Tag: Rashtriya Swayamsevak Sangh

Rashtriya Swayamsevak Sangh

  • Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত আক্রমণ। দেশ কিংবা বিদেশ সর্বত্রই এমনতর ঘটনা ঘনঘন এবং নিরন্তর চলছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই (Hindus Under Attack) নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, আক্রমণ, মন্দির-মূর্তির অবমাননা, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি অভূতপূর্ব হিন্দু বিদ্বেষের পরিচায়ক (Roundup Week)।

    ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে (Hindus Under Attack)

    গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত পর্বে আমরা এমন কিছু ঘটনার ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ছবিটা। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে। তারা ভারতের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম প্রায়ই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা আদতে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

    ইমরান শেখ গ্রেফতার

    দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ভুবনেশ্বর থেকে ইমরান শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, সে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে অভিযোগ। ২২ বছর বয়সী শেখকে ওড়িশার রাজধানীর ইউনিট-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি বহুজাতিক আইটি সংস্থায় যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে সেখানে ঢুকে দেখেন, হিন্দু মহিলা কর্মীরা হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অভিযানে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। মোট ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’

    কলকাতার ভবানীপুরে ভোলানন্দ গিরি আশ্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অসীম বসু ঢুকে পড়ে সেখানকার সাধুদের জোর করে বের করে দেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধুদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আশ্রমের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)। দিল্লির ত্রিনগরে একটি ‘লাভ জেহাদ’ মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী ও বছর চৌত্রিশের এক মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে ‘সৌরভ রাইডার’ নামে পরিচয় দিয়েছিল। তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক। পড়াতে গিয়ে ওই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব আজও রয়ে গিয়েছে, যা এই ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয় (Roundup Week)। দীপাবলিতে পটকা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। একে পরিবেশ বাঁচানোর কারণ বলে মনে করিয়ে দিয়ে  হয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং দ্বৈত মানদণ্ডের ইঙ্গিত দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জের তারকা অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh)। তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শুক্রবার তিনি গিয়েছিলেন নাগপুরে, বিজেপির সদর কার্যালয়ে (Mohan Bhagwat)।  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অভিনেতা সাদা কুর্তা-পায়জামা পরেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছন ধুরন্ধরের তারকা। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান নাগপুরে, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানে তিনি ছিলেন ঘণ্টা দেড়েক।

    ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ (Ranveer Singh)

    জানা গিয়েছে, রণবীর আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতের সঙ্গে দেখা করেন। আলোচনা করেন তাঁর ছবিটি নিয়ে। তাঁকে সংগঠনের কাজকর্ম ও সেবামূলক উদ্যোগ সম্পর্কে জানানো হয়। রণবীর রেশিমবাগে অবস্থিত ড. হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরেও যান। সেখানে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেবি হেডগেওয়ার এবং সরসংঘচালক এমএস গোলওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সঙ্ঘের তরফে তাঁকে ওই দুই নেতার জীবন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। রণবীর সেখানে উপস্থিত কয়েকজন আরএসএস সদস্যের সঙ্গেও কথা বলেন। রণবীরের এই সফর এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯ মার্চ। রোজগার করেছে ১০০০ কোটি টাকারও বেশি (Ranveer Singh)।

    প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনার কড়া জবাব

    তবে, অনেকেই এই ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনা করেছেন (Mohan Bhagwat)। সম্প্রতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সমালোচকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন এবং ছবির পরিচালক আদিত্য ধর ও অভিনেতা রণবীর সিংকে সমর্থন করেন। ছবিটি দেখে তিনি প্রশংসাও করেন।

    তিনি লিখেছেন, “অনেক লেখক ও অভিনেতা প্রোপাগান্ডার ওপর কেরিয়ার গড়েছেন, আর ইন্ডাস্ট্রি চুপ করে থেকেছে। এখন একই দল ধুরন্ধরকে নিয়ে মজা করছে। আপনি নিজেকে লিবারাল বলতে পারেন না যদি আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় উপহাস করা। কবে থেকে সত্যকে প্রোপাগান্ডা বলা শুরু হয়েছে, জানি না… অদ্ভুত সময়। মূল কথায় আসি… আমি @আদিত্যধর ফিল্মস এবং @রণবীরঅফিসিয়ালকে বলতে চাই, এই খারাপ নজর এভাবে যাবে না… এক মুঠো লাল লঙ্কায় কাজ হবে না… পুরো ক্ষেত জ্বালাতে হবে (Mohan Bhagwat)। গত রাতে (Ranveer Singh) ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ দেখলাম… অসাধারণ ছবি (এসআইসি)।”

