Tag: rabindra sangeet

rabindra sangeet

  • Rabindranath Tagore: ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য…’ ২২ শ্রাবণে স্মরণ বিশ্বকবিকে, স্মৃতির আকাশে আজও অমর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Rabindranath Tagore: ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য…’ ২২ শ্রাবণে স্মরণ বিশ্বকবিকে, স্মৃতির আকাশে আজও অমর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা যেন প্রতি বছর ২২ শ্রাবণে (22 Shravan) একটু অন্যরকম হয়। আকাশে জমে থাকা মেঘ, টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ, ভেজা কদমফুলের গন্ধ- সবকিছু মিলিয়ে যেন বাংলার বাতাসে ভেসে ওঠে এক পরিচিত সুর। কোথাও বাজে আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ…”, কোথাও আবার মনের অজান্তেই উচ্চারিত হয়- চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির…”। ২২ শ্রাবণ তাই কেবল একটি তারিখ নয়। এটি বাঙালির স্মৃতির দিন, আত্মপরিচয়ের দিন, সংস্কৃতির সামনে মাথা নত করার দিন। এই দিনেই, ১৯৪১ সালের ৭ অগাস্ট, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)। আধুনিক ভারতীয় সাহিত্য, দর্শন ও সাংস্কৃতিক চিন্তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)। তাঁর ভাবনা শুধু বাংলা ভাষার গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, গড়ে দিয়েছে আধুনিক ভারতের মনন ও সাংস্কৃতিক চেতনাকেও। তাঁর লেখার মাধ্যমে বিশ্ব চিনেছিল ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিকতা ও দর্শনের গভীরতাকে। তিনি আজও আছেন আমাদের ভাষায়, ভাবনায়, গানে, কবিতায়, প্রেমে, প্রতিবাদে, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসায় এবং মানুষের প্রতি অগাধ বিশ্বাসে।

    অনুপ্রেরণার ২২ শ্রাবণ (22 Shravan)

    আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) প্রয়াণ দিবসে গভীর শ্রদ্ধায় তাঁকে স্মরণ করছে গোটা দেশ। তিনি শুধু বাংলা সাহিত্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাননি, আধুনিক ভারতীয় সাহিত্য, দর্শন এবং সাংস্কৃতিক চিন্তার অন্যতম নির্মাতা হিসেবেও ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে গিয়েছেন। স্বাধীনতা, মানবতা, ভয়হীন চিন্তা এবং বিশ্বমানবতার যে বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, তার ছায়াতেই আজও আশ্রয় খোঁজে কোটি কোটি মানুষ। তাঁর সাহিত্য, গান ও দর্শন আজও নতুন প্রজন্মকে আলোর পথ দেখায়। ২২ শ্রাবণ তাই অনুপ্রেরণার দিনও।

    জোড়াসাঁকো থেকে বিশ্বমঞ্চ

    ১৮৬১ সালের ৭ মে, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম নেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)। এক অভিজাত পরিবারে জন্ম হলেও তাঁর মন পড়ে থাকত প্রকৃতির কোলে, মানুষের জীবনে, সমাজের পরিবর্তনের স্বপ্নে। শৈশব থেকেই ছিল সাহিত্যচর্চার প্রতি গভীর আকর্ষণ। অল্প বয়সেই লেখা শুরু। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠলেন এমন এক স্রষ্টা, যাঁর পরিচয় শুধু কবি শব্দে সীমাবদ্ধ রাখা অন্যায়। তিনি ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, গীতিকার, সুরকার, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক এবং চিত্রশিল্পী। বাংলা ভাষা তাঁর হাতে শুধু সমৃদ্ধই হয়নি, বিশ্বসাহিত্যের মর্যাদাপূর্ণ আসনেও পৌঁছে গিয়েছে।

