Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Ration Scam: বালুর জন্য রাতারাতি মেডিক্যাল বোর্ড অথচ বেড অমিল সাধারণ মানুষের, বাড়ছে ক্ষোভ

    Ration Scam: বালুর জন্য রাতারাতি মেডিক্যাল বোর্ড অথচ বেড অমিল সাধারণ মানুষের, বাড়ছে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার্টের সমস্যা না থাকার পরেও এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Ration Scam)। এনিয়ে প্রশ্ন উঠতেই চাপে পড়ে রাতারাতি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে রাখা হয় কার্ডিওলজিস্টকে। অসুস্থতার কথা বলতেই এসএসকেএম-এ বেড পেয়ে যান বালু এবং কালীঘাটের কাকু। অথচ সাধারণ মানুষের জন্যই এই এসএসকেএম-এর চত্বরে অন্য চিত্র দেখা যাচ্ছে। জরুরি বিভাগের সামনে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন রোগী কিন্তু বেড নেই। এতেই ক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ। সরকারি হাসপাতাল তো অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্যই। কিন্তু সেখানে এমন দ্বিচারিতা কেন? বালুর চিকিৎসার (Ration Scam) জন্য ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে পারে এসএসকেএম। প্রায় সমস্ত বিভাগের ডাক্তাররাই রয়েছেন বোর্ডে। বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশনের পরে তিন মাস বেডে শুয়ে রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। অথচ সাধারণ মানুষের জন্যই বারবার অবহেলার অভিযোগ উঠছে এসএসকেএম-এর বিরুদ্ধে। আর এতেই ক্ষোভ দানা বাঁধছে রোগী এবং রোগীর পরিবারের মধ্যে।

    এসএসকেএম-এর খণ্ড চিত্র

    একটি চিত্র দেখলেই বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। বৃহস্পতিবার সকাল ছটা। এসএসকেএম-এর জরুরি বিভাগের সামনে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায় এক রোগীকে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ডায়ালাইসিস হয় এই রোগীর। এরপর বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই পেটে এবং বুকে প্রবল যন্ত্রণা শুরু হয় তাঁর। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শুধুমাত্র যন্ত্রণা কমানোর ইনজেকশন দিয়েই দায়মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছেন, এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। সুমিতা দেবীকে শুয়ে থাকতে দেখা যায় স্ট্রেচারের উপরেই। জরুরি বিভাগের ভিতরেও জায়গা মেলেনি। অসুস্থ এই রোগী তাই বলেই ফেলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে, ‘‘আমরা তো গরু-ছাগল।’’ এরপরে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পরে কোনও রকমে বেড পান তিনি। সেটি এসএসকেএম-এর সহযোগী শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে, নেফ্রোলজি ওয়ার্ডে। এমন আরও অসংখ্য চিত্র দেখা যায় এসএসকেএম হাসপাতালে।

    ‘‘বালু কেমন আছেন?’’ প্রশ্ন শুনে হাসছেন ডাক্তাররা

    এদিকে, মন্ত্রীমশাই কেমন আছেন? বা কোন কোন রোগের উপসর্গ রয়েছে তাঁর? এসব প্রশ্ন শুনে হেসে ফেলছেন চিকিৎসকরা। হাসি যেন তাঁদের থামছেই না। প্রশ্ন হল, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তো ভাবছে গুরুতর অসুস্থ বালু। তাইতো তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হল কার্ডিওলজি বিভাগের পাঁচ নম্বর কেবিনে (Ration Scam)। সংবাদমাধ্যমের সামনে এক চিকিৎসক বলেই ফেলেন, ‘‘আমরা কিছু বলবো না।’’ এরপরে এক সংবাদমাধ্যম চিকিৎসকদের প্রশ্ন করেন, ‘‘আর কতদিন হাসপাতালে থাকতে হবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে?’’,  তখন এক চিকিৎসক তাঁর সহকর্মীকে আঙুল দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। আর সেই চিকিৎসক বললেন, ‘‘আমাদের কিছু বলার নেই’’,  অর্থাৎ বালু কেমন রয়েছেন তা জানা গেল না যেটা পাওয়া গেল সেটা চিকিৎসকদের হাসি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-কন্যাকে বিনা সুদে ৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর!

