Tag: Rajya Sabha

Rajya Sabha

  • Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার ১৯টি আসনে জয় এনডিএ-র, শক্তি বাড়ল উচ্চকক্ষে

    Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার ১৯টি আসনে জয় এনডিএ-র, শক্তি বাড়ল উচ্চকক্ষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেল বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। বৃহস্পতিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৯টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে, বিশেষ করে কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিরোধী দল। এবারের নির্বাচনে মোট ২৪টি আসনে কোনও ভোটগ্রহণ ছাড়াই প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬টি আসন ছিল এনডিএ-র দখলে, আর বাকি ৮টি আসন বিরোধী শিবিরের হাতে ছিল।

    কোথায় কার কত আসন

    আন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের সবকটিই জিতেছে এনডিএ। এর মধ্যে তিনটি আসন পেয়েছে তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) এবং একটি আসন গেছে জনসেনা পার্টির ঝুলিতে। গুজরাটেও চারটি আসনের সবকটিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। এর ফলে কংগ্রেসের দখলে থাকা একটি আসনও বিজেপি পুনর্দখল করতে সক্ষম হয়েছে। রাজস্থানে বিজেপির সতীশ পুনিয়া ও অলকা গুর্জর এবং কংগ্রেসের নীরজ ডাঙ্গি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সেখানে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও শাসক দলগুলির প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে। মিজোরামে শাসক জোরাম পিপলস মুভমেন্ট (জেডপিএম) একটি আসন জয়ের পথে রয়েছে। অন্যদিকে, মেঘালয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এবং অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসন নিশ্চিত করেছে।

    মধ্যপ্রদেশ-ঝাড়খণ্ডে বিতর্ক

    সবচেয়ে বেশি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে মধ্যপ্রদেশে। সেখানে রাজ্যসভার তিনটি আসনের মধ্যে কংগ্রেস প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের মনোনয়নপত্র পুনর্বহাল করা হয়নি। রিটার্নিং অফিসারের এই সিদ্ধান্তকে ‘পরিকল্পিত’ ও ‘অন্যায়’ বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। দলের দাবি, যে আইনি নোটিশের ভিত্তিতে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তা কোনও সরকারি এফআইআর ছিল না। ঝাড়খণ্ডের দুটি আসন নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেখানে নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির মনোনয়নকে চ্যালেঞ্জ করেছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, নাথওয়ানির বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং তাঁর মনোনয়নপত্রে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। বিরোধীরা না মানলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের রাজ্যসভা নির্বাচন একদিকে এনডিএ-র সাংগঠনিক শক্তির পরিচয় তুলে ধরেছে।

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • Sushmita Dev Resigns: মমতার দলে মহাভাঙন! সুখেন্দুর পর তৃণমূল-রাজ্যসভা ছাড়লেন সুস্মিতা দেব, হিমন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

    Sushmita Dev Resigns: মমতার দলে মহাভাঙন! সুখেন্দুর পর তৃণমূল-রাজ্যসভা ছাড়লেন সুস্মিতা দেব, হিমন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর দলের অভ্যন্তরীণ সংকট ক্রমশ গভীরতর হচ্ছে। সেই সংকটের মাঝেই বুধবার (১০ জুন) তৃণমূল কংগ্রেস এবং রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ সুস্মিতা দেব (Sushmita Dev)। তাঁর এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। একই দিনে দিল্লিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির শীর্ষ নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma) সঙ্গে তাঁর বৈঠক নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিয়েছে। সুস্মিতা দেবের পদত্যাগকে অনেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে চলা বৃহত্তর বিদ্রোহের অংশ হিসেবে দেখছেন। এর আগে রাজ্যসভার সাংসদ শুখেন্দুশেখর রায় দল ও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পাশাপাশি, লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও তৃণমূলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

    কে এই সুস্মিতা দেব?

