Tag: Pulwama

Pulwama

  • India: মাসুদ আজহারের মাথার দাম ঘোষণা নিয়ে পাকিস্তানকে কটাক্ষ ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    India: মাসুদ আজহারের মাথার দাম ঘোষণা নিয়ে পাকিস্তানকে কটাক্ষ ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) বিরুদ্ধে পুরস্কার ঘোষণাকে ‘লোকদেখানো পদক্ষেপ’ বলে আখ্যা দিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিল ভারত (India)। নয়াদিল্লির বক্তব্য, নিজেদের মাটিতে নিষিদ্ধ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে এই ধরনের ‘ভাঁওতা ঘোষণা’ করে কোনও লাভ নেই।

    মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মাসুদ আজহার প্রসঙ্গে বলেন, “পাকিস্তানের এই ধরনের লোকদেখানো কৌশল এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা নতুন কিছু নয়। অতীতেও আমরা একই ধরনের কৌশল দেখেছি।”

    তিনি এও বলেন, “সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা একটি রাষ্ট্র যখন এই ধরনের ভাঁওতা দেয়, তখন তার ফাঁপা চরিত্র আমরা সকলেই জানি। পাকিস্তানের উচিত পদক্ষেপ করা, এমন ঘোষণা নয়, যার কোনও বাস্তব ফল নেই।”

    পাকিস্তান সম্প্রতি মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার বা দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করলে ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি পুরস্কারের কথা জানিয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থার ২০২৬ সালের ‘রেড বুক’-এও আজহারের নাম রয়েছে।

    মাসুদ আজহার (India)

    ভারতের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়ান্টেড মাসুদ আজহার। ২০০১ সালের সংসদে হামলা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা বিস্ফোরণ-সহ একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কাঠমান্ডু থেকে কান্দাহারগামী আইসি-৮১৪ বিমান ছিনতাইয়ের পর যাত্রীদের মুক্তির বিনিময়ে ভারত আজহার-সহ তিন জঙ্গিকে মুক্তি দিয়েছিল।

    পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য দাবি করে আসছে, আজহারের বর্তমান অবস্থান তাদের জানা নেই এবং সে আফগানিস্তানে পালিয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, নয়াদিল্লির অভিযোগ, পাকিস্তানই জইশ-ই-মহম্মদ প্রধানকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারও আজহার আফগানিস্তানে রয়েছে বলে পাকিস্তানের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ২০২৫ সালের মে মাসে পহেলগাঁও হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ভারত বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান ঘাঁটিতে হামলা চালায়। সেই হামলায় আজহারের কয়েকজন আত্মীয় নিহত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে (India)।

    এফএটিএফের চাপ

    এদিকে, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও আর্থিক অপরাধ দমনের নজরদারি সংস্থা এফএটিএফের চাপের মধ্যেই পাকিস্তানের এই ঘোষণা সামনে এসেছে। আগামী মাসে বৈঠকে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে।

    সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ঠেকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান এফএটিএফের বর্ধিত নজরদারির ‘ধূসর তালিকা’য় ছিল। বিশেষ করে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো সংগঠনের অর্থায়ন নিয়ে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আন্তর্জাতিক চাপের পর পাকিস্তান ওই দুই সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিল (India)।

    ২০১৯ সালের মে মাসে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মাসুদ আজহারকে (Masood Azhar) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। চিন আপত্তি তুলে নেওয়ার পরেই পরিষ্কার হয়েছিল তার তালিকাভুক্তির পথ।

     

  • Pulwama Attack: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে খতম পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রী! ফের পাকভূমে ভারত-বিরোধী জঙ্গি নিধন

    Pulwama Attack: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে খতম পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রী! ফের পাকভূমে ভারত-বিরোধী জঙ্গি নিধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে খতম পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রী (Pulwama attack mastermind dead) হামজা বুরহান (Hamza Burhan)। বৃহস্পতিবার মুজাফ্ফরবাদে একদল অজ্ঞাত পরিচয় যুবক তাকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। এরপরই মৃত্যু তার। দীর্ঘদিন ধরে ভারত বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হামজা বুরহানের মৃত্যুতে দক্ষিণ কাশ্মীরের জঙ্গি নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

