Tag: rg kar

rg kar

  • RG Kar: জুনিয়রদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে গণ ইস্তফা দিলেন আরজি করের সিনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar: জুনিয়রদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে গণ ইস্তফা দিলেন আরজি করের সিনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় ১০ দফা দাবিতে সাত জন জুনিয়র ডাক্তার অনশন করছেন। তাঁদের এই আন্দোলনের সমর্থনে মঙ্গলবার গণ ইস্তফা দিলেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তারেরা। সরকারের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলির উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে আশ্বাস দিলেও জুনিয়র ডাক্তারদের অন্যান্য দাবিদাওয়া নিয়ে কিছু বলেনি সরকার। রাজ্য যাতে বাকি দাবিগুলি নিয়েও কথা বলে, সেই কারণেই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর। এই পদক্ষেপের পর সিনিয়র ডাক্তাররা (Senior Doctor) যখন গণইস্তফা দিয়ে বেরলে, সেই সময় করতালি দিয়ে তাঁদের অভিবাদন জানালেন জুনিয়ররা।

     চিঠিতে কী বার্তা দিলেন সিনিয়র ডাক্তাররা? (RG Kar)

    রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে গণ ইস্তফা দিয়েছেন আরজি করের (RG Kar) সিনিয়র ডাক্তারেরা। রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে দেওয়া চিঠিতে তাঁদের দাবি, আন্দোলনকারীদের দাবিদাওয়ার ব্যাপারে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করুক। আরজি করের এক সিনিয়র চিকিৎসক বলেন, “আমরণ অনশন হল একেবারে শেষ অস্ত্র। বাধ্য হয়েই জুনিয়র চিকিৎসকেরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আড়াই দিন হয়ে গেল ওঁরা অনশন করছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও সদর্থক ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। আমরা চাই সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করুক। এখন আমরা গণ ইস্তফা দিলাম। এর পর আমরা ব্যক্তিগত ভাবে ইস্তফার পথেও হাঁটব।” গত শনিবার থেকে ধর্মতলায় অস্থায়ী মঞ্চ বেঁধে আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। তাঁদের দাবিদাওয়া যাতে দ্রুত মেনে নেয় সরকার, সেই দাবিতে গণ ইস্তফা দিলেন ৫০ জন সিনিয়র ডাক্তার। কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেই গত শনিবার অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। কিন্তু সিনিয়র ডাক্তারেরা এ বার গণ ইস্তফা দেওয়ায় পুজোর মধ্যে আরজি করের চিকিৎসা পরিষেবা অংশত বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    সিনিয়রদের গণ ইস্তফার আঁচ দিক দিকে

    সিনিয়রদের গণ ইস্তফার আঁচ দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। শুরু আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ৫০ জন সিনিয়র ডাক্তার গণ ইস্তফা দেন মঙ্গলবার দুপুরে। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যালেও গণ ইস্তফার হুঁশিয়ারি সিনিয়র ডাক্তারদের। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জুনিয়রদের দাবি পূরণ না হলে, তাঁরাও গণ ইস্তফা দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতা মেডিক্যালের সিনিয়রেরা। কলকাতা মেডিক্যালের সিনিয়র ডাক্তারেরা বলেন, “জুনিয়র ডাক্তারেরা বিচারের জন্য লড়াই করছেন। তাঁরা কর্মবিরতি থেকে ফিরে এসেছেন। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তাঁরা রোগীদের পরিষেবা দিচ্ছেন। কিন্তু অনশনরত জুনিয়র ডাক্তারদের স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা চিন্তিত এবং উদ্বিগ্ন।” জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিদাওয়ার সঙ্গে তাঁরা সম্পূর্ণ সহমত, সে কথাও জানিয়েছেন সিনিয়র ডাক্তারেরা। জুনিয়র ডাক্তারদের স্বাস্থ্যের অবনতির বিষয়টি সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করারও অনুরোধ করেন তাঁরা। বুধবারের মধ্যে সরকার জুনিয়র ডাক্তারদের আলোচনার জন্য না ডাকলে গণ ইস্তফারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতা মেডিক্যালের জুনিয়র ডাক্তারেরা।

    জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল

    মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন আরজি করের (RG Kar) জুনিয়র ডাক্তারেরা। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা। এ ছাড়াও আরজি করের জুনিয়র ডাক্তারেরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে কলেজ স্কোয়্যার থেকে ধর্মতলার অনশনমঞ্চ পর্যন্ত মিছিল হওয়ার কথা। জুনিয়র ডাক্তারদের ওই সাংবাদিক বৈঠকের পরেই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত সিনিয়র ডাক্তারদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনশনে দুই জুনিয়র ডাক্তার, ধর্মতলায় পুলিশি বাধা অব্যাহত

    Junior Doctor: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে অনশনে দুই জুনিয়র ডাক্তার, ধর্মতলায় পুলিশি বাধা অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের প্রতিবাদ ও চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার দাবিতে ধর্মতলায় আমরণ অনশনে বসেছেন সাতজন জুনিয়র ডাক্তার (Junior Doctor)। তাঁদের সমর্থন জানিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদও করছেন সিনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। এবার সেই রকমই ১০ দফা দাবি জানিয়ে আমরণ অনশন শুরু করলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের দুই জুনিয়র চিকিৎসক সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অলোককুমার ভার্মা।

    অনশন নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারী? (Junior Doctor)

    রবিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ১৭ জন জুনিয়র চিকিৎসক (Junior Doctor) ২৪ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেন। এরপর সোমবার সকাল থেকেই রোগী পরিষেবার কথা মাথায় রেখে কাজে যোগ দেন ৫৮ জন জুনিয়র ডাক্তার। আউটডোর, ইনডোর, সব বিভাগেই পরিষেবা স্বাভাবিক রাখেন তাঁরা। অন্যদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আমরণ অনশনে বসেন ২ জুনিয়র চিকিৎসক। যতদিন না ১০ দফা দাবি পূরণ হচ্ছে ততদিন এই অনশন চলবে বলে জানান তাঁরা। উত্তরবঙ্গ ডেন্টাল কলেজের ইন্টার্ন সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের দশ দফা দাবি মানতে হবে। যতদিন না সেই দাবি মানা হবে ততদিন আমরণ অনশন চলবে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে সেটা এখনও স্থির নয়। তবে জুনির ডাক্তাররা যে সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেটাই সমর্থন করব।”

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    চৌকি কাঁধে করে নিয়ে যান জুনিয়র ডাক্তাররা

    ধর্মতলায় অনশনের তৃতীয় দিনে অশান্তি শুরু হয়। বৌবাজার থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, অনশনমঞ্চে বসবার জন্য যে চৌকি আনা হয়েছিল, সেগুলো ‘বাজেয়াপ্ত’ করেছে পুলিশ। রাস্তাতেই ওই নিয়ে একপ্রস্ত বাদানুবাদ হয় পুলিশ এবং জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor)। তার পর সোমবার সন্ধ্যায় উত্তেজনা ছড়াল বৌবাজার থানার সামনে। জুনিয়র ডাক্তারদের স্লোগানে স্লোগানে ভরে ওঠে থানা চত্বর। পরে থানার মূল গেটের সামনে বসে পড়েন তাঁরা। প্রায় তিন ঘণ্টা বৌবাজার থানায় বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির পরে ‘বাজেয়াপ্ত’ করা চৌকি ‘ছাড়িয়ে’ আনলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। ছেড়ে দেওয়া হয় সাইকেল ভ্যানগুলিও। সেগুলোয় কয়েকটি চাপানো হয়। কয়েকটি চৌকি নিজেরাই কাঁধে তুলে নেন ডাক্তারেরা। তার পর হাঁটা দেন অনশনমঞ্চের দিকে। সঙ্গে পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সোমবারই সাংবাদিক বৈঠক করে অনশনরত জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। অন্যদিকে, আন্দোলনের সমর্থনে জুনিয়র ডাক্তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টর্স। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ইউটিউবে লাইভ স্ট্রিমিং হবে অনশনের।

    পুলিশের জুলুমবাজি!

