Tag: rg kar

rg kar

  • CBI: সন্দীপের নার্কো অ্যানালিসিস এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসির পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় সিবিআই

    CBI: সন্দীপের নার্কো অ্যানালিসিস এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসির পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আরও চাপ বাড়ল। এমনিতে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে সিবিআই বার বার জেরা করেছে। এবার আরও বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে সিবিআই। একই সঙ্গে টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের পলিগ্রাফ টেস্ট করতে আদালতে আবদেন করেছে সিবিআই (CBI)।

    সন্দীপের নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট (CBI)

    জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষের নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট করানোর জন্য আবেদন করেছে সিবিআই। শিয়ালদা আদালতে পেশ করা আবেদনে সিবিআই (CBI) জানিয়েছে, আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার ষড়যন্ত্রে সন্দীপ ঘোষ যুক্ত থাকতে পারেন। এই আশঙ্কায় তাঁর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষায় তদন্তকারীদের করা কয়েকটি প্রশ্নে সন্দীপ ঘোষ বিভ্রান্তিকর উত্তর দিয়েছেন। সেই প্রশ্নগুলির সঠিক জবাব পাওয়া দরকার। সেজন্য সন্দীপ ঘোষকে গুজরাতে নিয়ে গিয়ে নারকো অ্যানালিসিস পরীক্ষা করাতে চায় সিবিআই। সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) নারকো অ্যানালিসিস পরীক্ষার মুখোমুখি হতে রাজি হবেন কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্য জুড়ে হওয়া লাগাতার আন্দোলনের জেরে চাপের মুখে বৃহস্পতিবার সন্দীপ ঘোষের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্য দফতরে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি! নথি হাতে নিয়ে সরব শুভেন্দু

    টালা থানার প্রাক্তন ওসির পলিগ্রাফ টেস্ট

    নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। এবার তাঁর পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলকে আরও ৫ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে আবেদনও জানায় তারা। এর আগে সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট হয়েছে। মূলত কোনও ব্যক্তি কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে সত্যি বলছেন কি না, তা জানতেই এই বিশেষ পরীক্ষা করা হয়। এটা মূলত লাই ডিটেক্টর। কোনও প্রশ্নের নিরিখে ওই ব্যক্তির রক্তচাপ, শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝিয়ে দেয় তিনি মুখে যে কথা বলছেন, সেটাই সত্যি কি না। সূত্রের খবর, টালা থানার প্রাক্তন ওসিকে জেরা করে এখনও বেশি কিছু বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তাই পলিগ্রাফ পরীক্ষার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। টালা থানার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর, সিএফএসএলে যে সমস্ত ফুটেজ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, আগামী ১-২ দিনের মধ্যে তার রিপোর্ট আসবে। পাশাপশি আরজি করের সিসিটিভি ফুটেজের পরীক্ষা শেষ। যে সব সন্দেহভাজনদের দেখা গিয়েছে, সেই বিষয় নিয়ে আরও জিজ্ঞেসাবাদের প্রয়োজন অভিযুক্তদের। সুপ্রিম কোর্টের পর এবার শিয়ালদা আদালতেও স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা দ্বিতীয় স্টেটাস রিপোর্টের কপি জমা দেওয়া হল এজেন্সির তরফে। মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড! শুক্রবার সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেলে সমস্যা দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেল থেকে ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছে আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানির ভিডিও পর্যন্ত। এনিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনাকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ অনেকেই।

    ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন 

    কেউ কেউ বলছেন, ‘‘এটা ছোটখোটো ঘটনা নয়, হতে পারে পরিকল্পিত। কারণ আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) আবহেই এমন ঘটনা ঘটল। শুধু তাই নয়, আরজি করের শুনানির (Supreme Court) ভিডিও পর্যন্ত উধাও হয়ে গেল।’’ প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে আরজি করের শেষ শুনানির দিন লাইভ স্ট্রিমিং নিয়ে রাজ্য আগেই আপত্তি জানানো হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবীকে সেই সময় বলেন, ‘‘আমরা শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে বলতে পারব না। এটি জনস্বার্থ মামলা। ‘ওপেন কোর্ট’-এ শুনানি হচ্ছে। আপনাদের বিষয়টি আমরা দেখব।’’ এই আবহে ভিডিও গায়েব হয়ে গেল আরজি করে শুনানির।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত (Supreme Court)