     

  • USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত নিয়ে আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের (USCIRF Report) সর্বশেষ রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করলেন ২৭৫ জন বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের একটি অংশ।  তাঁরা একে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত” বলে অভিহিত করেন। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের সেই সুপারিশের বিরোধিতা করেন, যেখানে ভারতকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” (country of particular concern) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরএসএস (RSS) এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান (Former Judges Officers) করে দিয়েছে। তারা একে “প্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে।

    বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা (USCIRF Report)

    এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল বিচারপতি বিষ্ণু সদাশিব কোকজে, প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াত এবং সুনীল অরোরা, প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিবাল-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ১৩০-এরও বেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তা। তাঁরা ইউএসসিআইআরএফ কমিশনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রতিবেদনে ব্যবহৃত পদ্ধতি – উভয়েরই সমালোচনা করেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় স্বাধীনতার মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যাগত প্রবণতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত, নির্বাচিত বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনার ওপর নয়।

    জনগণনার তথ্য

    স্বাক্ষরকারীরা জনগণনার তথ্য তুলে ধরে জানান, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৫১ সালে ৯.৮ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে ১৪.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে খ্রিস্টান ও শিখ জনসংখ্যা যথাক্রমে ২.৩ শতাংশ ও ১.৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অবিভক্ত (USCIRF Report) পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২০-২২ শতাংশ থেকে বর্তমানে পাকিস্তানে প্রায় ১.৫-২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৭-৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভারতে সামগ্রিক পরিবেশ এমন নয় যা সংখ্যালঘুদের ধারাবাহিক জনসংখ্যা হ্রাস করে, যা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়ন বা ব্যবস্থাগত বর্জনের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়।

    ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বানের বিরোধিতা

    স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বান, যার মধ্যে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং যাতায়াতের বিধিনিষেধও অন্তর্ভুক্ত, তারও তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা এসব সুপারিশকে “অত্যন্ত প্রণোদিত” এবং “বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব ও বিকৃত সিদ্ধান্তের (USCIRF Report) প্রতিফলন” আখ্যা দেন। তাঁরা এও বলেন, ইউএসসিআইআরএফ বারবার ভারতীয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে। যদিও তাঁরা স্বীকার করেন, আরএসএসের মতো সংগঠন সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, তবে এই সমালোচনা অবশ্যই “যাচাইযোগ্য প্রমাণ ও প্রাসঙ্গিক বোঝাপড়ার” ভিত্তিতে হওয়া উচিত, সরলীকরণের ওপর নয়।

    স্বাক্ষরকারীরা ভারতকে একটি “মজবুত গণতন্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থা ও সংসদীয় কাঠামো রয়েছে। তাঁরা মার্কিন সরকারকে ইউএসসিআইআরএফের রিপোর্টের ভিত্তি (Former Judges Officers) এবং এর যাথার্থ পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এই অঞ্চলে ধর্মীয় স্বাধীনতার যে কোনও অর্থবহ মূল্যায়নের জন্য আরও নিরপেক্ষ, দীর্ঘমেয়াদি এবং ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা জরুরি (USCIRF Report)।

     

  • RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) বিস্তার মানেই জাতীয় ভাবনার বিস্তার—এমনটাই মন্তব্য করলেন সংঘের অখিল ভারতীয় সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। পানিপথে তিন দিনব্যাপী অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দেশের নাগরিকদের ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি। তিনি আরও জানান, গত এক বছরে সংঘের সাংগঠনিক বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রায় ছয় হাজার নতুন শাখা যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে শাখার সংখ্যা ৮৮ হাজারেরও বেশি হয়েছে। শাখা পরিচালিত হওয়া স্থানের সংখ্যাও বেড়ে ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক মিলন ও মণ্ডলীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ” হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি”।

    আন্দামান থেকে অরুণাচল বেড়েছে সংগঠন

    দত্তাত্রেয় হোসাবালে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “সংগঠনের (RSS) বিস্তার শুধু সংখ্যায় নয়, ভৌগোলিক ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। আন্দামান, অরুণাচল প্রদেশ, লেহ এবং দূরবর্তী আদিবাসী এলাকাতেও এখন সংঘের শাখা চলছে।” সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলেও তিনি জানান। আন্দামানে নয়টি দ্বীপ থেকে ১৩ হাজারের বেশি মানুষ একটি হিন্দু সম্মেলনে অংশ নেন। একইভাবে কম জনঘনত্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে ২১টি হিন্দু সম্মেলনে ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেন।

    হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি

    তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, সংগঠনের বিস্তারের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সংঘ (RSS)। “পঞ্চ পরিবর্তন” ধারণার মাধ্যমে সামাজিক মান ও মূল্যবোধ উন্নত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, ভারতীয়তা বা হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি। হোসাবালে জানান, জাতপাত বা সম্প্রদায়ের বিভেদ ভুলে মহান ব্যক্তিত্বদের অবদানকে সম্মান জানানো উচিত। সেই ভাবনা থেকেই ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর উদ্‌যাপন করা হয়েছে। আগামী বছরে সন্ত রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা

    তিনি জানান, আগামী বছরে সংঘের (RSS) পক্ষ থেকে মোট ৯৬টি প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হবে, যার মধ্যে ১১টি আঞ্চলিক এবং একটি নাগপুরে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নাগরিকদের বাড়ির ছাদে সবজি চাষ এবং দেশি গরুর গোবর থেকে তৈরি সার ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পলিথিন ব্যবহার কমানো ও জল সংরক্ষণের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ‘সবুজ বাড়ি’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের কাঠামোতেও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমান ৪৬টি প্রান্তের পরিবর্তে ছোট ইউনিট ‘সম্ভাগ’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সম্ভাগের সংখ্যা ৮০-এর বেশি হতে পারে। এক প্রশ্নের উত্তরে হোসাবালে বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটারদের কেবল জাতপাতের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমকেও দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দেশের সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসাও করেন এবং বলেন, সংঘ বিশ্বে শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষে।

    স্বয়ংসেবক কারা?

    তিনি আরও জানান, সংঘ (RSS) কোনও সম্প্রদায় বা উপাসনা পদ্ধতির বিরোধিতা করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার সংঘ প্রতিষ্ঠার সময় এমনই ভাবনা পোষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে এম এস গোলওয়ালকরও বলেন, সব মানুষের পূর্বপুরুষ এক এবং উপাসনার পদ্ধতির ভিন্নতা বিভেদ সৃষ্টি করে না। তৃতীয় সরসংঘচালক বালাসাহেব দেওরসও মত দেন, যারা ভারতকে মাতৃভূমি হিসেবে মানেন এবং ভারতীয়তার চেতনায় জীবনযাপন করেন, তারাই হিন্দু। দত্তাত্রেয় হোসাবালে বলেন, সমাজের কল্যাণে যে কেউ কাজ করলে তাকে সংঘের স্বয়ংসেবক হিসেবেই দেখা হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরে সংঘের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলেও তিনি জানান। তিনি জানান, গুরু তেগবাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস উপলক্ষে সারা দেশে দুই হাজারের বেশি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে সাত লক্ষেরও বেশি মানুষ অংশ নেন।

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • RSS: জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    RSS: জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর কাছে জাতপাত, ভাষা ও সম্পদের ভিত্তিতে বিভাজনের মানসিকতা ছেড়ে ঐক্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন আরএসএসের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, গোটা দেশটাই সবার, এবং এই ভাবনাই প্রকৃত সামাজিক সম্প্রীতির ভিত্তি। ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার সোনপাইরি গ্রামে আয়োজিত এক হিন্দু সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, প্রকৃত সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হল মানুষের মন থেকে বৈষম্যের বোধ দূর করা। দেশকে দেখতে হবে ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে। মন্দির, জলাশয় ও শ্মশানঘাটের মতো জনসাধারণের পরিকাঠামো সব হিন্দুর জন্যই উন্মুক্ত থাকা উচিত।

    এই দেশ সবার (RSS)

    ভাগবত বলেন, “এই দেশ সবার। এই অনুভূতিই প্রকৃত সামাজিক সম্প্রীতি। কাউকে জাত, সম্পদ, অঞ্চল বা ভাষার ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়।” তিনি সবাইকে একে অপরকে নিজের লোক হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে তিনি ‘সামাজিক সমরসতা’ (Samajik Samrasta) বলে অভিহিত করেন। পারিবারিক বন্ধন পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। সরসংঘচালকের মতে,  প্রতিটি পরিবারে অন্তত সপ্তাহে এক দিন সবাইর একসঙ্গে সময় কাটানো উচিত। এক সঙ্গে খাবেন, প্রার্থনা করবেন ও অর্থপূর্ণ আলোচনাও করবেন। এই ধরনের আলোচনাকে তিনি ‘মঙ্গল সংলাপ’ (Mangal Samvad) বলে উল্লেখ করেন।আধুনিক জীবনে একাকীত্বের ক্রমবর্ধমান সমস্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভাগবত বলেন, পরিবারের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে মানুষ ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, “মানুষ যখন একা (RSS) অনুভব করে, তখনই অনেক সময় কু-অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা ও যোগাযোগ এই প্রবণতা রোধ করতে পারে।”

