Tag: Red Road

Red Road

  • Kolkata Eid Namaz: ৪৮ বছরে প্রথম, ব্রিগেডে পালিত হল ইদের নামাজ, উন্মুক্ত রেড রোড

    Kolkata Eid Namaz: ৪৮ বছরে প্রথম, ব্রিগেডে পালিত হল ইদের নামাজ, উন্মুক্ত রেড রোড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এক দীর্ঘমেয়াদি ঐতিহ্যের অবসান ঘটিয়ে এবার যানজটমুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হল পবিত্র বকরি ইদ (Bakrid)। নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের কড়া নির্দেশিকা এবং আইনশৃঙ্খলার সঠিক বাস্তনায়নের ফলে রাজ্যের পথঘাট অবরুদ্ধ (Kolkata Eid Namaz) করে বা প্রকাশ্যে রাস্তায় বসে নামাজ পড়ার বহু বছরের পুরোনো চেনা ছবি এবার আর দেখা যায়নি। ফলে উৎসবের দিনটিতেও কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলির প্রধান সড়কগুলিতে তীব্র যানজটের ভোগান্তি থেকে রেহাই পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ।

    সড়ক অবরুদ্ধ না করার কড়া প্রশাসনিক বার্তা

    পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র দফতর এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ নির্দেশনায় এবারের ইদের আগে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, ধর্মীয় বা সামাজিক কোনও অনুষ্ঠানের নামেই রাজ্যের জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক বা শহরের মূল রাস্তা কোনওভাবেই বন্ধ (Kolkata Eid Namaz) করা যাবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং জরুরি পরিষেবার গাড়ি যাতে কোনও বাধার সম্মুখীন না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে মসজিদ কমিটি এবং স্থানীয় মুসলিম জননেতাদের সঙ্গে আগেই বৈঠক করা হয়েছিল। সেখানে আবেদন জানানো হয়, রাস্তায় নামাজ না পড়ে নামাজের আয়োজন যেন স্থানীয় ইদগাহ, মসজিদ প্রাঙ্গণ (Bakrid) বা নির্দিষ্ট ঘেরা মাঠের ভেতরে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। সরকারি এই নির্দেশিকা যাতে অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয়, তার জন্য আজ সকাল থেকেই কলকাতার পার্ক সার্কাস, রেড রোড সংলগ্ন এলাকা, জাকারিয়া স্ট্রিট এবং হাওড়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল।

    উৎসবের আনন্দ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ

    সরকারি এই কড়াকড়ির মধ্যেও উৎসবের আমেজে কোনও খামতি দেখা যায়নি। রাজ্যের মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ অত্যন্ত উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়েই বকরি ইদের নামাজ আদায় করেন। তবে সবটাই সম্পন্ন হয় নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্থান ও ইদগাহের (Bakrid) ভেতরে। রাস্তাঘাট ফাঁকা (Kolkata Eid Namaz) থাকায় অন্যান্য ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতে কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি।

    কলকাতার এক বাসিন্দা জানান, “বিগত কয়েক দশক ধরে ইদের দিন সকালের দিকে কলকাতার বুক চিরে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়ত। বাস, ট্যাক্সি বা অ্যাম্বুলেন্সকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। সুশৃঙ্খলভাবে নামাজও সম্পন্ন হয়েছে, আবার সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।”

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান

    রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলার ইতিহাসে একটি বড় পরিবর্তন। বিগত দেড় দশক ধরে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে উৎসবের দিনগুলিতে বড় রাস্তা বন্ধ (Kolkata Eid Namaz) করে নামাজ পড়ার দৃশ্য ছিল অত্যন্ত সাধারণ। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং সেই সমস্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতেন (Bakrid)।

    তবে সাম্প্রতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের পর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, আইন সবার জন্য সমান এবং ধর্মীয় আচরণের কারণে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার বা জনজীবন ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না। আজ ইদের দিনেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে গিয়ে গো-মাতার পুজো এবং আরতিতে অংশ নেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এক আমূল পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সর্বস্তরের সহযোগিতা ও শান্তি বজায়

    পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশিকা কার্যকরের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষ এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলির কাছ থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা মিলেছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা বা উত্তেজনার খবর পাওয়া যায়নি। রাস্তাঘাটে (Kolkata Eid Namaz) সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয়েছে এবং ড্রোন ব্যবহার করে ডাইভারশন রোডগুলির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, কড়া প্রশাসনিক নজরদারি এবং আমজনতার সহযোগিতায় এবারের বকরি ইদ পশ্চিমবঙ্গে এক ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল, যেখানে ধর্মীয় ভাবাবেগ বজায় রাখার পাশাপাশি নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

