Tag: railways

railways

  • PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ১৯তম রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) বিভিন্ন সরকারি দফতর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৫১ হাজারেরও বেশি প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সমাবেশে বক্তব্যও রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোজগার মেলা যুবশক্তিকে নতুন সুযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, ইউএই এবং ইতালিতে তাঁর সাম্প্রতিক সফর সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সবুজ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতীয় যুবকদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে। তিনি বলেন, “নেদারল্যান্ডসে আমার সাম্প্রতিক সফরের সময় সেমিকন্ডাক্টর, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি এবং উন্নত উৎপাদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুইডেনে এআই ও ডিজিটাল উদ্ভাবনে সহযোগিতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। নরওয়ে এবং ভারতের মধ্যে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আর ইউএই-এর সঙ্গে কৌশলগত, জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের প্রসঙ্গ

    তিনি আরও জানান, ভারত ও ইতালির মধ্যে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চুক্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সমস্ত চুক্তি সরাসরি ভারতের যুবসমাজকে উপকৃত করবে।” সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ডাচ সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্র নির্মাতা এএসএমএল (ASML) এবং টাটা গ্রুপের (Tata Group) অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারত বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন অংশীদার হয়ে উঠছে। এএসএমএল ও টাটার এই চুক্তি একটি বিরল অংশীদারিত্ব, যা অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং ভারতের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির দরজা খুলে দেবে।”

    ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি

    তিনি জানান, সুইডেন ও ইউএই-এর সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, বিশেষ করে এআই এবং সুপারকম্পিউটিং ক্ষেত্রে, ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তরুণ পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রোজগার মেলা উদ্যোগের লক্ষ্য হল দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই উদ্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে আয়োজিত ১৮টি রোজগার মেলার মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি করা হয়েছে (PM Modi)। ১৯তম রোজগার মেলা (Rozgar Mela) দেশের ৪৭টি জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়। নবনিযুক্ত প্রার্থীরা ভারতের বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগে যোগ দেবেন, যার মধ্যে রয়েছে রেলমন্ত্রক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ এবং উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইত্যাদি।

     

  • Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    Budget 2026-27: রেলওয়ের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ার ইঙ্গিত, পৌঁছতে পারে ২.৭-২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে রেলমন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাড়তে চলেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রেল মন্ত্রকের জন্য প্রায় ২.৭–২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি আধিকারিকরা। এটি গত বাজেটের আনুমানিক ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ২–৪ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে সরকার রেল খাতে মূলধনী ব্যয়ের গতি বজায় রাখতে চায়। এর পাশাপাশি কেন্দ্র রেল নেটওয়ার্ক জুড়ে গুণগত মান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি

    সরকারি সূত্র অনুযায়ী, মহামারির পরবর্তী সময়েও ভারতীয় রেলে বিনিয়োগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং নীতিনির্ধারকদের মতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। একজন শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “প্রতি বছর ন্যূনতম ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয় প্রয়োজন—এ বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরেও স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াগত আমূল পরিবর্তন, ক্রয় ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগই প্রধান লক্ষ্য।” রেল মন্ত্রকের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে, তবে গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকার করেন। আধিকারিকরা আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকীকরণ ও পরিকাঠামো লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভারতীয় রেলকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।

    রেলে আরও গতি বাড়াতে চায় সরকার

    গত বছরের অক্টোবরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানদণ্ড আরও কঠোর করা হবে। তিনি বলেন, “এখন আর ধাপে ধাপে সামান্য উন্নতি যথেষ্ট নয়। প্রস্তুত থাকুন—যাঁরা মানোন্নয়ন করবেন না, তাঁরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বেন।” শিল্প মহলের মতে, সরকার উন্নতমানের যন্ত্রপাতিতে বেশি ব্যয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্র্যাক বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রেলের মূল নজর থাকবে জট কমানো। রেল চলাচলে গতি বাড়ানোর দিকে। এর মধ্যে নতুন রুট নির্মাণ, গেজ পরিবর্তন, ডাবল লাইন সম্প্রসারণ এবং ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

  • Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত (Vande Bharat) চেয়ার কার ট্রেন উৎপাদন বন্ধ করার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল ভারতীয় রেল (Railways)। রেল বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ – এই চার বছরের মধ্যে মোট ১,৫০০টি বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে মোট ৮৮টি ট্রেন রেক প্রস্তুত হবে।

    কোথায় হবে তৈরি (Railways)

    রেল সূত্রে খবর, এই ১,৫০০ কোচের মধ্যে ৭২০টি কোচ চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হবে। বাকি কোচগুলি অন্যান্য উৎপাদন ইউনিটে নির্মিত হবে। রেলের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, ইন্টার সিটি রুটে চলাচলকারী সমস্ত শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন, যেগুলির রেক উৎপাদন ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে ধাপে ধাপে বন্দে ভারত রেকে রূপান্তরিত করা হবে। সে ৮৮টি রেক তৈরি হবে, তার মধ্যে ৬৮টি রেক হবে ১৬ কোচের আর বাকি ২০টি রেক হবে ২০ কোচের ট্রেন সেট। বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এগুলি মূলত ব্যবহার করা হবে দিনের বেলায় চলা ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্যই। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত, চেন্নাইয়ের আইসিএফ, কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি এবং রায়বেরেলির মডার্ন কোচ ফ্যাক্টরি – এই তিনটি উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৯৬টি বন্দে ভারত চেয়ার কার রেক তৈরি হয়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    এর মধ্যে বর্তমানে ৮২টি রেক পরিষেবায় রয়েছে, আর কয়েকটি কোচ রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়াও, দক্ষিণ রেল, উত্তর রেল সহ কয়েকটি জোনে আরও কিছু বন্দে ভারত রেক বরাদ্দ করা হয়েছে, যদিও সেগুলি এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। রেলের এই সিদ্ধান্তে আগামী দিনে দেশের ইন্টারসিটি যাত্রী পরিষেবা আরও আধুনিক ও গতিশীল হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। রেল বোর্ডের প্রোডাকশন ইউনিট বিভাগের ডিরেক্টরের জারি করা ২ জানুয়ারির এক নির্দেশিকা অনুযায়ী, নয়া উৎপাদন পরিকল্পনায় ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি, রায়বেরেলি কোচ ফ্যাক্টরি, এবং মারাঠওয়াড়া কোচ ফ্যাক্টরি মিলিয়ে মোট ১,৫০০টি কোচ তৈরি করা হবে। এর মধ্যে আইসিএফ তৈরি করবে ৭২০টি, আরসিএফ তৈরি করবে ৩৩৬টি এবং এমসিএফ তৈরি করবে (Vande Bharat) ৪৪৪টি কোচ।

    কোথায়, কত ট্রেনসেট তৈরি হবে

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই (Railways) তিনটি ইউনিট মিলিয়ে মোট ১৬-কোচ বিশিষ্ট ২৩টি ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। তবে ২০২৭-২৮ সালে কোনও বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনা নেই। ২০২৮-২৯ সালে আইসিএফ ২০-কোচ বিশিষ্ট ২০টি ট্রেনসেট তৈরি করবে। এমসিএফ তৈরি করবে ১৬-কোচের ১২টি ট্রেনসেট। ২০২৯-৩০ অর্থবর্ষে আইসিএফ, আরসিএফ এবং এমসিএফ – এই তিনটি ইউনিট মিলিয়ে ১৬-কোচ বিশিষ্ট মোট ৩৩টি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আইসিএফ একাই ৮৮টির বেশি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রেল বন্দে ভারতের স্লিপার সংস্করণের উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই কারণে ২০২৫-২৬ সালে ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্য আইসিএফকে মাত্র ১১টি বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনসেট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে অন্যান্য ইউনিটে আরও ২০টি ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে চেয়ার কার বন্দে ভারত ট্রেনের জন্য আর কোনও নতুন পরিকল্পনা না থাকলেও, সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তনের ফলে আবারও এই ট্রেনগুলির উৎপাদন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচগুলিই আগামী চার বছরে ধাপে ধাপে শতাব্দী এক্সপ্রেসের পুরানো রেকগুলির জায়গা নেবে। এই (Vande Bharat) সিদ্ধান্ত যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও আধুনিকীকরণের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Railways)।”

  • Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাড়া বাড়াচ্ছে রেল (Indian Railways)। তবে তাতে আমজনতার কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়া (Train Fares) বাড়ছে না, মান্থলির ভাড়াও থাকছে অপরিবর্তিত। ভাড়া বাড়ছে কেবল দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেনের। দূরপাল্লার যাত্রায় ভাড়ার নয়া কাঠামো প্রকাশ করে রেল জানিয়েছে, নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বড়দিনের পরের দিন, ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

    নয়া ভাড়া কাঠামো (Indian Railways)

    রেল সূত্রে খবর, ভাড়া বাড়ছে দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। এসি, নন-এসি এই দুই শ্রেণির সংরক্ষিত টিকিটের ভাড়া বাড়ছে। এটি নির্ধারিত হবে কিলোমিটারের ভিত্তিতে। অসংরক্ষিত টিকিটের ভাড়াও বাড়ছে, তবে সে ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দূরপাল্লার ট্রেনে সাধারণ শ্রেণিতে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করলে অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হবে না। তবে তার পর প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেসে (নন-এসি) প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ভাড়া অনুযায়ী, নন-এসিতে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা করে গুণতে হবে। এসির টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে (Indian Railways)। রেল কর্তাদের আশা, চলতি বছরে নয়া ভাড়া কাঠামোয় রেল অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রোজগার করবে।

    ট্রেনের ভাড়া

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার দূরপাল্লার ট্রেনের ভাড়া বাড়াল রেল। গত জুলাইয়েও কিলোমিটার পিছু ভাড়া বেড়েছিল দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। সেবার অবশ্য দূরপাল্লার ট্রেনের নন-এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিটের (অসংরক্ষিত টিকিট) ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে আধ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছিল। একই সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্লিপার এবং প্রথম শ্রেণির অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রেও। নন-এটি সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেল। আর এসির ক্ষেত্রে বাড়ানো (Train Fares) হয়েছিল কিলোমিটার পিছু দু’পয়সা করে। বড়দিনের পর থেকে ফের প্রায় সেই একই হারে বাড়ছে রেলের ভাড়া (Indian Railways)।

  • Gita Path: গীতা পাঠের আসরে ভক্তের ভিড় সামলাতে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

    Gita Path: গীতা পাঠের আসরে ভক্তের ভিড় সামলাতে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রবিবার, ৭ ডিসেম্বর। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের (Gita Path) আসর। আয়োজক সনাতন সংস্কৃতি সংসদ। বছর দুয়েক আগেও লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন হয়েছিল অতিকায় এই মাঠেই (Railways)। এই কর্মসূচি উপলক্ষে বহু মানুষের সমাগম হতে পারে ব্রিগেডে। এই অনুষ্ঠানে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। কলকাতার ময়দানে গীতা পাঠের এই আসরে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, ত্রিপুরা, দিল্লি, বিহার এবং ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে বহু মানুষ যোগ দেবেন। নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকেও বেশ কিছু বিশিষ্ট মানুষ এবং গীতাপ্রেমীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    আয়োজকদের দাবি (Gita Path)

    আয়োজকদের দাবি, এটি নিছকই একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য ২৫টি প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে। পুরো মঞ্চ সাজানো হয়েছে অর্ধচন্দ্রাকৃতি আকারে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে পবিত্র গীতা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেশ কয়েক লাখ মানুষ ব্রিগেডে ভিড় জমাবেন বলে আশা উদ্যোক্তাদের। স্বাভাবিকভাবেই রবিবার ছুটির দিনে ভিড় সামলাতে বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। জানা গিয়েছে, শিয়ালদা এবং হাওড়া শাখায় এদিন সব মিলিয়ে মোট ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। শিয়ালদা শাখার মধ্যে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, বনগাঁ, হাসনাবাদ, লক্ষ্মীকান্তপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যানিং থেকে চলবে বিশেষ ইএমইউ ট্রেন।

