Tag: Recruitment scam

Recruitment scam

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি! প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের এক কর্মীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি! প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের এক কর্মীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। বুধবার সল্টলেকের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে,প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অ্যাকাউন্টস বিভাগের কর্মী অর্ণব বসুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। মূলত ওই কর্মী চাকরি চুরি সংক্রান্ত কোনও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত কি না সেটাই খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত সেই তল্লাশিতে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া গিয়েছে কি না সেটা জানা যায়নি। এদিনই কলকাতার ইডি দফতরে পৌঁছন নিয়োগকাণ্ডে ধৃত অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীল। 

    সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি

    বুধবার দুপুরে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন কাকলি। এর আগে গত শনিবারও তিনি ইডি অফিসে গিয়েছিলেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) গ্রেফতার সল্টলেকের প্রোমোটার অয়ন শীলের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি। সূত্ররে খবর, অয়নের স্ত্রী এবং ছেলে দিল্লিতে থাকেন। কাকলি দিল্লি থেকে ফিরেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন। তদন্তে নেমে অয়ন শীলের ব্যাঙ্ক লকারের হদিশ পেয়েছে ইডি। লকারে অয়নের সঙ্গে যৌথভাবে নাম রয়েছে তাঁর স্ত্রী কাকলির। এর আগেও কয়েকবার অয়ন পত্নীর সঙ্গে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলের ছেলের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    ইডি সূত্রে খবর, অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের দ্বিতীয় ডিরেক্টর কাকলি শীল। কাকলি যদিও এর আগে দাবি করেছিলেন, স্বামীর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল ছিলেন না। একই সঙ্গে স্বামীর প্রযোজিত সিনেমায় তাঁর স্বামীর ‘ঘনিষ্ঠ’ শ্বেতা চক্রবর্তীর অভিনয় নিয়েও তিনি অনেক পরে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন কাকলি। ইডি সূত্রে খবর, অয়নের বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর এবং কাকলির নামে দু’টি যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে। পাশাপাশি কাকলির নামে দু’টি আলাদা অ্যাকাউন্টের হদিস পাওয়া গিয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘সিআইডির ভূমিকায় সন্তুষ্ট নই’, ভুয়ো শিক্ষক মামলায় মন্তব্য বিচারপতি বসুর  

    Murshidabad: ‘সিআইডির ভূমিকায় সন্তুষ্ট নই’, ভুয়ো শিক্ষক মামলায় মন্তব্য বিচারপতি বসুর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিআইডির (CID) ভূমিকায় আমি একেবারেই সন্তুষ্ট নই। তদন্ত সঠিক পথে এগোচ্ছে না। সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) গোথা এআর হাইস্কুলে চাকরি করছিলেন জনৈক অনিমেষ তিওয়ারি। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাঁর বাবা আশিস তিওয়ারি। আশিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুতির স্কুলে ভূগোলের শিক্ষক অরবিন্দ মাইতির নিয়োগপত্রের মেমো নম্বর জাল করে ছেলে অনিমেষকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

    অনিমেষ অধরা…

    এই অভিযোগের ভিত্তিতে হাইকোর্টে দায়ের হয় মামলা। সেই মামলার তদন্তে সিবিআই নয়, সিআইডির ওপর ভরসা রেখেছিল আদালত। সেই মতো তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ১৭ ফেব্রুয়ারি ভবানী ভবনে টানা সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আশিসকে (Murshidabad) গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। যদিও আশিসের ছেলে অনিমেষ এখনও অধরা। এদিন সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি বসু বলেন, সিআইডির ভূমিকায় আমি একেবারেই সন্তুষ্ট নই। তদন্ত সঠিক পথে এগোচ্ছে না। এভাবে তদন্ত চললে সিআইডির ডিআইজিকে ডেকে পাঠাব। প্রয়োজনে আদালতের পর্যবেক্ষণ সার্ভিস বুকে উল্লেখ করতে নির্দেশ দেব। সেটা কিন্তু ভাল হবে না। বিচারপতি বলেন, মামলাকারীরা সিবিআই তদন্তের দাবি করেছিলেন। আমি সিআইডির ওপর ভরসা করেছিলাম। তার এই পরিণাম।

    আরও পড়ুুন: শাহি দরবারে শুভেন্দু, পঞ্চায়েতের আগে কী আলোচনা হল দু’ জনের?

