Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • FIR: রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে সংসদে অভিনয়, পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের মামলা

    FIR: রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে সংসদে অভিনয়, পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর কোতয়ালি থানায় পূর্ণিয়ার নির্দল সাংসদ রাজেশ রঞ্জন ওরফে পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। কাশীর পাতালপুরী মঠের জগৎগুরু বালক দাস দেবাচার্য-সহ কয়েকজন সাধুর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা হয়েছে (Pappu Yadav)। অভিযোগ, গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সংসদ চত্বরে বিরোধী সাংসদদের অংশগ্রহণে রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে একটি হিন্দুবিদ্বেষী ব্যঙ্গাত্মক অভিনয় করা হয়।

    প্রণামী চুরির অভিনয় (FIR)

    ঘটনাটি ৩১ জুলাই ২০২৬, চলতি বাদল অধিবেশনের সময়ের। অভিযোগ, অযোধ্যার রাম মন্দিরে সংগৃহীত অনুদানে কথিত অনিয়ম ও অর্থ তছরুপের প্রতিবাদে ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা সংসদের মকর দ্বারের কাছে বিক্ষোভ দেখান। সেই বিক্ষোভের অংশ হিসেবেই পাপ্পুকে গেরুয়া পোশাকে, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা এবং পুরোহিতের সাজে দেখা যায়। তাঁর পাশে রাখা ছিল অনুদানের বাক্স, হাতে ছিল ভগবান রামের ছবি। অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা-সহ বিরোধী নেতারা অভিনয়ের অংশ হিসেবে ওই অনুদানের বাক্সে টাকা দেন। এরপর পাপ্পু যাদব সেই টাকা নিজের পকেটে ঢোকান এবং অনুদানের বাক্স নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এর মাধ্যমে অযোধ্যার রাম মন্দিরে কথিত “প্রণামী চুরি”-র অভিযোগকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়।

    ভগবান রামের অপমান

    অযোধ্যা-সহ ফৈজাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অবধেশ প্রসাদও ওই অভিনয়ে অংশ নেন। তিনি পাপ্পুর কলার ধরে তাঁকে “চোর পুরোহিত” বলে অভিহিত করে শাস্তির দাবি জানান। বিক্ষোভে “চাঁদা চোর, গদি ছোড়” এবং “অমিত শাহ ইস্তফা দাও”-এর মতো স্লোগানও দেওয়া হয়। মন্দিরের অনুদান নিয়ে অভিযোগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের বিষয়টিও বিক্ষোভে তুলে ধরা হয়। এই অভিনয়কে ঘিরে বারাণসীর সাধু-সন্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গেরুয়া পোশাক ব্যবহার করে মন্দিরের পুরোহিতকে চোর হিসেবে দেখানোর ঘটনাকে তাঁরা সনাতন ধর্ম, সাধু সমাজ এবং ভগবান রামের অপমান বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাংসদদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন (FIR) তাঁরা। কাশী জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার গৌরব বনসল জানিয়েছেন, কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সাধু-সন্তদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাপ্পুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংসদ চত্বরে হওয়া ওই বিক্ষোভের যে ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলিও তদন্তের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    অভিযোগ দায়ের দিল্লিতেও

    এদিকে, দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী থানায়ও  পাপ্পু, রাহুল, ডিম্পল যাদব, অবধেশ প্রসাদ-সহ একাধিক বিরোধী সাংসদের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন সমাজকর্মী সূর্য মৈথিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, জুতো পরে প্রতীকী অনুদানের বাক্সে টাকা রাখা এবং পরে সেই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিনয় ধর্মীয় প্রতীকগুলির প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল। বিশেষ করে রামলালার ছবিকে অসম্মান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের আগে আইনি মতামত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে। এদিকে, বিরোধীদের বক্তব্য, তাঁদের বিক্ষোভের উদ্দেশ্য কোনও ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করা নয়। রাম মন্দিরের অনুদান ব্যবস্থাপনায় কথিত দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। পাপ্পুও পরে দাবি করেন, তাঁর অভিনয়ের লক্ষ্য ছিল ধর্মের নামে হওয়া চুরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। এই জাতীয় বিক্ষোভের তীব্র নিন্দা করেছেন (Pappu Yadav) বিজেপি নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, এই অভিনয়ের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে (FIR) সনাতন ধর্ম ও গেরুয়া রঙকে।

     

  • Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ নিয়ে যখন রাজনৈতিক বিতর্ক, তদন্ত এবং আদালতের নজরদারি চলছে, ঠিক সেই সময় জওয়ানদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (CRPF)-র ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh)। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের জন্য কোনও জওয়ানকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে সেই সিদ্ধান্তের দায়ভার তিনি নিজেই নেবেন।

    ‘আপনারা কাজ করুন, দায়িত্ব আমার’

    ২৭ জুলাই সিআরপিএফ (CRPF)-এর ইনভেস্টিচার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh) বলেন, ‘‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে কর্তব্য পালনের অংশ হয়, তাহলে তার দায়িত্ব আমি নেব। নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করুন। নিজের কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কোনও রকম দ্বিধা বা ভয় রাখবেন না। যেখানে জবাবদিহির প্রয়োজন হবে, সিআরপিএফ-এর ডিজি (Gyanendra Pratap Singh) হিসেবে সেই দায়িত্ব আমি নেব।’’

    জওয়ানদের ধৈর্যের প্রশংসা 

    সিআরপিএফ (CRPF) সদর দফতর থেকে বিভিন্ন ইউনিটে পাঠানো এক বার্তায় সাম্প্রতিক কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনকারী জওয়ানদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসাও করেন তিনি। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থে এবং দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাহিনী সদস্যদের পূর্ণ সমর্থন করবে। তবে একই সঙ্গে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে- কোনও জওয়ান যদি দায়িত্বজ্ঞানহীন, অযৌক্তিক বা নিয়মবহির্ভূত কাজ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সিআরপিএফ-এর নিয়ম এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী কড়া বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বলপ্রয়োগের অভিযোগে শুরু হয়েছে তদন্ত

    দিল্লির ঘটনার পর র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে সিআরপিএফ। তদন্তে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং ঘটনাস্থলে থাকা জওয়ান, কোম্পানি কমান্ডার ও শীর্ষ আধিকারিকদের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পেলেট গান ও শক ব্যাটন ব্যবহারের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। যদি তদন্তে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে, তাহলে আনুষ্ঠানিক কোর্ট অফ ইনকোয়ারি গঠন করা হবে বলে সূত্রের খবর।

    পেলেট ব্যবহারের অভিযোগে বাড়ছে বিতর্ক

    ২০ জুলাইয়ের সরকারি মোতায়েন সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে, দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তর এলাকায় র‌্যাফ সদস্যরা দুটি প্লাস্টিক পেলেট রাউন্ড-সহ একাধিক নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন। যদিও দিল্লি পুলিশের দাবি, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কোনও পেলেট ছোড়া হয়নি। তা সত্ত্বেও আহতদের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক থামেনি।

    সংসদ থেকে সুপ্রিম কোর্ট- সর্বত্র উঠছে প্রশ্ন

    এই ইস্যু ইতিমধ্যেই সংসদ এবং সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, পুলিশি পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকপক্ষ অবশ্য সেই অভিযোগ খারিজ করে প্রমাণ দাবি করেছে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে ধাতব পেলেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং আহতদের ক্ষতিপূরণের আবেদন জানানো হয়েছে।

    আন্দোলন শেষ, কিন্তু বিতর্ক নয়

    শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রায় এক মাস ধরে চলা নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সমাপ্তি হয়েছে। তবে আন্দোলন মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ কতটা আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় ছিল, তা নিয়েই এখন তদন্ত, রাজনৈতিক তরজা এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সিআরপিএফ প্রধানের (Gyanendra Pratap Singh) বার্তাকে বাহিনীর মনোবল বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Public Examination Amendment Bill 2026: দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় পাশ সরকারি পরীক্ষা সংশোধনী বিল, প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া শাস্তি

    Public Examination Amendment Bill 2026: দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় পাশ সরকারি পরীক্ষা সংশোধনী বিল, প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় নয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা আলোচনা, সরকার ও বিরোধী পক্ষের তীব্র বাকযুদ্ধ এবং একাধিক বিতর্কের পর বুধবার লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হল সরকারি পরীক্ষা (অসাধু উপায় প্রতিরোধ) সংশোধনী বিল (Public Examination Amendment Bill 2026), ২০২৬। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিল নিয়ে আলোচনা চলে। বুধবার ফের আলোচনা শুরু হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠভোটে বিলটি (Public Examination Amendment Bill 2026) পাশ হয়।

    আরও কঠোর শাস্তি

    নতুন সংশোধনী (Public Examination Amendment Bill 2026) অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসাধু উপায়ে জড়িতদের ন্যূনতম কারাদণ্ড তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হবে দশ বছর পর্যন্ত। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

