Tag: rg kar

rg kar

  • RG Kar: ‘‘কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত…’’, সোম পেরিয়ে মঙ্গল, ডাক্তারদের ধর্না চলছে লালবাজারে

    RG Kar: ‘‘কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত…’’, সোম পেরিয়ে মঙ্গল, ডাক্তারদের ধর্না চলছে লালবাজারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালেও কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের (Vineet Goyal) পদত্যাগের দাবিতে ফিয়ার্স লেনে চলছে (RG Kar) জুনিয়র ডাক্তারদের অবস্থান। তাঁদের দাবি এক, বিনীত গোয়েলের পদত্যাগ। আন্দোলনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে যতক্ষণ না পর্যন্ত তাঁদের এই দাবি পূরণ করা হচ্ছে, তাঁরা এক চুলও নড়বেন না ধর্না থেকে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ভোরে সকলকে এড়িয়ে লালবাজার (Lalbazar) ছেড়ে বেরিয়ে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার। অন্যদিকে ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের তরফে আন্দোলনকারীদের প্রস্তাব দেওয়া হয় যে লালবাজারে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর, তবে এই প্রস্তাব খারিজ (RG Kar) করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের একটাই দাবি, পুলিশ কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।

    সন্দীপের গ্রেফতারিতে উল্লসিত ডাক্তাররা (RG Kar)

    গতকাল রাতেই আন্দোলনকারীদের কাছে খবর পৌঁছে যায় (RG Kar) সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হয়েছেন। এই খবরে উল্লসিত হয়ে ওঠেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই ঘটনাকে তাঁরা নিজেদের নৈতিক জয় হিসেবে আখ্যা দেন। এর পাশাপাশি তাঁরা আরও জানান, সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারি তাঁদের নৈতিক জয়, তবে পুলিশ কমিশনারকে (CP kolkata) পদত্যাগ করতে হবে। মঙ্গলবার রাত যত বেড়েছে আন্দোলনকারীদের সমর্থনে সাধারণ মানুষের ভিড় তত বেড়েছে। তাঁদের ধর্নাস্থলে একসময় সিনিয়র চিকিৎসরা সামিল হতে থাকেন। মুখে বলতে থাকেন, ডিউটি ছেড়ে এসেছি জুনিয়রদের আন্দোলনকে বুস্ট-আপ করতে। আগামিকাল বুধবার ৪ সেপ্টেম্বর লালবাজারের (Lalbazar) সামনেই আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা রাত দখলের (Raat Dokhol – Claim The Night) ডাক দিয়েছেন। এখানেই হাজির থাকবেন নির্যাতিতার বাবা-মা।

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের (RG Kar)

    সোমবারই জুনিয়র ডাক্তারদের লালবাজার (Lalbazar) আন্দোলনকে সমর্থন করে বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবি যথাযথ বলেই জানিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। সোমবার সন্ধ্যায় সোদপুরে বাড়িতে তিনি বলেন, ‘‘কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি যথাযথ! সৎ সাহস থাকলে উনি জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করতে পারতেন। জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar) নিরস্ত্র অবস্থায় আন্দোলন করতে গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে একবার হলেও দেখা করা উচিত ছিল পুলিশ কমিশনারের (Vineet Goyal)। কিন্তু, সেটা না করে লোহার ব্যারিকেড দিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের আটকানোর চেষ্টা করলেন! এটা অমানবিক ছাড়া আর কিছুই নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    RG Kar: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে (RG Kar) সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ছাড়াও সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরও তিনজন। ধৃতরা হলেন সুমন হাজরা, বিপ্লব সিং ও আফসার আলি। এর মধ্যে, সুমন হাজরা ও বিপ্লব সিং সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ ব্যবসায়ী। তৃতীয়জন আফসার আলি সন্দীপের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করতেন।

    বাকি ধৃতদের পরিচয় (RG Kar)