    তিনি বলেন, এমন কড়া মন্তব্য করতে বাধ্য করবেন না যাতে সিআইডির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাঁর প্রশ্ন, কেন অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত শিক্ষক অনিমেষ তিওয়ারিকে এখনও গ্রেফতার করা গেল না? কীভাবে এতদিন তিনি বেতন পেতেন? কার বদান্যতায় সেটা হল? কেন এখনও তার সন্ধান পেল না সিআইডি? এদিন আদালতে সিআইডি জানায়, অনিমেষ এ রাজ্যে নেই। তাঁর মোবাইল ফোনের লোকেশন কখনও উত্তর প্রদেশ কখনওবা বিহার দেখাচ্ছে। ৬ এপ্রিল এ বিষয়ে ফের রিপোর্ট তলব করেছে আদালত।

    বিচারপতি বসু বলেন, আমি কিছু শুনতে চাই না। যেখান থেকে হোক অভিযুক্ত বহিষ্কৃত শিক্ষককে (Murshidabad) খুঁজে বের করুন। তিনি বলেন, তদন্তে যে গাফিলতি হয়েছে, সেটা স্পষ্ট। ৬ এপ্রিলের মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা না হলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বিচারপতি বসু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • SSC Scam: শান্তিপ্রসাদকে হেফাজতে কেন? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে প্রশ্নের মুখে সিবিআই

    SSC Scam: শান্তিপ্রসাদকে হেফাজতে কেন? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে প্রশ্নের মুখে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসি (SSC Scam) উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন আহ্বায়ক শান্তিপ্রসাদ সিনহার (Shantiprasad Sinha) জামিনের বিরোধিতা করায় আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়ল সিবিআই। নিয়োগ সংক্রান্ত এক মামলার শুনানি চলাকালীন সোমবার আলিপুর সেশন কোর্টের বিচারপতির কাছে জামিনের আবেদন করেন শান্তিপ্রসাদের আইনজীবী। 

    সওয়াল-জবাব

    এদিন, আদালতে শান্তিপ্রসাদের আইনজীবী জানতে চেয়েছিলেন, ইতিমধ্যেই হেফাজতে ২৫৯ দিন কাটিয়ে ফেলেছেন শান্তিপ্রসাদ। যদি নতুন করে তাঁকে হেফাজতেই নেওয়ার প্রয়োজন থেকে থাকে, তবে সে কথা গত ২৫৯ দিনে কেন মনে পড়েনি সিবিআইয়ের। আইনজীবী এই প্রশ্ন করার পরে বিচারকও সিবিআইকে নির্দেশ দেন প্রশ্নটির জবাব দিতে। কিন্তু সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার বা আইনজীবী এর স্পষ্ট কোনও জবাব দিতে পারেননি। পাল্টা সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘যা তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে তাতে এই পর্যায়ে জামিন পেলে তদন্ত (SSC Scam) নষ্ট হবে। বৃহত্তর ষড়যন্ত্র এটা। জামিন পেলে সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন।’ সিবিআইয়ের বক্তব্য, এসপি সিনহা ভুয়ো সুপারিশ পত্র দিয়ে জাল নিয়োগপত্র দিয়েছেন।

