Tag: Recruitment scam

Recruitment scam

  • Recruitment Scam: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    Recruitment Scam: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারির  (Recruitment Scam) জট যেরকম জটিল হয়ে উঠছে, তার যেন খেই পাওয়া যাচ্ছে না। চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে পুলিশ এবার গ্রেফতার করল কাঁথির এক শিক্ষককে। কাঁথির দেশপ্রাণ ব্লকের বিচুনিয়া হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষক দীপক জানার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাশে মামলা করা হয়েছে এই বছরের মার্চ মাসে। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে কাঁথি শহরে অবস্থিত তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে। তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

    কী বলেছিলেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ?

    কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ জমা পড়ার পর এই নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) সম্পর্কে অভিযোগ নিয়ে ওই শিক্ষককে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। তার উত্তরে তিনি যা জানিয়েছিলেন, তার সারমর্ম হল, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কারণে তার কাছে যে অনেকে চাকরির জন্য আসতেন, তদ্বির করতেন, সেকথা তিনি স্বীকার করেছেন। তবে তিনি নাকি তাদের পাত্তা দেননি। বরং অন্য কোথাও চাকরি খুঁজে নেওয়ার কথাই বলেছিলেন। তার আশঙ্কা, এই আক্রোশ থেকেই হয়তো কেউ তার পিছনে লেগেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ থাকলে যে কোনও শাস্তি তিনি মাথা পেতে নিতে রাজি, একথাও তিনি জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, টাকা নিলে তো হাতে নেব, না হয় কোনও অ্যাকাউন্টে নেব। প্রমাণ থাকলে দেখান।

    জড়াচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল নেতা

    এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল করার বিষয়টি একেবারেই নেই বলে তিনি মনে করেন। তার আশঙ্কা, এর পিছনে রয়েছে জ্ঞাতি কেউই। চাকরি না পেয়ে তারাই এখন পিছনে লেগেছে। তিনি যতই তৃণমূল করার বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান না কেন, চাকরি দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুন্তল সহ অনেকে গ্রেফতার থাকা অবস্থায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এই শিক্ষক নেতার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিজের স্কুলেই বেআইনিভাবে ছেলেকে নিয়োগ! সিআইডির জালে প্রাক্তন ডিআই-সহ ৩

    Recruitment Scam: নিজের স্কুলেই বেআইনিভাবে ছেলেকে নিয়োগ! সিআইডির জালে প্রাক্তন ডিআই-সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের স্কুলে বেআইনিভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ ৷ সিআইডির হাতে গ্রেফতার হলেন প্রাক্তন ডিআই-সহ মোট তিনজন ৷ তাঁদের সিআইডি হেফাজতে পাঠাল জঙ্গিপুরের আদালত ৷ ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন ডিআই। যদিও মূল অভিযুক্ত অনিমেষ তিওয়ারি এখনও অধরা।

    ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ

    চলতি বছরের শুরুতেই, গোঠা এ রহমান হাইস্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগ সামনে আসে। এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস তিওয়ারি। একই স্কুলে ভূগোলের শিক্ষক তাঁর ছেলে, অনিমেষ তিওয়ারি। বাবা যে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সেই স্কুলে অবৈধভাবে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ ওঠে ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, অন্যের নিয়োগপত্র ও সুপারিশপত্র জাল করে স্কুলে চাকরি পেয়েছেন অনিমেষ। এই ঘটনায়, গত ১৯ জানুয়ারি সিআইডি-কে তদন্তভার দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বিশেষ দল গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি, অভিযুক্ত অনিমেষের বেতন বন্ধেরও নির্দেশ দেয় আদালত।

    আদালতে সিআইডি-কে ভর্ৎসনা করার পরেই শুক্রবার অ্যাকশন

    সোমবার আদালতের ভর্ৎসনা, শুক্রবার অ্যাকশন। সিআইডি-কে কার্যত ভর্ৎসনা করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিত বসু। তিনি বলেন, সিআইডি-র ভূমিকায় আমি একেবারেই সন্তুষ্ট নই়। এমন কোনও কড়া মন্তব্য করতে বাধ্য করবেন না, যার নেতিবাচক প্রভাব সিআইডি-র ওপর পড়ে। প্রসঙ্গত,  গোঠা এ রহমান হাইস্কুলে নিয়োগ কেলেঙ্কারির অভিযোগের তদন্তে রাজ্য়ের তদন্তকারী সংস্থার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে গত সোমবার এমনই মন্তব্য করে হাইকোর্ট। 

    এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার মোট ৪

    মুর্শিদাবাদের গোঠা এ রহমান হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করল সিআইডি। তদন্তে নেমে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গোঠা এ রহমান হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস তিওয়ারিকে গ্রেফতার করে সিআইডি। রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, কলকাতায়, ভবানীভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাক্তন ডিআই পূরবী দে বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বহরমপুরে সিআইডি অফিসে গ্রেফতার করা হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা শিক্ষা দফতরের কর্মী নিত্যগোপাল মাজি এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী অঞ্জনা মজুমদারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: চাকরি কি পার্থর পৈতৃক সম্পত্তি! মন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ বিচারপতি বসুর

    Recruitment Scam: চাকরি কি পার্থর পৈতৃক সম্পত্তি! মন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ বিচারপতি বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবার সম্পত্তি নাকি! বেছে বেছে কীভাবে চাকরির সুপারিশ হয়? নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ‘নিয়ম বহির্ভূত ভাবে’ এক শিক্ষিকার চাকরি হওয়ায় সোমবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

    ঠিক কী ঘটেছে (Recruitment Scam)?

    সূত্রের খবর, কিছুদিন আগে প্রিয়ঙ্কা দত্ত সমাদ্দার নামে এক মহিলা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় (Recruitment Scam) মেধাতালিকার ওয়েটিং লিস্টে উপরের দিকে নাম ছিল তাঁর, তালিকায় ৩৩ নম্বরে। কিন্তু তারপরও চাকরি পাননি তিনি। বরং তাঁর পরিবর্তে একই তালিকার ৫৩ নম্বরে থাকা সরমা ঘোষ নামে একজনকে চাকরি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের পরে বরখাস্ত করা হবে নবম-দশমের ‘অবৈধ’ শিক্ষকদের! মন্তব্য বিচারপতি বসুর

    প্রসঙ্গত, সূত্রের খবর, ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি সরমাকে সুপারিশপত্র দিয়েছিল এসএসসি। ওই বছর ২০ মার্চ তাঁকে নিয়োগপত্র দেয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। প্রিয়ঙ্কা আরও অভিযোগ করেছেন, চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন এবং অবস্থান-বিক্ষোভে সামনের সারিতে ছিলেন সরমা। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ আন্দোলনকারীদের কয়েক জনকে ডেকে কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন সরমাও। তার পরই তিনি চাকরির সুপারিশপত্র পান। পরে হাইকোর্টে এই মামলা (Recruitment Scam) উঠলে আদালতের সামনে সমস্ত সত্যিটা স্বীকার করে নেন সেই সরমা। তিনি জানান, পার্থবাবুর সুপারিশেই চাকরি হয়েছিল তাঁর।

    বিচারপতি বসু কী বললেন (Recruitment Scam)?

    এই কথা শুনেই ক্ষোভপ্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, “এসএসসি চাকরি কি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে’র পৈতৃক সম্পত্তি! আন্দোলন করলেই কি চাকরি পাওয়া যায়! কীভাবে বেছে বেছে চাকরির সুপারিশ হয়!” এদিন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু আরও জানান, কমিশনকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ওই শিক্ষিকার চাকরির সুপারিশ বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি, এমন ঘটনা আরও রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখতে বলেছেন তিনি। আগামী ১৫ মার্চ এই মামলার (Recruitment Scam) পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Recruitment Scam: পার্থর ‘গুরুভাই’ ইনি, তাঁর ডাক এড়াতেন না কেষ্টও! কে এই বিভাস অধিকারী?