    হাওড়া সাঁকরাইল এর বাসিন্দা বিপ্লব সিং সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। বিপ্লবের সংস্থার নাম ছিল ‘মা তারা ট্রেডার্স’। এই সংস্থা হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করত। গত সপ্তাহের রবিবার যেদিন সন্দীপের (Sandip Ghosh) বাড়িতে সিবিআই পৌঁছায় সেদিনই বিপ্লব সিংয়ের বাড়িতে হাজির হয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জানা গিয়েছে, বিপ্লবের বাবা কলকাতার একটি মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন, সেই সূত্রে আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে টিনের প্লেটের নম্বর লেখা কিংবা বেড নম্বর লেখার টেন্ডার পেতেন বিপ্লব। ওই কাজ করতে করতে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেন বিপ্লব। অন্যদিকে, দুর্নীতি মামলায় (CBI) হাজরা মেডিক্যাল নামের একটি ওষুধের দোকানে তল্লাশি চালায় সিবিআই। ওই দোকানের মালিক সুমন হাজরাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন আফসার আলি নামের নিরাপত্তারক্ষীও। এঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি, এই ধৃত তিনজনকে বেআইনিভাবে হাসপাতালে ক্যাফেটেরিয়া, পার্কিং সহ নানা সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে। আপাতত চার জনই রয়েছে নিজাম প্যালেসে।

    ১৫ দিন সিবিআই জেরার মুখোমুখি সন্দীপ 

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ অগাস্ট থেকে টানা ১৫ দিন সিবিআই জেরার মুখোমুখি হতে হয়েছিল সন্দীপ ঘোষকে। তার মাঝে এক রবিবারে সন্দীপের বাড়িতেও পৌঁছে যায় সিবিআইয়ের দল (RG Kar)। গতকাল, সোমবার ফের তাঁকে তলব করা হয় সিজিও কম্পপ্লেক্সে। সেখান থেকে সিবিআই আধিকারিকরা সন্দীপকে নিয়ে যান নিজাম প্যালেসে। তার পরেই তাঁর গ্রেফতারের খবর সামনে আসে। এর পরেই জানা যায়, আর্থিক দুর্নীতি মামলায় শুধু সন্দীপ (Sandip Ghosh) নন, সেইসঙ্গে আরজি কররে প্রাক্তন অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar incident: আরজি করকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ

    RG Kar incident: আরজি করকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar incident) গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ। সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ (Sandip Ghosh)। সূত্রের খবর, দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।

    সিবিআইয়ের তদন্ত (RG Kar incident)

    আরজি করে আর্থিক তছরুপের একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দুর্নীতি দমন শাখাই গ্রেফতার করে সন্দীপকে। প্রাক্তন অধ্যক্ষ গ্রেফতার হয়েছেন শুনে খুশিতে ফেটে পড়েন আরজি করের আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে তাঁদের দাবি, গ্রেফতার করতে হবে সব দোষীকে। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারের তরফে অনিকেত মাহাত বলেন, “আর্থিক তছরুপকাণ্ডে সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেডিক্যাল এথিক্সের জায়গা থেকে এখন স্বাস্থ্যভবনের কী করা উচিত, তা বলে দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না।”

    সাসপেন্ড করেছিল আইএমএ

    জানা গিয়েছে, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি হাসপাতাল পরিচালনা নিয়ে সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। প্রসঙ্গত, সন্দীপকে (RG Kar incident) আগেই সাসপেন্ড করেছিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থার রাজ্য শাখার সহকারী সম্পাদক চিকিৎসক অনির্বাণ দলুই বলেছিলেন, আরজি করের এই ঘটনা ঘটার পর থেকেই তাঁর সদস্য পদ বাতিলের দাবি করা হচ্ছিল রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে। শেষমেশ সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় কমিটি। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: কান্দাহার অপহরণ নিয়ে নেটফ্লিক্সের নয়া সিরিজে বিতর্ক, কর্তাকে তলব কেন্দ্রের

    আরজি করকাণ্ডের পর টানা ১৫ দিন ধরে জেরা করা হচ্ছিল সন্দীপকে। সোমবারও সকাল থেকে টানা জেরা করা হচ্ছিল তাঁকে। জেরায় একাধিক অসঙ্গতি মেলে বলে সূত্রের খবর। এর পর হঠাৎই সন্দীপকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার কর্তারা। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় নিজাম প্যালেসে। সন্ধেয় সেখানেই গ্রেফতার করা হয় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে। গত ১২ অগাস্ট আরজি করকাণ্ডের নৈতিক দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন সন্দীপ। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে দেওয়া হয়েছিল প্রাইজ পোস্টিং (Sandip Ghosh)। তা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল (RG Kar incident)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • BJP: নির্যাতিতার স্মরণে আলাদা শোকপ্রস্তাব পাঠ, বিধানসভায় মৌন-মিছিল বিজেপির

