Tag: Pushkar singh dhami

Pushkar singh dhami

  • Uttarakhand: দাসত্বের চিহ্ন মুছে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা, ১৫ জায়গার নাম বদল করল উত্তরাখণ্ড সরকার

    Uttarakhand: দাসত্বের চিহ্ন মুছে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা, ১৫ জায়গার নাম বদল করল উত্তরাখণ্ড সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) ১৫টি জায়গার নাম বদল করল পুষ্কর সিং ধামির সরকার। ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই নাম বদল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সে রাজ্যের বিজেপি সরকার (Uttarakhand Govt)। জানা গিয়েছে, হরিদ্বার, দেরাদুন, নৈনিতাল এবং উধম সিং নগর জেলার ১৫টি জায়গার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। গতকাল সোমবারই একথা জানিয়েছে উত্তরাখণ্ড সরকার।

    কী বলছেন উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী?

    কিন্তু হঠাৎ কেন এই নাম পরিবর্তন করা হল? এনিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, রাজ্যের মানুষের আবেগের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই স্থানগুলির নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির দাবি, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল ভারতীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণে অবদান রাখা মহান ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানিয়ে মানুষকে অনুপ্রাণিত করা।

    কোন কোন জায়গার নাম বদল?

    উত্তরাখণ্ড রাজ্যের (Uttarakhand) সরকার জানিয়েছে, হরিদ্বারের অন্তর্গত ঔরঙ্গজেবপুরের নাম পরিবর্তন করে শিবাজিনগর, ঘাজিওয়ালির নাম পরিবর্তন করে আর্যনগর, মহম্মদপুর জাটের নাম মোহনপুর জাট, খানপুর কুরসালির নাম আম্বেদকর নগর, ইদ্রিশপুরের নাম নন্দপুর, খানপুরের নাম কৃষ্ণপুর এবং আকবরপুর ফজলপুরের নাম বিজয়পুর করা হচ্ছে। একইভাবে, দেরাদুনের অন্তর্গত মিয়াওয়ালার নাম রামজিওয়ালা, পীরওয়ালার নাম কেশরি নগর, চাঁদপুর খুর্দ-এর নাম পৃথ্বীরাজনগর এবং আবদুল্লানগরের নাম দক্ষনগর করা হয়েছে। নৈনিতালের অন্তর্গত নবাবি রোডের নাম বদলে অটল মার্গ এবং পাঁচাক্কি থেকে আইটিআই রোডের গুরু গোলওয়াকার রোড করা হচ্ছে। উধম সিং নগরে নগর পঞ্চায়েত সুলতান পট্টির নাম বদল করে কৌশল্যাপুরী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুষ্কর সিং ধামির সরকার। পুষ্কর সিং ধামি সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে সে রাজ্যের শাসক দল বিজেপির পক্ষ থেকেই। উত্তরাখণ্ডের বিজেপির মিডিয়া ইন-চার্জ মানবীর সিং চৌহান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত উত্তরাখণ্ডের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকেই তুলে ধরবে।

  • Pushkar Singh Dhami: “জিহাদকে লালন করেছে ন্যাশনাল কনফারেন্স, তার সঙ্গে জোট কংগ্রেসের? প্রশ্ন ধামির

    Pushkar Singh Dhami: “জিহাদকে লালন করেছে ন্যাশনাল কনফারেন্স, তার সঙ্গে জোট কংগ্রেসের? প্রশ্ন ধামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ন্যাশনাল কনফারেন্স সন্ত্রাসবাদকে লালন করেছে। পালন করেছে জিহাদকে। এখন কংগ্রেসের উদ্দেশ্য জনগণের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।” শনিবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস-ন্যাশনাল কনফারেন্সের জোটকে নিশানা করলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি (Pushkar Singh Dhami)।

    ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোট (Pushkar Singh Dhami)

    প্রায় দশ বছর পরে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir)। নির্বাচন হবে তিন দফায়। এই নির্বাচনেই ন্যাশনাল কংগ্রেসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। সেই জোটকেই কটাক্ষ করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ন্যাশনাল কনফারেন্স গত তিন দশক ধরে কাশ্মীরকে পিছনে ঠেলে দিয়েছে। এই দল বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিয়েছে। প্রশ্রয় দিয়েছে অশুভ শক্তিকে।”

    কী বললেন ধামি?