    Recruitment Scam: পার্থর ‘গুরুভাই’ ইনি, তাঁর ডাক এড়াতেন না কেষ্টও! কে এই বিভাস অধিকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) উঠে এল আরও এক নতুন নাম! চাকরি চুরিতে সিবিআই এবং ইডি সমানভাবে তদন্ত চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে উঠে আসছে একের পর এক এজেন্টের নাম। চন্দন মণ্ডল, তাপস মণ্ডল, হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শাহিদ ইমামের মত নাম উঠে আসার পাশাপাশি এবারে সামনে এল বীরভূমের নলহাটির এক ব্যক্তি বিভাস অধিকারীর নামও। সূত্রের খবর, নলহাটি-২ ব্লকের শীতলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর গ্রামে বাড়ি বিভাসের। জানা গিয়েছে, তিনি বর্তমানে তৃণমূল লোহাপুর ব্লক সভাপতি। যদিও বিভাসের দাবি, এই মুহূর্তে তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। কিন্তু সূত্রের দাবি, পার্থ, মানিকের পাশাপাশি  শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম মাথা হলেন বিভাস অধিকারী।

    কীভাবে বিভাসের নাম উঠে এল?

    কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে সবার প্রথমে গোপাল দলপতির নাম উল্লেখ করেন কুন্তল। এরপর গোপাল দলপতির মুখে শোনা গিয়েছিল ‘কালীঘাটের কাকু’র কথা। ‘কালীঘাটের কাকু’র আসল নাম যে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, তা সামনে আনেন নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তাপস মণ্ডল। তারপর ‘রহস্যময়ী নারী’ অর্থাৎ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম সামনে আনেন যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুন্তল ঘোষ। আর এবার কুন্তল ও গোপাল— দুজনের মুখেই উঠে এল বিভাস অধিকারীর নাম। কুন্তল দাবি করেছেন, তাপসের মত বিভাসও এক জন ‘এজেন্ট’। বিভাসকে কেন তলব করছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, এই প্রশ্ন করেছিলেন দুর্নীতিতে নাম জড়ানো গোপাল দলপতিও।

    কে এই বিভাস?

    সূত্রের দাবি, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘গুরুভাই’ এই বিভাস অধিকারী (Recruitment Scam)। শিক্ষা ‘দুর্নীতি’র সূচনাপর্বে বিভাসই নাকি পার্থর ‘গুরু’ ছিলেন। শুধু তাই নয়, স্থানীয় সূত্রের খবর, বিভাস এমনই এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা ছিলেন, যাঁর ডাক এড়াতেন না স্বয়ং কেষ্টও। সূত্রের দাবি, বিভাসের ডাকে সাড়া দিয়ে কখনও গ্রামে এসেছেন বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডল, কখনও মুকুল রায়, কখনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এককথায় তাঁর কথা শাসকদলের কোনও নেতাই এড়িয়ে যেতেন না। ফলে এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, কতটা দাপুটে এই বিভাস অধিকারী।

    আরও পড়ুন: লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যায় যোগ রয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির! কী বললেন বিচারপতি মান্থা

    সূত্রের খবর, বিভাস অধিকারী এলাকায় রাজনীতিক ছাড়াও ধর্মীয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বিভাস অধিকারীর চারটি বি.এড, ডি.এলএড কলেজ রয়েছে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কারখানা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। তবে সেই সকল সম্পত্তি ধর্মীয় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বিভাস অধিকারী ১৯৯১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক দেন এবং ইংরেজিতে ব্যাক পান। পরে বহরমপুর থেকে স্পোকেন ইংলিশ শেখেন। মুর্শিদাবাদের পাঁচগ্রামে একটি বাংলা ইংরেজি টাইপ স্কুল চালান। ভাগীরথী করেসপন্ডেন্স কলেজ নামে এর একটি শাখাও গড়ে তোলেন তাঁর মামার সহযোগিতায়। এর পাশাপাশি ২০০০ সাল নাগাদ বহরমপুর থেকে একটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন তিনি। সেই সময় থেকে একটি বেসিক ট্রেনিং স্কুল গড়ে তোলার চেষ্টা চালাতে দেখা যায় তাকে। যদিও ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজ্য সরকারের থেকে অনুমোদন না পেলেও এনসিইআরটি অনুমোদন থাকায় তাঁর ব্যবসা রমরমিয়ে চলে। কলকাতায় ফ্ল্যাট রয়েছে এখন। সিউড়ির কাছে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কেনা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে (Recruitment Scam)।

    তবে সবথেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য, প্রাথমিক টেটে একেবারে প্রথমপর্বে ২ হাজার ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগে (Recruitment Scam) এই বিভাসের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। আর সেই সূত্র ধরেই খোঁজ চালাচ্ছে ইডি। যদিও এ নিয়ে বিভাস অধিকারী বলেন, “আমি চাই আসল সত্য প্রকাশ্যে আসুক। কোনও অবৈধ কিছু নেই। ১০০ বার ডাকলে ১০০ বার যাব। আমি কোনও সক্রিয় রাজনীতি করি না। আগামিদিনে ইডি বা সিবিআই ডাকলে অলওয়েজ ওয়েলকাম। প্রথম থেকে বলে আসছি। ইডি তদন্ত করেছে। আমার যাবতীয় কাগজপত্র যা চেয়েছিল, সবই জমা দিয়েছি। ওরা আজ পর্যন্ত কিছুই পায়নি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যায় যোগ রয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির! কী বললেন বিচারপতি মান্থা?