    সংগঠিত চক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা

    সংগঠিতভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত চক্রের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে সেই সাজা দশ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ জরিমানা এক কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে দশ কোটি টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে।

    পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার জন্যও কড়া নিয়ম

    যে সব সংস্থা পরীক্ষার কাজ পরিচালনা করে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ জরিমানা পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। পাশাপাশি সরকারি পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ চার বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    বিশেষ তদন্তকারী দল ও দ্রুত বিচার

    বিলে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধের তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের ক্ষমতা কেন্দ্রকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। অভিযোগপত্র জমা পড়ার পর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে প্রতিদিন শুনানি চালিয়ে তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করারও প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের জন্য বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

    লোকসভায় উত্তপ্ত বিতর্ক

    বিল নিয়ে আলোচনায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে ছাত্রদের আন্দোলন কোনও হিংসা নয়, বরং দেশের তরুণদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শুধু একটি প্রতীক; দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অন্য শক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ঠুর এবং তরুণদের স্বাধীনভাবে ভাবার সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের সময় শাসক দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু তাঁর বক্তব্যের একটি শব্দের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলেন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা রাহুলকে ভাষা ও অভিযোগের ক্ষেত্রে সংযত থাকার পরামর্শ দেন।

    সরকারের পাল্টা জবাব

    জবাব দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিল নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা না করে বিরোধীরা রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছেন। দেশের যুব সমাজকে অপমান করে সংসদীয় ভাষার সীমা লঙ্ঘন করা হয়েছে। দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর অভিযোগও খারিজ করেন তিনি। জিতেন্দ্র সিং বলেন, কোথাও গুলি চালানো হয়নি, কেবল কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কোনও মন্ত্রীর নয়, সেই সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক আধিকারিক।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিল?

    গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সরকারি চাকরি ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সেই পরিস্থিতিতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে, প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী বিল আনা হয়েছে। লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হওয়ার পর এবার বিলটি (Public Examination Amendment Bill 2026) রাজ্যসভায় তোলা হবে।

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, রাহুলের আচরণকে ‘নৈরাজ্যের রাজনীতি’ বললেন নিতিন নবীন

    BJP: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, রাহুলের আচরণকে ‘নৈরাজ্যের রাজনীতি’ বললেন নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শতাব্দীপ্রাচীন দলের নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP) নিতিন নবীন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, কেসি বেণুগোপাল এবং পবন খেরার নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিরোধী দলনেতার পদে থেকে রাহুল গান্ধীর আচরণ সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়”।

    নৈরাজ্যের প্রতীক (BJP)

    নিতিন নবীন বলেন, “রাহুল গান্ধীর আচরণ থেকেই স্পষ্ট, তিনি বিরোধী দলনেতার পদের মর্যাদাকে গুরুত্ব দেন না। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি, রাহুল গান্ধী ক্রমশ নৈরাজ্যের প্রতীক হয়ে উঠছেন। সংসদের কিছু সাংবিধানিক পদ কোনও একক দলের সম্পত্তি নয়। প্রধানমন্ত্রী শুধু একটি দলের নেতা নন, তিনি ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে রাহুল গান্ধী ও তাঁর সহযোগীদের আচরণ এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা প্রমাণ করে, এটি মতপার্থক্যের রাজনীতি নয়, বরং নৈরাজ্যের রাজনীতি। আরও উদ্বেগের বিষয়, প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।”

    বিজেপি সীমা লঙ্ঘন করেনি

    তিনি এও বলেন, “আমরাও দীর্ঘ সময় বিরোধী দলে ছিলাম, কিন্তু কখনও এই ধরনের সীমা লঙ্ঘন করিনি। রাহুল গান্ধী যে শর্ত দিয়েছিলেন, তা মেনে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার পর বিরোধী দলনেতার সেই অবস্থান থেকে সরে আসা দুর্ভাগ্যজনক। সংসদের ভেতরে যে কোনও ধরনের আলোচনার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত। কিন্তু শিষ্টাচার ভঙ্গ এবং বিরোধী শিবিরে যে নৈরাজ্যবাদী মানসিকতা তৈরি হচ্ছে, তা দেশকে উদ্বিগ্ন করছে। দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর পাশে রয়েছেন।”