    পুলওয়ামা থেকে পাকিস্তান যাত্রা হামজার

    পুলওয়ামার রত্নীপোরা এলাকার খারবাতপোরায় জন্মগ্রহণ করে হামজা। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য সে পাকিস্তানে পাড়ি দেয়। সেখানেই সে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-বদরে যোগ দেয়। কয়েকদিনের মধ্যে সে কমান্ডার পদে উন্নীত হয়। এরপর সে পুলওয়ামায় ফিরে আসে। সেখানেই সে যুবকদের মগজধোলাই করে জঙ্গি বানানোর কাজে নিয়োজিত হয়। জানা যায়, পুলওয়ামা থেকে শোপিয়ান পর্যন্ত হামজার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ছিল। পুলওয়ামা হামলা ছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরে বেশ কিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপে যুক্ত ছিল হামজা। বিশেষভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কাশ্মীরি যুবকদের বিপথে চালিত করার পেছনে তার বড় ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। পুলওয়ামার বাসিন্দা হামজা ‘ডাক্তার’ নামে পরিচিত ছিল। ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাকে জঙ্গি হিসাবে চিহ্নিত করে। হামজার আসল নাম আরজুমান্দ গুলজার দার।

    পুলওয়ামায় হামলাকারীদের বিস্ফোরক জুগিয়েছিল হামজা 

    ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা। প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪০ জন সেনা জওয়ান। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। এই হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে হামজা বুরহানকে চিহ্নিত করেছিল ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল, পুলওয়ামায় হামলাকারীদের গ্রেনেড, বিস্ফোরক জুগিয়েছিল হামজা। ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর সিআরপিএফ জওয়ানের উপরে হামলার ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছিল তার। তার পরে দীর্ঘ তল্লাশি চলে। কিন্তু হামজা কোনও মতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়।

    কীভাবে পাকিস্তানে নিরাপদে আশ্রয়

    ভারতে এত বড় নাশকতা চালানোর পর নিজের আসল পরিচয় লুকাতে পাকিস্তানে ‘শিক্ষক’ সেজে লুকিয়ে ছিল সে। এমনকী জানা গিয়েছে, সমাজের চোখে ধুলো দিতে সে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকও বনে গিয়েছিল। ওই স্কুলটিকে সে নিজের আত্মরক্ষার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত। অভিযোগ, ভারতের বিরুদ্ধে এত সব নাশকতামূলক কাজ করার জন্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই তাকে সব রকম সাহায্য করত। মুজফফরাবাদে তাকে একটি অফিসও দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও কোনও জঙ্গি সংগঠন তার দায় স্বীকার করেনি। সেখানেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও কোনও জঙ্গি সংগঠন তার দায় স্বীকার করেনি। গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বেছে বেছে ‘ভারতশত্রু’দের খতম করা হচ্ছে। কিন্তু এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে, সেটাই বড় প্রশ্ন।

  • Delhi Blast: ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত পরিচয়, দিল্লি-হামলাকারী উমরের পুলওয়ামার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তা বাহিনী

    Delhi Blast: ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত পরিচয়, দিল্লি-হামলাকারী উমরের পুলওয়ামার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লার কাছে দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort blast) মামলায় বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী (security forces)। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে উড়িয়ে দেওয়া হল সন্দেহভাজন চিকিৎসক উমর উন নবির (Umar Nabi) পুলওয়ামার বাড়ি (Pulwama house demolition)। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে যে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বাড়িটি একটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। গত সোমবার লাল কেল্লা বিস্ফোরণে জড়িত হুন্ডাই আই২০ গাড়িটির সঙ্গে কাশ্মীরের একজন চিকিৎসক উমর-উন-নবির সম্পর্ক রয়েছে। সেই গাড়ি চালাচ্ছিল। উমরই ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে নিশ্চিত পরিচয়

