Tag: ramkrishna mission

ramkrishna mission

  • Sarada Math: সারদা মঠ এবং রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা হলেন প্রব্রাজিকা প্রেমপ্রাণা, জেনে নিন তাঁর সম্পর্কে

    Sarada Math: সারদা মঠ এবং রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা হলেন প্রব্রাজিকা প্রেমপ্রাণা, জেনে নিন তাঁর সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শ্রী সারদা মঠ (Sarada Math) এবং রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা নির্বাচিত হলেন প্রব্রাজিকা প্রেমপ্রাণা। চলতি বছরের মাসে এপ্রিলে প্রয়াত হন সারদা মঠ এবং রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের পঞ্চম অধ্যক্ষা, মঠের প্রবীণতম সন্ন্যাসিনী প্রব্রাজিকা আনন্দপ্রাণা মাতাজি। তাঁর ছেড়ে যাওয়া দায়িত্বই এবার কাঁধে তুলে নিলেন সন্ন্যাসিনী প্রব্রাজিকা প্রেমপ্রাণা  । 

    ১৯৬৪ সালে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের মাতৃভবনে যোগ (Sarada Math)

    প্রব্রাজিকা প্রেমপ্রাণার জন্ম ১৯৪০ সালে। তাঁর (Sarada Mission) মিশনে যুক্ত হওয়ার আগের নাম ছিল রূপালি। প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণার উদ্যোগে তিনি ১৯৬৪ সালে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের মাতৃভবনে যোগ দেন। এরপর ১৯৬৮ সালে প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণার মাতাজীর কাছে ব্রহ্মচর্য প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৩ সালে প্রব্রাজিকা মোক্ষপ্রাণার কাছে সন্ন্যাস দীক্ষা নেন তিনি। এর আগে কয়েক বছর (Sarada Math) সঙ্ঘের প্রধান কার্যালয়ে বিশেষ কিছু দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এবার খোলা হবে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’, ঘোষিত হল দিনক্ষণ

    ১৯৯০ সালে তিনি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের (Sarada Mission) গঙ্গারামপুর কেন্দ্রের দায়িত্ব নেন। নতুন কেন্দ্রে তুখোড় হাতে নানা দায়িত্ব সামলান তিনি। চলতি বছরের এপ্রিলে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সহ-অধ্যক্ষ হন প্রেমপ্রাণা।

    দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সন্ন্যাসিনীরা (Sarada Mission)

    ৩০ এপ্রিল আনন্দপ্রাণা মাতাজি দেহত্যাগ করেন। এরপর উল্টোরথের পুণ্যলগ্নে মঠের (Sarada Math) অধ্যক্ষার দায়িত্ব নেন প্রব্রাজিকা প্রেমপ্রাণা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত  ছিলেন সন্ন্যাসিনীরা। ভক্ত ও অনুগামীরা তাঁকে প্রণাম জানান। রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সপ্তম অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী শঙ্করানন্দজি মহারাজের মন্ত্রশিষ্যা ছিলেন প্রব্রাজিকা আনন্দপ্রাণা মাতাজি। প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণামাতাজির কাছে ব্রহ্মচর্য ও সন্ন্যাসদীক্ষা লাভ করেছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের স্বামীজীর শুভ জন্মতিথিতে সঙ্ঘাধ্যক্ষা পদে আসীন হন তিনি।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monks Protest Rally: “ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী”, কলকাতার রাজপথে সাধু-সন্তদের অভিনব মিছিল থেকে উঠল দাবি

    Monks Protest Rally: “ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী”, কলকাতার রাজপথে সাধু-সন্তদের অভিনব মিছিল থেকে উঠল দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কয়েক জন সাধুর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্যের অভিনব প্রতিবাদ সাধুদের। কলকাতার রাজপথে শুক্রবার এই মিছিলে হাঁটালেন কয়েক হাজার সাধু-সন্ত (Monks Protest Rally)। এদিন দুপুরে বঙ্গীয় সন্ন্যাসী সমাজের (Vishva Hindu Parishad) উদ্যোগে সন্ত অভিযান যাত্রার আয়োজন করা হল মহানগরে। বাগবাজারে অবস্থিত মা সারদার বাড়ি থেকে মিছিল শুরু হয়ে তা শেষ হয় বিবেকানন্দের জন্মভিটে সিমলা স্ট্রিটে।