    ‘কুটুম্ব প্রবোধন’

    ‘কুটুম্ব প্রবোধনে’র (Kutumb Prabodhan) উল্লেখ করে প্রত্যেক নাগরিককে আত্মসমালোচনার আহ্বানও জানান ভাগবত। প্রতিদিন কে, কতটা সমাজ ও দেশের জন্য সময় ও শ্রম দিচ্ছেন, তা ভেবে দেখার অনুরোধও করেন তিনি (Mohan Bhagwat)। ভাগবত বলেন, পারস্পরিক সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যের নামে কখনও সংঘাত বা বিবাদ হওয়া উচিত নয়। বিশ্ব উষ্ণায়ন ও পরিবেশগত ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আরএসএস প্রধান সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগত স্তর থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণ শুরু করার আহ্বান জানান (RSS)। তিনি জল সংরক্ষণ, বৃষ্টির জল সংগ্রহ, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমানো এবং আরও বেশি গাছ লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। ঘরে মাতৃভাষার ব্যবহার, ভারতীয় পোশাকের প্রতি সম্মান এবং ওষুধের মতো জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দেশীয় পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে স্বদেশিকে সমর্থন করার কথাও বলেন সরসংঘচালক।

    কী বললেন ভাগবত

    নাগরিক শৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়ে ভাগবত বলেন, সংবিধান মেনে চলা, প্রস্তাবনা (প্রিঅ্যাম্বল), মৌলিক কর্তব্য ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়মিত পাঠ করা জরুরি। এই মূল্যবোধগুলিকে বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা ও বিপন্নদের সাহায্য করার মতো ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আচরণের সঙ্গে সমন্বয় করে চলার আহ্বানও জানান তিনি। আরএসএসের যাত্রাপথের কথা উল্লেখ করে ভাগবত জানান, নাগপুরে একটি ছোট শাখা হিসেবে শুরু হওয়া এই সংগঠন আজ সারা ভারতে বিস্তৃত। তিনি বলেন, “আজ কাশ্মীর, মিজোরাম, আন্দামান, সিকিম, কচ্ছ থেকে শুরু করে ভারতের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—সব জায়গায়ই আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি রয়েছে।” এই বিস্তারের কৃতিত্ব তিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারকে দেন এবং তাঁর আজীবন ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। ভাগবতের মতে, ১০০ বছর পূর্ণ হওয়াটা (RSS) বড় সাফল্য নয়, বরং সারা দেশে সংঘের কাজ পৌঁছে যাওয়াই আসল অর্জন (Mohan Bhagwat)।

  • Akhil Bharatiya Samanvay Baithak: দক্ষিণবঙ্গের থেকে উত্তরে জোর, অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠকেও উঠল পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রেবেশের কথা

    Akhil Bharatiya Samanvay Baithak: দক্ষিণবঙ্গের থেকে উত্তরে জোর, অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠকেও উঠল পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রেবেশের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (Rashtriya Swayamsevak Sangh)-এর অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠকেও (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) উঠল পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রেবেশের কথা। রবিবার সমন্বয় বৈঠকের শেষ দিনে সাংবাদিক সম্মলনে সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকর জানান পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ ও নাগরিক নিরাপত্তা বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় আরএসএস-এর সভায়। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হিংসা হ্রাস ও উন্নয়নের ধারাকে ইতিবাচক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মণিপুরে সম্প্রতি সংঘটিত ঘটনাগুলিতে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রচেষ্টার প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা, সমাজ ও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় এই সভায়।

    দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর্যালোচনা

    শুক্রবার রাজস্থানের যোধপুরে আরএসএস-এর তিন দিনের সমন্বয় বৈঠক শুরু হয়, চলে রবিবার পর্যন্ত। এখানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়৷ দেশজুড়ে সঙ্ঘ পরিবারের যে ৩২টি শাখা রয়েছে, সেখানকার শীর্ষ পদাধিকারীরাও এই বৈঠকে এসেছিলেন। বৈঠকে পৌরোহিত্য করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত৷ বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা–সহ এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং প্রথম সারির বিজেপি নেতারা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সামনেই মোদি সরকারের কার্যকাল এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন সঙ্ঘের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ জাতীয় শিক্ষানীতি থেকে জনজাতি অঞ্চল উন্নয়নের বিষয়ও উঠে আসে আরএসএসের সভায়।