    আন্দোলনরত এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “পুলিশ এই আন্দোলনে নানা ভাবে বাধা দিচ্ছে। বায়ো টয়লেট বসানো থেকে ডেকোরেটরদের গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া, সবেতেই গায়ের জোর দেখাচ্ছে পুলিশ। সকালে নিজেরাই বায়ো টয়লেট তৈরি করেছি। কিন্তু, এবার চৌকি আনতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর থেকে খারাপ জিনিস বোধ হয় কোনও দেশের বা অন্য কোনও রাজ্যের সরকার কোনও দিন করেনি! এরা সেই রাস্তাটাও এবার দেখিয়ে দিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    CBI: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar) শিয়ালদা কোর্টে প্রথম চার্জশিট পেশ করে সিবিআই (CBI)। চার্জশিটে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ই তরুণী চিকিৎসককে মত্ত অবস্থায় ধর্ষণ ও খুন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে সঞ্জয় রায়ের। অভিযুক্ত সিভিকের ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

    সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! (CBI)

    সিবিআই (CBI) এফআইআর করেছিল ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ) এবং ১০৩ (১) খুনের ধারায়। তবে চার্জশিট দিল ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণ করতে গিয়ে কাউকে হত্যা বা তাকে মৃতপ্রায় (vegetative state) করলে, সেই ধারায়। সেই সঙ্গে দেওয়া হল ১০৩ (১) খুনের ধারা। চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সেমিনার রুমে পৌঁছে নির্যাতিতাকে দেখে। তারপরেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাধা পেয়ে আঘাত করে যার ফলে নির্যাতিতা মৃতপ্রায়, সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। সেই অবস্থায় ধর্ষণ করা হয়। অর্থাৎ সিবিআই গণধর্ষনের কোনও ধারা যুক্ত করল না এক্ষেত্রে। ঘটনাস্থলে আর কারও উপস্থিত থাকা এবং খুন-ধর্ষণ কাণ্ডে সিভিক ছাড়া আর কারও যোগ খারিজ এই চার্জশিট অনুযায়ী। অভিযুক্তের বিকৃত যৌন প্রবৃত্তি এবং মানসিক বিকৃতি আছে, সেটাও উল্লেখ সিবিআই চার্জশিটে। মোট ১২৮ জনের বয়ান রেকর্ড করার কথা উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। 

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    ধারা অনুযায়ী কী সাজা হতে পারে ধৃত সিভিকের?

    সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতা ৬৪ নম্বর ধারা অর্থাৎ ধর্ষণ। ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতার ৬৬ নম্বর ধারা অর্থাৎ ধর্ষণের জেরে খুন। এই ধারা প্রমাণিত হলে কুড়ি বছরের কারাবাস বা জেলে স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতার ১০৩ (১) ধারা অর্থাৎ খুন। এই ধারা প্রমাণিত হলে আমৃত্যু কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআই-এর হাতে। মামলার দায়ভার নেওয়ার ৫৫ দিনের মাথায় এবার শিয়ালদা কোর্টে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। চার্জশিটটি ২১৩ পাতার। সেখানে ২০০জন সাক্ষীর কথা উল্লেখ করেছে সিবিআই। সেই সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মূল অভিযুক্ত হিসেবে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের কথা উঠে আসছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সিভিক সঞ্জয়ই খুন-ধর্ষণ করেছে, ৫৫ দিনের মাথায় কোর্টে চার্জশিট দিল সিবিআই

    CBI: সিভিক সঞ্জয়ই খুন-ধর্ষণ করেছে, ৫৫ দিনের মাথায় কোর্টে চার্জশিট দিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তভার হাতে পাওয়ার ৫৫ দিনের মাথায় প্রথম চার্জশিট দিল সিবিআই (CBI)। চার্জশিটে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ই তরুণী চিকিৎসককে মত্ত অবস্থায় ধর্ষণ ও খুন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে সঞ্জয় রায়ের। পুজোর মুখে কোর্টে সিবিআইয়ের চার্জশিট দেওয়া নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    সন্দীপ-টালা থানার প্রাক্তন ওসি প্রমাণ লোপাটে অভিযুক্ত! (CBI)

