Tag: press conference

press conference

  • Sibi George: নরওয়ের সাংবাদিককে মুখের মতো দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, কী বললেন সিবি জর্জ?

    Sibi George: নরওয়ের সাংবাদিককে মুখের মতো দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, কী বললেন সিবি জর্জ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরওয়ের রাজধানী অসলোয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং বৈচিত্র্যের পক্ষে সওয়াল করল (Sibi George) বিদেশমন্ত্রক (MEA)।   সোমবার এই আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নরওয়ে সফরের সময়। এই সময় সে দেশের সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় ভারতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিয়ে (Norway Journalist Row)। অসলোয় বিদেশমন্ত্রকের সেক্রেটারি (ওয়েস্ট) সিবি জর্জ নরওয়ের সাংবাদিকের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। নরওয়ের এক সাংবাদিক বারবার ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করেন, “আমরা কেন আপনাদের বিশ্বাস করব?”

    কী বললেন জর্জ (Sibi George)?

    এর জবাবে জর্জ বলেন, “আমাদের একটি সংবিধান আছে, যা জনগণের অধিকার এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। আমাদের দেশে নারীদের সমান অধিকার রয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৭ সালেই আমরা নারীদের ভোটাধিকার দিয়েছিলাম। আমরা একসঙ্গে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, এবং তাঁরাও সেই স্বাধীনতা পেয়েছেন।” তিনি এও বলেন, “অনেক দেশে নারীদের ভোটাধিকার ভারতের বহু দশক পরে এসেছে। কারণ আমরা সমতা ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করি। মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় উদাহরণ কী? সরকার পরিবর্তনের অধিকার, ভোট দেওয়ার অধিকার। আর সেটাই ভারতে হচ্ছে। এ নিয়ে আমরা গর্বিত।” প্রশ্নোত্তর-পর্বে ওই সাংবাদিক বারবার বাধা দিলে জর্জ দৃঢ়ভাবে বলেন,
    “দয়া করে আমায় উত্তর দিতে দিন, বাধা দেবেন না। আপনি প্রশ্ন করেছেন—এটি আমার প্রেস কনফারেন্স। আপনি জানতে চেয়েছেন কেন একটি দেশ ভারতের ওপর ভরসা করবে, আমায় সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিন।”

    ভারতে রয়েছে আইনের শাসন

    ভারতের বহু ভাষাভিত্তিক এবং প্রাণবন্ত সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ তুলে জর্জ (Sibi George) বলেন, “আপনারা জানেন প্রতিদিন কত খবর প্রকাশিত হয়? শুধুমাত্র দিল্লিতেই অন্তত ২০০টি টিভি চ্যানেল রয়েছে—ইংরেজি, হিন্দি-সহ একাধিক ভাষায়। মানুষ ভারতের ব্যাপ্তি সম্পর্কে বোঝেন না।” তিনি বলেন, “ভারত এমন একটি দেশ, যে আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। আমরা সবসময় নিয়ম মেনে চলেছি। আমরা নিয়ম অনুযায়ী কাজ করি। এটাই ভারতের সুনাম।”

    কোভিড-১৯-পর্বে ভারতের সাহায্য

    কোভিড-১৯-পর্বে ভারতের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কার্যকলাপ এবং গণিত, সংস্কৃতি ও বিশ্ব ঐতিহ্যে ভারতের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন জর্জ। তিনি (Sibi George) বলেন, “চারদিকে তাকালেই আপনি ভারতের সংযোগ দেখতে পাবেন। আপনার ফোনে যে সংখ্যা ব্যবহার করেন, তার উৎপত্তিও ভারতে। ‘শূন্যে’র উৎপত্তিও ভারতে। দাবার উৎপত্তি ভারতে। এই সভ্যতা নিয়ে আমরা গর্বিত (Norway Journalist Row)। আজ বিশ্ব যে যোগব্যায়ামকে সম্মান করে, তারও জন্ম ভারতে। ভারতের মহাকাব্য ও প্রাচীন গ্রন্থ রয়েছে।”

     

  • PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন। অন্তত এমনই খবর প্রকাশিত হয় সংবাদ মাধ্যমে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফর কূটনৈতিকভাবে কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে (Netherlands Trip)। এর জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল নয়াদিল্লি। ঘটনাটি ঘটে প্রধানমন্ত্রীর দু’দিনের দ্য হেগ সফরের সময়। এর মূল উদ্দেশ্যই ছিল ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কৌশলগত বিষয়গুলিতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    বিতর্কের সূত্রপাত (PM Modi)

