Tag: Republic Day

Republic Day

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। আগে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। তবে জানুয়ারিতে ভারতে আসতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। তার পরেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মাক্রঁকে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

    এর আগে আরও পাঁচবার প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক। ১৯৮৮ সালেও এসেছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে এসেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি গিসকার্ড ডি’ইস্টাইং। ২০০৮ সালে প্রধান অতিথির সম্মান দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে। ২০১৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদে। মাক্রঁ এলে তিনি হবেন ফ্রান্সের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট, যিনি সম্মানিত হবেন প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলঙ্কৃত করে।  

    ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’  

    প্রসঙ্গত, নতুন বছরের গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সম্ভবত সেই কারণেই ভারতে আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।জুলাই মাসে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ‘বাস্তিল ডে প্যারেডে’ যোগ দিতে ফরাসি সরকারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। ওই প্যারেডে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গানের সুর বাজানো হয়েছিল। এই প্যারাডে ভারতীয় বায়ুসেনার এক রাফাল যোদ্ধাও অংশ নিয়েছিলেন। ফ্রান্স সফরের পরে মাক্রঁকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “ভারতে নিরাপদ স্বর্গ খুঁজে পেয়েছেন মুসলমানেরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাস্তিল দিবসের পাশাপাশি এবছর ছিল ভারত-ফ্রান্স স্ট্র্যাটেজিক অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি। সেই সম্পর্ক উদযাপন করতেও ফ্রান্সে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ফ্রান্স থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ২৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রক। অতি সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে পরেই ফরাসি প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোকে যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্টমহল।

    জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বর মাসেই ভারতে এসেছিলেন মাক্রঁ। সেই সময় মোদির সঙ্গে মাক্রঁও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ফি বার প্রজাতন্ত্র দিবসে কোনও না কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানায় ভারত সরকার। তবে করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ ও ২২ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে। এ বছর, প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ এল-সিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথে মোদির ‘আত্মনির্ভর’ ভারত, জানুন বিস্তারিত

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথে মোদির ‘আত্মনির্ভর’ ভারত, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৬ জানুয়ারি। প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day)। এদিন দিল্লির (Delhi) কর্তব্যপথে হয়েছে প্যারেড। আজ যেটি কর্তব্যপথ নামে পরিচিত, এক সময় সেটাই ছিল রাজপথ। গত বছর হয় নয়া নামকরণ। এদিন এই কর্তব্যপথেই হয় প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্যারেড। এবার ৭৪তম প্রজাতন্ত্র দিবস। কর্তব্যপথে প্রদর্শিত হয়েছে আত্মনির্ভরতার বিভিন্ন নিদর্শন। রাজধানীর ইন্ডিয়া গেটের কাছের রাস্তাটি দীর্ঘদিন রাজপথ নামে পরিচিত ছিল। গত বছর তার নয়া নামকরণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নতুন নাম হয় কর্তব্যপথ। এদিন এই কর্তব্যপথেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।

    প্রজাতন্ত্র দিবস…

    গত বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনেক পরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী। তাই এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি অংশ নেন প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে। এদিন সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে সামরিক শক্তির পাশাপাশি প্রদর্শিত হয় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যও। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেয়া এল সিসি। বর্তমানে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব। সেই আবহে এবার পালিত হচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবস। দিল্লি পুলিশের হিসেব, এদিন প্রায় ৬৫ হাজার মানুষ প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেড চাক্ষুষ করছেন। এজন্য কিউআর কোডের মাধ্যমে অনেক আগেই তাঁরা নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। এদিনের অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যবস্থা করা হয়েছে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার। মোতায়েন করা হয়েছে ৬ হাজার জওয়ান। কর্তব্যপথে নজরদারি চালানোর জন্য বসানো হয়েছে হাই রেজ্যুলিউশনের ১৫০ সিসিটিভি ক্যামেরা।

    আরও পড়ুুন: আর্থিক অপচয়ের অভিযোগ! গুজরাট জেলে বন্দি তৃণমূল মুখপাত্র সাকেত গোখলেকে গ্রেফতার করল ইডি