    সূত্রের খবর, চার্জশিটের মূল অংশটি প্রায় ২১৩ পাতার। ২০০ জন সাক্ষীর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। সেই সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মূল অভিযুক্ত হিসেবে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের কথা উঠে আসছে। সিবিআইয়ের (CBI) দাবি, সেই মূলত খুন ও ধর্ষণের সঙ্গে যুক্ত। তথ্য প্রমাণ লোপাটে যড়যন্ত্র করার অভিযোগ ওঠে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এই দু’জনকেও পরবর্তীতে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁর সঙ্গে এই দুই অভিযুক্তের কথাও চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তাতে লেখা হয় এই দুই ব্যক্তিও এ ঘটনাকে লঘু করার চেষ্টা করেছেন, তথ্য-প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছেন। প্রসঙ্গত, গত ৯ অগাস্ট আরজি করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খুন-ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে চেস্ট মেডিসিনের এক চিকিৎসক ছাত্রীর। যা নিয়ে এখনও আন্দোলনে জুনিয়র ডাক্তাররা। শুরুতেই এ মামলার তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছিল সঞ্জয় রায় নামে এই সিভিক ভলান্টিয়ারকে। যদিও শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল কলকাতা পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এবার তদন্তভার হাতে নেওয়ার ৫৫ দিনের মাথায় শিয়ালদা কোর্টে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই।

    আরও পড়ুন: জয়নগরে জুনিয়র-সিনিয়র জাক্তার থেকে আইনজীবীর প্রতিনিধিরা, সিবিআই চাইছে পরিবার

    কবে দায়িত্ব নিয়েছিল সিবিআই?

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর মেডিক্যালে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের মামলার তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। গত ৯ অগাস্ট সকালে আরজি কর মেডিক্যালের এমারজেন্সি বিল্ডিংয়ের চেস্ট মেডিসিন বিভাগে উদ্ধার হয় স্নাতকোত্তর পড়ুয়া ৩১ বছর বয়সী তরুণী চিকিৎসকের দেহ। এর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা হয়। ১৩ অগাস্ট ঘটনার ৫ দিন পর সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তদন্তভার হাতে নিয়ে সিভিক সঞ্জয় রায়কে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে সিবিআই। এবার চার্জশিট পেশ করা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    RG Kar: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় শনিবার রাত থেকেই আমরণ অনশন শুরু করেন ছয় জুনিয়র ডাক্তার। রবিবার রাতে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন আরও এক জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাত। তিনি আরজি করের (RG Kar) জুনিয়র ডাক্তার। প্রথম থেকেই জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের অন্যতম মুখ তিনি।

    আমরণ অনশনে কারা?

    শনিবার ধর্মতলায় (Dharmatala) আমরণ অনশনে (RG Kar) বসেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, স্নিগ্ধা হাজরা, তনয়া পাঁজা, এসএসকেএমের অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কেপিসি মেডিক্যাল কলেজের সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা এবং এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের পুলস্ত্য আচার্য। সেই সময়ই দেখা যায় আরজি করের কেউ নেই। তখনই উঠতে শুরু করে প্রশ্ন! আরজি কর কাণ্ডের প্রেক্ষিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেখানে কেন সেই হাসপাতালের কেউ উপস্থিত (RG Kar) নেই? ঠিক এরই মধ্যে রবিবার অনশন মঞ্চে হাজির হলেন অনিকেত মাহাত।

    কী বলছেন অনিকেত মাহাত?

    জুনিয়র ডাক্তাররা অবশ্য বারবারই বলছেন, ‘‘কারা অনশনে (Dharmatala) বসবেন, আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সর্বসম্মত ভাবেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্যান জিবিতে সকলে মিলে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সকলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’’ অনিকেত মাহাত বলেন, ‘‘সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালের আন্দোলনের অন্যতম বিষয় থ্রেট কালচার। আর তার বিরুদ্ধে লড়াই। আমরা আন্দোলনের মধ্যেই আছি।’’

    কী বললেন ডাক্তার দেবাশিস হালদার?