    BJP: নির্যাতিতার স্মরণে আলাদা শোকপ্রস্তাব পাঠ, বিধানসভায় মৌন-মিছিল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন! বিধানসভার ইতিহাসে বেনজির ঘটনা ঘটালেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। সৌজন্য, আরজি করের ঘটনা (RG Kar incident)। অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ার পরেও বিধানসভায় ঠায় বসে রইলেন তাঁরা। আলাদা করে পাঠ করলেন শোকপ্রস্তাব। নেতৃত্বে শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় এভাবেই পদ্ম শিবির স্মৃতি তর্পণ করলেন নির্যাতিতার। এর পর, বিধানসভা চত্বরে মোমবাতি হাতে করলেন মৌন-মিছিল।

    শুভেন্দুর অনুরোধ (BJP)

    আরজি করকাণ্ডের জেরে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন বসেছে আজ সোমবার থেকে। উদ্দেশ্য, ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতে বিল পাশ করানো। নির্ধারিত সূচি মেনে অধিবেশন শুরু হয় দুপুর ২টো নাগাদ। অধিবেশনের শুরুতেই প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জন্য শোকপ্রস্তাব পাঠ করা হয়। সেই সময় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অনুরোধ করেন, আরজি করের নির্যাতিতার জন্যও শোকপ্রস্তাব পাঠ করতে। শুভেন্দুর প্রস্তাবে আপত্তি জানান স্পিকার। জানিয়ে দেন, নির্যাতিতার নামোল্লেখ করার ক্ষেত্রে আইনি বাধা রয়েছে।

    পদ্মের প্রস্তাব পাঠ

    শুভেন্দু পরামর্শ দেন, ‘৯ অগাস্ট’ বা ‘ডাক্তার বোন’ এমন কিছু বলেও যদি শোকপ্রস্তাব পাঠ করা সম্ভব হয়। তাতেও সাড়া দেননি স্পিকার। এর পর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে যায় অধিবেশন। একে একে বেরিয়ে যান বিধায়করা। অধিবেশন কক্ষে রয়ে যান পদ্ম বিধায়করা। শুভেন্দু নির্যাতিতার নামোল্লেখ না করেই শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন। তার পরেও প্রায় ১৫ মিনিট বিধানসভায় ঠায় বসেছিলেন পদ্ম বিধায়করা। এখানেই শেষ নয়। অধিবেশন কক্ষেই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন শুভেন্দু ও অন্য বিজেপি বিধায়কেরা। পরে কক্ষ থেকে বেরিয়ে বিধানসভার ইনার লবি সহ চারপাশে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মোমবাতি হাতে মৌনমিছিল করেন বিজেপি বিধায়করা। 

    আরও পড়ুন: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (BJP) বলেন, “আমরা বলেছিলাম আইন মেনে প্রস্তাব পাঠ করুন। আমরা পরে পাঠ করেছি। আমরা হাতে আলো নিয়ে মৌন মিছিল করেছি।” তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে নিহত কর্মরতা চিকিৎসকের কথা উল্লেখ করুন। কিন্তু স্পিকার তা প্রত্যাখান করেন। আমরা বুদ্ধবাবুকে সম্মান করি বলে প্রতিবাদ করে কিছু বলিনি। পরে আমরা আমাদের মতো করে প্রয়াত বোনকে সম্মান জানিয়েছি।” 

    প্রসঙ্গত, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিল আনছে রাজ্য। মঙ্গলবার পেশ হবে ‘অপরাজিতা মহিলা ও শিশু (পশ্চিমবঙ্গ ফৌজদারি আইন সংশোধনী) বিল, ২০২৪।’ এদিনই বিলটি পাশ করিয়ে রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত আইনে পরিণত করতে চায় (BJP) রাজ্য সরকার (RG Kar incident)।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রস্তুত থাকুন। কী ভাষায় উত্তর দিতে হয়, আমরা বুঝিয়ে দেব। বিধানসভায় দেখা হবে।” এই ‘হুঙ্কার’ যাঁকে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), সেই তাঁকেই রবিবার কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও।

    বিশেষ অধিবেশন (Suvendu Adhikari)

    আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন। ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতেই বসছে বিশেষ অধিবেশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিল পেশ হবে বিধানসভায়। সোমবার দুপুর ২টোয় বসবে অধিবেশন। এদিন শোকপ্রস্তাবের পরেই শেষ হয়ে যাবে অধিবেশন। শোকপ্রস্তাবে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার উল্লেখ থাকবে কিনা, সে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। তবে বিধানসভার এই বিশেষ অধিবেশন যে উত্তাল হবে, সে ব্যাপারে পদ্ম শিবিরে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। রবিবার বিকেলে রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু। ধর্মতলায় চলছে বিজেপির সপ্তাহব্যাপী ধর্না অবস্থান। সেখানে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর হুঙ্কার

