Tag: Ram Navami

Ram Navami

  • Ram Navami Clash: রামনবমী শোভাযাত্রাকে ঘিরে রণক্ষেত্র জঙ্গিপুর, ছোড়া হল ইট-পাটকেল, দোকানে আগুন

    Ram Navami Clash: রামনবমী শোভাযাত্রাকে ঘিরে রণক্ষেত্র জঙ্গিপুর, ছোড়া হল ইট-পাটকেল, দোকানে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে ফের ব্যাপক অশান্তি (Ram Navami Clash) তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। গত বছর অশান্তির আঁচ ছড়িয়েছিল হাওড়া এবং হুগলির কয়েকটি পকেটে। এবার শহর এবং শহরতলিতে তেমন কোনও অশান্তি না হলেও, হিংসার আগুনে জ্বলে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর। শোভাযাত্রায় পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রঘুনাথগঞ্জ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারা অনুযায়ী জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র‍্যাফ (RAF)।

    তপ্ত জঙ্গিপুর (Ram Navami Clash)

    পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল ৩টে নাগাদ রঘুনাথগঞ্জের জঙ্গিপুর পুরসভার ম্যাকেঞ্জি পার্কে রামনবমীর শোভাযাত্রা পৌঁছলে, শুরু হয় গোলমাল।  অভিযোগ, শোভাযাত্রায় উচ্চস্বরে গান বাজানো হচ্ছিল। তা নিয়েই আপত্তি তোলে এক পক্ষ। এর পরেই শুরু হয় দুপক্ষে বচসা। মুহূর্তের মধ্য়েই সংঘর্ষের রূপ নেয় বচসা। সেখান থেকে হাতাহাতি এবং ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি। খানিক পরে থামে অশান্তি। এগোতে থাকে শোভাযাত্রা। সিসাতলা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ফের একপ্রস্ত সংঘর্ষ হয়। উত্তেজনা চরমে ওঠে শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে। অভিযোগ, সেখানে প্রায় ২০০ দুষ্কৃতী শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। এর পরেই উত্তেজিত জনতা এলাকার কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়।  খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছন মুর্শিদাবাদের ডিআইজি অজিত সিং যাদব। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় রুট মার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। বেশ কিছু দোকান এবং সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। চলছে ধরপাকড়ও।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুবল চন্দ্র ঘোষ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই (Ram Navami Clash)।”  জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, “ফুলতলা মোড়ে আমি উপস্থিত ছিলাম। এই জাতীয় ঘটনা কাঙ্খিত নয়। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করব প্রশাসনকে।” এদিনের সংঘর্ষে ১০জন জখম হয়েছেন বলে দাবি বিজেপির। দলের রাজ্য সম্পাদক শাখারভ সরকার বলেন, “তৃণমূলের পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের দশজন কর্মকর্তা জখম হয়েছে। তৃণমূল হারছে জেনেই এই হামলার ছক কষা হয়। এলাকা অশান্ত করার চেষ্টা করছে (Murshidabad)।”

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জঙ্গিপুরে এবার হয়তো এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে হাওড়ায় ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়, রামের অনুসারী লোকেদের বাদ দিয়ে…যেখানে রাবণ অনুসারী বা…এর পিছনে পুরোটা তৃণমূলের মদত আছে। যদি খোঁজা যায় তাহলে দেখা যাবে যারা ঢিল মারছে, তারা হয় তৃণমূলের নেতা, না হয় তৃণমূলের সমর্থক বা ভোটার। তার (Ram Navami Clash) বাইরে কাউকে খুঁজে পাবেন না।” গত বছর এপ্রিলে ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদের সময় মুর্শিদাবাদেরই জাফরবাদ এলাকায় দুই ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়। সেই ঘটনার জেরে সেই সময়ও অশান্ত হয়েছিল ‘নবাবের দেশ’। মুর্শিদাবাদবাসীর সেই দগদগে স্মৃতি এখনও ফিকে হয়ে যায়নি। তার মধ্যেই ফের একবার ঘটে গেল ব্যাপক অশান্তি। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি (Murshidabad)।

    রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা হয়েছে আগেও

    গত বছর এবং তার আগের বছরেও রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেবার অবশ্য অশান্তির আগুন জ্বলেছিল হাওড়া এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকায়। সেবার বড় ধরনের কোনও অশান্তির খবর ছিল না মুর্শিদাবাদে।  এবার রাজ্যের অন্য কোথাও তেমন কোনও ঘটনা না ঘটলেও, অশান্তি ছড়িয়েছিল মুর্শিদাবাদে। ওয়াকফ সংশোধনী আইনকে ঘিরে অশান্তির জেরে সেবার খুন হতে হয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই মৃৎশিল্পীকে। অশান্তির জেরে জেলা ছেড়ে রাতের অন্ধকারে নদী পার হয়ে মালদায় আশ্রয় নিয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের একাংশ। সেই ঘটনার পর উত্তেজনা খানিক থিতু হলেও, ফের একবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল বঙ্গে (Murshidabad)। এবং সেটাও আবার সেই মুর্শিদাবাদেই (Ram Navami Clash)।

     

  • Mamata on Ram Navami: শুভেচ্ছাতেই শেষ! সারাদিন রাজ্যে রামনবমীর কোনও অনুষ্ঠানে নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা, জানেন কেন?

    Mamata on Ram Navami: শুভেচ্ছাতেই শেষ! সারাদিন রাজ্যে রামনবমীর কোনও অনুষ্ঠানে নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশের পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে পালিত হল রাম নবমী (Mamata on Ram Navami)। নির্বাচনের আগে ঈদের নামাজ আদায় করতে রেড রোড গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। কিন্তু রাম নবমীর দিন কোথাও রাম নবমীর কোনও মিছিলে, পুজোয়, খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে। হিন্দুদের উৎসব বাসন্তী পুজো অন্নপূর্ণা পুজো এবং রামনবমী। নির্বাচনের আগে এটা হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব বলা যায়। অথচ অদ্ভুত কান্ড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামনবমীর একটা নমো নম করে পোস্টার বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ছাড়া তার আর কিছুই করলেন না।

    সংখ্যালঘু তোষণই নীতি

    নির্বাচনের আগে নিজের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে হাতে রাখার জন্য কোনও কসুর ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঈদের দিন বৃষ্টির মধ্যেই সকাল সকাল তিনি চাদর গায়ে দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন রেড রোডে ঈদের মঞ্চে। সেখান থেকে দাঁড়িয়ে তিনি হিন্দি ভাষায় অনর্গল বিজেপিকে আক্রমণ করে যান। তবে রামনবমীকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু পোস্টার। দেখলে অবাক হবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রামনবমীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মানুষকে। কিন্তু সেখানে শ্রী রামচন্দ্রের কোন ছবি নেই। কেবলমাত্র তার হাসি হাসি মুখের একটি ছবি রয়েছে। যাই হোক এই ছবি পোস্ট করার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনভর সেটা নিয়ে সমালোচনা হয়।