    সুস্মিতা দেব দেশের এক সুপরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। তিনি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। তাঁর মা বীথিকা দেব অসমের শিলচর কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন সুস্মিতা। ২০১১ সালে কংগ্রেসের টিকিটে অসমের শিলচর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে শিলচর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করেন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তিনি লোকসভায় কংগ্রেসের অন্যতম সক্রিয় সাংসদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

    ৫ বছরের মেয়াদ তৃণমূলে

    কংগ্রেসের সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের ইতি টেনে ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। উত্তর-পূর্ব ভারতে, বিশেষ করে অসম ও ত্রিপুরায় দলের বিস্তারের লক্ষ্যে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সময় তৃণমূল তাঁকে উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম মুখ হিসেবে তুলে ধরেছিল। দলে যোগদানের পর তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানো হয়। ২০২১ সালে প্রথমবার রাজ্যসভার সদস্য হন তিনি। পরে ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য মনোনীত হন। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১০ জুন ২০২৬-এ তিনি পদত্যাগ করলেন।

    পদত্যাগপত্রে কী লিখলেন সুস্মিতা?

    রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের উদ্দেশে লেখা পদত্যাগপত্রে সুস্মিতা দেব লেখেন, ‘‘আমি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে অবিলম্বে ইস্তফা দিচ্ছি। আমার কার্যকালের সময় সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং সচিবালয়ের সমস্ত আধিকারিককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’’ তবে পদত্যাগপত্রে দলত্যাগের কারণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

    বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন সুস্মিতা?

    পদত্যাগের পরই দিল্লিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে সুস্মিতা দেবের বৈঠক রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, একসময় দু’জনেই কংগ্রেসে ছিলেন। পরে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বিজেপিতে যোগ দেন এবং বর্তমানে দলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে সুস্মিতা দেবের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখছে না। যদিও এখনও পর্যন্ত তিনি বা বিজেপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তৃণমূলে বিদ্রোহের আগুন

    সুস্মিতা দেবের পদত্যাগের আগে মঙ্গলবারই তৃণমূল ছেড়েছেন সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy)। পদত্যাগের সময় তিনি সরাসরি দলীয় নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের নির্বাচনী বিপর্যয় আসলে ‘‘১৫ বছরের নৈরাজ্যপূর্ণ শাসনের ফল’’। এদিকে লোকসভায় তৃণমূলের প্রায় ২০ জন সাংসদ পৃথক গোষ্ঠী গঠনের পথে হাঁটছেন বলে খবর। এই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে আলাদা আসন বরাদ্দের আবেদন করেছেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar) বলেছেন, ‘‘আমরা ২০ জন সাংসদ স্পিকারের কাছে পৃথক বসার ব্যবস্থা চেয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করব।’’ এই মন্তব্য কার্যত তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান বলেই মনে করা হচ্ছে।

    এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার জল্পনা

    বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, বিদ্রোহী গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-তে যোগ দিতে পারে। তবে ভারতের সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের কারণে বিষয়টি সহজ নয়। আইন অনুযায়ী কোনও দলের সংসদীয় গোষ্ঠী ভেঙে আলাদা সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সংখ্যা ২০ বলে দাবি করা হলেও, তা আইনি স্বীকৃতির জন্য যথেষ্ট কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একইভাবে রাজ্যসভায় তৃণমূলের ১৩ জন সাংসদের মধ্যে অন্তত ৯ জনের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

    সংকট সামলাতে সক্রিয় শীর্ষ নেতৃত্ব

    দলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মাঝেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে বৈঠক করেছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কংগ্রেস সংসদীয় দলের প্রধান সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধী ঐক্য রক্ষা এবং দলের ভাঙন রোধ করাই এই বৈঠকগুলির অন্যতম উদ্দেশ্য।

    বিধানসভাতেও অস্থিরতা

    সংসদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নেতৃত্বে একটি পৃথক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে ৫৮ জন বিধায়ক রয়েছেন। পরবর্তীতে বিরোধী শিবিরের নেতা হিসেবে রিতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করা হয়েছে এবং তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

    তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের আরও একটি বহিঃপ্রকাশ

    সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র একজন সাংসদের দলত্যাগ নয়, এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের আরও একটি বহিঃপ্রকাশ। উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত সুস্মিতা দেবের প্রস্থান তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, যদি বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সত্যিই এনডিএ-র দিকে ঝুঁকে পড়েন, তবে তা শুধু সংসদীয় সমীকরণ নয়, পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও নতুন মোড় দিতে পারে। এখন নজর থাকবে— সুস্মিতা দেবের পর আর কতজন সাংসদ বা নেতা তৃণমূল ছাড়েন এবং বিদ্রোহী শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।

  • ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের (Rajya Sabha Polls) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। সোমবার জারি হয় এই বিজ্ঞপ্তি। এর মধ্যে ১০টি রাজ্যের ২৪টি আসন সদস্যদের অবসরের কারণে ফাঁকা হয়েছে। পদত্যাগজনিত কারণে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার ৩টি আসনে হবে উপনির্বাচন।

    নির্বাচনের সাত-সতেরো (ECI)

    কমিশন জানিয়েছে, ২৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুন। ওই দিনই বিকেল ৫টার পর হবে ভোট গণনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৮ জুন বিকেল ৩টা পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা ৯ জুন মনোনয়নপত্র যাচাই করবেন। ১১ জুন প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন।অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশ, কর্নাটক এবং মিজোরামে ২৪টি শূন্যপদে ভোট হবে। পদত্যাগের কারণে আরও ৩টি পদ শূন্য। ফলে বিরোধী জোট রাজ্যসভায় অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন পেতে পারে বলেই ইঙ্গিত। যদিও শাসক বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ তাদের বর্তমান শক্তি বজায় রাখবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। আগামী মাসে রাজ্যসভা থেকে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং, এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু ও জর্জ কুরিয়েন।

    শক্তি বাড়ছে এনডিএর!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২৭টি আসনের মধ্যে শাসক এনডিএ তাদের শক্তি এক বাড়িয়ে ১৯-এ নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে ২৪৫ সদস্য বিশিষ্ট রাজ্যসভায় এনডিএর আসন সংখ্যা ১৪৮। কংগ্রেসের রয়েছে ৪টি আসন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর ১টি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (YSRCP)-এর ৩টি আসন। রাজ্য বিধানসভাগুলিতে (Rajya Sabha Polls) দলগুলির বর্তমান শক্তির ভিত্তিতে কংগ্রেস তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করতে পারে (ECI)। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা দু’টি আসনে জিততে পারে। শাসক তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (TVK) তামিলনাড়ুর উপনির্বাচনে একটি আসন জিতে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভায় জায়গা পেতে পারে।

    এনডিএ ভালো অবস্থায়

    এনসিপি নেতা সুনেত্রা পাওয়ার এবং এআইএডিএমকে নেতা সিভি শানমুগম বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ায় রাজ্যসভায় ইস্তফা দিয়েছেন। সেই কারণেই উপনির্বাচন হবে মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে। ওড়িশায় দেবাশিস সমান্ত রায়, বিজেডি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ছেড়েছেন রাজ্যসভার সদস্যপদও। তাই এই কেন্দ্রেও হবে উপনির্বাচন (ECI)। মহারাষ্ট্রে সুনেত্রা পাওয়ারের শূন্য পদে এনডিএ ভালো অবস্থায় রয়েছে (Rajya Sabha Polls)। তামিলনাড়ুর একটিমাত্র আসন বন্ধু দলগুলির সমর্থনে টিভিকের দখলে যেতে পারে। ওড়িশার আসনটি শাসক দলের ঝুলিতে যেতে পারে।