    শুভেন্দু বলেন (Suvendu Adhikari), “আরজি কর ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোন ভাষায় জবাব দিতে হয়, তা আমাদের জানা আছে। দল হিসেবে বিজেপি বিধানসভায় তা দেখিয়েও দেবে।” ধর্ষণ করলেই ফাঁসির সাজা হবে। এই মর্মে আইন করতে বিধানসভায় বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। দশ দিনের মধ্যে এই বিল পাশ করানো হবে বলেও মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমাবেশে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই মতো এদিন বসতে চলেছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন।

    আরও পড়ুন: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    রবিবারই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ  ধর্ষণ-বিরোধী বিল আনতে উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন, “প্রকাশ্যে মহিলাদের ওপর হামলা হচ্ছে। আরজি করে মহিলার মৃতদেহের ময়না তদন্তের সময় বাড়ির লোককে রাখা হয়নি। যারা অপরাধীদের আড়াল করছে, তারা কোন মুখে বড় বড় কথা বলে?” তিনি বলেছিলেন, “আজ নাটক করছে, ফাঁসির আইন আনবে। কে অধিকার দিয়েছে আইন করার? এই নাটক বন্ধ করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    বস্তুত, ধর্ষণ রুখতে কড়া সাজার সংস্থান রয়েছে কেন্দ্রেরই নয়া আইনে। তার পরেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা আইন আনার (RG Kar Incident) উদ্যোগ আসলে আইওয়াশের চেষ্টা বলেই দাবি (Suvendu Adhikari) ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন। ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতেই বসছে বিশেষ অধিবেশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিল পেশ হবে বিধানসভায়। ধর্ষণ-বিরোধী যে বিল আনতে চলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার, তা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ? (Dilip Ghosh)

    তিনি বলেন, “প্রকাশ্যে মহিলাদের ওপর হামলা হচ্ছে। আরজি করে মহিলার মৃতদেহের ময়নাতদন্তের সময় বাড়ির লোককে রাখা হয়নি। যারা অপরাধীদের আড়াল করছে, তারা কোন মুখে বড় বড় কথা বলে?” বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, “আজ নাটক করছে, ফাঁসির আইন আনবে। কে অধিকার দিয়েছে আইন করার? এই নাটক বন্ধ করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” রবিবার বিকেলে হাওড়া থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বিজেপি। এদিন হাওড়া থানায় এসেছিলেন দিলীপও (Dilip Ghosh)। তিনি অবশ্য এসেছিলেন নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারীদের দেখতে। হাওড়া হাসপাতালের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “গত ১২ বছর ধরে একজনই সুপারের পদে বসে রয়েছেন। এটা কীভাবে সম্ভব? নাবালিকাকে সিটি স্ক্যান করতে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হল। অথচ সেখানে কোনও মহিলা কর্মী ছিলেন না!”

    আরও পড়ুন: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্য সরকারের!

    প্রশ্ন হল, কেন ধর্ষণ-বিরোধী যে বিল বিধানসভায় আনা হচ্ছে, তাকে নাটক বললেন দিলীপ? রাজনৈতিক মহলের মতে, নিছক আইওয়াশ করতেই বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে আরজি করকাণ্ডে উদ্ভুত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই চেষ্টা তিনি আগেও করেছেন। চিকিৎসক খুনের পরে পরেই ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে পথে নেমে পড়েছিলেন তিনি। এবার আনতে চলেছেন বিল। অথচ, দেশের নয়া আইনেই ধর্ষককে কড়া শাস্তি দেওয়ার সংস্থান রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    দিন দুই আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণ দেবী জানিয়েছিলেন, রাজ্যে একাধিক অতিরিক্তি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু হয়নি। মন্ত্রীর দাবি, তার জেরে বকেয়া রয়েছে ধর্ষণ ও পকসো সংক্রান্ত কয়েক হাজার মামলা। সে সব ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ না নিয়েই বিশেষ অধিবেশন ডেকে মমতা যে ‘নাটক’ করছেন, দিলীপ (Dilip Ghosh) তাঁকেই কটাক্ষ করেছেন (RG Kar Incident) বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ নন, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে-ই! পুলিশের দাবি খারিজ আইএমএ-র

