকে করেছে। কিন্তু, তাঁরা যা বলেছেন তা ভাবা যায় না। দিনের পর দিন মহিলাদের ওপর নির্যাতন হয়েছে। ১৮টি অভিযোগ পেয়েছি। যার সাহস করে মুখ খুলেছেন তাদেরকেও পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছে। এই ধরনের অভিযোগও আমার সামনে এসেছে। আমাকে ধরে মহিলারা কাঁদছেন। আস্থা নেই পুলিশে। রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া উপায় নেই।

    <

    p style=”text-align: justify;”> 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CID: ‘হেনস্থা’ করছে সিআইডি! প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর

    CID: ‘হেনস্থা’ করছে সিআইডি! প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিআইডি (CID) তাঁর ওপর কার্যত অত্যাচার চালাচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে। জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি বিচারপতির স্বামী চিঠি পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীকেও।

    নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়ে খুশি চাকরিপ্রার্থীরা 

    আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে-র বক্তব্য, তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডাকা হয়েছিল যেখানে সিআইডি (CID) তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান লেখার জন্যও চাপ দিতে থাকে। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার একের পর এক নির্দেশে খুশি হয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সম্প্রতি, বিচারপতি সিনহা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির উৎস কী, তাও জানতে চেয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই  বিচারপতি সিনহার স্বামীকে এভাবে হেনস্থা করছে রাজ্যের সিআইডি (CID)।

    জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিচারপতির স্বামীকে কিছু খেতেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ

    সিআইডির বিরুদ্ধে প্রতাপচন্দ্র দে আরও জানিয়েছেন, আদালতের কাজকর্ম শেষ করে দুপুর দুটো নাগা তিনি সিআইডি (CID) অফিসে হাজিরা দিতে যান। তখন থেকে রাত্রি এগারোটা পর্যন্ত সেখানে সিআইডি অফিসাররা তাঁর ওপর কার্যত অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁকে খেতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি বলে দাবি বিচারপতির স্বামীর। শারীরিক অসুস্থতার জন্য তাঁকে ওষুধ নিতে হয় সেদিন সিআইডি সে বিষয়ে কোনও গুরুত্বও দেয়নি বলে অভিযোগ প্রতাপচন্দ্র দের।

    প্রতাপবাবুর মতে, যে মামলায় তাঁকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হয়েছে, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করার পরিবর্তে বিচারপতি সিনহার বিষয়ে নানান তথ্য জানান চেষ্টা করেছে সিআইডি (CID) অফিসাররা। তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে সাজানো কথা বলাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতাপবাবুর দাবি, নানা কুকথা বলে মিথ্যে অভিযোগ করার কথা বলা হয়। এমনকি টাকা, বাড়ি গাড়ি দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। প্রতাপবাবুর অভিযোগ, তাঁকে টানা ন’ঘণ্টা ধরে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। সবটাই গভীর ষড়যন্ত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য তিন কিলোমিটার রাস্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানিয়েও সাড়া মেলেনি। এবার উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা ফেরত পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এর আগে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা-সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলির সামনে থেকে টোটো এবং বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এদিন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা, টোটোগুলিকে ছাতিমতলা ও উপাসনা গৃহসংলগ্ন স্থান থেকে সরিয়ে দেন। একইসঙ্গে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহের সামনে থেকে সংগীত ভবন পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে টোটোর যাতায়াতও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। বিশ্বভারতীর এই পদক্ষেপ সঠিক বলে মনে করছেন শান্তিনিকেতনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের একাংশ।

     চিঠিতে উপাচার্য কী লিখেছেন? (Visva Bharati)

    মূলত ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা রক্ষায় যান নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি বিশ্বভারতীকে (Visva Bharati) দেওয়া হোক, এই মর্মে গত মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাস্তা ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, আবেদন জানিয়েও উত্তর না মেলায়, বিশ্বভারতীর পরিদর্শক তথা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি পাঠালেন উপাচার্য। ওই চিঠিতে উপাচার্য লেখেন, ‘আমরা রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বভারতীর রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তরিক অনুরোধ করেছি, যদিও কোনও উত্তর নেই। তাই বিশ্বভারতীকে রাস্তাটি পুনরায় দিতে আপনার হস্তক্ষেপ ও প্রচেষ্টা প্ৰাৰ্থনা করছি। ঐতিহ্য রক্ষায় সহযোগিতা করেন।’

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ সেপ্টেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করার পর খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে সমস্তমহলেই। তার আগে ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্বভারতী (Visva Bharati) শান্তিনিকেতন পরিদর্শনে আসে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলেরই মতামতের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় নাম ওঠে শান্তিনিকেতনের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ‘‘আমরা পৃথিবীতে সংকল্প নিয়েছি, আর চাঁদে তা সফল করেছি’’, বললেন মোদি

