Tag: Prime minister Narendra Modi

Prime minister Narendra Modi

  • BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে একেবারে ধুয়ে দিলেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী। বুধবার তিনি অভিযোগ করেন, রাহুল (Rahul Gandhi) যাচাই না করেই অভিযোগ করেছেন এবং সংসদে অশোভন আচরণ করেছেন।

    রাহুলের বিষাক্ত মিথ্যা কথা (BJP)

    সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিবেদী অভিযোগ  করেন, রাহুল বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ নিয়েও সমালোচনা করেন। ত্রিবেদী বলেন, “বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী যেন বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন। সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ ঠিকঠাক ছিল না। লোকসভায় কংগ্রেসের আচরণ কলতলার ধারে দেখা আচরণের চেয়ে ভালো নয়। এ ধরনের আচরণ সংসদের পক্ষে অশোভন।” রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সময়কার সাম্প্রতিক বিতর্কের কথাও উল্লেখ করেন ত্রিবেদী, যখন কংগ্রেসের মহিলা সাংসদরা লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে প্রতিবাদ জানান। পরে স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লোকসভায় না আসার অনুরোধ জানান, কারণ তিনি আগেই জেনেছিলেন, কংগ্রেস সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে গিয়ে “অভূতপূর্ব ঘটনা” ঘটাতে পারেন।

    মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার

    ত্রিবেদী বলেন, “আমরা দেখেছি কীভাবে মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন কিছু সদস্য ব্যানার হাতে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগোচ্ছিলেন। এটি শাহিনবাগের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছিল।” অপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীও (BJP) বাজেট বিতর্কে কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “কোনও অভিযোগ করা হলে তা সংশ্লিষ্ট নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। তাঁর নিয়ম বা প্রমাণীকরণের অর্থ সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই। তাই তিনি যা খুশি বলে যান (Rahul Gandhi)।” তাঁর অভিযোগ, রাহুল তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর মনোযোগ দেননি, বরং অসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিষয় উত্থাপন করেছেন। মন্ত্রী বলেন, “তাঁদের (কংগ্রেস) ইতিহাস সম্পর্কে কোনও জ্ঞান নেই। তিনি বাজেট নিয়ে কথা বলেননি।”

    বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদা

    অধিবেশনের সময় সভাপতির আসন নিয়ে করা মন্তব্যের বিরোধিতা করে জোশী বলেন, “যখন কোনও সদস্য সভাপতির আসনে থাকেন, তখন তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন, কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না। সভাপতির আসনে বসলে তিনি কোনও দলের নন। তাঁকে তাঁর আগের দলীয় পরিচয় উল্লেখ করে অপমান করা বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদাকে খাটো করে। রাজনৈতিক লাভের জন্য তিনি বাজেট ছাড়া সব বিষয়ে কথা বলেছেন (Rahul Gandhi)।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর এই মন্তব্যগুলি করা হয়। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর (BJP), স্পিকার অপসারণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন, ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী সাংসদদের জমা দেওয়া অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে কিছু ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নোটিশে ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর ঘটনার উল্লেখ চারবার করা হয়েছিল, যা নিয়ম অনুযায়ী বাতিলের কারণ হতে পারত। তবে স্পিকার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিশের ত্রুটি সংশোধন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ আসে এমন এক প্রেক্ষাপটে, যখন বিরোধী দল অভিযোগ করে যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় রাহুলকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। রাহুল ২০২০ সালের চিন-ভারত সংঘাত প্রসঙ্গে জেনারেল এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র উল্লেখ করেন। স্পিকার তাঁকে অপ্রকাশিত সাহিত্য উদ্ধৃত না করার নির্দেশ দেন (Rahul Gandhi)। এদিন লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ করেন। প্রশ্ন করেন, তারা কি ভারত বিক্রি করতে লজ্জা পান না? তাঁর অভিযোগ, “ভারতমাতাকে কার্যত বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে (BJP)।”