    ব্যাহত লোকসভা-রাজ্যসভার কার্যক্রম

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছে বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় দিল্লি পুলিশ রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চন্নিকে আটক করে। নিরাপত্তারক্ষীদের দেখা যায় রাহুলকে পুলিশের বাসে করে তুলে নিয়ে যেতে (BJP)। সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদবও ওই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁকেও পুলিশ আটক করে। সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “ওরা ভীতু। ওরা আমাদের ভয় পায়। কিন্তু আমরা ওদের ভয় পাই না (Rahul Gandhi)।” এদিকে, নিট-স্নাতক স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো (BJP) লোকসভা ও রাজ্যসভার কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

     

  • PM Modi: ‘৫৬ বছরের যুবক নন, ২৮-এর তরুণরাই মহাকাশ জয় করছে’, রাহুলকে তীব্র কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: ‘৫৬ বছরের যুবক নন, ২৮-এর তরুণরাই মহাকাশ জয় করছে’, রাহুলকে তীব্র কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদের মহাকাশ গবেষণা স্টার্টআপ স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের রকেট উৎক্ষেপণের সাফল্য উদযাপন করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে প্রথাগত ভাষণে তিনি বলেন, “এই অভাবনীয় সাফল্য এনেছে একদল তরুণ উদ্ভাবক, যাঁদের গড় বয়স মাত্র ২৮ বছর, কোনও ৫৬ বছরের যুবক নন।”

    স্টার্টআপ সংস্কৃতির প্রশংসা (PM Modi)

    দেশের স্টার্টআপ সংস্কৃতির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী স্কাইরুটের (Skyroot Launch) সাম্প্রতিক মাইলফলককে ভারতের যুবসমাজের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে বাদল অধিবেশন যাতে ফলপ্রসূ হয়, সেজন্য বিরোধীদের কাছেও আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের যুবসমাজ মহাকাশে এক নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আমাকে বলা হয়েছে যে, স্কাইরুট স্টার্টআপে কর্মরত পুরো দলটির গড় বয়স মাত্র ২৮ বছর। এই ধরনের তরুণরাই এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। আমি কোনও ৫৬ বছরের যুবকের কথা বলছি না।”

    প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় রাহুল

    প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে সরাসরি রাহুল গান্ধীর নাম নেওয়া না হলেও, লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে লক্ষ্য করেই যে এই কটাক্ষ বাণ হানা হয়েছে, তা স্পষ্ট। কারণ রাহুল গান্ধীর বয়স ৫৬ বছর। এই সাফল্যের পরিধি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বের খুব কম দেশেই এই ধরনের বেসরকারি উদ্যোগ দেখা গিয়েছে। ভারতের যুবসমাজ মহাকাশে এক নতুন যাত্রা শুরু করেছে। এটি একটি বিরাট সাফল্য। বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি সর্বজনীন স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে। এটি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়, এটি একটি শক্তিশালী বার্তা যে আমাদের দেশের যুবসমাজের সম্ভাবনা এবং আকাঙ্ক্ষা মহাকাশের মতোই সীমাহীন।” প্রধানমন্ত্রী জানান, গত এক মাস ধরে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে দেশ এমন একাধিক মাইলফলক পেরিয়ে এসেছে, তা দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

    রিফর্ম এক্সপ্রেস

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মাত্র এক মাসের মধ্যে দেশ অসংখ্য মাইলফলক পেরিয়ে এসেছে, এমন এক ধারাবাহিক সাফল্য যা প্রত্যেক নাগরিককে গর্বে ভরিয়ে দেয়। জাতীয় মঞ্চ হোক বা আন্তর্জাতিক অঙ্গন, কিংবা এখন মহাকাশ, এগুলি সত্যিই ভারতের জন্য গর্বের মুহূর্ত (Skyroot Launch)।” তিনি এও বলেন, “বিশ্বের খুব কম দেশের কাছেই এই সুবিধা রয়েছে। এই অর্জন ভারতের বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং শ্রমিকদের উৎসর্গের প্রমাণ, যাঁরা সবাই দেশের জন্য এক যৌথ লক্ষ্যে কাজ করছেন।” এই অর্জনগুলিকে সরকারের সংস্কার ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের তরুণ উদ্ভাবকরা ধারাবাহিক নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি অনুকূল পরিবেশের সুফল পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “দেশ রিফর্ম এক্সপ্রেসে চড়ার ফলেই ভারতের যুবসমাজ এই ধরনের দারুণ সাহস দেখাতে পারছে এবং সাফল্য অর্জন করছে।”

    অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স

    সাম্প্রতিক পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত মাইলফলকগুলির তালিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, সম্প্রতি রাজস্থানে একটি বিশাল তেল শোধনাগার জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের তৃতীয় সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্টেরও। তিনি আরও জানান, ভারত বিশ্বের অন্যতম উন্নত গ্রিন হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন চালু করেছে, যার ইঞ্জিন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এটি এই ধরনের ট্রেনের মধ্যে দীর্ঘতম। অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স ভারতের স্থিতিস্থাপকতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে (Skyroot Launch)। দেশের সব ক’টি ক্ষেত্রে যখন এক গতিশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই শুরু (PM Modi) হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন।

     

  • IB Officer Murder Verdict: অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় তাহির হুসেন দোষী সাব্যস্ত, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    IB Officer Murder Verdict: অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় তাহির হুসেন দোষী সাব্যস্ত, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্কিত শর্মা হত্যা (IB Officer Murder Verdict) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কাউন্সিলর তাহির হুসেন। তারপর মঙ্গলবার আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। তাঁর দাবি, তাহির হুসেনের পাশাপাশি এই ঘটনার সবচেয়ে বড় অপরাধী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কারণ তিনি হুসেনকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন।

    বিজেপি নেতার বক্তব্য (IB Officer Murder Verdict)

    সাংবাদিক বৈঠকে আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে গৌরব বলেন, “এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন তাহির হুসেন। ওই সময় তিনি আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর ছিলেন এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। আজ তিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩৬৫ ধারায় অপহরণ এবং ১৫৩এ ধারায় বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জাভেদ, আনাস, নাজিম এবং কাসিমকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাহির হুসেনের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় অপরাধী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছিল এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।” ভাটিয়ার দাবি, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও, দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসায় নিহত প্রায় ৬০ জনের জন্য কিংবা অঙ্কিতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কেজরিওয়াল একটি কথাও বলেননি।

    জনতাকে উসকে দেন তাহির

    আদালতের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “আদালত জানিয়েছে, অঙ্কিত যখন নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনতার সামনে এসেছিলেন, তখন তাহির জনতাকে উসকে দেন। আদালত আরও বলেছে, অভিযুক্তরা একটি ষড়যন্ত্র ও অভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে হিন্দুদের হত্যা করতে চেয়েছিল এবং সেই কারণেই অঙ্কিত শর্মাকেও হত্যা করা হয়।” তাঁর প্রশ্ন, “কেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাহিরকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন? কেন তিনি অঙ্কিতের পরিবারের পাশে দাঁড়াননি?” আম আদমি পার্টির নেতা আমানতুল্লা খানের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। ভাটিয়ার অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণেই অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে আম আদমি পার্টি। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী অঙ্কিতের দেহে ৫১টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর অভিযোগ, এত নৃশংস ঘটনার পরেও কেজরিওয়াল কখনও শর্মা পরিবারের পাশে দাঁড়াননি।

    আপ এবং কংগ্রেসকেও নিশানা

    কংগ্রেসকেও নিশানা করেন এই বিজেপি কর্তা। তাঁর অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ভুয়ো আতঙ্ক ছড়িয়ে কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল। তিনি বলেন, “সংসদে আইন পাস হওয়ার পর সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী এমন পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, যাতে মনে হয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে। আজ আমি জানতে চাই, কতজন ভারতীয় মুসলিম তাঁদের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন? উত্তর একটিও নয়।” সোনিয়া গান্ধীর ‘শেষ পর্যন্ত লড়াই’ মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে (IB Officer Murder Verdict) ভাটিয়া বলেন, “যখন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল না, তখন এই লড়াই কীসের জন্য ছিল?” রাহুলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তিনি (রাহুল) দাঙ্গা কবলিত এলাকায় গিয়ে একটি মসজিদে গিয়েছিলেন, যদিও অঙ্কিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেননি। এটি নিরাময়ের স্পর্শ নয়, বরং রক্তাক্ত করার স্পর্শ ছিল।”

    শেষে বিজেপির পক্ষ থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর কাছে দিল্লিবাসী ও দেশের মানুষের উদ্দেশে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে আমানতুল্লা খান এবং ইমরান মাসুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা (BJP) নেওয়ারও দাবি তোলেন ভাটিয়া। তিনি বলেন, “যে-ই যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, আইনের হাত থেকে রেহাই পাবেন না। দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসার প্রত্যেক অপরাধীকেই আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে (IB Officer Murder Verdict)।”

     