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-কন্যাকে বিনা সুদে ৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) ফের বোমা ফাটাল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী ও কন্যাকে সুদ ছাড়াই মোটা টাকা ঋণ দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছেন তিনি।

    বিনা সুদে টাকা ধার!

    এত টাকা ঋণ দিলেও, মন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যার কাছ থেকে কোনও সুদ নেননি বাকিবুর। ঋণ বাবদ যে টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বন্ধক হিসেবেও বাকিবুরের কাছে কিছু রাখা হয়নি। কেন বাকিবুর সুদ ছাড়াই এত টাকা মন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাকে দিয়েছিলেন, তার বিনিময়ে তিনি কী কী সুযোগ-সুবিধা পেয়েছিলেন কিংবা আদৌ পেয়েছিলেন কিনা, তা জানতে বাকিবুরকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন ইডির তদন্তকারীরা। জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যা কেন কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ না নিয়ে চালকল মালিক বাকিবুরের কাছ থেকে নিলেন, সে প্রশ্নও জানতে চান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    বাকিবুরকে জেরার অনুমতি

    আদালতে ইডি জানায়, ঋণ সংক্রান্ত (Ration Scam) বিষয়ে আরও তথ্য জোগাড় করতে বাকিবুরকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। ইডিকে এ ব্যাপারে অনুমতিও দিয়েছে আদালত। শনিবার বাকিবুরকে হাজির করানো হয়েছিল ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। সেখানেই ইডি জানায়, বাকিবুর মন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাকে বিপুল পরিমাণ অঙ্কের টাকা ধার দিয়েছিলেন বিনা সুদে। বাকিবুরকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    এদিন আদালতে ইডি জানিয়েছে, রেশনের চালের টাকা নয়ছয় করেছেন বাকিবুর। সেজন্য তিনি ভুয়ো কৃষকদের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও খুলেছেন। এই অ্যাকাউন্টগুলিতেই যেত ধানের সহায়ক মূল্য। এমন বহু ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে ইডি। এ ব্যাপারেও বাকিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: প্রতিশ্রুতি রাখছে বিজেপি সরকার, উত্তরাখণ্ডে চালু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) গ্রেফতার হয়েছিলেন বাকিবুর। তাঁকে জেরা করতেই উঠে আসে উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা তথা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র নাম। পরে গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রিমাশাইকে। আদালতে তোলা হলে ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারান মন্ত্রী। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ছাড়া পেলে শুরু হয় ইডি হেফাজত। পরে আবারও একবার সাতদিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এই মেয়াদ শেষ হবে সোমবার। তার আগেই রহস্যের জট খুলতে চাইছেন তদন্তকারীরা (Ration Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: ধান বিক্রি করেও মেলেনি সহায়ক মূল্য, তদন্ত শুরু ইডির

    Ration Scam: ধান বিক্রি করেও মেলেনি সহায়ক মূল্য, তদন্ত শুরু ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধান বিক্রি করলে মেলে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য। অথচ ধান বেচেও, মেলেনি ওই মূল্য। এ নিয়ে কলকাতা পুলিশে দায়ের হয় অভিযোগ। সেটা ২০১৮ সাল। সেই সময় রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন রেশন বণ্টন (Ration Scam) কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগ

    ২০১৮ সালে অভিযোগ দায়ের হলেও, কোনও এক অজানা কারণে এগোয়নি তদন্ত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়, ধান কেনার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কৃষকরা পাননি। তা আত্মসাৎ করেছে রাইস মিল। এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের বাসিন্দা স্বপন সাঁতরাও। স্বপনের অভিযোগ, অঙ্কিত রাইস মিলের দুই প্রতিনিধি ২০১৭ সালে তাঁর কাছে গিয়েছিল। তাঁরা তাঁকে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলেছিল। তিনি প্রথমে রাজি হননি। পরে পাঁচ হাজার টাকার টোপ দিয়ে তাঁর নামে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। ওই অ্যাকাউন্টে ধান কেনার ২ লক্ষ টাকা জমা পড়ে। পরে রাইস মিল কর্তৃপক্ষ তা তুলেও নেয়। তিনি বলেন, “বসে বসে সব অ্যাকাউন্ট করেছিল। সেখানে টাকা ঢোকাত। অন্য ধানও আমাদের অ্যাকাউন্টে বিক্রি করত। আমাকে বলেছিল এজন্যও আমাকে পাঁচ হাজার করে টাকা দেবে। পরে দিয়েছে ৪০০-৫০০ টাকা।”

    মামলা হাতে নিল ইডি

    এবার (Ration Scam) সেই মামলাও হাতে নিল ইডি। ২০১৮ সালের অগাস্ট মাসে ভবানীপুর ও ২০১৯ সালে বালিগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলার ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে ইডি। জানা গিয়েছে, জনৈক হিতেশ চাণ্ডক ও দীপেশ চাণ্ডক দুজনেই অঙ্কিত ইন্ডিয়া রাইস মিল কর্তৃপক্ষের লোক। এই মিলের সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এই মিলে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। প্রকাশ্যে এসেছে বেশ কিছু অভিযোগও।

    আরও পড়ুুন: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ইদানিংকালে কোনও চাষি বাংলায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে পেরেছেন? ধান বিক্রি করবে বললেই এলাকায় ফড়ে, দালাল পৌঁছে যায়। বাধ্য হচ্ছে চাষিরা কম দামে ফসল বিক্রি করতে। আর সেই দাম নিয়ে মাঝখান থেকে একটা চক্র ৩০০ টাকা করে লাভ নিয়ে চলে যাচ্ছে। মার খাচ্ছেন প্রান্তিক (Ration Scam) কৃষকরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • Jyotipriya Mallick: পক্ষাঘাতের ‘বুলি’ আওড়াচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, কপালের লিখন পড়তে পেরেছেন মন্ত্রীমশাই?

    Jyotipriya Mallick: পক্ষাঘাতের ‘বুলি’ আওড়াচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, কপালের লিখন পড়তে পেরেছেন মন্ত্রীমশাই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়সা দিয়ে যেখানে স্বাস্থ্য পরিষেবা কিনতে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick), সেই বেসরকারি হাসপাতাল বলছে মন্ত্রী সুস্থই। যদিও মন্ত্রীর দাবি, অবনতি হয়েছে তাঁর স্বাস্থ্যের। বাঁ হাত এবং বাঁ পায়ে ব্যথা বেড়েছে। পক্ষাঘাতের মতো হয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার ইডি হেফাজত থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তৃণমূলের এই নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কমান্ড হাসপাতালে। যাওয়ার পথে তাঁর এহেন মন্তব্যে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা!

    মমতার হুমকি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে পক্ষকালের কিছু বেশি আগে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয়। সতীর্থ গ্রেফতার হতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে তিনি বলেছিলেন, “বালুর (জ্যোতিপ্রিয়কে এই নামেই ডাকেন মমতা) মৃত্যু হলে দায়ী থাকবে ইডি।” এর পর কেটে গিয়েছে এতগুলো দিন। মন্ত্রিমশাইকে যখন আদালতে পেশ করা হয়, তখন ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারান জ্যোতিপ্রিয়। বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, মন্ত্রী সুস্থই রয়েছেন।

