Tag: rail news

rail news

  • PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়ারি ফের পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিনই মালদায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ট্রেন সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। তাঁর সফরের আগে নয়া রূপে সেজে উঠেছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। দিনরাত ধরে চলছে কাজ। মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও (Vande Bharat Sleeper) চলছে জোরকদমে। স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসানো হয়েছে ফাইবারের তৈরি শ্রীচৈতন্য দেবের মূর্তি।

    সাজানো হয়েছে পার্ক (PM Modi)

    বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এলাকার সমস্ত রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়েছে। পুরো এলাকা সাজানো হচ্ছে আলো দিয়ে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ঘাম ঝরাচ্ছেন শ্রমিকরা। মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুটি প্লাটফর্মের মেঝের বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পাল্টানো হচ্ছে। কোথাও আবার পড়েছে রংয়ের প্রলেপ। সামনে দাঁড়িয়ে কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। রেল সূত্রে খবর, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে বন্দে ভারত স্লিপারের দুটি রেক। সেগুলি দাঁড়াবে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে (PM Modi)। সেই কারণে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। পূ্র্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেন, “ইতিমধ্যেই কাটিহার থেকে বন্দে ভারত স্লিপার মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই জানিয়ে দেব।” ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন। তার ঠিক আগের দিনই মালদায় এসে পৌঁছবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মালদায় প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ তারিখেই মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। পুরাতন মালদা বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের নিজস্ব ফাঁকা লক্ষ্মণ সেন স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ২টো নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সড়কপথে আসবেন মালদা টাউন স্টেশনে। সড়ক পথের পুরো রাস্তাটিতে পিচের প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করছেন মালদা ডিভিশনের রেল কর্তারা।

    রেলের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার মণীশকুমার গুপ্তা বলেন, “১৭ জানুয়ারি মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কোনও নির্দেশিকা আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি।” জানা গিয়েছে, ওই দিন সবুজ পতাকা নেড়ে মালদা টাউন স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করবেন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত তিনি ওই ট্রেনে সফরও করবেন। ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবে এক ঝাঁক খুদে পড়ুয়া (Vande Bharat Sleeper)। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করার সুযোগ কারা পাবে, তাদের বেছে নিতে শুক্রবার থেকে মালদার বেশ কয়েকটি স্কুলে ছবি আঁকা, লেখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া পড়ুয়াদের নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা হবে জেলাস্তরে। সেখানেই সফল হওয়া ৩০ পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে (PM Modi)।

    একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধন

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, প্রথম ভাণ্ডে ভারত স্লিপার চলবে হাওড়া-মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ কোচবিহার-নিউ বঙ্গাইগাঁও-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে এবার আরও দ্রুত সংযোগ তৈরি হবে। এতেই শেষ নয়, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ছ’টি নতুন ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-বেঙ্গালুরু (SMVT) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী বাছাই শুরু

    রেলের তরফে জেলার ১৮টি স্কুলে প্রতিযোগিতার নির্দেশাবলি পৌঁছে গিয়েছিল আগেই। তার পরেই শুরু হয় প্রতিযোগিতা। মালদার ঐতিহ্যবাহী বার্লো বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, “রেলের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।” শুক্রবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সব স্কুল পড়ুয়ারা বন্দে ভারতে সফর করবেন, তাদের বেছে নেওয়া হবে তিন ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ছবি আঁকা, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আমরা স্কুলের জুনিয়র ও সিনিয়র ছাত্রীদের মধ্যে পৃথক দুটি ভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম।” প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা, নেক্সট জেনারেশন ট্রেন এবং আত্মনির্ভর ভারত ইত্যাদি বিষয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদা অক্রুরমণি করোনেশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অজয়কৃষ্ণ রায় বলেন, “রেলের তরফে পড়ুয়াদের ছবিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Vande Bharat Sleeper)। স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়দের বক্তৃতার ভিডিও-ও করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত (Vande Bharat) চেয়ার কার ট্রেন উৎপাদন বন্ধ করার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল ভারতীয় রেল (Railways)। রেল বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ – এই চার বছরের মধ্যে মোট ১,৫০০টি বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে মোট ৮৮টি ট্রেন রেক প্রস্তুত হবে।

    কোথায় হবে তৈরি (Railways)