    দেশের সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme Court) বিচার প্রক্রিয়া যেখানে লাইভ স্ট্রিমিং হয়, সেই চ্যানেলই হ্যাক হওয়ায়, তা নিরাপত্তায় বড়সড় ত্রুটি হিসাবেই দেখা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক হয়ে গিয়েছে। শীর্ষ আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার লাইভ স্ট্রিমিংয়ের বদলে উল্টো-পাল্টা নানা ভিডিও সেখানে দেখা যাচ্ছে। কখনও ক্রিপ্টো কারেন্সি সংক্রান্ত ভিডিও দেখা যাচ্ছে। কেউ আবার সার্চ করেও সুপ্রিম কোর্টের চ্যানেলটিই খুঁজে পাচ্ছেন না। শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেলের লিঙ্ক আপাপতত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানির যে ভিডিও রেকর্ডিং ছিল, তা হ্যাকাররা প্রাইভেট করে দিয়েছে। ওই সংক্রান্ত ভিডিও সার্চ করলেই, তার বদলে আসছে ‘Brad Garlinghouse: Ripple Responds To The SEC’s $2 Billion Fine! XRP PRICE PREDICTION’ নামক ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত একটি লাইভ ভিডিও। এখানেই বাড়ছে সন্দেহ…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তার মধ্যে একটা দাবি একটু অন্য রকম। সেটা হল ‘থ্রেট কালচার’ (Threat Culture) শেষ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে ‘দাদাগিরি’। আন্দোলনকারীদের এই দাবি থেকেই স্পষ্ট, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে দিব্যি চলছে ‘থ্রেট কালচার’, ‘দাদাগিরি’।

    ‘থ্রেট কালচার’ (RG Kar Protest)

    এই কালচারের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সকলরেই মাথায় রয়েছে শাসক দলের ছাতা। যে কারণে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা, মেদিনীপুর সর্বত্রই চলছে তৃণমূলের চিকিৎসক সংগঠনের ছত্রছায়ায় থাকা কোনও কোনও ‘দাদা’র দাদাগিরি। এই ‘দাদা’রা আবার নাড়া বেঁধে রেখেছেন তৃণমূলের ওপরতলার কোনও চিকিৎসক নেতার কাছে। তার জেরে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে কায়েম রয়েছে ‘থ্রেট কালচার’।

    তৃণমূল জমানায় জন্ম

    এবং এই সংস্কৃতি শুরু হয়েছে তৃণমূল জমানায়। ডাক্তারি পড়ুয়াদের একটা বড় অংশের দাবি, ২০২০-২১ সাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে মাথা তুলতে শুরু করে থ্রেট কালচার। আনুগত্য লাভের ইচ্ছে, জুনিয়রদের কাছে সমীহ আদায় করা এবং নিজেকে কেউকেটা বলে জাহির করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কৃতির জন্ম। কৌশলে শাসকদলের সংগঠন বাড়ানো এবং তোলাবাজিও এই দাদারা করত বলে অভিযোগ। কখনও হুমকি (RG Kar Protest) দিয়ে তোলা আদায়, কখনও আবার অন্য কোনও কৌশলে টাকা আদায় করে এই স্বঘোষিত ‘দাদা’রা।

    আরও পড়ুন: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, দাদারা যাঁদের আনুগত্য আদায় করতে পারত না, তাঁদের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হত। ফল রিভিউ করার সুযোগও নেই। ইন্টার্নশিপ করার সময় বিভিন্নভাবে সমস্যার সৃষ্টি করা হত। ইন্টার্নশিপের শংসাপত্র দেওয়া হত না। যে সিনিয়র ডাক্তারের অধীনে ওই জুনিয়র ডাক্তার ইন্টার্নশিপ করতেন, তাঁকেও হুমকি দেওয়া হত। আর যাঁরা দাদার আনুগত্য লাভ করতেন, ডিগ্রি পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতেন তাঁরা। ফলে পড়াশোনা করার চেয়ে তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন দাদাদের চামচামি করতেই।

