Tag: ramanathaswamy temple

ramanathaswamy temple

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১৭ থেকে ২৩ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ইসলামিক সংগঠনের দাবি (Hindus Under Attack)

    প্রায় ৪৮টি ইসলামিক সংগঠন ১৭ মে বেঙ্গালুরুর টাউন হলে একজোট হয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের কাছে সম্প্রদায়ভিত্তিক একাধিক দাবি পেশ করেছে। ঘটনায় কর্নাটকে সূত্রপাত হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কের। ফেডারেশন অফ কর্নাটক মুসলিম অর্গানাইজেশন্সের ব্যানারে আয়োজিত এই সম্মেলনে মুসলিমদের জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ, সংরক্ষণ কোটা পুনর্বহাল ও সম্প্রসারণ, ধর্মান্তর-বিরোধী ও গবাদি পশু জবাই সংক্রান্ত আইন বাতিল, এবং ইসলামিক সম্প্রদায়ের জন্য আরও বেশি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি জানানো হয়। এইচআর অ্যান্ড সিই (HR&CE) প্রশাসনের অধীনস্থ রামেশ্বরমের অরুলমিগু রামনাথস্বামী মন্দিরে অভ্যন্তরীণ তদন্তে লাড্ডু প্রসাদম প্রস্তুতি, বিক্রি এবং বিনামূল্যে বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ছ’জন কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনুমান, এর ফলে ৩.৪০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

    গাড়ি বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএর চার্জশিট

    দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭,৫০০ পাতার চার্জশিট দাখিল করেছে। ওই ঘটনায় ১১ জন নিহত ও বহু মানুষ জখম হয়েছিলেন। এনআইএর চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ‘অপারেশন হেভেনলি হিন্দ’ নামে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভারতে শরিয়া শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতীদের।মহারাষ্ট্রের মিরা রোড এলাকায় এক হিন্দু দম্পতির ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে (Hindus Under Attack)। অভিযোগ, ওলা-উবার চালক অজয় রাজেন্দ্র চৌধুরী এবং তাঁর বান্ধবী রোমা জয়ভগবান কাগদাকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বিবাদের জেরে হিলাল খানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি আক্রমণ করে। এফআইআর অনুযায়ী, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    মন্দির চত্বরের ভেতরে হিজাব পরে!

    কর্নাটকের বাগালকোট জেলার ঐতিহাসিক বাদামি মন্দির কমপ্লেক্সে এক মুসলিম কর্মীকে মন্দির চত্বরের ভেতরে স্যান্ডেল ও হিজাব পরে দেখা যায়। ঘটনায় প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত হিন্দু ভক্ত ও পর্যটকদের আপত্তির পর ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ধর্মীয় রীতি ও উপাসনালয়ের মর্যাদা নিয়ে তীব্র জনমতও তৈরি হয় (Roundup Week)। মাদিকেরির কোদাগু জেলার হেরুর এলাকায়ও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এলাকার একটি আদিবাসী কলোনিতে নির্মিত একটি ভবন থেকে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপ চালানোর তোড়জোড় করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, তামিলনাড়ু থেকে একদল খ্রিস্টান ওই ভবনের উদ্বোধনে এলে স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানান। প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি মান্ডোডি জগন্নাথের নেতৃত্বে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ

    পুনের ধানোরি এলাকার একটি ঘটনা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত জমি অবৈধভাবে দখল এবং আদালতের নির্দেশে পুনর্দখল ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা এটি। অভিযোগ, জনৈক ইলাহি শেখ প্রায় ১০ বছর ধরে এক হিন্দু মালিকানাধীন জমি দখল করে রেখেছিলেন। আদালতের নির্দেশে জমির মালিক ফের জমির দখল নিতে গেলে শুরু হয় অশান্তি। অভিযোগ, শেখ ও তাঁর দলবল ওই হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ চালায়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের প্রতিফলন

    বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত বলে দাবি করা হয়। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে অনেকে মনে করেন। এটি হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য প্রায়ই চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে অনেকেই (Roundup Week) এর উদাহরণ হিসেবে দেখান। আপাতভাবে এটি দূষণ সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ (Hindus Under Attack) এবং সেই নিষেধাজ্ঞার যুক্তির অভাব নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগও ওঠে।

     

  • PM Modi: রামনবমীতে রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন মোদি, করবেন পামবান রেল সেতুর উদ্বোধন

    PM Modi: রামনবমীতে রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন মোদি, করবেন পামবান রেল সেতুর উদ্বোধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৬ এপ্রিল রামনবমীর দিন তামিলনাড়ুর রামেশ্বরামের রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। এরপর তিনি উদ্বোধন করবেন পামবান রেল সেতুর। প্রসঙ্গত ভারতের প্রথম ‘ভার্টিকাল লিফট সি-ব্রিজ’ হল পামবান সেতু। সমুদ্রের ওপর তৈরি হওয়া সর্বাধিক দৈর্ঘ্যের সেতু এটি। এমনভাবে এই ব্রিজকে নির্মাণ করা হয়েছে যে উপরে ছুটবে ট্রেন আবার জাহাজ এলেই সরে যাবে সেতু।

    রামনবমীর পুণ্য তিথিতেই কেন সেতু উদ্বোধন?

    তবে রামনবমীর পুণ্য তিথিতেই এই সেতুর উদ্বোধন কেন? অনেকেই বলছেন, হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, রামেশ্বরম হল সেই জায়গা যেখানে ভগবান রামচন্দ্র এবং তাঁর সেনাবাহিনী মিলে তৈরি করেছিলেন রাম সেতু। এরপরেই রাবণের হাত থেকে মাতা সীতাকে উদ্ধার করা হয়। রামনবমীর পুণ্য তিথিতে রামানাথাস্বামী মন্দিরের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) যাওয়া এবং সেতু উদ্বোধন তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। দেশ জুড়ে রাম ভক্তদের মধ্যে এনিয়ে উন্মাদনাও ছড়িয়েছে।

    প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে রামেশ্বরাম বা পামবান দ্বীপকে জুড়তেই তৈরি হয়েছে নয়া এই রেলব্রিজ (Pamban Bridge)। সমুদ্রের উপরে তৈরি হওয়া নতুন সেতু উদ্বোধনে খরচ পড়েছে মোট ৫৪০ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই। এরপর কাজ শুরু ২০২০ সালের গোড়ার দিকে। পরবর্তীকালে করোনা মহামারীর কারণে কাজ বন্ধ থাকে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, গত মাসেই এই রেল সেতুতে প্রথম ট্রায়াল রানও সম্পন্ন হয়েছে। এবার আগামী মাসেই রামনবমীতে প্রধানমন্ত্রীর হাতে (PM Modi) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে এই সেতুর। জানা যাচ্ছে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় খুব সহজেই প্রতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার বেগে এই নতুন রেল সেতু হয়ে ছোটানো যাবে ট্রেনগুলি। একই সঙ্গে, জাহাজ পারাপার করানোর জন্য মাঝখান থেকে ১৭ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে যেতে পারে ব্রিজটি।

LinkedIn
Share