    Recruitment Scam: লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যায় যোগ রয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির! কী বললেন বিচারপতি মান্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে লালগোলার চাকরিপ্রার্থীর আত্মহত্যা মামলায় উঠে এল নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ (Recruitment Scam)। গত বছর মুর্শিদাবাদের লালগোলায় এক চাকরিপ্রার্থী আত্মঘাতী হয়েছিলেন। তাঁর নাম আব্দুর রহমান। পরিবারের অভিযোগ ছিল, টাকা দিয়ে চাকরি না পাওয়ার কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন ওই তরুণ। সেই মামলায় সোমবার কড়া মন্তব্য করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এদিন বিচারপতি জানান, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে আব্দুর রহমানের আত্মহত্যার ঘটনার যোগ রয়েছে। অন্যদিকে এই মামলায় সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন বিচারপতি।

    কী ঘটেছে?

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। জানা যায়, গ্রুপ ডি পদে চাকরির জন্য ছয় লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন আব্দুর রহমান। কিন্তু, ঘুষের টাকা দিয়েও চাকরি না মেলায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। অবশেষে বছর ২৫-এর এই যুবক আত্মঘাতী হন। তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোটও। সেই ন’পাতার সুইসাইড নোটে দিবাকর কনুই- এর নাম উল্লেখ থাকলে তাঁকে দোষী হিসেবে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, সুইসাইড নোটে আত্মঘাতী ছাত্র লিখে গিয়েছেন, এই দিবাকরই তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবেন। দিবাকরকে ইতিমধ্যেই তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    বিচারপতি মান্থা কী বললেন?

    এদিন আদালতে শুনানি চলার সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Recruitment Scam) বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত করছে সিবিআই। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন, “লালগোলায় চাকরিপ্রার্থী আব্দুর রহমানের আত্মহত্যা নিয়োগ-দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। শুধু আত্মহত্যা নয়, আদালত নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত নিয়েও চিন্তিত। বৃহত্তর চক্রান্ত খুঁজে বের করার সুযোগ রয়েছে।” সূত্রের খবর, তিনি আরও বলেছেন, “এই মামলায় সিবিআইয়ের বক্তব্য শুনতে চায় আদালত। এখনও পর্যন্ত পুলিশি তদন্তে কোনও খামতি পাওয়া যায়নি।”

    এদিন আব্দুরের আত্মঘাতী হওয়ার মামলায় পুলিশি তদন্তের উপর আস্থা প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি মান্থা জানিয়েছেন, মৃত তরুণের পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও অবধি লালগোলা থানার পুলিশ যথাযথভাবেই তদন্ত করেছে। তবে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তভার যেহেতু সিবিআইয়ের হাতে রয়েছে, সেই কারণে ধৃত দিবাকরকে জেলে গিয়ে জেরা করা উচিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তিনি বলেন, “সিবিআই কেন জেলে গিয়ে দিবাকরকে জেরা করছে না? বৃহত্তর চক্রান্তের আশঙ্কা ওড়ানো যাচ্ছে না।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বুধবার। ফলে এখন এটাই বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়ে কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে সিবিআই (Recruitment Scam)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Partha Chatterjee: জেলের মধ্যেই কুন্তল-তাপসকে শাসানি পার্থর! আরও বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

    Partha Chatterjee: জেলের মধ্যেই কুন্তল-তাপসকে শাসানি পার্থর! আরও বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরও বিপাকে পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। পার্থর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ! ইতিমধ্যেই নিয়োগ দুর্নীতির কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এখন তাঁর ঠিকা প্রেসিডেন্সি জেল। এরপর থেকে কয়েকমাস কেটে গেলেও প্রেসিডেন্সি জেলেই রয়েছেন তিনি। সেখানেই রয়েছেন ওই মামলায় আরও দুই অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ এবং তাপস মণ্ডল। তাঁদেরও গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    এরপর থেকে তাঁদেরও ঠিকানা ওই জেল। সেখানেই কুন্তল দাবি করেন জেলের মধ্যেই তাঁকে শাসিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী (Partha Chatterjee)। এমনকী তাপস মণ্ডলকেও শাসিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। এই অবস্থায় পার্থর আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে!