    চিকিৎসক দ্বৈপায়ন মজুমদার বলেন, “মেডিক্যাল কলেজগুলিতে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়াটা থ্রেট কালচার জাঁকিয়ে বসার কারণ। নির্বাচন না হওয়ায় কারও দায়িত্ব নেই। অথচ সকলে দায়িত্বহীন ক্ষমতা ভোগ করতে চাইতেন (Threat Culture)। তাই হুমকি দিয়ে কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করা হত (RG Kar Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Protest: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১১ দিনের মাথায় ধর্না প্রত্যাহার করতে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Protest)। আজ, শুক্রবারই উঠে যাচ্ছে ধর্না। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত বিকেল তিনটের সময় মিছিল করবেন তাঁরা (Junior Doctors)। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে উঠে যাবে ধর্না। শনিবার থেকে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তবে, জরুরি পরিষেবায় যোগ দিলেও ওপিডি-কোল্ড ওটি’র ক্ষেত্রে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলে এদিন স্পষ্টতই জানিয়ে দেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে ফের দেওয়া হয়েছে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারিও।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা? (RG Kar Protest)

    আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, “আংশিক জয়ের জন্য শনিবার থেকে আমরা কাজে যোগ দিচ্ছি। আমাদের লড়াই শেষ হয়নি। আংশিকভাবে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের মাধ্যমে সদিচ্ছা যে আছে, তা দেখাতে চাইছি। তবে এই লড়াই জারি থাকবে। স্বাস্থ্য সচিবের পদত্যাগ নিয়ে সময় চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমরা নজর রাখছি।” তাঁরা বলেন, “সিবিআইয়ের কাছে আমাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দেওয়ার জন্য আপনাদের সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় আমরা পৌঁছে যাব। আমাদের আন্দোলন যে সাধারণ মানুষের আন্দোলন, তা প্রমাণে বন্যা কবলিত এলাকায় ক্লিনিক খোলা হবে। আমরা যে রাজনীতি করতে আসিনি, ন্যায় বিচারের জন্য এসেছি, তা প্রমাণেই এই সিদ্ধান্ত।”

    দাবি পূরণ না হলে…

    তবে দাবি পূরণ না হলে তাঁরা যে ফের পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন (RG Kar Protest), তাও জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বলেন, “জরুরি পরিষেবায় যোগ দিলেও ওপিডি-কোল্ড ওটি’র ক্ষেত্রে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। আমাদের সকল দাবি পূরণ না হলে আবার আমরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাব।” আন্দোলনকারীদের তরফে দেবাশিস হালদার বলেন, “আমরা শুক্রবার মিছিলের পর নিজের নিজের কলেজে ফিরে গিয়ে বিভাগ ভিত্তিক এসওপি তৈরি করব। যেখানে যেখানে খুব প্রয়োজন, সেগুলি চিহ্নিত করা হবে। শুধু সেই অতি প্রয়োজনীয় জায়গাগুলিতেই আমরা কাজে যোগ দেব। বাকি জায়গায় আমাদের কর্মবিরতি চলবে।” তিনিও বলেন, “প্রয়োজনে আমরা ফের পূর্ণ কর্মবিরতিতেও ফিরতে পারি।”

    আরও পড়ুন: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    প্রসঙ্গত, হাসপাতালে চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের বিচার-সহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বুধবার সেই দাবি নিয়েই নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন তাঁরা হতাশ। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে চিঠি দেন মুখ্যসচিব। হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন ও চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুচ্ছ পদক্ষেপ করে রাজ্য সরকার। তার পরেই কাটে জট। জানা যায় জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) সিদ্ধান্তের কথা (RG Kar Protest)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে?

    RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর। গত মঙ্গলবার, ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি সেখানেই বেশ কিছু প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি, সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, কোনওভাবেই তদন্তের স্বার্থে সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যাবে না। মঙ্গলবারের শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। যার মধ্যে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি, আরজি কর কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা- ইত্যাদি নানা বিষয়ে সওয়াল জবাব চলে। ওই দিন যে একাধিক নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দেয়, সেগুলির অগ্রগতি কতটা হল? ২৭ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে শীর্ষ আদালত তা জানতে চাইবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    চিকিৎসকদের (RG Kar) নিরাপত্তার বিষয়টি অবিলম্বে সুনিশ্চিত করতে হবে 

    প্রসঙ্গত, রাতে মহিলাদের কর্মস্থল সংক্রান্ত বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি মুছে ফেলার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar) সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তিনি বলেন, “জুনিয়র ডাক্তারদের আস্থা অর্জনের জন্য রাজ্যের সঙ্গে তাঁদের যে বোঝাপড়া, তা নথিবদ্ধ রাখা হোক। আমরা জানি, আমাদের সব দাবি এক দিনে পূরণ হবে না। জুনিয়র ডাক্তারেরা কাজে ফিরতে চান। এই বিষয়ে এখনই নজর দেওয়া দরকার।” অন্যদিকে, মঙ্গলবারের শুনানিতে জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আদালতের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অবিলম্বে সুনিশ্চিত করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। হাসপাতালে নিরাপত্তার কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহারেও আপত্তি জানান প্রধান বিচারপতি।

    আরও ছ’দফা নির্দেশ (RG Kar)

    এগুলির পাশাপাশি  ছ’দফা নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেগুলি হল— 

    প্রথমত, উইকিপিডিয়া থেকে নির্যাতিতার নাম ও ছবি মুছে ফেলতে হবে। দ্বিতীয়ত, চলতি মাসের ১২ তারিখ তদন্ত সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে সিবিআইকে চিঠি দিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা। ওই বিষয়গুলি গোপনীয়। তাই সেগুলি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। সিবিআইকে সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেছে শীর্ষ আদালত। তৃতীয়ত, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে হাসপাতালে শৌচাগার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। চতুর্থত, মহিলা চিকিৎসকরা সেমিনার হলে (RG Kar) বিশ্রাম নিতে গেলে তাঁদের সুরক্ষায় দরজায় বায়োমেট্রিক বসাতে হবে। নিরাপত্তার জন্য রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে হবে। পঞ্চমত, ওই ঘটনার পরে আরজি কর হাসপাতালের পুরো সিসিটিভি ফুটেজ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে পুলিশকে। ষষ্ঠত, জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক করার পরে কাজে যোগ দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না মমতা সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ঘটনার দিন সঞ্জয় ছাড়া আরও অনেক সন্দেহভাজনই ছিল আরজি কর চত্বরে, দাবি সিবিআইয়ের

    RG Kar: ঘটনার দিন সঞ্জয় ছাড়া আরও অনেক সন্দেহভাজনই ছিল আরজি কর চত্বরে, দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশই জটিল হচ্ছে আরজি কর (RG Kar) মামলার তদন্ত। এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। ঘটনার দিন সঞ্জয় ছাড়া আরও অনেক সন্দেহভাজনকেই সেদিন দেখা গিয়েছে আরজি কর চত্বরে এমনটাই জানা যাচ্ছে সিবিআই সূত্রে। প্রসঙ্গত গতকালই আরজি কর (RG Kar) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এ দেখে বিচলিত হয়ে ওঠেন বিচারপতিরাও। সিবিআইয়ের দাবি, তাদের হাতে এমন একটি ফুটেজ এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন আরজি করে ঘোরাঘুরি করছে ঘটনার দিন। যদিও তাদের পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানতে পারেনি সিবিআই।

    সন্দীপ ও অভিজিৎ বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক মোবাইল নম্বরে বারবার কথা বলেছেন

    প্রসঙ্গত, আরজি করে (RG Kar) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় সরাসরি অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার ছাড়াও তৎকালীন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল এবং আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। ধৃতদের জেরা করে সিবিআই জানতে পেরেছে যে সন্দীপ ও অভিজিৎ বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক মোবাইল নম্বরেও বারবার কথা বলেছেন। এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চালাচ্ছে সিবিআই। এর পাশাপাশি, টালা থানা থেকে উদ্ধার হওয়া সিসিটিভির হার্ডডিস্ক পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে সিবিআই (CBI)।