    কোন আসনে জিতছে কারা

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ চারটি আসনই জিততে পারে। গুজরাটে বিজেপি চারটি আসনেই জিতবে। তাই এই রাজ্য থেকে কংগ্রেস তাদের একমাত্র আসনটি খোয়াতে পারে। কর্নাটকে কংগ্রেস চারটির মধ্যে তিনটি আসনে জিততে পারে, একটি আসন যেতে পারে পদ্ম-ঝুলিতে। খাড়্গে ফের রাজ্যসভায় মনোনীত হতে পারেন (ECI)। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিজেপি দু’টি করে আসন জিততে পারে। এই দুই রাজ্যে কংগ্রেস একটি করে আসন পেতে পারে। ঝাড়খণ্ডে শাসক জেএমএম-কংগ্রেস জোট দু’টি আসনই জিততে পারে। তাদের জয়ের পথে খাড়া প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে পারে বিজেপি। অর্থাৎ, জোরদার লড়াই হতে পারে (Rajya Sabha Polls)।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক রাজ্যসভা নির্বাচনে ১০টি রাজ্যের ৩৭টি আসনের মধ্যে (ECI) বিজেপি জিতেছিল ১৩টি আসনে।

     

  • Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (এমসিডি) মেয়র নির্বাচিত হলেন বিজেপি কাউন্সিলর প্রবেশ ওয়াহি। রোহিণী পূর্ব, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্ম-কাউন্সিলর তিনি। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আনন্দ বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর মনিকা পন্ত। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছে এমসিডি। মেয়র ও ডেপুটি মেয়র — উভয়েই বিজেপির সদস্য। বিজেপির রাজা ইকবাল সিং ছিলেন বিদায়ী এমসিডি মেয়র। এর আগে, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি) তরণজিৎ সিং সান্ধু এমসিডি নির্বাচনে সিংকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।

    আপের অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন (Delhi Mayor)

    বুধবার সকালেই রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, এমসিডি মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় আপের সমালোচনা করেন। তিনি জানান, হার নিশ্চিত জানলেও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখা উচিত। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, আপের প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দলটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন তোলে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল কোনও প্রার্থী দেননি। এটা কেমন রাজনীতি? তাদের উচিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস রাখা। তারা জানে যে তারা হারবে, তবুও তাদের উচিত ছিল নির্বাচন লড়া।”

    ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার

    তিনি জানান, এমসিডি জাতীয় রাজধানীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং নাগরিক প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “দিল্লির উন্নয়নের জন্য এমসিডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন দিল্লিতে আপ সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারা একে খুব খারাপ অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। এখন এমসিডি ও দিল্লি সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” একই ধরনের মন্তব্য করে, মেয়র নির্বাচনে আপ প্রার্থী না দেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক রবিন্দর সিং নেগি বলেন, “আপ জানে তারা হারবে, তাই তারা কাউকেই প্রার্থী করেনি।” তিনি বলেন, “আপ প্রার্থী দিচ্ছে না কারণ তারা জানে তারা নির্বাচনে হারবে, যেহেতু তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। দিল্লিতে এখন ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, যা ঐতিহাসিক কাজ করছে, এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে।”

     

  • Rajya Sabha Realignment: রাঘব চাড্ডা সহ আপ-এর ৭ জনকে বিজেপি সাংসদ হিসেবে ঘোষণা রাজ্যসভায়, বদলে গেল উচ্চকক্ষের সমীকরণ

    Rajya Sabha Realignment: রাঘব চাড্ডা সহ আপ-এর ৭ জনকে বিজেপি সাংসদ হিসেবে ঘোষণা রাজ্যসভায়, বদলে গেল উচ্চকক্ষের সমীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় (Rajya Sabha Realignment) বড় রাজনৈতিক পালাবদল। আপ (Aam Aadmi Party)-এর সাতজন সাংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি-তে (Bharatiya Janata Party) যোগ দিলেন। আম আদমি পার্টি-র ৭ জন সাংসদকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি সাংসদ হিসেবে ঘোষণা করলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি। এর ফলে উচ্চকক্ষে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১৩-এ। এই মর্মে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ (C. P. Radhakrishnan)। এই ঘটনায় আপের শক্তি বড় ধাক্কা খেল। আগে যেখানে তাদের ১০ জন সাংসদ ছিল, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩-এ। অন্যদিকে, বিজেপি আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে এবং একক বৃহত্তম দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে।