    বিশেষ ইএমইউ ট্রেন

    কৃষ্ণনগর–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে (Gita Path) শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ১০ মিনিটে। শিয়ালদা–কৃষ্ণনগর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে ছাড়বে বিকেল ৪টেয়, কৃষ্ণনগর পৌঁছবে ৬টা ২৭ মিনিটে।শান্তিপুর–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ৫টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৭টা ২৫ মিনিটে। শিয়ালদা–শান্তিপুর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৩টে ২০ মিনিটে ছেড়ে শান্তিপুরে পৌঁছবে ৫টা ৫০ মিনিটে। বনগাঁ–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি বনগাঁ থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টায়। শিয়ালদা–বনগাঁ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ফিরতি পথে শিয়ালদা ছাড়বে (Railways) বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে। বনগাঁ পৌঁছবে ৭ টায়। হাসনাবাদ-শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি হাসনাবাদ থেকে সকাল ৬ টায় ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে ৮টা ২৫ মিনিটে। শিয়ালদা-হাসনাবাদ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে ছেড়ে হাসনাবাদ পৌঁছবে ৭টা ৪০ মিনিটে।

    স্পেশাল ট্রেন

    শিয়ালদা-লক্ষ্মীকান্তপুর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৪টে ৫ মিনিটে ছেড়ে লক্ষ্মীকান্তপুরে পৌঁছবে ৫টা ৪০ মিনিটে। লক্ষ্মীকান্তপুর-বালিগঞ্জ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি লক্ষ্মীকান্তপুর থেকে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বালিগঞ্জে পৌঁছবে ৭টা ১৫ মিনিটে।  ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ডায়মন্ড হারবার ছাড়বে (Gita Path) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে, শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ৪৫ মিনিটে। শিয়ালদা-ডায়মন্ড হারবার ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৪টে ১০ মিনিটে ছেড়ে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছবে ৫টা ৫৫ মিনিটে। ক্যানিং–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ক্যানিং থেকে ৭টা ৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ২২ মিনিটে। শিয়ালদা–ক্যানিং ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে ছেড়ে ক্যানিং পৌঁছবে ৬টা ৪৫ মিনিটে টায়।

    মেমু স্পেশাল

    রামপুরহাট–হাওড়া মেমু স্পেশাল ট্রেন ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া ট্রেনটি রামপুরহাট থেকে ভোর ৪টায় ছেড়ে হাওড়ায় পৌঁছবে ৯টা ৫০ মিনিটে। হাওড়া – রামপুরহাট মেমু স্পেশাল ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া হাওড়া থেকে বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে ছেড়ে রামপুরহাটে পৌঁছবে ১০টা ২০ মিনিটে। বর্ধমান–হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন ভায়া ডানকুনি বর্ধমান থেকে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়ায় ৮টা ৪০ মিনিটে পৌঁছবে। হাওড়া–বর্ধমান ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন ভায়া ডানকুনি হাওড়া থেকে সকাল ৬ টায় ছেড়ে (Gita Path) ৮টা ১০ মিনিটে বর্ধমানে পৌঁছবে।
    আরামবাগ-হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ভায়া শেওড়াফুলি আরামবাগ থেকে সকাল ৬টা ২৭ মিনিটে ছেড়ে হাওড়ায় পৌঁছবে ৮টা ৫০ মিনিটে (Railways)। হাওড়া-আরামবাগ ইএমইউ স্পেশাল ভায়া শেওড়াফুলি হাওড়া থেকে বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে ছেড়ে আরামবাগে পৌঁছবে ৬টা ৩৫ মিনিটে।

  • Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রী সুরক্ষার (Passengers Safety) পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের ধরতে এবার ট্রেনের সব কামরাতেই সিসি ক্যামেরা লাগাতে চলেছে রেল (Indian Railways)। রবিবার রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানানো হয়েছে। উত্তর রেলের আওতায় থাকা লোকো ইঞ্জিন এবং কামরায় পরীক্ষামূলকভাবে সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সেখানে ইতিবাচক সাড়া মিলতেই এবার রেলের সব জোনের কামরা ও লোকো ইঞ্জিনে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক।

    খতিয়ে দেখলেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)

    শনিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু ট্রেনের কামরা এবং লোকো ইঞ্জিনগুলিতে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ খতিয়ে দেখেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রেলবোর্ডের কর্তারাও। জানা গিয়েছে, অশ্বিনী বৈষ্ণবের মন্ত্রক খুব শীঘ্রই ১৫ হাজার লোকো ইঞ্জিন এবং ৭৪ হাজার কোচে সিসি ক্যামেরা লাগাবে। প্রতিটি কোচে থাকবে ৪টি করে সিসি ক্যামেরা। আর লোকোমোটিভে থাকবে ৬টি। রবিবার রেলের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে যাত্রীসুরক্ষার বিষয়টি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। যাত্রীদের সারল্যের সুযোগ নেয় দুষ্কৃতীরা। সিসি ক্যামেরার সাহায্যে এই ধরনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো যাবে। রেলের তরফে এও জানানো হয়েছে, যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর সুরক্ষিত রাখতে ক্যামেরা লাগানো হবে কেবল কামরায় ঢোকার মুখে।

    গম্বুজ সিসিটিভি

    রেল সূত্রে খবর, লোকোমোটিভের ভেতরে, সামনে এবং পিছনের দিকে একটি করে গম্বুজ সিসিটিভি থাকবে। দুটি ডেস্ক মাউন্ট করা মাইক্রোফোনও থাকবে। রেলের এক পদস্থ কর্তা বলেন, “ট্রেনের বগিতে দুর্বৃত্তদের ঠেকাতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলের সব জোনের কোচে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Indian Railways)।” ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিতে এবং কম আলোয়ও স্পষ্ট ফুটেজ দেখাবে এই উচ্চমানের ক্যামেরাগুলি। রেল সূত্রে খবর, উন্নতমানের ও আধুনিক এসটিকিউসি সার্টিফায়েড সিসি ক্যামেরায় বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের রেলমন্ত্রীর নির্দেশ, এমন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো (Passengers Safety) হোক যা এআই-পাওয়ার্ড এবং ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিবেগেও স্থিতিশীল ভিডিও তুলতে পারে (Indian Railways)।

  • Mahakumbh 2025: আগামী বছর প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল?

    Mahakumbh 2025: আগামী বছর প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর এবার হচ্ছে মহাকুম্ভ। আগামী বছর প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) উপলক্ষে হবে মেলা। যেহেতু মহাকুম্ভের এই যোগ আসবে ফের ১৪৪ বছর পরে, তাই এবার রেকর্ড ভিড় হবে বলে আশা করছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। মহাকুম্ভে আসা পুণ্যার্থীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় রেলও (Indian Railways)। 

    মহাকুম্ভ স্নান শুরু (Mahakumbh 2025)

    প্রয়াগরাজ-সহ মোট ১০টি রেল স্টেশনের নিরাপত্তা বাড়ানোর ব্যবস্থা করছে রেল। রেলের আশা, এবার প্রায় ১০ কোটি মানুষ ট্রেনে চড়ে প্রয়াগরাজে পৌঁছবেন। প্রয়াগরাজ স্টেশনটি উত্তর-মধ্য রেলওয়ে অঞ্চলের আওতায়। মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) স্নান শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধা দিতে এবং আপগ্রেড করতে ৯৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল (Indian Railways)।