    মমতার হিন্দু ভোট ব্যাঙ্কে ধস

    সমালোচকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু  ভোট ব্যাংকের জন্য চিন্তা করেন না। আর সেই জন্যই রামনবমীতে কোনও অনুষ্ঠান দেখা গেল না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আসলে, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম শাসনে বাঙালি হিন্দুর মধ্যে তার জাতীয়তাবাদী সত্তাটা খানিক চাপা পড়ে গিয়েছিল, বারবারি রাজ্যে হিংসা-হানাহানি হলেও বামেদের প্রচারের কারণে নিজেদের বিপদটা বুঝতে পারতেন না বাঙালি হিন্দুরা। তারপর ক্ষমতায় এলেো তৃণমূল। বামেদের দেখানো পথেই সংখ্যালঘুতোষণ শুরু করলো তারা। পশ্চিমবঙ্গে লেগে রইল হিংসা। বাদুড়িয়া কালিয়াচক ধূলাগড় সহ বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুরা অত্যআচারিত হল। কিন্তু ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় বসার বছর খানেক পর থেকে এই রাজ্যে পাল্টে যেতে শুরু করে পরিস্থিতি। হিন্দুরা তাদের হিন্দুত্ব নিয়ে গর্ব করতে শুরু করে সেই প্রথম। জাগতে শুরু করে হিন্দুরা। ধীরে ধীরে রাজ্যজুড়ে ধুমধাম করে পালন হতে শুরু করে রামনবমী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সহ নানা হিন্দু সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে, জায়গায় জায়গায় ধুমধাম করে রামনবমী পালন শুরু হয়। হিন্দুরা জাগতে ধীরে ধীরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামে। তিনি আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরতে শুরু করেন মুসলিম ভোট ব্যাংককে। এরপর ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপির ১৮টি আসন পাওয়ার পর রামচন্দ্র রাতারাতি হয়ে যান বহিরাগত।

    মমতার দ্বিমুখী আচরণ

    তারপর নদী দিয়ে কত জল গড়িয়ে গিয়েছে, কত বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলার হিন্দু সমাজ আরো বেশি করে একত্রিত হয়েছে। আর তত বেশি করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরে গিয়েছেন মুসলিম ভোট ব্যাংকের কাছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে তিনি অপমান করেছেন হিন্দুদের।। কোন প্রতিবাদ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাননি। হিন্দুদের পবিত্রতম সমাবেশ মহাকুম্ভকে তিনি ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। কোটি কোটি পুণ্যার্থীর আধ্যাত্মিক আবেগকে এভাবে অমঙ্গলজনক শব্দের মাধ্যমে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। জনসমক্ষে দেবীর আরাধনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভুলভাবে সরস্বতী মন্ত্র পাঠ করেন। মন্ত্রের শুদ্ধতা নষ্ট করা এবং ভুল উচ্চারণ ধর্মীয় শাস্ত্রের প্রতি তাঁর উদাসীনতা ও অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করে। আধ্যাত্মিক আলোচনা করতে গিয়ে তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনী ও বাণী গুলিয়ে ফেলেন। এই ধরনের ভুল মহাপুরুষদের আদর্শের প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন। শ্রীরামকৃষ্ণের কালজয়ী বাণী “যত মত তত পথ”-কে তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে “যত মাটি তত টাকা” বলে ব্যাখ্যা করেন। এই মহান আধ্যাত্মিক দর্শনকে অর্থের সঙ্গে তুলনা করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ব্রিগেডে লক্ষকণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে তিনি যাননি এবং সেটিকে রাজনৈতিক তকমা দিয়েছিলেন। অথচ রেড রোডের নামাজে নিয়মিত গিয়ে রাজনৈতিক ভাষণ দেওয়া তাঁর দ্বিমুখী আচরণকেই স্পষ্ট করে।

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর শোভাযাত্রায় গেরুয়াময় ভবানীপুর, শুভেন্দুর সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর শোভাযাত্রায় গেরুয়াময় ভবানীপুর, শুভেন্দুর সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রার জেরে গেরুয়াময় কলকাতার ভবানীপুর। এই শোভাযাত্রার পুরোভাগে ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যদুবাবুর বাজারে অজন্তা ধাবা থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা। সেখানেই দেখা যায়, একেবারে সামনের সারিতে হাঁটছেন গৈরিক পাগড়ি পরা শুভেন্দু। শোভাযাত্রায় ছিল খোল, করতাল, কীর্তনিয়ার কীর্তন এবং জয় শ্রীরাম স্লোগান।

    ভবানীপুরে রামনবমীর শোভাযাত্রা (Suvendu Adhikari)