    সিব্বলের দাবি খারিজ তুষার মেহতার

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানির (RG Kar) সময়ই উঠে আসে সিসিটিভি ফুটেজের বিষয়টি। সিবিআই প্রশ্ন তোলে, কলকাতা পুলিশ কেন ২৭ মিনিটের ফুটেজ দিল? বাকি ফুটেজ কেন দেওয়া হল না? রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, পুলিশ নাকি ৭-৮ ঘণ্টার ফুটেজ দিয়েছে। যদিও সিবিআই এই দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা কপিল সিব্বলের কথাকে খারিজ করেন। নিজের মন্তব্যেই অনড় থাকেন সলিসিটর জেনারেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবারই ছিল সুপ্রিম কোর্টের শুনানি। এই দিনই বিকাল চারটে থেকে জেনারেল বডির বৈঠক শুরু করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বৈঠক চলে গভীর রাত পর্যন্ত। একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে এবং এরপরেই তাঁদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আন্দোলন (RG Kar) চালিয়ে যাওয়ার কথাই এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের অভিযোগ সব দাবি পূরণ করেননি মুখ্যমন্ত্রী। আন্দোলনকারীদের দাবি মতো স্বাস্থ্য সচিব, ডিসি সেন্ট্রাল – এই দুজনকে সরানো হয়নি। একই সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার করার বদলে রাজ্য মহিলা ডাক্তার-নার্সদের রাতে ডিউটি দেবেনা বলেছে, এরফলে নারী-পুরুষ বৈষম্য তৈরি হবে বলে মনে করছেন ডাক্তাররা (Junior Doctor)।

    জুনিয়র চিকিৎসকদের পাঁচটি দাবি (RG Kar)

    প্রসঙ্গত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাঁচটি দাবি। তাঁদের প্রথম দাবি, আরজি কর কাণ্ডের বিচার। দ্বিতীয় দাবি, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ, যদিও তিনি এখন জেলে, (রাজ্য অবশ্য সন্দীপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে তাঁকে প্রাইজ পোস্টিং দিয়েছিল)। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তার অপসারণ। মঙ্গলবার, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তার বদলি হলেও, স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে সরায়নি রাজ্য।

    জুনিয়র ডাক্তারদের তৃতীয় দাবি ছিল, পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের অপসারণ, এর পাশাপাশি ডিসি নর্থ ও ডিসি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ। মঙ্গলবার বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে এসটিএফের এডিজি করা হয়। ডিসি নর্থ থেকে সরিয়ে অভিষেক গুপ্তকে ইএফআর-এ পাঠানো হয়। কিন্তু, ডিসি সেন্ট্রাস ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে সরানো হয়নি।

    চতুর্থ দাবি, হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা ব্য়বস্থা জোরদার করা। যা এখনও সম্পন্ন হয়নি। এই নিয়ে মঙ্গলবারের সুপ্রিম-শুনানিতেও ভর্ৎসিত হয়েছে রাজ্য। পঞ্চম দাবি, জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতি বন্ধ করা। সূত্রের খবর, জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তিনি নাকি থ্রেট কালচার সম্পর্কে জানতেন না। 

    কী বলছেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের (Junior Doctor) কথায়, ‘‘মহিলা চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্য কর্মীদের রাতের পরিবর্তে দিনের ডিউটি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজ্য তার আমরা বিরোধিতা করছি। এর ফলে নারী-পুরুষ বৈষম্য তৈরি হবে। পরিকাঠামো উন্নয়ন না করে শুধু নিরাপত্তা কর্মী দিয়ে হাসপাতালের সুরক্ষা সম্ভব নয়। বহু হাসপাতালে জীবনদায়ী ওষুধ থাকে না। ফলে কাজ করতে গিয়ে রোগীর পরিজনদের হাতে আক্রান্ত হতে হয়। তাই নিরাপত্তা-সহ এই দাবিগুলি যাতে দ্রুত পূরণ হয়, তা নিয়ে আরও আলোচনা জরুরি।’’ আন্দোলনকারীদের কথায়, ‘‘সরকারি হাসপাতালগুলিতে এখনও পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভি কিংবা নিরাপত্তারক্ষী এখনও মোতায়েন হয়নি। বহু জায়গায় নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। কাজে ফেরার আগে এগুলো পূরণ হওয়া জরুরি।’’