    অভিনব প্রতিবাদ

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মিছিলের সাক্ষী হলেও  সাধু-সন্তদের এই ধরনের প্রতিবাদ মিছিল (Monks Protest Rally) আগে কোনওদিন দেখেনি মহানগর। মিছিলে যোগ দেওয়া প্রচুর সাধুকে এদিন খালি গায়ে ও খালি পায়ে হাতে খঞ্জনি এবং শঙ্খ বাজাতে বাজাতে কলকাতায় রাস্তায় হেঁটে যেতে দেখা গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সনাতন ধর্মের অপমান করেছেন বলেই তাঁদের দাবি। এদিন বিকেল ৩টেয় বাগবাজারের নিবেদিতা পার্কে সমাবেশ হয়। এরপর মায়ের বাড়ি থেকে গিরিশ অ্যাভিনিউ, বাগবাজার স্ট্রিট, শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় হয়ে বিধান সরণী দিয়ে বিবেকানন্দ রোডে স্বামীজির জন্মভিটেয় শেষ হয় সন্তদের পদযাত্রা। কলকাতায় বঙ্গীয় সন্ন্যাসী সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত সন্ত অভিযান যাত্রার অংশ নেওয়া সাধুরা তৃণমূল সুপ্রিমোর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে অবিলম্বে এই বিষয়ে তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া একজন সাধু অভিযোগ করেন, যেভাবে নির্বাচনী জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্তিক মহারাজের মতো মহান একজন সাধুর নামে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তা কখনই মেনে নেওয়া যায় না। নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখার জন্য তিনি যে মন্তব্য সাধুদের নামে করেছেন তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এরপরে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার কথাও জানান সাধু-সমাজ।

    আরও পড়ুন: এক মাস ধরে পরিকল্পনা শহরে, বাংলাদেশ সাংসদকে খুনের ঘটনা স্বীকার অভিযুক্তের

    কেন এই প্রতিবাদ

    এই সন্ন্যাসী সংক্রান্ত ঘটনাপ্রবাহের শুরু গত শনিবার, আরামবাগে। সেখানে মমতা রামকৃষ্ণ মিশন এবং ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কয়েক জন সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তৃতা করেছিলেন। বিশেষত, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কার্তিক মহারাজের নাম করে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্ট বসতে দেব না, সেই লোকটাকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তার কারণ, সে ‘ডাইরেক্ট পলিটিক্স’ করে দেশটার সর্বনাশ করছে।’’ তার পাল্টা হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন কার্তিক। দাবি জানিয়েছেন মমতার ক্ষমা চাওয়ার। এই প্রসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সর্বভারতীয় নেতা শচীন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, ‘‘এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই, ভোটেরও নয়। তবে, নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোট পাওয়ার জন্য যে ভাবে হিন্দু সাধু-সন্তদের হুমকি দেওয়া হয়েছে, তাতে বাংলার হিন্দু সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিষদ উদ্বিগ্ন। সমস্ত প্রতিষ্ঠান এবং মঠের সন্ন্যাসীরাও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং তার পরেই জলপাইগুড়িতে মিশনের উপর হামলার নিন্দা করেছেন। এর পরেই এই যাত্রার (Monks Protest Rally) সিদ্ধান্ত হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: অবশেষে ফিরলেন মহারাজরা! রামকৃষ্ণ মিশনের জমি দখলে শাসকদল ঘনিষ্ঠ মাফিয়ার নাম