    কী ঘটেছে?   

    গত কয়েকদিন আগেই প্রেসিডেন্সি জেলে কুন্তলকে জেরা করতে জেলে যান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। প্রায় কয়েক ঘন্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পেয়েছে ইডি। আর সেই সমস্ত বিষয়ে কুন্তলকে জেরা করতেই জেলে যান গোয়েন্দারা। আর সেখানেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নামে এই অভিযোগ করেছেন কুন্তল। ইডি আধিকারিকদের তিনি জানান, নাম কেন নেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে শাসাচ্ছেন পার্থ।এমনকী কুন্তলের কাছ থেকে পাওয়া টাকা নিয়েও নাকি বারবার প্রশ্ন করছেন পার্থ।

    আরও পড়ুন: নিশীথের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা-গুলি-পাথর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ওপর হামলায় উত্তপ্ত কোচবিহার 

    জানা গিয়েছে তাপস মণ্ডলও পার্থর (Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করেছেন। কুন্তলের বয়ানও রেকর্ড করেছেন ইডি। আগামিদিনে এই বয়ান আদালতে পার্থর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে। বিশেষ করে জেলের মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কীভাবে প্রভাব খাটাচ্ছে তা নিয়েও অভিযোগ করা হতে পারে। বিশেষ করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের শুনানিতে এই তথ্যকে ইডি হাতিয়ার করতে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবীমহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Haimanti Ganguly: বেহালায় হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সামনে উদ্ধার ‘রোল নম্বর’ লেখা কাগজ! শিক্ষক নিয়োগের কি?

    Haimanti Ganguly: বেহালায় হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সামনে উদ্ধার ‘রোল নম্বর’ লেখা কাগজ! শিক্ষক নিয়োগের কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে নতুন মোড়। এবার এই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের বেহালার ফ্ল্যাটের পাশে আবর্জনার স্তূপে মিলল রোল নম্বর লেখা কাগজ। কীসের নম্বর তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    ঠিক কী রয়েছে ওই কাগজে?

    জানা যাচ্ছে, বেহালার রাজা রামমোহন রায় রোডে হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ের পাশে রাখা আবর্জনার স্তূপে ছিল বেশ কয়েকটি কাগজ। সেগুলো খুলতেই দেখা যায় তাতে সিরিয়াল নম্বর লেখা। যে সংখ্যাগুলি লেখা রয়েছে, সেগুলি প্রত্যেকটাই ৯ সংখ্যার। সাধারণত ৯ ডিজিটের রোল নম্বর হয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে। হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া কাগজে ৯টি নম্বরই লেখা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    এর থেকেই রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে— এগুলি কি রোল নম্বরই? নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই নম্বরের কোনও সম্পর্ক আছে কি? ওই কাগজগুলি শিক্ষক পদে চাকরিপ্রার্থীদের রোল নম্বর কি? এও প্রশ্ন উঠছে যে, বন্ধ ফ্ল্যাটের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি? গোটাটাই ধোঁয়াশায় ভরা।

    আর কী কী পাওয়া গিয়েছে?

    এছাড়া ওই ফ্ল্যাটের বাইরে জঞ্জালের স্তূপে মিলেছে বেশ কিছু ফাইল। তাতে হৈমন্তী ও বিভিন্ন সংস্থার নাম লেখা। উদ্ধার হয়েছে— ২০১৩ সালের একটি ‘শেয়ার অ্যাপ্লিকেশন’ ফর্ম। তাতে হৈমন্তীর বাবা সাধনগোপাল গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম লেখা। উদ্ধার হয়েছে কিছু শেয়ারের কাগজ যেখানে সই রয়েছে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। সেই কাগজে ঠিকানা হিসাবে উল্লেখ রয়েছে, কাঠুরিয়াপাড়া উত্তর বাকসাড়া। অর্থাৎ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের পৈত্রিক ঠিকানা। এই সিনেমার স্ক্রিপ্টও পড়ে সেখানে। যে ছবিতে হৈমন্তীর চরিত্রের নাম পারমিতা। আবর্জনার স্তূপে পড়ে ছিল বিয়ের কার্ডও। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    যত কাণ্ড বেহালায়…!