    উমর নবি, যাঁকে এই সপ্তাহের শুরুতেই লালকেল্লায় ঘটা বিস্ফোরণের (Delhi Blast) মূল সন্দেহভাজন হিসেবে দেখা হচ্ছে, তাঁর বাড়ি ঘিরে আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছিল। সোমবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়িটি সরাসরি যুক্ত হয়েছে উমর-উন-নাবির সঙ্গে। বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হন ২০–এর বেশি মানুষ। কাশ্মীরের এই চিকিৎসকই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা তদন্তকারীদের। বিস্ফোরণে তাঁর ভূমিকা ঠিক কতটা, তা এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ টানা রাতভর তল্লাশি চালায়। গ্রেফতার হয় মোট ছয়জন, যাদের মধ্যে তিনজন উমরের পরিবারের সদস্য। বিস্ফোরণস্থল থেকে সংগৃহীত ডিএনএ নমুনা তাঁর মায়ের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে উমরের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে আটক করা হয়েছিল উমরের মাকে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের পরেই সোমবার রাতে উমরের মা এবং দুই ভাইকে আটক করা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের এক কর্তা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, “সন্দেহভাজনের মাকে আমরা ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহের জন্য আটক করেছিলাম। বিস্ফোরণস্থল থেকে পাওয়া দেহাংশের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয়।”

    কেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বাড়ি

    পুলিশ জানিয়েছে, উমর নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন আরও দুই কাশ্মীরি চিকিৎসকের সঙ্গে, যাঁদের ফরিদাবাদ সন্ত্রাস মডিউল ফাঁস হওয়ার পরে আটক করা হয়েছিল। সেই মডিউল থেকেই উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক, যা তদন্তকে আরও গভীর করেছে। স্থানীয় মানুষের মতে, একসময়ে উমর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, পড়াশোনায় মনোযোগী চিকিৎসক, সমাজেও তাঁর পরিচিতি ছিল ইতিবাচক। তদন্তকারীরা বলছেন, গত দুই বছরে তাঁর আচরণে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের একাধিক র‌্যাডিকাল গ্রুপে যোগ দেন তিনি, এবং ক্রমশ কঠোর মতাদর্শের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। উমরের সম্ভাব্য সহযোগী, যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, অর্থের উৎস – সব দিকেই নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থাগুলি। পুলওয়ামার (Pulwama) বাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মূলত সম্ভাব্য বিস্ফোরক বা নথি উদ্ধার-ঝুঁকি এড়ানোর জন্য, এবং তদন্তের নির্দিষ্ট প্রোটোকলের অংশ হিসেবে।

    কীভাবে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Delhi Blast) ঘটিয়েছিল উমরই। সেই ছিল সুইসাইড বম্বার বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সিসিটিভি ফুটেজে গাড়ির চালকের আসনে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল তাকে। তদন্তে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ-ই-মহম্মদের লজিস্টিক টিমের সদস্য ছিল উমর। ফরিদাবাদ, লখনউ এবং কাশ্মীরে কাজ করত তারা। এই চক্রের ৯-১০ জনের মধ্যে অধিকাংশই চিকিৎসক। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়েই বিস্ফোরক এবং রাসায়নিক তৈরির উপকরণ জোগাড় করত উমর। কিন্তু ফরিদাবাদের একটি গুদাম থেকে ২,৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত হওয়ার পরেই ভয় পেয়ে গা ঢাকা দেয় উমর। পুলিশ জানিয়েছে যে, দলটি ২৬ লক্ষ টাকারও বেশি নগদ সংগ্রহ করেছিল। তদন্ত অনুসারে, গুরুগাঁও, নুহ্ এবং আশেপাশের এলাকার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে প্রায় ২৬ কুইন্টাল এনপিকে সার – যার মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকা – কেনার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছিল। অন্যান্য রাসায়নিকের সঙ্গে মিশ্রিত, এনপিকে হল ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের একটি প্রধান উপাদান। প্রায় আটজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি জোড়ায় বিভক্ত হয়ে চারটি শহরে সমন্বিত বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে হামলার রেকি

