Tag: Ranji Trophy

Ranji Trophy

  • Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ‘মন কি বাতে’ও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ায় দিনের পর দিন বেড়ে চলা অস্থিরতা এবং তার জেরে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের প্রসঙ্গ। ২৯ মার্চ, রবিবার সম্প্রচারিত হল প্রধানমন্ত্রীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর (Mann Ki Baat) ১৩২তম পর্ব। এই পর্বেই তিনি ফোকাস করেন পশ্চিম এশিয়ার অশান্ত পরিস্থিতির ওপর।

    মন কি বাতে কোভিড প্রসঙ্গ (Mann Ki Baat)

    কোভিড-১৯ অতিমারির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, বিশ্ব আশা করেছিল যে এই বৈশ্বিক সঙ্কট কাটিয়ে উঠে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন সংঘাত দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবাই মনে করতে পারি যে কোভিডের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে পুরো বিশ্ব নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। আমরা সবাই আশা করেছিলাম যে করোনা সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসার পর বিশ্ব নতুন করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিভিন্ন অঞ্চলে বারবার সৃষ্টি হয়েছে যুদ্ধ ও সংঘাতের পরিস্থিতি।” সঙ্কটের সময় উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসরত এক কোটিরও বেশি ভারতীয়কে সাহায্য করার জন্য ওই দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গ জ্বালানি সঙ্কট

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে যে প্রভাব পড়েছে, তাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, ভারতের জ্বালানির একটি বড় অংশই আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে অঞ্চলে বর্তমানে যুদ্ধ চলছে, সেটি আমাদের জ্বালানি চাহিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেল নিয়ে সঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Mann Ki Baat)।” তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের সহযোগিতার ফলে ভারত এই জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে পেরেছে। ভারতবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, কঠিন সময়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে। গুজবেও যেন বিশ্বাস না করে। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমার দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানাই—আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তারা দেশের বড় ক্ষতি করছে। আমি সকল নাগরিককে সতর্ক থাকার এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। শুধু সরকারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভরসা রাখুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন (PM Modi)।”

    টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে খুব খুশি প্রধানমন্ত্রী

    আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “যেভাবে আমরা অতীতে ১৪০ কোটি মানুষের শক্তিতে বিভিন্ন সঙ্কট পেরিয়ে এসেছি, তেমনি এবারও আমরা সবাই মিলে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব।” প্রধানমন্ত্রী ‘জ্ঞান ভারতম সার্ভে’ উদ্যোগ সম্পর্কেও বলেন। এর লক্ষ্য হল, দেশজুড়ে বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ ও নথিভুক্ত করা। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষও জ্ঞান ভারতম অ্যাপের মাধ্যমে এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারেন—পাণ্ডুলিপির ছবি বা সংশ্লিষ্ট তথ্য আপলোড করে।” ‘মাই ভারত (MY Bharat)’ উদ্যোগের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর লক্ষ্য দেশের যুবসমাজকে বাজেট প্রক্রিয়া ও নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করা। এই উদ্যোগের আওতায় আয়োজিত কুইজে প্রায় ১২ লাখ যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেছিল (Mann Ki Baat)। কুইজের পর ১ লাখ ৬০ হাজারের কাছাকাছি অংশগ্রহণকারীকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে তিনি যে যারপরনাই খুশি, তা গোপন করেননি প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাত দশক পর রঞ্জি ট্রফি জয়ের জন্য জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট দলকেও অভিনন্দন জানান তিনি (PM Modi)।

     

  • Ranji Trophy: মধ্যপ্রদেশকে হারিয়ে রনজি ফাইনালে বাংলা! প্রতিপক্ষ সৌরাষ্ট্র 

    Ranji Trophy: মধ্যপ্রদেশকে হারিয়ে রনজি ফাইনালে বাংলা! প্রতিপক্ষ সৌরাষ্ট্র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবছরের রনজি (Ranji Trophy) সেমিফাইনালে মধ্যপ্রদেশের কাছে হেরেছিল বাংলা। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ঠিক যেন মধুর প্রতিশোধ। গত বছর ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে বাংলাকে হারিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ, উঠেছিল ফাইনালে। এবার সেই ইন্দোরেই গতবারের রনজি (Ranji Trophy) চ্যাম্পিয়ন মধ্যপ্রদেশকে ৩০৬ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠল বাংলা।