    সিবিআইকে প্রশ্ন বিচারপতির

    বিচারক রানা দাম এরপরই প্রশ্ন করেন,সিবিআই কেন একই কথা টেপ রেকর্ডারের মতো বার বার বলে চলেছে? অভিযুক্তদের জামিন দেওয়া হলে কী হতে পারে বলে আশঙ্কা সিবিআইয়ের? তারা কী নাচবেন? এসএসসির নিয়োগ সংক্রান্ত (SSC Scam) উপদেষ্টা কমিটির প্রধান ছিলেন শান্তিপ্রসাদ। কোটি কোটি টাকার নিয়োগ দুর্নীতির রাশ অনেকটাই তাঁর হাতে ছিল বলে অভিযোগ সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতির  প্রশ্ন, ‘তিনমাস আগে চার্জশিট পেশ হয়েছে। অথচ এই ব্যক্তির ভূমিকা বুঝতে এতদিন লেগে গেল? সবই তো ভিতরে ভিতরে সম্পর্কযুক্ত। বলবেন না আপনারা জানতেন না।’একইসঙ্গে এদিন বিচারক প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা বলছেন তদন্তে প্রভাব পড়বে। কী প্রভাব পড়বে যদি জামিন দিই? অন্য কেসে তো জেলে আছেন। এই কেসে কেন দরকার? নতুন কিছুই তো বলার মতো নেই। একই কথা বলছেন। ডিসেম্বরে চার্জশিট দিয়েছেন আর মার্চ মাসে হেফাজতে চাইছেন?’

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত নীলাদ্রি দাস বানিয়েছিলেন চাকরি বিক্রির চার্টও! জানুন রেট

    প্রসঙ্গত, আগেই সিবিআইয়ের চার্জশিটে বলা হয়েছিল, শিক্ষক নিয়োগে প্রভাব খাটানোর উদ্দেশ্যেই, শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে এসএসসি’র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। দুর্নীতির (SSC Scam) পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদেরও ষড়যন্ত্রমাফিক সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্কুলের নিয়োগে দুর্নীতির মামলায়, ইডির হাতে প্রথম গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ঠিক তারপরই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন, স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত নীলাদ্রি দাস বানিয়েছিলেন চাকরি বিক্রির চার্টও! জানুন রেট

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত নীলাদ্রি দাস বানিয়েছিলেন চাকরি বিক্রির চার্টও! জানুন রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত নাইসা-র ভাইস প্রেসিডেন্ট নীলাদ্রি দাসের মোবাইল ফোনে রয়েছে গোপন তথ্যের ভাণ্ডার! এমনটাই অনুমান সিবিআইয়ের। মোবাইল ফোনটিকে গোপন তথ্যের ভাণ্ডার বলে মনে করছে সিবিআই। এবার ওই ভাণ্ডারের হদিশ পেতে তৎপর কেন্দ্রীয় সংস্থা। সিবিআইয়ের আরও দাবি, চাকরিপ্রার্থীদের নামের বেশ কিছু তালিকা ও অ্যাডমিট কার্ডের রোল নম্বর পাওয়া গেছে নীলাদ্রির মোবাইল ফোনে। মিলেছে বেশ কয়েকজন এসএসসি আধিকারিকের ফোন নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। শুধু তাই নয়, ওএমআর সংস্থার প্রধান নীলাদ্রি দাস বানিয়ে ফেলেছিলেন চাকরি বিক্রির চার্টও।

    কোন চাকরির কত দাম

    সূত্রের খবর, প্রাথমিকে শিক্ষক পদে চাকরির রেট ছিল ১০ লক্ষ টাকা। মোটর ভেহিকলসে ইন্সপেক্টর পদে চাকরির জন্য ১২ লক্ষ, খাদ্য দফতরে ফুড সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরির জন্য ১১ লক্ষ, জেলাশাসকের দফতরে চাকরির জন্য ৭ লক্ষ, পরিবহণ দফতরের অন্যান্য পদে চাকরির জন্য ৫ লক্ষ, রাজ্য পুলিশে চাকরির জন্য ৮ লক্ষ, সিভিক ভলান্টিয়ারের জন্য ৩০ হাজার, সেনাবাহিনীতে চাকরির জন্য ১৩ লক্ষ ও পুরসভায় ক্লার্কের চাকরির রেট ছিল দেড় লক্ষ টাকা।