    Chandrayaan 3: ‘‘আমরা পৃথিবীতে সংকল্প নিয়েছি, আর চাঁদে তা সফল করেছি’’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৪০ দিনের যাত্রা শেষে বুধবারই চাঁদের দেশে পৌঁছেছে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম দেশ হিসেবে অবতরণের এই কৃতিত্ব অর্জন করল ভারত। এদিন সন্ধ্যা ৬টা ০৪ মিনিটে অবতরণ করে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে উদযাপন। চারিদিকে উৎসবের মেজাজ। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) এর অবতরণ দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তার সঙ্গে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণও দেন। এদিন মোদির বক্তব্যে উঠে আসে সূর্য মিশনের কথাও। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মোদি বলেন, ‘‘ইসরো শীঘ্রই আদিত্য-এল১ মিশন ও গগনযান মিশন চালু করবে।’’

    কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার পরিবার, আমরা দেখলাম ইতিহাস তৈরি হতে। জীবন ধন্য হয়ে গেল। এমন ঐতিহাসিক ঘটনা গোটা জীবনের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই ঘটনা নয়া ভারতের প্রমাণ, এই ঘটনা সমস্যার মহাসাগর পার করার মতো, এই মুহূর্ত ভারতের উদীয়মাণ ক্ষমতার প্রমাণ। আমরা পৃথিবীতে সংকল্প নিয়েছি, আর চাঁদে (Chandrayaan 3) আমরা তা সফল করেছি।’’ প্রধানমন্ত্রীর আরও মোদি বলেন, ‘‘আগে বলা হত যে চাঁদমামা (Chandrayaan 3) অনেক দূরে আছে। শিশুরা বলত যে চাঁদমামা অনেক দূরে আছে। এবার এমন একটি দিন আসবে, যখন শিশুরা বলবে যে চাঁদমামা (Chandrayaan 3) একটি ট্যুরের দূরে আছে।’’ প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘‘ভারত এখন চাঁদে পৌঁছে গিয়েছে। এবার চন্দ্রপথে হাঁটার সময়।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা নয়া ভারতের নয়া উড়ান প্রত্যক্ষ করতে চলেছি। নয়া ইতিহাস রচিত হয়েছে।’’

    ট্যুইট রাষ্ট্রপতির   

    ইসরোর এই সাফল্যে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘আমি ইসরো এবং চন্দ্রযান (Chandrayaan 3) মিশনের সঙ্গে জড়িত সবাই অভিনন্দন জানাই। তাদের আরও বড় সাফল্য কামনা করি। চন্দ্রপৃষ্ঠে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) যেভাবে অবতরণ করল, তাতে বিজ্ঞানীরা ইতিহাস করেছেন। ভারতকে গর্বিত করেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • President Of India: ‘‘সংসদের আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী’’, শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন রাষ্ট্রপতি

    President Of India: ‘‘সংসদের আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী’’, শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনে রবিবার শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন রাষ্ট্রপতি (President Of India) দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি নতুন সংসদ ভবনকে গণতন্ত্রের জীবন্ত উদাহরণ বলেও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রীকে এদিন ভারতীয় সংসদের আস্থার প্রতীকও বলেন রাষ্ট্রপতি।

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    রাষ্ট্রপতি এদিন শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ‘‘আমি খুবই আনন্দিত, প্রধানমন্ত্রী যিনি আমাদের সংসদের আস্থার প্রতীক, তিনি এই নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন।’’ রাষ্ট্রপতির প্রেরিত শুভেচ্ছা বার্তা এদিন পাঠ করে শোনান রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ। রাষ্ট্রপতির (President Of India) ওই বার্তায় আরও উল্লেখ রয়েছে, ‘‘এই নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের দিন থেকেই ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’’ নয়া সংসদ ভবন আমাদের বিশাল ভারতের উত্তর থেকে দক্ষিণ পূর্ব থেকে পশ্চিমে থাকা প্রত্যেক দেশবাসীর কাছে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। ভারতীয় সংসদ আমাদের চেতনায় স্থান পেয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সংসদ আমাদের এমন অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যার জেরে দেশবাসীর জীবনে সুপরিবর্তন এসেছে।’’ এদিন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ওই শুভেচ্ছা বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই সংসদ ভবন সাক্ষী থেকে রয়েছে, কীভাবে ভারত ৭০ বছর ধরে এগিয়েছে এবং কোটি কোটি ভারতীয়র জীবনযাত্রার পরিবর্তনেরও সাক্ষী রয়েছে দেশের সংসদ ভবন।

    শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ও 

    উপরাষ্ট্রপতি তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ‘‘সংসদই হল একমাত্র সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যা জনগণের মতামতকে প্রতিফলিত করে। এই সংসদ ভারতবর্ষের আইন প্রণেতা এবং আগামী দিনের দিশা দেখানোর প্রতিষ্ঠানও বটে।’’

     

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: চিঠি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে, সমলিঙ্গ বিবাহ মামলা থেকে প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আবেদন

    Supreme Court: চিঠি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে, সমলিঙ্গ বিবাহ মামলা থেকে প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহের বৈধতা বিষয়ক মামলাগুলির শুনানি থেকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আবেদন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে অভিযোগপত্র পাঠাল ‘Supreme Court & High Courts Litigants’ Asscociation of India’ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনের অভিযোগ, সমলিঙ্গ বিবাহ ইস্যুতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীদের দাবি, সমকামীদের অধিকারের পক্ষে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। রেখেছেন সভা-সমিতিতে বক্তব্যও। একজন বিচারপতি এধরনের কাজ করতে পারেন না বলেও অভিযোগ ওই সংগঠনের। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত বছরের ৩১ অগাস্ট দিল্লির ব্রিটিশ হাইকমিশনে সমকামীদের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি। যদিও তিনি তখন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি ছিলেন। অভিযোগকারীদের মতে, ভারতীয় সংবিধান সমান অধিকারের কথা বলে, সেখানে একজন বিচারপতি শুধু একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে কীভাবে সমর্থন করতে পারেন?

    কেন্দ্র আগেই হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে সমলিঙ্গ বিবাহ ভারতের সামাজিক নৈতিকতার পরিপন্থী 

    প্রসঙ্গত, সমলিঙ্গ বিবাহের বৈধতা সংক্রান্ত মামলা চলছে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এস কে কাউল, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পি এস নরসিমার বেঞ্চে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও ছিল শুনানি। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় প্রশ্ন তোলেন, সরকার সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী করতে চায়? এই ধরনের সম্পর্ক যাতে বিচ্ছিন্ন না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য নিরাপত্তা ও সামাজিক কল্যাণের দিকটি কি নিশ্চিত করা যায়?” প্রসঙ্গত, সমলিঙ্গ বিবাহ ভারতের সামাজিক নৈতিকতার পরিপন্থী, সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমন হলফনামা আগেই দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের সেই আপত্তি খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতিদের বেঞ্চ। কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আগেই জানিয়েছিলেন, ভালবাসার অধিকার, সহবাসের অধিকার, নিজের পছন্দের সঙ্গীকে বেছে নেওয়া ও লিঙ্গ বাছাইয়ের অধিকার মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেই সম্পর্ককে বিয়ে অথবা অন্য কোনও নাম দেওয়াটা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘‘পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের অনুকূল’’, রাষ্ট্রপতি ভবনে রিপোর্ট পেশ তফশিলি কমিশনের

    Sandeshkhali: ‘‘পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের অনুকূল’’, রাষ্ট্রপতি ভবনে রিপোর্ট পেশ তফশিলি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদের ঢেউ এবার পৌঁছে গেল রাইসিনা হিলসে। সেখানকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। এলাকা জুড়ে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচার শুনে এসেছেন তফশিলি কমিশনের প্রতিনিধিরা। সেই নিয়েই এবার রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতি ভবনে। শুক্রবার সকাল ১১ টায় কমিশনের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে রিপোর্ট জমা করেছেন বলে খবর। কী আছে সেই রিপোর্টে?

    রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কমিশনের প্রধান অরুণ হালদার জানিয়েছেন, সন্দেশখালির হিংসার ঘটনা নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা যখন গতকাল সন্দেশখালিতে যাই, তখন শাহজাহান এবং তার বাহিনী এলাকায় সন্ত্রাসের পরিস্থিতি কায়েম করেছিল। তার জন্য স্থানীয়রা কথা বলতে ভয় পেয়েছেন। বলা হয়েছিল, কমিশন চলে যাওয়ার পরেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হবে।’’ অরুণ জানান, তাঁরা সন্দেশখালি থানায় গিয়েছিলেন পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু কমিশনের সদস্যদের দেখে থানা ছেড়ে অফিসাররা পালিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘‘সেখানকার পরিস্থিতি এক কথায় ভয়াবহ। আদিবাসীরা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় কমিশন মনে করে, অবিলম্বে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা দরকার।’’

    বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি গিয়েছিল তফশিলি কমিশন

    গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়েছিল তফশিলি কমিশন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। তাঁদের কাছে মহিলারা জানিয়েছেন, রাতের পর রাত কীভাবে তাঁদেরকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত পার্টি অফিসে। রাতভর চলত অত্যাচার। দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকলেও, পুলিশ কোনও ব্য়বস্থা নেয়নি। শুধুমাত্র মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও মারধর করা হত বলে অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিশ

    আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সন্দেশখালি নিয়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করেছিলেন। সেই মতো শুক্রবার সকালে বিজেপির ৬ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম সন্দেশখালির (Sandeshkhali) উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু সন্দেশখালি পৌঁছনোর আগেই ধামাখালির কাছে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের দাবি, সন্দেশখালিতে এখন ১৪৪ ধারা। এই পরিস্থিতিতে ৬ জনকে সেখানে যেতে দেওয়া হবে না। এর পরই পুলিশের সঙ্গে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের বচসা বেঁধে যায়। পরে বিজেপির প্রতিনিধি দলের ৪ জন সেখানে যেতে চাইলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে ৪ জন থেকে কমিয়ে ২ জনের যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ১৪৪ ধারা সন্দেশখালির সব অংশে লাগু নেই, তবু কেন বাধা দেওয়া হল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং দলকে।

    আরও পড়ুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর কাছেও পৌঁছে গিয়েছে নিমন্ত্রণ পত্র। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে শুক্রবারই সে কথা জানানো হয়। এদিন ছিল স্বামী  বিবেকানন্দের জন্মদিন। তাঁর ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীতে, তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। শনিবার, দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

    রাষ্ট্রপতিকে নিমন্ত্রণ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যজমান হিসেবে পুজো করলেও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu) রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে (Ram temple consecration ceremony) নিমন্ত্রণ পাননি বলে দাবি করছিল অনেকে। বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনাও চলছিল। শুক্রবার সেই জল্পনা উড়িয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে জানানো হল দেশের রাষ্ট্রপতিকেও ওই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

    স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

    ভারতকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বামীজির অবদান অনস্বীকার্য। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে এই কথা বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু লিখেছেন, “আমি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একজন মহান আধ্যাত্মিক নেতা এবং সংস্কারক, স্বামীজি ভারতীয়দের তাঁদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতে সারা দেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি তরুণদের দেশ গঠনে কাজ করতে এবং মানবতার সেবায় উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি মহান ভারতীয় আধ্যাত্মিক বাণী পশ্চিমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষা ও ধারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখাতে পারে।”  শনিবার দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নানের জন্য শুভেচ্ছাও জানান রাষ্ট্রপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল মানুষ যখন পরিবেশ (Environment) ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করার খেলায় মত্ত, ঠিক তখনই দুর্গাপুরের এক দম্পতি নজির সৃষ্টি করলেন। দেশ ও দশের জন্য তাঁদের উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা দেখে অনেকেই মুগ্ধ। পরিবেশ রক্ষার আর্জি সরাসরি দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দিতে তাঁদের উদ্যোগও প্রশংসনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    কী উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুরের ওই দম্পতি?  

    দুর্গাপুর জবরপল্লির বাসিন্দা শ্রী পৃথ্বীরাজ সঞ্জয় চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি রমা চক্রবর্তী বিগত ৫২ দিন ধরে পায়ে হেঁটে প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দুর্গাপুর থেকে দিল্লি পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে একবার দেখা করে তাঁদের আর্জি সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছে দেবেন, একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই। যে মহৎ উদ্দেশে এতদূর পথ পায়ে হেঁটে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন, তা হল, আমাদের এই ধরিত্রীকে (Environment) রক্ষা করা এবং তার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ। 
    দুর্গাপুর থেকে তাঁরা যাত্রা শুরু করেছিলেন চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিঠিতেই তাঁরা জানিয়েছেন, টানা ৫২ দিনে অতিক্রম করেছেন ১৫০০ কিলোমিটার পথ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে কী কী আর্জি তাঁরা জানালেন?

    ছোট্ট চিঠিতে খুবই সংক্ষেপে তাঁরা যেসব আর্জি জানিয়েছেন, সেগুলি হল: “সেভ রিভার গঙ্গা”, ভারতবর্ষের লাইফলাইন এবং পবিত্রতম নদী মা গঙ্গাকে বাঁচানো। পরিবেশকে (Environment) বাঁচাতে প্রতিটি বাড়িতে, স্কুলে, রাস্তার পাশে গাছ লাগানো। মাটিকে শুদ্ধ রাখার তাগিদে বজ্র্য পদার্থকে প্রকৃত ব্যবস্থাপনা করা। বৃষ্টির জল ধরে রেখে তার সঠিক ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। সৌরবিদ্যুৎ চালিত আলো রাস্তায় এবং ঘরে ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। মহিলা স্বশক্তিকরণের উদ্দেশে আরও বেশি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং যে কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর হাসপাতালের বিল মুকুব করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share