    রবিবার অনশন মঞ্চ থেকে জুনিয়র ডাক্তার দেবাশিস হালদার বলেন, ‘‘এই অনশনে আরজি কর সামিল নেই কেন, এই প্রশ্ন উঠেছে। কলেজ ভিত্তিক লড়াইয়ে আরজি কর ব্যস্ত ছিল। থ্রেট কালচারের মাথাদের শাস্তি দেওয়ার লড়াইয়ে বিগত কয়েকদিন আরজি করের জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যস্ত ছিলেন। সেই লড়াইয়ে আমরা আংশিক জয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। শনিবার আমরণ অনশন শুরুর সময় সেই কারণে আরজি করের জুনিয়র ডাক্তাররা অনশনে যোগ দেওয়ার জায়গায় ছিলেন না।’’ দেবাশিস হালদার আরও বলেন, ‘‘কেউ কেউ বলছেন, এটা রিলে অনশন। তা নয়, আমাদের সহযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে অনশন শুরু করেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jaynagar: “নারী সুরক্ষা কোথায়”? জয়নগরকাণ্ডে সরব আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা

    Jaynagar: “নারী সুরক্ষা কোথায়”? জয়নগরকাণ্ডে সরব আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। এই আবহের মধ্যে জয়নগরের (Jaynagar) কুলতলিতে চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। রাজ্যে মেয়েদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। এবার জয়নগরের ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা।

    নারী সুরক্ষা কোথায়? প্রশ্ন আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা’র (Jaynagar)

    শনিবার ভোররাতে জয়নগরের (Jaynagar) মহিষমারি এলাকায় একটি জলাভূমি থেকে উদ্ধার করা হয় এক ৯ বছরের বালিকার দেহ। শুক্রবার দুপুরে টিউশন পড়তে যাওয়ার পর থেকে তার খোঁজ মেলেনি। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে তারা প্রথমে অভিযোগ নেয়নি। পরে, অভিযোগ নিলেও কোনও গুরুত্ব দেয়নি। পরিবারের অভিযোগ, মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সক্রিয় হলে মেয়েকে বাঁচানো যেত। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ১৯ বছরের এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, বালিকাকে খুনের কথা স্বীকার করেছে ওই যুবক। তবে ধর্ষণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শনিবার সকাল থেকেই এই ঘটনায় তপ্ত জয়নগর। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। পুলিশকে ঝাঁটাপেটা করা হয়। ফাঁড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন আরজি করে (RG Kar) নির্যাতিতা চিকিৎক তরুণীর বাবা ও মা। তাঁরা বলেন, “নারী সুরক্ষা বিঘ্নিত হয়েছে রাজ্যে।” জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন-ধর্না-অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, জয়নগরের অভিযুক্তকে শনিবার দুপুরে বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। তবে তার হয়ে কোনও আইনজীবী সওয়াল করেননি। পুলিশ অভিযুক্তকে ৭ দিনের হেফাজতে চায়। তা মঞ্জুর করে আদালত।

    আরও পড়ুন: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    নতুন করে উত্তেজনা

    শনিবার সন্ধ্যায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কুলতলি (Jaynagar)। পুলিশের বিরুদ্ধে গুচ্ছ-গুচ্ছ অভিযোগ তুলে সরব হন গ্রামবাসী। সন্ধে নামতেই বিচার চেয়ে পথে নামেন গ্রামবাসীরা। স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে যেতে থাকেন তাঁরা। মূলত, পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, পুলিশ সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে এই ঘটনা ঘটত না। সকালে মহিষমারি হাটে অবস্থিত পুলিশ আউটপোস্ট ভাঙচুর করা হয়। এরপর সন্ধে হতেই গ্রাম থেকে লোক ঢুকতে শুরু করেন মহিষমারি হাটে। জমায়েত শুরু করেন। বিচার চান, দোষীদের শাস্তি চান। পুরুষ থেকে শুরু করে মহিলারা দলে-দলে জমায়েত করতে শুরু করেন। এদিকে গ্রামবাসীকে শান্ত করতে ময়দানে নামে পুলিশও। এক পুলিশ আধিকারিক কথা বলেন গ্রামবাসীর সঙ্গে।

    পুলিশ প্রশাসন কী সাফাই দিলেন?

    পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি  বলেন, “পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা, গাফিলতি নিয়ে অপপ্রচার হচ্ছে। আমাদের কাছে সব তথ্য অন রেকর্ড আছে। পরিবারের (Jaynagar) সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ ছিল আমাদের। পাঁচ ঘণ্টায় দেহ সনাক্ত করে উদ্ধার করা হয়েছে। তারপর গ্রেফতার হয়। ইতিমধ্যে খুনের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। আমরা দ্রুত তদন্ত শেষ করব। আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়ির কাঁটা রাত সাড়ে আটটা ছুঁতেই শুরু হয়ে গেল জুনিয়র (Doctor’s Protest) ডাক্তারদের অনশন (Hunger Strike)। শুক্রবারই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, দাবি পূরণ না হলে শনিবার রাত্রি সাড়ে ৮টা থেকে অনশনে বসবেন তাঁরা। সেই মতো এদিন রাত সাড়ে আটটায় সাংবাদিক বৈঠক করে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিলেন, অনশনে বসছেন ৬ জন জুনিয়র ডাক্তার।

    কী বললেন অনশনকারীরা (Doctor’s Protest)

    তাঁরা বলেন, “এই মুহূর্ত থেকে আমরণ অনশনে বসতে চলেছি। তবে কাজে ফিরছি। অবশ্য খাবার খাব না।” এদিন প্রথম দফায় যে ছ’জন অনশনে বসেছেন, তাঁরা হলেন অর্ণব মুখোপাধ্যায়, এসএসকেএম, নেফরো বিভাগ, পিডিটি, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজি, প্রথম বর্ষ, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, প্যাথলজি, পিজিটি, কেপিসি কলেজ, পুলস্ত্য আচার্য, প্রথম বর্ষ, অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ, এনআরএস, তনয়া পাঁজা, এসআর, ইএনটি, এমসিকে এবং স্নিগ্ধ হাজরা, রেডিও থেরাপি এসআর, এমসিকে। যাঁরা অনশনে শামিল হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কোনও জুনিয়র ডাক্তার নেই বলেই জানান আন্দোলনকারীরা।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা

    তাঁরা বলেন, “দাবি পূরণ না হলে বা মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁরা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী। তবে তাঁদের কিছু হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। আজ যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কেউ নেই।” অনশনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। মঞ্চে কী হচ্ছে, তা সবাই দেখতে পাবেন বলেই এই ব্যবস্থা। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা তো বারবার (Doctor’s Protest) রাজ্য সরকারের কাছে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছি। অনশনের প্রশ্নেও স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলব। অনশন মঞ্চে সিসিটিভি বসাবো। সবাই দেখতে পাবেন অনশন মঞ্চ কী হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    তাঁরা বলেন, “আমাদের আশা এরপর যখন আমরা খাবার মুখে তুলব, তখন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষ ভয়ের রাজনীতি নিয়ে সোচ্চার হবেন। জনস্বাস্থ্যের প্রশ্নে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ মৌলিক প্রশ্ন করবেন। হাসপাতালে যখন কোনও রোগী বেড পান না, তার জন্য আসলে দায়ী কারা? আমরা আশা (Hunger Strike) রাখব, এই প্রশ্নগুলি মানুষ পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে দেবেন (Doctor’s Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: মেয়ের যন্ত্রণায় মুখ ঢেকেছেন মা! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ কাঁকুড়গাছির মণ্ডপে

    RG Kar: মেয়ের যন্ত্রণায় মুখ ঢেকেছেন মা! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ কাঁকুড়গাছির মণ্ডপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদের ছোঁয়া দেখা গেল দুর্গা প্রতিমা নির্মাণেও। মেয়ের যন্ত্রণা দেখে মুখ ঢাকছেন মা! এই থিমেই দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেছে কাঁকুড়গাছির একটি পুজো। 

    থিমের নাম ‘লজ্জা’