    রাহুলের অভিযোগ

    তিনি বলেন, “আপনারাই স্বীকার করছেন যে আমরা এক বৈশ্বিক ঝড়ের মুখোমুখি, একক পরাশক্তির যুগ শেষ, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ছে, এবং জ্বালানি ও অর্থব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবুও আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জ্বালানি ও আর্থিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে ব্যবহার করতে দিয়েছেন, যা আমাদের প্রভাবিত করছে। যখন আমেরিকা বলে আমরা কোনও নির্দিষ্ট দেশ থেকে তেল কিনতে পারব না, তখন এর মানে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা বাইরের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আপনি কি এতে লজ্জিত নন? আমি বলছি, আপনি ভারতের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন। আপনি কি লজ্জা পান না? যেন আপনি ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছেন (Rahul Gandhi)।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে রাহুল জানান, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না যে প্রধানমন্ত্রী ভারত বিক্রি করবেন, তবে তাঁর ওপর যে বাহ্যিক চাপ রয়েছে তাও মনে করিয়ে দেন রাহুল। তিনি প্রধানমন্ত্রীর চোখে ভয়ের ছাপ দেখতে পাচ্ছেন এবং “এপস্টাইন ফাইলস” তালাবদ্ধ থাকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে (Rahul Gandhi) ইঙ্গিত করেন, কিছু অপ্রকাশিত চাপ কাজ করছে (BJP)।

     

  • PM Modi: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন মোদি

    PM Modi: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পর এবার মালয়েশিয়ার (Malaysia) প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সেখানেই দেখা গেল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে একটি কমিউনিটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। যাত্রাপথের একটি ছবি এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই মুহূর্তটি ভারত ও মালয়েশিয়ার জনগণের মধ্যে দৃঢ় পারস্পরিক সম্পর্কের উদযাপন।”

    প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা (PM Modi)

    এর আগে, বিমানবন্দরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিশেষ সৌজন্য প্রদর্শন করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাঁকে স্বাগত জানান। এই আন্তরিক অভ্যর্থনায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি এতে গভীরভাবে আপ্লুত এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।” ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো’ সেরি আর রামানন এবং উপ-বিদেশমন্ত্রী দাতো’ লুকানিসমান বিন আওয়াং সাউনি। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) বিবৃতি অনুযায়ী, আগমনের পর ভারত ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় (Malaysia)।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’

    এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বিদেশমন্ত্রক জানায়, ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’, ‘ভিশন মাহাসাগর’ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘সেলামাত দাতাং মোদিজি’ শীর্ষক একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে প্রবাসী ভারতীয়রা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন। অনুষ্ঠানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের নানা ধারার সমন্বয়ে একটি বৃহৎ দলগত নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তোলারও প্রচেষ্টা থাকবে (PM Modi)।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ৭–৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারত–মালয়েশিয়া ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে ভারতীয় সম্প্রদায় ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করবেন (Malaysia)। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের পর এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয়বার মালয়েশিয়া সফর, যা দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততারই ইঙ্গিত বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

     

  • Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্ত হচ্ছে। আর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাতে মদত দিচ্ছে। শনিবার মালদায় পরিবর্তন সংকল্প সভার মঞ্চ থেকেই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Malda)। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধনের পরপরই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন মোদি। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার জেরে শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়।

    অনুপ্রবেশ সমস্যা তৃণমূলের মদত

    প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা কার্যত অসম্ভব। মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। দুনিয়ার সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে টাকার অভাব নেই, তারাও অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দিচ্ছে। ওদের বাইরে পাঠানো উচিত কি না? কিন্তু তৃণমূল সরকার থাকতে তা কি সম্ভব? ওরা কি করবে? আপনাদের অধিকার কি রক্ষা করবে? আপনাদের জমি, বোন-মেয়েদের কি রক্ষা করবে? অনুপ্রবেশকারীদের কে বার করবে? তৃণমূলের সিন্ডিকেট বহু বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার করার খেলা করছে। ওরা গরিবদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। যুবকদের কাজ ছিনিয়ে নেয়। বোনদের উপর অত্যাচার করেছে। দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। মালদা, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় হিংসা বাড়ছে। অনুপ্রবেশকারী এবং সত্ত্বাধারীদের জোট ভাঙতে হবে। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে।’’

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    এ দিনের সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে আলাদা বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘মোদির গ্যারান্টি, মতুয়া, যাঁরা প্রতিবেশী দেশে ধর্মের কারণে হিংসার শিকার হয়ে এখানে এসেছেন, তাঁরা ভয় পাবেন না। মোদি সিএএ-র মাধ্যমে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে। এখানে যে বিজেপি সরকার হবে, তারা মতুয়া, নমশূদ্র শরণার্থীদের বিকাশের কাজে গতি আনবে। বাংলায় পরিবর্তন আনার দায়িত্ব রয়েছে মা-বোন, যুবকদের।’’