  • NEET ReTest: কংগ্রেসের র‍্যালির ট্র্যাফিকে আটকে নিট পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী, বেঙ্গালুরুতে তীব্র বিতর্ক

    NEET ReTest: কংগ্রেসের র‍্যালির ট্র্যাফিকে আটকে নিট পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী, বেঙ্গালুরুতে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের একটি রাজনৈতিক সমাবেশের (Congress Rally) জেরে তীব্র যানজট। সেই জটে আটকে পড়ে মাত্র দু’মিনিট দেরিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোয় নিট ইউজি ২০২৬ রি-টেস্টে (NEET ReTest) বসতে পারলেন না তিন ছাত্রী। বেঙ্গালুরুর আরসি গভর্নমেন্ট কলেজ (RC Government College) পরীক্ষাকেন্দ্রের ঘটনা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক মহলেও।

    পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী (NEET ReTest)

    রবিবার নিটের রি-টেস্টের জন্য পরীক্ষার্থীদের দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে বলা হয়েছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, ঠিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মেন গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই তিন ছাত্রী ১টা ৩২ মিনিটে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন। তাই তাঁদের আর পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের মাধ্যমে শেষবারের মতো ঘোষণা করা হয় যে ঠিক ১টা ৩০ মিনিটে গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবুও যানজটের কারণে ওই তিন ছাত্রী সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। পরীক্ষা মিস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিন ছাত্রী মরিয়া হয়ে মেন গেটের রেলিং টপকে কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকেও পড়েন। কিন্তু ততক্ষণে পরীক্ষা হলের গেট সিল করে দেওয়া হয়েছিল। নিটের নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর কোনও পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় না। তাই তাঁদের ফিরে যেতে হয়।

    কংগ্রেসের র‍্যালির কারণে ব্যাপক ট্র্যাফিক জ্যাম

    ওই ছাত্রীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, তাঁরা যথেষ্ট সময় হাতে নিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু শহরে কংগ্রেসের র‍্যালির কারণে ব্যাপক ট্র্যাফিক জ্যাম হওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়। শুধু আরসি গভর্নমেন্ট কলেজ নয়, বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরম এলাকার এমইএস পিইউ কলেজ (MES PU College) পরীক্ষাকেন্দ্রেও বহু পরীক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে পৌঁছন। জ্যামে আটকে পড়ায় অনেকেই কার্যত দৌড়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন। ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে।

    কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    ঘটনায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন  বেঙ্গালুরু দক্ষিণের বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য। তাঁর অভিযোগ, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী যখন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তখন কংগ্রেসের উচিত ছিল অন্য কোনও দিন র‍্যালির আয়োজন করা (NEET ReTest)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি দিন বেছে নিয়েছে, যেদিন নিট রি-টেস্ট হচ্ছে। এর ফলে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছে (Congress Rally) এবং বহু পরীক্ষার্থী আতঙ্কের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছেছেন। তিনি পরীক্ষক সংস্থাকে ধন্যবাদও জানান। কারণ কয়েকটি কেন্দ্রে দেরিতে পৌঁছনো ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তেজস্বী সূর্য বলেন, “এই ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতার অভাবই।”

    বিমানবন্দরে ঠায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পদক্ষেপও চর্চায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছলেও, তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের সরকারি বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হননি (NEET ReTest)। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাজনিত কারণে রাস্তায় বিশেষ ট্র্যাফিক ব্যবস্থা ও সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হয়। পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাই তিনি প্রায় ৪৫ মিনিট বিমানবন্দরেই ঠায় বসে থাকেন। দুপুর ২টো নাগাদ, যখন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গিয়েছে, তখনই তিনি বিমানবন্দর ছাড়েন। উল্লেখ্য, ওডিশা ও পশ্চিমবঙ্গ সফর শেষে দিল্লিতে ফিরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    নিট রি-টেস্ট

    প্রসঙ্গত, নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা হয়েছিল গত ৩ মে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় সেই পরীক্ষা বাতিল করা হয়। সেই কারণেই এদিন আয়োজন করা হয়েছিল রি-টেস্টের। দেশের ৫৫১টি শহরের ৫,৪৪০টি কেন্দ্রে এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয় (NEET ReTest)। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনটিএ একাধিক কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল। পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভির নজরদারি, ইসিআইএল এবং বিইএলের সরবরাহ করা জ্যামার, মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি, প্রত্যেক (Congress Rally) পরীক্ষা কক্ষে দু’জন করে ইনভিজিলেটর এবং অতিরিক্ত তদারকি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছিল (NEET ReTest)।

