Tag: Republic Day Parade

Republic Day Parade

  • Bactrian Camels: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ছিল, সেনার দুই ‘নীরব যোদ্ধা’ গালওয়ান ও নুব্রা, জানেন কারা এরা?

    Bactrian Camels: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ছিল, সেনার দুই ‘নীরব যোদ্ধা’ গালওয়ান ও নুব্রা, জানেন কারা এরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day Parade) দিল্লির কর্তব্য পথে প্রথমবার কুচকাওয়াজে অংশ গ্রহণ করেছে লাদাখের বিখ্যাত দুই কুঁজবিশিষ্ট ‘ব্যাক্ট্রিয়ান উট’। এবারের প্যারোডে ‘গালওয়ান’ ও ‘নুব্রা’ নামের এই উট (Bactrian Camels) দুটির উপস্থিতি কেবল প্রদর্শনীর জন্য ছিল না, বরং এটি ভারতের সুউচ্চ হিমালয় প্রবর্তের দুর্গম অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় এক নতুন কৌশলগত অধ্যায়ের ইঙ্গিত করেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কীভাবে নিরাপত্তার কাজে সীমান্ত রক্ষীরা অটুট থাকেন সেই চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে।

    প্রাকৃতিক অভিযোজন (Republic Day Parade)

    ব্যাক্ট্রিয়ান উট (Bactrian Camels) লাদাখের অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশে বসবাসের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই সক্ষম। যেখানে আধুনিক যুদ্ধের ড্রোন বা শক্তিশালী যানবাহনগুলো তীব্র ঠান্ডা এবং অক্সিজেনের অভাবে বিকল হয়ে পড়ে, সেখানে এই উটগুলো কার্যকর থাকে। এদের শরীরে থাকা বিশেষ লোহিত রক্তকণিকা (RBC) অল্প অক্সিজেনেও এদের টিকে থাকতে সাহায্য করে। ফলে টহলদারির জন্য এই পশু ভীষণভাবে উপযুক্ত। কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade) এবার এক জোড়া উটকে প্রদর্শন করানো হয়।

    বিস্ময়কর সহনশীলতা

    এই উটগুলোর (Bactrian Camels) পিঠের দুটি কুঁজ রয়েছে। উটের পিঠে থাকা কুঁজ মূলত চর্বির ভান্ডার। এই জমানো চর্বি থেকে শক্তি নিয়ে ব্যাক্ট্রিয়ান উটরা শীতকালে খাবার ছাড়াই টানা ২-৩ সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। এমনকি, বরফ খেয়েই এরা নিজেদের জলের অভাব পূরণ করে। মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় এরা অনায়াসে কাজ করতে পারে।

    ভারবহন ক্ষমতা

    ডিআরডিও-ডিআইএইচএআর (DRDO-DIHAR) দ্বারা পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই উটগুলো (Bactrian Camels) ১৫০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে। পূর্ব লাদাখের মতো দুর্গম এলএসি (LAC) এলাকায় গোলাবারুদ, খাবার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এরা খচ্চর বা ঘোড়ার চেয়েও বেশি দক্ষ।

    ঐতিহাসিক যোগসূত্র

    ঐতিহাসিকভাবে এই উটগুলো প্রাচীন ‘সিল্ক রুট’-এর মেরুদণ্ড ছিল। চিন, মঙ্গোলিয়া ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। যদিও ভারতে মাত্র ৩৬৫টি এই প্রাজতির উট (Bactrian Camels) রয়েছে। বর্তমানে ভারত সরকার ও সেনাবাহিনী লাদাখের এই বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিকে সংরক্ষণের পাশাপাশি সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছে।

    নিরব যোদ্ধা

    ড্রোন এবং রোবোটিক্সের যুগেও লাদাখের এই ‘মুন্দ্রি’ উটগুলো (স্থানীয় নাম) তাদের নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করেছে। গালওয়ান উপত্যকা এবং নুব্রা উপত্যকার নামাঙ্কিত এই উট (Bactrian Camels) দুটি ভারতের সীমান্ত রক্ষায় ‘সাইলেন্ট ওয়ারিয়র’ বা নীরব যোদ্ধা হিসেবে নিজেদের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

  • Republic Day 2026: রাইফেল-মাউন্টেড রোবট, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝলক! প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রদর্শন

    Republic Day 2026: রাইফেল-মাউন্টেড রোবট, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝলক! প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রদর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিক যুদ্ধের ভবিষ্যতের এক ঝলক তুলে ধরতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2026) কর্তব্য পথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস প্যারেডে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হবে রাইফেল-মাউন্টেড রোবট। সাম্প্রতিক মহড়ায় দেখা গিয়েছে এই উন্নত চতুষ্পদ যন্ত্রগুলো। এই ধরনের অস্ত্র ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের কৌতূহল বাড়িয়েছে। কয়েক বছর আগেই রীতি বদলের সূচনা করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আত্মনির্ভরতার বার্তা দিতে দেশে তৈরি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন শুরু হয়েছিল। সেই ধারা মেনেই এ বার ২৬ জানুয়ারি দিল্লির কর্তব্যপথে সামরিক উৎপাদন ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র নতুন কয়েকটি নমুনার সঙ্গে দেশবাসী পরিচিত হবেন।

    যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রোবট

    রাইফেল-মাউন্টেড রোবটগুলি সাধারণত মাল্টি-ইউটিলিটি লেগড ইকুইপমেন্ট (MULEs)। যুদ্ধ সহায়তা ও নজরদারির জন্য তৈরি এই অত্যাধুনিক যন্ত্রগুলি অস্ত্র, সেন্সর এবং নজরদারি সরঞ্জাম বহনে সক্ষম। ভারতীয় সেনা ইতিমধ্যেই ১০০টি এমন রোবোটিক মডিউল নিজেদের অপারেশনাল ইউনিটে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এটিকে স্বয়ংক্রিয়তা ও মানববিহীন যুদ্ধক্ষেত্র সহায়তার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, একই ধরনের চতুষ্পদ রোবট আগে অসামরিক ক্ষেত্রেও নজর কেড়েছিল— ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেট সম্প্রচারে চলমান ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এই রোবটগুলি। এবার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এদের ব্যবহার স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, নজরদারি, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং ভবিষ্যতে সরাসরি যুদ্ধের জন্য অত্যাধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে চাইছে সেনাবাহিনী। বিশেষ করে দুর্গম ও শত্রুপ্রবণ এলাকায় এই রোবটের কার্যকারিতা অপরিসীম।

    আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র

    একসময় যুদ্ধ মানে ছিল সৈন্যের মুখোমুখি লড়াই। যুদ্ধক্ষেত্রে জয়-পরাজয় নির্ভর করত সৈন্যসংখ্যা, শারীরিক শক্তি ও সাহসের ওপর। কিন্তু সময় বদলেছে, বদলেছে যুদ্ধের গতি-প্রকৃতি। আধুনিক বিশ্বে যুদ্ধ শুধু রণাঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই; ছড়িয়ে পড়েছে মহাকাশ ও ডিজিটাল জগতে। আজকের যুদ্ধে শক্তিশালী অস্ত্র অনেক সময় বন্দুক নয়, বরং ড্রোন, স্যাটেলাইট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি। ভারত থেকে পাকিস্তান, ইউক্রেন থেকে গাজা, রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র,—সর্বত্র যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে প্রযুক্তির হাতে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বোমা নিষ্ক্রিয় করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় তল্লাশি চালানো কিংবা পাহারার কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে সৈন্যদের সরাসরি জীবনের ঝুঁকি কমে আসে। অনেক দেশে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, যা মানুষের সরাসরি নির্দেশ ছাড়াই নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিও এই পরিবর্তনের অংশ।

    অ্যান্টি-শিপ হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল

    প্রযুক্তির এই প্রদর্শনীকে আরও জোরালো করবে ডিআরডিও-র তৈরি দীর্ঘ-পাল্লার অ্যান্টি-শিপ হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল (LRAShM)। আগামী ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ, ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে ভারতের নতুন দীর্ঘ-পাল্লার অ্যান্টি-শিপ হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল। অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্রর নকশা ও প্রস্তুত করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও। অত্যাধুনিক এই মিসাইলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এর হাইপারসনিক গতি। অর্থাৎ, শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ বেশি বেগে উড়তে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। আর সেই কারণেই শত্রুপক্ষের রেডারে ধরা পড়ে না এই মিসাইল। বর্তমানে এই ক্ষেপণাত্র ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যে আঘাত করতে সক্ষম। তবে, আগামীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা যাতে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টা করছে ডিআরডিও। এই ক্ষেপণাত্র বিভিন্ন ধরনের পেলোড বহন করতে পারে। যাতে এই একই ক্ষেপণাস্ত্র একাধিক শ্রেণির যুদ্ধজাহাজের বর্ম ভেদ করতে পারে। এ ছাড়াও এই মিসাইল মাটির খুব কাছ দিয়ে উড়তে পারে। ফলে আকাশের দিকে লক্ষ্য রাখা বিভিন্ন রেডার এড়িয়ে যেতে পারে। এই মিসাইলের এরোডায়নামিক দক্ষতা একে অনেক দূর পর্যন্ত গ্লাইড করতে বা উড়তে সাহায্য করে। এর প্রদর্শন ভারতের হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তিতে অগ্রগতি এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অধীনে প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতার প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরবে।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    কৌশলগত দিক থেকেও এই মিসাইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মিসাইল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। কারণ, এই মিসাইল সর্বোচ্চ দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে ডিআরডিও দুই ধরনের মিসাইল প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। একটি হল হাইপারসনিক ইন্টার কন্টিনেন্টাল গ্লাইড মিসাইল ও হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। লং-রেঞ্জ অ্যান্টি শিপ মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ প্রমাণ করে মিসাইল নিয়ন্ত্রণ কৌশল, মিসাইলের গতিপথের নকশা ও মিসাইল প্রযুক্তি তৈরিতে ভারত এখন গোটা বিশ্বকে টেক্কা দিচ্ছে।