    লালকেল্লার কাছে একটি সাদা রঙের হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয় সোমবার। তাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩। ওই দিনই সকালে ফরিদাবাদে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের যৌথ দল। গ্রেফতার করা হয়েছিল মুজাম্মিল আহমেদ-সহ একাধিক ব্যক্তিকে। মুজাম্মিলের ফোন ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে একাধিক বার তিনি লালকেল্লার সামনে গিয়েছিলেন। অনুমান, প্রজাতন্ত্র দিবসে হামলার রেকি করা হয়েছিল। শুধু মুজ়াম্মিল নন। আর এক চিকিৎসক উমর নবিও তাঁর সঙ্গে লালকেল্লার সামনে গিয়েছিলেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

     

  • Encounter in Pulwama: ‘জৈশ-ই-মহম্মদ’-এর ৩ জঙ্গি খতম, জম্মু-কাশ্মীরে আরও ৮ সন্ত্রাসবাদীর খোঁজে অভিযান

    Encounter in Pulwama: ‘জৈশ-ই-মহম্মদ’-এর ৩ জঙ্গি খতম, জম্মু-কাশ্মীরে আরও ৮ সন্ত্রাসবাদীর খোঁজে অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিদের বিষদাঁত গুঁড়িয়ে দিতে তৎপর ভারত সরকার। মঙ্গলবারের পরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফের বড় সাফল্য উপত্যকায়। বৃহস্পতিবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুলওয়ামা (Encounter in Pulwama) জেলার ত্রাল এলাকার নাদির গ্রামে জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত তিনজনকে খতম করল সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, এই তিনজনের নাম আসিফ আহমেদ শেখ, আমির নাজির ওয়ানি এবং ইয়াওয়ার আহমদ ভাট। তারা প্রত্যেকেই জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা ছিল বলে খবর।

    জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের খোঁজে অভিযান

    সূত্রের খবর, আসিফ আহমেদ শেখের বয়স ২৮। জৈশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের হয়ে ২০২২ সাল থেকে অবন্তীপুরায় সক্রিয় ছিল। আমির নাজির ওয়ানির বয়স ২০। ইয়াওয়ার আহমেদ ভাটের বয়স ২৪ বছর। এরা জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদে ছিল ২০২৪ সাল থেকে। পুলওয়ামায় সক্রিয় ছিল। গত ৪৮ ঘণ্টায় এই নিয়ে দ্বিতীয় এনকাউন্টার হলো ভূস্বর্গে। মঙ্গলবার সকালেই কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার কেল্লারে তিন জঙ্গিকে খতম করেছিল বাহিনী। তারা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) জঙ্গি নিকেশ করতে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে অভিযান। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পরে লস্করের ১৪ জঙ্গি জম্মু-কাশ্মীরে (Encounter in Pulwama) সক্রিয় ছিল। তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৬ জঙ্গি সেনাবাহিনীর গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার নিহত হয় শাহিদ কুট্টে, আদনান সফি দার এবং আসান আহমেদ শেখ। সূত্রের খবর, এখনও হাই প্রোফাইল ৮ সন্ত্রাসবাদী জম্মু-কাশ্মীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পাক জঙ্গিদের লজিস্টিক-সহ যাবতীয় সাপোর্ট জোগাচ্ছে তারা। তাদের ধরতে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। গোয়েন্দাদের অনুমান, উত্তর কাশ্মীরে এখনও ৪৪ জন পাকিস্তানি জঙ্গি লুকিয়ে আছে। স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা ৬৬। দক্ষিণ কাশ্মীরে স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা ১০৯। পাক জঙ্গির সংখ্যা মাত্র ৭। আর এদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পহেলগাঁওয়ের নারকীয় হত্যালীলা চালানো পিশাচরা। তাঁদের চিহ্নিত করে নিকেশ না করা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে চলবে সেনা অপারেশেন।