    যে কলমে সৃষ্টি হয়েছে বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্য

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) সাহিত্যকে কোনও একটি ধারায় বাঁধা যায় না। তাঁর কলমে যেমন প্রেম আছে, তেমনি প্রতিবাদ; যেমন প্রকৃতি আছে, তেমনি মানুষের অন্তর্জগত; যেমন দেশপ্রেম আছে, তেমনি বিশ্বমানবতার আহ্বান। তাঁর লেখা ‘গীতাঞ্জলি’, ‘সোনার তরী’, ‘মানসী’, ‘বলাকা’, ‘গীতিমাল্য’-  বাংলা কাব্যসাহিত্যের ইতিহাসে আজও মাইলফলক। উপন্যাসে গোরা, ঘরে বাইরে, চোখের বালি, যোগাযোগ, শেষের কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, সমাজ, রাজনীতি, জাতীয়তাবোধ, নারী-পুরুষের সম্পর্ক এবং মানুষের আত্মসঙ্কটকে নতুন দৃষ্টিতে দেখিয়েছে। ছোটগল্পে কাবুলিওয়ালা, পোস্টমাস্টার, সমাপ্তি, ক্ষুধিত পাষাণ আজও বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদের মধ্যে গণ্য হয়। নাটকে ডাকঘর, রক্তকরবী, রাজা, অচলায়তন মানুষের মুক্তি, প্রশ্ন করার অধিকার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছে। শিশুদের জন্যও তিনি লিখেছেন অজস্র ছড়া, কবিতা ও গল্প। আবার তাঁর প্রবন্ধে উঠে এসেছে শিক্ষা, সমাজ, রাজনীতি, জাতীয়তাবাদ, সভ্যতা এবং মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা।

    ‘গীতাঞ্জলি’

    তাঁর সাহিত্যজীবনের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় নিঃসন্দেহে ‘গীতাঞ্জলি’। ১৯১৩ সালে এই কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হন। তিনিই প্রথম এশীয়, যিনি এই সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেন। তাঁর এই সাফল্য শুধু বাংলা সাহিত্য নয়, সমগ্র ভারতবর্ষকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক মানচিত্রে নতুন মর্যাদা এনে দেয়।

    বিশ্বভারতীর জন্ম

    কবিগুরুর অবদান শুধু সাহিত্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিক্ষা এমন হওয়া উচিত যা মানুষের সৃজনশীলতা, স্বাধীন চিন্তা এবং প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনবোধ গড়ে তোলে। এই দর্শন থেকেই শান্তিনিকেতনে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। আজও বিশ্বভারতী তাঁর সামগ্রিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বিশ্বমানবতার আদর্শ বহন করে চলেছে।

    সুরে, দর্শনে, মানবতায় রবীন্দ্রনাথ

    দুই হাজারেরও বেশি গান লিখেছেন কবিগুরু। যা আজ রবীন্দ্রসঙ্গীত নামে শুধু একটি সঙ্গীতধারা নয়, বাঙালির জীবনযাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জন্ম থেকে মৃত্যু, প্রেম থেকে বিচ্ছেদ, পূজা থেকে প্রকৃতি, দেশপ্রেম থেকে আত্মঅন্বেষণ- মানুষের জীবনের এমন কোনও অনুভূতি নেই, যার জন্য তিনি একটি গান রেখে যাননি। সময় বদলেছে, পৃথিবী বদলেছে। প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আনন্দ, বেদনা, ভালোবাসা, একাকীত্ব, প্রশ্ন আর স্বপ্ন বদলায়নি। সেই কারণেই আজও বাঙালির মনে বারবার ফিরে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)। তাই আজও ভোর শুরু হয়- “আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে…” দিয়ে। বর্ষার দিনে ভেসে আসে— “আজি ঝরঝর মুখর বাদরদিনে…”। ভালোবাসার মুহূর্তে বাজে— “আমার পরান যাহা চায়…”। আবার দুঃসময়ে সাহস জোগায়— “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে…”। তাঁর প্রতিটি লেখা যেন আজও নতুন করে আমাদের প্রশ্ন করে- আমরা কি সত্যিই মুক্ত? আমরা কি সত্যিই মানবিক?

    জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্ঠা

    সঙ্গীত ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। তাঁর সৃষ্টির অন্যতম গৌরব, ‘জন গণ মন’ ভারতের জাতীয় সঙ্গীত এবং ‘আমার সোনার বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।

    আজও পথ দেখায় বিশ্বকবির দর্শন

    কবিগুরুর সাহিত্য বারবার মানবমর্যাদা, স্বাধীনতা ও নৈতিক সাহসের কথাই বলেছে। তাঁর অমর পঙ্‌ক্তি—

    • “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির…”

    শুধু একটি কবিতার লাইন নয়, এটি এক মুক্ত সমাজের স্বপ্ন। আজও এই বাণী আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃত স্বাধীনতা তখনই সম্ভব, যখন মানুষ ভয়, কুসংস্কার, সংকীর্ণতা ও অজ্ঞতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হবে।

    যতদিন বাংলা থাকবে, ততদিন রবীন্দ্রনাথও থাকবেন

    • “মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুরই রূপ,
      দুঃখ হয় হে দুঃখের কূপ।”

    হয়তো সেই কারণেই তিনি মৃত্যুকেও ভয় পাননি। তিনি জানতেন, শরীর একদিন থেমে যাবে, কিন্তু সৃষ্টি থেমে থাকে না। আজ ২২ শ্রাবণে (22 Shravan) যখন বৃষ্টি নীরবে ঝরে পড়ে, তখন মনে হয়, প্রকৃতিও যেন তার শ্রেষ্ঠ কবিকে স্মরণ করছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) আছেন বাংলা ভাষার প্রতিটি অক্ষরে, প্রতিটি রবীন্দ্রসঙ্গীতে, প্রতিটি শিশুর প্রথম কবিতায়, প্রতিটি প্রেমপত্রে, প্রতিটি স্বাধীন চিন্তায়, প্রতিটি প্রতিবাদে। তিনি আছেন শান্তিনিকেতনের ছায়াঘেরা পথের ধুলোয়, কাশফুলের দোলায়, বর্ষার গানে, শরতের আকাশে, বসন্তের পলাশে। তিনি আছেন বাঙালির অস্তিত্বে। তাই ২২ শ্রাবণ কোনও সমাপ্তির দিন নয়। এটি এক অনন্ত আলোর সামনে মাথা নত করার দিন। কারণ মানুষ চলে যান, কিন্তু মহামানবেরা তাঁদের সৃষ্টির মধ্যেই যুগের পর যুগ বেঁচে থাকেন। যতদিন বাংলা ভাষা বেঁচে থাকবে, যতদিন মানুষ স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখবে, যতদিন পৃথিবী মানবতার আলো খুঁজবে- ততদিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) অমর হয়ে থাকবেন আমাদের মনে।

  • Rabindranath Tagore: “হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ…”

    Rabindranath Tagore: “হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ…”

    সমগ্র বিশ্বের বাঙালির মনে এই বৈশাখ মাসটি এক রোমাঞ্চকতায় ভরা। কারণ এই মাসেই ২৫ বৈশাখে এমন একজন মহাত্মার জন্ম হয়েছিল, যাঁকে নিয়ে আজও আমরা গর্বিত। কবিগুরুকে ছাড়া বাংলা সাহিত্য, বাংলা সংস্কৃতি সত্যিই যেন অসম্পূর্ণ। বাঙালির সাহিত্যের শুরু ও শেষ তাঁকে দিয়েই। আপামর বাঙালির সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না সমস্ত অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন রবিঠাকুর (Rabindranath Tagore)। আজ তাঁর ১৬২ তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য। নিবেদনে মৃণালকান্তি সরকার। 

