Tag: Reservation policy

  • OBC Reservation Amendment Bill: ওবিসি সংরক্ষণে বড় বদল! বিধানসভায় পাশ জোড়া সংশোধনী বিল, বদলে গেল একাধিক নিয়ম

    OBC Reservation Amendment Bill: ওবিসি সংরক্ষণে বড় বদল! বিধানসভায় পাশ জোড়া সংশোধনী বিল, বদলে গেল একাধিক নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) সংরক্ষণ নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পথে এগোল শুভেন্দুর সরকার। সোমবার বিধানসভায় ওবিসি সংক্রান্ত দুটি সংশোধনী বিল সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে অনুমোদিত হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর ভোটাভুটিতে বিল দুটির পক্ষে ১৮৬ জন বিধায়ক সমর্থন জানান, বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৭টি। ছ’জন বিধায়ক ভোটদান থেকে বিরত থাকেন। প্রথমে ধ্বনিভোটে বিল পাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি আনুষ্ঠানিক ভোটাভুটির দাবি জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। ভোটাভুটিতে অংশ নেওয়ার পর কক্ষত্যাগ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের বিধায়কেরা।

    দুটি সংশোধনী বিল পেশ

    অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ এদিন দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। বিল দুটি হল ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (আদার দ্যান শিডিউল কাস্ট অ্যান্ড শিডিউল ট্রাইব) রিজার্ভেশন অফ ভ্যাকেন্সিস ইন সার্ভিসেস অ্যান্ড পোস্ট অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিজেপি বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী অভিযোগ করেন, আগের সরকার রাজনৈতিক ও ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে ওবিসি তালিকা সম্প্রসারণ করেছিল। তাঁর দাবি, প্রকৃত সামাজিক ও শিক্ষাগত অনগ্রসরতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনাই তখন বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল।

    নতুন সংশোধনীতে কী বলা হয়েছে?

    নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, বর্তমানে ক্যাটেগরি ‘এ’-এর আওতায় থাকা ৬৫টি জনগোষ্ঠীর তালিকা বহাল থাকছে। তবে ২০১২ সালের আইনে যুক্ত হওয়া ক্যাটেগরি ‘বি’-এর ৭৮টি জনগোষ্ঠী-সংবলিত তফসিল আইন থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনও সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা বা তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, ওবিসি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনও সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত করা, বাদ দেওয়া বা শ্রেণিবিন্যাসের বিষয়ে কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

    সাধারণ নাগরিকদের জন্যেও নতুন সুযোগ

    সংশোধিত আইনে আরও বলা হয়েছে, ওবিসি সংরক্ষণের হার নির্ধারণ করবে রাজ্য সরকার, তবে তা করতে হবে কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করেই। সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণের শতাংশ পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে, যদিও মোট সংরক্ষণের সীমা ৫০ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। একই সঙ্গে অনগ্রসরতার মাত্রা অনুযায়ী ওবিসি সম্প্রদায়গুলিকে পৃথক বিভাগে ভাগ করে সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনীতে সাধারণ নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনও সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত করার আবেদন, অতিরিক্ত বা অপর্যাপ্ত অন্তর্ভুক্তি নিয়ে অভিযোগ— সবই কমিশনের কাছে জমা দেওয়া যাবে। কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে বিলে উল্লেখ রয়েছে।

    কমিশনের সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ তিন বছরই বহাল

    আইন সংশোধনের মাধ্যমে কমিশনের সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ তিন বছরই বহাল রাখা হয়েছে। তবে সদস্য-সচিব, যিনি রাজ্য সরকারের কর্মরত আধিকারিক, তাঁর দায়িত্বকাল কতদিন হবে, তা নির্ধারণের ক্ষমতা রাজ্য সরকারের হাতেই থাকবে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ওবিসি সংরক্ষণের ভিত্তি গড়ে ওঠে রঙ্গনাথ মিশ্র কমিশনের সুপারিশের পর। বামফ্রন্ট আমলে অনগ্রসরতার ভিত্তিতে ক্যাটেগরি ‘এ’ ও ‘বি’— এই দুই ভাগে সংরক্ষণের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। পরে ২০১২ সালে তৎকালীন সরকার সেই আইনে সংশোধন এনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পৃথক তালিকা যুক্ত করে। সদ্য পাশ হওয়া সংশোধনী বিলের মাধ্যমে সেই কাঠামোয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হল।

  • NEET UG 2026: প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব এনটিএর চেয়ারম্যানকে

    NEET UG 2026: প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব এনটিএর চেয়ারম্যানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিজ্ঞাসাবাদ ও পর্যালোচনা বৈঠকের জন্য তলব করা হল এনটিএর (NTA) চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার জোশী এবং শিক্ষামন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের। ২১ মে ওই বৈঠকে তাঁদের হাজির থাকতে বলেছে সংসদের পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটি অন (NEET UG 2026) এডুকেশন, উইমেন, চিলড্রেন, ইয়ুথ অ্যান্ড স্পোর্টস। জানা গিয়েছে, দ্বিগ্বিজয় সিংয়ের নেতৃত্বাধীন এই সংসদীয় প্যানেল পূর্ববর্তী জাতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার বিতর্কের পর গঠিত কে রাধাকৃষ্ণণ (K Radhakrishnan) কমিটির সুপারিশ করা সংস্কারগুলির বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করবে। শিক্ষামন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বিনীত জোশীকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। বিতর্ক-সংক্রান্ত অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতের পরীক্ষা সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতেই তলব করা হয়েছে তাঁকে।

    বৈঠকে গুরুত্ব কোন কোন বিষয়ে (NEET UG 2026)

    ওই বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে এনটিএর জবাবদিহি ব্যবস্থা, পরীক্ষার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার ওপর জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধারে প্রস্তাবিত সংস্কার। ৩ মে নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা নিয়েছিল এনটিএ (NTA)। নাম নথিভুক্ত করেছিলেন প্রায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থী। পরীক্ষার পরপরই অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। বিতর্কের জেরে পরীক্ষা বাতিল করে দেয় এনটিএ। পরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ঘোষণা করেন, ওই পরীক্ষাটি ফের নেওয়া হবে ২১ জুন। তিনি এও জানান, আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা হবে কম্পিউটার-ভিত্তিক পদ্ধতিতে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা যাতে বাড়ে এবং অসদুপায়ের সম্ভাবনা কমে, তাই এই ব্যবস্থা। সূত্রের খবর, নিট বিতর্ক ছাড়াও কমিটি শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI)  ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়েও আলোচনা করবে। বৈঠকে অংশ নেবেন আইআইটি মাদ্রাজ-সহ আরও কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    আর একটি বৈঠকে কমিটি আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি এবং ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনোরিটি এডুকেশনাল ইনস্টিটিউটের আধিকারিকদের সঙ্গে সংরক্ষণ নীতি, শিক্ষকের শূন্যপদ এবং ন্যাশনাল এডুকেশন পলিশি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। এছাড়াও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্কার, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের কার্যকারিতা এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে সম্পর্কিত সুপারিশগুলিও পর্যালোচনা করা হবে (NEET UG 2026)। নিট ইউজি ২০২৬ বিতর্কের জেরে লাখ লাখ শিক্ষার্থী প্রভাবিত হওয়ায়, সংসদীয় পর্যালোচনায় এনটিএর কার্যক্রম কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে চলেছে। আগামী দিনের আলোচনা ও সংস্কার প্রস্তাবগুলি ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থায় আস্থা (NTA), স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে (NEET UG 2026)।

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

LinkedIn
Share