  • Red Road: ব্যবহৃত হবে সামরিক প্রয়োজনে, এবছর রেড রোডে ইদের নামাজ নয়, জানিয়ে দিল সেনা

    Red Road: ব্যবহৃত হবে সামরিক প্রয়োজনে, এবছর রেড রোডে ইদের নামাজ নয়, জানিয়ে দিল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ইদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয় কলকাতার রেড রোডে (Red Road)। এবার সেই জমায়েত ঘিরেই দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। চলতি বছরে রেড রোডে ইদ-উজ-জোহা (৭-৮ জুন) জমায়েত আয়োজনের অনুমতি দিল না সেনাবাহিনী। ফোর্ট উইলিয়ামের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি)-র তরফে এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ওই সময়ে রেড রোড ও সংলগ্ন অঞ্চল সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হবে। এর ফলে, ইদের (Red Road) জমায়েতের অনুমতির আবেদন নাকচ করা হয়েছে।

    কী বললেন কলকাতা খিলাফত কমিটির সভাপতি?

    এনিয়ে কলকাতা খিলাফত কমিটির সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ খানের বিবৃতি সামনে এসেছে। রবিবার তিনি বলেন, ‘‘আমরা চিঠি পেয়েছি। বৈঠক ডাকা হয়েছে। এরপর কমিটির সদস্যরাই সিদ্ধান্ত নেবেন কী পদক্ষেপ করা হবে।’’ প্রসঙ্গত, মহম্মদ আলি, মৌলানা শওকত আলি ও মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে যে খিলাফত-আন্দোলন গড়ে উঠেছিল সেই স্মৃতিতেই চলে খিলাফত কমিটি। এই কমিটির কমিটির তরফেই বড় দুই ইদের নমাজের আয়োজন করা হয় রেড রোডে। তবে এবার সেনাবাহিনীর (Indian Army) এই সিদ্ধান্তের ফলে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এখন দেখার সেনার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে খিলাফত কমিটি আদালতের দ্বারস্থ হয় কিনা।

    ১০ মে আবেদন করে কমিটি, সেনার জবাব আসে ৩১ মে

    রেড রোডের (Red Road) দীর্ঘ রাস্তায় প্রতি বছর রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষাধিক মানুষ একসঙ্গে ইদের নামাজের জন্য জড়ো হন। প্রোটোকল অনুযায়ী, কলকাতা খিলাফত কমিটি ১০ মে ইদের নামাজের জন্য অনুমতি চায়। এরপরে সেনাবাহিনী (Indian Army) তরফ থেকে জবাব আসে ৩১ মে এবং সেখানেই তাদের এই আবেদনকে নাকচ করা হয়। রেড রোডে বহু বছর ধরেই ইদের নামাজ চলে এবং বিরাট সংখ্যায় জমায়েতে হাজির থাকতে দেখা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও নেত্রীদেরও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইদের নামাজের ওই জমায়েতে হাজির থাকেন।

  • Dilip Ghosh: “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা সরব বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ভোটের মুখে এর আগেও বারংবার শিরোনামে উঠে এসছেন দিলীপ ঘোষ। এবার আরও একবার শাসক দলকে নিশানা করলেন তিনি। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন দিলীপ ঘোষ। বর্ধমানের ডিভিসি বাংলোর পাশের ময়দানে প্রাতভ্রমণে (morning walk) বের হন তিনি। সেখান থেকে বাজার হয়ে যান নীলপুর শ্রীগুরু সঙ্ঘের একটি আশ্রমে। সেখানেই তৃণমূলের গুন্ডামির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজেপির অস্ত্র ভোট (Dilip Ghosh)

    প্রচারের মাঝে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) একাধিক বিষয়ে মত প্রকাশ করেন। তৃণমূলের চেলা কাঠ প্রসঙ্গে উত্তর দিয়ে বলেন, “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব। যে যা ইচ্ছা বলবে, ওই দিন চলে গিয়েছে। আমরাও পাল্টা বলব। বিজেপির (BJP) কিছু লাগে না। ভোটই (vote) অস্ত্র আমাদের। মানুষ ওটা দেবে আমাদের, এভাবেই হারাবো তৃণমূলকে।” একই ভাবে অনন্ত মহারাজ দলে আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনন্ত মহারাজ অনেক দিন বাইরে থেকে সাপোর্ট করেছেন। এবারে যোগ দিয়ে দলের হয়ে কাজ করছেন। এটা ভালো কথা।”

    শাহজাহান প্রসঙ্গে কী বললেন?