    রেলের বিশেষ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh 2025) উপলক্ষে রেলমন্ত্রক এবার ৯৯২টি বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল। এই ট্রেনগুলি প্রয়াগরাজ জংশন, সুবেদারগঞ্জ, নৈনি, চেয়োকি, প্রয়াগরাজ রামবাগ, ঝাঁসি, প্রয়াগরাজ সঙ্গম, প্রয়াগ এবং ফাফামাউ স্টেশন থেকে চলাচল করবে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে সিসিটিভির পাশাপাশি ফেস রিকগনিশন (এফআর) ক্যামেরা বসাচ্ছে রেল (Indian Railways)। এই এফআর ক্যামেরাগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা চালিত এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সূত্রের খবর, প্রয়াগরাজের রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে প্রায় ৬৫০টি সিসিটিভি এবং ১০০টি ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা বসানো হবে (Mahakumbh 2025)।

    আঞ্চলিক রেলওয়ে (Indian Railways) স্টেশনগুলিতে বহু ভাষায় ঘোষণার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষ তাঁদের নিজস্ব ভাষায় ট্রেন সংক্রান্ত তথ্যবলী সহজেই পেতে পারবেন। হিন্দি এবং ইংরেজির পাশাপাশি ১০টি আঞ্চলিক ভাষায় ঘোষণা করা হবে। এই ভাষাগুলি হল— গুজরাটি, মারাঠি, তামিল, তেলুগু, মালায়ালাম, কন্নড়, বাংলা, অসমিয়া, ওড়িয়া এবং পঞ্জাবি।

    আরও পড়ুন: কুর্সি যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর, জিতছে বিজেপি, ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    যেহেতু এবার ব্যাপক ভিড় হবে মহাকুম্ভ মেলায়, তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত ১৬০০-এরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন। এজন্য রেলওয়ে বোর্ড (Indian Railways) অন্য অঞ্চলগুলিকে বুকিং ক্লার্ক, বাণিজ্যিক-কাম-টিকিট ক্লার্ক, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শক এবং সহকারী বাণিজ্যিক ম্যানেজার-সহ অতিরিক্ত কর্মী পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেছে। মহাকুম্ভ মেলার সময় অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করার উদ্দেশ্যেই এই কর্মীদের চেয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রতি ১২ বছর অন্তর একবার করে হয় কুম্ভ। ১২টি কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এই কুম্ভ এবং মহাকুম্ভ হয় প্রয়াগরাজে (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Indian Railways: ‘সুপার অ্যাপ’ আনছে রেল, এক অ্যাপেই সব মুশকিল আসান, কী কী সুবিধা মিলবে?

    Indian Railways: ‘সুপার অ্যাপ’ আনছে রেল, এক অ্যাপেই সব মুশকিল আসান, কী কী সুবিধা মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আমলে রেলে সব চেয়ে বেশি যে দিকটায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য। যাত্রীরা যাতে ভারতের ‘লাইফ লাইনে’ চড়ে আরামদায়ক সফর করতে পারেন, সেদিকেই নজর দিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। এই যাত্রীদেরই সুবিধার্থে এবার নয়া একটি মোবাইল অ্যাপ আনছে তারা। রেল সূত্রে খবর, এই ডিসেম্বরেই রেলের যাত্রীরা ব্যবহার করতে পারবেন এই ‘সুপার অ্যাপ’ (Super App)। এই একটা অ্যাপেই মিলবে ট্রেনের টিকিট বুকিং, প্ল্যাটফর্ম টিকিট, খাবার অর্ডার, ট্রেনের শিডিউল মনিটর ইত্যাদি যাবতীয় সুবিধা।

    আসছে সুপার অ্যাপ (Indian Railways)

