Tag: riots

riots

  • V Muraleedharan: “সিএএ-র প্রাসঙ্গিকতা মনে করাল বাংলাদেশের ঘটনা”, বললেন মুরলীধরণ

    V Muraleedharan: “সিএএ-র প্রাসঙ্গিকতা মনে করাল বাংলাদেশের ঘটনা”, বললেন মুরলীধরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ-র (CAA) তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিকতা মনে করিয়ে দিল বাংলাদেশের হিংসার ঘটনা।” কথাগুলি বললেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ভি মুরলীধরণ (V Muraleedharan)। সম্প্রতি বাংলাদেশে ব্যাপক হিংসার সাক্ষী তামাম বিশ্ব। সেখানে নির্বিচারে চালানো হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই সিএএ-র প্রসঙ্গ তোলেন বিজেপি নেতা মুরলীধরণ। ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে প্রতিবেশী মুসলিম দেশ থেকে আসা সংখ্যালঘুদের আশ্রয় ও নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য সিএএ এনেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    সিএএ (V Muraleedharan)

    ২০১৯ সালে সিএএ বিল সংসদে পাশ হলেও, লাগু হয়নি। সেই সময় বিলের ব্যাপক বিরোধিতা করেছিল কংগ্রেস এবং সিপিএম। এদিন তিরুবনন্তপুরমে ‘বাংলাদেশ বার্নিং’ শীর্ষক একটি সেমিনারে যোগ দেন মুরলীধরণ। সেখানেই আরও একবার সিএএ-র সপক্ষে সওয়াল করেন এই বিজেপি নেতা। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল বিজেপির বুদ্ধিজীবী সেল। মুরলীধরণের মতে, ভারতেও বাংলাদেশের মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে যেসব মন্তব্য করা হচ্ছে, সেই সব মন্তব্যে ভারতের শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। এই পদ্ম নেতা বলেন, “ভারত সব সময় একটা নীতি নিয়ে চলে। তার একটা লক্ষ্যও রয়েছে। রয়েছে স্থায়ী প্রশাসন, সরকার। ভারত কল্যাণকামী দেশ। সব সময় দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করে।” তিনি বলেন, “ভারত কখনও কোনও দেশের অনৈক্যকে প্রশ্রয় দেয় না। কোনও দেশের শান্তি আমরা কখনওই বিঘ্নিত করিনি।”

    আরও পড়ুন: “বাংলা অনাচার ও নৈরাজ্যের ঘাঁটি”, আরজি করকাণ্ডে মমতার মুন্ডুপাত বিজেপির

    রাহুল, পিনরাইকে নিশানা

    তিনি বলেন, “দেশে যদি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন, তাহলে রাহুল গান্ধী এবং পিনরাই বিজয়ন মৌনীবাবা হয়ে পড়বেন।” মুরলীধরণের (V Muraleedharan) প্রশ্ন, “সিপিএম এবং কংগ্রেস বিশ্বাস করে হিন্দুদের কোথাও কোনও সংখ্যালঘুর অধিকার নেই।” প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ভারত সব সময় চায় প্রতিবেশী দেশেও স্থায়ী গণতান্ত্রিক সরকার থাকুক। কিন্তু জামাত-ই-ইসলামি, যারা বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী হিংসা চালিয়েছিল, তাদের না আছে বাংলার প্রতি কোনও সেন্টিমেন্ট, না আছে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা। তাদের কেবল রয়েছে ধর্মীয় আবেগ। হিন্দুদের ওপর যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, তাকে যারা উপেক্ষা করে, জনগণ তাদের হিপোক্রেসি ধরে ফেলবে।”

    তিনি বলেন, “দালাই লামা, শেখ হাসিনা এ দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। সনাতন ধর্মের পাঠ অনুসরণ করে আমরা তাঁদের আশ্রয় দিয়েছি।” মুরলীধরণ বলেন, “কোনও ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ নষ্ট করতে পারেনি (CAA) আমাদের বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যকে (V Muraleedharan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • France Election 2024: ফ্রান্সের কুর্সি দখলে এগিয়ে বামপন্থীরা, অশান্তির আগুন স্যেন নদীর পাড়ে

    France Election 2024: ফ্রান্সের কুর্সি দখলে এগিয়ে বামপন্থীরা, অশান্তির আগুন স্যেন নদীর পাড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই অশান্ত ফ্রান্স (France Election 2024)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয় ৭ জুলাই, রবিবার। সেই নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ের পথে বামপন্থীরা। কার্যত তার পরেই অশান্ত (Riots) হয়ে ওঠে দেশ। রাজধানী প্যারিস-সহ দেশের একাধিক শহরে ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। বিক্ষোভ সামাল দিতে নামানো হয় বাহিনী। জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন পুলিশ কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রখান করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ।