    এর পরে তিনি বলেন, “ন্যাশনাল কনফারেন্স সন্ত্রাসবাদকে লালন করেছে, পালন করেছে জিহাদকে। জনগণের কাছে কংগ্রেসের লক্ষ্য স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ওই দলের (ন্যাশনাল কনফারেন্স) সঙ্গে জোট বাঁধায় কংগ্রেসের উদ্দেশ্যটাই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। জোট বেঁধে এরা কাশ্মীরকে হিংসার আগুনে নিক্ষেপ করতে চায়।” তাঁর প্রশ্ন, “কংগ্রেস কি কাশ্মীরের যুবকদের বিনিময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলে বিচ্ছন্নতাবাদকে আবার সমর্থন করবে?” বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর উদ্দেশেও প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: মোদির মাস্টারস্ট্রোক, ইউনিফায়েড স্কিমের ঘোষণা, পেনশন হবে বেতনের ৫০ শতাংশ

    তিনি বলেন, “ওঁর দল কী ন্যাশনাল কনফারেন্সের সঙ্গে একটি আলাদা পতাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সমর্থন করে? তারা কি আবার কাশ্মীরকে সন্ত্রাসবাদ-বিচ্ছিন্নতাবাদের যুগে ঠেলে দিতে চায়? কংগ্রেস কি ফের পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য চালু করে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হবে (Jammu Kashmir)? এলওসি বাণিজ্য যা আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ ও তার মেশিনারিকে উৎসাহিত করবে?” তাঁর প্রশ্ন, “ন্যাশনাল কনফারেন্স নাম পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কংগ্রেস কি তাকে সমর্থন করে? জম্মু-কাশ্মীরের বিখ্যাত জায়গা যেমন শঙ্করাচার্য পাহাড় ও হরি পাহাড় নামগুলোর কি ইসলামিক অর্থ আছে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kedarnath Landslide: কেদারনাথ যাত্রায় পাহাড় থেকে গড়িয়ে এল বোল্ডার, চাপা পড়ে মৃত ৩ পুণ্যার্থী

    Kedarnath Landslide: কেদারনাথ যাত্রায় পাহাড় থেকে গড়িয়ে এল বোল্ডার, চাপা পড়ে মৃত ৩ পুণ্যার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথের (Kedarnath Landslide) যাত্রাপথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Accident)! ধসের জেরে পাহাড় থেকে গড়িয়ে আসে বড় পাথরের চাঁই আর এতেই মৃত্যু হল ৩ তীর্থযাত্রীর। ঘটনাটি রবিবার সকালেই উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গৌরীকুন্ডু ও চিরবাসারের মাঝামাঝি যাত্রাপথে ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওই এলাকাতে। প্রশাসনের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই পথে যাত্রা না করার।

    মৃতদের মধ্যে (Kedarnath Landslide) দুজন মহারাষ্ট্রের এবং একজন রুদ্রপ্রয়াগের বাসিন্দা

    প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরেই উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথের (Kedarnath Landslide) একনাগাড়ে ভারী বৃষ্টি হয়েই চলেছে। মাঝেমধ্যেই ধস নামার খবর মিলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই দুর্গম পথেই কেদারনাথে ট্রেকিং করে এগোচ্ছিলেন বেশ কয়েকজন তীর্থযাত্রী। কিন্তু তারই মাঝে পাহাড় থেকে নেমে আসে বড় বোল্ডার আর তাতেই পিষে মৃত্যু হয় তিনজনের। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে দুজন মহারাষ্ট্রের এবং একজন রুদ্রপ্রয়াগের বাসিন্দা। এই দুর্ঘটনায় (Accident) একজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। বোল্ডারের নিচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শোক প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

    গোটা ঘটনায় উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি নিজের এক্স হ্যান্ডেলের দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘পাথর চাপা পড়ে হতাহতের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক (Kedarnath Landslide)। উদ্ধার কাজ চলছে। পরিস্থিতির ওপরে আমরা নজর রাখছি।’’

    এদিকে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবারও উত্তরাখণ্ড রাজ্যে চম্পাবত, নৈনিতালে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওই এলাকাগুলির জন্য। এর পাশাপাশি রয়েছে ধসের আশঙ্কাও। শনিবারও ধস নামে চম্পাবত জাতীয় সড়কে। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় ওই জাতীয় সড়ক। জানা গিয়েছে, গঙ্গোত্রী জাতীয় সড়কেরও একই অবস্থা। ধসের কারণে বন্ধ হয়েছে সেই রাস্তা। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে তীর্থযাত্রীদের কেদারনাথের পথে যাত্রা করতে নিষেধ করছে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “সৌভিক, চেক-আপ করিয়েছো তো?” উদ্ধারের পর ফোনে জানতে চাইলেন আবেগপ্রবণ মা