    কী বলছেন আন্দোলনের অন্যতম মুখ ডাক্তার অনিকেত

    ডাক্তার অনিকেত মাহাতো বলেন, ‘‘হাসপাতালগুলিতে একাধিক সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য আমরা কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবি করেছিলাম। সেই দাবি অনুযায়ী, একটি টাস্ক ফোর্স গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। কিন্তু সেটা কীভাবে কাজ করবে, তা আমাদের কাছে এখনও অস্পষ্ট। এছাড়াও, রোগীকল্যাণ সমিতি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশের কপি এখনও পাননি তাঁরা। এই সমস্ত দাবি নিয়েই বুধবার মুখ্যসচিবকে চিঠি দিচ্ছেন জুনিয়ার চিকিৎসকরা (RG Kar)। চিঠিতে ফের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেবেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘পুলিশের চরম মানসিক চাপে মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে পারিনি’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার মা

    RG Kar: ‘‘পুলিশের চরম মানসিক চাপে মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে পারিনি’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। চারজন পুলিশ (Kolkata Police) অফিসারকে সিবিআই তলব করেছে। এই আবহের মাঝে টালা থানার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। দাবি করলেন, পুলিশের ক্রমাগত চাপের জন্য মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে পারেননি তাঁরা। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী-আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক নিয়ে মুখ খুললেন অভয়ার বাবা-মা।

    দেহ দাহ করতে পুলিশের চাপ (RG Kar)

    সোমবার নির্যাতিতার (RG Kar) মা বলেন, ‘‘টালা থানায় গিয়ে চেয়েছিলাম মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে, কিন্তু, পুলিশ তা হতে দেয়নি। পুলিশ আধিকারিকরা চেয়েছিলেন যেন আমার মেয়ের দেহ তাড়াতাড়ি পোড়ানো হয়। আমাদের ওপর চরম মানসিক অত্যাচার করেছিল টালা থানার পুলিশ। পুলিশের চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করতে হয় আমাদের। কারণ, প্রায় ২০০-৩০০ পুলিশ কর্মী ছিলেন আমাদের সামনে। আর আমরা ছিলাম সংখ্যায় ৩-৪ জন। কিন্তু, দেহ সৎকার করার জন্য কেন তাড়াহুড়ো করছিল, এর পিছনে কী উদ্দেশ্য ছিল সেটা তারাই বলতে পারবেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ক্রাইম সিন বদলানো হয়েছে। মেয়ের যাখানে দেহ রাখা হয়েছিল, ওখানে এই ঘটনা ঘটেনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, প্রশাসন সকলেরই ভূমিকা ছিল। পুলিশ বেশি মাত্রায় সক্রিয় ছিল।’’ অন্যদিকে তিলোত্তমার বাবার প্রশ্ন, ‘‘পুলিশ বলছে আমার মেয়েকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। যদি তাই হয় তবে আমাদের তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হল কেন?’’ বাবা-মায়ের দুজনেরই বক্তব্য, ‘‘রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে কিছু করার থাকে না। আমরা সমস্যায় পড়ার পর তো প্রথমে পুলিশের কাছেই যাব। সেই মতো টালা থানায় যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু কোনও সমাধান পাইনি। এই কারণেই বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সিবিআই তদন্ত চেয়েছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হোক, শুভবুদ্ধির উদয় হোক