    রনজি (Ranji Trophy) সেমিফাইনালের সারকথা

    জয়ের জন্য ৫৪৮ রানের লক্ষ্য ছিল, অথচ মধ্যপ্রদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হল ২৪১ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ৬০ রান করার পাশাপাশি ৫ উইকেট তুলে নেন বাংলার প্রদীপ্ত প্রামানিক।
     চতুর্থ দিনের শেষে বাংলা এগিয়ে গিয়েছিল ৫৪৭ রানে। একদিনে মধ্যপ্রদেশের পক্ষে ৫৪৮ রান তোলা সহজ ছিলনা। মধ্যপ্রদেশ দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করে। কিন্তু এত বিশাল টার্গেটের অনেকটা আগে নিঃশেষ হয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ব্যাটিং।

    আরও পড়ুন: রবিবার মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান, কখন ও কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    প্রথম ইনিংসে বাংলা তুলেছিল ৪৩৮ রান। জবাবে মধ্যপ্রদেশ প্রথম ইনিংসে তুলেছিল মাত্র ১৭০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে বাংলা রান ছিল ১১৯ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৯। 

    জয়ের জন্য মধ্যপ্রদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৪৮। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন মধ্যপ্রদেশের ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু ৩৯.৫ ওভারে ২৪১ রানে গুটিয়ে যায় তাদের দ্বিতীয় ইনিংস। সর্বোচ্চ রান করেন রজত পতিদার। তিনি ৫৮ বলে করেন ৫২। অধিনায়ক আদিত্য শ্রীবাস্তব করেন ২৯, যশ দুবে ৩০ বেঙ্কটেশ আয়ার করেন ১৯, শুভম শর্মা ২৪। শেষ দিকে ১২ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন অনুভব আগরওয়াল। 

    অন্য সেমিফাইনালটিতে কর্ণাটককে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠল সৌরাষ্ট্র। প্রথম ইনিংসে কর্ণাটক তুলেছিল ৪০৭। জবাবে সৌরাষ্ট্র তোলে ৫২৭।
    ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলা এবং সৌরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Mayank Agarwal: বিমানে পানীয় গ্রহণের পরেই অস্বস্তি, ম্যাচ খেলে ফেরার পথে অসুস্থ মায়াঙ্ক 

    Mayank Agarwal: বিমানে পানীয় গ্রহণের পরেই অস্বস্তি, ম্যাচ খেলে ফেরার পথে অসুস্থ মায়াঙ্ক 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরা থেকে রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy 2024) ম্যাচ খেলে ফিরছিল কর্ণাটক। আগরতলা থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানে উঠেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ভারতের তারকা ক্রিকেটার মায়াঙ্ক আগরওয়াল (Mayank Agarwal)। তাঁর গলা-বুক জ্বালা করতে থাকে। দ্রুত মায়াঙ্ককে আগরতলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ত্রিপুরা ক্রিকেট সংস্থার সচিব বাসুদেব চক্রবর্তী জানান, মায়াঙ্ক জলের বোতল ভেবে এমন কিছু পান করে ফেলেন, যার পর থেকে তার গলা-বুক মারাত্মক জ্বালা করতে থাকে। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর তিনি দেখেন মায়াঙ্কের মুখ পুরো ফুলে রয়েছে। তখন মায়াঙ্ক কথা বলার মত অবস্থায় ছিল না। পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। তৎক্ষণাৎ তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

    কবে ছাড়া পাবেন মায়াঙ্ক

    কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা (Karnataka State Cricket Association) সূত্রে খবর, এই ঘটনার পর দলের ম্যানেজার রমেশ রাও পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উক্ত জলের বোতল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। চিকিৎসকের বক্তব্য আপাতত সঙ্কট মুক্ত মায়াঙ্ক আগরওয়াল (Mayank Agarwal)। তবে গলায় স্বর আসতে দিন দু’য়েক মতো সময় লাগতে পারে। যদিও এই ব্যাপারে মুখ খুলতে চাননি কর্ণাটক দলের ম্যানেজমেন্ট। কর্ণাটক রঞ্জি ট্রফি দলের অধিনায়ক মায়াঙ্ক। 