    Hooghly: “সৌভিক, চেক-আপ করিয়েছো তো?” উদ্ধারের পর ফোনে জানতে চাইলেন আবেগপ্রবণ মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ দিনের মাথায় উত্তরকাশীর সিল্কিয়ার সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধারের পর ছেলের কথা শুনে উৎকণ্ঠা কাটল মায়ের। অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছে পরিবার। হুগলির (Hooghly) বাসিন্দা সৌরভ পাখিরা এবং জয়দেব আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিকের মধ্যে ছিলেন। গতকাল উদ্ধার হওয়ার পর সৌভিকের সঙ্গে মায়ের কথা হয়। মা আবেগপ্রবণ হয়ে ফোনে জিজ্ঞেস করলেন, “সৌভিক, চেক-আপ করিয়েছো তো”? পাশাপাশি বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন আশপাশের প্রতিবেশীরা। এলাকায় খুশির আবহ।

    কী বললেন মা (Hooghly)?

    ৪১ জন ভারতীয়ের সুড়ঙ্গে আটকে থাকার খবরে নজর ছিল গোটা দেশের মানুষের। কেন্দ্র সরকার এবং উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক সংস্থা যৌথভাবে অপারেশন চালিয়ে উদ্ধারকাজকে সম্পূর্ণরূপ দিয়েছে। তবে উদ্ধারের কাজ খুব একটা সহজ ছিল না। এরপর হুগলির (Hooghly) হরিণখোলার মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিশ্বাস নেমে এলো। সৌভিকের সঙ্গে মা ফোনে কথা বলে জানান, “সুড়ঙ্গ থেকে সকলকেই উদ্ধার করা হয়েছে। জয়দেব এবং সৌভিক একসঙ্গেই রয়েছে, দুজনকেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।” স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়দেব এবং সৌভিকের মঙ্গলকামনায় এলাকার মানুষ বাবা তারকনাথের কাছে পুজো দিয়েছেন। তবে এখনও উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই পুরো ভয় কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উদ্ধার কাজে ছিল টানটান উত্তেজনা

    গত ১৭ দিন থেকেই সুড়ঙ্গে আটকে থাকার বিষয় নিয়ে উদ্বেগের একটা কারণ কাজ করছিল। আটকে থাকা হুগলির (Hooghly) শ্রমিকদের পরিবারের মানুষদের মধ্যে ছিল তীব্র আতঙ্কের ছায়া। উদ্ধার কাজেও ছিল ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা। সন্ধ্যা আটটার সময় প্রথম শ্রমিক উদ্ধারের খবর টিভির পর্দায় দেখা যায়। প্রথম উদ্ধার হন বিজয় হেরো এবং গণপতি হেরো। এরপর থেকেই সারা দেশের মানুষের মধ্যে আশার আলো সঞ্চার হয়। সময় ক্রমশ বৃদ্ধি পেলে উদ্ধার হওয়া শ্রমিকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। মাত্র ত্রিশ মিনিটে উদ্ধার হন ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধারের পরেই সকল শ্রমিককে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। স্বাস্থ্যের সম্পর্কে খোঁজখবরও নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: দেশে প্রথম! উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কী রয়েছে তাতে?

    Uniform Civil Code: দেশে প্রথম! উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশকে নয়া দিশা দেখাতে চলেছে দেবভূমি। বুধবার উত্তরাখণ্ডের বিধানসভায় (Uttarakhand) পাশ হয়ে গেল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code)। উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় চার দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সেই অধিবেশন শুরু হয়েছিল। বুধবার ছিল তার শেষ দিন। এদিনই উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার এই বিল পাশ করে। এবার রাজ্যপালের কাছে বিলটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। রাজ্যপাল এই বিলে সাক্ষর করলেই আইনে পরিণত হবে এই বিল। 

