Tag: push back

push back

  • India Bangladesh Relation: ঢাকাকে কড়া বার্তা দিল্লির! ৩ হাজার সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাতে তৎপর ভারত

    India Bangladesh Relation: ঢাকাকে কড়া বার্তা দিল্লির! ৩ হাজার সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাতে তৎপর ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী সন্দেহভাজন প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশির পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশকে (India Bangladesh Relation) ফের বার্তা দিল ভারত। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি জানায়, এই যাচাই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বাধা পেয়েছে। বাইরের দেশ থেকে এসে অবৈধ ভাবে ভারতে যাঁরা বাস করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা এবং নিজের দেশে ফিরিয়ে দেওয়াই ভারতের নীতি। এতে বাংলাদেশের কাছেও সহযোগিতা চাইল বিদেশ মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলের পর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরানো নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

    বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন

    বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান মঙ্গলবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেন, ভারত যদি জোর করে কাউকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে, তাহলে ঢাকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘গত কয়েক দিন ধরে এমন একাধিক মন্তব্য আমাদের চোখে পড়েছে। অবৈধ বাংলাদেশিদের ভারত থেকে প্রত্যর্পণের মূল বিষয়টির প্রেক্ষাপটে মন্তব্যগুলিকে আমাদের বিচার করতে হবে। এতে অবশ্যই বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন।’’ রণধীর জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে রয়েছে। তার মধ্যে অনেকগুলিই বিবেচনাধীন পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তাঁর কথায়, ‘‘বাংলাদেশ তাদের নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে বলে আমরা আশা করছি, যাতে ভারত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যর্পণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।’’ তিনি আরও বলেন, “ভারতের নীতি স্পষ্ট—দেশে অবৈধভাবে থাকা বিদেশি নাগরিকদের আইন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।”

    ভারত বেআইনি পথ নেবে না

    বাংলাদেশে যা ‘পুশ ইন’, তা ভারতে ‘পুশ ব্যাক’ হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচার পর্বেই বিজেপি বার বার দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বার করে দেওয়া হবে। তাই পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পরে বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)-কে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। যদিও ভারত থেকে বাংলাদেশে ‘পুশ ব্যাক’ (অবৈধবাসী সন্দেহে ফেরত পাঠানো)-এর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে সে দেশের সরকার। তবে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিজিবি-কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা।

    তিস্তা প্রকল্পেও নজর ভারতের

    এদিন তিস্তা নদী নিয়েও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। জয়সওয়াল জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে এবং জল সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা জানায়, চিন সফরে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বেজিংয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন। বুধবার বেজিংয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠকে এই প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। ভারত বরাবরই তিস্তা প্রকল্পে চিনের সম্পৃক্ততা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এসেছে। কারণ, তিস্তা নদী একটি কৌশলগতভাবে স্পর্শকাতর সীমান্ত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। পূর্ব হিমালয় থেকে উৎপন্ন তিস্তা নদী সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের সেচ ও জীবিকার ক্ষেত্রে এই নদী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ঢাকা-বেজিং সহায়তা

    বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা প্রকল্পে চিনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা চেয়েছেন তারেক রহমান সরকারের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার বেজিংয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব তুলে ধরেন। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, দুই বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ডিজিটাল অর্থনীতি, ‘এক চিন’ নীতি ও রোহিঙ্গাদের ফেরানো-সহ নানা বিষয়ে দু’দেশ একমত হয়েছে। দু’দেশের বিদেশ মন্ত্রকের ১০ দফা ঘোষণা সংবলিত যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে খলিলুরের আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছিল বাংলাদেশে জলাভাবে রুগ্ন হয়ে পড়া তিস্তা নদীতে প্রাণ ফেরানোর প্রকল্পে চিনের সহযোগিতা এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পে সহযোগিতা। ঢাকার তরফে জানানো হয়, তিস্তার ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে চিনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও দ্রুত বিনিয়োগকে বাংলাদেশ সরকার স্বাগত জানাবে।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে উন্নতি

    চিন বহু বছর ধরে ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির সঙ্গে সংযোগকারী শিলিগুড়ি করিডোরের কাছে তিস্তা নদী অববাহিকা অঞ্চলের উন্নয়নে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারত ২০২৪ সালে তিস্তার জন্য প্রযুক্তিগত ও সংরক্ষণ সহায়তার প্রস্তাব দেয়, যা আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ঢাকার সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করার জন্য দিল্লির প্রচেষ্টাকেই প্রতিফলিত করে। তবে হাসিনা পরবর্তী সময়ে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জলবণ্টন একটি প্রধান বিষয় হিসেবেই রয়ে গেছে। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নয়াদিল্লি এবং ঢাকার কূটনৈতিক সম্পর্কে এক টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। তবে তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিএনপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে দু’দেশই নিজেদের সম্পর্ক উন্নত করতে উদ্যোগী হয়েছে। বাংলাদেশে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে দীনেশ ত্রিবেদীকে। বাংলাভাষী দীনেশ শুধু রবীন্দ্রনাথ বা নজরুল সম্পর্কেই নয়, সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক অবহিত। তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করলে দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Operation Push Back: ‘অপারেশন পুশ-ব্যাকে’ ব্যাপক সাফল্য, ফেরানো হল ৭৪২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে

    Operation Push Back: ‘অপারেশন পুশ-ব্যাকে’ ব্যাপক সাফল্য, ফেরানো হল ৭৪২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন পুশ-ব্যাকে (Operation Push Back) ব্যাপক সাফল্য মিলল শনিবার। এদিন রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত মোট ১৭২ জন অবৈধ বাংলাদেশি (Bangladesh) অনুপ্রবেশকারীকে নিজের দেশে ফেরত পাঠাল ভারত। এটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ভারতের করা অপারেশন পুশ-ব্যাকের অংশ। এই পুশ-ব্যাক অপারেশন করা হয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত সিলেট, মেহেরপুর এবং মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে। রবিবার সকালে ভারতের পক্ষ থেকে মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে মোট ১৯ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়। পরে তাদের বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) একটি অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যায়। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে পড়া এই অনুপ্রবেশকারীরা হরিয়ানায় বসবাস করছিল।

    অপারেশন পুশ-ব্যাক (Operation Push Back)

    আটক করার পর এই ১৯ জন অনুপ্রবেশকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশে। জানা গিয়েছে, মোট ১৫৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে বিএসএফ শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। সিলেট সীমান্ত দিয়ে পাঠানো হয়েছে ৩২ জন এবং মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে পাঠানো হয়েছে ১২১ জনকে। এরা সবাই বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। গত কয়েক বছর ধরে ভারতে কাজ করছিল তারা। বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদি হাসান বলেন, “শনিবার কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের পর আমরা সীমান্তে নজরদারি বাড়াই। তবে বিএসএফ রাত ২টো থেকে সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে সীমান্তের পাঁচটি পয়েন্ট দিয়ে মোট ১৫৩ জনকে ঠেলে পাঠিয়েছে।”

    বিজিবির বক্তব্য

    তিনি বলেন, “বিএসএফ তাদের সীমান্তের অংশে থাকা আলো বন্ধ করে দেয় এবং এই মানুষগুলিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেয়। আমরা তাদের আটক করার পর তাদের জাতীয়তা নিশ্চিত করি। জানতে পারি, বাংলাদেশি। মানবিক বিবেচনায় আমরা তাদের আটক করে পরে পুলিশের হাতে তুলে দিই।” বিজিবির তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, এই অবৈধ অভিবাসীরা ভারতের বিভিন্ন পাথর খনি এবং ইটভাটায় কাজ করছিল। এর আগেও বিএসএফ ২০২৫ সালের ১৪ মে ১৬ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছিল। বিজিবি জানিয়েছে, ভারত এখন পর্যন্ত একইভাবে বাংলাদেশের ১১টি জেলার সীমান্ত দিয়ে মোট ৬৬৪ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠিয়েছে। এই জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে, খাগড়াছড়ি, কুড়িগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, কুমিল্লা, ফেনি এবং ঝিনাইদহ। অপারেশন পুশ-ব্যাকের আওতায় এখনও পর্যন্ত ফেরত পাঠানো হয়েছে মোট ৭৪২ জন অভিবাসীকে।

    প্রোটোকলে সমস্যা

    প্রসঙ্গত, দশকের (Operation Push Back) পর দশক ধরে ভারত প্রোটোকল অনুসরণ করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করে আসছে। এতে ব্যয় হচ্ছিল প্রচুর সময়। ফলে পুশ-ব্যাক করতে সময় লাগছিল। কারণ বাংলাদেশ সরকার ও বিজিবি প্রায়ই তাদের দেশের নাগরিকদের স্বীকৃতি দিত না। ফলে ক্রমশই পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ফোকর দিয়ে এজেন্ট ও দালালদের সাহায্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেই চলেছে। যদিও তাদের ফেরত পাঠাতে গেলেই দেখা দিত যত সমস্যা।

    ভারতে ২ কোটিরও বেশি অবৈধ বাংলাদেশি

    ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ২ কোটিরও বেশি বাংলাদেশি অবৈধভাবে বসবাস করছে। শেখ হাসিনার গণতান্ত্রিকভাবে অপসারণ এবং ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শত্রুভাবাপন্ন মনোভাবের ফলে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে (Bangladesh) ফেরানো কঠিন হয়ে পড়ে। একপ্রকার বাধ্য হয়েই এখন এক অঘোষিত পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত সরকার (Operation Push Back)। লোকমুখে এটাই হল অপারেশন পুশব্যাক। এই অপারেশনের মাধ্যমে দেশের পূর্ব সীমান্তে হাতেনাতে ধরা পড়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদেরও দেশছাড়া করা হচ্ছে। অপারেশন পুশ-ব্যাকের মাধ্যমে নিরাপত্তা বাহিনী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে সীমান্তের ওপারে ঠেলে দিচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে চালু হয়েছে অপারেশন পুশ-ব্যাক।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাব না। আগে আমাদের সিদ্ধান্ত (Operation Push Back) ছিল, কাউকে গ্রেফতার করে তাকে ভারতীয় আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। আগেও আমরা প্রতি বছর ১,০০০ থেকে ১,৫০০ বিদেশিকে গ্রেফতার করতাম। তাদের জেলে পাঠানো হত এবং পরে আদালতে পেশ করা হত। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাদের দেশের ভেতরে আনা হবে না, বরং ঠেলে (push back) দেওয়া হবে। এই ‘পুশব্যাক’ একটি নতুন ধারা। প্রতি বছর প্রায় ৫,০০০ মানুষ ভারতে ঢোকে। এই পুশব্যাক পদ্ধতির কারণে এখন সেই সংখ্যা অনেকটাই কমবে।” জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladesh) বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ফলে এতটাই সাফল্য এসেছে যে এখন অনেক বাংলাদেশিই স্বেচ্ছায় নিজের দেশে ফিরে যাচ্ছে (Operation Push Back)।

LinkedIn
Share