Tag: R. G. Kar Medical College and Hospital

R. G. Kar Medical College and Hospital

  • RG Kar Incident: নার্সের বক্তব্যে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি! অভয়ার অভিশপ্ত রাতে আরজিকরের সেই ভবনে উপস্থিত সকলকে তলব সিবিআই-এর

    RG Kar Incident: নার্সের বক্তব্যে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি! অভয়ার অভিশপ্ত রাতে আরজিকরের সেই ভবনে উপস্থিত সকলকে তলব সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Medical) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। ৮ এবং ৯ অগাস্টের রাতে আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Incident) যে ভবনে নির্যাতিতা কর্মরত ছিলেন, সেখানকার সকল কর্মী, চিকিৎসক, নিরাপত্তা কর্মীকে তলব করল সিবিআই। সেই রাতের কোনও ঘটনা আগের বার তদন্তকারীদের কোনও ভাবে নজর এড়িয়ে গিয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত হতেই আবার জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্র মারফত আরও জানা যাচ্ছে, জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও প্রয়োজনে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।

    নতুন করে এসআইটি তৈরি

    আর জি কর কাণ্ডে নতুন করে এসআইটি তৈরি হয়েছে। অপরাধস্থল, আশপাশের এলাকা খতিয়ে দেখেছেন আধিকারিকরা। আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন ও নিরাপত্তারক্ষীদের পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছিল। কিন্তু সেই পরীক্ষা ও তদন্তের অনেক দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা খুশি নন বলে সূত্রের খবর। তাতেই মামলায় যুক্ত সকলকে ফের জেরা করা হবে বলে খবর। ডাকা হচ্ছে ঘটনার দিন অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদেরও। নিরাপত্তারক্ষী থেকে সেই সময় উপস্থিত থাকা চিকিৎসকদেরও ডাকা হবে বলে জানা যাচ্ছ। ফের খতিয়ে দেখা হবে সিসিটিভি ফুটেজ।

    এক নার্সের বয়ানে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি

    সূত্রের খবর, নির্যাতিতার পরিবার তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছিল। অভিযোগ করেছিল, এক নার্সের বয়ানে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তার ভিত্তিতেই আবার শুরু হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের বারে আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন সীমা পাহুজার নেতৃত্বাধীন দল। তাঁরা ওই ভবনের নিরাপত্তাকর্মী থেকে শুরু করে চিকিৎসক-সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। ঘটনার রাতে ওই বিল্ডিংয়ে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বয়ান রেকর্ড করা হয়। কিন্তু সেই তদন্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ ছিল যে, বেশ কয়েক জন কর্মীর বক্তব্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র ছিল, যেগুলিকে গুরুত্ব দেয়নি সিবিআইয়ের সেই সময়কার তদন্তকারীর দল। তাঁদের দাবি, ওই বিল্ডিংয়ের যত জনের বয়ান নেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে ‘উল্লেখযোগ্য’ ছিল এক নার্সের বক্তব্য। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ওই নার্স তাঁর মোবাইলে ওই রাতের ‘উল্লেখযোগ্য’ কিছু ঘটনা রেকর্ড করা রয়েছে, যে বয়ান গুরুত্ব দেয়নি সীমার নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দল।

    যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের সঠিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন

    অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ বারবার দাবি করেছেন, ঘটনার রাতে তাঁদের মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের সঠিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। আদালতের তরফ থেকেও সেই রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন ও তাঁদের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজাকে সরিয়ে তদন্তভার দেওয়া হয় সন্দীপনী গর্গকে। দিন কয়েক আগে তদন্তের জাল গোটাতে দিল্লি থেকে ৪ সদস্যের বিশেষ প্রতিনিধি দল পৌঁছয় হাসপাতালে। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে সিনিয়র আধিকারিকদের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, সেই জায়গাই ফের খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। আদালতে নির্যাতিতার মায়ের আবদনের ভিত্তিতেই এই সিবিআইয়ের দলকে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপরই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সকলকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হচ্ছে।

    কয়েকজনের বক্তব্যে অসঙ্গতি

    নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, বেশ কয়েকজনের বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা গিয়েছিল। তাতে গুরুত্ব দেয়নি সীমা পাহুজার নেতৃত্বাধীন দল। সূত্রের খবর, নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ এবং তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আবার ঘটনার দিন ওই বিল্ডিংয়ে থাকা সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং বয়ান রেকর্ডের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআইয়ের নতুন তদন্তকারী দল। চলতি এবং আগামী সপ্তাহ জুড়ে ওই কর্মীদের বয়ান রেকর্ড করা হবে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য দফতর থেকেও পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সেখানেও এই কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    সিবিআইয়ের নতুন তদন্তকারী দলের কাজেও বিরক্ত আদালত

    সিবিআইয়ের নতুন তদন্তকারী দলের কাজেও বিরক্ত কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তদন্ত সঠিক পথে এগোচ্ছে না, যা যা করা দরকার, সিবিআই তা করছে না। এই মামলায় সিবিআইয়ের নতুন তদন্তকারী দলটি গত ৬ অগাস্ট আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় এবং তদন্তের জন্য পর্যাপ্ত সময় চায়। তাতেই অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ। আরজি করের ঘটনার তদন্ত প্রথম শুরু করেছিল কলকাতা পুলিশ। তারাই মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে (বর্তমানে দোষী সাব্যস্ত এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত) গ্রেফতার করে। পরে ওই মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। তারা চার্জশিটে সঞ্জয়কেই একমাত্র অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করে এবং শিয়ালদহ আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেয়। কিন্তু সিবিআই বা পুলিশের তদন্তে প্রথম থেকেই অসন্তুষ্ট ছিল নির্যাতিতার পরিবার। তারা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এবং আদালত কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই অনুযায়ী নতুন বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছিল সিবিআই।