    পরীক্ষায় ধরা পড়েনি রোগ

    হাসপাতালের কথা যে নিছক হেলাফেলার নয়, তার প্রমাণ মন্ত্রী (Jyotipriya Mallick) নিজেই। গ্রেফতার হওয়ার পর ১৫ দিনেরও বেশি কেটে গেলেও, তাঁর শরীরে কোনও রোগের উপসর্গ দেখা দেয়নি। শারীরিক পরীক্ষায়ও ধরা পড়েনি বড় ধরনের কোনও ত্রুটি। প্রশ্ন হল, তাহলে মন্ত্রিমশাই কেন পক্ষাঘাতের বুলি আওড়ালেন? সেটা কি তাহলে তাঁর আইনজীবীর শেখানো বুলি? রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, কেলেঙ্কারির যে ফাঁদে পড়েছেন মন্ত্রী, সেখান থেকে সহজে নিষ্কৃতি মিলবে না। তাঁকে দীর্ঘদিন থাকতে হবে কারান্তরালে। এটা ভালই বুঝেছেন মন্ত্রী। সেই কারণেই শারীরিক সমস্যার বুলি আওড়াচ্ছেন মন্ত্রী। গ্রেফতার হওয়ার পর যে বুলি আওড়েছিলেন তাঁরই দলীয় সহকর্মী অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সেই স্বরই শোনা গেল জ্যোতিপ্রিয়র গলায়ও। গ্রেফতার হওয়ার পরে পরে উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা বলতেন, “শীঘ্রই ফিরে আসব, আমি মুক্ত।” সেই জ্যোতিপ্রিয়ই এবার খাড়া করতে চাইলেন পক্ষাঘাতের তত্ত্ব।

    তবে কি কপালের লিখন পড়তে পেরেছেন মন্ত্রীমশাই (Jyotipriya Mallick)!

    আরও পড়ুুন: “রাঘব বোয়ালদের ছুঁয়ে দেখা হল না কেন?”, সিবিআইকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ration Scam: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    Ration Scam: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিজিৎ দাসের পর এবার রামস্বরূপ শর্মা। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ‘ফাঁসাচ্ছেন’ (Ration Scam) তাঁরই ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজন। দিন কয়েক আগে জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস দাবি করেন, মন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁর মা ও স্ত্রীকে কোম্পানির ডিরেক্টর করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এবার মুখ খুললেন পরিচারক রামস্বরূপও।

    ‘বালুদার কাছে কাজ করতাম’

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় রামস্বরূপ জানিয়েছেন, বিহার থেকে ভাগ্যান্বেষণে ১৯৯৩ সালে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে সেলুন খুলেছিলেন। এখানেই বাড়ি ছিল জ্যোতিপ্রিয়রও। রামস্বরূপ বলেন, “আমি ’৯৩ সালে কলকাতায় এসেছি। সেলুন আছে। কলেজ স্ট্রিটের ওখানে ফুটপাতের ওপর সেলুন ছিল। এখনও আছে। এখানেই একটি বাড়িতে থাকতেন দাদা। দাদার বাজার এটা সেটা করে দিতাম। ২০ বছর কাজ করার পর দাদা আমাকে একটা চাকরি দিয়েছে। ১০ বছর হয়ে গিয়েছে চাকরির।” রামস্বরূপ (Ration Scam) বলেন, “আমি সাহেবের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা লোন হিসেবে নিই। ৫ লক্ষ টাকা শোধও করেছি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা পাবেন সাহেব।” তিনি বলেন, “আমি বালুদার কাছে কাজ করতাম। ওঁর কাছ থেকেই নিয়েছি।”

    ‘কোম্পানির ব্যাপারে কিছুই জানি না’

    ইডি জেনেছে, এই রামস্বরূপ একটি সংস্থার ডিরেক্টর। কীভাবে ডিরেক্টর হলেন? ইডি-র দাবি, রামস্বরূপ জেরায় বলেন, “কোম্পানির ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। খবরে শুনেছি। আমি এসব কিছুতেই নেই। ওসব নামও আমি জানি না। বালুদার নাম করে কিছু লোক আমার কাছে সই করিয়েছিল। আমি সই করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমি আর কিছু জানি না। আমি অতশত বুঝি না। আমি হিন্দিতে লেখাপড়া জানি। বিহারে ক্লাস সিক্স-সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলাম। আমি ইংরেজি কিছু জানি না। বলল, দাদা পাঠিয়েছে, সই করে দাও। আমি জানি না, কিছু বুঝিও না। এর পিছনে কিছু বলার নেই।”