    কর্তব্য পথে আত্মনির্ভর ভারত

    ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬-এ (Republic Day 2026) ভারত উদযাপন করবে তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকে ভারত একটি সার্বভৌম গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়। প্রথা অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে থাকে বর্ণাঢ্য সামরিক প্যারেড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশজুড়ে দেশাত্মবোধক কর্মসূচি। এ বছরের থিম বিশেষ ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করছে—‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এই থিম ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতীয় সংগীতের ভূমিকা এবং দেশের সামষ্টিক চেতনায় তার চিরস্থায়ী প্রভাবকে শ্রদ্ধা জানায়। সময়ের সঙ্গে আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র। বাড়ছে যুদ্ধ বিমান, যুদ্ধ জাহাজের সংখ্যা। উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। একদিকে যেমন বিদেশি সংস্থা বিনিয়োগ করছে ভারতের প্রতিরক্ষা সেক্টরে তেমনই ভারতের ডিআরডিও সহ সংস্থাগুলোও কাজ করে চলেছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতাই হয়ে উঠেছে ভারতের মন্ত্র। এবার তারই ছবি ফুটে উঠবে দিল্লির কর্তব্য পথে।

  • Republic Day 2025: ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করতে চলেছে দেশ, জানেন এই দিনের গুরুত্ব

    Republic Day 2025: ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করতে চলেছে দেশ, জানেন এই দিনের গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2025) মানেই রাজধানীর রাজপথে কুচকাওয়াজ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতার রেড রোডেও সেই আড়ম্বর চোখে পড়ে। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন দেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান গৃহীত হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর সাধারণতন্ত্র দিবস পালিত হয়। আর বেশিদিন নেই ভারত অধীর আগ্রহে সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের জন্য অপেক্ষা করছে। উৎসবের মূল আকর্ষণ হবে নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে কর্তব্য পথে দর্শনীয় কুচকাওয়াজ। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত বিস্তৃত এই কুচকাওয়াজে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেবেন। এতে বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে।

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস 

    প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে। এ বছর সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অর্থাৎ ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারত ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস (76th Republic Day) উদযাপন করবে। অনেকেই ১৯৪৯ সাল থেকে গণনা শুরু করেন এবং ভাবেন যে সংবিধান সেই দিনেই কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ১৯৫০ সালে দেশে সংবিধান কার্যকর করা হয় এবং ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে, এ বছর ৭৭তম নয়, ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2025) পালিত হচ্ছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট বিদায় নেয় ব্রিটিশরা। ২০০ বছরের কালিমা মুছে স্বাধীনতার সূর্যোদয় হয় ভারতের আকাশে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। যদিও তখনও ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়নি। ১৯৪৭-এর ২৯ আগস্ট একটি খসড়া কমিটি তৈরি করে প্রথম সরকার। উদ্দেশ্য সংবিধান রচনা ও কার্যকর। সেই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন বাবাসাহেব বিআর আম্বেদকর। ১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর ওই কমিটি সংবিধানের একটি আনুষ্ঠানিক খসড়া পেশ করে গণপরিষদে। এর তিন বছর পর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় প্রস্তাবিত সংবিধান। যা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি।

    RepublicDayParade preparations are in full swing! The 76th Republic Day Parade will showcase the strength, diversity and resilience of India with six elite contingents from the Indian Army, stunning displays of advanced tech & weaponry and the spirit of indigenisation. pic.twitter.com/sYs0seNxpT

    — Republic Day 2025 (@republicday2025) January 18, 2025

    সংবিধানের শাসন কার্যকর

    স্বাধীনতা দিবসের সমান গুরুত্বপূর্ণ এই দিন। সেই কারণেই বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্রের পোশাকি নাম ‘ভারতীয় সাধারণতন্ত্র’ (Republic Day 2025) । যে সাধারণতন্ত্রের গণতান্ত্রিক, সমতাবাদী এবং ন্যায়পরায়ণ সমাজের কাঠামো হল সংবিধান। সাধারণতন্ত্র দিবস স্মরণ করে স্বাধীন ভারতের চেতনাকে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি (76th Republic Day) থেকেই সদ্য স্বাধীন দেশটির রাষ্ট্র পরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সংবিধানের শাসন কার্যকর হয় আসমুদ্রহিমাচলে। ২৬ জানুয়ারি সকালে বর্ণাঢ্য সামরিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। এদিন দেশের বাছাই করা নাগরিকদের পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত করেন তিনি। এছাড়াও সেনাকর্মীদের পরমবীর চক্র, অশোক চক্র ও বীর চক্রে ভূষিত করেন রাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুন: বাড়াবাড়ি নয়! চিনকে কড়া বার্তা কোয়াডের, ট্রাম্প ক্ষমতায় আসতেই বৈঠকে জয়শঙ্কররা