    কোন কোন ধারায় মামলা রজু সিবিআইয়ের

    জানা গিয়েছে চার্জশিটে ধৃতের বিরুদ্ধে ১২০ বি ( অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র ), ২০১ (তথ্যপ্রমাণ লোপাট ), ৪২০ ( প্রতারণা ), ৪৬৭ (নকল ডকুমেন্টস তৈরি করা), ৪৬৮ (নকল নথি বানিয়ে ব্যবহার), ৪৭১ আইপিসি এবং প্রিভেনশন অফ কোরাপশন অ্যাক্ট ৭ ও ৮ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। সূত্রের খবর, নাইসার আরও একাধিক আধিকারিকের উপরে এবার নজর রয়েছে সিবিআইয়ের। তাদেরও দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সিবিআই সূত্রের খবর।

    কীভাবে চলত দুর্নীতি

    নীলাদ্রিকে গ্রেফতারের পর সিবিআই সূত্রেও দাবি করা হচ্ছে, চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা টাকা দিতেন, তাঁদের নাম SSC-র মাধ্যমে জানানো হত নাইসার ভাইস প্রেসিডেন্ট নীলাদ্রিকে। এরপর তিনি ওয়েবসাইটে নম্বর বাড়িয়ে দিতেন। কিন্তু কমিশনের দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের সুপারিশ অনুযায়ী অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা পাঠানোর পরও, ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে আরও কয়েকজনের নম্বর বাড়িয়ে দিতেন নীলাদ্রি। সেই জাল ছড়িয়ে ছিল বিভিন্ন জেলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Scam: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    Recruitment Scam: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীলকে এবার ডাকতে চলেছে ইডি। ইডি (ED) সূত্রে খবর,অয়নের নামে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান মিলেছে। সেই লকারে কী আছে তা খতিয়ে দেখতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে এও জানা গিয়েছে, এই লকারের বেশ কয়েকটি আছে অয়ন ও তাঁর স্ত্রী কাকলি শীলের (Kakali Shil) নামে। সেই সূত্রে এবার কাকলিকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা। 

    কাকলির সঙ্গে যোগাযোগ

    ইতিমধ্যেই তদন্তকারীরা দু’বার কাকলির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন বলে খবর। অয়নের মূল যে সংস্থা সেই এবিএস ইনফোজোনের ডিরেক্টর পদে রয়েছেন কাকলি। ইডি আদালতে জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে অয়ন বিপুল জমি কিনেছিলেন। লকডাউনের মধ্যেও হুগলির গুড়াপে ছেলে অভিষেক শীলের নামে কোটি টাকার  সম্পত্তি কেনেন অয়ন। যার রেজিস্ট্রি খরচই লেগেছিল ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ভাঙড়ে একই দিনে তিনটি জমি কিনেছিলেন অয়ন। কাকলির নামেও বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। ইডির অনুমান, এই সব হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকায়।

    আরও পড়ুন: ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিলেন অয়ন! টাকা লগ্নি করেছিলেন আবাসন শিল্পে?

    ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ

    রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকে শুরু করে সিনেমা প্রযোজনা সব জায়গাতেই নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকা লাগিয়েছিলেন অয়ন। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে পুরসভায় নিয়োগ সব জায়গাতেই  বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি ইডির। এবার এনফোর্সমেন্টের ডিরেক্টরেটের আতস কাচের নিচে অয়নের ব্যাঙ্ক লকার। এই সম্পর্কে জানতে ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন ইডি আধিকারিকেরা। অয়ন গ্রেফতারের পর তাঁর সেই লকার ব্যবহার হয়েছে কি না, তা জানতে তৎপর ইডি। ব্যাঙ্ক লকারে কী এমন আছে? সেখান থেকে কোনও সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই লকার সম্পর্কিত তথ্য চেয়েই ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ইডির আধিকারিকরা। এই পরিস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে অয়নের স্ত্রী কাকলিকেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: এসএসসি গ্রুপ সি-র কাউন্সেলিং-এর উপর স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এসএসসি গ্রুপ সি-র কাউন্সেলিং-এর উপর স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি গ্রুপ সি-র (Group C) কাউন্সেলিং-এর উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুক্রবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোসের এজলাসে এসএসসি গ্রুপ সি (Group C) সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। একইসঙ্গে বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোসের এজলাসে নবম-দশম মামলার শুনানিও ছিল। সেই মামলাতেও বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, আপাতত শূন্যপদ পূরণ করা যাবে না। এখন ৭ দিনের জন্য ওই শূন্যপদগুলিতে কোনও নিয়োগ করতে পারবে না এসএসসি।