    একসঙ্গে দলবদল, আইনি বিতর্ক শুরু

    আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)-সহ সঞ্জীব পাঠক, অশোক মিত্তল, হরভজন সিং, বিক্রমজিৎ সাহনি, স্বাতী মালিওয়াল ও রাজিন্দর গুপ্তা একযোগে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানান বিজেপিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর রাজ্যসভার ওয়েবসাইটে তাদের নাম বিজেপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই দলবদল ঘিরে ‘দলত্যাগ বিরোধী আইন’ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী, যদি কোনো দলের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একসঙ্গে অন্য দলে যোগ দেন, তাহলে তা বৈধ ‘মার্জার’ হিসেবে গণ্য হয়—ফলে অযোগ্য ঘোষণার সম্ভাবনা কম।

    জনসেবার স্বার্থেই বিজেপিতে যোগ

    এই ঘটনায় আপ তীব্র প্রতিবাদ করে সাত সাংসদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেছে। রাজনৈতিক মহল আপের জন্য এই ঘটনাকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবে সরকারে থাকা দলটির জাতীয় স্তরের প্রভাব কমে গেল। অন্যদিকে, বিজেপির ক্ষেত্রে এটি একটি কৌশলগত সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। দলত্যাগী সাংসদরা জানিয়েছেন, আপের মধ্যে কাজের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছিল এবং জনসেবার স্বার্থেই তারা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত শুক্রবার, আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা-সহ ছ’জন দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। জানা গেছে, দলত্যাগী এই সাংসদদের বিজেপির সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সময় চেয়েছিল আপ। তবে সেই আবেদন কার্যকর হওয়ার আগেই সংযুক্তির সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

  • NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এনডিএ (NDA in Rajya Sabha)। আম আদমি পার্টি (আপ)-র সাতজন সাংসদের দলবদলের পর লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি পৌঁছল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (NDA)। তবে এখনও সেই ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ ছুঁতে শাসক জোটের ১৭টি আসন কম রয়েছে। শুক্রবার আপের সাতজন সাংসদ দল পরিবর্তন করায় রাজ্যসভায় এনডিএ-র সমর্থন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। ২৪৪ সদস্যের এই সদনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৬৩ জন সদস্যের সমর্থন।

    দুই-তৃতীয়াংশের পথে

    এনডিএ-র নেতৃত্বে থাকা ভারতীয় জনতা পার্টিও (BJP), রাজ্যসভায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ১০টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন যদি আপের সংসদীয় দলের বিজেপিতে মিশে যাওয়ার অনুমোদন দেন, তাহলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১১৩-তে পৌঁছবে (বর্তমানে ১০৬)। এছাড়া, বিজেপি সাতজন মনোনীত সদস্য এবং দুইজন নির্দল সাংসদের সমর্থন পেতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের সমর্থন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১২২—যা কার্যত অর্ধেকের সমান। সূত্রের মতে, আপের যে সাতজন সাংসদ দলত্যাগ করেছেন, তারা দলটির রাজ্যসভা সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হওয়ায় এই মিশে যাওয়ার প্রক্রিয়া অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে লাভ

    রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংশোধনীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে এনডিএ-র আর বড় বাধা থাকবে না। লোকসভাতে এনডিএ-র সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। নিম্নকক্ষে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৬৩ জন সাংসদের সমর্থন। উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল লোকসভায় সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিল—যার মাধ্যমে ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা ৮১৬-তে বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল—এনডিএ প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। বর্তমান এনডিএ সরকার তাদের এই মেয়াদে প্রথম কোনও সংবিধান সংশোধনী বিল সংখ্যার অভাবে পাস করতে ব্যর্থ হয়। যদি রাজ্যসভাতে এনডিএ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়, তাহলে তাদের আর বিল পাশ নিয়ে ভাবতে হবে না।

     

  • Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। রাজ্যসভায় ডেপুটি লিডারের পদ থেকে অপসারণকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ বাঁধে রাঘবের। তার (PM Modi) পরেই শুক্রবার তিনি ঘোষণা করেন, পদ্মশিবিরে যাচ্ছেন তিনি।