    RG Kar Incident: ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ নন, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে-ই! পুলিশের দাবি খারিজ আইএমএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন সেমিনার হলে কারা ছিলেন? বারবার ফিরে আসছে এই প্রশ্ন। তথ্য প্রোমাণ লোপাটের চেষ্টায় সেদিন কী সেমিনার রুমে জড়ো হয়েছিল অনেক মাথা, এমন প্রশ্নও উঠছে। আরজি কর মেডিক্যালের সেমিনার হলে লাল জামা পরা ব্যক্তি এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের প্রথম বর্ষের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি অভীক দে। নিজেদের দাবিতে অনড় রয়েছে আইএমএ-র রাজ্য শাখা। যদিও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA) পশ্চিমবঙ্গ শাখার দাবি খারিজ করে লালবাজার সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ আনিসুর রহমান। চুলের ধরন দেখে আনিসুরকে অভীক বলে মনে হচ্ছে বলে পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। 

    কী বলছে আইএমএ

    কলকাতা পুলিশের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি, এই বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য কলকাতা পুলিশকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন। প্রাথমিকভাবে আএএমএ-র দাবি খারিজ করলেও, এবিষয়ে নতুন করে আর কোনও বক্তব্য মেলেনি কলকাতা পুলিশের তরফে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা লিখেছে, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি ওই ব্যক্তি অভীক দে। ৪১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কলকাতা পুলিশ বলেনি, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে নন। অভীক দে নিজেও সামনে এসে সেমিনার হলে থাকার কথা অস্বীকার করেননি।’ আইএমএ বেঙ্গল অ্যাকশন কমিটির সদস্য অভীক ঘোষ বলেন, মানুষের কাছে এটা খুব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, সেদিনকে আরজি করে ক্রাইম সিনে ঘটনা ঘটার পর বহু মানুষ ঢুকেছেন। বহু মানুষ ঢোকার জন্য নিশ্চিতভাবে সেখানে তথ্যপ্রমাণ বিকৃতি হতে বাধ্য।

    পুলিশের দাবি

    গত শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তাতে দাবি করা হয়েছিল যে আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের সেমিনার হলের মধ্যে ওই ছবি তোলা হয়েছে। সাদা চাদর দিয়ে ঘেরা অংশের মধ্যেই তরুণী চিকিৎসকের (স্নাতকোত্তরের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া) দেহ ছিল। সেই পরিস্থিতিতে ‘ক্রাইম সিন’-এ এত লোকজন ছিলেন কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে কলকাতা পুলিশের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করা হয় যে ওই দুটি ছবিতে যাঁদের যাঁদের দেখা গিয়েছে, তাঁদের সকলেই পুলিশ বা ফরেন্সিক বিভাগের প্রতিনিধি। তাঁরা কেউ বহিরাগত নন। তবে দ্বিতীয় ছবিতে লাল জামা পরিহিত এক ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে ওই ব্যক্তি হলেন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ। যাঁর মাথায় মধ্যবর্তী অংশে টাক ছিল।

    আরও পড়ুন: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    অভীক দে-এর পরিচয়

    অভিযোগ উঠেছে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে সিন্ডিকেট আছে, সেটা চালায় ‘উত্তরবঙ্গ লবি’। আর অভীক সেই লবির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার দাবি, যেভাবে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন অভীক, তা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। সার্ভিস কোটায় যাতে ভর্তি হতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ভুয়ো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। অভীক সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘পুলিশি স্লোগানে’র নেপথ্যে কে জানেন, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘পুলিশি স্লোগানে’র নেপথ্যে কে জানেন, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) স্লোগান দিতে হল খোদ পুলিশকে! অবশ্য রাস্তায় নামেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনতার পাল্টা স্লোগান দিয়ে পুলিশ মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর গুডবুকে থাকতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের স্লোগান দেওয়ার নেপথ্যে কে রয়েছেন, হাটে হাঁড়ি ভেঙে সে কথা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুলিশের এহেন পোস্টের জন্য নির্দেশ রয়েছে আইপিএস সুপ্রতীম সরকারের।

    নজির ভেঙে স্লোগান পুলিশের (Suvendu Adhikari)