    আরও পড়ুুন: “যুদ্ধ থামানোর কোনও প্রশ্নই নেই”, যুদ্ধের মাসপূর্তিতে সাফ জানালেন নেতানিয়াহু

    তিনি বলেন, “আমার তো ধোয়া, মোছা, পরিষ্কার করার কাজ (জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে)। করতেই হয়। কৃষি দফতরেও কাজ করি। চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি।” ইডির (Ration Scam) দাবি, চালকলের মালিকের কাছ থেকে কমিশন হিসেবে টাকা না নিয়ে সম্পত্তি নিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। সেই সম্পত্তি আবার নিজের নামে রাখেননি। পরিচারকের নামে দানপত্র লিখিয়ে নেন ওই চালকল মালিকের কাছ থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Ration Scam: ফের ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রিমশাই শুনলেন ‘চোর’ ধ্বনি

    Ration Scam: ফের ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রিমশাই শুনলেন ‘চোর’ ধ্বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাত দিন পর আবার আসছি। সাত দিন, সাত দিন।” সোমবার ব্যাঙ্কশাল কোর্ট ছাড়ার সময় এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Ration Scam)। বনমন্ত্রী হওয়ার আগে জ্যোতিপ্রিয় ছিলেন খাদ্য দফতরের মন্ত্রী। সেই সময়ই দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ।

    ইডি হেফাজতের আবেদন

    সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইডির হাতে গ্রেফতার হন উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূলের এই নেতা। এদিন আদালতে তোলা হলে জ্যোতিপ্রিয়কে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এদিন শুনানি চলাকালীন মন্ত্রীকে আরও সাতদিন ইডি হেফাজতে পাওয়ার আবেদন করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী। তাঁর যুক্তি, জ্যোতিপ্রিয় তিনদিন হাসপাতালে ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। তাই তাঁকে সাত দিনের জন্য ইডি হেফাজতে দেওয়া হোক।

    ‘চোর’, ‘চোর’ ধ্বনি

    শুক্রবার জ্যোতিপ্রিয়কে (Ration Scam) হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল ইডি। সেই সময় সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি বলেছিলেন, “দিন চারেক পরেই সবাই সব কিছু জানতে পারবেন।” সেদিন তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন। সোমবারও ফের একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন জ্যোতিপ্রিয়। এদিকে, এদিন বনমন্ত্রীকে ‘চোর’ সম্বোধন করেন ব্যাঙ্কশাল কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন। তিনি যখন কোর্ট রুমের সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন, তখনই কয়েকজন জ্যোতিপ্রিয়কে লক্ষ্য করে ‘চোর’, ‘চোর’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। অথচ, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়ার আগেও তাঁকে দেখলে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াতেন বন দফতরের কর্মীরা। ‘স্যর’ বলে সম্বোধন করতেন। এহেন মন্ত্রীকেই এবার ‘চোর’ সম্বোধন জনতার।

    আরও পড়ুুন: এবার রাজ্যপালকে কুকথা অখিলের, বোসকে চিঠি লিখে কারামন্ত্রীকে সরানোর দাবি শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়ার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও শুনতে হয়েছিল ‘চোর’, ‘চোর’ ধ্বনি। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) ইডি প্রথমে গ্রেফতার করে ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। তাঁকে জেরা করে উঠে আসে জ্যোতিপ্রিয়র নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে। ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হলে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারান জ্যোতিপ্রিয়। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। গত সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    Ration Scam: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী বণ্টনকাণ্ডে (Ration Scam) ক্রমেই বের হচ্ছে ঝুলি থেকে বিড়াল! রেশন সামগ্রী বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেই কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে আধিকারিকরা মনে করছেন, বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ থাকতে পারে।