    কাঁকুড়গাছি শ্রী শ্রী সরস্বতী ও কালীমাতা মন্দির পরিষদের এবারের পুজোয় এমনই অভিনব প্রতিবাদ ধরা পড়েছে। কাঁকুড়গাছির এই পুজোয় মাতৃমূর্তিও তৈরি করা হয়েছে একেবারে বিবর্ণ প্রকৃতির। হাতে কোনও অস্ত্র রাখা হয়নি। পায়ের কাছে অসুর হত অবস্থায় রয়েছে। লজ্জায় (RG Kar) মাথা নুইয়ে রয়েছে মায়ের প্রিয় বাহন সিংহ। মাতৃমূর্তির পাদদেশে রয়েছে নির্যাতিতার শরীরের প্রতিকৃতি। থিমের নাম রাখা হয়েছে ‘লজ্জা’। থিমের অঙ্গ হিসেবে মণ্ডপে রাখা হয়েছে একটি অ্যাপ্রন ও স্টেথোস্কোপ। আরজি করের ঘটনার প্রতিচ্ছবি মণ্ডপেও ফুটে উঠেছে এভাবেই। অন্যদিকে, মমতা সরকারকে কটাক্ষ করে মণ্ডপের গায়ে একটি ভাঁড়ার তৈরি করা হয়েছে। তার গায়ে পাঁচশো ও হাজার টাকার নোটের ছবি দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হিসেবে উদ্যোক্তা বিশ্বজিৎ সরকার জানাচ্ছেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রতীক এটি। মানুষকে এভাবেই জনমোহিনী প্রকল্পের সুবিধা দিয়ে ভোলানোর চেষ্টা করছে সরকার। এর তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে যাবতীয় অপরাধ।

    বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এই পুজো 

    জানা গিয়েছে, এই পুজো ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। তিনি ২০২১ সালে খুন হন শাসকদলের দুষ্কৃতীদের হাতে, এমনটাই অভিযোগ। তারপর থেকে নিহত অভিজিৎ-এর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার এই পুজোর দায়িত্ব নেন। বিশ্বজিৎ সরকার সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘‘কামদুনি, হাঁসখালি, আরজিকর (RG Kar), ভোটপরবর্তী হিংসা — সব কিছুকে মাথায় রেখেই এই বিশেষ থিম। রাজ্যে মহিলারা কীভাবে সন্ত্রাসের শিকার হয়, সেই বাস্তবই মনে করিয়ে দিতে চায় এই থিম। মেয়েদের কষ্টে, যন্ত্রণায় মা কষ্ট পাচ্ছেন। লজ্জায়, কষ্টে ও দুঃখে মুখ ঢাকছেন নিজের। সেটি বোঝাতেই প্রতিমার আদল গড়া হয়েছে এমনভাবে। মহিলাদের ওপর সমস্ত অত্যাচারের প্রতীকরূপেই এই থিম (Durga Puja 2024) বেছে নেওয়া হয়েছে।’’

    বিগত বছরগুলিতে কাঁকুড়গাছি দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) থিম-

    ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদকে পুজোর থিম করা হয়েছিল।

    ২০২২ সালে ‘মায়েদের কান্না রক্তাক্ত বাংলা’ নামের থিম হয় ৷

    ২০২৩ সালে ভারতমাতা মোদির হাতে দেশের ম্যাপ তুলে দিচ্ছেন, এই থিম দেখা গিয়েছিল।

    ২০২৪ সালে আরজি করের নৃশংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে থিম করলেন উদ্যোক্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: পুলিশের হুমকিতে বেপাত্তা ডেকোরেটর! বৃষ্টি মাথায় ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    Junior Doctor: পুলিশের হুমকিতে বেপাত্তা ডেকোরেটর! বৃষ্টি মাথায় ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধলেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে হাতে স্টেথো ধরেন অথবা অস্ত্রোপচার করেন, সেই হাতেই শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে মঞ্চ বাঁধলেন চিকিৎসকরা। বৃষ্টি মাথায় দিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) নিজেরাই বাঁধলেন নিজেদের ধর্না মঞ্চ। এমনিতেই কর্মবিরতি তুলে নিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফিরেছেন কাজে। তবে, আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতার ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের মঞ্চ ছেড়ে নড়তে নারাজ তা বুঝিয়ে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ডেকোরটরদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ (Junior Doctor)