    শীর্ষে কর্ণাটক

    ত্রিপুরার বিরুদ্ধেরঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy 2024) এক লো স্কোরিং ম্যাচের প্রথম ইনিংসে অধিনায়ক ময়ঙ্ক দুরন্ত অর্ধশতরান হাঁকান। কিষাণ বেদারে এবং বিজয়কুমার বিশাখও হাফসেঞ্চুরি করেন। এই তিন অর্ধশতরানের সুবাদে কর্ণাটক ২৪১ রান তোলে। জবাবে ঋদ্ধিমান সাহার নেতৃত্বাধীন ত্রিপুরা ২০০ রানেই অল আউট হয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে কর্ণাটককে মাত্র ১৫১ রানে অল আউট করার পর ত্রিপুরার জয়ের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছিল। দলের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সুদীপ চট্টোপাধ্যায় অনবদ্য ৮২ রানের ইনিংসও খেলেন। তা সত্ত্বেও মাত্র ১৬৩ রানে অল আউট হয়ে যায় ত্রিপুরা। বিশাখ তিন ও কাভেরাপ্পা চার উইকেট নেন। ২৯ রানে জয় পায় কর্ণাটক। এই জয়ের সুবাদে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকায় শীর্ষেই রয়েছে কর্ণাটক। তাদের পরবর্তী ম্যাচ রয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখ রেলওয়েজের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranji Trophy: মনোজের দুরন্ত ইনিংস! জয় দিয়েই রঞ্জি অভিযান শুরু বাংলার

    Ranji Trophy: মনোজের দুরন্ত ইনিংস! জয় দিয়েই রঞ্জি অভিযান শুরু বাংলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয় দিয়েই রঞ্জি ট্রফির অভিযান শুরু করল বাংলা। দুরন্ত ইনিংস উপহার দিলেন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। শুক্রবার, শেষ দিনে বাংলাকে জিততে হলে করতে হতো ১০১ রান, হাতে ছিল ৮ উইকেট। এদিন ২ উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলা। অর্ধশতরান করেন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি, কৌশিক দাস ও অনুষ্টুপ মজুমদার। দুই ইনিংস মিলিয়ে সাত উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন ঈশান পোড়েল।

    ম্যাচের হাল হাকিকত 

    টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল বাংলা। প্রথম ইনিংসে উত্তরপ্রদেশ তোলে ১৯৮ রান। জবাবে খেলতে নেমে বাংলার প্রথম ইনিংস থেমেছিল ১৬৯ রানে। প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার লাভ অবশ্য তুলতে পারেনি উত্তরপ্রদেশ। বাংলার বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্সের জেরে ২২৭ রানে শেষ হয় উত্তরপ্রদেশের দ্বিতীয় ইনিংস।  রিঙ্কু সিংহ ৮৯ রান করেন। শতরানের কাছে এসেও ব্যর্থ হন তিনি। আকাশদীপ নাথ করেন ৫৩ রান। বাকি আর কোনও ব্যাটার সে ভাবে রান করতে পারেননি। শেষ বেলায় শিবম শর্মা ৩১ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলার হয়ে আকাশ নেন তিনটি উইকেট। দু’টি করে উইকেট নেন ঈশান পোড়েল, প্রীতম চক্রবর্তী এবং সায়নশেখর মণ্ডল। একটি উইকেট নেন শাহবাজ আহমেদ। বোলাররা দাপট দেখালেও কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলা রিঙ্কুকে থামাতে পারেনি বাংলা। তাঁর ব্যাটের দাপটেই বাংলার সামনে জয়ের জন্য ২৫৭ রানের লক্ষ্য রাখে উত্তরপ্রদেশ। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজে অনিশ্চিত জাদেজা, শামি! পরিবর্তে ভারতের হয়ে খেলবেন কে?