    জয়ী বামেরা (France Election 2024)

    ফ্রান্সে প্রথম দফার নির্বাচনে এগিয়ে ছিলেন দক্ষিণপন্থীরা। ভোট বিশেষজ্ঞরাও মনে করেছিলেন, এবার ফ্রান্সের রশি থাকবে ডানপন্থীদের হাতে। যদিও রবিবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ফল বের হলে দেখা যায়, বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বামেরা। ফ্রান্সের পার্লামেন্টে আসন রয়েছে ৫৭৭টি। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৮৯টি আসন। ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, জয়ী হয়েছে বামপন্থী জোট এনএফপি। তবে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়নি তারা। এনএফপির পরেই রয়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর মধ্যপন্থী জোট এনএস। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে উগ্র দক্ষিণপন্থী দল আরএন।

    অশান্তির আগুন ফ্রান্সে

    কোনও একটি দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ফ্রান্সে হতে চলেছে হ্যাং পার্লামেন্ট বা ত্রিশঙ্কু। ফ্রান্সের (France Election 2024) এই তিন দল অতীতে এক সঙ্গে সরকার চালিয়েছে, এমন নজির নেই। তাই ঠিক কী হবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলতে পারছেন না ফ্রান্সের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও। তবে যেহেতু বামপন্থারী সব চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে, তাই তাদের নেতৃত্বেই গঠিত হতে পারে সরকার। এই আশঙ্কা থেকেই দেশটিতে জ্বলছে অশান্তির আগুন।

    আর পড়ুন: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    ভারতের মতো ফ্রান্সেও আরএনকে ঠেকাতে জোট গড়ে সোশ্যালিস্ট, পরিবেশবাদী, কমিউনিস্ট এবং কট্টর বামপন্থী দল এলএফআই। জোটের নাম হয় ‘এনএফপি’। নির্বাচনের আগে এই দলগুলো সব সময় একে অন্যের সমালোচনায় মুখর থাকত। দক্ষিণপন্থীদের সরকারে আসা রুখতেই জোট বাঁধে তারা। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় এগিয়ে এই জোটই।

    প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রঁর মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালে। যে বামপন্থী জোট ক্ষমতায় আসতে চলেছে, তাদের (Riots) নীতির সঙ্গে মাক্রঁর দলের নীতির ফারাক বিস্তর। তাই বামপন্থীদের মধ্যে থেকে কেউ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ চলতেই থাকবে, তা বলাই বাহুল্য (France Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তৌকির রাজা। উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত দায়রা আদালত (UP Court) তাঁকে তলব করল ১১ মার্চ। ওই হিংসায় অভিযুক্ত ছিলেন রাজা। ২০১০ সালের ওই হিংসায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বরেলি শহরের।

    হিংসার আগুন বরেলিতে (UP Court)

    ২০১০ সালের ২ মার্চ হিংসার আগুন জ্বলে বরেলিতে। ছাবাইয়ে ফারাওয়াফতের শোভাযাত্রার রুটকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। বির্তক হয়েছিল হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে। তার জেরে শুরু হয় হিংসা। দাবানলের মতো যা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পাথর ছোড়া, ভাঙচুর মায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছিল আকছার। মিছিলের আয়োজক ছিলেন (UP Court) সুন্নি মুসলমানেরা। বরেলি সেক্টরের মিলাদ-উন-নবি সংস্কৃতি বহন করেন এই সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। প্রথমে যে রুটে যাওয়ার কথা ছিল শোভাযাত্রার, পরে তা বদলে দেওয়া হয়। তার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। পরে হিংসা শুরু হলে অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুত নামানো হয় বাহিনী। অবশ্য তার আগেই জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল বহু বাড়ি, দোকানপাট।

    গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজাকেও

    পরে পরিস্থিতির খানিক উন্নতি হলে শুরু হয় ধরপাকড়। গ্রেফতার করা হয় মৌলানা তৌকির রাজাকেও। অভিযোগ, জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়ে হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছিলেন তিনি। রাজা গ্রেফতার হতেই শুরু হয় প্রতিবাদ আন্দোলন। পাল্টা হিংসাও শুরু হয়। ফের নামানো হয় বাহিনী। তার পরেই স্বাভাবিক হয় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। প্রবীণ পুলিশ সুপার এমকে ভাসারকে বদলি করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওায়া হয় পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব সাভারওয়ালকে। তিনি ছিলেন স্টেট অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের ডিআইজি। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল আশিস কুমারকেও। তাঁর বদলে জেলাশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয় অনিল গর্গকে।