    রেলের সুপার অ্যাপ তৈরি করেছে সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন। বর্তমানে নানা পরিষেবা দিতে বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ রয়েছে রেলের। এক্সপ্রেস ট্রেনের বুকিং, ক্যান্সেল এবং মডিফিকেশনের কাজ হয় আরআরসিটিসি রেল কানেক্ট (Rail Connect) অ্যাপের মাধ্যমে। ট্রেনে সফর করার সময় খাবার অর্ডার দেওয়ার জন্য রয়েছে আইআরসিটিসি ই-কেটারিং ফুড অন ট্র্যাক অ্যাপ (IRCTC e-Catering Food on Track)। রেল পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ জানাতে রয়েছে রেল মদত (Rail Madad) অ্যাপ। রেলের অসংরক্ষিত টিকিট মেলে ইউটিএস (UTS) অ্যাপের মাধ্যমে। ট্রেনের রানিং স্টেটাস জানা যায় ন্যাশনাল ট্রেন এনকোয়্যারি সিস্টেম অ্যাপের মাধ্যমে (Indian Railways)। এই সব পরিষেবাই এবার মিলবে একটি মাত্র অ্যাপে, রেল যার নাম দিয়েছে ‘সুপার অ্যাপ’।

    আরও পড়ুন: জয়ী হতে চলেছেন ট্রাম্প, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস

    কী বলছে রেল

    রেলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “সিআইআইএস এবং যাত্রীদের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করবে আইআরসিটিসি। পরিকল্পিত সুপার অ্যাপ এবং আইআরসিটিসির মধ্যে ইন্টিগ্রেশনের কাজ চলছে।” তিনি জানান, এই অ্যাপ চালু হলে রেলের বিভিন্ন পরিষেবা এক ছাতার তলায় চলে আসবে। বর্তমানে প্রচুর মানুষ রেলের অ্যাপগুলি ব্যবহার করেন। শুধু আইআরসিটিসি রেল কানেক্ট অ্যাপ ডাউনলোড হয়েছে ১০ কোটিরও বেশি। সুপার অ্যাপে যেহেতু আরও বেশি পরিষেবা মিলবে, তাই বাড়বে ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। রেলের ওই কর্তা বলেন, “সুপার অ্যাপকে (Super App) নয়া রোজগারের রাস্তা হিসেবে দেখছে আইআরসিটিসি (Indian Railways)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: নতুন বছরেই মহাকুম্ভ মেলা, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে টোল ফ্রি নম্বর চালু করল রেল

    Mahakumbh Mela 2025: নতুন বছরেই মহাকুম্ভ মেলা, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে টোল ফ্রি নম্বর চালু করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর এবার ফের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে হচ্ছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh Mela 2025)। নতুন বছরের প্রথম মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই শুরু হবে (Railways) মহাকুম্ভ স্নান। চলবে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। যেহেতু এই যোগ ফের আসবে ১৪৪ বছর পরে, তাই এবার ব্যাপক ভিড় হবে বলেই আশা উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের।

    টোল ফ্রি নম্বর (Mahakumbh Mela 2025)

    মহাকুম্ভ মেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এবার এগিয়ে এল রেলও। কোটি কোটি তীর্থযাত্রী যাতে সহজ ও সুষ্ঠুভাবে যাতায়াত করতে পারে সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ভারতীয় রেল। পুণ্যার্থীদের আরামদায়ক ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে টোল-ফ্রি হেল্পলাইন (১৮০০৪১৯৯১৩৯) নম্বর চালু করেছে তারা। এই নম্বরে ফোন করেই জানা যাবে ট্রেনের সময়সূচি, বুকিং এবং স্টেশনে মিলবে যেসব সুবিধা, সেগুলি সম্পর্কে (Mahakumbh Mela 2025)।

    কুম্ভমেলা

    প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগরাজে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর ত্রিবেণী সঙ্গমে হয় কুম্ভমেলা। ১২টি কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার হচ্ছে মহাকুম্ভ। তাই এবার ভিড়ও হবে রেকর্ড। ২০২৫ সালের এই মেলায় দেশ তো বটেই, বিদেশ থেকেও প্রচুর মানুষ যোগ দেবেন এই ত্রিবেণী সঙ্গমের মহাকুম্ভে। ভক্তদের বিশ্বাস, মহাকুম্ভ স্নানে মোচন হয় পাপ। মেলে কাঙ্খিত মুক্তি। সেই মোক্ষ লাভের আশায়ই ফি কুম্ভে ব্যাপক ভিড় হয় প্রয়াগরাজে। মেলায় আসতে গিয়ে দর্শনার্থীরা যাতে বিপাকে না পড়েন, তাই চব্বিশ ঘণ্টার জন্য হেল্পলাইন চালু করল রেল।