    চাড্ডার বক্তব্য (Raghav Chadha)

    দিল্লিতে সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “আপের রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সাংবিধানিক বিধান প্রয়োগ করে বিজেপির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতের সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে নিজেদের বিজেপির সঙ্গে একীভূত করছি।” সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলও আপ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁরাও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

    মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে আপ

    নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “যে দলটিকে আমি রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলাম, সেটি তার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে দলে আমি আমার যৌবনের ১৫ বছর দিয়েছি, তা তার নীতি, মূল্যবোধ এবং মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এখন এই দল দেশবাসীর স্বার্থে কাজ না করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করছে… গত কয়েক বছর ধরে আমি অনুভব করছিলাম যে আমি ভুল দলে সঠিক মানুষ (PM Modi)। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি যে আমি আপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে জনতার কাছাকাছি যাচ্ছি (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী, একটি দলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশ অন্য দলে যোগ দিতে পারেন। আমরা আজ এই বিষয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও দিয়েছি।” প্রবীণ এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের আসল কারণ বলছি কেন আমি দলীয় কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমি তাদের অপরাধের অংশ হতে চাইনি। আমি তাদের বন্ধুত্বের যোগ্য ছিলাম না, কারণ আমি তাদের অপরাধে অংশ নিইনি। আমাদের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া এবং গত ১৫-১৬ বছরের জনসেবামূলক কাজ ত্যাগ করা, অথবা আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতীয় সংবিধানের বিধান মেনে বিজেপিতে যোগ দেব (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন (Raghav Chadha), “রাজ্যসভায় আপের মোট ১০ জন সাংসদ রয়েছেন, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা স্বাক্ষর করেছেন এবং আজ সকালে আমরা সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ও নথি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এখানে উপস্থিত তিনজন ছাড়াও হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহনি এবং স্বাতী মালিওয়াল আমাদের সঙ্গে আছেন।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে রাঘব ইনস্টাগ্রামে ‘ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড’ শিরোনামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করার তাঁর ক্লিপগুলোর সংকলন দেখানো হয়েছে। এটি তাঁর দলের সঙ্গে চলা বিরোধের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। পোস্টে তিনি বলেন, “যাঁরা আমার সংসদীয় কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি—আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (PM Modi)।”

    গত ২ এপ্রিল রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় চাড্ডাকে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে জোরালোভাবে কথা বলা থেকে বিরত থাকছেন এবং তার বদলে ‘সফ্ট পিআরে’ যুক্ত হচ্ছেন। চাড্ডা এই অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সংসদে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরতেই যাই, অশান্তি সৃষ্টি করতে নয়।” প্রসঙ্গত, উচ্চকক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে অপসারণের পর থেকে চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট শেয়ার করেছেন (Raghav Chadha)। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই পদাবনতি তিনি চুপচাপ মেনে নেবেন না ((PM Modi))।

     

  • Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (Chadha Z Security) দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নিরাপত্তা দিল্লি ও পাঞ্জাব – দুই রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে (AAP)। তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হবে আধাসামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত চাড্ডাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৈরি করা হুমকি মূল্যায়ন রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    চাড্ডার জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার (Chadha Z Security)

    পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর আগের জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দুদিনের মধ্যেই চাড্ডাকে নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা করল কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের দেওয়া এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ চাড্ডা ও দলের নেতৃত্বের মধ্যে চলা বর্তমান দ্বন্দ্ব। চাড্ডা পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন গুরুত্বপূর্ণ আপ নেতা। এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল জেড প্লাস নিরাপত্তা। গত সপ্তাহে এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়, যখন দলের ভেতরের বিরোধ আরও তীব্র হয়। কেন্দ্রের তরফে দ্রুত জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চাড্ডার প্রতিক্রিয়া