    নারী নির্যাতন নিত্যদিন

    মোদি (Modi talks on Infiltration) বলেন, ‘‘বাংলায় এখন নারী নির্যাতন রোজ-কার ঘটনা। কাল দেখলাম মহিলা সাংবাদিক নিগৃহীত। কত অভদ্রতা করা হয়েছে। তৃণমূলরাজে স্কুল, কলেজেও মহিলারা সুরক্ষিত নয়। নির্মমতা এতটাই যে মহিলাদের কথা শোনা হয় না। নির্যাতিতাদের কোর্টে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই কাজ কে করবে? আপনাদের একটা ভোট করবে। আপনাদের ভোট পশ্চিমবঙ্গের পুরনো গৌরব ফেরাবে। তৃণমূলের গুণ্ডাগিরি বেশিদিন চলবে না। এর শেষ হবে। গরিবদের নিপীড়ন শেষ হবে।’’ বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতেই বঙ্গবাসীর কাছে বাংলাকে বিকাশের পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান মোদি।

  • Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা আর আম সমার্থক। গোটা রাজ্যে তো বটেই গোটা দেশেই মালদার আমের আলাদা পরিচিত ও খ্যাতি রয়েছে। মালদার (Modi in Malda) অর্থনীতির একটা বড় স্তম্ভ হল আম। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সেদিকে নজরই দেয় না। তাই মালদার আমজনতার মাঝে আম নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে পাটচাষী, রেশম চাষিদের দুর্দশার কথা উঠে এল মোদির কথায়। মোদি বলেন, ‘‘মালদা সেই জায়গা, যেখানে প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রাজনীতি এবং সাংস্কৃতির চেতনা। মালদা বাংলার সমৃদ্ধির কেন্দ্র। আমি প্রথম বাংলার শিবেন্দুশেখর রায়কে প্রণাম জানাই, যার জন্য মালাহ আজও পরিচিত। আজও নিজের আম, আমসত্ত্ব, রেশম, লোকসঙ্গীত, বৌদ্ধিক চেতনার জন্য পরিচিত।’’

    আম-অর্থনীতি নিয়ে মোদির ভাবনা

    মালদার সভায় প্রধানমন্ত্রীর (Modi talks on Mango) ভাষণের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল চাষিদের কথা। আম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, “মালদা জেলা আম এবং আমসত্ত্বের জেলা। অথচ এই জেলায় আম অর্থনীতি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি তৃণমূল।” মোদির দাবি, বাংলায় ক্ষমতায় এলে মালদার আম শিল্পকে ১ লক্ষ কোটি টাকার শিল্পক্ষেত্রে পরিণত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন কালিয়াচক ও ইংলিশবাজার আমের বাজার। সেটার বিকল্প বাজার তৈরি করবে বিজেপি সরকার। কোল্ড স্টোরেজ আরও বাড়বে, ফুড প্রসেসিং সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়বে। আমজনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, “ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি সরকার। মালদার পুরনো গৌরব ফেরাব আমরা।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মালদার নিত্যানন্দপুরে জনসভায় বলেন, “তৃণমূল সরকার দীর্ঘদিন ধরে মালদার আমচাষীদের বঞ্চিত করে রেখেছে। কোল্ড স্টোরেজ নেই, প্রসেসিং ইউনিট নেই, বাজারজাতকরণের সুবিধা নেই। ফলে চাষীরা ন্যায্য দাম পান না, আম নষ্ট হয়ে যায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই বঞ্চনার অবসান হবে।আমরা কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দেব, নতুন নতুন কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করব, আধুনিক প্যাকেজিং ও লজিস্টিক্সের ব্যবস্থা করব যাতে মালদার ল্যাংড়া, লক্ষণভোগ, হিমসাগর, ফজলি এই সব বিখ্যাত আম সারা ভারতে সহজে পৌঁছে যায়।” প্রধানমন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, আম চাষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে বৃহৎ ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি। আমের আচার, জ্যাম, জেলি, পাল্প, ড্রাই ফ্রুটস, আমের রস – এসব তৈরির কারখানা হবে মালদায়।