    মণিপুরে হত ১০ জঙ্গি

    মণিপুরেও (Manipur) সেনাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হল ১০ জঙ্গির। বুধবার সে রাজ্যের মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া চান্দেল জেলায় জঙ্গিদের উপস্থিতির কথা জানতে পারে সেনা। তার পরেই ওই জেলার নিউ সামতাল গ্রামে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। জঙ্গিদের তরফে গুলি ছোড়া শুরু হয়। পাল্টা গুলি চালিয়ে ১০ জঙ্গিকে নিকেশ করেন অসম রাইফেলসের সদস্যেরা। ওই জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, সুনির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে মণিপুরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া ওই এলাকায় হানা দেন অসম রাইফেলসের স্পিয়ার কর্পসের সদস্যেরা। তল্লাশি এবং জঙ্গিদমন এখনও চলছে বলে সেনার তরফে জানানো হয়েছে।

  • S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। যদি কেউ বা কারা ভাবে ভারতে সন্ত্রাস চালিয়ে কাঁটাতারের ওপারে পালিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যাবে তারা ভুল ভাবছে উরি, বা পুলওয়ামা (Uri and Pulwama Attacks) এর প্রমাণ, বলে দাবি বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর জানান, সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে।

    কড়া জবাব জয়শঙ্করের

    ভারতের মতো বিশাল দেশে নিরাপত্তা যে কতবড় চ্যালেঞ্জ সেই প্রসঙ্গ ধরেই নাম না করে ফের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। নয়া দিল্লির এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন,  “সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। উরি হামলার পর পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। আগে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদ সহ্য করত। ওই যুগটা পিছনে রয়েছে। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকে আমরা কোনও বড় সন্ত্রাসবাদ হামলা দেখিনি দেশে। আজকের ভারতে যেকোনও সন্ত্রাসবাদই হোক..আমাদের জবাব বালাকোট.. উরি (হামলার পাল্টা হামলা)।’

    বোঝানোর জন্যই উরি-বালাকোট

    এদিন, কার্যত নাম না করে পাক সন্ত্রাসবাদীদের নিশানা করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও। উরি আর বালাকোট করাই হয়েছিল বোঝানোর জন্য যে, না এভাবে জীবন কেটে যেতে পারে না,… মূল্য চোকাতে হবে। আর ভেবোনা যে তুমি কিছু করেছ বলে, আর ওই প্রান্তে পালিয়ে গিয়েছ বলে তুমি নিরাপদে রয়েছ। তুমি ওই প্রান্তেও নিরাপদ নও। তুমি সীমান্তের কাছেও নিরাপদ নও, তুমি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করেও নিরাপদ নও। ফলে স্পষ্ট ও সরাসরি বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের , যাদের বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, আর তারা তা বুঝেছে।” এর ফল স্বরূপ (Uri and Pulwama Attacks) দেশে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা কমেছে বলে দাবি জয়শঙ্করের। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী পদ

    এদিন  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে সম্ভাবনার কথাও বলেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সবকিছু ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ১৫ টি দেশ। আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইউকে সহ একাধিক দেশ রয়েছে সেখানে। স্থায়ী পদ পাওয়ার লড়াইতে রয়েছে ভারতও। অচিরেই তা মিলবে বলে মনে করেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা! জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সফল সেনা, পুলওয়ামায় হত ১ জঙ্গি  

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা! জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সফল সেনা, পুলওয়ামায় হত ১ জঙ্গি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুশির ঈদে সকাল থেকেই গুলির লড়াই চলেছে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir)। এদিন ভোর রাতে পুলওয়ামা জেলার ফ্রাসিপোরা এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয়। কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত সংঘর্ষে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। আরও এক জঙ্গি ওই এলাকাতেই লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর। 

