Tag: Rajeev Chandrashekhar

Rajeev Chandrashekhar

  • Kerala Polls: কেরলে ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নাম ঘোষণা ১১ জনের

    Kerala Polls: কেরলে ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নাম ঘোষণা ১১ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল বিধানসভা নির্বাচনের (Kerala Polls) প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar) বলেন, “এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতার প্রতিফলন, যা প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির তুলনায় ভিন্ন”।

    কী বললেন চন্দ্রশেখর (Kerala Polls)

    রবিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চন্দ্রশেখর বলেন, “আপনি স্পষ্টভাবেই দেখতে পাবেন, আমাদের আসন বণ্টন কীভাবে হয়েছে এবং সবকিছু কতটা খোলামেলা ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে, দলের ভেতরে তো বটেই, এনডিএর শরিকদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় কংগ্রেস এবং সিপিআই (মার্ক্সবাদী)-এ যে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে, তা একেবারেই ভিন্ন ছবি।” তিনি জানান, এই পদ্ধতি রাজ্যে শাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে জোটের উদ্দেশ্যকে তুলে ধরে। চন্দ্রশেখর বলেন, “এটি কেরলের মানুষকে বোঝাবে আমাদের উদ্দেশ্য কী, আমরা কীভাবে একসঙ্গে রাজ্যে পরিবর্তন আনতে চাই, এবং এটি এনডিএর প্রতিটি কর্মীর লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা ও সংকল্প।”

    কোন কেন্দ্রে কে দাঁড়াচ্ছেন?

    প্রসঙ্গত, শনিবার (Kerala Polls) বিজেপি আরও ১১ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করে। তার পরেই এমন মন্তব্য করা হয়, যা ১৪০ আসন বিশিষ্ট কেরল বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়। নয়া ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, ভি রথীশ (পিরুমেদে), রাভীন্দ্রনাথ বাকাথানাম (পুথুপল্লি), আজিমন (মাভেলিক্কারা), পাণ্ডালাম প্রতাপান (আদুর), কে আর রাজেশ (চাভারা), আর এস অর্জুন রাজ (চাডায়ামঙ্গলাম), বি এস অনুপ (চিরায়িনকীঝু), করামানা জয়ন (তিরুবনন্তপুরম), বিবেক গোপন (আরুভিক্কারা), টিএন সুরেশ (কোভালাম) এবং এস রাজশেখরন নায়ার (নেয়্যাত্তিনকারা)।

    এর আগে ৮৬টি আসনের জন্য দু’দফায় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল পদ্মশিবিরের তরফে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন, ভি মুরলীধরন, কে সুরেন্দ্রন এবং নব্যা হারিদাস-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন। মুরলীধরন কাজাকুট্টম কেন্দ্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, আর চন্দ্রশেখর নেমম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন (Rajeev Chandrashekhar)। কেরল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল এক দফায়। ভোটগণনা হবে ৪ মে। বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৩ মে (Kerala Polls)।

     

  • Rajeev Chandrashekhar: সুরক্ষার খাতিরে সরকার নজরদারি চালাতে পারে, পেগাসাস ইস্যুতে বললেন রাজীব চন্দশেখর

    Rajeev Chandrashekhar: সুরক্ষার খাতিরে সরকার নজরদারি চালাতে পারে, পেগাসাস ইস্যুতে বললেন রাজীব চন্দশেখর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশকে আতঙ্কবাদী হামলা থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনে নজরদারি চালানোর অধিকার রয়েছে কেন্দ্রের। শুক্রবার পেগাসাস ইস্যুতে (Pegasus Spyware) এমন মন্তব্য করলেন বৈদ্যুতিন এবং তথ্য কারগরি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrashekhar)। ডিজিটাল প্রাইভেসি নীতিতে বদল আনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র, এদিন এমনটাও জানান তিনি।  

    সম্প্রতি পেগাসাস মামলা নিয়ে শীর্ষ আদালতের তোপের মুখে পড়ে কেন্দ্র। শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) প্যানেল স্পষ্ট জানায় যে, পেগাসাস কাণ্ডের তদন্তে সরকার কোনও সহযোগিতা করেনি। কমিটি যে ২৯টি ফোন পরীক্ষা করেছিল তার মধ্যে পাঁচটিতে ম্যালওয়্যারের (Malware) খোঁজ মিলেছে। তবে তা পেগাসাস স্পাইওয়্যার কিনা তার নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি বলেই পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ। 

    আরও পড়ুন: পেগাসাস বিতর্কে স্বস্তি কেন্দ্রের! মাত্র ৫টি ফোনে ম্যালওয়ারের অস্তিত্ব মত শীর্ষ আদালতের

    গত বছর সংসদের বাদল অধিবেশনের ঠিক আগেই পেগাসাস ইস্যু নিয়ে তোলপাড় হয় জাতীয় রাজনীতি। ইজরায়েলে তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, ব্যবসাসী, বিচারপতি এমনকি বিজেপির মন্ত্রীদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ ওঠে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় সরকার বা কোনও রাজ্য সরকার এই স্পাইওয়্যার কিনে ব্যক্তিগত পরিসরে নজর রাখছে কিনা তা তদন্ত করে দেখতে কমিটি তৈরি করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।  মাস খানেক আগে সুপ্রিম কোর্টে কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে।

    এই বিষয়ে চন্দশেখর বলেন, “আমি জানতে পেরেছি ২৯টি মোবাইল পরীক্ষা করে ৫টিতে ম্যালওয়্যার পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু সেটা আদেও পেগাসাস কিনা সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। তবে কেন্দ্র চাইলে সুরক্ষার স্বার্থে নজরদারি চালাতেই পারে। সেই অধিকার তাদের রয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “বর্তমান আইটি অ্যাক্ট ২২ বছরের পুরনো। ডিজিটাল প্রাইভেসি আমাদের সরকার নতুন আইন আনতে চলেছে। আমরা আন্তর্জাতিক মানের সাইবার আইন আনতে চাই। যাতে সকলের সুবিধা হয়। টেকনজি এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে আরও বেশি করে গুরুত্ব দিতে চাই।”

    মন্ত্রী বলেন, “২০,০০০ কোটি টাকার ফোন ভারতে তৈরি হয়ে বিদেশে বিক্রি হয়। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে সরকার এই সংখ্যাকে ২১ লক্ষ কোটি টাকায় নিয়ে যেতে চায়। এর মধ্যে ৮ লক্ষ কোটি টাকার ফোন বিদেশে বিক্রি করতে আগ্রহী ভারত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share