  • R.G. Kar Medical College: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ করে খুন’! মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    R.G. Kar Medical College: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ করে খুন’! মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (R. G. Kar Medical College) কর্তব্যরত মহিলার চিকিৎসকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিজেপির নেতা অমিত মালব্যর দাবি, “ধর্ষণ করে মহিলা ডাক্তারকে খুন করা হয়েছে। মমতার সরকার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চাইছে।” ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রতিবাদ জানিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। জানা গিয়েছে, কেবলমাত্র জরুরি বিভাগেই পরিষেবা চলছে। ঘটনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর এবং হাসপাতালের প্রশাসন কাঠগড়ায়।

    পুলিশকে ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছে! (R. G. Kar Medical College)

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “কলকাতার শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। ডিউটি ​​রুম থেকে মহিলার নগ্নদেহ উদ্ধার হয়েছে। মমতার সরকার অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করছে। কলকাতা পুলিশকে ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছে। খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে বলা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমেকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।” আবার বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “রাজ্যের কোনও মহিলা সুরক্ষিত নয়। রাজ্যের কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। কলেজের (R. G. Kar Medical College) সেমিনার হলে মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে।” এদিকে ঘটনার কথা জানাজানি হতে হাসপাতালের বাইরে বিজেপি নেতা সজল ঘোষের নেতৃত্বে বিরাট বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

    মৃত চিকিৎসকের পরিবারের দাবি খুন

    চিকিৎসকের মায়ের দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ‘অর্ধনগ্ন’ অবস্থায় তাঁর মেয়ের দেহ পড়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। মহিলা বলেন, ‘‘আমার মেয়েটাকে খুন করে ফেলেছে এরা। অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে ছিল দেহ। গায়ে কাপড় ছিল না। চশমাটা ভেঙে গিয়েছিল। মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। রাতে ও একাই ছিল সেমিনার হলে। ভিতরে কোনও সিসি ক্যামেরা নেই।’’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (R. G. Kar Medical College) সুপার সঞ্জয় বশিষ্ট জানিয়েছেন, মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়ে তদন্ত করানো হবে। তবে ইতিমধ্যে ১১ জনের সদস্য নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ময়না তদন্তের সময় ভিডিওগ্রাফি করা হবে। তবে তিনি ধর্ষণ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। অপর দিকে গোটা ঘটনার তদন্তে কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা উপস্থিত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল, স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম পৌঁছে গিয়েছেন। ঘটনা কীভাবে ঘটল সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medical student death: নিমতায় আরজিকরের ডাক্তারি পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

    Medical student death: নিমতায় আরজিকরের ডাক্তারি পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিমতার দক্ষিণ গোলবাগানের বাসিন্দা বছর ২৩ এর শুভ্রজ্যোতি দাস আরজিকর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পড়ুয়া। এই জুনিয়র চিকিৎসকের (Medical student death) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কাকা জানিয়েছেন, শুভ্রজ্যোতি মানসিক অবসাদের মধ্যে ছিলো। পরিবারে শোকের ছায়া। 

    কীভাবে মৃত্যু (Medical student death)?

    মানসিক অবসাদে ভোগা এই জুনিয়র চিকিৎসকের মৃত্যুকে (Medical student death) কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন চিহ্ন উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার শেষবারের মতো পরিবারের লোকেরা তাকে দেখতে পান। এরপর বুধবার তার আর কোন খোঁজ পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের লোকেরা জুনিয়র ডাক্তারের ঘরে প্রবেশ করে দেখেন, সে অচৈতন্য অবস্থায় বিছানার ওপরে পড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি তাকে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। ওইদিন গভীর রাতে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

    পরিবারের দাবি

    পরিবারের কাকা স্বপন দাস বলেন যে মেধাবী ছাত্র শুভ্রজ্যোতি ডাক্তারিতে প্রবেশ পাওয়ার পর থেকেই নার্ভের সমস্যায় ভুগছিলো। করোনার পর থেকেই তা বাড়তে থাকে এবং এক প্রকার মানসিক অবসাদে চলে যায় সে। বাড়িতে কারও সঙ্গে সেভাবে কথা বলত না। নিজের পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকত সে। এর জন্যই কেউ তাকে বিরক্ত করত না। বুধবার তার কোনও খোঁজ না মেলায়, বৃহস্পতিবার সকালবেলা পরিবারের তরফে তার ঘরে প্রবেশ করার চেষ্টা করা হয়। প্রথমে বাড়ির লোক সফল না হলেও দ্বিতীয়বারের প্রচেষ্টায় ঘরে প্রবেশ করেন এবং তারপরে তাঁরা শুভ্রজ্যোতিকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই ওইদিন গভীর রাতে তার মৃত্যু (Medical student death) হয়। এই ঘটনায় তার পরিবার শোকেমগ্ন।

    মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

    কী কারণে জুনিয়ার ডাক্তারের মৃত্যু (Medical student death) হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে। সে কি অত্যধিক পরিমাণে ঘুমের ওষুধ খেয়েছে কি না! ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই তা পরিষ্কার হবে। পরিবারের সূত্রে দাবি, অবসাদ কাটানোর উপায় এবং ডাক্তারি ক্ষেত্রে কীভাবে সাফল্য পাওয়া যায়? তা নিয়ে সে নেটে সার্চ করত সে। বেশ কয়েকবার পরিবারের লোক শুভ্রজ্যোতির মোবাইল ঘেঁটে এমনই তথ্য পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share