    প্রজাতন্ত্র দিবসের থিম

    এ বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2025) থিম হল ‘স্বর্ণিম ভারত’  যা ভারতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যতের প্রতি নিবেদিত। ২০২৫ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে, ১৫টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল- অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, চণ্ডীগড়, গোয়া, গুজরাট, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব, ত্রিপুরা, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ – দিল্লির কর্তব্যপথে তাদের ট্যাবলো প্রদর্শন করবে। এ বছর প্রথম বার দেশের তিন বাহিনী সেনা, বায়ুসেনা ও নৌসেনা একসঙ্গে কর্তব্য পথে সামরিক কৌশল দেখাবে।

  • Ballistic Missile Pralay: চিন সীমান্তে ভারতের ‘প্রলয়’! প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্র

    Ballistic Missile Pralay: চিন সীমান্তে ভারতের ‘প্রলয়’! প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের নতুন নতুন উদাহরণ প্রতিবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে পেশ করে কেন্দ্র। এবারের কুচকাওয়াজেও সেই রেওয়াজে কোনও বিচ্যুতি নেই। ২০২৫ সালের কুচকাওয়াজের আকর্ষণ হতে চলেছে ‘প্রলয়’। প্রথমবার কর্তব্য পথ দিয়ে যেতে দেখা যাবে পারাণবিক অস্ত্রবহণে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রকে। চিনা আক্রমণ ঠেকাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) মোতায়েন হালকা ‘ট্যাকটিকাল’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘প্রলয়’ (Ballistic Missile Pralay) দিল্লির কর্তব্যপথে প্রথমবার চাক্ষুষ করবেন দেশবাসী। ২০১৯ সালের অগাস্টে ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূলে ‘প্রলয়ের’ চূড়ান্ত দফার পরীক্ষা হয়েছিল। তার পরেই স্বল্প পাল্লার এই ব্যালিস্টিক ‘ভূমি থেকে ভূমি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় সেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়। 

    প্রলয়ের কাজ (Ballistic Missile Pralay) 

    ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা ফৌজের আগ্রাসন এবং গালওয়ান উপত্যকায় (Ballistic Missile Pralay) রক্তাক্ত সংঘর্ষের পরে এলএসিতে ‘প্রলয়’ মোতায়েন করে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীদের তৈরি কঠিন জ্বালানি চালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার। ডিআরডিওর তৈরি ‘ভূমি থেকে ভূমি’ ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র পৃথ্বীর আদলে তৈরি ‘প্রলয়’ তুলনায় হালকা। ফলে উঁচু পার্বত্য এলাকায় ব্যবহার করা অনেক সহজ। তা ছাড়া পরমাণু অস্ত্র বহনের উপযোগী উন্নত প্রযুক্তির এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে গতিপথ বদলাতে সক্ষম। ফলে শত্রুপক্ষের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে এড়িয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে ‘প্রলয়’।

    ভয় পাবে শত্রুরা

    এটি ১২০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে শত্রুর ঘাঁটি লক্ষ্য করে আঘাত করতে সক্ষম, যা প্রয়োজন (Ballistic Missile Pralay) অনুযায়ী ২০০০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব। এর মানে, শত্রুর লক্ষ্য করে আঘাত করতে সক্ষম, যা প্রয়োজন অনুযায়ী ২০০০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব। এর মানে, শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সময় এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়, যা এটিকে অত্যন্ত কার্যকরী এবং বিধ্বংসী করে তোলে। ৫ টন ওজনের এই মিসাইল প্রায় ৫০০-১০০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে, যা লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত করে। সীমান্তের কাছাকাছি থেকে নিক্ষেপ করলে চিন ও পাকিস্তানের ঘাঁটিগুলো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হবে। শত্রুদের বাঙ্কার, কামান, এবং সামরিক ডিপো সহজেই ধ্বংস করতে সক্ষম হবে প্রলয় মিসাইল। বিশেষত, চিন এবং পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর বিপক্ষে এই মিসাইল ব্যবহারে বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। পাকিস্তানের গজনভি, এম-১১ এবং শাহীন মিসাইলের বিপরীতে প্রলয় আরও শক্তিশালী এবং কার্যকর প্রমাণিত হবে। 

