Tag: Prime Minister

Prime Minister

  • PM Modi: ইজরায়েলে পৌঁছলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরেই বৈঠক নেতানিয়াহুর সঙ্গে

    PM Modi: ইজরায়েলে পৌঁছলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরেই বৈঠক নেতানিয়াহুর সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ইজরায়েলের তেল আভিভে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে এই সফর মোদির। সফরের লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা (Israel)।

    গার্ড অব অনার (PM Modi)

    বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাঁর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, যা দুই নেতার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। বিমানবন্দরে পৌঁছেই দুই প্রধানমন্ত্রী উষ্ণ আলিঙ্গন বিনিময় করেন। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজারও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি এই সফরকে দুই দেশের দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার একটি সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন (PM Modi)।

    বিমানবন্দরেই বৈঠক

    বিবৃতিতে বলা হয়, “ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ও গতিশীলতার সাক্ষী হয়েছে।” এতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির কথাও তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার অপেক্ষায় আছি (PM Modi)।” এদিন, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে মোদিকে আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠান শেষে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেরুজালেমে মোদির কেনেসেট ভাষণের আগে বিমানবন্দরেই একটি বৈঠকে বসেন (Israel)।

    প্রকৃত বন্ধুত্ব

    নেতানিয়াহু হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, “এটি একটি বন্ধন, একটি প্রকৃত বন্ধুত্ব।” দফতরের প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তিনি মোদিকে “আমার মহান বন্ধু” বলে সম্বোধন করেন, যার জবাবে মোদি হেসে প্রতিক্রিয়া জানান (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইসরায়েলে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও মিসেস নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে আমাকে অভ্যর্থনা জানানোয় আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও ফলপ্রসূ ফলাফলের মাধ্যমে ভারত-ইসরায়েল বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আমি আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি।”

     

  • Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Kerala) রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ (Keralam) করার প্রস্তাব অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ‘কেরালা (নাম পরিবর্তন) বিল, ২০২৬’-টি কেরল বিধানসভায় পাঠাবেন তাঁদের মতামত জানার জন্য।

    নাম বদল (Kerala)

    বিধানসভার মতামত পাওয়ার পর ভারত  সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং রাজ্যের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের জন্য সংসদে বিলটি উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ চাইবে। কেরল (Kerala) বিধানসভা ২৪ জুন, ২০২৪ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস করে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়: “আমাদের রাজ্যের নাম মালয়ালম ভাষায় ‘কেরালম’। ১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলির গঠন করা হয়। কেরল পিরাভি দিবসও ১ নভেম্বর পালিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই মালয়ালমভাষী জনগণের জন্য একীভূত কেরল গঠনের জোরালো দাবি ছিল। কিন্তু সংবিধানের প্রথম তফসিলে আমাদের রাজ্যের নাম ‘কেরালা’ হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই বিধানসভা সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী ‘কেরালা’ (Kerala) নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছে।”

    নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি

    পরবর্তী কালে কেরল সরকার বিধানসভার প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংবিধানের প্রথম তফসিল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় (Keralam)। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সংসদ যে কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অনুচ্ছেদের প্রস্তাবনা অনুসারে, কোনও রাজ্যের নাম, এলাকা বা সীমানা প্রভাবিত করে এমন কোনও বিল প্রথমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় পাঠাতে হয়, যাতে তারা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের মতামত জানাতে পারে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমোদনক্রমে আইন ও বিচার মন্ত্রকের আইন বিষয়ক দফতর এবং আইন প্রণয়ন বিভাগে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উভয় দফতরই ‘কেরালা’ (Kerala) থেকে ‘কেরালম’ (Keralam) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।

     

  • Sanae Takachi: জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, রচিত হল ইতিহাস

    Sanae Takachi: জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, রচিত হল ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের (Japan) নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি (Sanae Takachi)। মঙ্গলবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ভোটাভুটিতে জিতে গিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র এই নেত্রী। জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন বছর চৌষট্টির সানায়ে। তিনিই হতে চলেছেন দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।