    রবিপ্রভা দীপ্যমান, রবিপ্রভা আজও মূর্তিমান

    স্রষ্টা মাত্রেরই সংশয়, সৃষ্টি বাঁচবে তো! নশ্বর জীবদেহ বিলীন হয়ে যাবে। মুছে যাবে বেঁচে থাকার যাবতীয় বাহ্যিক অহংকার। সাধারণ মানুষের তো পরিণতি এটাই। তাই বোধহয় এ নিয়ে কারও অভিযোগ থাকে না কিছু। কিন্তু সৃজনশীল মানুষের ভিন্নতর এক অন্বেষণ থাকে, থাকে অমরত্বের এক স্পৃহা। আমি বা আমার নামরূপের লয় হোক, ক্ষতি নেই! কিন্তু আমার সৃষ্টি যেন নিশ্চিহ্ন না হয়ে যায়। মহাকালের অসম্ভাব্য পরিবর্তন তাঁর সর্বজনীন সৃষ্টিকে যেন নিঃশেষে বিদায় না করে দেয়! অনন্ত মানবস্মৃতিতে যেন চিরলগ্ন থাকতে পারে সেই স্মৃতি। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের মতো বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মহান স্রষ্টারও সংশয় ছিল-আজি হতে শতবর্ষ পরে, কোন সে পাঠক, যিনি তন্ময় হয়ে থাকবেন কবির (Rabindranath Tagore) সৃষ্টিতে? সোচ্চার কোনও দাবি নয়, কবিসুলভ স্মিত এক প্রার্থনা নিজেরই সৃষ্টির কাছে,-‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে… তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে।’ সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে স্বাভাবিক বিস্ময়ে যেন এই উক্তি-‘তুমি কেমন করে গান করো, হে গুণী!’ ক্ষণকাল থেকে চিরকালের উত্তরণের গুণ যেন আমার থাকে। এই আমার সাধনা, বিচারক আমি নই, বিচারক সেই মহাকাল! শতাব্দীর পর নতুন শতাব্দীতে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিটি বিভাগকে সঞ্জীবিত করে বিশাল গগনে রবিপ্রভা দীপ্যমান, রবিপ্রভা আজও মূর্তিমান, তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল!

    কবিগুরু বেঁচে থাকুন আমাদের গানে, গল্পে, আড্ডায়

    কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) বাঙালি তথা ভারতীয় তথা সারা বিশ্বের অনুপ্রেরণা। “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির”-কবিগুরুর লেখা সেই পংক্তি আজও আমাদের উদ্বুদ্ধ করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই কবিতা যে কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিশ্চই আলাদা করে বলে দিতে হয় না। আমরা সবাই খুঁজে চলেছি রবীন্দ্র কবিতার সেই দেশ, সেই কবে থেকেই। যুগে যুগে, প্রজন্মের পর প্রজন্মকে নাড়া দিয়েছেন বিশ্বকবি এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও তিনি থাকবেন পূজনীয়। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিশ্বকবি মলিন হন না, তিনি আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে দাঁড়ান। তাই আজ তাঁর ১৬২ তম জন্মবার্ষিকীতে একটাই চাওয়া, কবিগুরু বেঁচে থাকুন আমাদের গানে, গল্পে, আড্ডায়, প্রেমে, দিনের শেষে ক্লান্ত গলায়। কবিগুরু লহ প্রণাম।

    রবি ঠাকুরের জীবনদর্শন ও সৃষ্টি অস্থিরময় সময়ে সঠিক পথের দিশা

    এতবছর পরেও রবীন্দ্রনাথের (Rabindranath Tagore) জীবন-দর্শন ও তাঁর সৃষ্টি আজকের সমাজেও ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক। রবি ঠাকুরের জীবন-দর্শন ও সৃষ্টি আমাদের এই অস্থিরময় সময়ে সঠিক পথের দিশা দেখাতে পারে, পারে আত্মগ্লানির হাত থেকে মুক্তি দিতে, পারে এই দমবন্ধকর আবহের মধ‍্যে একটু খোলা হাওয়া এনে দিতে। তাই তো প্রত্যেক বছর ২৫শে বৈশাখ আমাদের ‘চির নূতন’ হয়ে ওঠার ডাক দেয়। এবারও দিয়েছে। সেই প্রজ্ঞার পায়ে নিবেদিত হোক শ্রদ্ধার্ঘ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share