    চাড্ডাকে রাজ্যসভায় আপের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও এই নিরাপত্তা পরিবর্তনের সঙ্গে মিলে গিয়েছে, যার জেরে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (AAP)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চাড্ডা জানান, তিনি পরাজিত নন, বরং তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—যা দলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদ। আপ নেতাদের অভিযোগ, চাড্ডা সংসদে পাঞ্জাবের সমস্যাগুলি যথেষ্ট জোর দিয়ে তোলেননি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নরম অবস্থান নিয়েছেন তিনি। রাঘব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কার্যকলাপে অংশ নেননি, যেমন ওয়াকআউট বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নোটিশে সই করা। চাড্ডা এই অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজ হল গঠনমূলকভাবে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর সংসদীয় কাজই তার প্রমাণ (Chadha Z Security)।

    রাঘবের নিশানায় কে

    এদিকে, সম্প্রতি চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সক্রিয় হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সংসদে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যার একটির শিরোনাম ছিল “ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড (Voice Raised Price Paid)।” একটি পোস্টে রাঘব বলেন, “আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (AAP)।” বস্তুত, রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়েছে রাঘবের একটি মন্তব্য, যেখানে তাঁকে নিজের দল গঠনের পরামর্শ দেওয়া একটি ভিডিওতে তিনি লিখেছিলেন “ইন্টারেস্টিং থট”। তিনি “নেভার আউটসাইন দ্য মাস্টার (Never Outshine the Master)” বাক্যটির উল্লেখ করে একটি ছবি শেয়ার করেন, যা দেখে অনেকেরই ধারণা দলনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উদ্দেশ্যেই এই ইঙ্গিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলীয় দ্বন্দ্ব যত গভীর হচ্ছে, ততই রাঘবের ওপর থেকে রাজ্য নিরাপত্তা প্রত্যাহার এবং কেন্দ্রের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে (Chadha Z Security)।

  • Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে গেল বিহারে। মঙ্গলবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ইস্তফা দিলেন। নীতীশের এই পদক্ষেপের ফলে বিজেপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হল, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় ভরপুর ছিল। এদিন নীতীশের শেষ সরকারি কর্মসূচি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে শেষ হয় সরকার পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় (Samrat Choudhary)।

    আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা (Nitish Kumar)

    এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নীতীশ। সকাল ১১টায় করেন প্রধান সচিবালয়ে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। দুপুর ৩টে নাগাদ রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সঈদ আটা হাসনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে। এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবরাজ সিং চৌধুরী। বিকেল ৪টেতে বিহার বিধানসভার সেন্ট্রাল হলে এনডিএ বিধায়ক দলের বৈঠক। এখানেই অনুমোদন দেওয়া হয় নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়। ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় রাজভবনে শপথ নেবেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নীতীশ কুমারের পদত্যাগ বিহারের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। প্রায় দু’দশক ধরে একাধিক মেয়াদে রাজ্য পরিচালনা করার পর তিনি সম্প্রতি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তাঁর এই পদক্ষেপ এবং বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া রাজ্য রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত (Nitish Kumar)। সম্প্রতি রেকর্ড সংখ্যক মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর তাঁর এই পদত্যাগ অপ্রত্যাশিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (Samrat Choudhary)। নীতীশের নেতৃত্ব এনডিএ জোটকে বিহারে শক্তিশালী করেছে, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সমর্থন গড়ে তোলার মাধ্যমে।

    বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    বিজেপি (এতদিন জোটের প্রধান অংশীদার ছিল) এবার প্রথমবারের মতো নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে চলেছে বলেই খবর। প্রশ্ন হল, বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে? মঙ্গলবার দুপুরে ওই পদের জন্য নাম ঘোষণা করা হয় সম্রাট চৌধুরীর (Nitish Kumar)।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নামও আলোচনায় ছিল। যদিও শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্ব বেছে নেন সম্রাটকেই। এদিকে, নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার সম্প্রতি জেডিইউতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Samrat Choudhary)। প্রসঙ্গত, বিহার এখন তার প্রথম বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য প্রস্তুত, যা এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করবে (Nitish Kumar)।

     

LinkedIn
Share