    জঙ্গি দমনে সাফল্য

    পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে পুলওয়ামা জেলার ফ্রাসিপোরায় কয়েক জন  জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পায় নিরাপত্তা বাহিনী। এই খবর পেয়েই ওই এলাকা ঘিরে ফেলে সেনা।  পুরো এলাকা অবরোধ করে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু তারা গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলির জবাব দেয়ে সেনা। এতে একজন জঙ্গি নিহত হয়। ওই এলাকায় আরও কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে তল্লাশি অভিযান চলছে। জঙ্গিরা বড় ষড়যন্ত্র চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে খবর।

    পাক মদতের সম্ভাবনা

    স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করেই ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সেনা সূত্রে খবর, জঙ্গিরা সীমান্তের ওপার থেকে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা বড় কোনও নাশকতার ছক কষছিল। নিহত জঙ্গি কোন সংগঠনের তা এখনও জানা যায়নি। জঙ্গিদের পিছনে পাক মদত দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে সেনা।

    প্রসঙ্গত, উপত্যকা (Jammu Kashmir) থেকে ৩৭০ এবং ৩৫ এ- ধারা অপসারণের পরে পাকিস্তানের পায়ের তলা থেকে জমি সরে যায়। তাই সময় বিশেষে ভারতীয় সীমান্তে সন্ত্রাসীদের পাঠিয়ে বড় ধরনের ঘটনা ঘটাতে উদ্যত পাকিস্তান। এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নে ভারতকে ছোট করাই লক্ষ্য পাকিস্তানের। যদিও কেন্দ্রের মোদি সরকার এ বিষয়ে সব সময় কড়া জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম দুই সন্ত্রাসবাদী। জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় এই অপারেশন চালায় সেনা। বুধবার সাত সকালেই পুলওয়ামায় বন দফতরের এক আধিকারিককে গুলি হত্যা করে জঙ্গিরা। এরপরেই পাল্টা লড়াই শুরু করে সেনা। জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ, বিএসএফ এর একটি দল এই অপারেশন চালায় বলে জানা গিয়েছে। সেনার এই সাফল্যে বড়সড় কোনও নাশকতার ছকও বানচাল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কী কী উদ্ধার হল মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে?

    মৃত দুই জঙ্গির পরিচয় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা গিয়েছে ৪টি একে-৪৭ রাইফেল, ৬টি গ্রেনেড, এবং ৯টি ম্যাগাজিন। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে আরও যুদ্ধ সরঞ্জাম। মঙ্গলবারই উপত্যকার পুঞ্চ জেলায় ৪ জন জঙ্গির আত্মসমর্পণের খবর মেলে। ঠিক তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেল। জানা গিয়েছে অনুপ্রবেশের পরেই জঙ্গিরা হামলা চালায় পুলওয়ামা বন বিভাগের (Jammu And Kashmir) একটি চেক পোস্টে। তাদের ছোড়া গুলিতে জখম হন দুই কর্মী ইমরান ইউসুফ এবং জাহাঙ্গির আহমেদ। দুজনেই এখন সুস্থ আছেন বলে জাান গিয়েছে।

    জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) চলছে এনআইএ হানা

    জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের খোঁজ চালাচ্ছে এনআইএ। সূত্রের খবর গত সপ্তাহ থেকেই এই অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার সোপিয়ান, অবন্তীপোরা ও পুলওয়ামায় জেলায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। ইতিমধ্যে বেশকিছু জঙ্গি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে। একনজরে সেগুলি দেখে নেব।