    রেল সূত্রে খবর, এই ১,৫০০ কোচের মধ্যে ৭২০টি কোচ চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হবে। বাকি কোচগুলি অন্যান্য উৎপাদন ইউনিটে নির্মিত হবে। রেলের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, ইন্টার সিটি রুটে চলাচলকারী সমস্ত শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন, যেগুলির রেক উৎপাদন ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে ধাপে ধাপে বন্দে ভারত রেকে রূপান্তরিত করা হবে। সে ৮৮টি রেক তৈরি হবে, তার মধ্যে ৬৮টি রেক হবে ১৬ কোচের আর বাকি ২০টি রেক হবে ২০ কোচের ট্রেন সেট। বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এগুলি মূলত ব্যবহার করা হবে দিনের বেলায় চলা ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্যই। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত, চেন্নাইয়ের আইসিএফ, কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি এবং রায়বেরেলির মডার্ন কোচ ফ্যাক্টরি – এই তিনটি উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৯৬টি বন্দে ভারত চেয়ার কার রেক তৈরি হয়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    এর মধ্যে বর্তমানে ৮২টি রেক পরিষেবায় রয়েছে, আর কয়েকটি কোচ রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়াও, দক্ষিণ রেল, উত্তর রেল সহ কয়েকটি জোনে আরও কিছু বন্দে ভারত রেক বরাদ্দ করা হয়েছে, যদিও সেগুলি এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। রেলের এই সিদ্ধান্তে আগামী দিনে দেশের ইন্টারসিটি যাত্রী পরিষেবা আরও আধুনিক ও গতিশীল হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। রেল বোর্ডের প্রোডাকশন ইউনিট বিভাগের ডিরেক্টরের জারি করা ২ জানুয়ারির এক নির্দেশিকা অনুযায়ী, নয়া উৎপাদন পরিকল্পনায় ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি, রায়বেরেলি কোচ ফ্যাক্টরি, এবং মারাঠওয়াড়া কোচ ফ্যাক্টরি মিলিয়ে মোট ১,৫০০টি কোচ তৈরি করা হবে। এর মধ্যে আইসিএফ তৈরি করবে ৭২০টি, আরসিএফ তৈরি করবে ৩৩৬টি এবং এমসিএফ তৈরি করবে (Vande Bharat) ৪৪৪টি কোচ।

    কোথায়, কত ট্রেনসেট তৈরি হবে

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই (Railways) তিনটি ইউনিট মিলিয়ে মোট ১৬-কোচ বিশিষ্ট ২৩টি ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। তবে ২০২৭-২৮ সালে কোনও বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনা নেই। ২০২৮-২৯ সালে আইসিএফ ২০-কোচ বিশিষ্ট ২০টি ট্রেনসেট তৈরি করবে। এমসিএফ তৈরি করবে ১৬-কোচের ১২টি ট্রেনসেট। ২০২৯-৩০ অর্থবর্ষে আইসিএফ, আরসিএফ এবং এমসিএফ – এই তিনটি ইউনিট মিলিয়ে ১৬-কোচ বিশিষ্ট মোট ৩৩টি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আইসিএফ একাই ৮৮টির বেশি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রেল বন্দে ভারতের স্লিপার সংস্করণের উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই কারণে ২০২৫-২৬ সালে ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্য আইসিএফকে মাত্র ১১টি বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনসেট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে অন্যান্য ইউনিটে আরও ২০টি ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে চেয়ার কার বন্দে ভারত ট্রেনের জন্য আর কোনও নতুন পরিকল্পনা না থাকলেও, সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তনের ফলে আবারও এই ট্রেনগুলির উৎপাদন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচগুলিই আগামী চার বছরে ধাপে ধাপে শতাব্দী এক্সপ্রেসের পুরানো রেকগুলির জায়গা নেবে। এই (Vande Bharat) সিদ্ধান্ত যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও আধুনিকীকরণের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Railways)।”

  • Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাড়া বাড়াচ্ছে রেল (Indian Railways)। তবে তাতে আমজনতার কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়া (Train Fares) বাড়ছে না, মান্থলির ভাড়াও থাকছে অপরিবর্তিত। ভাড়া বাড়ছে কেবল দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেনের। দূরপাল্লার যাত্রায় ভাড়ার নয়া কাঠামো প্রকাশ করে রেল জানিয়েছে, নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বড়দিনের পরের দিন, ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