    ফের নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বেহালা যোগ। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ও কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় ভদ্রের ফ্ল্যাটও এই বেহালাতেই। এবার গোপাল দলপতি এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর ফ্ল্যাটও সেই বেহালায়। বেহালা চৌরাস্তার কাছে রামমোহন রায় রোডের ওপরেই রয়েছে গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী তথা হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট। ২০১৫ সালে গোপাল দলপতি এবং হৈমন্তী এই ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। মাঝে মধ্যে সেখানে আসতেনও তাঁরা। তার বাইরেই মিলল রহস্যে মোড়া কাগজ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Haimanti Ganguly: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    Haimanti Ganguly: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের মুখে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম আসার পর থেকে এই রহস্যময়ী নারীর সম্পর্কে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। 

    বৃহস্পতিবারই, যুব তৃণমূল নেতা দাবি করেছিলেন, হৈমন্তী হলেন গোপাল দলপতির স্ত্রী। তাঁর কাছে নাকি সব টাকা গচ্ছিত রয়েছে। শুক্রবার থেকেই হৈমন্তীর বিভিন্ন বিষয়-আশয় সম্পর্কে খোঁজ মিলতে থাকে। জানা যায়, পেশায় মডেল-অভিনেত্রী হৈমন্তীর বাপের বাড়ি হাওড়ার বাকসারা রোডে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    এছাড়া, তদন্তে খোঁজ মিলেছে হৈমন্তীর একাধিক ফ্ল্যাট ও অফিসের ঠিকানাও। জানা গিয়েছে, বেহালা ও টালিগঞ্জে ফ্ল্যাট রয়েছে হৈমন্তীর। এছাড়া, বিবাদি বাগ অঞ্চলে একটি অফিস রয়েছে। একটি অফিস রয়েছে বেহালাতেও। এছাড়া, মুম্বইতেও সম্ভবত একটি অফিস রয়েছে হৈমন্তীর। 

    কী দাবি করল ইডি?

    এরই মধ্যে, এদিন বিস্ফোরক দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে চাঞ্চল্যকর দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির কয়েক হাজার কোটি টাকা ‘রহস্যময়ী’র হেফাজতে গচ্ছিত রয়েছে। তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন, মডেল–অভিনেত্রী হিসেবে রাজ্যের শাসকদলের প্রভাবশালী অংশের ভাল যোগাযোগ রয়েছে হৈমন্তীর। সূত্রের দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঢুকেছে গোপালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে একটা মোটা অংশের টাকা আবার তাঁর স্ত্রী হৈমন্তীর মুম্বইয়ের সংস্থার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    হৈমন্তী বা গোপাল দলপতি এখন কোথায়?

    এদিকে গোপাল দলপতি বা হৈমন্তী—কারও হদিশ এখনও পায়নি তদন্তকারী সংস্থা। গতকালও হাওড়ার বাড়িতে দেখা মিলেছিল হৈমন্তীর বাবা-মা-বোনের। অথচ, তারপর থেকে বেপাত্তা হৈমন্তীর পরিবারও। উত্তর বাকসারা রোডের বাড়িতে দেখা যায়নি পরিবারের সদস্যদের। বাড়ির দরজা বন্ধ। একইভাবে বেপাত্তা স্বামী গোপাল দলপতিও।

    এদিকে, সূত্রের খবর, গোপালের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সিবিআই। যদিও, একটি সংবাদমাধ্যমকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোপাল দলপতি দাবি করেন, তিনি বেপাত্তা হননি। একটি মামলার কাজে সিবিআইকে বলেই দিল্লি এসেছেন। তিন-চারদিনের মধ্যে ফিরবেন বলেও নিশ্চিত করেন গোপাল দলপতি।