    সমানাধিকারের আইন

    উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ হওয়ার পরই একাধিক রাজ্য, বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করার আগ্রহ দেখিয়েছে। আগামী অধিবেশনেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনতে পারে রাজস্থান সরকারও। এই বিল পাশের পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেন, ‘‘এই আইন সমানাধিকারের কথা বলে। এটি কারও বিরুদ্ধে নয়। এই আইন মহিলাদের জন্য, যাঁরা সমাজে পদে পদে সমস্যার সম্মুখীন হন। এটি তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধামি বলেন, “এই বিল কারোর বিরুদ্ধে নয়, বরং সকলের মঙ্গলের জন্যই আনা হয়েছে। বিশেষ করে মহিলারা এতে উপকৃত হবেন। বিবাহ, বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকারের মতো বিষয়ে সকলকে সমান অধিকার দেওয়া হবে। বিশেষ করে মহিলারা যে বঞ্চনার শিকার হতেন, তা এই আইন কার্যকর হলে দূর হবে।”

    আরও পড়ুন: মায়ানমার নিয়ে যৌথ পদক্ষেপের ঘোষণা, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    কী আছে এই আইনে

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে সব ধর্মের মানুষের জন্য বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত এক এবং অভিন্ন আইন প্রচলনের কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, সুপারিশের খসড়ায় ধর্ম নির্বিশেষে পুরুষদের বহুবিবাহ বন্ধ এবং একত্রবাস নথিভুক্ত করার আইনের কথা বলা হয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অনুযায়ী, যদি কোনও যুগল ‘একত্রবাস’ বা ‘লিভ-ইন’ করতে চান, তবে অবশ্যই পুলিশ বা জেলা আধিকারিকদের অনুমতি নিতে হবে। আর যদি তাঁদের বয়স ২১ বছরের নীচে হয়, তবে বাবা-মায়ের সম্মতির প্রয়োজন। ধর্ম নির্বিশেষে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ‘রেজিস্ট্রি বিবাহ’ বাধ্যতামূলকের কথা বলা হয়েছে এই বিধিতে। উত্তরাখণ্ডে যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনা হয়েছে, তাতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বহুবিবাহ। বহুগামিতাও নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। একই পরিবারের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া সম্পত্তিতে পুত্র ও কন্যা সন্তানের সমান অধিকার, বৈধ ও অবৈধ সন্তানের সমান অধিকারের কথাও বলা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: প্রবল বৃষ্টি, ধস, পৃথক ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে মৃত ৯

    Uttarakhand: প্রবল বৃষ্টি, ধস, পৃথক ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টি উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand)। বিপদসীমা ছাড়িয়েছে গঙ্গার জল। বৃষ্টিজনিত নানা দুর্ঘটনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ন জনের। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী। একজনের নিখোঁজ হওয়ার খবর মিলেছে। জখম হয়েছেন প্রায় ১২ জন। ধসের কারণে বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই শিশুর। জখম হয়েছে একজন। গৌরীকুণ্ড এলাকার ওই ঘটনায় নেমেছে শোকের ছায়া।

    গৌরীকুণ্ডে ধস 

    প্রসঙ্গত, এই গৌরীকুণ্ড থেকেই শুরু হয় কেদারনাথ যাত্রা। গত পাঁচ দিনে এ নিয়ে ধস নামল দ্বিতীয়বার। উত্তরাখণ্ড প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দেবপ্রয়াগে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে গঙ্গা। হরিদ্বারেও গঙ্গার জল বিপদসীমা ছুঁইছুঁই। মৌসম ভবন জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand), হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশে। অতিবৃষ্টি ও ধসের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বদ্রীনাথ জাতীয় সড়ক। চামোলি জেলার ছিঁকাও এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে সাত নম্বর জাতীয় সড়কও। 

    সঙ্কট বিদ্যুৎ, পানীয় জলের

    বৃষ্টি ও ধসের কারণে নানা জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ। সঙ্কট দেখা দিয়েছে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের। বিপন্নদের উদ্ধার করতে নেমেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। হাত মিলিয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। গৌরীকুণ্ডের যে এলাকায় এদিন দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেখান থেকে মেরেকেটে আধ কিলোমিটার হবে ৪ অগাস্ট যেখানে ধস নেমেছিল, সেই জায়গাটি। সেই ধসে মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের। নিখোঁজ ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাখণ্ডের পউরি জেলায় পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

    প্রবল বৃষ্টির জেরে জলবন্দি হয়েছেন হৃষিকেশের (Uttarakhand) ধালওলা ও খারার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। হৃষিকেশে বহু বাড়ি ডুবে গিয়েছে জলে। দুর্গতদের উদ্ধার করতে নামানো হয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। তারা উদ্ধার করেছেন ৫০ জন দুর্গতকে।