    এতদিন প্যারেডে গান স্যালুট দেওয়া হত ব্রিটিশদের তৈরি কামান দিয়ে। এবার দেওয়া হয়েছে ১০৫ মিমি ইন্ডিয়ান ফিল্ড গান-এর মাধ্যমে। এবারই প্রথম প্যারেডে (Republic Day) পা মেলালেন মিশরের আর্মড ফোর্সও। প্রদর্শিত হয়েছে ভারতে তৈরি বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র। প্রতি বছরের মতো এবারও কর্তব্যপথে বের হবে ট্যাবলো। ১৭টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তরফে বের হবে ওই ট্যাবলো। ছটি মন্ত্রকের তরফেও বের করা হবে ট্যাবলো। এর মধ্যে থাকবে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গা ট্যাবলোও। এদিন বায়ু সেনা প্রদর্শন করবে তাদের কসরত। এ বার প্রজাতন্ত্র দিবসে ছিল অন্য চমকও। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ছিলেন সমাজের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্যপথে ফের দেখা যাবে বাংলার ট্যাবলো, থিম কি জানেন?

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্যপথে ফের দেখা যাবে বাংলার ট্যাবলো, থিম কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) দিল্লির (Delhi) কর্তব্যপথে ফের দেখা যাবে বাংলার ট্যাবলো। গত বছর প্রস্তুতি নেওয়ার পরেও বাংলার ট্যাবলো বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। এবার ফের প্রদর্শিত হবে বাংলার ট্যাবলো। জানা গিয়েছে, এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্যপথে কুচকাওয়াজে দেখা যাবে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গা ট্যাবলো (Durga Tableau)। ট্যাবলোয় থাকবেন সপরিবারে দেবী দুর্গা। শোনা যাবে চণ্ডীপাঠ, ঢাকের বাদ্যি। এককথায়, পুরোপুরি পুজোর আবহ। ২৩ জানুয়ারি কর্তব্যপথে একপ্রস্থ রিহার্সালও হয়ে গিয়েছে। তার আগে রবিবার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টে আর্মি বেসক্যাম্পে হয়েছে মহড়াও। মহিলা ঢাকি পরিবৃত হয়ে হেঁটে গিয়েছে ট্যাবলো। মজুত ছিল নজরকাড়ার মতো আরও উপাদান। ট্যাবলো সাজানো হয়েছিল বিষ্ণুপুরের টেরাকোটায়। জানা গিয়েছে, বাংলার এই ট্যাবলো নজর কেড়েছে উদ্যোক্তাদের।

    প্রজাতন্ত্র দিবস…

    গত বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) পশ্চিমবঙ্গের এই ট্যাবলো নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, নেতাজির থিম যুক্ত ট্যাবলো বাতিল করে দিয়েছিল কেন্দ্র। তবে এবার আর সেই অভিযোগ নেই রাজ্য সরকারের। তাই এবার ফের কর্তব্যপথে দেখা যাবে বাংলার ট্যাবলো। গত বছরই বাংলার দুর্গোৎসবকে হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে ইউনেস্কোর তরফে। সেই কারণেই এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলার এই ঐতিহ্যকেই তুলে ধরতে চায় রাজ্য। ট্যাবলোয় দেবী দুর্গার সঙ্গে যেমন সিংহ, অসুরও থাকবে, তেমনি থাকবেন তাঁর চার ছেলে মেয়ে-লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক এবং গণেশ।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ নয়ছয়! মামলায় রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে বলল হাইকোর্ট