    ১) দ্য রেসিস্ট্যান্ট ফ্রন্ট

    ২) ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট জম্মু ও কাশ্মীর

    ৩) মুজাহিদিন গজবা-উল-হিন্দ

    ৪) জম্মু ও কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটার্স

    ৫) কাশ্মীর টাইগার্স

    এনআইএ সূত্রে খবর, এই সংগঠনগুলিকে সাহায্য করছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ হিজাবুল মুজাহিদিন, আল-বদর ও আল-কায়েদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • J&K Encounter: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    J&K Encounter: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর সংঘর্ষ চলার পর শেষ পর্যন্ত দুই জঙ্গিকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী (Security Force)। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে (Encounter) সাফল্য পেল ভারতীয় সেনা। রবিবার রাত থেকেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল উপত্যকা। রাতভর সেই সংঘর্ষ চলে। সোমবার সকালে সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, লড়াই সফল। ২ জঙ্গি নিহত। সেই সঙ্গে পুলওয়ামাও আপাতত নিরাপদ হাতেই রয়েছে। 

    রাতভর লড়াই

    রবিবারই কাশ্মীর (J&K Encounter) জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, পুলওয়ামা জেলার ল্যারো-পারিগাম এলাকায় এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। গোপন সূত্রে আগেই খবর মিলেছিল, পুলওয়ামার পারিগাম গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। তাদের ধরতেই অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ। জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও, তারা তা শোনেনি। উল্টে নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপরই এনকাউন্টার শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই দুই নিহত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি, তবে অনুমান করা হচ্ছে নিহত ২ জঙ্গির একজন লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। সম্ভবত, ওই জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ কমান্ডার পদে ছিল দুজনের কোনও একজন। ওই দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার করলে বিশদে জানা যাবে বলে অনুমান সেনাবাহিনীর।

    আরও পড়ুন: বালুরঘাটে বৈঠক করেই লোকসভার রণকৌশল স্থির করলেন সুকান্ত মজুমদার

    কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের যে চেষ্টা চলছে তা ২ সপ্তাহ আগেই জেনেছিল সেনাবাহিনী। কাশ্মীর জোনের পুলিশ জানিয়েছেন, পুলওয়ামাতে যে নতুন করে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করছে জঙ্গি বাহিনী সেই খবর আগে থেকেই ছিল। সেই পরিকল্পনা মাফিক রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় বড় রকমের জঙ্গি হানা ঘটেছিল। শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় সড়ক দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়ি যাওয়ার সময়ে আত্মঘাতী হামলা হয়। ওই জঙ্গি হানায় সিআরপিএফের চল্লিশ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Army Encounter: কাশ্মীরি পণ্ডিত-হত্যার দুদিন পরেই সেনার পাল্টা! পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে খতম জঙ্গি

    Army Encounter: কাশ্মীরি পণ্ডিত-হত্যার দুদিন পরেই সেনার পাল্টা! পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে খতম জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর উপত্যকা (Kashmir)। ফিরেছে সন্ত্রাসবাদের কালো ছায়া। পুলওয়ামায় কয়েকদিন আগেই বাজার যাওয়ার পথে জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছেন একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত। এই ঘটনার পর থেকেই ভয়ের পরিবেশ ছড়িয়েছে উপত্যকায়। এবার জবাব দিল ভারতীয় সেনা। এনকাউন্টারে (Army Encounter) সুরক্ষা বাহিনী খতম করেছে এক জঙ্গিকে।

    কী জানিয়েছে পুলিশ?  

    পুলওয়ামায় সন্ত্রাসীদের হাতে একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর, মঙ্গলবার ভোরে আওয়ান্তিপোরা এলাকায় একটি এনকাউন্টার (Army Encounter) চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী একজন জঙ্গিকে খতম করেছে। কাশ্মীর জোন পুলিশ ট্যুইটে জানিয়েছে, “পুলওয়ামা জেলার পদগামপোরা আওয়ান্তিপোরাতে এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। আরও বিস্তারিত জানা যাবে।” জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ আরও জানিয়েছে, “এনকাউন্টারে একজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তার মৃতদেহ এখনও উদ্ধার করা হয়নি।”এনকাউন্টার এখনও চলছে বলে জানানো হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে জঙ্গিদের খোঁজে পুলওয়ামা জেলার পাদাগামপোরা অবন্তীপোরা এলাকায় সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী অভিযান (Army Encounter) করে। তারপর সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়। এরপর এদিন ভোররাতে এনকাউন্টারে এক জঙ্গির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সাত সকালে ভবানীপুরে হানা ইডি-র! চলছে জোর তল্লাশি, জানেন কেন?

    উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই পুলওয়ামা জেলাতেই একটি পুরোনো ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারের (Army Encounter) ৪০ বছরের এক নিরাপত্তারক্ষী্কে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। তিনি ছিলেন একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত। চলতি বছরে এটাই কাশ্মীরের সংখ্যালঘুদের উপর প্রথম হামলার ঘটনা। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপত্যকা। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে সরব হয় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সংগঠন, কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি, তথা সাধারণ মানুষ। সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হামলার প্রতিবাদে পদক্ষেপেরও দাবি জানায় কেপিএসএস। তারপরই পুলওয়ামায় যৌথ বাহিনীর গুলিতে আজ খতম এক জঙ্গি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, টার্গেট কিলিংয়ের বলি আরও এক হিন্দু

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, টার্গেট কিলিংয়ের বলি আরও এক হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) ফের টার্গেট কিলিংয়ের শিকার এক হিন্দু (Hindu)। রবিবার সকালে বাজার যাওয়ার পথে খুন করা হয়েছে ওই সংখ্যালঘু হিন্দুকে। মৃতের নাম সঞ্জয় শর্মা। ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। পুলিশ জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সঞ্জয় শর্মা নামের এক কাশ্মীরি হিন্দুর। তিনি আচানের বাসিন্দা। এদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সঞ্জয় মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে।

    টার্গেট কিলিং…

    সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সঞ্জয় একটি ব্যাঙ্কে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। একটি ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশ। ট্যুইট-বার্তায় লেখা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদীরা স্থানীয় বাজারে যাওয়ার সময় আচান পুলওয়ামার সঞ্জয় শর্মা নামে এক সংখ্যালঘু সাধারণ নাগরিকের ওপর গুলি চালায়। ঘটনার পরে পরেই গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত চার মাসের মধ্যে এটিই প্রথম কোনও হিন্দুর ওপর সন্ত্রাসবাদীদের হামলা। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। গত দু দিনের মধ্যে সঞ্জয়ই জঙ্গিদের প্রথম বলি।

    আরও পড়ুুন: ভুয়ো কলেজ, জাল ডিগ্রি, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে তাজ্জব ইডি

    গত বছর কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) পর পর বেশ কয়কটি টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা ঘটে। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগই হয় পরিযায়ী শ্রমিক নয় কাশ্মীরি পণ্ডিত। গত বছর কাশ্মীরেরই কুলগামের গোপালপাড়ায় সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে খুন হন রজনী বালা নামে এক স্কুল শিক্ষিকা। তিনি জম্মুর সাম্বার বাসিন্দা ছিলেন। বছর ছত্রিশের ওই মহিলাও হয়েছিলেন টার্গেট কিলিংয়ের শিকার।

    এর আগে কাশ্মীরের বদগামে রাহুল ভাট নামের এক সরকারি কর্মী খুন হন। তেহসিল দফতরে ঢুকে জঙ্গিরা তাঁকে খুন করে বলে অভিযোগ। তারও সপ্তাহখানেক আগে বদগামে খুন হন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার আমরিন ভাট। গুলিতে জখম হয়েছিল তাঁর বছর দশেকের ভাইপো। সেই হামলার পিছনে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার হাত ছিল বলে দাবি করেছিল পুলিশ। গত বছর মে মাসে জঙ্গি হামলায় কাশ্মীরে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। তার মধ্যে আবার চারজন পুলিশ কর্মী। বাকি চারজন সাধারণ নাগরিক। একের পর এক হিন্দু টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হওয়ায় উপত্যকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share