    ‘পশুখাদ্যে লালু, মানুষের খাদ্যে বালু’

    উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পরেই বিরোধীরা স্লোগান দিয়েছিল, ‘পশুখাদ্যে লালু, মানুষের খাদ্যে বালু’। এই স্লোগান যে নিছক স্লোগান নয়, ইডির তদন্তকারীরাও তা মনে করছেন। ইডির দাবি, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির তদন্তে উঠে এসেছে ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার নাম। এই সংস্থার ডিরেক্টর দীপেশ চন্দক ও হিতেশ চন্দক। ১৯৯৬ সালে বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে এঁরা গ্রেফতার হয়েছিলেন সিবিআইয়ের হাতে (Ration Scam)। রাজসাক্ষী হওয়ায় ছাড়া পেয়েছিলেন তাঁরা। 

    দীপেশ ও হিতেশ জ্যোতিপ্রিয়রও ঘনিষ্ঠ

    ইডির দাবি, দীপেশ ও হিতেশ জ্যোতিপ্রিয়রও ঘনিষ্ঠ ছিলেন। চন্দকদের রাইস মিল ও আটা চাকিতে রেশনের চাল, গম ভাঙিয়ে প্যাকেটবন্দি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হত। ইডির তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন, চন্দকদের এই ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেডে’ও কি বাকিবুর রহমান মডেলে, পরিমাণে কম দিয়ে দুর্নীতি চলত কি না। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির পর ২০১৮ সালে ফের সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন দীপেশ।

    আরও পড়ুুন: “গরিবি বুঝতে আমায় বই পড়তে হয়নি”, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    এবার তিনি গ্রেফতার হন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের গোডাউনের লিজ বাড়ানোর সময় এফসিআইয়ের এক আধিকারিককে ঘুষ দিতে গিয়ে। দীপেশকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তাঁর পরিবার। এর পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। তখনই শোনা যায়, কোনও এক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় রয়েছেন দীপেশ। এই প্রভাবশালী ব্যক্তিই জ্যোতিপ্রিয় কি না, তা তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়িতে (Ration Scam) তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। সম্প্রতি মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক চাটার্ড অ্যাকাউন্টের বাড়ি থেকে তিনটি নোটবুকও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। সেই সূত্রেই জানা যায়, চন্দক পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র। এদিকে, শনিবার ইডি ম্যারাথন তল্লাশি চালায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর সাহা ব্রাদার্সের চালকল, আটাকল, অফিস ও সল্টলেকের হোটেলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: বালু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর ডেরা সহ একাধিক জেলায় হানা ইডির, কোথায় কোথায় জানেন?

    ED: বালু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর ডেরা সহ একাধিক জেলায় হানা ইডির, কোথায় কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও রাজ্যের একাধিক জেলায় হানা দিল ইডি। রেশন বন্টন দুর্নীতির তদন্ত করতে ইডি হানা দেয়। একাধিক জেলার  আট তৈরির কারখানা, চালকল কারখানায় ইডি (ED) আধিকারিকরা হানা দেয়। রেশন দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক তথ্য উঠে এসেছে ইডির হাতে। এরপরে গ্রেফতার হয় প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেখান থেকে নতুন তথ্য পেয়ে ইডি হানা দেয়।  শনিবার সাত সকালে একসঙ্গে ফের রাজ্যজুড়ে ইডি-র হানার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    নদিয়াতে হানা দিল ইডি (ED)  

    নদিয়ায় পৃথক দুটি রেশন ডিলার ও চালকলের মালিকের বাড়িতে ইডি (ED) হানা দেয়। শনিবার নদিয়ার রানাঘাট পুরসভার-১ নম্বর ওয়ার্ডের রেশন ডিলার সিদ্ধেশ্বর বিশ্বাস ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাল কল মালিক নিতাই ঘোষের বাড়িতে হানা দেন ইডির প্রতিনিধিরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে ওই দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী প্রতিনিধিরা।

    মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর বাড়ি, হোটেলে হানা দিল ইডি

    উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর কালুপুরে একটি আটা কলে এবং একটি চাল কলে ইডি (ED)  হানা দেয়। এই এলাকা থেকে বাংলদেশ সীমান্ত ১০ কিলোমিটার দূরে। তাই, এই এলাকা থেকে  রেশন সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার হত কি না তা খতিয়ে দেখতে ইডি হানা দেয়। মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী মন্টু সাহা ও কালীদাস সাহার বাড়িতে ইডি হানা দেয়। তাঁদের আট কল, চাল কলেও তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি, সল্টলেক সেক্টর ফাইভের হোটেলে হানা দেয় ইডি। সল্টলেক সেক্টর ফাইভের রাধাকানাইয়া হোটেলের এক কর্মচারীকে প্রথমে ডেকে আনে ইডি। হোটেলে ঢোকার আগেই ওই ব্যক্তি জানিয়ে দেন তিনি মালিক নন, হোটেল মালিকের নাম মন্টু সাহা ও কালিদাস সাহা। এই হোটেলটি কবে কেনা হয়েছিল, এই হোটেলে কারা কারা আসতেন? সেব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির আধিকারিকরা। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, মন্টু সাহা ও কালিদাস সাহা নামে দুই ব্যবসায়ী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।

     ইডি হানা দিল হাওড়ায়

    হাওড়ার ডোমজুড়ে জালান কমপ্লেক্সের অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড নামে একটি আটা তৈরির কারখানা এবং গোডাউনে ইডি (ED) হানার খবর মিলেছে। গভীর রাত থেকে এখনও সেখানে তল্লাশি চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, এখান থেকেই রেশন দোকানে আটা, ময়দা এবং অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিশুদের খাবার সরবরাহ করা হত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বাকিবুরের বাড়িতেই অস্থায়ী ‘খাদ্যদফতর’! ‘আমি নির্দোষ, মমতা সব জানেন..’, বললেন জ্যোতিপ্রিয়

    Jyotipriya Mallick: বাকিবুরের বাড়িতেই অস্থায়ী ‘খাদ্যদফতর’! ‘আমি নির্দোষ, মমতা সব জানেন..’, বললেন জ্যোতিপ্রিয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক :  তিনি নির্দোষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় সব জানেন। দুদিনের মধ্যে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে এদিন দাবি করলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আদালতের নির্দেশ মতো এদিন ফের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick) নিয়ে যাওয়া হল আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে। সিজিও কমপ্লেক্সের পিছনের গেট দিয়ে বার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তখনই মন দাবি করেন তিনি।

    হিসেব চেয়েছে ইডি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজরে এজেন্টরা। সূত্রের খবর, এজেন্টদের মাধ্য়মেই রেশন দুর্নীতির টাকা লেনদেন হত। বাকিবুর রহমান যে টাকা পাঠাতেন সেই টাকা এজেন্টদের মাধ্য়মে লেনদেন হত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, বাকিবুর রহমানের মালিকানাধীন গমকল ও চালকলে কত ধান-গম আসত তার হিসেব চেয়েছে ইডি। কোন কোন ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে চাল ও আটা গিয়েছে, এফসিআইয়ের কাছে তারও হিসেব চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, এই দুর্নীতির তদন্তে নেমে, তাঁরা বাকিবুর রহমানের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির কথা জানতে পারেন। যার মধ্য়ে ছিল তাঁর একাধিক সংস্থাও। গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, ৬টি এমন সংস্থার কথা জানা যায়, যেখানে আটা বণ্টন দুর্নীতির টাকা ঢুকেছিল।

    আরও পড়ুন: “খাদ্য দফতরের আধিকারিকের প্রতারণায় বন্ধ হয়েছে চালকল”, বিস্ফোরক মালিক