  • SSC Scam: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    SSC Scam: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যুব তৃণমূল নেতার ঘুষ নেওয়ার কথা বললেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’ তাপস মণ্ডল। বহু ছাত্রছাত্রীর থেকে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা তুলেছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের পর এমনই দাবি করলেন তাপস। বুধবার নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে যান তিনি। রাতে সেখান থেকে বেরোনোর সময় তাপস দাবি করেন, তৃণমূল নেতা যে ১৯ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা তুলেছিলেন, তার কিছু তথ্যপ্রমাণ তিনি তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন।

    তাপস-কুন্তল মুখোমুখি জেরা

    সিবিআই সূত্রে খবর, বুধবার তাপস এবং ওই তৃণমূল নেতাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বাইরে বেরিয়ে তাপস এই মন্তব্য করেন। তিনি জানান, শাসকদলের ওই যুব নেতার কথা আগেই সিবিআইকে বলেছিলেন তিনি। ওই নেতাকে যাতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তার আর্জিও জানিয়েছিলেন। অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ হুগলির একটি কলেজের কর্ণধার। চাকরি দেওয়ার নামে ১০০ কোটি তোলার অভিযোগ করেন তাপস মণ্ডল। তার মধ্যে হুগলির যুব নেতা ৩২৫ জনের কাছ থেকে ১৯ কোটি টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তাপসের।

    আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি সংগঠনকে মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলবন্দি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত তাপস মণ্ডল। জেলবন্দি আরেক অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও ঘনিষ্ঠ তাপস। তিনিই এবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের জেরায় কুন্তলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। এই অভিযোগ পাওয়ার পরই কুন্তলের সঙ্গে তাপসকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেছে সিবিআই। তাতে যুবনেতার কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে সূত্রের খবর। এও জানা গিয়েছে, গোয়েন্দাদের কাছে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন কুন্তল। তবে সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুন্তল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে

    Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে। ধৃত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন কবে, তা জানতে চেয়েই দেওয়া হয়েছে নোটিশ। ৩ এপ্রিলের মধ্যেই জবাব তলব করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি।

    কী বললেন বিচারপতি? (Recruitment Scam) 

    বিচারপতি বলেন, “উচ্চ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে সেটা আইনের ও জনগণের বিশ্বাসের ওপর ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলে।” আর্থিক দুর্নীতির গুরুত্ব কেবলমাত্র শাস্তির মেয়াদ থেকে বোঝা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “মানুষের আস্থা ও সমাজের ওপর প্রশাসনিক ব্যবস্থার একটা সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে।” তিনি বলেন, “সৎ (Recruitment Scam) সরকারি আধিকারিকদের তদন্তের নামে হয়রানি করা থেকে রক্ষা করার জন্যই অনুমতি গ্রহণের এই নিয়ম বা আইন রয়েছে। কিন্তু যেখানে আদালতের নির্দেশে বা নজরদারিতে তদন্ত হচ্ছে, সেখানে সেই তদন্ত হয়রানির জন্য করা হচ্ছে প্রাথমিকভাবে তা বলা যাবে না। অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি। এতে দেরি হওয়াটা দুঃখের বিষয়।”

    সিবিআইয়ের যুক্তি

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে। এঁদের মধ্যে অনেকেই জামিন পেয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর গ্রেফতার করা হয়েছিল কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্যদের। আদালতে সিবিআইয়ের যুক্তি ছিল, সরকারি আধিকারিকদের ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে গেলে রাজ্যের অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেটা যেহেতু পাওয়া সম্ভব হয়নি, তাই এগোচ্ছে না তদন্ত।

    আরও পড়ুুন: থিম্পুতে মোদি, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    গোয়েন্দা সংস্থার আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বাগচি বলেন, “আদালতের নজরদারিতে যখন তদন্ত চলছিল, তখন এত অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল না। এতদিনে তদন্ত শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।” আদালতের বক্তব্য, আসামিকে গ্রেফতার করে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দিষ্ট দিন আছে। ট্রায়াল চলাকালীন আসামিকে জেলে থাকতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায় মন্ত্রী ছিলেন। তিনি খুনের আসামি নন যে, তাঁকে হেফাজতে রেখে পুরো তদন্ত শেষ করতে হবে। বিচারপতি বাগচির পর্যবেক্ষণ, “তদন্তকারী সংস্থা এক (Recruitment Scam) বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে। যদিও তদন্তে গতি আনতে ব্যর্থ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share