    প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রদর্শন

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এ বারের প্রজাতন্ত্র দিবসের (Ballistic Missile Pralay) কুচকাওয়াজে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রলয় ছাড়াও দেশে তৈরি সুপারসনিক (শব্দের চেয়ে বেশি গতিবেগসম্পন্ন) ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র ‘ব্রহ্মস’ প্রদর্শিত হবে। সেই সঙ্গে থাকবে, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ডিআরডিও এবং ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (বিডিএল)-এর তৈরি স্বল্পপাল্লার ‘ভূমি থেকে আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ এবং ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ‘নাগ’ এবং মাল্টি ব্যারেল রকেট সিস্টেম ‘পিনাকা’র নতুন সংস্করণ। গত দু’বছরের মতোই এ বারও প্রজাতন্ত্র দিবসে ব্রিটিশ ২৫ পাউন্ডারের বদলে দেশে তৈরি ১০৫ মিলিমিটার কামান থেকে আনুষ্ঠানিক ‘২১ তোপধ্বনি’ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Republic Day Parade 2025: ব্রহ্মস থেকে পিনাকা, রোবট কুকুর! প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকবে আর কোন চমক?

    Republic Day Parade 2025: ব্রহ্মস থেকে পিনাকা, রোবট কুকুর! প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকবে আর কোন চমক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade 2025) কুচকাওয়াজে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরবে সেনা (Indian Army)। কয়েক বছর আগেই রীতি বদলের সূচনা করেছিল মোদি সরকার। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আত্মনির্ভরতার বার্তা দিতে দেশে তৈরি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন শুরু হয়েছিল। সেই ধারা মেনেই এ বারও ২৬ জানুয়ারি দিল্লির কর্তব্যপথে সামরিক উৎপাদন ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র নতুন কয়েকটি নমুনার সঙ্গে পরিচিত হবেন দেশবাসী। 

    কোন কোন অস্ত্রের প্রদর্শন

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এ বারের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade 2025) রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দেশে তৈরি সুপারসনিক (শব্দের চেয়ে বেশি গতিবেগ সম্পন্ন) ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘ব্রহ্মস’ প্রদর্শিত হবে। সেই সঙ্গে থাকবে, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ডিআরডিও এবং ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (বিডিএল)-এর তৈরি স্বল্পপাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ‘আকাশ’ এবং ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ‘নাগ’ এবং মাল্টি ব্যারেল রকেট সিস্টেম ‘পিনাকা’র নতুন সংস্করণ। গত বারের মতোই এ বারও ডিআরডিওর তৈরি ভারী ট্যাঙ্ক ‘অর্জুন’ এবং সাঁজোয়া গাড়িবাহিত ১৫৫ মিলিমিটার হাউইৎজার ‘কে-৯ বজ্র’ থাকবে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে। গত দু’বছরের মতোই ব্রিটিশ ২৫ পাউন্ডারের বদলে দেশে তৈরি ১০৫ মিলিমিটার কামান থেকে আনুষ্ঠানিক ‘২১ তোপধ্বনি’ করা হবে। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে অংশ নেবে রোবট কুকুরও। 

    আসন্ন প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade 2025) কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পাচ্ছেন প্যারালিম্পিকের অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের পঞ্চায়েত-প্রধানরা ৷ এছাড়া থাকছেন দেশের সবচেয়ে উন্নতমানের গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি হ্যান্ডলুম শিল্পী থেকে শুরু করে বন দফতরের কর্মীরাও থাকছেন অনুষ্ঠানে৷ সব মিলিয়ে ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্য পথে আমন্ত্রিত হয়েছেন এরকম ১০ হাজার বিশেষ অতিথি৷ তবে এখনও প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথির নাম ঘোষণা করেনি মোদি সরকার। সম্ভবত, ইন্দোনেশীয় প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তোকে ওই আসনে দেখা যাবে, বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Republic Day 2024: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    Republic Day 2024: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক হতে চলেছে ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ। ঐতিহাসিক এই কারণে যে, এবছর কুচকাওয়াজে অনেক কিছু প্রথমবার ঘটতে চলেছে। দেশবাসী এমন কিছু প্রত্যক্ষ করতে চলেছেন এবছর দিল্লির কুচকাওয়াজে, যা আগে কখনও কেউ দেখেননি।

    মূল ফোকাস হল নারী ক্ষমতায়ন

    এবছর ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) মূল ফোকাস হল নারী ক্ষমতায়ন। তবে, এ বছর দিল্লির কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে মহিলা অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে মহিলা সশক্তিকরণের (Women Empowerment) প্রদর্শন— অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবে। সর্বত্র নারী ক্ষমতায়নকেই তুলে ধরা হবে। সে কথাই জানালেন ভারতীয় সেনার মেজর জেনারেল সুমিত মেহতা। তিনি বলেন, ‘‘এবছরের কুচকাওয়াজ নারী-কেন্দ্রিক। থিম হল— ‘বিকশিত ভারত’ এবং ‘গণতন্ত্রের পীঠস্থান ভারত’।’’ 