    নয়া ভাড়া কাঠামো (Indian Railways)

    রেল সূত্রে খবর, ভাড়া বাড়ছে দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। এসি, নন-এসি এই দুই শ্রেণির সংরক্ষিত টিকিটের ভাড়া বাড়ছে। এটি নির্ধারিত হবে কিলোমিটারের ভিত্তিতে। অসংরক্ষিত টিকিটের ভাড়াও বাড়ছে, তবে সে ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দূরপাল্লার ট্রেনে সাধারণ শ্রেণিতে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করলে অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হবে না। তবে তার পর প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেসে (নন-এসি) প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ভাড়া অনুযায়ী, নন-এসিতে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা করে গুণতে হবে। এসির টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে (Indian Railways)। রেল কর্তাদের আশা, চলতি বছরে নয়া ভাড়া কাঠামোয় রেল অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রোজগার করবে।

    ট্রেনের ভাড়া

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার দূরপাল্লার ট্রেনের ভাড়া বাড়াল রেল। গত জুলাইয়েও কিলোমিটার পিছু ভাড়া বেড়েছিল দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। সেবার অবশ্য দূরপাল্লার ট্রেনের নন-এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিটের (অসংরক্ষিত টিকিট) ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে আধ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছিল। একই সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্লিপার এবং প্রথম শ্রেণির অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রেও। নন-এটি সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেল। আর এসির ক্ষেত্রে বাড়ানো (Train Fares) হয়েছিল কিলোমিটার পিছু দু’পয়সা করে। বড়দিনের পর থেকে ফের প্রায় সেই একই হারে বাড়ছে রেলের ভাড়া (Indian Railways)।

  • Rilways Announces: দূরপাল্লার ট্রেনে যাওয়া-আসার টিকিটের ওপর ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে ভারতীয় রেল

    Rilways Announces: দূরপাল্লার ট্রেনে যাওয়া-আসার টিকিটের ওপর ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরপাল্লার ট্রেনে যাওয়া-আসার টিকিটের ওপর ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে ভারতীয় রেল (Rilways Announces)। তবে এই অফার মিলবে কেবলমাত্র উৎসবের মরসুমে (Festival Season)। প্রাথমিকভাবে দু’সপ্তাহের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এই সুবিধা চালু করেছে রেল। রাজধানী, শতাব্দী, দূরন্ত এক্সপ্রেসের মতো কিছু ট্রেন ছাড়া সব দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রেই যাত্রীদের এই সুবিধা দেবে রেল। আগামী ১৪ অগাস্ট থেকে এই বিশেষ ছাড়-সহ অগ্রিম টিকিট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। তবে এ ক্ষেত্রেও কিছু শর্ত রয়েছে।

    কী জানাল রেল (Rilways Announces)

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এই সুবিধা পাওয়ার জন্য যাওয়া এবং ফেরার টিকিট একই ট্রেনের হতে হবে। সফর শুরু করতে হবে ১৩ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে। ফেরার টিকিট হতে হবে ১৭ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে। দূরপাল্লার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট ৬০ আগে কাটা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে ফেরার টিকিটের জন্য সেই নিয়ম থাকছে না। সফরে যাওয়ার টিকিটের সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রীরা কেটে নিতে পারবেন ফেরার টিকিটও। যাওয়ার টিকিটে যে যাত্রীদের নাম থাকবে, ফেরার টিকিটেও সেই একই যাত্রীর নাম থাকতে হবে। যাত্রীরা কোথা থেকে ট্রেনে উঠবেন, নামবেনই বা কোথায়, সেই স্টেশনের নামও যাওয়া-আসার ক্ষেত্রে একই হতে হবে। টিকিটও কাটতে হবে এক সঙ্গেই। এই শর্ত মানলেই ফেরার টিকিটের ওপর ২০ শতাংশ ছাড় মিলবে।