    বাংলার কৃষকদের সুদিন ফেরানোর আশা

    শুধু আম নয়, মালদা ও মুর্শিদাবাদের কৃষকদের জীবনযাত্রার একটা বড় ভিত রেশম ও পাটচাষ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, রেশম চাষিদের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। মোদির কথায়,“এই তৃণমূলের লোকেরা যখন দিল্লিতে সরকার চালাত তখন পাটের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিল ২৪০০ টাকা। আজ সেটা ৫৫০০ টাকা। দ্বিগুণের বেশি হয়ে গিয়েছে। আমাদের সরকার পাটচাষিদের ১৩০০ কোটির বেশি টাকা দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদায় আপনাদের দুঃখ কমাতে এসেছি। এখানে কারখানা হচ্ছে না। কৃষকেরা সুবিধা পাচ্ছে না। মালদা, মুর্শিদাবাদ থেকে যুবকেরা রুজির জন্য পালাতে বাধ্য হন। রেশম কৃষক, আম কৃষকদের অবস্থা বেহাল। আমচাষীরা বলছেন, চাষের টাকাও ওঠেনি। কারণ, তৃণমূল সরকার এই নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি। প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে বড় উদ্যোগ নেয়নি। আপনাদের হকের টাকা দেয়নি।’’

    নদীভাঙন নিয়ে সরব মোদি

    মানিকচক, রতুয়ার দীর্ঘদিনের সমস্যা নদী ভাঙন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সেই প্রসঙ্গও উঠে এল। প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল খেয়ে নেয়। তৃণমূল সরকার নির্মম নির্দয়।” প্রধানমন্ত্রী বললেন, “মালদায় গঙ্গা আর ফুলহারের ভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়। প্রতিবছর তৃণমূলের সাহায্য চায় মানুষ, কিন্তু তৃণমূল আপনাদের দুর্দশার মধ্যেই রেখে দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদা তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে মার খাচ্ছে। প্রতি বছর এখানে অসংখ্য ঘর নদীতে তলিয়ে যায়। লক্ষ মানুষ তৃণমূল সরকারের কাছে আবেদন করছেন, পাড় বাঁধাতে। তৃণমূল ছেড়ে দেয়। বাঁধের নামে কত যে খেলা হয়, আমার থেকে বেশি আপনারা জানেন। সিএজি রিপোর্ট দেখছিলাম বাঁধ নিয়ে। আপনাদের বাঁধের টাকা দেয়নি। কিন্তু তৃণমূলের নিজের লোকদের খাতায় ৪০ বার বাঁধের টাকা পাঠানো হয়েছে। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সঙ্কটে ছিলেন, তাঁদের দেয়নি। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠেরা পীড়িতদের টাকা লুটেছে। মালদার মাটিতে বলছি, বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই তৃণমূলের এই কালো দুর্নীতি বন্ধ হবে।’’

  • Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার চারপাশে সুশাসনের সরকার রয়েছে৷ বিহার, ওড়িশা, অসম, ত্রিপুরার পর এবার বাংলায় সুশাসনের পালা৷ মালদার সভা থেকে শনিবার রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের স্লোগান বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “বাংলা আমায় অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আজ মালদার (PM Modi in Malda) এই জনসাগর দেখে আমি নিশ্চিত, বাংলার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য মানুষ আসল পরিবর্তনের সঙ্কল্প নিয়েছেন।” বাংলার দ্রুত বিকাশই কেন্দ্রের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিন্তু সেই পথ আটকাচ্ছে তৃণমূলের হিংসার রাজনীতি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বঙ্গবাসী।

    কেন্দ্রের টাকা লুট করে তৃণমূল

    মালদায় রাজনৈতিক জনসভা থেকে এদিন সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী এদিন সরাসরি তৃণমূল সরকারকে ‘গরিবদের শত্রু’ বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা পাঠায়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়। ওরা নিজেদের সিন্দুক ভরতে ব্যস্ত।” মোদি বলেন, ‘‘দেশ আজ দীক্ষিত ভারত হওয়ার লক্ষ্যে। পূর্ব ভারতের বিকাশ খুব জরুরি। হিংসার রাজনীতি যারা করে, তারা বিকাশ আটকে রেখেছিল। বিজেপি এই রাজ্যগুলিকে হিংসার রাজনীতি করা লোকজনের থেকে মুক্ত করেছে। পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশ্বাস যদি কারও সঙ্গে থাকে, তা হলে তা হল বিজেপি।’’

    পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার

    মোদি বলেন, ‘‘ওড়িশায় বিজেপি সরকার করেছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপি-তে। কিছু দিন আগে বিহার আরও এক বার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চার দিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গা আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি এই কাজ করে ছাড়বে। বাংলায় সুশাসন আনবে। আমার সঙ্গে একটা সঙ্কল্প নিন। আমি বলব, পাল্টানো দরকার। আপনারা বলবেন, চাই বিজেপি সরকার।’’ মুম্বই পুরসভা (BMC) এবং তিরুবনন্তপুরমে বিজেপির সাফল্যের উদাহরণ টেনে মোদি বলেন, দেশের চারদিকে আজ বিজেপির সুশাসনের সরকার। এবার বাংলার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি-র জয় অসম্ভব বলেই মনে করা হত, সেখানেও এখন বিজেপি নির্বাচনে সাফল্য পাচ্ছে৷ উদাহরণ হিসেবে কেরল, মহারাষ্ট্রের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, এবার বাংলাতেও পালাবদল হয়ে পদ্ম ফুটবে৷

    বাংলার উন্নয়ন প্রাথমিক লক্ষ্য

    মোদির কথায়, ‘‘বাংলার দ্রুত বিকাশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিছু ক্ষণ আগে বাংলার বিকাশের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। বাংলা আধ ডজন নতুন ট্রেন পেয়েছে। তার মধ্যে একটা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। মেড ইন ইন্ডিয়া। সকলের জন্য আনন্দের যে, প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত শুরু হচ্ছে বাংলা থেকেই। একটা স্টেশন মালদাও। বাংলার সব মানুষকে শুভেচ্ছা। দেশের তরুণ প্রজন্ম, জেন জি বিজেপি-র উপরে ভরসা রাখছে৷ বিজেপি-কে নিয়ে যে ভুল প্রচার চালানো হত, তা দূর হচ্ছে৷’’ মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সব গৃহহীন ঘর পান। নল থেকে সকলে জল পান, মুক্ত রেশন পান, যে যোজনা কেন্দ্র গরিবদের জন্য তালু করেছে, আমি চাই, বাংলার মানুষ তার সুবিধা পাক। আপনাদের সেগুলি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার নির্দয়। নির্মম। কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা দেয়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়।’’ বিশেষ করে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে তিনি সরব হন। মোদি বলেন, “সারা দেশের গরিবরা ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেলেও বাংলার মানুষ তা পাচ্ছেন না। তৃণমূল সরকার এখানে এই যোজনা চালু করতে দিচ্ছে না।” তাই বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • PM Modi in Malda: যুক্ত হল কালীঘাট-তারাপীঠ-কামাখ্যা! প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার-ট্রেনের সূচনা

    PM Modi in Malda: যুক্ত হল কালীঘাট-তারাপীঠ-কামাখ্যা! প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার-ট্রেনের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গায় স্নান সেরে কালীঘাট দর্শন বিকেলে ট্রেনে চেপে আজিমগঞ্জে নেমে তারাপীঠে মা-তারার পুজো। আবার পরের দিন সোজা গুয়াহাটি পৌঁছে মাতা কামাখ্যার প্রার্থনা। দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দেভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার এর পাশাপাশি চারটি নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের ভার্চুয়াল উদ্বোধনও করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Malda)। রেলমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে এক ডজনের বেশি নতুন ট্রেন উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে রেলওয়ের উন্নয়নে ১৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।” শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ মালদা টাউন স্টেশন থেকে হাওড়া-কামাক্ষ্যা পথের এই ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি ৷ তাঁর সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, মালদা দক্ষিণের ঈশা খান চৌধুরি ৷

    বন্দেভারত স্লিপার ট্রেনের ভিতরে মোদি

    গতির সঙ্গে বিলাসিতার মিশেলে শনিবার থেকে হাওড়া-গুয়াহাটির মধ্যে চালু হল দেশের প্রথম ‘বন্দে ভারত স্লিপার’ ট্রেন। দূরপাল্লার যাত্রায় এখন আর ক্লান্তি নয় বরং বিলাসবহুল বিছানায় শুয়েই গন্তব্যে পৌঁছবেন যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই অত্যাধুনিক এই ট্রেনের উদ্বোধন হল। এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার পাশাপাশি অসমের বঙ্গাইগাঁও ও কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলায় পরিষেবা দেবে। রাতের সফরের কথা মাথায় রেখে বিশেষ ভাবে নকশা করা হয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটার গতিবেগে চলার ক্ষমতা থাকলেও, বাণিজ্যিক ভাবে এই ট্রেন চলবে ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে। মোট ১৮টি কামরার এই ট্রেনে একসঙ্গে সফর করতে পারবেন ৮২৩ জন যাত্রী। এদিন বন্দেভারত ট্রেনের ভিতরের কোচও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সবুজ পতাকা নাড়িয়ে নতুন ট্রেনের যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। কথা বলেন কচিকাঁচাদের সঙ্গে।