    শীর্ষ আদালতের মত

    চাকরি বাতিল সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিচ্যুতরা। চাকরি বাতিলের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে চাকরিচ্যুতরা জানান, হাইকোর্ট তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেয়নি। তাই তাঁদের বক্তব্য শোনা হোক। নবম-দশমে ৬১৮ জন এবং গ্রুপ সি-র ৮৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু করেছিল এসএসসি। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং সুধাংশু ধুলিয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই স্থগিতাদেশ দেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ পদে কীভাবে নিয়োগ হতে পারে? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    হাইকোর্টের মত

    উল্লেখ্য, গ্রুপ সি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের বেঞ্চে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে কাউন্সেলিং-এর প্রক্রিয়া। বৃহস্পতিবার প্রথম দফার কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডাকাও হয়েছিল ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের। এরই মধ্যে এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কাউন্সেলিংয়ের উপর স্থগিতাদেশ। প্রসঙ্গত, গ্রুপ সি চাকরিহারাদের আইনজীবী পার্থদেব বর্মণ জানাচ্ছেন, “আগামী দিনে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম, শিক্ষক-অশিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত যত মামলা রয়েছে, সেই সব মামলা আমরা শীর্ষ আদালতে নিয়ে যাব।”

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন! হাইকোর্টে ‘ভুল’ স্বীকার করলেন এসএসসির চেয়ারম্যান

    গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের নির্দেশে এসএসসি নবম-দশমে ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র বাতিল করে। এই চাকরিপ্রাপকদের বিরুদ্ধে উত্তরপত্রে কারচুপি করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসএসসি-র তরফে এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়া হয়। তারপরই হাইকোর্ট তাঁদের নিয়োগ বাতিল করে, নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighat: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত শান্তনুর স্ত্রীর নির্মাণ সংস্থায় বিপুল বিনিয়োগ ‘কালীঘাটের কাকু’র!

    Kalighat: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত শান্তনুর স্ত্রীর নির্মাণ সংস্থায় বিপুল বিনিয়োগ ‘কালীঘাটের কাকু’র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ফাঁস নয়া তথ্য। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা (TMC) শান্তনুর (Shantanu Banerjee) স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্মাণ সংস্থা ডিআইপি ডেভেলপারে বিপুল বিনিয়োগ করেছেন কালীঘাটের (Kalighat) কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। হুগলির সত্যপির তলায় বহুতল নির্মাণ করছে ডিআইপি ডেভেলপার। এর অন্যতম অংশীদার প্রিয়ঙ্কা। এই সংস্থার ব্যালেন্স শিট থেকেই জানা গিয়েছে, প্রিয়ঙ্কার সংস্থায় ৪০ লক্ষ টাকা লগ্নি করেছেন কালীঘাটের কাকু। তবে ওই ব্যালেন্স শিটের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    কালীঘাটের (Kalighat) কাকুর কারবার…