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় তখন, যখন এক ডাচ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কেন মোদি ও জেটেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। তিনি ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ তোলেন। ডাচ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে জেটেন বলেছিলেন যে ডাচ সরকারের ‘ভারতের পরিস্থিতি’ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে। তবে এই মন্তব্য আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠকে করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ভারত এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে।

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) সিবি জর্জ (Sibi George) জানান, এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত ভারতের ইতিহাস, গণতন্ত্র ও সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে ‘বোঝাপড়ার অভাব’ থেকে উঠে আসে। তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রশ্ন ওঠে মূলত প্রশ্নকর্তার যথাযথ বোঝার অভাবের কারণে।” ভারতের গণতান্ত্রিক পরিচয় তুলে ধরে জর্জ বলেন, “ভারত একটি ৫,০০০ বছরের প্রাচীন সভ্যতা। ধর্ম, ভাষা, খাদ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সমাজ।” তিনি এও জানিয়ে দেন, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম এবং শিখধর্ম—সবক’টির উৎপত্তি ভারতে এবং এগুলি এখনও সহাবস্থান করছে। ২,৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে নির্যাতন ছাড়াই বসবাস করেছে ইহুদি সম্প্রদায়। খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এদেশে বিকশিত হয়েছে (PM Modi)। ভারতীয় এই কূটনীতিক সাম্প্রতিক নির্বাচন ও ভোটদানের হারকে ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমাদের দেশে নির্বাচন হয়েছে। ভোটদানের হার কত ছিল, তা জানা দরকার। ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। এটাই ভারতের সৌন্দর্য (Netherlands Trip)।”

    ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র

    তিনি জানিয়ে দেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র, যেখানে শত শত মিলিয়ন ভোটার নিয়মিত রাজ্য ও জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন। সরকার বরাবরই বলে আসছে যে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর, স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাপক ভোটারের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর দৃঢ়তা প্রমাণ করে (PM Modi)। এদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (Reporters Without Borders) এবং ফ্রিডম হাউসের (Freedom House) মতো সংস্থা যেসব বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, ইন্টারনেট বন্ধ, মিডিয়া মালিকানার কেন্দ্রীকরণ, ধর্মীয় মেরুকরণ, ঘৃণামূলক মন্তব্যের ঘটনা। তবে ভারত সরকার বহু আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং ও প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট, নির্বাচিত তথ্যভিত্তিক বা ভারতের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে।

    ভারতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম

    সরকারি কর্তাদের দাবি, ভারতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন ভাষায় পরিচালিত হচ্ছে। জর্জ জানিয়ে দেন, ভারতে সংখ্যালঘুরা পদ্ধতিগতভাবে হুমকির মুখে রয়েছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বৃদ্ধির উদাহরণ দেন (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমরা স্বাধীন হওয়ার সময় ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ছিল ১১ শতাংশ। এখন তা ২০ শতাংশেরও বেশি (Netherlands Trip)।” এহেন কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত নেদারল্যান্ডস-দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। জেটেন জানান, ভারত ও নেদারল্যান্ডস উভয়েই গণতন্ত্র, সুশাসন এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল ফোকাস ছিল, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সবুজ জ্বালানি ও জলবায়ু উদ্যোগ, সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, সামুদ্রিক লজিস্টিকস, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব, এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক সমন্বয়।

    নেদারল্যান্ডস ইউরোপে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার এবং শিপিং, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (PM Modi)। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখা হয়, সেই বিতর্ককেও সামনে নিয়ে এসেছে। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়মিত নির্বাচন ও সক্রিয় জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত এখনও একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে কাজ করছে। সমালোচকদের মতে, ভারতের বৈশ্বিক প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ভিন্নমত ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে উদ্বেগগুলির ওপর নজর রাখা প্রয়োজন (Netherlands Trip)।

     