    কবে কবে চলবে, কোথায় থামবে

    রেলমন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সপ্তাহে ছ’দিন হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলবে হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে। হাওড়া স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি ছাড়বে। পরের দিন কামাখ্যা পৌঁছবে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে। অন্যদিকে কামাখ্যা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে। হাওড়া পৌঁছাবে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে। অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের যাত্রার সময় অনেকটাই কম লাগবে বলেই দাবি রেলের। অন্যদিকে দীর্ঘ এই যাত্রাপথে মোট ১৩ টি স্টেশনে দাঁড়াবে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি। রেলের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে ট্রেনটি ছাড়ার পরেই প্রথমে ট্রেনটি দাঁড়াবে ব্যান্ডেল স্টেশনে। এরপর নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা জংশম, মালদহ টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বঙ্গাইগাঁও, রঙ্গিয়া হয়ে কামাখ্যা পৌঁছাবে। কামাখ্যা থেকে ছাড়ার পর একইভাবে এই স্টেশনগুলিতেই স্টপেজ দেবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি। তবে কামাখ্যা থেকে বুধবার এবং হাওড়া থেকে বৃহস্পতিবার পাওয়া যাবে না ট্রেনটি। এদিন পতাকা নেড়ে ট্রেন রওনা হওয়ার পর কিছুক্ষণ ট্রেনের ভিতরেই কাটান প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের একাধিক কোচে ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই ট্রেনে থাকা স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন তিনি। পড়াশোনা, যাত্রার অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিশুদের সঙ্গে গল্প করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। তারপর প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা থেকেই একগুচ্ছ রেল ও সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তিনি।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

  • Zoho India: মাইক্রোসফট বা গুগল নয়, অশ্বিনী বৈষ্ণব শুরু করলেন ভারতীয় অ্যাপ জোহো-র ব্যবহার

    Zoho India: মাইক্রোসফট বা গুগল নয়, অশ্বিনী বৈষ্ণব শুরু করলেন ভারতীয় অ্যাপ জোহো-র ব্যবহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। জনপ্রিয় বিদেশি সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট অফিস ও গুগল ওয়ার্কস্পেস ছেড়ে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি জোহো সফটওয়্যার (Zoho India) ব্যবহার শুরু করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। ২৪ সেপ্টেম্বর বুধবার, ক্যাবিনেট ব্রিফিং করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আর তখনই তৈরি হল ইতিহাস। সেই ব্রিফিংয়ে তিনি ব্যবহার করলেন জোহো। এবং সেই ব্রিফিংয়ের শুরুতেই তিনি ঘোষণা করলেন, এদিনের যে পিপিটি তৈরি করা হয়েছে, সেটা জোহোতেই তৈরি করা হয়েছে।

    জোহো-তে স্থানান্তরের ঘোষণা

    গত ২২ সেপ্টেম্বর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) ঘোষণা করেন যে ডকুমেন্ট, স্প্রেড শিট ও প্রেজেন্টেশনের জন্য তিনি এবার থেকে ব্যবহার করবেন জোহো। তিনি লেখেন, ‘‘আমি এবার জোহোতে চলে যাচ্ছি। আমাদের নিজেদের প্ল্যাটফর্ম।’’ অর্থাৎ তিনি সেদিনই জানিয়ে দেন অফিসের যে একাধিক কাজের জন্য এবার থেকে মাইক্রসফট অফিস বা গুগলের ডকস তিনি আর ব্যবহার করবেন না। এটি ছিল কার্যত এক নতুন অধ্যায়ের সূচনার ঘোষণা।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রেরণা

    প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের জনগণকে লেখা একটি চিঠিতে উৎসবের মরসুমে মেড-ইন-ইন্ডিয়া পণ্যগুলিকে সমর্থন করার জন্য আহ্বান জানানোর ঠিক পরেই এই আবেদন করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মোদি এই পদক্ষেপকে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, যে স্বদেশি পণ্য কেনা কেবল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে না বরং স্থানীয় কারিগর, শ্রমিক এবং শিল্পকেও সহায়তা করে। তাঁর কথায়, ‘‘যখনই আপনি আমাদের কারিগর, শ্রমিক এবং শিল্পের তৈরি পণ্য কিনবেন, তখন আপনি পরিবারগুলিকে তাদের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করছেন এবং আমাদের যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছেন।’’

    জোহো আসলে কী?