    ‘পুরুষতান্ত্রিক’ প্রধানমন্ত্রী সানায়ে (Sanae Takachi)

    সানায়ে অতি কট্টরপন্থী হিসেবেই পরিচিত সে দেশে। তিনি ‘পুরুষতান্ত্রিক’ বলেও পরিচিত। সাম্প্রতিক ইতিহাসে জাপানে মহিলাদের উন্নয়নের জন্য যে সব পদক্ষেপ করা হয়েছে বা বিল আনা হয়েছে, তার বিরোধিতা করেছেন সানায়ে। তাঁকে নানা সময় বলতে শোনা গিয়েছে, মেয়েদের সকলের আগে উচিত ভালো স্ত্রী এবং মা হওয়া। সমকামী সম্পর্ক এবং বিয়ের বিরোধিতাও করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এ ক্ষেত্রে তাঁর দলও রয়েছে তাঁর পাশে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার জাপানি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে শুরু হয় ভোটাভুটি। জাপানের বৃহত্তম বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান ইয়োশিকোকো নোদা পান ১৪৯টি ভোট। আর ২৩৭টি ভোট পেয়ে জয়ী হন সানায়ে। নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের চেয়ে চারটি ভোট বেশি পান তিনি। উচ্চকক্ষে তিনি পান ১২৫টি ভোট। এর পরেই সানায়েকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। জয় পেয়েই উঠে দাঁড়িয়ে সকলকে অভিবাদন জানান এলডিপির এই নেত্রী (Sanae Takachi)।

    অভিনন্দন জানালেন মোদি

    জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লিখেছেন, “সানায়ে তাকাইচি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার এই জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। ভারত-জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি খুবই আগ্রহী। দুই দেশের এই গভীর বন্ধুত্ব ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্যও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।” জানা গিয়েছে, জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী এমন একটি মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা করছেন, যেখানে নর্ডিক দেশগুলির মতো সংখ্যায় নারী সদস্যরা থাকবে। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মন্ত্রিসভায় দু’জন মহিলা সদস্য ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই জাপানের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন শিগেরু ইশিবা। গত দু’টি নির্বাচনে হারের মুখ দেখায় ইশিবাকে নিয়ে এলডিপির মধ্যেই জন্মাচ্ছিল অসন্তোষ। জুলাই মাসে জাপানি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান ইশিবা। এর পরেই তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ঘরে-বাইরে। তাই (Sanae Takachi), একপ্রকার বাধ্য হয়েই পদত্যাগ করেন ইশিবা (Japan)।

  • PM Modi in Bengal: পুজোর আগে ফের বাংলায় প্রধানমন্ত্রী মোদি! জনসভা ও পুজোর উদ্বোধনে শহরে আসছেন শাহ

    PM Modi in Bengal: পুজোর আগে ফের বাংলায় প্রধানমন্ত্রী মোদি! জনসভা ও পুজোর উদ্বোধনে শহরে আসছেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে ফের রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bengal)। দিন তিনেক আগেই ঝটিকা সফরে বাংলায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সভা করেছিলেন দমদমে। এবার তিনি যেতে পারেন নদিয়ায়। শুধু প্রধানমন্ত্রী নন। পুজোর আগে বাংলায় পা রাখতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। পুজোর আগে তিনি ২ বার বাংলায় আসতে পারেন। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। তাই পুজোর মরসুমেও রাজনৈতিক পালাবদলের অপেক্ষা রাজ্যে। মহালয়ার আগে-পরে বড় পরিকল্পনা সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া চলছে বিজেপির (BJP)।