     

  • Kiren Rijiju: গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘিরে রাহুলকে নিশানা, “পরিবেশের অজুহাতে উন্নয়ন আটকে দেওয়ার চেষ্টা”, তোপ রিজিজুর

    Kiren Rijiju: গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘিরে রাহুলকে নিশানা, “পরিবেশের অজুহাতে উন্নয়ন আটকে দেওয়ার চেষ্টা”, তোপ রিজিজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেট নিকোবর দ্বীপের বহুচর্চিত উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে ফের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে (Great Nicobar Project) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, রাহুলের স্কুবা ডাইভিং সফরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে প্রকল্পটির বিরুদ্ধে পরিবেশগত উদ্বেগের প্রচার চালানো হয়েছে।

    রাহুলের স্কুবা ডাইভিং সফরে ব্যয় ২৬ কোটি! (Kiren Rijiju)

    রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধীর স্কুবা ডাইভিং সফরের জন্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। সেই সফর ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত উদ্বেগের সঙ্গে গ্রেট নিকোবর উন্নয়ন প্রকল্পকে যুক্ত করে জনমত গঠনের চেষ্টাও করা হয়।” মন্ত্রীর দাবি, গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের বিরোধিতা প্রকৃতপক্ষে পরিবেশ রক্ষার জন্য নয়। তাঁর মতে, পরিবেশ সংক্রান্ত উদ্বেগকে সামনে রেখে এমন একটি প্রকল্পের কাজ আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা ভবিষ্যতে ভারতের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা এনে দিতে পারে। তিনি বলেন, “দেশে বড় ধরনের পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত গোষ্ঠী কাজ করে। তারা পরিবেশগত ইস্যু তুলে ধরে জনমত তৈরি করে, চেষ্টা করে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার।” রিজিজু বলেন, “ভারতের পরিবেশ সংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর এবং কোনও সরকার ইচ্ছেমতো বনাঞ্চল, সামুদ্রিক পরিবেশ বা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করতে পারে না। প্রতিটি বড় প্রকল্পই প্রয়োজনীয় পরিবেশগত মূল্যায়ন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যায়।”

    রাহুলকে নিশানা মন্ত্রীর

    তাঁর দাবি, প্রকল্পের সমালোচকেরা অনেক অভিযোগ তুললেও, তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরতে পারেননি। শুধু তাই নয়, প্রকল্পে যে পরিবেশগত সুরক্ষাব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেটিও তাঁরা উপেক্ষা করছেন। গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের ফলে দ্বীপের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব পড়তে পারে— এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দিয়েছেন রিজিজু। বলেন, “শম্পেন, নিকোবারিজ, গ্রেট আন্দামানিজ, জারোয়া এবং সেন্টিনেলিজ-সহ বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Great Nicobar Project)।” তাঁর বক্তব্য, অতীতেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কারণে এই সম্প্রদায়গুলির জীবনযাত্রায় কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি, ভবিষ্যতেও তাদের অধিকার ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত রাখা হবে (Kiren Rijiju)। রিজিজুর মতে, পরিবেশ সংরক্ষণ, আদিবাসী কল্যাণ, শিল্পোন্নয়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন— এই চারটি বিষয় একসঙ্গেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তিনি জানান, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাহুলকে সরাসরি নিশানা করে রিজিজু বলেন, “উনি শুধুমাত্র বৃহত্তর একটি ‘ইকোসিস্টেমে’র অংশ, যারা জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিরোধিতা করে।” মন্ত্রীর দাবি, বাঁধ, জাতীয় সড়ক, খনি বা অন্যান্য বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রতিবাদ দেখা যায়। পরিবেশ রক্ষার নামে মামলা, আন্দোলন এবং প্রচারাভিযান চালিয়ে প্রকল্পগুলিকে দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।

    ব্লু ইকোনমি

    সাক্ষাৎকারে ভারতের সামুদ্রিক সম্পদের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন রিজিজু। বলেন, “দেশের ‘ব্লু ইকোনমি’কে শক্তিশালী করতে সমুদ্রভিত্তিক সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহার প্রয়োজন (Kiren Rijiju)।” কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপ ওশান মিশনে’র উল্লেখ করেন মন্ত্রী জানান, ভারত বর্তমানে সমুদ্রের প্রায় ৫,০০০ মিটার গভীর পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানোর ক্ষমতা অর্জনের পথে দ্রুত এগোচ্ছে। ভারত মহাসাগরের খনিজ ও অন্যান্য সম্পদের অনুসন্ধান দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি করবে (Great Nicobar Project)।

    বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা

    পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হিসেবে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে বলেও জানান রিজিজু। বলেন, “সরকারের সমালোচনা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ, এবং আমি একে স্বাগত জানাই।” তবে জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে রাজনৈতিক বিতর্কের হাতিয়ার না করার আহ্বানও জানান মন্ত্রী। রাহুলের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা উচিত। রিজিজুর কথায়, “গণতন্ত্রে মতবিরোধ স্বাভাবিক (Great Nicobar Project)। কিন্তু দেশের অগ্রগতি এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলির সহযোগিতামূলক মনোভাবও থাকা প্রয়োজন (Kiren Rijiju)।”

     

  • NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ এর রি-টেস্ট আজ, রবিবার (NEET Re Exam)। ২২ লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভর্তি-প্রত্যাশী অংশ নেন এই পরীক্ষায়। এই পরীক্ষাটি কেবল পরীক্ষার্থীদের জন্যই নয়, এনটিএ (National Testing Agency) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ (Security)। কারণ মে মাসে হওয়া পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং পরবর্তীকালে পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছিল আস্থার সঙ্কট। সেই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতেই এবার ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    কড়া নিরাপত্তায় পরীক্ষা (NEET Re Exam)

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কেন্দ্র জানিয়েছিল, স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েই আগের পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সেই মতো হয় রি-টেস্ট। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হলেও, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা পায় অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ৫ মিনিট। এনটিএর তরফে পরীক্ষার্থীদের দুপুর দেড়টার মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগেই। এদিন যাচাই করা হচ্ছে অ্যাডমিট কার্ড, বৈধ পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট সাইজের দু’টি ছবি। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনও পরীক্ষার্থীকেই যে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না, তাও আগেই জানিয়ে দিয়েছিল পরীক্ষক সংস্থা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে সেগুলি বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।  দেশজুড়ে ৫,৪৪০টি পরীক্ষাকেন্দ্র এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৫৫১টি শহরে এই পরীক্ষা হচ্ছে।

    ব্রজ্র আঁটুনি

    এনটিএ জানিয়েছে, ৯৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মোট ১,৩৮,৫৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরার লাইভ ফিড জাতীয়, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে পর্যবেক্ষণ করা (Security) হচ্ছে। ইলেকট্রনিক জালিয়াতি রুখতে ৫১,৩১১টি জ্যামার মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরাও নিরাপত্তা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত রয়েছেন (NEET Re Exam)। প্রতি পরীক্ষাকেন্দ্রে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পরীক্ষাকক্ষে থাকছেন দু’জন করে ইনভিজিলেটর। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন ১০ জনেরও বেশি অতিরিক্ত পরীক্ষাকর্মী। পরীক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব যাচাই আরও কড়া করা হয়েছে। প্রায় ৩৮,৭৯৫ জন ফ্রিস্কিং স্টাফ এবং ৪৮,৪৪৮ জন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পাশাপাশি ফেস অথেনটিকেশন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। এনটিএর নির্দেশ মতো প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন করে সেন্টার সিস্টেমস অফিসার (CSO) থাকছেন। তিনি দিনভর সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন।

    সংস্থার প্রধান লক্ষ্য

    এদিকে, পরীক্ষার ঠিক আগের দিন একটি ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। নাগপুরের এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র আবুধাবিতে। যদিও, ওই পরীক্ষার্থীর দাবি, পছন্দের কেন্দ্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন নাগপুর, ওয়ার্ধা এবং ভান্ডারা শহরকে (NEET Re Exam)। অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে এনটিএ জানায়, পরীক্ষার্থীর নিজস্ব লগইন থেকেই কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ীই আবুধাবি কেন্দ্র বরাদ্দ হয়েছিল। পরে অনুরোধ পাওয়ার পর তাঁকে নাগপুরেই নতুন কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা যেন নষ্ট না হয়, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    রাহুলের বার্তা

    এদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রকে সতর্ক করেছেন (NEET Re Exam)। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আশা করি তোমাদের পরীক্ষা খুব (Security) ভালো হবে। আমরা তোমাদের পাশে আছি এবং তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।” কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, “দয়া করে নিশ্চিত করুন, এবার যেন কোনও গলদ না হয়। ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে (NEET Re Exam)।”

     

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

LinkedIn
Share