    আরও পড়ুুন: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি বলেন, “রাজ্যের বহু এলাকা জলমগ্ন। বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বসে আমরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছিলাম। দিল্লির সঙ্গে কথাও বলেছি। উদ্ধার কাজ করছে রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। উদ্ধারকাজে আমরা কোনও খামতি রাখতে চাই না।” তিনি বলেন, আমি তীর্থযাত্রীদের অনুরোধ করব, আবহাওয়ার খবর নিয়েই যেন বাড়ির বাইরে বের হন তাঁরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া প্রস্তুত! মোদি-শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ ধামির

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া প্রস্তুত! মোদি-শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ ধামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (Uniform Civil Code) খসড়া তৈরি , তা জানাতেই কী দিল্লিতে হাজির উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। রাজধানীতে এনিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন ধামি। যদিও পরে সংবাদমাধ্যমে তিনি জানান, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কোনও আলোচনা হয়নি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে জল্পনা

    উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেরাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। যদিও এখনও রিপোর্টার খসরা আসেনি বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি জানান, আমরা দেরি না করে খুব দ্রুতই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি রাজ্যে চালু করতে চাই। তবে আমরা তাড়াহুড়ো করে সেটা করব না, যাতে কোনও খামতি তৈরি না হয়।” অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে উত্তরাখণ্ডের তৈরি খসড়া, সারা ভারতের মূল ভিত্তি হতে পারে, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। যদি উত্তরাখণ্ডের খসড়াটি গ্রহণ করা হয়, সেক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে প্রয়োজনে সামান্য কিছু অদলবদল করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ধামি। সেখানে উত্তরাখণ্ডের জন্য তৈরি খসড়াটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল উপরাষ্ট্রপতির

    অন্যদিকে অসমের গুয়াহাটি আইআইটির সমাবর্তনে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (Uniform Civil Code) পক্ষে সওয়াল করেছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তাঁর মতে, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করায় কোনওরকতম দেরি করা আমাদের মূল্যবোধের জন্য ক্ষয়কারক হবে।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা ছিল সংবিধান প্রণেতার চিন্তাভাবনা। এবার সেটা কার্যকর করার সময় এসেছে। আর কোনও দেরি হওয়া উচিত নয়।” ধনখড় বলছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে কিছু মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে তিনি স্তম্ভিত। উপরাষ্ট্রপতির বক্তব্য, “রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। কিন্তু রাজনীতির জন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কাজে বাধা দেওয়া উচিত নয়।” 

    আরও পড়ুন: সাফ কাপ জিতে নিজের রাজ্য মণিপুরের জন্য শান্তির প্রার্থনা জিকসনের

    উল্লেখ্য সংসদের বাদল অধিবেশনেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) বিল আনতে চায় কেন্দ্র। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। মাসব্যাপী সেই অধিবেশনে অভিন্ন দেওয়ালি বিলের খসড়াটি পেশ করতে পারে কেন্দ্র। ইতিমধ্যে বিলটি নিয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক ও আইন কমিশনের মতামত সংসদীয় কমিটি জানতে চেয়ে বলে খবর। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় থাকবে,বলে বিশ্বাস কেন্দ্রের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: সব রাজ্যেরই উচিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করা, জানালেন ধামি

    Uniform Civil Code: সব রাজ্যেরই উচিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করা, জানালেন ধামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব রাজ্যেরই উচিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালু করা। যেমনটা করতে চলেছে উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand)। উধম সিং নগর জেলার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি (Pushkar Singh Dhami)। ওই অনুষ্ঠানেই তিনি জানান, উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে অবসর প্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জন প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গড়া হয়েছে। এই কমিটিই সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে কথা বলবে।

    বস্তুত, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েই দ্বিতীয়বারের জন্য উত্তরাখণ্ডের তখতে ফিরেছেন পুষ্কর সিং ধামি। তার পরেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কার্যকর করতে কোমর বেঁধে নামেন তিনি। কুর্সিতে বসেই ঘোষণা করেন, উত্তরাখণ্ডে কার্যকর করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। তখনই ধামি জানিয়েছিলেন, রাজ্য মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করেছে যে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে শীঘ্রই একটি কমিটি গঠন করা হবে। এবং এই আইন রাজ্যে কার্যকর করা হবে। এটিই প্রথম রাজ্য যেখানে এই আইন কার্যকর করা হবে। উধম সিং নগর জেলার এদিনের অনুষ্ঠানেও মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ রাজ্যে খুব শীঘ্রই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যেই এই আইন কার্যকর করা উচিত। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর ব্যাপারে উত্তরাখণ্ডবাসীর সমর্থন পেয়েছেন বলেও জানান ধামি। 