    ১৯৯৬ সালে শ্রীধর ভেমবু ও টনি টমাস জোহো (Zoho India) তৈরি করেন। এই সংস্থার সদর দফতর চেন্নাইয়ে। জোহো একটি সফটওয়্যার কোম্পানি, যা ব্যবসায়ী ও পেশাদারদের জন্য ৫৫টির বেশি ক্লাউড-ভিত্তিক টুল সরবরাহ করে। ইমেল, অ্যাকাউন্টিং, এইচআর বা প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টের মতো সব ধরনের কাজের জন্য সফটওয়্যার রয়েছে জোহোর। আমেরিকায় এই সংস্থা নথিবদ্ধ হলেও সংস্থার বেশিরভাগ কাজই হয় তামিলনাড়ু থেকে। ১৫০টিরও বেশি দেশে জোহোর ১০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। ফলে, এই সংস্থা যে কেবলমাত্র স্বনির্ভর ভারতের প্রতীক, এমনটা নয়। এই সংস্থা প্রমাণ করে যে ভারতীয় সংস্থাগুলোও পারে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে কঠিন চ্যালেঞ্জ দিতে পারবে।

    স্বদেশির টান

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশিয়ানায় জোর দেওয়ার এই ডাক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নতুন করব্যবস্থাকে ‘জনবান্ধব সংস্কার’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘উৎসবের মরসুমে আসুন আমরা সকলে ঠিক করি, দেশীয় পণ্যকেই সমর্থন করব। এর অর্থ হচ্ছে, যে কোনও ভারতীয় শিল্পী, শ্রমিক বা কারখানার ঘাম-রক্তে তৈরি সামগ্রী কেনা। সেটা যে ব্র্যান্ড বা সংস্থাই তৈরি করুক না কেন।’ এই প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী ও দোকানদারদেরও বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা গর্বের সঙ্গে বলি, যা কিনছি তা স্বদেশি। আমরা গর্বের সঙ্গে বলি, যা বিক্রি করছি তা স্বদেশি।’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর অশ্বিনী বৈষ্ণব দেশের মানুষের কাছে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের অনুরোধ জানালেন। তিনি নিজেও স্বদেশি প্রযুক্তিকে আপন করে নিয়েছেন।ডেটা প্রাইভেসি ও মূল্য?

    ডেটা প্রাইভেসিতে জোর

    জোহোর (Zoho India) অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ব্যবহারকারীর ডেটা প্রাইভেসিতে জোর দেওয়া। তারা বিজ্ঞাপন থেকে রাজস্ব উপার্জন করে না, এবং ব্যবহারকারীর তথ্য গোপন রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বিভিন্ন দেশের আইন মেনে ডেটা হোস্ট করা হয়। এছাড়াও, জোহো ওয়ার্ক স্পেসের মূল্য সাধারণত মাইক্রোসফট ও গুগলের তুলনায় অনেকটাই কম, যা বিশেষ করে ভারতের ছোট ও মাঝারি ব্যবসার মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

  • Pariksha Pe Charcha: পরীক্ষা চাপ নয়, উৎসব! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    Pariksha Pe Charcha: পরীক্ষা চাপ নয়, উৎসব! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র (Pariksha Pe Charcha) মুকুটে নতুন পালক। রেকর্ড সংখ্যক নাম নথিভুক্ত করিয়ে গিনেস বুকে নাম তুলে নিয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মস্তিকপ্রসূত এই উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে। চলতি বছর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র জন্য সাড়ে ৩ কোটির বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এই কারণেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম উঠেছে এই উদ্যোগের। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর তরফে দিল্লিতে এই কথা ঘোষনা করেন ঋষি নাথ।

    মানসিক চাপ সরিয়ে পরীক্ষা শিক্ষার উৎসাহ

    কেন্দ্রের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র অষ্টম সংস্করণে এক মাসের মধেই ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এই স্বীকৃতি পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ নাম নথিভুক্ত হয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-র জন্য। এছাড়াও টেলিভিশনের পর্দায় তা দেখেছেন ২১ কোটির বেশি মানুষ। এই অনুষ্ঠান পরীক্ষার মানসিক চাপ সরিয়ে পরীক্ষাকে শিক্ষার উৎসাহে পরিণত করেছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনও চাপ ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে পারে, তার জন্য এই পরীক্ষা পে চর্চা শুরু হয়। এখন তা দেশজুড়ে উৎসবের আকার নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পরীক্ষা পে চর্চাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড টিমকেও ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।