    মানতে হবে শর্ত

    রেলের তরফে (Rilways Announces) জানানো হয়েছে, যাওয়া এবং আসা দু’পিঠেই কনফার্ম টিকিট হলে, তবেই বুকিং করা যাবে। যে শ্রেণির কামরায় যাত্রা করা হবে, সেই একই শ্রেণির কামরায় ফেরার টিকিটও কাটতে হবে। টিকিট বাতিল করলে কোনও টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। অনলাইন এবং রেলস্টেশনে অগ্রিম বুকিং কাউন্টার থেকে উভয় ক্ষেত্রেই টিকিট কাটতে পারেন ভ্রমণকারীরা (Rilways Announces)। জানা গিয়েছে, কানেক্টিং জার্নি ফিচারের মাধ্যমে এই স্কিমের আওতায় টিকিট কাটতে হবে। তবেই ২০ শতাংশ ছাড় মিলবে রিটার্ন জার্নিতে (Festival Season)।

  • Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রী সুরক্ষার (Passengers Safety) পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের ধরতে এবার ট্রেনের সব কামরাতেই সিসি ক্যামেরা লাগাতে চলেছে রেল (Indian Railways)। রবিবার রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানানো হয়েছে। উত্তর রেলের আওতায় থাকা লোকো ইঞ্জিন এবং কামরায় পরীক্ষামূলকভাবে সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সেখানে ইতিবাচক সাড়া মিলতেই এবার রেলের সব জোনের কামরা ও লোকো ইঞ্জিনে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক।

    খতিয়ে দেখলেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)

    শনিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু ট্রেনের কামরা এবং লোকো ইঞ্জিনগুলিতে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ খতিয়ে দেখেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রেলবোর্ডের কর্তারাও। জানা গিয়েছে, অশ্বিনী বৈষ্ণবের মন্ত্রক খুব শীঘ্রই ১৫ হাজার লোকো ইঞ্জিন এবং ৭৪ হাজার কোচে সিসি ক্যামেরা লাগাবে। প্রতিটি কোচে থাকবে ৪টি করে সিসি ক্যামেরা। আর লোকোমোটিভে থাকবে ৬টি। রবিবার রেলের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে যাত্রীসুরক্ষার বিষয়টি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। যাত্রীদের সারল্যের সুযোগ নেয় দুষ্কৃতীরা। সিসি ক্যামেরার সাহায্যে এই ধরনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো যাবে। রেলের তরফে এও জানানো হয়েছে, যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর সুরক্ষিত রাখতে ক্যামেরা লাগানো হবে কেবল কামরায় ঢোকার মুখে।

    গম্বুজ সিসিটিভি

    রেল সূত্রে খবর, লোকোমোটিভের ভেতরে, সামনে এবং পিছনের দিকে একটি করে গম্বুজ সিসিটিভি থাকবে। দুটি ডেস্ক মাউন্ট করা মাইক্রোফোনও থাকবে। রেলের এক পদস্থ কর্তা বলেন, “ট্রেনের বগিতে দুর্বৃত্তদের ঠেকাতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলের সব জোনের কোচে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Indian Railways)।” ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিতে এবং কম আলোয়ও স্পষ্ট ফুটেজ দেখাবে এই উচ্চমানের ক্যামেরাগুলি। রেল সূত্রে খবর, উন্নতমানের ও আধুনিক এসটিকিউসি সার্টিফায়েড সিসি ক্যামেরায় বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের রেলমন্ত্রীর নির্দেশ, এমন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো (Passengers Safety) হোক যা এআই-পাওয়ার্ড এবং ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিবেগেও স্থিতিশীল ভিডিও তুলতে পারে (Indian Railways)।

  • PM Modi: মিজোরামে বৈরাবি-সাইরাং রেলপথের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মিজোরামে বৈরাবি-সাইরাং রেলপথের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বপ্ন দেখা শুরু হয়েছিল সেই ১৯৯৯ সালে, অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানায়। এতদিনে পূরণ হতে চলেছে স্বপ্ন, মোদি (PM Modi) জমানায়। ২৬ বছর পরে বাস্তবে রূপ নিয়েছে বহু প্রতীক্ষিত (Mizoram) বৈরাবি-সাইরাং রেলপথ। ট্রেন চলাচল চালু হয়ে গেলে ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথটি মিজোরামের রাজধানী আইজলকে প্রথমবারের মতো নিয়ে আসবে ভারতের রেল মানচিত্রে। শীঘ্রই রেলপথটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পঞ্চাশ কিলোমিটারের খানিক বেশি দীর্ঘ এই রেললাইনে পড়বে ৪৮টি টানেল। প্রধান সেতু পড়বে ৫৫টি, ছোট সেতু ৮৭টি। ৫টি সড়ক ওভারব্রিজ এবং ৯টি সড়ক আন্ডারব্রিজ। রেলপথটি কুতুব মিনারের চেয়ে ৪২ মিটার বেশি উঁচু। এর উচ্চতা ১০৪ মিটার। সুউচ্চ সেতুর তালিকায় এর ঠাঁই ১৯৬ নম্বরে।

