Tag: Religious Extremism

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১০ থেকে ১৬ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    বেয়ারেলি থেকে একটি চমকপ্রদ ও অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। বছর বারোর এক হিন্দু নাবালিকাকে জনৈক জিশান যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ। এর পরেই ওই নাবালিকা আত্মহত্যা করে। ঘটনাটি প্রথমে আত্মহত্যা বলে মনে হলেও, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (TCS) অফিসকে ঘিরে ধর্মান্তর ও হয়রানির মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত নিদা খানকে মহারাষ্ট্র পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি কয়েকদিন ধরে পুলিশের চোখ এড়িয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

    কলস যাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারির ভিন্দার গ্রামে একটি কলস যাত্রা চলাকালীন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশি ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন করে গ্রেফতারি এবং উসকানিমূলক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তাই ঘটনাটি স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলার বিষয় হওয়ার পাশাপাশি বৃহত্তর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনারও কারণ হয়ে উঠেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দুদের শোভাযাত্রা একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ও ডিজে বাজানো নিয়ে আপত্তি ওঠে। তার জেরেই পাথর ছোড়া ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শুরু হয় হিংসা। দেওরিয়ায় এক মুসলিম যুবক আশিক আনসারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘লাভ জেহাদ’ মামলায়। এক হিন্দু কিশোরী বৃন্দাবনের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, পুলিশ পকসো আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যেই চলছে এই আক্রমণ (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। মানিকগঞ্জ জেলায় ৩৫ বছর বয়সী মাছ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ রাজবংশীর কাছে বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ৪০,০০০ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নিহত ব্যক্তি মানিকগঞ্জ পুরসভার বান্দুটিয়া মহিষবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মাঝে মাঝে বাজারে ট্রাক থেকে মাছ নামানোর কাজও করতেন।

    হিন্দু পরিবারকে আক্রমণ

    দক্ষিণাঞ্চলের বাগেরহাট জেলার একটি সংখ্যালঘু পরিবারের অভিযোগ, একটি সশস্ত্র দল তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করেছে। বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি লুটপাটও চালায়। উদ্দেশ্য ছিল, বিতর্কিত জমি দখল করা। ভুক্তভোগীদের মতে, ৫০-৬০ জন ইসলামপন্থীর একটি দল এই হামলা চালায়, যাদের নেতৃত্বে ছিল  স্থানীয় প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদার, তার ছেলে মিরাজ ও আবদুল্লাহ এবং তার ভাই সারওয়ার ও দেলোয়ার। হামলাকারীরা দা, হাতুড়ি, কোদাল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। জমির মালিকানা নিয়ে রবিন ঢালি ও সোবাহান হাওলাদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি বিরোধের সঙ্গে এই হামলার সম্পর্ক রয়েছে বলে অনুমান।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জের। এসবই ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত রয়েছে বলে দাবি। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দু-বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যৌক্তিকতার অভাব লক্ষ্য (Hindus Under Attack) করলে দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও নিত্য ঘটে চলেছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindus Under Attack)। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে চলতে থাকা এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক অংশ এই আক্রমণের প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্টতার জের (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৮ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (Hindus Under Attack)

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় অংশের শুরুতেই একটি দৃশ্যে দেখা যায় এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে, তার মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে আনুজা নামের এক তরুণীর বাস্তব ঘটনাই এই দৃশ্যের নেপথ্যের কাহিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৌতুক অভিনেতা নাসির আখতারের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো, যেটি ৮ মার্চ বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় ‘মিনিস্ট্রি অব কমেডি’তে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়। হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, তিনি আগে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করেছেন। দিল্লিতে তরুণ তরুণ কুমার বুটোলিয়াকে হত্যা করেছে কয়েকজন মুসলিম। অভিযোগ, ১১ বছরের এক নাবালিকার ছোড়া জলভরা রঙিন বেলুন দুর্ঘটনাবশত এক মুসলিম মহিলার গায়ে পড়ে যায় (Hindus Under Attack)। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে তরুণ হত্যার ঘটনা। যা বড়জোর একটি পাড়ার ঝগড়া হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আকার নেয় গণপিটুনির।

    ইসলামপন্থী যুবকদের অত্যাচার

    রাজস্থানের আলওয়ার জেলার আরাবল্লি বিহার এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করা হয়। মন্দির লাগোয়া এলাকায় মেলে মৃত বাছুর। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় (Roundup Week)। কর্নাটকের কপ্পাল জেলায় ভেঙ্কটেশ নামের এক ব্যক্তিকে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি তাঁর মুসলিম বন্ধু আজির এবং তাঁর স্ত্রী আফিয়ার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন (Hindus Under Attack)। এই রাজ্যেরই বাগালকোট জেলায় সাফিক নামে এক মুসলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে নাম ভাঁড়িয়ে বিয়ে করে। তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে। পরে নগদ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।

    লাভ জেহাদ

    পুনে জেলার নহাভি গ্রামের নিউ ইংলিশ স্কুলে অভিযোগ ওঠে যে কপালে তিলক লাগানো ছাত্রদের ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হিন্দু সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মোনালিসা ভোঁসলে নামে ১৮ বছরের এক হিন্দু তরুণীর কেরালায় গিয়ে জনৈক ফারমান খানকে বিয়ে করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে প্রভাবিত করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীর নগরে ২২ বছরের এক হিন্দু তরুণী পরিবারের সদস্যদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় মুসলিম প্রেমিকের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, এটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনা (Roundup Week)।

    বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এ তো গেল সপ্তাহান্তে দেশের ছবিটা। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব লুপ্ত হয়ে যেতে পারে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কুমিল্লা শহরের কালীগাছতলা মন্দিরে একটি হাতবোমা হামলায় মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী-সহ অন্তত তিনজন জখম হন। শনি পুজো চলার সময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরে ঢুকে বোমা ছোড়ে বলে জনান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    হিন্দু খুন

    নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, আদতে তা হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নতুন সরকারের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজন নিহত হয়েছে বলে খবর।ফেনীতে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত সাহা ডাকাতদের হাতে নিহত হয়েছে। কক্সবাজারে গণেশ পাল নামে এক হিন্দু ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে খবর। সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে চুরি হয়েছে। বিগ্রহের সোনার গয়না এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)।

    প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মার্কিন নাগরিক ওই অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা করায় তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করা হয়। কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এই বিদ্বেষকে উৎসাহিত করা হয় বলে দাবি সমালোচকদের। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখা গেলেও, ভারতের মতো তথাকথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিদ্বেষ দেখা যায় বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা হয়। যা আপাতভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ হলেও, সমালোচকদের মতে এতে রয়েছে দ্বৈত মানদণ্ড।

     

LinkedIn
Share