    ইতিহাস হতে চলেছে কুচকাওয়াজে

    তিনি জানান, ইতিহাস ঘটতে চলেছে এবারের কুচকাওয়াজে। প্রথমবার, মহিলাদের একটি ট্রাই-সার্ভিস কন্টিনজেন্ট কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করতে চলেছে। অর্থাৎ, সামরিক বাহিনীর তিন বাহু— স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার সম্মিলিত ১৪৮ জন মহিলা অফিসার ও জওয়ানকে নিয়ে তৈরি ওই কন্টিনজেন্ট কর্তব্যপথ দিয়ে মার্চ-পাস্ট করবে। কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন মিলিটারি পুলিশের ক্যাপ্টেন সন্ধ্যা। এই মার্চ-পাস্টের মধ্য দিয়ে নারী ক্ষমতায়নকে (Women Empowerment) তুলে ধরা হবে। এবছর কর্তব্য পথের মার্চ-পাস্টে দেখা যাবে ‘অগ্নি-কন্যা’-দেরও। তিন বাহিনীতে নিযুক্ত ‘অগ্নি-কন্যা’-রা সমন্বয়ে প্যারেডে অংশ নেবেন।

    সেনা ক্যাপ্টেন সন্ধ্যা। ছবি-সংগৃহীত।

    মেকানাইজড কলামের নেতৃত্বে মহিলা

    শুধু এই একটিই প্রথম নয়। এবারের কুচকাওয়াজে (Republic Day 2024) প্রথমবার সেনার আর্টিলারি রেজিমেন্টের মহিলা অফিসাররা মেকানাইজড কলামে চেপে কর্তব্য পথ ধরে এগিয়ে যাবেন। মেকানাইজড কলাম সাধারণত দেশীয় সামরাস্ত্র বিশ্বের সামনে মেলে ধরার একটি পন্থা। আর্টিলারির দুটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার— পিনাকা মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার ও স্বাতী ক্ষেপণাস্ত্র অনুসন্থানকারী রেডার— এই দুটিতেই ৪ মহিলা অফিসার নেতৃত্বে থাকবেন। 

    সেনার মেকানাইজড রেজিমেন্টের মহিলা অফিসাররা। ছবি-সংগৃহীত।

    এর পাশাপাশি, আরও চার মেকানাইজড কলাম— দেশীয় ড্রোন জ্যামিং সিস্টেম, অত্যাধুনিক রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি মনিটরিং সিস্টেম, কোর অফ ইঞ্জিনিয়ার্সদের সর্বত্র ব্রিজিং সিস্টেম এবং মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের নেতৃত্বেও থাকবেন মহিলা অফিসাররা। ফলত, এর মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়েনের (Women Empowerment) আরেকটি উদাহরণ তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত-এর নীতিও প্রস্ফুটিত হবে। গত বছরের এপ্রিল ও সেপ্টেম্বর মাসে আর্টি-রেজিমেন্টে মহিলা অফিসারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই রেজিমেন্টে ১০ মহিলা অফিসার রয়েছেন।

    আধা-সামরিক বাহিনীর মহিলা ব্রিগেডের মার্চ-পাস্ট

    শুধু সামরিক নয়, দেশের আধা-সামরিক বাহিনীও মহিলা ক্ষমতায়েনে সামিল হবে। এবছর প্রথম বিএসএফ, সিআরপিএফ সহ দেশের বিভিন্ন আধা-সামরিক বাহিনীর মহিলা ব্রিগেডের মার্চ-পাস্ট প্রত্যক্ষ করবেন মানুষ। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ক্ষেত্রে অন্যতম সফল সংস্থা হচ্ছে ডিআরডিও। এই সংস্থার ট্যাবলোর ফোকাস হতে চলেছে নারী ক্ষমতায়েন। ডিআরডিও-র ট্যাবলোকে নেতৃত্ব দেবেন অন্যতম প্রতিথযশা বিজ্ঞানী সুনীতা দেবী জেনা। তিনি হবেন কন্টিনজেন্ট কমান্ডার। ট্যাবলোয় থাকবে— ম্যান-পোর্টবল ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল, অ্যান্টি-স্যাটেলাইট মিসাইল, অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্র, ভূমি-থেকে-ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র, ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, নেভাল শর্ট রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, হেলিনা ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী মিসাইল, ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, তেজস বিমান, উত্তর রেডার, শক্তি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম সহ সাইবার সিকিউরিটি ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেম।

    রাজ্যের ট্যাবলোতেও ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন

    শুধু দেশের সামরিক বাহিনীতে নয়, অসামরিক ক্ষেত্রেও নারী ক্ষমতায়নের (Women Empowerment) উদাহরণ প্রথমবার বৃহৎ আকারে মেলে ধরা হবে এবছরের কুচকাওয়াজে (Republic Day 2024)। যে কারণে, বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোতে মহিলা সশক্তিকরণের ছাপ স্পষ্ট থাকবে। মণিপুরের ট্যাবলোয়ে দেখা যাবে পদ্মের ডাঁটি থেকে চরকায় সুতো তৈরি করছেন মহিলারা। মধ্যপ্রদেশ তুলে ধরবে দেশের প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট অবনী চতুর্বেদীকে। রাজস্থান তুলে ধরবে সেরাজ্যের মহিলাদের হস্তশিল্প। আবার হরিয়ানার ট্যাবলোয় দেখা যাবে মহিলারা কেমন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সুবিধা নিচ্ছেন।