    কয়েকদিন আগে যখন স্বাস্থ্য ভবনের সামনে চিকিৎসকদের (Junior Doctor) অবস্থান চলছিল, তখন অভিযোগ ওঠে, ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। না বলে-কয়েই ত্রিপল, ফ্যান খুলে নিয়ে গিয়েছিলেন কেউ কেউ। আর শুক্রবার রাতে ধর্মতলায় মঞ্চ বাঁধতেই ডেকোরেটরদের বাধা দেওয়া হল বলে অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। হুমকিও দেওয়া হয়। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মধ্যরাতে বাঁধা হল সেই মঞ্চ। ধর্নাস্থলে মঞ্চ বাঁধতে গিয়ে পুলিশি ‘বাধা’র সম্মুখীন হতে হল জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁদের অভিযোগ, ধর্নাস্থলে মঞ্চ বাঁধতে দিচ্ছে না পুলিশ। ভীত এবং সন্ত্রস্ত ডেকোরেটরের কর্মীরা কাজ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে পুলিশ মৌখিক অনুমতি দিলেও এখন মঞ্চ বাঁধতে দিচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: জয়নগরে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন

    দাবি না মানলে আমরণ অনশন!

    রাত বাড়ার পর নিজেরাই মঞ্চ বাঁধার কাজে হাত লাগান চিকিৎসকেরা। কেউ ত্রিপল ধরে রইলেন, কেউ বাঁশের উপর উঠে দড়ি বাঁধলেন। রাতেই তৈরি হল মঞ্চ। ধর্নামঞ্চে একটি বড় ঘড়ি নিয়ে আসেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। সেই ঘড়িকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Junior Doctor)। শনিবার সকালে দেখা গেল, নিজেদের তৈরি সেই মঞ্চেই বসে আছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। ন্যায়বিচারের দাবিতে যে তাঁরা কতটা অনড়, সেই মনোভাবই কার্যত এদিন বুঝিয়ে দিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই ঘটনার মোটিভকে সামনে আনতে হবে। শনিবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না। প্রয়োজনে আমরণ অনশন শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ঘটনার দিন বার বার কাকে ফোন? সিবিআই-এর হাতে সন্দীপ ঘোষের কল লিস্ট

    RG Kar Incident: ঘটনার দিন বার বার কাকে ফোন? সিবিআই-এর হাতে সন্দীপ ঘোষের কল লিস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন একাধিকজনকে বার বার ফোন করেছিলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তদন্তে এমনই দাবি করেছে সিবিআই। বার বার ফোনে বার্তালাপ করেন টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলও, দাবি সিবিআই-এর। সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) কল লিস্ট হাতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই রিপোর্ট থেকেই এই বিষয়টি জানা গিয়েছে বলে খবর। 

    কল ডিটেইলস থেকে কী জানার চেষ্টা?

    শুরু থেকেই এই ঘটনায় বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে আরজি কর (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ তথা তদানীন্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা। প্রশ্ন উঠেছে কলকাতা পুলিশের তদন্ত নিয়েও। পরবর্তীতে গ্রেফতারও হয়েছেন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। প্রথমে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেও পরে সন্দীপ ঘোষকেও খুন-ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, ঘটনার দিন খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৯ তারিখ সকাল থেকেই একাধিক ফোন করেছিলেন সন্দীপ ও অভিজিৎ। কাদের কাদের ফোন করা হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতেই এবার এগোবে তদন্তের গতিপ্রকৃতি। এছাড়া ঘটনার দিন হাসপাতালে বেশ কিছু বহিরাগতের প্রবেশ ঘটেছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে কাউকে সন্দীপ বা অভিজিৎ ফোন করেছিলেন কিনা, তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে

    সন্দীপ-আশিস যোগ

    তদন্তে বিভ্রান্তি তৈরি এবং দুর্নীতির অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে আশিস পাণ্ডেকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। ধৃতকে আদালতে তোলা হলে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক তা মঞ্জুর করেছেন। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, আরজি করের থ্রেট কালচার ও দুর্নীতির মূলে যারা ছিল, আশিস তাদেরই অন্যতম। কাকে রাখা হবে, কাকে বদলি করা হবে, সেই দায়িত্বও নাকি সন্দীপের হয়ে দেখতেন প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতা। বৃহস্পতিবার আশিসকে গ্রেফতারের সময় তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share