  • SIR: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার দায়বদ্ধতার কথা জানে, পালনও করবে”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    SIR: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার দায়বদ্ধতার কথা জানে, পালনও করবে”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে এসআইআর (SIR)। এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ তথা তৃণমূলের আপত্তি নিয়ে এদিন কমিশনের (Election Commission) সাংবাদিক বৈঠকেই প্রশ্ন উঠেছিল। তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এখনই কোনও চাপানউতোর বা বিতর্কে ঢুকতে চাননি। শুধু আইনের একটি ধারার কথা মনে করিয়ে দেন।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য (SIR)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ব্যাপারে প্রশ্ন নিয়ে একটা কথাই বলতে চাই – ভারতের সংবিধানের ৩২৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি বা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্যপাল নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মী নির্বাচন কমিশনারের কাছে সরবরাহ করতে বাধ্য। এই কর্মীরা নির্বাচন পরিচালনা, ভোটার তালিকা প্রস্তুত ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত থাকেন। আবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার দায়িত্ব রয়েছে রাজ্য সরকারের। আমি মনে করি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই দায়বদ্ধতার কথা জানে, এবং তা পালন করবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলায় শুরু করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে নীতিগতভাবে আপত্তি জানাচ্ছে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল। জোড়াফুলের সাংসদদের একাংশ এবং তৃণমূলের কিছু নেতাও এসআইআর নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “নির্বাচন কমিশনের অরাজনৈতিক নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত। বিজেপির প্রভাবে কোনওভাবে প্রভাবিত হয়ে যদি কোনও বৈধ ভোটারকে বাদ দিতে চান, তখন সাংবিধানিকভাবে তার প্রতিবাদ হবে।”

    কুণালের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে (SIR) বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল এখন যে কথা বলছে, তাতে একটা কথাই বলতে পারি, এসআইআর নিয়েও পাল্টি খেল তৃণমূল। গতকাল পর্যন্ত তৃণমূলের অবস্থান ছিল, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর করতে দেব না। আর আজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ঘোষণার পর তৃণমূল বলছে, এসআইআর নিয়ে বিজেপির প্ররোচনায় পা দেবেন না। তার মানে আইন মেনে এসআইআরে অংশ নিচ্ছে। বিজেপি কোনওদিন এসআইআর নিয়ে প্ররোচনা দেয়নি (Election Commission)। বিজেপি বলেছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, অবৈধ ভোটারের নাম বাদ দিতে হবে (SIR)।”

  • Lok Sabha Election 2024: গণতন্ত্রের ইতিহাসে রেকর্ড, ভারতে ভোট দিয়েছেন ৬৪.২ কোটি ভোটার

    Lok Sabha Election 2024: গণতন্ত্রের ইতিহাসে রেকর্ড, ভারতে ভোট দিয়েছেন ৬৪.২ কোটি ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস সৃষ্টি করল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। দেশে এই প্রথম নির্বাচন-পর্ব চুকে যাওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠক করলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তিন কর্তা। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের নির্বাচনের দিকে নজর ছিল তামাম বিশ্বের। কত মানুষ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, কত প্রাণ বলিদান হয়, রক্ত ঝরে কিনা, মূলত এসবের দিকেই নজর ছিল বিশ্ববাসীর।

    বিশ্ব রেকর্ড (Lok Sabha Election 2024)

    এবার লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ভারত। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, এবার ভোট দিয়েছেন ৬৪.২ কোটি ভোটার। জি৭-এর সদস্য দেশগুলির মোট ভোটারের চেয়ে দেড় গুণ বেশি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পুনর্নির্বাচন হয়েছিল ৫৪০টি আসনে। এবার হচ্ছে মাত্র ৩৯টি। গত চার দশকের মধ্যে এবার সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে জম্মু-কাশ্মীরেও। রাজীব বলেন, “উপত্যকার মানুষ গণতন্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে প্রস্তুত। এবার প্রথম হিংসা হয়নি ভোটে। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরার মতো জায়গায় আগে কী হত, তা আপনারা দেখেছেন, এবার শান্তিপূর্ণ ভোট করার জন্য দু’বছর ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কাজটা খুব একটা সহজ ছিল না।”