    নতুন প্রজন্মের সাঁজোয়া গাড়ির প্রদর্শন

    এখানেই শেষ নয়। আরও ‘প্রথমে’র চমক আছে ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজে। এবছর আত্মনির্ভর ভারতকে মাথায় রেখে দেশে তৈরি একাধিক আধুনিক ও নতুন ঘরানার স্থলযুদ্ধজান ও সাঁজোয়া গাড়ি ২৬ তারিখ প্রদর্শিত হবে কর্তব্য পথে। এই তালিকায় রয়েছে— নতুন প্রজন্মের টেরেইন ভেহিকল, লাইট স্পেশালিস্ট ভেহিকল, স্পেশাল মোবিলিটি ভেহিকল এবং ক্যুইক রিয়্যাকশন ভেহিকল এবং ভেহিকল-মাউন্টেড ইন্ডিয়ান মর্টার সিস্টেম। এই সবকিছুই প্রথমবার প্রদর্শিত হতে চলেছে প্রজাতন্ত্র দিবসে। 

    কুচকাওয়াজে ১৫টি বিমানের চালক মহিলা

    এছাড়া, আত্মনির্ভর ভারতের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে দেশীয় নাগ মিসাইল সিস্টেম, বিএমপি-২ সাঁজোয়া গাড়ির পাশাপাশি সেনার অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার ধ্রুব-রুদ্র এবং লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার প্রচণ্ড— এই দুটিই কর্তব্য পথের ওপর দিয়ে উড়ে যাবে। সেনার পাশাপাশি, বায়ুসেনাও জোরকদমে অংশ নিচ্ছে এবারের কুচকাওয়াজে। জানা গিয়েছে, তেজস, রাফাল, সুখোই-৩০ সহ বায়ুসেনার ২৯টি যুদ্ধবিমান, ৭টি পণ্যবাহী বিমান, ৯টি হেলিকপ্টার এবং একটি হেরিটেজ বিমান এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। এর মধ্যে ১৫টি বিমানের পাইলট হিসেবে থাকবেন মহিলা অফিসাররা। 

    ছাব্বিশের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা অফিসাররা। ছবি সংগৃহীত।

    ফরাসি ফ্লাই-বাইয়ের নেতৃত্বেও মহিলা

    এবারের কুচকাওয়াজের (Republic Day 2024) অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে ফরাসি বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও ফরাসি বিমানবাহিনীর ফ্লাই-বাই। এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। সেই প্রেক্ষিতে, এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছে ফরাসি বিশেষ বাহিনী ও বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, ৯৫ সদস্য বিশিষ্ট ফরাসি ফরেন লিজিয়ন (ফরাসি ভাষায় লেজিওঁ এত্রঁজ্যের ফ্রঁসেজ) কোরের একটি কনটিনজেন্ট ছাব্বিশের মার্চপাস্টে অংশ নেবে। এটি হল ফ্রান্সের অত্যন্ত সম্মানীয় ইউনিট। ওই দলে থাকবেন ৬ জন করে ভারতীয় ও নেপালি বংশোদ্ভূত জওয়ান। এছাড়া, এঁদের সঙ্গে হাঁটবেন ৩৫ জন ফরাসি সামরিক ব্যান্ডের সদস্যও। ঠিক সেই সময় মাথার ওপর দিয়ে ফ্লাই-বাই করবে ফরাসি বায়ুসেনার এয়ারবাস-৩৩০ মাল্টি রোল-ট্যাঙ্কার সাপোর্ট ও এক জোড়া রাফাল। ওই ফ্লাই-বাইয়ের নেতৃত্বে থাকবে ট্যাঙ্কারটি, যার পাইলট হচ্ছেন এক মহিলা (Women Empowerment)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day 2024: নারী শক্তির জয়! ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে কি শুধুই মেয়েরা?