    দশমীর দিন শতবর্ষে পা আরএসএস-এর

    এই বছর দশমীর দিন শতবর্ষে পা দিচ্ছে আরএসএস৷ কী কী ভাবে তা দেশজুড়ে পালন করা হবে, তার রূপরেখাও চূড়ান্ত করা হয় এই বৈঠকে। দশমীর সকালে নাগপুরে সংঘের সদর দফতরে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের৷ শতবর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে বিশেষ প্রচারাভিযান চালানো হবে। আগামী বছরের বিধানসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন আরও মজবুত করার লক্ষ্যে অল আউট ঝাঁপানোর সিদ্ধান্ত নিল আরএসএস৷ রাজস্থানের যোধপুরে চলতে থাকা আরএসএস-র সমন্বয় বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংঘ পরিবার সূত্রে খবর৷ রাজ্যে আরএসএস-এর সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উত্তরবঙ্গকে৷ দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে আরও দক্ষ ও মজবুত সংগঠন প্রয়োজন বলেই মনে করছে সংঘ। পাশাপাশি রাজ্যের যে সব জেলায় সংঘের শাখা সব থেকে কম আছে, সেখানে অবিলম্বে শাখার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরএসএস৷

    বাংলায় আরএসএস-এর প্রচার

    গত ১০০ বছরে বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে সঙ্ঘ পরিবার কী ভাবে দেশ গড়ার কাজ করে গিয়েছে লাগাতার, তার বিবরণ তুলে ধরে সারা দেশে চালানো হবে বিশেষ প্রচার৷ দিল্লিতে দিন কয়েক আগেই সঙ্ঘের তরফে আয়োজিত ব্যাখ্যানমালার মাধ্যমে আরএসএস-র মত ও পথ তুলে ধরেছেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত৷ আগামী দিনে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘের মতাদর্শ তুলে ধরার লক্ষ্যে নির্ধারিত প্রচারাভিযানে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গ৷ সূত্রের দাবি, সরসংঘচালক ভাগবত নিজেই পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়ে সংঘের মতাদর্শ নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন৷ তার আগে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে পথে নামবেন আরএসএস-এর প্রচারকরা৷ সূত্রের দাবি, মহালয়ার দিন দেবীপক্ষের শুরুতেই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হবে প্রচারাভিযান৷ এর সঙ্গেই চালানো হবে নাগরিক সম্মেলন এবং গৃহ সম্পর্ক অভিযান৷ এই দু’টি প্রকল্পের মাধ্যমে পাড়ায় পাড়ায়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংঘ পরিবারের মতাদর্শ তুলে ধরবেন আরএসএস প্রচারকরা৷ প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারিতে উত্তর এবং দক্ষিণ— দুই বঙ্গে আলাদা ভাবে আয়োজিত হবে হিন্দু সম্মেলন, যেখানে অংশগ্রহণ করবেন সংঘের সর্বভারতীয় পদাধিকারীরা৷

    শিক্ষাক্ষেত্রকে গুরুত্ব

    ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিন দিনের এই বৈঠকে বিশেষভাবে শিক্ষাক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ, বিদ্যা ভারতী, শিক্ষা সংস্কৃতি উন্নয়ন ন্যাস, ভারতীয় শিক্ষা মণ্ডল ও অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদসহ একাধিক সংগঠন জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। সুনীল আম্বেকর জানান, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মাতৃভাষায় শিক্ষাদানে উৎসাহিত করতে ভারতীয় ভাষাগুলোর প্রসারে ইতিবাচক প্রচেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তক পুনর্লিখন ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভারতীয় জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার ভারতীয়করণের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা চলছে। ইংরেজির বিরোধিতা নয়, তবে ভারতীয় ভাষাগুলিকে শিক্ষা ও প্রশাসনে সম্মানজনক স্থান দিতে চায় আরএসএস। প্রাথমিক শিক্ষা মাতৃভাষায় হওয়া উচিত, এবং সমস্ত ভারতীয় ভাষার প্রতি সমান সম্মান থাকা উচিত, বলে মনে কর সংঘ।