    একাধিক প্রতিবন্ধকতা (PM Modi)

    উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ির রাজ্যের রাজধানীকে রেলপথের মাধ্যমে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে জুড়তে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়। তখনই সামনে চলে আসে একাধিক প্রতিবন্ধকতা – ঘন বন, কম দৃশ্যমানতা এবং কঠিন ভূখণ্ড। প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ করতেই কেটে যায় বেশ কিছুটা সময়। ২০০৩ সালে ফের একবার সমীক্ষা হয়। ২০১১ সালে রাইটস (RITES) কর্তৃক চূড়ান্ত প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ২০০৮ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার একে একটি জাতীয় প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করে। তারপর আর কাজ এগোয়নি। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই ২৯ নভেম্বর এই রেলপথের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় জমি অধিগ্রহণের কাজ। নির্মাণকাজ পুরোদমে শুরু হয় ২০১৫-’১৬ সালে।

    কী বললেন প্রধান টেকনোলজিস্ট?

    প্রকল্পের (PM Modi) প্রধান টেকনোলজিস্ট বিনোদ কুমার বলেন, “এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকালীন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে খানিক ব্যাহত হয়েছিল নির্মাণকাজ। এই রেলপথটি গিয়েছে খাড়া পাহাড়, গভীর গিরিখাত এবং উপত্যকার মধ্যে দিয়ে। তাই প্রচুর টানেল খনন এবং সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হয়েছিল।” জানা গিয়েছে, সোমবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন মিজোরামের (Mizoram) মুখ্যমন্ত্রী লালডুহোমা। সেখানেই এই রেলপথ উদ্বোধন নিয়ে আলোচনা হয়। তার পরেই জানা যায় রেলপথটির উদ্বোধন করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

  • Indian Railways: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচ রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়,” বললেন রেলমন্ত্রী

    Indian Railways: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচ রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়,” বললেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচগুলি রফতানি করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। বগি পাঠানো হচ্ছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং সৌদি আরবে। এই সব ঘটনা বিশ্বব্যাপী দেশের রেলওয়ের (Indian Railways) ক্রমবর্ধমান উন্নতির প্রতিফলন ঘটায়।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মন্ত্রীর দাবি (Indian Railways)

    সোমবার রাজ্যসভায় তিনি (Metro Coaches) জানান, ভারত ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও ইতালির মতো একাধিক ইউরোপীয় দেশকে প্রপালশন সিস্টেম এবং বগি বা আন্ডারফ্রেমের মতো অন্যান্য রেল সরঞ্জাম সরবরাহ করছে। রেলওয়ে বাজেটের ওপর আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, “আজ, আমাদের দেশ থেকে মেট্রো কোচ অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হচ্ছে। লোকোমোটিভ এবং কোচের নীচের যান্ত্রিক কাঠামো, যাকে বগি বা আন্ডারফ্রেম বলা হয়, ব্রিটেন, সৌদি আরব, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পাওয়ার ইলেকট্রনিক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, প্রোপালশন সিস্টেম এখন ফ্রান্স, মেক্সিকো, রোমানিয়া, স্পেন, জার্মানি এবং ইতালিতে রফতানি করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

    চাহিদা লোকোমোটিভেরও!