    Republic Day 2024: নারী শক্তির জয়! ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে কি শুধুই মেয়েরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো— গোটা শোভাযাত্রায় শুধুমাত্র মহিলাদের দেখা যেতে পারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক  (Ministry of Home Affairs India)এমনই চিন্তা-ভাবনা করছে বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। সরকারি সূত্রের দাবি, ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে শুধুমাত্র মহিলাদের অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়ে একটি অফিস মেমো জারি করেছে মন্ত্রক। যদিও তা এখনও পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে। বিষয়টি সেনা-সহ স্বরাষ্ট্র, সংস্কৃতি এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে জানানো হয়েছে।

    কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো শুধুমাত্র মহিলা

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মহিলাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি, মহিলাদের আগের চেয়ে অনেক বেশি উচ্চপদে দায়িত্বও দেওয়া হচ্ছে। সেই ধারা মেনেই গত মাসে জারি করা এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে ২০২৪ সালে কর্তব্যপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো, মার্চিং, ব্যান্ড বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুধু মহিলারাই অংশ নেবেন। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে মহিলা পুরুষ উভয় অংশ নিয়ে থাকে। এত দিন দেখেছি পুরুষদের পাশাপাশি কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দিয়েছেন মহিলারা। আবার যুদ্ধবিমানও উড়িয়েছেন। কখনও আবার নানা ধরনের স্টান্টও দেখিয়েছেন প্রমীলা বাহিনী। আগামী বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজধানীর রাজপথে অন্য ভাবে পালন করা হবে। সেখানে নারীশক্তিকে উৎযাপিত করতেই কুচকাওয়াজ থেকে ট্যাবলো প্যারেডে শুধুমাত্র মহিলাদের দেখা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনার নজরদারি! ভারতের আকাশে প্রায় ১০ মিনিট রইল পাক বিমান, কেন জানেন?

    সেনায় নারী শক্তির অবদান আরও বাড়াতে লিঙ্গবৈষম্যের প্রাচীর ভেঙে ফেলারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। ২০১৫ সালে প্রথম বার সেনার ৩টি বিভাগেই শুধুমাত্র মহিলারা কুচকাওয়াজ করেছেন। ২০১৯ সালে প্রথম মহিলা আধিকারিক হিসাবে ডেয়ারডেভিল দলের হয়ে বাইকের স্টান্ট দেখিয়েছেন ক্যাপ্টেন শিখা সুরভী। পরের বছর পুরুষে সেনাদের কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যাপ্টেন তানিয়া শেরগিল। ২০২১ সালে ফ্লাইট লেফ্টেন্যান্ট ভাবনা কান্তই ছিলেন প্রথম মহিলা ফাইটার, যিনি কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেন। এবার নারী শক্তির নয়া নজিরের সামনে কর্তব্যপথ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day Parade: প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে এ বছর মুখ্য অতিথি মিশরের রাষ্ট্রপতি

    Republic Day Parade: প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে এ বছর মুখ্য অতিথি মিশরের রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৪তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে (Republic Day Parade) এ বছর দিল্লিতে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি। নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে আগামী ২৪ জানুয়ারি ভারতে আসছেন তিনি। থাকবেন জানুয়ারির ২৬ তারিখ পর্যন্ত। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “এই প্রথমবার মিশরের রাষ্ট্রপতিকে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে মুখ্য অতিথির ভূমিকায় আমন্ত্রণ করা হয়েছে।” এছাড়া মিশরীয় সেনাও এই প্যারেডে অংশ নেবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রক। 

    এল-সিসি তিন দিনের (Republic Day Parade) এই ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়াও পাঁচ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গেও মিটিং করবেন তিনি। বৈঠক হবে দেশের বড় বড় ব্যবসায়ীর সঙ্গেও। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও আলচনা হবে এই বৈঠকগুলিতে।

    আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    ৭৪ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade) অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বড় ড্রোন শো দেখা যাবে বিটিং দ্য রিট্রিট-এ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এবারের ড্রোন শো-তে থাকবে সাড়ে তিন হাজার ইউএভি। গত বছরের থেকে এই সংখ্যা অনেকতাঈ বেশি। গত বছর এই শো-তে ব্যবহার করা হয়েছিল এক হাজার ড্রোন। এছাড়াও ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠানের দিন দিল্লির ‘কর্তব্য পথ’-র উপর দিয়ে ফ্লাই পাস্ট-এ প্রথমবার অংশ নেবে সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার প্রচাঁদ। এছাড়াও বিটিং দ্য রিট্রিট অনুষ্ঠানে রাগ ভূপালী বাজানো হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী থেকেই শুরু হয়ে যাবে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে। বিটিং দ্য রিট্রিট -এর অনুষ্ঠান হবে ২৯ জানুয়ারি। ৩০ জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধীর প্রয়ান দিবসে শেষ হবে অনুষ্ঠান।

    কমানো হবে আসন সংখ্যা    

    এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডের অনুষ্ঠানে ভিআইপি (Republic Day Parade) আসনের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রতিরক্ষা সচিব গিরধর আরমানে জানিয়েছেন, “এবার মোট আসন সংখ্যা ৪৫ হাজার থেকে কমিয়ে ৩২ হাজার করা হয়েছে।” প্রসঙ্গত, করোনা অতিমারির আগে প্রায় এক লক্ষ দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকত প্রজাতন্ত্র দিবসের দিল্লির অনুষ্ঠানে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
     
     
LinkedIn
Share