    পুজোর মুখে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে প্রচারে ঝাঁপিয়েছে বঙ্গ বিজেপি (Bengal BJP)। গত কয়েকদিনে তিন বার বঙ্গসফরে এসেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bengal)। এদিকে পুজো উদ্বোধনে শহরে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। কারণ মহালয়ার আগের দিন আসছেন মোদি, পরের দিন শাহ। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর এবং ২২ সেপ্টেম্বর মোদি-শাহের উপর্যুপরি বঙ্গসফর দেবীপক্ষের প্রথম দিন পর্যন্ত রাজনৈতিক উত্তাপের পারদ তুঙ্গে রাখবে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে, এখনই পুজোর আগে মোদি-শাহের কর্মসূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে নারাজ বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    বাংলায় পর পর সভা প্রধানমন্ত্রীর

    বিজেপি সূত্রের খবর, দেবীপক্ষ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত রাজনৈতিক সক্রিয়তা বিন্দুমাত্র শিথিল করার পরিকল্পনা নেই। পশ্চিমবঙ্গে (PM Modi in Bengal) বিজেপির ১০টি সাংগঠনিক বিভাগ রয়েছে। এক একটি বিভাগে সর্বোচ্চ পাঁচটি এবং সর্বনিম্ন তিনটি করে লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক এবং রাজ্য নেতৃত্বের যৌথ সিদ্ধান্ত, ২০২৫ সাল শেষ হওয়ার আগেই প্রত্যেক বিভাগে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি করে জনসভা হবে। শিলিগুড়ি বিভাগের আলিপুরদুয়ারে, বর্ধমান বিভাগের দুর্গাপুরে এবং কলকাতা বিভাগের দমদমে সেই জনসভা হয়ে গেছে। বাকি এখনও সাতটি বিভাগে সাতটি জনসভা। সেগুলির মধ্যে একটি পুজোর আগেই সেরে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে। বাকি ছ’টি হবে পুজোর পরে। তার জন্য পুজোর পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসে দু’বার করে বাংলায় আসতে পারেন মোদি।

    পরবর্তী সভা নদিয়ায়

    সব ঠিক থাকলে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নদিয়ার নবদ্বীপে জোড়া সভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bengal)। একটি প্রশাসনিক সভা আর একটি রাজনৈতিক সভা করার কথা তাঁর। বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামোয় নবদ্বীপ বিভাগের অধীনে পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্র পড়ে। রানাঘাট, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর, জঙ্গিপুর এবং মুর্শিদাবাদ। তার মধ্যে একমাত্র রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রই বিজেপির দখলে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি সেই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই কোথাও আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    বাংলায় আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মোদির ফের বঙ্গে পা রাখার আগে ২ বার বাংলা সফরে আসতে পারেন অমিত শাহ। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির পঞ্চায়েতি রাজ সম্মেলন হওয়ার কথা। সেখানে প্রধান বক্তা অমিত শাহ। তবে জায়গা এখনও ঠিক হয়নি। কারণ, ১১ হাজার দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে একসঙ্গে কোথায় জায়গা দেওয়া হবে, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে বঙ্গ বিজেপিতে। পঞ্চায়েতি রাজ সম্মেলনের পর পুজোর আগে আরও একবার বাংলায় আসার কথা শাহর। মহালয়ার পরের দিন, ২২ সেপ্টেম্বরে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজোর উদ্বোধন করার কথা তাঁর। বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষের পুজো হিসেবে পরিচিত এই দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে আগেও এসেছেন তিনি। ওইদিনই বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক মঞ্চ আয়োজিত দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে অংশ নেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। দু’বছর পরে ওই পুজোর আবার আয়োজন হচ্ছে ইজেডসিসিতে। ২০২০ সালে ইজেডসিসির এই পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। অবশ্য কলকাতায় এসে নয়। দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন তিনি। এবার শাহ কলকাতায় এসেই সে পুজোর উদ্বোধন করবেন। রাজ্য বিজেপির সাংস্কৃতিক শাখার প্রধান রুদ্রনীল ঘোষ গোটা আয়োজনের দায়িত্বে।

  • PM Modi: মোদির ‘মন কি বাত’-এ উঠে এল বিপ্লবী ক্ষুদিরাম থেকে মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা

    PM Modi: মোদির ‘মন কি বাত’-এ উঠে এল বিপ্লবী ক্ষুদিরাম থেকে মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মন কি বাত’-এর ১২৪তম পর্বে উঠে এল বিপ্লবী ক্ষুদিরাম থেকে মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লার প্রসঙ্গ। রবিবার সম্প্রচারিত ‘মন কি বাত’-এর (Mann ki Baat) ১২৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন ভারতের মহাকাশ অভিযানে সাফল্য, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর শহীদদের স্মরণ, স্বদেশী আন্দোলন, এবং ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক।

    শুভাংশু শুক্লা ও ভারতের মহাকাশ গবেষণা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, ভারতের মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) সফর শেষে দেশে ফিরেছেন, যা দেশের জন্য এক গর্বের বিষয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগামী ২৩ অগাস্ট ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ পালিত হবে। এই দিনে দেশের নাগরিকরা ‘নমো অ্যাপে’ পরামর্শ ও মতামত জানাতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের সাফল্য এবং অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করব। বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও প্রবৃদ্ধির দিক দিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে অনেক ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে।” প্রধানমন্ত্রী এদিন চন্দ্রযান-৩ এর কথাও স্মরণ করেন, যা ভারতের মহাকাশ অভিযানে এক ঐতিহাসিক অধ্যায় রচনা করেছে।

    ক্ষুদিরামের প্রসঙ্গ (Mann ki Baat)

    ‘মন কি বাত’-এ প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা সংগ্রামী ক্ষুদিরাম বসু-র আত্মবলিদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯০৮ সালে মুজাফফরপুরে যখন তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়, তখন তাঁর মুখে ভয় ছিল না, বরং ছিল আত্মবিশ্বাস। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি শহীদ হন। এই আত্মত্যাগের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন।তিনি অগাস্ট মাসকে ‘বিপ্লবের মাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ১৫ অগাস্ট আমাদের সেইসব শহীদদের স্মরণ করার দিন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯০৫ সালের ৭ অগাস্ট থেকে শুরু হয় স্বদেশী আন্দোলন। এই উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ আগস্ট ‘জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। তিনি জানান, ভারতের তাঁত শিল্প দিনে দিনে শক্তিশালী হচ্ছে এবং স্থানীয় শিল্পীদের অবদান জাতির গৌরব বাড়াচ্ছে।

    শিবাজী মহারাজের ১২টি দুর্গ পেয়েছে হেরিটেজ স্বীকৃতি, যা দেশের জন্য গর্বের

    আলোচনায় উঠে আসে অলিম্পিক ও অলিম্পিয়াড প্রসঙ্গও। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতীয় খেলোয়াড় ও ছাত্রছাত্রীরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অর্জন করছে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, ইউনেস্কো সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের শিবাজী মহারাজের বারোটি দুর্গকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের’ স্বীকৃতি দিয়েছে, যা ভারতের গৌরবময় ইতিহাসের নিদর্শন।

  • Narendra Modi: গাড়ি মেলার উদ্বোধনে মোদি,  দিলেন পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বার্তা

    Narendra Modi: গাড়ি মেলার উদ্বোধনে মোদি, দিলেন পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া দিল্লিতে ‘ভারত মোবিলিটি গ্লোবাল এক্সপো ২০২৫’ – শুক্রবার থেকে শুরু হল। উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রগতি ময়দান, দ্বারকা, গ্রেটার নয়ডা এই তিন জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে গাড়ি মেলা। ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার এবং মার্টে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে (BMGE 2025) ভারত-সহ বিভিন্ন দেশ-বিদেশের প্রথম সারির অটোমোবাইল কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে। আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই গাড়ি মেলা।

    পরিকাঠামোগত উন্নয়নে ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ (Narendra Modi)