    দুর্গা ট্যাবলো দিয়ে বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি দেখানো হবে নারীর ক্ষমতায়ণও। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয়েছে মহিলা ঢাকিদেরও। ঢাকের বাদ্যির পাশাপাশি শোনা যাবে জলদগম্ভীর কণ্ঠের চণ্ডীপাঠও। সেখানেও নারী শক্তির আবাহন। এবার কর্তব্যপথে সব মিলিয়ে থাকবে মোট ২৩টি ট্যাবলো। তার মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলি থেকে থাকবে ১৭টি ট্যাবলো। বিভিন্ন মন্ত্রকের তরফে থাকবে আরও ৬টি। ভারতীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি নারী শক্তির ক্ষমতায়নকেও তুলে ধরা হবে। জানা গিয়েছে, সেই কারণেই এবার বাংলার থিম দুর্গা। দেবী মূর্তি ছাড়াও ট্যাবলোয় থাকবে বাংলার সংস্কৃতির নানা নিদর্শনও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Adi Shaurya:Parv Parakram Ka: শুরু সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’

    Adi Shaurya:Parv Parakram Ka: শুরু সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে শুরু হয়ে গেল সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে মিলিটারি ট্যাটু ও ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’ নামে একটি আদিবাসী নৃত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল, ২৩ জানুয়ারি ও আজ, ২৪ জানুয়ারি দুই দিন ধরে এই অনুষ্ঠান উদযাপিত হবে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে।

     এই অনুষ্ঠান নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পালন করা হচ্ছে। রয়েছে নৃত্যকলার আয়োজন- আদিবাসী নৃত্যের যে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে জায়গা করে নিয়েছে গৌর মারিয়া, সিদ্ধি ধামাল.বৈগ পারধনি, বাগরুম্বা, ঘুসাড়ি, রথওয়া, গাড্ডিনাটি সমেত একাধিক ধরণের নৃত্য।  

    বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান

     গত বছরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নির্দেশে নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic Day) উদযাপনের অংশ করা হয়। কেন্দ্রের তরফে নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে ‘পরাক্রম দিবস’ (Parakram Divas) হিসাবে পালনের ঘোষণাও করা হয়। সেই মতোই এদিন থেকেই দিল্লিতে শুরু হয়ে গেল সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুন: প্রযুক্তি বিশ্বে এগিয়ে চলেছে দেশ! ‘টেকনোলজি হাব’-এর জন্য প্রস্তুত গ্রামীণ ভারতও

    এদিন সকাল থেকেই রাজধানীর কর্তব্য পথে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ বা প্যারেডের রিহার্সাল শুরু হয়। সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের তরফে ট্রাফিক সংক্রান্ত নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।

    ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’ নামে এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন লোকসভার স্পিকার শ্রী ওম বিড়লা। ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা, অজয় ভাট। অনুষ্ঠানে আদিবাসী নৃত্য, সেনা কৌশল ছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন পদ্মশ্রী প্রাপক গায়ক কৈলাস খের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Republic Day: প্রজতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা সহ সেন্ট্রাল ভিস্তা ও কর্তব্যপথের কর্মীরা

    Republic Day: প্রজতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা সহ সেন্ট্রাল ভিস্তা ও কর্তব্যপথের কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে রাজধানী দিল্লির বুকে সাজো সাজো রব। শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৩ প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রস্তুতি। তবে ২০২৩ সালের প্রজাতন্ত্র দিবস হতে চলেছে ভারতের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। এবারের কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথিদের পাশাপাশি সামনের সারিতে থাকবেন রিকশাচালক থেকে শুরু করে সবজি বিক্রেতা সহ শ্রমিকও। যেসব শ্রমিক সেন্ট্রাল ভিস্তা, কর্তব্য পথ তৈরির কাজে যুক্ত রয়েছে তাঁদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ হয় না যেসব মানুষের, এবার তাঁদের জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি

    এই বছরের উদযাপনের থিম হল ‘পার্টিসিপেশন অফ দ্য কমন পিপল’ অর্থাৎ “সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ”। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, প্যারেড চলাকালীন শ্রমজীবীরা অর্থাৎ ​​যে শ্রমিক সেন্ট্রাল ভিস্তা তৈরিতে সাহায্য করেছেন, তাঁদের পরিবার, কর্তব্য পথের রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী এবং সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যরা যেমন রিকশাচালক, ছোট মুদি এবং সবজি বিক্রেতারা প্রধান মঞ্চের সামনে বসে থাকবেন। সব মিলিয়ে এক হাজার মানুষ এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির সম্মান পাবেন।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে, কর্তব্য পথ তৈরির ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেছেন, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁদের বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়াও তফসিলি জাতি, দিব্যাঙ্গদের মধ্যে থেকেও বহু মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গতবছরও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডের জমকালো অনুষ্ঠানে অটোরিকশা চালক, নির্মাণ শ্রমিক, সাফাইকর্মী এবং ফ্রন্টলাইন কর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

    তবে কোভিড বিধি মেনে দর্শকের সংখ্যা অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের আসন সংখ্যা নামিয়ে আনা হয়েছে ৪৫০০০-এ। ৪৫০০০ টি আসনের মধ্যে ৩২০০০ টি এই বছর সাধারণ জনগণের জন্য অনলাইন বুকিংয়ের জন্য উপলব্ধ হবে, যেখানে দ্য বিটিং রিট্রিটে মোট আসনের ১০ শতাংশ অনলাইন বুকিংয়ের জন্য উপলব্ধ হবে। শুধুমাত্র ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলেই এই অনুষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাট্টা আল সিসি। জানা গিয়েছে, মিশর থেকে ১২০ জনের প্রতিনিধিদল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। এছাড়াও এবারে দেশের প্রজাতন্ত্র দিবসে নজর কাড়তে চলেছে প্রযুক্তি। ৩,৫০০ টি ড্রোন নিয়ে এক বিশেষ শোয়ের আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে, অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা দিল্লি। সীমান্তে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

  • Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী, প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি! জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পার্থক্য জানেন

    Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী, প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি! জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পার্থক্য জানেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি এবং ১৫ অগাস্ট। দু’টি দিনই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রজাতন্ত্র দিবস এবং স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী এবং ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করেন দেশের রাষ্ট্রপতি৷ এই দু’টি দিনই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কিন্তু দু’টি দিন জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতির পার্থক্য আছে।

    স্বাধীনতা দিবসের দিন পতাকা নীচে থেকে উপর পর্যন্ত তোলা হয়। লালকেল্লায় দেশের সম্মানে পতাকা উত্তোলন (Hoist) করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় পতাকা খুঁটির নিচের অংশে বেঁধে ওপরে ‘উত্তোলন’ করা হয়। এটি একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে ভারতের উত্থান এবং ব্রিটিশ শাসনের অবসান চিহ্নিত করে। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে উঠে দাঁড়িয়েছিল। তাই স্বাধীনতা দিবসে নীচে থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়। যখন দেশ স্বাধীন হয় তখন ভারতে কোনও রাষ্ট্রপতি ছিলেন না ছিলেন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু।  

    আরও পড়ুন: দেশ বিভাজনের বিভীষিকা, এক যন্ত্রণার ইতিহাস

    অন্যদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসে, জাতীয় পতাকা খুঁটির একদম শীর্ষেই বাঁধা হয় এবং স্বাধীনতা দিবসের মতো খুঁটির নীচের অংশে বাঁধা হয় না। সেটি শুধু ভাঁজ করা অবস্থায় থাকে। সেখান থেকে পতাকাকে মুক্ত করা হয়।  প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয় ১৯৫০ সাল থেকে। ওই বছরের ২৬ জানুয়ারি ছিল প্রজাতন্ত্র দিবস। তত দিন ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গিয়েছে। তাই জাতীয় পতাকা সেদিন উপরেই বাঁধা থাকে। সেটির উন্মোচন (Unfurl) করা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের ডানা মেলার প্রতীক ধরে। এটি একটি মুক্ত সময়কে ইঙ্গিত করে। ২৬ জানুয়ারী, ১৯৫০,  ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন এবং আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান হন। ওই দিন তিনিই পতাকা উন্মোচন করেন।  এরপর থেকেই প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী পতাকা উত্তোলন করেন আর প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি পতাকা উন্মোচন করেন।

LinkedIn
Share