    শাজাহানের প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শাজাহানকে (sheikh shahjahan) টিএমসি (TMC) ব্যবহার করেছে। তৃণমূলের হয়ে টাকা তুলেছেন তিনি। দুমাস চেষ্টা করল তাঁকে রক্ষা করতে। এখন তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে সিবিআই তদন্ত করলে আরও অনেকে ধরা পড়বেন।” উল্লেখ্য গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে ঢুকে ভাষণ দিয়েছেন, শরবত খেয়েছেন দিলীপ। তা নিয়ে প্রশ্ন এলে তিনি বলেন, “কোনও রঙ কারও কেনা নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা আমায় ডেকেছেন। আমায় ভাষণ দিতেও বলে ছিলেন ওঁরা। রাজনীতি (politics) ছাড়া কিছুই বোঝে না তৃণমূল। ভালোবেসে খাওয়ালে শরবতও মিষ্টি লাগে। ওঁরা কাল ভালোবেসে খাইয়েছেন। যাঁরা আমার গাড়িতে হামলা করত তাঁরাই যদি শরবত খাওয়ায় তাহলে বুঝতেই পারছেন পরিস্থিতি কেমন এখন।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে কী বললেন?

    কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি বলেছিলাম একসপ্তাহ পরে দেখবেন। কীর্তি আজাদ (kirti azad) অনেক বড়বড় কথা বলে ছিলেন। মনোনয়নের আগেই বুঝবেন কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি লাল মেঘ দেখছেন। লাল মেঘ দেখলে গরু যেমন লাফায় তেমন লাফাচ্ছেন।” আবার নিয়োগ মামলায় এফআইআর প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এফআইআর হয়েছে। মানুষ ক্ষুদ্ধ, বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে মানুষ আশাহত হবেন। এবারে আশাকরি ওঁরা সাজা পেয়ে যাবেন।” বিনয় তামাং প্রসঙ্গে তিনি আবার বলেন, “বিনয় তামাং (binay tamang) এন্ড কোম্পানি আমার উপর হামলা করেছিল। আমার এফআইআর নেয়নি সেই সময়। এখন এফআইআর হয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    Suvendu Adhikari: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘এবার ভাতিজা রুমাল মাথায় দিয়েছিল, কিন্তু টুপি পরেনি। সাগরদিঘিতে সংখ্যালঘু আর নন্দীগ্রামে সনাতনীদের গুঁতোয় এই পরিস্থিতি।’’ প্রসঙ্গত, ইদের দিন একই স্থানে মমতা বন্দোপাধ্যায় সংখ্যালঘুদের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। সেদিনই পাল্টা সভা করার ঘোষণা করেছিল গেরুয়া শিবির। এদিনের সভায় ভালই ভিড় হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে উপস্থিত ছিলেন বগটুইয়ের মিহিলাল শেখ।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    রেড রোডের সভায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারবাদ, তোষণবাদ, দুর্নীতিবাদের চাষ করেছেন। মোদিজির নেতৃত্বে বিকাশবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চাই আমরা। সংখ্যালঘু মানুষরা বাইরের রাজ্যে কাজ করতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। রাজ্যের তৃণমূল সরকার তাদের কাজের ব্যবস্থা করেনি। এমএসডিপি-র টাকায় ব্যাপক চুরি, দুর্নীতি হয়েছে।’’ তিনি এদিন আরও বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনআরসি-র ভয় দেখাচ্ছেন। অশান্তি লাগিয়ে, বিভাজনের রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইদের নমাজের মঞ্চেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতির বার্তা দিয়েছেন। সংখ্যালঘুরা রাজ্যের বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ৪৫ লক্ষ পরিযায়ী বাইরের রাজ্যে রয়েছেন।’’ এঁদের মধ্যে ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘সংখ্যালঘুদের জন্য কোনও কিছুর বন্দোবস্ত করতে ব্যর্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।’’

    এনআরসি-র মিথ্যে ভয় দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী

    এর আগেও রিষড়াকাণ্ডের পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছিলেন, ‘‘একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে তৃণমূল কংগ্রেস ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে ব্যবহার করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাল করে জানেন, এই সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন তিনি করতে পারেননি। তাই ২০২১ সালে এনআরসি-র মিথ্যে ভয় দেখিয়ে তাঁদের ব্যাপক ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন।’’ শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন করেন, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় এনআরসির কথা বলছেন, বলছেন তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অশান্তি লাগিয়ে এনআরসির জুজু দেখিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করছেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘ইদের দিন ধর্মীয় সভা থাকলেও, সেই সভাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক সভায় পরিণত করেছিলেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eid 2023: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