    এদিন উদ্বোধন মঞ্চ থেকেই দেশের পরিকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা তুলে ধরলেন তিনি। মোদি (Narendra Modi) উল্লেখ করেন, গতবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যই সরকার ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। পিএম গতিশক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যান এবং জাতীয় লজিস্টিক নীতির মতো নতুন ধরনের উদ্যোগ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানের ব্যানারেই দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের দ্বারকা যশভূমি এবং গ্রেটার নয়ডার ইন্ডিয়া এক্সপো মার্টে আগামী পাঁচদিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আশা করা হচ্ছে, এই পাঁচদিনে অন্তত ৫ লক্ষ মানুষ এই এক্সপো বা মেলা দেখতে আসবেন। জানা গিয়েছে, প্রথম দিনটি কেবলমাত্র মিডিয়া কভারেজের জন্য এবং দ্বিতীয় দিনটি ডিলারদের জন্য বিশেষ ভাবে সংরক্ষিত করা হয়েছে। এরপর, ১৯ জানুয়ারি থেকে আম জনতা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা । বিনামূল্যে এই মেলায় প্রবেশ করতে পারেবন। http://www.bharat-mobility.com ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রার করতে হবে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    কোন কোন গাড়ি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে

    জানা গিয়েছে, হিরো মোটোকর্প, সুজুকি, মোটরসাইকেল ইন্ডিয়ার মতো কোম্পানিগুলি যারা বাইক ও স্কুটি উৎপাদন করে থাকে, এখানে অংশগ্রহণ করেছে। পাশাপাশি মারুতি সুজুকি, হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া, টাটা মোটরস, কিয়া ইন্ডিয়া, এমজি মোটর ইন্ডিয়া এবং স্কোডা অটো ভক্সওয়াগেন ইন্ডিয়ার মতো ব্র্যান্ডগুলিও রয়েছে। সংস্থাগুলির বিভিন্ন গাড়ির নতুন এবং অত্যাধুনিক মডেল রয়েছে ডিসপ্লেতে।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ির বাজার ভারত

    এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ফের একবার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) উল্লেখ করেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ির বাজার।” তাঁর যুক্তি, “দেশের বিপুল যুব জনসংখ্যা, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত, দ্রুত নগরায়ন, আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়ি উৎপাদন করার ফলে আগামী দিনে ভারতের গাড়ির বাজার এক অভূতপূর্ব রূপান্তর ও সম্প্রসারণের সাক্ষী থাকবে।” মোদি আরও দাবি করেন, “গত এক দশকে প্রায় ২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠিত হয়েছে। যাঁরা আগামী দিনে তাঁদের প্রথম গাড়ি কিনবেন।”

    বিদেশি বিনিয়োগ কত?

    এদিনের এই মঞ্চ থেকে মোদি (Narendra Modi) আরও বলেন, “মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ এবং উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত উদ্যোগ (পিএলআই)-সমূহের ফলে গাড়ির উৎপাদন ক্ষেত্রে প্রায় ২.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিকিকিনি হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে অটো মোবাইল সেক্টরে ১,৫০,০০০ প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, “গত চার বছরে এই ক্ষেত্রটিতে ৩,৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অটোমোবাইল সেক্টরের একটি উল্লেখযোগ্য চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।” এদিন আর্থিক ও প্রযুক্তি উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা ও পরিবেশ রক্ষারও পাঠ দেন মোদি। বলেন, “অর্থনীতি ও বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিবেশবান্ধব যানবাহন তৈরিতে আরও জোর দিতে হবে।”

    সাতটি ‘সি’-র গুরুত্ব উল্লেখ

    এই প্রসঙ্গেই সাতটি ‘সি’-র গুরুত্ব উল্লেখ করেন মোদি। এগুলি হল – কমন (সাধারণ), কানেকটেড (সংযুক্ত থাকা), কনভেনিয়েন্ট (সুবিধাজনক), কনজেশন-ফ্রি (যানজট মুক্ত), চার্জড (চার্জ থাকা), ক্লিন (স্বচ্ছ) এবং কাটিং-এজ (অত্যাধুনিক)। অর্থাৎ, মোদির (Narendra Modi) বার্তা এখানে একেবারেই স্পষ্ট। তা হল – অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন এক যানজটমুক্ত এবং সাশ্রয়ী গতিশীলতা সৃষ্টি করতে হবে, যা কোনওভাবেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Subscription: গবেষণায় ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-কে ছাড়পত্র কেন্দ্রের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    One Nation One Subscription: গবেষণায় ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-কে ছাড়পত্র কেন্দ্রের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব গবেষণাকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। একই ভাবে সমান সুযোগ পাবে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) অধীনে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গবেষণার কাজ করবে। সোমবার এমনই ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription) একটি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শীতকালীন সংসদের অধিবেশনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi cabinet) বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ২০২২ সালে মোদি উল্লেখ করেছিলেন (One Nation One Subscription)  