    বাজেয়াপ্ত টাকার পরিমাণ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “এবার লোকসভা নির্বাচনে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। এটাও কমিশনের তৎপরতার ফল। আগে কীভাবে টাকা ছড়ানো হত, মদ-শাড়ি দেওয়া হত, তা আপনারা দেখেছেন। দক্ষিণ ভারতে কীভাবে টাকা দেওয়া হত, তাও দেখেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা ভুয়ো খবর নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। এবার অবশ্য সেভাবে কিছু হয়নি। কৃত্রিম মেধা দিয়ে ভুয়ো ছবি-ভিডিও সেভাবে ছড়ায়নি। নির্বাচনী বিধিভঙ্গ নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছিল ৪৯৫টি। এর মধ্যে ৯০ শতাংশেরই সমাধান করা হয়েছে। অনেক বড় নেতাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”

    আর পড়ুন: জয়জয়কার বিজেপির-ই, ভবিষ্যদ্বাণী সাট্টা বাজারেরও

    ভোট গণনা-পর্বেও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানান রাজীব। বলেন, “ভোটগণনা খুবই বলিষ্ঠ একটি প্রক্রিয়া। দেশে মোট সাড়ে ১০ লাখ বুথ রয়েছে। ৩০-৩৫ লাখ পোলিং এজেন্ট থাকবেন বাইরে। থাকবে নজরদারি দলও। থাকবেন গণনা অফিসাররা। কোনও ভুল হতেই পারে না। সিসি ক্যামেরা থাকবে। মানুষের ভুল হতেই পারে, তবে গণনায় কারচুপির কোনও সম্ভাবনাই নেই (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024:  চার স্পিনার তাই বাদ! বিশ্বকাপের দলে রিঙুকুর না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করলেন আগরকর

    T20 World Cup 2024:  চার স্পিনার তাই বাদ! বিশ্বকাপের দলে রিঙুকুর না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করলেন আগরকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর ঠিক এক মাস পরেই শুরু হতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024)। আইসিসির এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য ইতিমধ্যেই ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ভারত। বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়েছেন সাম্প্রতিক কালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক প্লেয়ার রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। বৃহস্পতিবার বিসিসিআই-এর তরফে এ নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্বকাপের দল থেকে রিঙ্কুর বাদ পড়ার কারণ ব্যাখা করলেন জাতীয় নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর। টিম কম্বিনেশনের জন্যই বাদ যেতে হয়েছে রিঙ্কুকে (Rinku Singh) দাবি আগরকরের।

    কেন বাদ রিঙ্কু

    রিঙ্কু সিংকে (Rinku Singh) কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) মূল দলে রাখা হয়নি? তা নিয়ে যুক্তি সাজানোর চেষ্টা করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং ভারতের প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকর। বৃহস্পতিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে আগরকর দাবি করেন, রিঙ্কুকে মূল দলের বাইরে রাখার যে সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে, সেটা সম্ভবত কঠিন কাজ ছিল। রিঙ্কু এমন কোনও কাজ করেননি, যে কারণে তাঁকে দলে রাখা হবে না। কিন্তু দলের কম্বিনেশনের কথা ভেবে রিঙ্কুকে ১৫ জনের দলে রাখা যায়নি বলে দাবি করেন আগরকরের। তিনি বলেন,   ‘খুব কঠিন একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে আমাদের। এতে রিঙ্কুর কোনও হাত নেই। স্রেফ কম্বিনেশনের দিকে তাকিয়ে এটা করা হয়েছে। রোহিত বাড়তি স্পিনার চেয়েছিল। যাতে দু’জন রিস্ট স্পিনার থাকে। রিঙ্কুকে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ও কাছাকাছি থাকবে।’

    রিঙ্কুর বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন

    ভারতের বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) দল ঘোষণা করার কয়েক দিন আগে থেকে বিশেষজ্ঞেরা নিজেদের মতো করে দল নির্বাচন করছিলেন। এমন এক জনকেও চোখে পড়েনি, যিনি নিজের দল থেকে রিঙ্কুকে বাদ দিয়েছেন। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ও আমেরিকায় আয়োজিত বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ফিনিশারের ভূমিকায় দেখা যাবে আলিগড়ের ছেলেকে। কিন্তু তা হয়নি। শিবম দুবের কাছে হেরে গিয়েছেন রিঙ্কু। আইপিএল শুরু হওয়ার আগে ভারতের নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, যে হেতু বিশ্বকাপের আগে ভারত আর কোনও সিরিজ় খেলবে না, তাই আইপিএলের পারফরম্যান্স দেখেই দল তৈরি হবে। রিঙ্কুর আইপিএলের পারফরম্যান্স এ বার রিঙ্কুচিত হয়নি। এ বার রিঙ্কু আটটি ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন। ১২৩ রান করেছেন তিনি। কিন্তু এবার রিঙ্কু বেশির ভাগ ম্যাচেই শেষ দিকে কয়েকটি বল খেলার সুযোগ পেয়েছেন। গত বার অনেক বেশি ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। 

