Tag: Public Safety

  • Matangini Hazra Rani Shiromani: বাংলায় প্রথম হচ্ছে দুই মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন, নামকরণ মাতঙ্গিনী-রানি শিরোমণির নামে

    Matangini Hazra Rani Shiromani: বাংলায় প্রথম হচ্ছে দুই মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন, নামকরণ মাতঙ্গিনী-রানি শিরোমণির নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা-রক্ষা বাহিনীতে আরও বেশি করে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার। রাজ্যে এই প্রথম দু’টি বিশেষ মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন (SPRF Battalions) গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুই ব্যাটালিয়নের নাম রাখা হচ্ছে বাংলার দুই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরা এবং রানি শিরোমণির (Matangini Hazra Rani Shiromani) নামে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং বিশেষত নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় মহিলা পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা।

    নয়া মহিলা ব্যাটালিয়নের কাজ (Matangini Hazra Rani Shiromani)

    প্রশ্ন হল, কী কী দায়িত্ব পালন করবে নতুন মহিলা ব্যাটালিয়ন? সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই বিশেষ মহিলা ব্যাটালিয়নগুলির প্রধান দায়িত্বের মধ্যে থাকবে— নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ, দাঙ্গা-বিরোধী অভিযান চালানো, এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ও উদ্ধার সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম মহিলা পুলিশ সদস্যদের দাঙ্গা দমন অভিযানে মোতায়েন করা হবে। এর মাধ্যমে রাজ্যের পুলিশ ব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা আরও ডানা মেলতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মাতঙ্গিনী হাজরা মহিলা এসপিআরএফ ব্যাটালিয়নের জন্য উপযুক্ত জমি ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনা করে জায়গা বেছে নেওয়া হবে।

    মহিলা কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ

    এদিকে, রানি শিরোমণি মহিলা এসপিআরএফ ব্যাটালিয়ন গড়ে তোলা হবে ব্যারাকপুর পুলিশ ব্রিগেড এলাকার এসএপি (SAP) ৮ম ব্যাটালিয়নের যে ক্যাম্পাস রয়েছে, সেখানে। সেখানে আগে থেকেই যে পরিকাঠামো রয়েছে, সেটি ব্যবহার করে দ্রুত এই ইউনিটকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র নারীদের জন্য পৃথক পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন রাজ্যে মহিলা কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ তৈরি করবে। এর (SPRF Battalions) পাশাপাশি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলা, সংবেদনশীল পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ নারী (Matangini Hazra Rani Shiromani) ক্ষমতায়নের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কার্যক্ষমতা এবং জনসুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

     

  • Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দেওয়া নিজেদের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই নির্দেশে বলা হয়েছিল, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা ও সরকারি বা সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানের আশপাশ থেকে পথকুকুর সরাতে হবে। বিভিন্ন আবেদন সত্ত্বেও আদালত এই রায়ে কোনও শিথিলতা বা পরিবর্তন আনতে অস্বীকার করে। আদালত আরও জানায়, রাজ্য সরকারের উচিত (Euthanasia) নয় জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ (Supreme Court)

    বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, লোকালয়ে দুর্বল ও অসহায় মানুষদের যে বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা বিচারব্যবস্থা উপেক্ষা করতে পারে না। আদালতের মন্তব্যে “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” (Survival of the Fittest) তত্ত্বের উল্লেখ করে বলা হয়, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মানবজীবন ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো জলাতঙ্কগ্রস্ত, আরোগ্যহীন বা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক কুকুরদের ক্ষেত্রে আইনসম্মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন হলে মৃত্যুও দিতে হবে।

    আদালতের বক্তব্য

    আদালত জানায়, ছোট শিশুদের কুকুরে কামড়েছে, প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা হয়েছে, এমনকি বিদেশি পর্যটকরাও আক্রান্ত হয়েছেন। মনে হচ্ছে চার্লস ডারউইনের “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” তত্ত্ব বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে। সরকারি পদক্ষেপের অভাবে শিশু ও বয়স্কদের নিজেদের বাঁচার লড়াইয়ে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব (Supreme Court)।

    ডগ বাইটের পরিসংখ্যান

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশজুড়ে পথকুকুরে কামড়ানোর ঘটনা বাড়ছে। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে তিন মাসে ১,৪৮৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, উদয়পুরে ২০২৬ সালে ১,৭০০-র বেশি ঘটনা ঘটেছে। তামিলনাড়ুতে এ বছর ২,৪০,০০০টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মার্চ মাসেই ঘটে ছিল ৭১,০০০টি ঘটনা এবং ৩৪ জনের মৃত্যুও হয়েছে। এই সমস্যা এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গায়ও পৌঁছে গিয়েছে, যেমন ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যেখানে টার্মিনাল এবং রানওয়েতেও পথকুকুর দেখা গিয়েছে। এটি জননিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর ব্যর্থতার প্রমাণ।

    শীর্ষ আদালতের সাফ কথা

    রাষ্ট্র নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। আদালতও এই কঠোর বাস্তবতা থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না, যেখানে শিশু, আন্তর্জাতিক পর্যটক এবং প্রবীণ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হচ্ছেন। সংবিধান এমন সমাজ কল্পনা করে না, যেখানে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের কেবল শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হবে। এছাড়া, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পশুচিকিৎসা পরিষেবা বৃদ্ধি, আশ্রয়কেন্দ্র শক্তিশালী করা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির সমন্বয়ে টিকাকরণ অভিযান-সহ বিস্তৃত সক্ষমতা বৃদ্ধির পদক্ষেপও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ (Euthanasia) বাস্তবায়নের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে কোনও আধিকারিক বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে এফআইআর বা ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না (Supreme Court)।