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২২ সালে স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় গবেষণার উপর জোর দেওয়ার কথা প্রথম বলেছিলেন। ভাষণে উঠে এসেছিল ‘জয়-অনুসন্ধান’-এর কথা। আধুনিক ভারতে দেশের গবেষকরা বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা তুলে ধরেছিলেন। ঠিক তার পরবর্তী পদক্ষেপ স্বরূপ উঠে আসল এবারের গবেষকদের কথা। গবেষণার কথা ভেবেই এবার মোদির মন্ত্রী পরিষদের নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। এই প্রকল্পের নাম ‘এক দেশ এক সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription)। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের কোনও বিভাজন করা হবে না। সকলে একই সংস্থার অধীনে গবেষণায় যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করতে চান মোদি (Modi cabinet)। আগামী ২০২৫, ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে।

    কেন্দ্র ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi cabinet) বৈঠকে জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে থাকা কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা নিজের গবেষণা কাজ করবেন। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই টাকা ৩ বছরে খরচ করা হবে। ২০২৫ সাল থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রকল্পে (One Nation One Subscription) ৬ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে অনুমানিক ২ কোটি গবেষক সুবিধা পাবেন। কাজের সুবিধার জন্য বিশেষ গ্রন্থাগারের ব্যবস্থা করা হবে। তথ্য এবং আইএনএফএলআইবিএনইটি (INFLIBNET) হল ইউজিসির একটি অন্তর্ভুক্ত একটি সংস্থা। এখানে ৩০টি প্রধান আন্তর্জাতিক জার্নাল প্রকাশককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকাশকদের প্রায় ১৩ হাজার ই-জার্নাল গবেষণার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।”

    ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিমের মূল বিষয় গুলি হল–

    ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন (One Nation One Subscription) স্কিমটি গবেষণায় উৎসাহ বাড়াতে এবং ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে এক একটি গবেষণা-ভিত্তিক সংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে চায়। এই উদ্যোগটিতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, পরীক্ষাগারগুলিতে গবেষণা এবং নানা উদ্ভাবনী প্রচারের জন্য অনুসন্ধান কেন্দ্র বা ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (NRF) এর মতো প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে চায় কেন্দ্র সরকার।

    তথ্য ও গ্রন্থাগার নেটওয়ার্ক (INFLIBNET) গবেষণার কাজের জন্য আবশ্যক করা হবে প্রকল্পে। সেই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত ইউজিসি (UGC) স্কিমটিকে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকার দ্বারা পরিচালিত ৬,৩০০ টিরও বেশি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্রগুলিকে সুবিধা প্রদান করবে।

    আরও পড়ুনঃ প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    বিকশিত ভারতের অঙ্গ এই প্রকল্প

    এই প্রকল্প (One Nation One Subscription) বিকশিত ভারত (Viksitbharat@2047), ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি বা জাতীয় শিক্ষা নীতির (NEP 2020) এবং অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (Anusandhan National Research Foundation)-এর লক্ষ্যগুলির সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রকল্প শহর-গ্রামীণ সমস্ত শাখার ছাত্র, গবেষকেরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেখক তথা বরিষ্ঠ গবেষক, বিজ্ঞানী এবং নানা ধরনের জার্নালগুলিকে ব্যবহার করে নিজের গবেষণার কাজকে খুব সহজেই প্রস্তুত করতে পারবেন। অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ ব্যবহার এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলির ভারতীয় লেখকদের প্রকাশনা পর্যালোচনা করবে।

    কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং অন্যান্য মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদের এইচইআই (HEI) এবং রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (R&D) প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলির ছাত্র, শিক্ষক এবং গবেষকদের মধ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা এবং পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করবে। একই ভাবে সারা দেশে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-এর (One Nation One Subscription) সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক এবং গবেষকদের অনন্য সুবিধার সর্বাধিক ব্যবহাররের জন্য সর্ব স্তরে প্রচার চালানো হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আয়ুষ্মান ভারত চালু করেনি মমতা, প্রধানমন্ত্রীর সুরেই আক্রমণ শুভেন্দুরও

    Suvendu Adhikari: আয়ুষ্মান ভারত চালু করেনি মমতা, প্রধানমন্ত্রীর সুরেই আক্রমণ শুভেন্দুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এই কার্ড রাজ্যে অবিলম্বে চালু করার আর্জি রাখেন তিনি। মূলত, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে আক্ষেপ করেছিলেন, তা নিয়ে এই ভাষাতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিরোধী দলনেতা।

    প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেছেন? (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার প্রবীণদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল এবং দিল্লির আপ সরকার অসুস্থ মানুষকে কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে, যা অমানবিক। এই প্রকল্প চালু না হওয়ায় বাংলার প্রবীণ নাগরিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প ( Ayushman Bharat Card) সম্পর্কে বলতে গিয়েই প্রধানমন্ত্রী রীতিমতো আক্ষেপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী , সিনিয়র সিটিজেন আয়ুষ্মান কার্ড চালুর ব্যবস্থা করবে বলে প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু?

    মঙ্গলবার একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে আসানসোলে আসেন রাজ্যের  বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘আমি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনেছি, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি সিনিয়র সিটিজেনদের কাছে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। কারণ, সিনিয়র সিটিজেন ৭০ বছর বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য আয়ুষ্মান ভারত কার্ড লাগু হবে। কিন্তু, এই দুই রাজ্যে তা হচ্ছে না।’’ পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই কার্ড পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোনও কাজে লাগে না সেখানে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড কাজ করে। এমনকী রাজ্যের বহু নার্সিংহোম এই কার্ডের মান্যতা দেন না। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড চালু না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তার আক্ষেপের কথা বলেছেন।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘মমতা, মূর্খ মুখ্যমন্ত্রী! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প প্রবীণ নাগরিকদের জন্য। বাংলার রাজ্য সরকার আয়ুষ্মান ভারত চালু করতে দিচ্ছে না। রাজ্য সরকারের উচিত অবিলম্বে আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paralympics 2024: প্যারালিম্পিক্সে সোনা জিতলেন নভদীপ, ভারতের পদক সংখ্যা বেড়ে ৩০ ছুঁয়ে ফেলল

    Paralympics 2024: প্যারালিম্পিক্সে সোনা জিতলেন নভদীপ, ভারতের পদক সংখ্যা বেড়ে ৩০ ছুঁয়ে ফেলল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য স্থির রেখে নিজের সেরাটা দিলেই মিলবে সাফল্য। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) সোনা জিতে এবার সেটাই প্রমাণ করলেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার নভদীপ সিং। তাঁর হাত ধরে প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে আরও একটি সোনা জিতল ভারত। এনিয়ে দেশের পদক জয়ের সংখ্যা দাঁড়়াল ৩০টি। স্বাভাবিকভাবে প্যারালিম্পিক্সে নতুন করে আরও একটি সোনা জয়ের খবর জানাজানি হতেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী।

    তিনবারের চেষ্টায় সেরাটা দেন নভদীপ (Paralympics 2024)