    জানা গিয়েছে, চন্দননগরের জিটি রোডের পাশে কাঠা ছয়েক জমির ওপর বহুতল নির্মাণের চুক্তি হয়। তার নকশা দিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে শুরু হয় বুকিংও। তাতেই টাকা ঢেলেছেন কালীঘাটের কাকু। ডিআইপি ডেভেলপারের ব্যালেন্স শিটে দেখা যাচ্ছে ওই সংস্থায় ৪০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন কালীঘাটের কাকু। ৯৬ লক্ষ টাকার ব্যালেন্স শিটে দেখা যাচ্ছে, শান্তনুকে ১০ লক্ষ ও প্রিয়ঙ্কার ছেলের নামে থাকা সংস্থা ইভান কনট্রেডকে ৪০ লক্ষ টাকা লোন দেওয়া হয়েছে। ডিআইপি ডেভেলপারের অন্যতম অংশীদার ইন্দ্রনীল চৌধুরী জানান, সত্যপির তলার ওই প্রকল্পে তাঁদের তিনজনের বিনিয়োগ রয়েছে। কালীঘাটের কাকুর বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উনি (কালীঘাটের কাকু) দোকান নেবেন বলে অগ্রিম ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, সমস্ত তথ্যই তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: মমতার পাল্টা ধর্নায় বিজেপি, পঞ্চায়েত ভোটের আগে রয়েছে গুচ্ছ কর্মসূচিও

    নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ধৃত কুন্তলকে চেনেন না বলে দাবি করলেও, শান্তনুকে চেনেন বলে দাবি করেছেন কালীঘাটের কাকু। এবার জানা গেল, শান্তনুর স্ত্রীর সংস্থায়ই ৪০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন কালীঘাটের কাকু। সূত্রের খবর, চুঁচুড়া, চন্দননগর, হাওড়ার মুন্সিরহাট সহ কয়েকটি জায়গায় রিয়েল এস্টেটে প্রিয়ঙ্কার নামে লগ্নি করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। নিয়োগ কেলেঙ্কারির কালো টাকা সাদা করতেই কি রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ, উঠছে প্রশ্ন। এদিকে, শান্তনু ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের ১০টি অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। এর আগে তাঁর ৩০টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে ইডি। অয়নের সঙ্গে শান্তনুর কী ধরনের বোঝাপড়া ছিল, তাও খতিয়ে দেখছে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Suvendu Adhikari: পার্থ কী বলবেন তা আলিপুর জেল সুপারের কেবিনে বসেই ঠিক হয়! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পার্থ কী বলবেন তা আলিপুর জেল সুপারের কেবিনে বসেই ঠিক হয়! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দিকে আঙুল তুলেছিলেন। এবার তার যোগ্য জবাব দিলেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, ‘খুব দুর্বল চিত্রনাট্য। এই নাটক জেলে থাকা সুদীপ্ত সেনকে দিয়েও লেখানো হয়েছিল। সেখানে বিমানবাবু থেকে শুরু করে আমার নামও ছিল।’ পার্থ কী বলবেন, সেটা বুধবার আলিপুর জেলের সুপারের কেবিনে বসে ঠিক হয় বলেও দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দু যা বললেন

    প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারেই বর্তমানে রয়েছেন পার্থ। শুভেন্দুর দাবি, এই চিত্রনাট্যর প্লট তৈরি হয়েছিল গতকাল। প্রেসিডেন্সির সুপারের দুটি ফোন নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসটাইমে কার কার সঙ্গে কথা হয়েছে, তা খুঁজে বের করার দাবি তুলেছেন তিনি। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও দাবি, ‘গতকাল বিকেলে দেবাশিস চক্রবর্তীর কেবিনে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর আইনজীবী ছিলেন। সেই সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হোক।’ বিরোধী দলনেতার দাবি, এগুলি মিলিয়ে দেখলেই স্পষ্ট হবে কীভাবে জেলের ভিতরে থাকা একজনের বক্তব্যের সঙ্গে জেলের বাইরে থাকা একজনের বক্তব্য মিলে যায়। বললেন, ‘এগুলি খুব দুর্বল চিত্রনাট্য। এসব করে কিছু হবে না।’