    বাকিবুরের বাড়িতেই ছোট ‘খাদ্য দফতর’ 

    রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত মিল মালিক বাকিবুর রহমানের বাড়িতেই ছোটখাট একটি ‘খাদ্য দফতর’ গড়ে তোলা হয়েছিল বলে দাবি ইডির। অভিযুক্তের বাড়ি এবং সংস্থায় তল্লাশি চালিয়ে এখনও পর্যন্ত যে বিপুল পরিমাণ সরকারি স্ট্যাম্প উদ্ধার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার পরে একথা মনে করছেন ইডি আধিকারিকেরা। উদ্ধার হওয়া স্ট্যাম্পগুলিকে খুটিয়ে পরীক্ষা করে ইডি মনে করছে, খাদ্য দফতরের মাথায় বসে থাকা কর্তা-ব্যক্তিরাই শুধু দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন, বাকিবুরের ঘনিষ্ঠ জেলাস্তরের সরকারি আধিকারিকেরাও এতে জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডি সূত্রে দাবি, বারাসতের খাদ্যদফতরের প্রায় সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বাকিবুরের যোগ ছিল। তা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই। অভিযোগ, পরে নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও নিজের প্রভাব খাটাতেন তিনি। এমনকী, মন্ত্রীর কনভয়েও কখনও কখনও বাকিবুরের গাড়িকে যেতে দেখা যেত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam Case: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের হানা ইডির, কার বাড়িতে জানেন?

    Ration Scam Case: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের হানা ইডির, কার বাড়িতে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Scam Case) এবার আরও একজনের বাড়িতে তল্লাশি ইডির। বৃহস্পতিবার শান্তনু ভট্টাচার্য নামের এক ব্যক্তির ফ্ল্যাটে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শান্তনু পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। এর আগেও একবার তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। সেদিন বাড়িতে ছিলেন না শান্তনু। যদিও তাঁর ফ্ল্যাট সিল করে দিয়ে গিয়েছিলেন ইডি কর্তারা। ঘটনাটি জানিয়েছিলেন স্থানীয় থানায়।

    নেতাজি নগরের ফ্ল্যাটে হানা

    এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ ফের শান্তনুর নেতাজি নগর এলাকার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি (Ration Scam Case)। শুরু হয়েছে তল্লাশি। তদন্তকারীদের অনুমান, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে যোগ থাকতে পারে শান্তনুর। তাঁর ফ্ল্যাট থেকে মিলতে পারে কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত নথি। নেতাজি নগরের একটি আবাসনের আটতলার ফ্ল্যাটে থাকেন শান্তনু। তাঁর নাম উঠে আসে সিপি জেনা নামে এক ব্যক্তিকে একটি সংস্থার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়। ইডি যেদিন প্রথম জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে তল্লাশি চালায়, সেদিন তারা হানা দিয়েছিল জেনার বাড়িতেও। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তখনই প্রসঙ্গক্রমে আসে শান্তনুর নাম। শান্তনু ওই সংস্থার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। ইডি কর্তাদের ধারণা, শান্তনুর ফ্ল্যাটে মিলতে পারে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির মূল্যবান তথ্য।

    জ্যোতিপ্রিয়-কাণ্ড

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। বাকিবুরকে জেরা করে জানা যায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। গত বৃহস্পতিবার টানা ১৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানো হয় জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে। শুক্রবার কাকভোরে গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রীকে। ওই দিনই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলে ইডি। বিচারক তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। রায় শুনেই এজলাসে জ্ঞান হারান মন্ত্রিমশাই। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কমান্ড হাসপাতালে সম্ভব, বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    সোমবার রাতে তাঁকে ছেড়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার পরেই ইডির আধিকারিকরা তাঁকে নিয়ে যান সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে। পরের দিন সকালে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। জেরা করা হয় মন্ত্রীর দুই প্রাক্তন আপ্ত সহায়ককেও। তাঁদের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর (Ration Scam Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share