    সোমবার আন্দোলনকারী চিকিৎসক এবং মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক নিয়ে নির্যাতিতার (RG Kar) বাবা বলেন, ‘‘প্রত্যেকেরই শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। দুই পক্ষের মধ্যে যে স্নায়ুযুদ্ধ চলছে, সেটা শেষ হোক। শুভবুদ্ধির উদয় হোক। আর ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনায় বসে মুখ্যমন্ত্রী এই সমস্যার সমাধান করে নিক। আমরা এটাই চাই। আর মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানি নিয়ে মুখ খুললেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের ওপর আমাদের ভরসা আছে। সিবিআই এর ওপরে ভরসা আছে। আশা করি ন্যায়বিচার পাব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    CBI: আরজি করকাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রী, আরও ৪ পুলিশ অফিসারকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী পড়ুয়া-চিকিৎসককে নারকীয় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগের আঙুল উঠেছিল কলকাতা পুলিশের দিকে। নির্যাতিতার পরিবার বারবার দাবি করেছেন, তদন্ত করার বদলে প্রমাণ লোপাট করতে ব্যস্ত হয়েছিল পুলিশ। সিবিআই (CBI) তদন্তভার নেওয়ার পর টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে। এবার কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) চারজন অফিসারকে সমন পাঠাল সিবিআই। তার মধ্যে দু’জন সাব ইনস্পেক্টর রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে তলব করা হয়েছে অভিজিতের স্ত্রী-কেও।

    চারজন পুলিশ কর্মীর ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (CBI)

    সূত্রের খবর, আপাতত তিনটি প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর খুঁজছে সিবিআই। এক, ধর্ষণ-খুনের ঘটনা কে ঘটাল? দুই, কী কী তথ্যপ্রমাণ লোপাট করা হল? তিন, সমগ্র ষড়যন্ত্রে কারা কারা জড়িত? এই তিনটি বিষয়েই একাধিক তথ্যপ্রমাণ হাতে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সমন পাঠানো চারজন পুলিশ কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলেই মনে করছেন সিবিআই (CBI) অফিসাররা। এই ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড় ঘুরতে পারে বলেই মনে করছেন সকলে। খুলতে পারে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের’ দুয়ার। প্রসঙ্গত, সিবিআই আগেই জানিয়েছিল, খুন-ধর্ষণের পিছনে আরও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। সে ষড়যন্ত্রে টালা থানার ওসির সঙ্গে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আঁতাত ছিল বলেই জানতে পেরেছে সিবিআই। তাতে যুক্ত থাকার সন্দেহেই আরও চারজন পুলিশ অফিসারকে সমন পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই চারজন পুলিশ অফিসার এলে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সিবিআই সূত্রে খবর, সন্দীপের নির্দেশেই পুলিশ অফিসাররা তদন্তে কারচুপি করেছেন। কেস ডায়েরিতেও অনেক গরমিল পাওয়া গিয়েছে। সেই সব স্পষ্ট করার জন্যই ওই চার পুলিশ অফিসারকে ডেকে জেরা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    কেন টালার প্রাক্তন ওসির স্ত্রীকে তলব?

    টালা থানার প্রাক্তন ওসির স্ত্রীকেও তলব করল সিবিআই। সোমবারই তাঁকে সিবিআই (CBI) দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা সমনে বলা হয়েছে। তলব করা হয়েছে আইনজীবী শঙ্খজিৎ মিত্রকেও। ওসির স্ত্রীকে তলব করা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, টালা থানার ওসি কর্তব্যে গাফিলতি করেছে বলে সিবিআই অভিযোগ করেছে। প্রমাণ লোপাটের কাজের সঙ্গে সে জড়িত। সন্দীপ ঘোষের নির্দেশে ওসি অভিজিৎ মণ্ডল এমন কাজ করেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। সিবিআই সূত্রে খবর, ওসির স্ত্রীর কাছে জানতে চান ওই ঘটনার পর অভিজিৎ বাড়িতে কিছু জানিয়েছিলেন কিনা। তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েছিল কিনা, স্বামীকে দেখে স্ত্রীর সন্দেহজনক কিছু মনে হয়েছে কিনা, তাঁর স্বামী কিছু লুকোচ্ছেন কিনা, অভিজিৎ কাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখছিলেন, ধর্ষণ-খুনের বিষয়ে কোনও তথ্য অভিজিৎ বাড়িতে জানিয়েছিলেন কিনা, সেসব জানতেই এই তলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ‘‘ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক পাতাতেন সন্দীপ, কামড়াতেন-মারতেন’’! বিস্ফোরক দাবি