    আরও পড়ুন : অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    গত কয়েক দশক ধরে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি-ই বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। প্রশ্ন হল, কী এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে এ ব্যাপারে উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি হল দেশের সকল নাগরিকের জন্য এক আইন। দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে। অর্থাৎ, উত্তরাধিকার, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং দত্তকের ক্ষেত্রে দেশের সকল নাগরিককে একই আইন মেনে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন : ‘সংবিধান-বিরোধী!’ অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ জমিয়ত উলেমা-এ-হিন্দের

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু নিয়ে উত্তরাখণ্ডের পথে যে উত্তরপ্রদেশ সরকারও হাঁটতে চলেছে, কিছুদিন আগে তার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যোগী রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যও। তিনি বলেছিলেন, প্রত্যেকের উচিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চাওয়া ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্যোগ সমর্থন করা। উত্তরপ্রদেশ সরকারও সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে।

     

  • Uniform Civil Code: উত্তরাখণ্ডে চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? কী বললেন পুষ্কর ধামি

    Uniform Civil Code: উত্তরাখণ্ডে চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? কী বললেন পুষ্কর ধামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব শিগগিরই উত্তরাখণ্ডে চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform civil Code)। রবিবার দিল্লিতে আরএসএস (RSS)-এর  একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি (Pushkar Singh Dhami)। এই অনুষ্ঠানে দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিকে তাঁর উদাহরণ অনুসরণ করার আহ্বানও জানান ধামি। তিনি বলেন, এটা আমাদের সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল। সেই মতো আমরা পদক্ষেপ করছি। খুব শিগগিরই রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়িত হবে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি হল জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের জন্য বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, দত্তক নেওয়া, উত্তরাধিকার এবং উত্তরাধিকারের জন্য নাগরিক আইনের একটি বিধি তৈরি করা। ভারতে (India) ব্যক্তিগত আইন (Personal Law) রয়েছে। এই আইন যা বিশ্বাস ও ধর্মের ভিত্তিতে এক শ্রেণির লোকের জন্য প্রযোজ্য। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু হলে এই ব্যক্তিগত আইন বাতিল হয়ে যাবে। আইনজ্ঞদের মতে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ধর্মের মৌলিক অধিকারকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে।

    আরও পড়ুন : “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    এক দেশ, এক আইনের (One Nation, One Law) পক্ষেই বিজেপি (BJP)। আরএসএসও নানা সময়ে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর জন্য সওয়াল করেছে। ১৯৯৮ সালের লোকসভা নির্বাচনেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে ভোট প্রচারে হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। পরে আর লাগু হয়নি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। উত্তরাখণ্ডই প্রথম রাজ্য, যা ওই আইন লাগু করতে চলেছে বলে দাবি ধামির।

    বস্তুত, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েই উত্তরাখণ্ডের কুর্সিতে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে ধামির দল বিজেপি। ধামি নিজে অবশ্য হেরে গিয়েছিলেন। তবে দলকে জিতিয়ে দিয়েছিলেন। তারই পুরস্কার স্বরূপ ধামিকে বসানো হয় উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে।

    আরও পড়ুন : নেহরুর মানসিকতা ছিল ঔপনিবেশিক? বিস্ফোরক আরএসএস শিক্ষাবিদ

    ক্ষমতায় আসীন হয়েই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে কোমর কষে নামে ধামির সরকার। মার্চ মাসে ওই আইনের খসড়া তৈরির জন্য একটি প্যানেল ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সেই প্যানেলের কাজ প্রায় শেষের মুখে। ধামির রাজ্যে অচিরেই লাগু হবে নয়া এই আইন।

    ভারতীয় সংবিধানের (Indian Constitution) ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ভারতের সমগ্র অঞ্চল জুড়ে নাগরিকদের জন্য একটি অভিন্ন নাগরিক আইন সুরক্ষিত করার চেষ্টা করবে। সেই মতোই এগোচ্ছে ধামির সরকার।  

     

LinkedIn
Share