    যুক্ত জেল সুপারও

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘দেবাশিস চক্রবর্তীর কেবিনে এক জন মহিলা আইনজীবী ছিলেন। সেই কেবিনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও আনা হয়েছিল। বিকেল ৪টে থেকে সওয়া ৪টের মধ্যে প্রেসিডেন্সি জেলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হোক।’’ এখানেই না থেমে চ্যালেঞ্জের সুরে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বিধানসভার মধ্যেও বলেছিলাম। একটা ফাঁকা কাগজও যদি দেখাতে পারেন, তা হলে মেনে নেব। ২০১৬ সাল থেকে আমি বিধায়ক। তার আগে সাংসদ ছিলাম। এই সময় কালে তাঁর কাছ থেকে চক, ডাস্টার, ব্ল্যাকবোর্ড পর্যন্ত নিইনি। এই লোকটাকে আমি ঘৃণা করি। কারণ, তিনি দুশ্চরিত্র, লম্পট, দুর্নীতিপরায়ণ। আর এই সবের পিছনে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’

    আরও পড়ুুন: ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ওই চিত্রনাট্য ১৮ মিনিটের ব্যবধানে যাঁরা টুইট করেছেন এবং বলেছেন তাঁরা দু’জনেই ‘জেলখাটা’। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে কুণাল টুইট করেন, ‘‘শিক্ষায় নিয়োগ বিতর্ক: দিলীপ ঘোষ, সুজন চক্রবর্তী, শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য ও আরও কয়েক জন চাকরির সুপারিশ করেছিলেন কি? তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ করেছিলেন কি? তদন্ত হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি একমুখী কাজ না করে নিরপেক্ষ কাজ করুক।’’ এর পরে দুপুর ১২টা নাগাদ আদালত চত্বরে মন্তব্য করেন পার্থ। শুভেন্দুর দাবি, এটা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Partha Chatterjee:  ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    Partha Chatterjee: ‘এই চোর পার্থ’! স্লোগানের পাশাপাশি সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার ফাঁসিও চাইল জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার চোর, চোর স্লোগান শুনলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা সাসপেন্ডেড তৃণমূল (TMC) নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় বৃহস্পতিবার পার্থকে তোলা হয় আদালতে। গাড়ি থেকে পার্থ নামতেই উপস্থিত জনতা স্লোগান দেয়, চোর, চোর। ওঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত, ওঁর ফাঁসি হওয়া উচিত।

    এই পার্থ (Partha Chatterjee) চোর…
    নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে এদিন আলিপুর সিবিআই আদালতে শুনানি ছিল পার্থ সহ সাতজনের। পার্থকে আদালতে নিয়ে আসা হয় আলাদা একটি গাড়িতে করে। গাড়ি থেকে চেক কাটা পাঞ্জাবি পরা পার্থ নামতেই জনতা স্লোগান দিতে থাকে, এই পার্থ চোর, এই চোর পার্থ। মাথা নিচু করে হেঁটে পার্থ (Partha Chatterjee) সোজা ঢুকে যান আদালতে। এই সময় জনতার একাংশকে বলতে শোনা যায়, ওঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত, ওঁর ফাঁসি হওয়া উচিত। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও জোকা ইএসআই হাসপাতালে কিংবা ব্যাঙ্কশাল কোর্ট চত্বরে পার্থকে দেখে চোর স্লোগান দিয়েছিল উপস্থিত জনতা। এদিন আলিপুরও দেখল একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

    এদিন জনতার মধ্যে থাকা এক ব্যক্তি পার্থর বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা চালান করার অভিযোগও করেন। এর আগে পার্থকে লক্ষ্য করে জুতোও ছোড়া হয়েছিল। অন্যদিন প্রতিক্রিয়া না দিলেও, এদিন দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ঘনিষ্ঠ মহলে সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা (Partha Chatterjee) বলেন, চোর হলে এক জায়গায় পাঁচবার জিততাম না। সৎ না হলে আমাকে মানুষ পাঁচ বার জেতাতেন না। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যাঁরা আমাকে জানেন তাঁরা আমায় চোর বলবেন না। বেহালার মানুষ আমাকে চোর বলতে পারেন না। তিনি বলেন, ভেবেছিলাম, চুপ থাকব। কিন্তু চুপ থাকতে দেবে না।