    আরও পড়ুুন: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা বলেন, “আমরা যদি হিংসার ঘটনাপ্রবাহের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব হিংসার পক্ষে যথেষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে। হিংসার ধরণ দেখলেও বোঝা যায়, দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একবারও প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় জড়িয়ে পড়েনি। ২ মার্চও মানুষ পাথর ছুড়ছিল। তার পরেই সংগঠিত একদল লোক বাড়িঘর-দোকানদানিতে আগুন লাগাচ্ছিল, ভাঙচুর করছিল। হিংসার দ্বিতীয় পর্যায়েও যুক্ত ছিলেন না দুই সম্প্রদায়ের মানুষ। ছিল সংগঠিত দু’দল জনতা। আর ছিল প্রশাসন (UP Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Prophet Row: ‘হিংসায় ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না’, মুসলিম সমাজকে আবেদন মৌলবীদের

    Prophet Row: ‘হিংসায় ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না’, মুসলিম সমাজকে আবেদন মৌলবীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসায় জড়িয়ে নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না। ঠিক এই ভাষায়ই মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছে আবেদন জানালেন বিভিন্ন মসজিদ (Masjid) ও মুসলমান সম্প্রদায়ের নেতারা (Muslim Leaders)। আজ, শুক্রবার। জু্ম্মার নামাজ (Fryday Prayer)। তাই এদিনও যাতে ফের অশান্তির আগুন না জ্বলে, সেজন্যই এই আবেদন জানান তাঁরা।

    বিজেপির সাসপেনডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মা সম্প্রতি হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। তাঁর ওই মন্তব্যের পরে পরেই দল তাঁকে সাসপেন্ড করে। কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দেয়, নূপুরের মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত, সরকারের নয়। তার পরেও দেশজুড়ে শুরু হয় অশান্তি। গত শুক্রবার জুম্মার নমাজের পর অশান্ত হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন অংশ। হিংসাত্মক আন্দোলেন যোগ দেন মুসলিম সম্প্রদায়ের হাজার হাজার যুবক। যার জেরে কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ, কোথাও আবার টায়ার জ্বালিয়ে চলতে থাকে বিক্ষোভ প্রদর্শন। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার উলুবেড়িয়া, সলপ, পাঁচলা প্রভৃতি এলাকায় ভাঙচুরও চালানো হয় বলে অভিযোগ। পাঁচলায় বিজেপির পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : নূপুর শর্মা বিতর্কে অশান্তি, ঝাড়খণ্ডে মৃত ২, তপ্ত বাংলা, ভূস্বর্গে জারি কার্ফু

    আজ, শুক্রবার। ফের জুম্মার নমাজ। অশান্তির আশঙ্কায় কাঁটা প্রশাসনও। নমাজের পর যাতে অশান্তি না ছড়ায় তাই মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভবিষ্যৎ নষ্ট না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন মসজিদ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা।

    দিল্লির জামা মসজিদের ইমাম সৈয়দ আহমেদ বুখারি বলেন, যেসব সমাজবিরোধী দাঙ্গা লাগাতে চায় তাদের ওপর কড়া নজর রাখুন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে দেশজুড়ে যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছে, তা হওয়া উচিত ছিল না। বিক্ষোভ প্রদর্শনের আগে প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন ছিল। এটা ঠিক যে, নবীর অপমান আমাদের আঘাত করেছে, তবে প্রতিবাদের ভাষা এটা হওয়া উচিত ছিল না। তিনি বলেন, আন্দোলন হওয়া উচিত ছিল শান্তিপূর্ণ।

    আরও পড়ুন : কাশীর বিন্দুমাধব মন্দিরও হয়েছে মসজিদ! পুনর্নির্মাণের দাবি চেয়ে মামলা

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য মুম্বইয়ের মৌলানা সৈয়দ আতাহার আলিও অশান্তি না ছড়ানোর আবেদন জানান। তিনি বলেন, আমরা পথে নামলে সমাজবিরোধীরা ঢুকে যাবে। অশান্তি ছড়াবে। শুক্রবার জুম্মার নমাজ। তাই ফের অশান্তি হোক, তা চাই না। আন্দোলন হোক, তবে তা হোক আইন মেনে।

     

LinkedIn
Share