    বিশ্বকাপে ভারতীয় দল নির্বাচনের সমালোচনা করেছেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তিনি বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিল রিঙ্কু। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ২২ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরে ২১২ রান করেছিল ভারত। রোহিত শতরান করেছিল। ওকে গোটা ইনিংস জুড়ে সঙ্গ দিয়েছিল রিঙ্কু। সেগুলো কি নির্বাচকদের চোখে পড়েনি? খুব খারাপ একটা দল হয়েছে। চার জন স্পিনারের কী দরকার? চার জনকেই তো খেলানো যাবে না। কয়েক জনকে খুশি করার জন্য এই দল নির্বাচন করা হয়েছে। জঘন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suspend: গোষ্ঠী কোন্দলে জেরবার! ঘর সামলাতে প্রধানকে বহিষ্কার করল তৃণমূল, কোথায় দেখে নিন

    Suspend: গোষ্ঠী কোন্দলে জেরবার! ঘর সামলাতে প্রধানকে বহিষ্কার করল তৃণমূল, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তর দিনাজপুরে গোষ্ঠী কোন্দলে জেরবার তৃণমূল। ইসলামপুরে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর বিরোধ একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এমনিতেই ইসলামপুরে মাটিকুন্ডা এলাকায়  ক্ষমতার রাশ কার দখলে থাকবে তা নিয়ে দলেরই দুই নেতা শাহনওয়াজ আলম এবং মেহেবুব আলমের মধ্যে গন্ডগোল। মেহেবুব আলম মাটিকুন্ডা- ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। এলাকাবাসীদের দাবি, শাহনওয়াজ আলম বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর অনুগামী। আর মেহেবুব আলম তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালয়ের অনুগামী। ৮ মার্চ রাতে শাহনওয়াজের বাড়িতে প্রধান মেহেবুব আলম ও তাঁর লোকজনেরা  হামলা চালায় বলে অভিযোগ।চলে গুলি ও বোমা। বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় শাহনওয়াজের ভাই সাকিব আকতারের।তিনি পেশায় সিভিক ভলান্টিয়ার। এই ঘটনার পর পরই মেহেবুব আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তারপরও দলের একাংশে মধ্যে বিদ্রোহ থামছিল না। বিশেষ করে বিধায়ক অনুগামীরা মেহেবুবের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় খুশি হননি। তাঁরা রীতিমতো ক্ষোভ ফুঁসছেন। বিধায়ক প্রকাশ্যে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের বেআব্রু চেহারা আরও বেশি করে প্রকট হচ্ছে। তাই, পরিস্থিতি সামাল দিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল সাংবাদিক সম্মেলন করে দলের পঞ্চায়েত প্রধান মেহেবুব আলমকে দল থেকে বহিষ্কার (Suspend) করে দিলেন। একইসঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তিনি দাবি জানালেন। মূলত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের এই কোন্দল নতুন করে আর মাথাচাড়া না দেয় তারজন্য তড়িঘড়ি ওই প্রধানকে বহিষ্কার করা হল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূলীদের কাছে বোমা, গুলি মজুত থাকা নিয়ে কী বললেন জেলা সভাপতি ? Suspend

    ইসলামপুরে প্রকাশ্যে বোমাবাজি ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল। একজন সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যু হল। সেই জের কাটতে না কাটতেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর জখম হন চোপড়া ব্লকের ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের যুগ্ম অঞ্চল সভাপতি জাকির হোসেন। ফলে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বারুদের স্তূপের মধ্যে রয়েছে এই জেলা। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বোমা, গুলি মজুত রয়েছে শাসক দলের কাছে। এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, জেলায় সবাই তৃণমূল। তাই কোথাও কোনও গন্ডগোল হলে তৃণমূলের নাম উঠে আসছে। জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। অবিলম্বে জেলায় যারা অপরাধী রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বোমা, গুলি বাজেয়াপ্ত করবে। কারণ, যে বা যারা দোষী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পুলিশ প্রশাসন সেটা করবে। আর দলের পক্ষ থেকে যেখানে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সেটা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share