    আরও পড়ুন: ইউপিআইয়ের মাধ্যমে গণেশ মূর্তি কিনলেন স্পেনের প্রেসিডেন্ট, সস্ত্রীক পালন করলেন দীপাবলিও

    প্রত্যাশিত ভিড় সামলানোর জন্য, রেল বিশেষ ট্রেন, অতিরিক্ত পরিষেবা এবং প্রয়াগরাজ ও আশপাশের স্টেশনগুলিতে উন্নতমানের পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে (Railways)। বাড়তি পরিষেবার পাশাপাশি টোল-ফ্রি হেল্পলাইনটি একটি মূল বৈশিষ্ট্য যা যাত্রীদের প্রয়োজন মেটাতে ভারতীয় রেলওয়ের প্রস্তুতির প্রতিফলন (Mahakumbh Mela 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Vande Bharat Sleeper Train: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কোন রুটে জানেন?

    Vande Bharat Sleeper Train: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কোন রুটে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অচিরেই ভারতীয় রেলপথে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)। রেল সূত্রে খবর, নাগপুর এবং পুণের মধ্যে প্রথম ছুটবে এই ট্রেন। মধ্য রেলের নাগপুর ডিভিশনে নিত্য বাড়ছে যাত্রী সংখ্যা। সেই কারণেই প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Nagpur Pune Route) চালানো হবে এই রেলপথে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)

    কেবল এই রেলপথেই নয়, দেশের আরও কয়েকটি জায়গায় চালানো হবে দুরন্ত গতির এই ট্রেন। তবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে নাগপুর-পুণে রুটে। নাগপুর-পুণে রুটে গরিব রথ, অজনি-পুণে সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস এবং নাগপুর-পুণে এক্সপ্রেসের মতো একাধিক ট্রেন রয়েছে। তার পরেও ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই রব। তাছাড়া, ট্রেনগুলির সবই চেয়ার কার। স্লিপার কোচের অপশন নেই। এই সব ট্রেনেও সিট পেতে কালঘাম ছুটে যায় যাত্রীদের। দীর্ঘ ওয়েটিং লিস্টে থাকতে হয় যাত্রীদের। অনেক সময় গাঁটের কড়ি গচ্চা দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হয় বাসে। তাই ক্ষোভ বাড়ছে যাত্রীমহলে। সেই কারণেই রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে নাগপুর-পুণে রুটে।

    উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী!

    ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস। এদিনই উদ্বোধন হতে পারে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। পরে চালানো হবে অন্যান্য রুটেও। জানা গিয়েছে, হাওড়া-দিল্লি রুটেও চালানো হতে পারে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। রেলেরই অন্য একটি সূত্রে খবর, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ছুটবে দিল্লি-মুম্বই রুটে। স্বাধীনতা দিবসে এর যাত্রার সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে হাঁড়ির হাল কর্নাটকের অর্থনীতির?

    প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে (Vande Bharat Sleeper Train) সব মিলিয়ে মোট ১৬টি কোচ থাকবে। এর মধ্যে ১০টি সংরক্ষিত থাকবে থার্ড এসি-র জন্য। সেকেন্ড এসি-র জন্য থাকবে ৪টি কোচ। আর ফার্স্ট এসির জন্য থাকবে একটি কোচ। ট্রেনটিতে সিটিং কাম লাগেজ কোচও থাকবে। প্রথম পর্যায়ে ট্রেন ছুটবে (Nagpur Pune Route) ঘণ্টায় ১৩০ কিমি গতিতে। পরে আস্তে আস্তে বাড়বে গতি। সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ২২০ কিমি (Vande Bharat Sleeper Train)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share