    দেশের সামাজিক পরিস্থিতি

    সাংবাদিক সম্মেলনে দেশের সামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। পাঞ্জাবে যুবসমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি ও ধর্মান্তর প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেবা ভারতী ও বিদ্যার্থী পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত সচেতনতা ও পুনর্বাসন অভিযান সম্পর্কে তথ্য জানানো হয়। নারীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সুনীল আম্বেকর বলেন, ক্রীড়া ভারতী নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে যোগবিদ্যা ও অধ্যয়নের প্রসার ঘটাচ্ছে। তিনি জানান, অপারেশন সিন্দুর কর্মসূচির অধীনে ৮৮৭টি নারী-কেন্দ্রিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সংঘের কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। ধর্মান্তর, অনুপ্রবেশ ও কাশী-মথুরা ইস্যুতেও আলোচনা হয়। জানানো হয়, এ বিষয়গুলির সমাধান সংঘাত বা আন্দোলনের মাধ্যমে নয়, বরং আইনি প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে খোঁজা হবে। উপজাতি অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। বলা হয়, নকশাল ও মাওবাদী হিংসা অনেকটাই কমেছে, কিন্তু সমাজকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা এখনো চলমান। বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের হোস্টেল নির্মাণ ও উপজাতি অধিকার নিয়ে কাজ প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হয়। ভারতীয় সংস্কৃতি ও জাতীয় ভাবনাকে উপজাতি সমাজে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়। সংঘের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে পরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, পারিবারিক সচেতনতা, ও নাগরিক কর্তব্য নিয়ে বিশেষ কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

     

     

     

     

     

  • RSS: মুসলমান ইমাম ও পণ্ডিত আয়োজিত সভায় হাজির আরএসএসের মোহন ভাগবত

    RSS: মুসলমান ইমাম ও পণ্ডিত আয়োজিত সভায় হাজির আরএসএসের মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা বলে বেড়ান আরএসএস (RSS) মুসলমান বিরোধী, তাঁদের মুখে ফের একবার ঝামা ঘষে দিলেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত। বৃহস্পতিবার তিনি সাক্ষাৎ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৫০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট মুসলিম ধর্মীয় নেতা (Muslim Clerics) ও পণ্ডিতদের সঙ্গে। ২০২২ সালেই সংঘ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতা ও পণ্ডিতদের সঙ্গে আরএসএসের আলোচনা শুরু হয়েছিল। এদিনের সাক্ষাৎ তারই অংশ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। হিন্দু ও মুসলমানদের পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তাঁদের ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক হবে বলেও স্থির হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

    কী বললেন ইলিয়াস (RSS)

    এই বৈঠকের আয়োজন করেছিল অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশন। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠক হয় নয়াদিল্লির হরিয়ানা ভবনে। সভা কো-অর্ডিনেট করেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসি। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ইলিয়াসির আমন্ত্রণে ভাগবত নয়াদিল্লিতে অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশন পরিচালিত একটি মাদ্রাসা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই শুরু দু’পক্ষের মধ্যে আলাপ-আলোচনার। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ইলিয়াস বলেন, “এই সভাটি এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন আরএসএস তাদের শতবর্ষ উদযাপন করছে এবং অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশন তাদের ৫০ বছর পূর্তি পালন করছে। উভয় পক্ষ থেকেই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরুর একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভাগবতের মাদ্রাসা সফর ছিল তার প্রথম ধাপ, আর আজকের এই বৈঠক ভবিষ্যতে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে।”

    পুরোহিতদের সঙ্গে ইমামদের যোগাযোগ

    তিনি বলেন, “আজকের (RSS) বৈঠকে দেওবন্দ ও বরেলি-সহ বিভিন্ন উলেমা ও মাদ্রাসার ইমাম এবং মুফতিরা অংশ নিয়েছিলেন। ভগবতজির সঙ্গে ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে জাতীয় গুরুত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় এবং কীভাবে তৃণমূল পর্যায়েও এই আলোচনা করতে উৎসাহিত করা যায়, সেই বিষয়েও মত বিনিময় হয়।” ইলিয়াসি বলেন, “আজকের বৈঠকে স্থির হয়েছে, এই প্রক্রিয়া (আলাপ-আলোচনা) স্থায়ীভাবে চলবে। মানুষ যেহেতু ধর্মীয় নেতাদের কথা শোনেন, তাই আমরা মন্দিরের পুরোহিতদের সঙ্গে মসজিদের ইমামদের (Muslim Clerics) এবং গুরুকুল ও মাদ্রাসার মধ্যে যোগাযোগ শুরু করব। এতে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব (RSS) পড়বে। এবং তা হবে দেশের স্বার্থে পন্থীই।”