    প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) জ্যাভলিনে প্রথম থ্রো ফাউল করেন ২৩ বছর বয়সি হরিয়ানার প্যারা অ্যাথলিট নভদীপ। দ্বিতীয় থ্রোয়ে তিনি ৪৬.৩৯ মিটার ছোড়েন। এর ফলে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসেন তিনি। তৃতীয় থ্রোয়ে নিজের সেরাটা দেন। কেরিয়ারের সেরা ৪৭.৩২ মিটার ছুড়ে প্যারালিম্পিক্সের রেকর্ড ভেঙে দেন নভদীপ। কিন্তু, ইরানের বেইত সায়াহ সাদেঘ সেই রেকর্ডও ভেঙে দেন। এর ফলে সোনা জিতে নেন ইরানের খেলোয়াড়। রুপো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় নভদীপকে। কিন্তু, এর কিছু পরে ইরানের খেলোয়াড়কে বাতিল করে দেওয়া হয়। সোনা তুলে দেওয়া হয় নভদীপকে। প্যারালিম্পিক্সে জ্যাভলিন থ্রোয়ে এর আগে বিশ্বরেকর্ড ছিল চিনের পেংজিয়াং সানের দখলে। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে নীরজ চোপড়াকে দেখে কেরিয়ার শুরু তাঁর। ২০১৭ সালে দুবাইয়ে এশিয়ান ইউথ প্যারা গেমসে সোনা জিতেছিলেন। ২০২০ টোকিও অলিম্পিক্সে চতুর্থ স্থানে শেষ করেন নভদীপ।  ২০২৪-এ জাপানে প্যারা অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। আর এবার ২০২৪ প্যারিস (Paris) প্যারালিম্পিক্সের সোনা জিতে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    ভারতের ঝুলিতে (Paralympics 2024) একের পর এক পদক আসতেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী। প্রধানমন্ত্রীও সকল খেলোয়াড়কে ব্যক্তিগতভাবে উৎসাহিত করেছেন। এর আগে পদক জয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী দুই অ্যাথলিট প্রবীণ কুমার ও হোকাতো হোতোড়ে সেমা-কে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হল নভদীপ। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাঁকেও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘‘মমতাকে রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে’’, কোথায়? তাও জানালেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

    Nadia: ‘‘মমতাকে রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে’’, কোথায়? তাও জানালেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন। আদালতের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ একাধিকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই আবহের মধ্যে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আহ্বান জানালেন নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। আরজি করের ঘটনা নিয়ে বাংলার মানুষ যেভাবে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে শুরু করেছেন, তাতে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করছেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ।

    ঠিক কী বলেছেন বিজেপি সাংসদ? (Nadia)

    শান্তিপুর (Nadia) ডাকঘর মোড়ে আয়োজিত এক প্রতিবাদী সভায় বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘এতদিন বিরোধীরা বিরোধিতা করলেও বর্তমানে সমাজের সকল অংশের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদ করছেন। আরজি করকাণ্ড সহ বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের দুই-একজন ভালো মানুষ, যারা মুখ খুলেছেন তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তড়িঘড়ি নিহত তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্ত করিয়ে প্রমাণ লোপাটের জন্য ভাঙা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজের একটি অংশ। আন্দোলনকারীদের মধ্যে দলীয় কর্মীদের হাতে বিরোধীদের পতাকা ধরিয়ে আক্রমণ করানো হয়েছে। আর এ সমস্ত নাটক বুঝে গিয়েছে সাধারণ মানুষ। তাই তো সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ।’’

    ‘‘মমতার যাওয়ার একটাই জায়গা, সেটা হল…’’

    এর সঙ্গেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করে জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘আগামীদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে। সেক্ষেত্রে ওনার যাওয়ার একটাই জায়গা, সেটা হল বাংলাদেশ। তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন, এবার হয়তো সেই শখ পূরণ হতে চলেছে। তবে এ বাংলায় নয়, বর্তমানে অরাজকতার বাংলাদেশ। বাংলাদেশে গিয়ে জামাত, মৌলবীদের সঙ্গে মিলে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন তিনি। তবে, আমরাও কথা দিচ্ছি ভারতবর্ষ তথা বাংলা থেকে বিতাড়িত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য না হয় স্লোগান দেব ‘জয় বাংলা’। সঙ্গে গান করব এক্কেবারে মানাইছে না রে।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share