    তিনি বলেন, “ভারতে তৈরি লোকোমোটিভ এবং যাত্রিবাহী কোচগুলি মোজাম্বিক, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় রফতানি করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “শীঘ্রই বিহারের মারহাওড়া কারখানা ১০০টিরও বেশি লোকোমোটিভ রফতানি করবে। এছাড়াও, তামিলনাড়ু থেকে (Indian Railways) চাকা রফতানি করা হবে।” অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিহারে যে কারখানার কথা ঘোষণা করেছিলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দায়িত্ব নেওয়ার পর সেটা গতি লাভ করে। তিনি বলেন, “ভারতীয় রেল কেবল সাশ্রয়ী মূল্যে যাত্রীদের নিরাপদ ও মানসম্পন্ন পরিষেবা দিচ্ছে না, বরং বিশ্বব্যাপী একটি স্বতন্ত্র পরিচয়ও তৈরি করছে।”

    ভারত রেল যাত্রীদের আরও বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, ট্রেনে প্রতি কিলোমিটার ভ্রমণের খরচ পড়ে ১.৩৮ টাকা। কিন্তু যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় মাত্র ৭৩ পয়সা। অর্থাৎ ভর্তুকি দেওয়া হয় ৪৭ শতাংশ। তিনি জানান (Metro Coaches), ভারতীয় রেল ২০২০ সাল থেকে ন্যায্য মূল্য বৃদ্ধি করেনি (Indian Railways)।

  • Vande Bharat Express: অত্যাধুনিক ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কী কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    Vande Bharat Express: অত্যাধুনিক ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কী কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দেশের পঞ্চম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express) সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বেঙ্গালুরু থেকে দক্ষিণ ভারতে এমন এক্সপ্রেস ট্রেন এটিই প্রথম। ট্রেনটি চলাচল করবে মাইসুরু ও চেন্নাইয়ের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) জানিয়েছে, ট্রেনটি চেন্নাইয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব থেকে বেঙ্গালুরুর টেক, স্টার্টআপ হাব এবং মাইসুরু শহরের বিখ্যাত পর্যটনস্থলগুলির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে। ট্রেনটি যদি বেঁধে দেওয়া গতিতে ছোটে, তাহলে চেন্নাই থেকে বেঙ্গালুরু যেতে সময় লাগবে মাত্র তিন ঘণ্টা।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সুযোগ সুবিধা। নয়া বন্দে ভারত ট্রেনের মাঝে থাকছে নন ড্রাইভিং ট্রেলার কোচ। এটি খানিকটা ইএমইউয়ের মতো। এটি প্রতি ১৪০ সেকেন্ডে অতিক্রম করবে ১৬০ কিলোমিটার রাস্তা। এর আগে এর সময়কাল ছিল ১৪৫ সেকেন্ড। এই ট্রেনের ইমার্জেন্সি ইলেক্ট্রিসিটি সংযোগ আগের চেয়ে অনেক বেশি ভাল। কোচের বাইরে থাকবে ৪টি প্লাটফর্ম সাইট ক্যামেরা। থাকবে রিয়ার ভিউ ক্যামেরাও। ট্রেনে যাতে জীবাণুমুক্ত বাতাস থাকে, তাই থাকবে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইউভি ল্যাম্প। কোচে রয়েছে লেভেল ২ ইন্টিগ্রেশন সার্টিফিকেশন সেফটি। অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেতে এই ট্রেনে রয়েছে এরোসল ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম। ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ট্রেনে ততক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: বাংলাকে প্রাক-নববর্ষের উপহার প্রধানমন্ত্রীর! এ রাজ্যেও চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, জানুন কবে

    এই ট্রেনে অনেক বেশি সংখ্যক ইমার্জেন্সি জানালা রয়েছে। প্যাসেঞ্জার ইনফর্মেশন সিস্টেমও আগের চেয়ে ঢের বেশি ভাল। ট্রেনের (Vande Bharat Express) প্রতিটি শ্রেণিতেই রয়েছে রিক্লাইনিং আসন। এক্সিকিউটিভ কোচে রয়েছে ১৮০ ডিগ্রি রোটেটিং আসন। বিমানের আসনের মতো সুবিধাও মিলবে এই আসনগুলিতে। জরুরি প্রয়োজনে লোকো পাইলট এবং ট্রেনের গার্ড নিজেদের পাশাপাশি যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলতে পারবেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে থাকছে অটোমেটিক দরজা, ফায়ার সেন্সর, সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াইফাইয়ের সুবিধা, তিন ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাক আপ এবং জিপিএস। ট্রেনের কোচগুলি অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় হালকা। ট্রেনের জানালাগুলোও বেশ চওড়া। যাত্রীদের লাগেজ রাখার জন্য রয়েছে ঢের বেশি জায়গা। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৩০ তারিখে শিয়ালদহ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express) যাত্রার সূচনা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বাংলায় এটিই হবে প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share