  • Prant Pracharak Baithak: আজ থেকে শুরু আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    Prant Pracharak Baithak: আজ থেকে শুরু আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে দিল্লিতে বসছে তিনদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক (Prant Pracharak Baithak)। দিল্লিতে আরএসএস-এর ভবন কেশব কুঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন সরসংঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। উপস্থিত থাকবেন সকল সহ-সরকার্যবাহ, কার্যবিভাগের প্রধান এবং আরএসএস-অনুপ্রাণিত ৩২টি সংগঠনের অখিল ভারতীয় সংগঠন সম্পাদক। এছাড়া দেশের সমস্ত প্রান্ত প্রচারক (Prant Pracharak Baithak), সহ-প্রান্ত প্রচারক এবং ক্ষেত্র প্রচারক এবং সহ-ক্ষেত্র প্রচারকরা হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গঠন অনুযায়ী ১১টি ক্ষেত্র এবং ৪৬টি প্রান্ত রয়েছে। এই সমস্ত ক্ষেত্রীয় প্রচারক ও প্রান্ত প্রচারকরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

    কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, বিশেষ করে সংঘের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবির নিয়ে। পরবর্তীকালে সেই শিবিরগুলি অনুষ্ঠিত হয় এপ্রিল, মে ও জুন মাসে। এরপরেই, প্রতিনিধি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলি কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আগামী বর্ষে সংঘের কর্মসূচি কী হবে, তা স্থির করতেই এই বৈঠক (Prant Pracharak Baithak) অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গিয়েছে। সংঘের তরফে জানানো হয়েছে, বৈঠকে মূলত সাংগঠনিক বিষয়গুলির উপর আলোকপাত করা হবে। এটি কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সভা নয়। আলোচনাগুলি বিভিন্ন প্রান্তে সাংগঠনিক কাজের অগ্রগতি এবং অভিজ্ঞতার চারপাশে আবর্তিত হবে।

    ২ অক্টোবর শতবর্ষে পা দিচ্ছে আরএসএস (RSS)

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ১০০ বছরে পা দিচ্ছে। ১৯২৫ সালের বিজয়া দশমীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই সংগঠন। চলতি বছরে বিজয়া দশমী পড়েছে ২ অক্টোবর। শতবর্ষ উপলক্ষে আরএসএস (RSS) একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, এই বিষয়েও আলোচনা হবে বৈঠকে। অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল অম্বেকর জানান, এই সভার মূল লক্ষ্য হল শতাব্দী বর্ষ (শতবর্ষ)। সমস্ত প্রান্ত প্রচারক এবং ক্ষেত্র প্রচারকরা নিজ নিজ রাজ্যে পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন। সেই রিপোর্ট জমা পড়বে। যা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। সভার (Prant Pracharak Baithak) পরে এই সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

    বিভিন্ন কার্যবিভাগের কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা

    মার্চ থেকে সারা দেশে ১০০টি প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি ৪০ বছরের কম বয়সি স্বয়ংসেবকদের জন্য এবং ২৫টি ৪০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে বয়সিদের জন্য। এই প্রশিক্ষণ শিবিরগুলির সময়, সেবা বিভাগ (পরিষেবা বিভাগ) সহ বিভিন্ন কার্য বিভাগগুলি বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এর পাশাপাশি, স্বয়ংসেবকরা স্থায়ী প্রকল্পের (স্থায়ী সেবা প্রকল্প) সঙ্গেও জড়িত এবং দুর্যোগের সময় ত্রাণ কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ, তারা পুরী জগন্নাথ রথযাত্রা এবং আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার সময় উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসেছিলেন। সভায় বিভিন্ন কার্যবিভাগের কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা করা হবে। প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি কীভাবে অনুষ্ঠিত হল (RSS), কত জন অংশগ্রহণ করেছেন এবং আগামী পরিকল্পনাগুলি কী কী, সেইসব বিষয়ে আলোচনা হবে বৈঠকে।

    শতাব্দী বর্ষে বছরব্যাপী উৎসব নিয়ে আলোচনা

    ২ অক্টোবর নাগপুরে বিজয়াদশমী উৎসবের মাধ্যমে সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে শতাব্দী বর্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় পুরো এক বছর চলবে শতাব্দী বর্ষের অনুষ্ঠান। একই দিনে, সারা দেশে শাখা, মণ্ডল এবং বস্তি (ইউনিট, সার্কেল এবং স্থানীয়) স্তরে উদযাপন করা হবে। স্বয়ংসেবকরা একটি গৃহ যোগাযোগ অভিযান (ঘরে-ঘরে যোগাযোগ অভিযান) পরিচালনা করবেন, যেখানে তারা বাড়ি বাড়ি যাবেন, সংঘ সাহিত্য (আরএসএস সাহিত্য) বিতরণ করবেন এবং আলোচনা করবেন।