    Sandip Ghosh: ‘‘ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক পাতাতেন সন্দীপ, কামড়াতেন-মারতেন’’! বিস্ফোরক দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। আর্থিক তছরূপের ঘটনার পাশাপাশি নির্যাতিতাকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনাতেও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রথম সারির যোদ্ধা কাজি আলি আফতাব। তাঁর দাবি, একাধিক ট্রান্সজেন্ডারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন সন্দীপ। শুধু তাই নয়। তাঁরা সন্দীপের পাশবিকতারও শিকার হয়েছেন! বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে অত্যাচার (Sandip Ghosh)

    ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রথম সারির যোদ্ধা কাজি আলি আফতাব বলেন, “উনি (Sandip Ghosh) ফেসবুকের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডারদের ফোন নম্বর জোগাড় করতেন। তাঁদের ডেকে পাঠাতেন। এরপর তাঁদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করতেন। তারপর তাঁদের ওপর নির্যাতন করতেন। কামড়ানো-খিমচানো-মারধর করা — এই ধরনের ব্যবহার করতেন। আমাদের কমিউনিটির তিনজনের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা থানায় সেই সময় যেতে পারেননি। যেহেতু তিনি প্রভাবশালী তার ওপর আবার ডাক্তার ছিলেন। তারপর তিনি সমাজের স্বীকৃত মানুষ।” কাজি আলির এও দাবি, “এই নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে হয়ত বলবে আপনি স্বেচ্ছায় সম্পর্কে গিয়েছেন। তখন নির্যাতিতা বা নির্যাতিত যেই হোন না কেন দোষী হয়ে যান।”

    আরও পড়ুন: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    সিভিকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

    সিভিক ভলান্টিয়রের সঙ্গে কি সম্পর্ক ছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের? ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রথম শ্রেণির যোদ্ধা কাজি আলি আফতাব তেমনই আশঙ্কা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, “নির্যাতিতার ঘটনায় যে সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে, হয়ত তাঁর সঙ্গে সন্দীপের (Sandip Ghosh) কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে। নয়ত অভিযুক্ত সব দোষ নিজের মাথায় নিয়ে নিচ্ছে! এমনি-এমনি তো কেউ নিজের মাথায় দোষ নেবে না। আর ওঁর যেমন স্বভাব, উনি এমন সম্পর্কে লিপ্ত থাকবেন না এর কোনও গ্যারান্টি নেই।”

    সিভিকের ফোনে বিপুল পরিমাণে নীল-ছবি!

    প্রসঙ্গত, ‘তিলোত্তমা’র দেহ উদ্ধার পর যখন কলকাতা পুলিশের হাতে অভিযুক্ত সিভিক গ্রেফতার হয়েছিলেন, সেই সময় ও তিনি পুলিশের কাছে ফাঁসির আবেদন করেছিলেন। দোষ করে বলেছিলেন, “আমায় ফাঁসি দিন।” এ দিন হয়ত সেই বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছেন কাজি আলি আফতাব। বস্তুত, আরজি করের ঘটনার তদন্তে নামার পর অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের ফোন ঘেঁটে একাধিক নীলছবি খুঁজে পেয়েছিলেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। কার্যত চমকে ওঠেন তাঁরা। গোয়েন্দা আধিকারিকদের দাবি ছিল, অভিযুক্ত এমন ধরনের নীলছবি দেখতেন যা সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ দেখেন না।

    ছাত্রের শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত সন্দীপ!

    এর আগে, ২০১৭ সালে হংকং এক নার্সিং ছাত্রের শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি ওই ছাত্রের গোপনাঙ্গ ছোঁয়ার চেষ্টা করেন। হংকং এর কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে এই ঘটনার ঘটার অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, সন্দীপ ঘোষের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া এক গোপন ল্যাপটপ নিয়েও বেশ কিছু বিস্ফোরক বিষয় উদ্ধার হয়েছে বলে বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছে। এই ল্যাপটপ উদ্ধার করে ইডি। নথির পাশাপাশি সেই ল্যাপটপ থেকে বহু ছবি উদ্ধার হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সন্দীপের ওই ল্যাপটপে মিলেছে বহু নগ্ন পুরুষের ছবি। তবে সেই ছবি নিয়ে সেভাবে এখনও ভাবনা চিন্তা শুরু করেননি তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share