     

  • Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) শাসনে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির (Crime Control) ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সরকারের জিরো-টলারেন্স নীতি রাজ্যকে দাঙ্গামুক্ত করেছে এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের মতো ঘটনাও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ২০১৭ সালের আগে যে রাজ্যকে ‘দাঙ্গার রাজ্য’ বলা হত, এখন সেটিই হয়ে উঠেছে গোটা দেশে শান্তি ও নিরাপত্তার উদাহরণ। সমাজবাদী পার্টি (SP) সরকারের আমলে গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত।
    ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এসপি সরকারের সময় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছিল। এনসিআরবির (NCRB) রিপোর্ট অনুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত। এই সময়ে ২৫,০০০-এরও বেশি দাঙ্গা হয়েছিল, যা রাজ্যের ভাবমূর্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছিল। ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ, তোলাবাজির ভয়ে সবাই কাঁটা হয়ে থাকতেন সর্বক্ষণ।

    উত্তরপ্রদেশে সব ভালো (Yogi Adityanath)

    ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আদিত্যনাথ অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির আওতায় সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা, গ্যাংস্টার অ্যাক্টের ব্যবহার এবং মাফিয়াদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশে একটিও বড় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেনি। কিছু অসামাজিক শক্তি দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সরকার সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায়, তা ব্যর্থ হয়ে যায় (Crime Control)। ছোটখাটো ঘটনা যাতে বড় হিংসার রূপ না নেয়, তার আগেই দায়ের করা হয় দাঙ্গা বিরোধী আইনে মামলা। দুষ্কৃতীদের পাঠানো হয় জেলে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন জনসভায় স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, “কোনও কারফিউ নয়, কোনও দাঙ্গাও নয়- উত্তরপ্রদেশে সব ভালো।”

    এনসিআরবির রিপোর্ট

    যোগী সরকারের এই নীতির ফলে গোটা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (Yogi Adityanath)। এনসিআরবির ২০২৪ সালের রিপোর্টেও এই পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে অপরাধের হার শূন্য ছিল। ২০২৩ সালেও এই হার শূন্য ছিল। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে ভালো জায়গায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডে এই অপরাধের হার ছিল ০.৭, মণিপুরে ০.৬, অরুণাচল প্রদেশে ০.৩ এবং মেঘালয়ে ০.২, অথচ উত্তরপ্রদেশে শূন্য। গত দু’বছরে (২০২৩-২০২৪) রাজ্যে মুক্তিপণের জন্য অপহরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আগে আকছার ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হত। এখন এমন ঘটনা সম্পূর্ণই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এনসিআরবির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমাজবাদী পার্টির রাজত্বে প্রতিদিন ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত, কিন্তু যোগী সরকারের সময় সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে (Yogi Adityanath)।

    জিরো-টলারেন্স নীতি

    দাঙ্গা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রেও যোগী সরকারের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য (Crime Control)। এনসিআরবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা-সংক্রান্ত অপরাধের হার ছিল ১.১, যা জাতীয় গড় ২.২-এর চেয়ে কম। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তরপ্রদেশের ১.১ হার মূলত সেইসব ঘটনার অন্তর্ভুক্ত, যেখানে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এদিকে, মণিপুরে এই হার ছিল ৮.৪, মহারাষ্ট্রে ৬.৪, কর্নাটকে ৫.৪, হরিয়ানায় ৫.৩ এবং হিমাচলপ্রদেশে ৪.৭। এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে যোগী সরকারের অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি, সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা এবং সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের ফলে। গ্যাংস্টার অ্যাক্ট প্রয়োগ করে পুলিশ মাফিয়াদের আর্থিক ভিত ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে (Yogi Adityanath)।

    উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি বদল

    এই পদক্ষেপগুলির প্রভাব পড়েছে তৃণমূল স্তরেও। তাই উত্তরপ্রদেশ এখন শুধু দাঙ্গামুক্তই নয়, বরং অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আমলের তুলনায় উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। যেখানে আগে দাঙ্গা ও অপহরণ ছিল সাধারণ ঘটনা, সেখানে আজ শান্তি ও উন্নয়নের নয়া  গল্প লেখা হচ্ছে (Crime Control)। সরকারের মতে, কঠোর আইন-শৃঙ্খলাই উন্নয়নের ভিত্তি। আদিত্যনাথের নেতৃত্বে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলি শুধু অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করেনি, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধও বাড়িয়েছে। এনসিআরবির সর্বশেষ রিপোর্ট এই বাস্তবতার সাক্ষ্যই বহন করছে। এভাবে যোগী সরকার প্রমাণ করেছে, জিরো-টলারেন্স নীতি এবং কঠোরতা ও সংবেদনশীলতার সঠিক সমন্বয় একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার পথ তৈরি করতে পারে। তাই গোটা দেশে উদাহরণ হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ (Yogi Adityanath)।

     

LinkedIn
Share