    Siliguri: অবশেষে ফিরলেন মহারাজরা! রামকৃষ্ণ মিশনের জমি দখলে শাসকদল ঘনিষ্ঠ মাফিয়ার নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের ঘনিষ্ঠ ধীমান নামে এক জমি মাফিয়া শিলিগুড়িতে (Siliguri) রামকৃষ্ণ মিশনের জমি দখলের চেষ্টার মূল পান্ডা। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। কিন্তু, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রদীপ রায় এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় পুলিশ এ ব্যাপারে মুখ খুলতে চাইছে না। এদিকে ঘটনার চারদিন পর বৃহস্পতিবার সেভক রোডে রামকৃষ্ণ মিশনের সেবক হাউসে ফিরে আসেন মহারাজরা।

     কে এই ধীমান? (Siliguri)

    পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ধীমান নামে জনৈক জমি মাফিয়া কলকাতার বাসিন্দা। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে তার ওঠাবসা। সেই সুবাদে রাজ্য পুলিশকর্তাদের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তাই পুলিশ প্রশাসনকে হাতের পুতুল করে তিনি শিলিগুড়িতে অনেকদিন ধরেই জমির অবৈধ কারবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আর জমির এই অবৈধ করাবারের সুবিধার জন্য শিলিগুড়িতে (Siliguri) তিনি একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। মাঝে মধ্যে সেখানে এসে থাকেন।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কেন রামকৃষ্ণ মিশনের জমি দখলের চেষ্টা?

    আইনি জটিলতা, পারিবারিক কলহ থাকা জমির ওপর নজর ধীমান নামে ওই ব্যক্তির। শিলিগুড়িতে তাঁর একাধিক এজেন্ট বা গুন্ডা রয়েছে। তাদের দিয়েই জমি দখল নেওয়া হয়। রামকৃষ্ণ মিশনের জমি দখলের কাজে তিনি প্রদীপ রায়কে ব্যবহার করেছিলেন। অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে, প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে জমির দখল নেওয়া হয়। শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের প্রাণকেন্দ্র সেভক রোডের ধারে যেখানে রামকৃষ্ণ মিশনের জমি রয়েছে সেখানে এক কাঠা জমির দাম কোটি টাকারও বেশি। রামকৃষ্ণ মিশনের এখানে প্রায় দু’একর জমি রয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে এই জমির মোট মূল্য ১০০কোটি টাকারও বেশি। পুলিশ জানিয়েছে এই জমিটি রামকৃষ্ণ মিশনের।

    ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের একাংশের মদত রয়েছে!

    শিলিগুড়ি (Siliguri) মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি দীপক সরকার বলেন, জমিটি প্রথমে টুকরে সিং বলে এক ব্যক্তির ছিল। তিনি ওই জমি হরদওয়াল সিং গিল নামে আরেকজনের কাছে বিক্রি করেন। হারদওয়াল সিং গিল পরেওই জমি এসকে রায় নামে একজনকে বিক্রি করেন। সেই ব্যক্তির উত্তরাধিকার না থাকায় জমিটি রামকৃষ্ণ মিশনকে দান করেন। তবে, মিউটেশন না হওয়ায় সরকারি নথিতে জমিটির মালিক এখনও টুকরে সিংকে দেখাচ্ছে। এখানেই প্রশ্ন, এতদিন পর কীভাবে প্রদীপ রায় ও সঙ্গীরা এখবর পেল। অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফরের একাংশ  এধরনের জটিল জমির খবর জমি মাফিয়াদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। ধীমান নামে জনৈক ব্যক্তি এই ধরনের জমির খোঁজে থাকেন। 

    অবশেষে সেবকে রামকৃষ্ণ মিশনে ফিরলেন মহারাজ

    বৃহস্পতিবার রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ ভক্তিনগর থানার আইসি’র নেতৃত্বে মিশনের ভেতরে প্রবেশ করেন। মিশনের জমির দ্বায়িত্ব মহারাজের হাতে তুলে দেওয়া হয়।  জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক শিব প্রেমানন্দ মহারাজ বলেন, সেবক হাউস থেকে ফের আগের মতো আমাদের মিশনের বিভিন্ন কাজ শুরু করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share