    আরও পড়ুুন: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    নিয়োগ দুর্নীতির কেলেঙ্কারির দায় এদিন পার্থ (Partha Chatterjee) চাপাতে চেয়েছেন বিরোধীদের ঘাড়ে। উপস্থিত জনতার মুখে চোর স্লোগান শুনে সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা বলেন, আমি দুর্নীতি করতে চাইনি। শুভেন্দু, দিলীপ, সুজন উত্তরবঙ্গে অনেক তদ্বির করেছিলেন। আমি বরং বলেছিলাম, আমি নিয়োগকর্তা নই, কিছু করতে পারব না। এদিন পার্থর সঙ্গেই আদালতে পেশ করা হয় বারাসতের শিক্ষক তথা নিয়োগ কেলেঙ্কারির অন্যতম চাঁই তাপস মণ্ডলকে। অয়ন শীলকে নিয়ে প্রশ্ন করায় তনি বলেন, ম্যাজিশিয়ান কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞেস করুন।ও সব জানে। সুবীরেশ সহ বাকিদেরও এদিন আদালতে তোলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Sukanta Majumdar: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ কেলেঙ্কারি, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল। এই অয়নের সংস্থার মাধ্যমেই রাজ্যের ৬০ পুরসভায় কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে স্পষ্ট হয়েছে ইডির তদন্তে। তার জেরে কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে চিঠি দিলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। চিঠিতে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। অবিলম্বে কেন্দ্রের তহবিলের টাকা দেওয়া বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন ওই চিঠিতে। প্রসঙ্গত, এর আগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর চিঠি পেয়ে পদক্ষেপ করেছিল কেন্দ্র। মিড-ডে মিল ও আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় দল।

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) জানান, নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দেশের পুরসভাগুলিকে টাকা দেয়। এ রাজ্যের পুরসভাগুলিও টাকা পায় কেন্দ্র থেকে। তাই এ ব্যাপারে কেন্দ্রের অবগত থাকা উচিত। সুকান্ত বলেন, ৬০টি পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তৃণমূলের নেতাদের টাকা না দিয়ে কেউ চাকরি পায়নি, একজনও নয়। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত হওয়া উচিত। কেন্দ্রের কাছে তদন্তের টিম পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

    অয়নকে গ্রেফতার করার পরেই ইডির হাতে এসেছে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য। ঝাড়ুদার থেকে ক্লার্ক, পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দিতে ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হত। অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের মাধ্যমে একাধিক পুরসভায় চুক্তি হত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রেই অয়নের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরসভার পরীক্ষার ওএমআর শিট।

    আরও পড়ুুন: ইডির দফতরে হাজিরা শান্তনু ঘনিষ্ঠ আকাশের! আর কী কী তথ্য পেল তদন্তকারীরা?

    অয়নের মামলা চলাকালীন আদালতে ইডি জানিয়েছে, অয়নের সংস্থার মাধ্যমে রাজ্যের ৬০টিরও বেশি পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আর সেই সবকটি ক্ষেত্রেই হয়েছে দুর্নীতি। প্রায় ৫ হাজার প্রার্থীর চাকরির ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। কামারহাটি, হালিশহর, পানিহাটি, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম, ডায়মন্ড হারবার সহ বিভিন্ন পুরসভার নাম রয়েছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তালিকায়। প্রশ্ন হল, কলকাতা পুরসভায় নিয়োগেও কি অয়ন প্রভাব খাটিয়েছিল? কারণ, ইডির সিজার লিস্টে উল্লেখ রয়েছে, অয়নের অফিসে তল্লাশির সময় মিলেছে কলকাতা পুরসভাকে দেওয়া একটি চিঠির কপি। চিঠিটি লিখেছেন একজন চাকরিপ্রার্থী। একটি ড্রাফট লেটারও উদ্ধার হয়েছে। প্রণব নামে কেউ একজন ওই চিঠি পাঠিয়েছেন পুরসভার মেয়রকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
LinkedIn
Share