    সেই রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আউট হন অভিষেক দাস। ৯ রান করে আউট হন শিবম মাভি। সুদীপ কুমার আউট হন ২২ রান করে। তাঁর উইকেটটিও নেন মাভি। ৬১ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাকে রানে ফেরান কৌশিক এবং অনুষ্টুপ। শেষ বেলায় অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন মনোজ। ১০৮ বলে ৬০ রানে অপরাজিত রইলেন, তাঁর ইনিংস সাজানো সাতটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে। বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন ভারতের টেস্ট দলে থাকায় মনোজ ইউপি ম্যাচে নেতৃত্ব দিলেন বাংলাকে। বারবারেই তিনি বলে থাকেন, অবসরের আগে বাংলাকে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন করাতে চান। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপ পার করলেন। মনোজের সঙ্গে ৫ বলে ২ রান করে অপরাজিত থাকেন শাহবাজ আহমেদ। শিবম মাভি ২টি এবং অঙ্কিত রাজপুত ও রিঙ্কু সিং একটি করে উইকেট দখল করেন। লক্ষ্মীরতন শুক্লা বাংলার হেড কোচ হিসেবে এদিনই প্রথম রঞ্জি ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Ranji Trophy: ভাঙল ১২৯ বছরের রেকর্ড! প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনন্য কীর্তি বাংলার

    Ranji Trophy: ভাঙল ১২৯ বছরের রেকর্ড! প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনন্য কীর্তি বাংলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রঞ্জি ট্রফি (Ranji Trophy) ২০২১-২২ এর কোয়ার্টার ফাইনালের তৃতীয় দিনে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে অনন্য কীর্তি গড়ে তুলল বাংলার ছেলেরা। রঞ্জি ট্রফির প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলার প্রথম ৯ ব্যাটারই পঞ্চাশ বা তাঁর বেশি রান করেছেন। ১৮৯৩ সালে অক্সফোর্ড-কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে ইংল্যান্ড সফররত অস্ট্রেলিয়া দলের প্রথম ৮ ব্যাটার সকলেই ৫০-র বেশি রান করেছিলেন। এবার সেই রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেল বাংলা। প্রথম ৯ ব্যাটারই পঞ্চাশের বেশি রান করলেন।

    আরও পড়ুন:আজ শুরু ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার টি-২০ সিরিজ, নজরে কারা?

    অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অভিষেক রমণ দুজনেই ধীরগতিতে খেলতে শুরু করলেও পরে সুদীপ ঘরামি (Sudip Kumar Gharami) ও অনুষ্টুপ মজুমদার দুজনেই শতরান করেন। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলার হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন সুদীপ ঘরামী। ১৮৬ রান করেন তিনি। অনুষ্টুপ মজুমদার (Anustup Majumdar) করেন ১১৭ রান। এর পাশাপাশি আরও ৭ ব্যাটার অর্ধশতরান করেন। অভিষেক রমণ (Abhishek Raman) ৬১, অভিমন্যু ঈশ্বরণ (Abhimanyu Easwaran) ৬৫, মনোজ তিওয়ারি (Manoj Tiwary) ৭৩, অভিষেক পোড়েল (Abhishek Porel) ৬৮, শাহবাজ আহমেদ (Shahbaz Ahmed) ৭৮, সায়নশেখর মণ্ডল (Sayansekhar Mondal)  ৫৩ রান এবং আকাশদীপ (Akash Deep) ৫৩ রান করেন। তিনি আটটি ছক্কা মারেন। আকাশ দীপের দুর্দান্ত পারফরমেন্স এদিন সবার নজর কেড়েছে। আকাশ দীপ ৮টি ছক্কার সাহায্যে মাত্র ১৮ বলে ৫৩ রান করেন। সায়ন ৫৩ রানের পর ৩টি উইকেট নিতে পেরেছেন ও বাকি দুটি উইকেট নেন শাহবাজ। এদিন বাংলা, কোয়ার্টার ফাইনালে সাত উইকেট হারিয়ে ৭৭৩ রান করে। 

    আরও পড়ুন: জোড়া গোল সুনীল ছেত্রীর, কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে জয় ভারতের

    আগামী ১৪-১৮ জুনের মধ্যে রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনাল ম্যাচ আয়োজন করা হবে। আর ২২-২৬ জুন  রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল ম্যাচটি বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে (Chinnaswamy Stadium) আয়োজন করা হবে। তবে এবারের রঞ্জি ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে বাংলার প্রবল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে আর সেদিকে তাকিয়েই দেশের মানুষ।

     

     

LinkedIn
Share