    শোভাযাত্রা শুরু হতেই দলে দলে লোকজন পা মেলান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আড়ে-বহরে বাড়তে থাকে শোভাযাত্রার কলেবর। শুভেন্দুকে এক ঝলক দেখতে ভিড় জমে যায় রাস্তার দু’পাশে। বাড়ির দোতলার বারান্দা থেকে ঝুঁকে পড়তেও দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। ভবানীপুরবাসীর এমন উৎসাহ দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। কয়েকটি বাড়িতে ঢুকেও পড়েন তিনি। শোভাযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতেই শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় এবার রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা হবে। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ হবে। মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। যুবক-যুবতীরা কাজ পাবেন এই বাংলায়ই। ভিন রাজ্যে আর কাজের খোঁজে যেতে হবে না তাঁদের।”

    শোভাযাত্রায় হাঁটলেন শুভেন্দু

    এবারের রামনবমীতে বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর। তবে তিনি শুরুটা করলেন ভবানীপুর থেকেই (Suvendu Adhikari)। কারণ, এই কেন্দ্রেই বিজেপির বাজি তিনি। ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ঘাসফুল শিবিরের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে প্রচারে বেরিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অবশ্য কলকাতায় নেই তিনি। বৃহস্পতিবার তাঁর সভা করার কথা পাণ্ডবেশ্বর এবং দুবরাজপুরে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ফাঁকেই রামনবমীর শোভাযাত্রার (Ram Navami) সঙ্গে সঙ্গে কৌশলে ভবানীপুরে একপ্রস্ত জনসংযোগ কর্মসূচিও সেরে নিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

  • Balendra Shah: শঙ্খধ্বনি ও বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে রামনবমীতে শপথ নিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ

    Balendra Shah: শঙ্খধ্বনি ও বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে রামনবমীতে শপথ নিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের (Balendra Shah) শপথ ঘিরে সাজ সাজ রব। শঙ্খধ্বনি, ঘণ্টা-ঘড়িয়ালের আওয়াজ এবং বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে ২৬ মার্চ শুক্রবার, শপথ নিলেন বলেন্দ্র। তাঁর শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ। এই দিনটি চৈত্র নবরাত্রির একটি গুরুত্বপূর্ণ তিথি। হিন্দুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব রাম নবমীর দিনই শপথ নিলেন বলেন্দ্র। স্থানীয় সময় অনুযায়ী দুপুর ১২টা ৪৪ মিনিটে নির্ধারিত হয়েছে শপথের শুভ মুহূর্ত। একই সময়ে অযোধ্যার রামমন্দিরে চলেছে বিশেষ পুজো, ফলে ধর্মীয় আবহে এক অনন্য সংযোগ তৈরি হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

    ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধন

    গত বছরে নেপালে জেন জি আন্দোলনের জেরে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে। তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে হওয়া এই আন্দোলনের ফলে তৎকালীন সরকার ভেঙে দেওয়া হয় এবং নতুন করে নির্বাচনের পথ খুলে যায়। সেই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন বলেন্দ্র শাহ। সাধারণ মানুষের সমর্থন পেয়ে তিনি এখন দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন। ফলে এই শপথগ্রহণ শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক নতুন যুগের সূচনার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজনেও ছিল ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য মেলবন্ধন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পঞ্জিকা মেনে শুভ মুহূর্ত নির্ধারণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ১০৮ জন হিন্দু বটুক স্বস্তিবাচন করেন, যা শুভ ও মঙ্গলজনক বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ১০৭ জন বৌদ্ধ লামা গুরু মঙ্গল পাঠ করেন, যা বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটায়। এর মাধ্যমে নেপালের বহুধর্মীয় ঐক্য ও সহাবস্থানের চিত্র ফুটে ওঠে।