    অভিনন্দন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    এই উদ্যোগের সফলতার জন্য পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি লেখেন, ‘এটি একটি রেকর্ড-ব্রেকিং কৃতিত্ব যা বিশ্বব্যাপী পড়ুয়াদের জন্য পরীক্ষার চাপ কমানোর ভূমিকা রেখেছে। এই জাতীয় একটি কর্মসূচি মানব সম্পদকে আরও উন্নত করার পথকে ত্বরান্বিত করে। এটি ভারতের জন্য সত্যিই গর্বের একটি দুর্দান্ত মুহূর্ত।’

    পরীক্ষা প্রেরণার উৎস

    প্রসঙ্গত, পরীক্ষা পে চর্চায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরাসরি পড়ুয়া, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব পরীক্ষা পে চর্চাকে একটি অনন্য উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন যা শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের একত্রিত করে সুস্থতা এবং চাপমুক্ত শিক্ষার প্রচার করে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র অষ্টম সংস্করণটি অনেকগুলো ভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, ছয় বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কম এবং আধ্যাত্মিক নেতা সদগুরুর মতো ব্যক্তিত্বরা যোগ দিয়েছিলেন। শুনিয়েছিলেন তাঁদের লড়াইয়ের কথা, যা প্রেরণা দিয়েছিল ছাত্রছাত্রীদের।

  • PM Modi: মোদির ‘মন কি বাত’-এ উঠে এল বিপ্লবী ক্ষুদিরাম থেকে মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা

    PM Modi: মোদির ‘মন কি বাত’-এ উঠে এল বিপ্লবী ক্ষুদিরাম থেকে মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মন কি বাত’-এর ১২৪তম পর্বে উঠে এল বিপ্লবী ক্ষুদিরাম থেকে মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লার প্রসঙ্গ। রবিবার সম্প্রচারিত ‘মন কি বাত’-এর (Mann ki Baat) ১২৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন ভারতের মহাকাশ অভিযানে সাফল্য, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর শহীদদের স্মরণ, স্বদেশী আন্দোলন, এবং ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক।

    শুভাংশু শুক্লা ও ভারতের মহাকাশ গবেষণা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, ভারতের মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) সফর শেষে দেশে ফিরেছেন, যা দেশের জন্য এক গর্বের বিষয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগামী ২৩ অগাস্ট ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ পালিত হবে। এই দিনে দেশের নাগরিকরা ‘নমো অ্যাপে’ পরামর্শ ও মতামত জানাতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের সাফল্য এবং অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করব। বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও প্রবৃদ্ধির দিক দিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে অনেক ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে।” প্রধানমন্ত্রী এদিন চন্দ্রযান-৩ এর কথাও স্মরণ করেন, যা ভারতের মহাকাশ অভিযানে এক ঐতিহাসিক অধ্যায় রচনা করেছে।

    ক্ষুদিরামের প্রসঙ্গ (Mann ki Baat)

    ‘মন কি বাত’-এ প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা সংগ্রামী ক্ষুদিরাম বসু-র আত্মবলিদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯০৮ সালে মুজাফফরপুরে যখন তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়, তখন তাঁর মুখে ভয় ছিল না, বরং ছিল আত্মবিশ্বাস। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি শহীদ হন। এই আত্মত্যাগের ফলেই আমরা আজ স্বাধীন।তিনি অগাস্ট মাসকে ‘বিপ্লবের মাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ১৫ অগাস্ট আমাদের সেইসব শহীদদের স্মরণ করার দিন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯০৫ সালের ৭ অগাস্ট থেকে শুরু হয় স্বদেশী আন্দোলন। এই উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ আগস্ট ‘জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। তিনি জানান, ভারতের তাঁত শিল্প দিনে দিনে শক্তিশালী হচ্ছে এবং স্থানীয় শিল্পীদের অবদান জাতির গৌরব বাড়াচ্ছে।

    শিবাজী মহারাজের ১২টি দুর্গ পেয়েছে হেরিটেজ স্বীকৃতি, যা দেশের জন্য গর্বের

    আলোচনায় উঠে আসে অলিম্পিক ও অলিম্পিয়াড প্রসঙ্গও। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতীয় খেলোয়াড় ও ছাত্রছাত্রীরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অর্জন করছে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, ইউনেস্কো সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের শিবাজী মহারাজের বারোটি দুর্গকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের’ স্বীকৃতি দিয়েছে, যা ভারতের গৌরবময় ইতিহাসের নিদর্শন।

LinkedIn
Share