    Eid 2023: ঈদের জন্য রেড রোড ও ময়দানের প্রস্তুতির যাবতীয় খরচ এবার করছে মমতার সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন ঈদের দিন (Eid 2023) রেড রোডে নামাজ পড়বেন, এরমধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। কিন্তু এবার এই ঘটনাকে ঘিরেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়েছে বিড়াল, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এমনই জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরের এক টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, রেড রোড এবং ময়দান এলাকা জুড়ে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে মাঠে নেমেছে রাজ্য সরকারই। তিনটি পৃথক কাজের জন্য সব মিলিয়ে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৬ লক্ষ টাকা। বিরোধী মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোনও একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মাচরণের জন্য রাজ্য সরকার কি এভাবে দরাজ হস্তে দানধ্যান করতে পারে?

    ঈদের টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক কী বলা হয়েছে?

    এবার ৫ ই এপ্রিল জারি করা ওই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, ঈদ-উল-ফিতর (Eid 2023) উপলক্ষে আশপাশের গ্রাউন্ড থেকে আবর্জনা সরানো, মাঠ পরিষ্কার করা, বাস্কেটবল ক্লাবের সামনে জমে থাকা জলকাদা বালি দিয়ে ভর্তি করা ইত্যাদি কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩ টাকা। ঈদ-উল-ফিতরের জন্য অস্থায়ী প্যান্ডেল, স্টেজ এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৮৮৯ টাকা। ময়দান এলাকায় গেট এবং এই সংক্রান্ত কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।  এই সমস্ত কাজই তিনদিনের মধ্যে শেষ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এমনকি টাকা আরও লাগলে দেবে গৌরী সেন, এমনও আশ্বাস দিয়ে রাখা হয়েছে। 

    দল এবং সরকার একাকার হয়ে গিয়েছিল তৃণমূলের সভাতেও

    উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে একই ধরনের একটি ঘটনা এভাবেই প্রকাশ্যে এসেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল শহিদ মিনারে। আর ওই সভার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে মাঠে নেমেছিল খোদ রাজ্য সরকার। সেবারও দেখা গিয়েছিল, পূর্ত দফতর রেড রোড এবং আশপাশের এলাকায় প্যান্ডেল তৈরি, ব্যারিকেড বসানো ইত্যাদি কাজের জন্য তড়িঘড়ি টেন্ডার ডেকেছিল। তখনও প্রশ্ন উঠেছিল, একটি রাজনৈতিক দলের জন্য সরকার কি এভাবে টাকা খরচ করতে পারে? বিরোধীরা তখনও তীব্র সমালোচনা করে বলেছিল, দল ও সরকার যে একাকার হয়ে গেছে, এটাই তার বড় প্রমাণ।

    তোষণের রাজনীতিরই জ্বলন্ত প্রমাণ, তোপ বিজেপির

    ঈদের (Eid 2023) ওই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি নেতৃত্ব রাজ্য সরকারের ব্যাপক সমালোচনায় নেমেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, সরকার তাহলে সব জায়গাতেই নামাজ পড়ার জন্য খরচের ব্যবস্থা করুক। আর শুধু একটি ধর্ম কেন, সব ধর্মের জন্যই সরকার এমন দরাজহস্ত হোক। পরে এ ব্যাপারে ট্যুইট-বাণও নিক্ষেপ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। 

    বিজেপির সাফ কথা, তৃণমূল সরকারের তোষণের রাজনীতি যে কোন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, তার আরও একটি জলজ্যান্ত প্রমাণ সামনে এল। বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, যে রাজ্যে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দেওয়া হয়, দুর্গাপুজোর বিসর্জনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় মিছিলে নির্লজ্জ আক্রমণের ঘটনা ঘটে, সেখানে ঈদের নামাজের যাবতীয় খরচ বহন করছে রাজ্য সরকার? এরপরেও সাধারণ মানুষের আর বোঝার কিছু বাকি থাকে কি?
    বিজেপি নেতৃত্বের কটাক্ষ, মুসলিমদের ঠকিয়ে রাজনীতি করার দিন যে শেষ, তা সাগরদিঘিই বুঝিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল সরকারের শেষের সেই দিন যে এগিয়ে আসছে, তা এই ধরনের তোষণনীতি থেকেই পরিষ্কার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share