    ঘটনার সূত্রপাত নবান্ন অভিযানের দিন। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। সেই কর্মসূচি পালনের সময় জনতা স্লোগান দেয়, ‘পুলিশ তুমি চিন্তা করো, তোমার মেয়েও হচ্ছে বড়’। এর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই সমাজ মাধ্যমে বেনজিরভাবে স্লোগান দেয় পুলিশ। উর্দিধারীদের পদস্থ একাধিক কর্তা জনতার স্লোগানের ধাঁচে লেখেন, ‘পুলিশের মেয়ের চিন্তা ছাড়ো, সে লড়াই করেই হচ্ছে বড়।’ পুলিশের এই পাল্টা স্লোগানেরই উৎস সন্ধানে নেমে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর দাবি

    শুক্রবার তিনি দাবি করেন, এহেন পোস্টের নেপথ্যে রয়েছেন সুপ্রতীম। শুভেন্দু বলেন, “২০০৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিঙ্গুর বিডিও অফিস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে পেটাতে পেটাতে চ্যাংদোলা করে তুলে এনেছিলেন যিনি, সিপিএমের সেই ব্লু আইড বয় সুপ্রতীম সরকার এখন এই বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “কাল আমি ১৫-২০ জন আইসি, ওসির কাছ থেকে প্রথম খবর পাই, তাঁরা আমায় কনফিডেন্সিয়াল ফোন করে বলেন, স্যর ক্ষমা করে দেবেন, করতে বাধ্য হচ্ছি। সুপ্রতীম সরকারের নির্দেশ।”

    ‘জায়েন্ট কিলার’(বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পরে সবাই শুভেন্দুকে চেনেন এই নামেই।) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের ওপর নির্ভর করেই রয়েছেন। যে সব আইপিএস নিজের ভালো পোস্টিংয়ের ব্যবস্থা করেন, নিজের ছেলেমেয়েদের ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াচ্ছেন, আরামে থাকছেন, নিজেদের বিলাসবহুল লাইফ লিড করছেন, পুলিশের সেই শ্রেণির অফিসাররা নিচুতলার কর্মীদের বাধ্য করছেন এই ধরনের পোস্ট করতে।”

    আরও পড়ুন: ‘বিষ্ণু সহস্রনাম’ পাঠে চারপাশে তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তির বলয়, বদলে যায় জীবন

    প্রসঙ্গত (Suvendu Adhikari), সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হেডকোয়ার্টার মিরাজ খালিদ-সহ কয়েকজন পদস্থ কর্তার পাশাপাশি (RG Kar Incident) নিচুতলার অনেক পুলিশ কর্মীও (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল বাংলা, শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল

    RG Kar: আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল বাংলা, শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার আরজি কর (RG Kar) কাণ্ড নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। এই নিয়ে রাজভবনের সূত্রে জানানো হয় যে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বেশ কিছু বিষয় জানিয়েছেন রাজ্যপাল (West Bengal Governor)। আরজি কর কাণ্ডের আবহে সারা বাংলা যেভাবে উত্তাল হয়েছে, সেই পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ব্যাখা করেছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতেই দিল্লিতে পৌঁছে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এর আগে গত ২০ অগাস্ট দিল্লিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। তখনও আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের নৃশংস ধর্ষণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যে আন্দোলন, সে সম্পর্কে তিনি অবহিত করেন রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতিকে।

    তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা (RG Kar) ফাস্ট ট্র্যাক মোডে বিচার হবে

    এদিন রাজ্যভবনের তরফে জানানো হয়, রাজ্যপাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের (West Bengal Governor) তরফে জানা গিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ফাস্ট ট্র্যাক মোডে বিচার হবে। রাজ্যপাল আরও জানিয়েছেন, আরজি করের নিহত তরুণীর বাবা-মায়ের কাছ থেকে হৃদয় বিদারক চিঠি পাওয়ার পরেই তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে নির্যাতিতা তরুণীর বাবা-মায়ের বক্তব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানান। এছাড়া, বাংলার পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ মিছিল ও জনরোষ প্রসঙ্গেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির প্রতিনিধিরা আগেই রাজভবনে যান

    আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামের একটি সংগঠন মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন করেছিল বিজেপি। তারপরে বুধবার তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেলাগাম আক্রমণ করেছিলেন বিজেপিকে। তাঁর অনেক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। বুধবার ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে শাহকে (Amit Shah) চিঠি লিখেছিলেন সুকান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছিলেন। মমতার মন্তব্য ‘বদলার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে’, বলে অভিমত সুকান্তর। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পর বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করেছেন সুকান্ত। এরপরই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share