    পবিত্রতার বার্তা, রামায়নে প্রেরণা

    শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, সাতজন ব্রাহ্মণ শঙ্খধ্বনি করেন, যার মাধ্যমে অনুষ্ঠানস্থল জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে পবিত্রতার বার্তা। পুরো পরিবেশ একাধারে আধ্যাত্মিক ও ঐতিহ্যবাহী আবহে ভরে ওঠে। এই আয়োজন নেপালে সনাতন ধর্মের গভীর প্রভাবকেই প্রতিফলিত করে। উল্লেখ্য, নেপালের প্রায় ৮১.১৯ শতাংশ জনগণ হিন্দু, যা সংখ্যায় প্রায় ২ কোটি ৩৭ লক্ষ। বলেন্দ্র শাহ তাঁর নির্বাচনী প্রচারেও বারবার রামায়ণ-এর প্রতীকী ব্যবহার করেছিলেন। তিনি প্রচার শুরু করেছিলেন জনকপুর থেকে, যা সীতার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রামায়ণ-সংক্রান্ত এই প্রতীকী পদক্ষেপ এবং রাম নবমীর দিনে শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেশের হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।

  • PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা জনপ্রিয় নেতা বালেন্দ্র শাহ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah) হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, শপথ গ্রহণের জন্য রামনবমীর (Ram Navami) দিন ২৬ মার্চকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।

    রামনবমীর দিন শপথ কেন(PM Balendra Shah)?

    নেপালের ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)-র নিরঙ্কুশ জয়ের পর ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ এখন প্রধানমন্ত্রীর (PM Balendra Shah) পদে শপথ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তাঁর এই শপথ গ্রহণের সময় এবং স্থান নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  বালেন্দ্র তাঁর শপথ গ্রহণের জন্য ‘রামনবমী’র (Ram Navami) দিনটিকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি ধর্মীয় তিথি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা। সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যমে তিনি নেপালের সনাতন হিন্দু ঐতিহ্য এবং ভারতের সঙ্গে থাকা সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন। নতুন দায়িত্বের শুরু অর্থাৎ রামনবমীকে মন্দের বিনাশ এবং সুশাসনের রামরাজ্য প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বালেন্দ্র সম্ভবত নেপালের পুরনো দুর্নীতিগ্রস্ত বাম রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন স্বচ্ছ যুগের সূচনা করতে চাইছেন।

    জনকপুর থেকে ‘মধেসি’ কার্ড

    বালেন্দ্র তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জনকপুরকে। এটি মা জানকীর (সীতা) জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত। তিনি নিজেকে মধেশের সন্তান (Son of Madhesh) হিসেবে তুলে ধরেছেন। নেপালের ইতিহাসে তিনি হতে চলেছেন প্রথম মধেশি বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah)। জনকপুর থেকে প্রচার শুরু করার মাধ্যমে তিনি নেপালের তরাই বা মধেসি অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    রাজনৈতিক সংকেত

    এই ঘটনাগুলি নেপালের রাজনীতিতে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। পোড়খাওয়া নেতা কেপি শর্মা ওলির মতো আধিপত্যবাদকে ভেঙে দিয়ে জেন-জি (Gen Z) এবং তরুণ প্রজন্মের উত্থান হয়েছে। এতদিন নেপালের রাজনীতি মূলত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। বালেন্দ্রের (PM Balendra Shah) উত্থান মধেসি এবং মধেশে-পাহাড়ি মিশ্র সংস্কৃতির মেলবন্ধনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    বিদেশনীতিতে জোর

    প্রচারের ভাষা এবং শপথের দিন নির্বাচন দেখে মনে করা হচ্ছে, বালেন্দ্রের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে নেপালের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে, যা বিগত কয়েক বছরে কিছুটা শীতল ছিল। বালেন্দ্রর (PM Balendra Shah) এই শপথ গ্রহণ নেপালের জন্য কেবল একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী পাওয়া নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের জন্ম দেওয়া—যেখানে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা একসঙ্গে হাত মিলিয়ে চলবে।

LinkedIn
Share