    সারা দেশে নগর/খণ্ড (বিভাগ) স্তরে, সামাজিক সদ্ভাব বৈঠক (সামাজিক সম্প্রীতি সভা) আয়োজন করা হবে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ একত্রিত হয়ে সামাজিক কুফল দূর করে এবং সম্প্রীতি ও ঐক্য গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করবেন। এছাড়াও, জেলা কেন্দ্রগুলিতে (জেলা কেন্দ্রগুলিতে), প্রধান নাগরিক গোষ্ঠী (বিশিষ্ট নাগরিক সেমিনার) অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশগুলিতে হিন্দুত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং ভবিষ্যতের ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করা হবে। শতাব্দী বর্ষ উপলক্ষে যুবসমাজের অংশগ্রহণের উপর জোর দিয়ে বিশেষ কর্মসূচিও আয়োজন করা হবে।

    আরএসএস (RSS) নিয়ে যুবসমাজে উৎসাহ

    অম্বেকর বলেন, সংঘ সম্পর্কে জানতে এবং তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য সমাজে কৌতূহল এবং উৎসাহের এক দৃশ্যমান ঢেউ দেখা যাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক যুবক-যুবতী সংঘে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এই বছরের প্রশিক্ষণ বর্গে উল্লেখযোগ্যভাবে যুবসমাজের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাছাড়া, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে, “জয়েন আরএসএস” প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ২৮,৫৭১ জন অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করেছেন।

  • RSS: ৪ থেকে ৬ জুলাই দিল্লিতে বসছে আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক

    RSS: ৪ থেকে ৬ জুলাই দিল্লিতে বসছে আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক। সংঘ সূত্রে জানানো হয়েছে, এই বৈঠক শুরু হবে ৪ জুলাই এবং চলবে ৬ জুলাই পর্যন্ত। দিল্লিতে নির্মিত আরএসএস-এর ভবন কেশব কুঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। সেখানে দেশের সমস্ত প্রান্ত প্রচারক (Prant Pracharak Baithak), সহ প্রান্ত প্রচারক এবং ক্ষেত্র প্রচারক এবং সহ ক্ষেত্র প্রচারকরা হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    সংঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে ১১টি ক্ষেত্র এবং ৪৬টি প্রান্ত রয়েছে

    বর্তমানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গঠন অনুযায়ী ১১টি ক্ষেত্র এবং ৪৬টি প্রান্ত রয়েছে। এই সমস্ত ক্ষেত্রীয় প্রচারক ও প্রান্ত প্রচারকরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। আরএসএস-এর বিবিধ ক্ষেত্রের অখিল ভারতীয় সংগঠন সম্পাদকরাও (Prant Pracharak Baithak) এই বৈঠকে হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, বিশেষ করে সংঘের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবির নিয়ে। পরবর্তীকালে সেই শিবিরগুলি অনুষ্ঠিত হয় এপ্রিল, মে ও জুন মাসে। এরপরেই, প্রতিনিধি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলি কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আগামী বর্ষে সংঘের কর্মসূচি কী হবে, তা স্থির করতেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গিয়েছে। আরএসএস-এর প্রান্ত প্রচারক এবং ক্ষেত্র প্রচারকরা নিজেদের রাজ্যের রিপোর্ট দেবেন, প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি কীভাবে অনুষ্ঠিত হল (RSS), কত জন অংশগ্রহণ করেছেন এবং আগামী পরিকল্পনাগুলি কী কী, সেইসব বিষয়ে।

    ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর শতবর্ষে পা দিচ্ছে আরএসএস (RSS)

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ১০০ বছরে পা দিচ্ছে। ১৯২৫ সালের বিজয়া দশমীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই সংগঠন। চলতি বছরে বিজয়া দশমী পড়েছে ২ অক্টোবর। শতবর্ষ উপলক্ষে আরএসএস (RSS) একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, এই বিষয়েও আলোচনা হবে বৈঠকে। প্রান্ত প্রচারকদের এই বৈঠকে হাজির থাকবেন সরসংঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত। সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে ও সমস্ত সহ-কার্যবাহরাও উপস্থিত থাকবেন। আরএসএস-এর তরফে জানানো হয়েছে, ডঃ মোহন ভাগবত ২৮ জুন দিল্লিতে হাজির হবেন।

LinkedIn
Share