Tag: Roundup Week

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে চলছে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে চলছে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনকভাবে হিন্দুবিরোধী একাধিক সংগঠনের দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৬ এপ্রিল থেকে ০২ মে, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের সাপ্তাহিক ছবিটা।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। শবরীমালা মন্দিরে অনিয়মের অভিযোগে তপ্ত কেরল। মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া ‘নেই থেঙ্গা’ (ঘি-ভর্তি নারকেল) ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হিন্দু মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা, ধর্ষণ ও আর্থিক শোষণের অভিযোগে কাঠগড়ায় কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র অ্যাকাডেমিক। সাজ্জাদ মোহাম্মদ খান নামের ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।পরীক্ষাকেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে উত্তপ্ত বেঙ্গালুরু। কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে সিইটি (CET) পরীক্ষাকেন্দ্রের তিন কর্মী ব্রাহ্মণ ছাত্রদের পৈতে খুলতে বাধ্য করেছেন বলে অভিযোগে। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা।

    ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ

    এদিকে, ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ উঠেছে খোদ দিল্লিতে। আম্বেদকরপন্থী কর্মী সতীশ বাউদ্ধর বিরুদ্ধে দিল্লির এক অনুষ্ঠানে সীতা ও কৃষ্ণকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বারাণসীতে পরিচয় গোপান করে বিয়ের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি নিজের পরিচয় গোপন করে ‘অমিত’ বলে নিজেকে দাবি করে এক হিন্দু মহিলাকে বিয়ে করে। প্রতারণা ও জোরপূর্বক অশালীন আচরণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ হেফাজত থেকেও সে পালিয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর। ধর্মান্তরকরণে অর্থায়নের অভিযোগে এবার অভিযান চালাল ইডি। ‘দ্য টিমোথি ইনিশিয়েটিভ’ (TTI) নামের একটি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদেশি অর্থ ব্যবহার করে ধর্মান্তরকরণ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা সূত্রেই মিলেছে এ খবর।

    বাংলাদেশেও ভালো নেই হিন্দুরা

    ভারতের পড়শি দেশ বাংলাদেশেও ভালো নেই হিন্দুরা। ফরিদপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইডাঙ্গি গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। তাঁর (Hindus Under Attack) ঘরের ভেতরে থাকা মন্দিরও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা। কুড়িগ্রামে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এক হিন্দু পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে খবর। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার নওদাবাস গ্রামে এক হিন্দু পরিবারকে জমি দখলের উদ্দেশ্যে তিন সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীরা বাড়ির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি পরিবারটির (Roundup Week)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির নিরাপত্তা, মহিলা সুরক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন (Hindus Under Attack)। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবিও জানানো হয়েছে (Roundup Week)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে (Roundup Week) হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ বিপন্ন।

    সাপ্তাহিক ছবি (Hindus Under Attack)

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ২২ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ। দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটাই। রামনবমী উদযাপনের আগে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রামে উদ্ধার হয় নির্মীয়মান রামের একটি মূর্তি। ২২ মার্চ সকালে মাথা কাটা অবস্থায় মেলে প্রতিমাটি। মূর্তির মাথা কেটে নিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি নন্দীগ্রাম ব্লক ২-এর ভেটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের, যেখানে মৃৎশিল্পীরা মূর্তি তৈরি করছিলেন (Hindus Under Attack)।

    ভাঙা হল রামের মূর্তি

    তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজত্বে রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের দ্বারা নির্মিত বিনায়গর মন্দির ভেঙে ফেলেছে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় রাজ্যের হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কর্তারা একে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানের তকমা দিলেও, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের দাবি—মন্দিরটি বহু পুরানো। মন্দিরে নিয়মিত পুজো-পাঠ, ও উৎসব অনুষ্ঠিত হতো (Roundup Week)।উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে পাক মদতপুষ্ট একটি গুপ্তচর চক্রের হদিশ মিলেছে। এরা হিন্দু পরিচয়, ধর্মীয় প্রতীক এবং তথাকথিত “লাভ জেহাদ” কৌশল প্রয়োগ করে কাজ চালাত। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা।

    বিদেশি নাগরিকের কীর্তি

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিক পাস্টর শন ফয়েখটের বিরুদ্ধে ভিসা শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় দায়ের হয়েছে মামলা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পর্যটক ভিসায় ভারতে প্রবেশ করলেও, ধর্মীয় প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন, যা পর্যটক ভিসাধারীদের জন্য নিষিদ্ধ। এটি ভিসা নিয়মের প্রতি অবহেলার ইঙ্গিত (Hindus Under Attack)। মুম্বইয়ের ধারাভির গোপীনাথ কলোনিতে একটি পাবলিক টয়লেটের কাছে (Roundup Week) অশ্বিন নাদারকে আশিক আসিম আখতার খান খুন করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্ত বারবার নির্মমভাবে আঘাত করতে থাকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাদারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার দিনই নাদারের মা স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করেন।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের বদাউন জেলার এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাকে “লাভ জিহাদে”র ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তার দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ব্ল্যাকমেল করেছে, ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার জন্য তাকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। অভিযোগ, অভিযুক্ত আরশাদ প্রথমে প্রেমের সম্পর্কের ভান করে হিন্দু তরুণীদের বিশ্বাস অর্জন করত। পরে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তাকে হুমকি দিত (Hindus Under Attack)। নেলামাঙ্গালার সিদ্ধার্থ মেডিক্যাল কলেজে এক ইসলামপন্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল্লার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে এক ছাত্রীর প্রতি অশ্লীল আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্যাম্পাসে (Roundup Week)।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাব

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের পরিবেশ তৈরি করে (Hindus Under Attack)। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা জারি, আপাতভাবে দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে দ্বৈত মানদণ্ড জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ তো বটেই, বিদেশেও হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) ঘটছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে একটি ডিগ্রি কলেজের গেটে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, এরা এক হিন্দু ছাত্রীকে উত্যক্ত, বিয়ের জন্য চাপ এবং ধর্মান্তরের চেষ্টা করছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে অনুসরণ ও ভয় দেখাচ্ছিল এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিকাহ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ছাত্রীটির কাকা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের আটক করেন। পরে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। নয়ডার ফেজ-৩ এলাকায় এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, এক মুসলিম যুবক নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে, যৌন নির্যাতন চালায়। গত কয়েক (Roundup Week) মাস ধরে টাকাও আদায় করে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ(Hindus Under Attack)।

    অ্যাসিড হামলা

    চিত্রদুর্গে উগাদি উৎসবের সময় ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। সুহাইল বাশা নামে এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অ্যাসিড হামলা চালায় তার স্ত্রী এবং হিন্দু শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর। মালাপ্পানাহাট্টি গ্রামের এই হামলায় এক শিশু-সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার চুনাখালি শ্যামবাজার এলাকায় কালীর প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুনেতে বিতর্কিত জমিতে রমজানের ইফতার করার অভিযোগে মুসলিমদের একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উদুপি জেলায় ২০–২২ মার্চ চলছে ‘সমাধান মহোৎসব’। এই উৎসব নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তামিলনাড়ুর খ্রিস্টান প্রচারক মোহন সি লাজারাসের নেতৃত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটির বিরোধিতা করছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন (Roundup Week)।

    হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    বাংলাদেশের ছবিটাও একই রয়েছে। সে দেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ধারাবাহিকভাবে চলছে। অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এই আক্রমণ হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে (Hindus Under Attack)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশছাড়া করার উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৬ বছর বয়সী শান্ত কুমার সাহা ডাকাতদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় তাকে ধরে রাস্তার ওপর ফেলে দেওয়া হয়। দ্রুত চলে আসা একটি গাড়ির নীচে চাপা পড়ে মারা যায় সে।

    আমেরিকার ছবি

    পিরোজপুরের নেসারাবাদে গোপাল চন্দ্র দাসের মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক (Roundup Week)।খুলনার পাইকগাছায় এক পুলিশ আধিকারিকের মা ভারতী মণ্ডলকে গলা কেটে খুন করা হয়। বাড়ির পাশের মাছের ভেড়ি থেকে দেহ উদ্ধার হয় তাঁর (Hindus Under Attack)। আমেরিকায় ‘ওভারসিজ ফ্রেন্ডস অব বিজেপি ইউকে’ সংস্থা হ্যারোয় হোলি উদযাপন ব্যাহত হওয়ার পর বিভিন্ন হিন্দু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে।

    বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে কাজ করছে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। এই মনোভাব কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে রয়ে গিয়েছে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। এই ধরনের সূক্ষ্ম বৈষম্য আইন ও সামাজিক আচরণের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। তাই সহজে চোখে পড়ে না। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে বাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা যায়। এটি পরিবেশগত (Roundup Week) কারণ হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, অন্যান্য উৎসবের ক্ষেত্রে একই ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় প্রকাশ্যে চলে আসে দ্বিচারিতা ((Hindus Under Attack))।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও নিত্য ঘটে চলেছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindus Under Attack)। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে চলতে থাকা এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক অংশ এই আক্রমণের প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্টতার জের (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৮ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (Hindus Under Attack)

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় অংশের শুরুতেই একটি দৃশ্যে দেখা যায় এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে, তার মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে আনুজা নামের এক তরুণীর বাস্তব ঘটনাই এই দৃশ্যের নেপথ্যের কাহিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৌতুক অভিনেতা নাসির আখতারের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো, যেটি ৮ মার্চ বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় ‘মিনিস্ট্রি অব কমেডি’তে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়। হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, তিনি আগে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করেছেন। দিল্লিতে তরুণ তরুণ কুমার বুটোলিয়াকে হত্যা করেছে কয়েকজন মুসলিম। অভিযোগ, ১১ বছরের এক নাবালিকার ছোড়া জলভরা রঙিন বেলুন দুর্ঘটনাবশত এক মুসলিম মহিলার গায়ে পড়ে যায় (Hindus Under Attack)। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে তরুণ হত্যার ঘটনা। যা বড়জোর একটি পাড়ার ঝগড়া হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আকার নেয় গণপিটুনির।

    ইসলামপন্থী যুবকদের অত্যাচার

    রাজস্থানের আলওয়ার জেলার আরাবল্লি বিহার এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করা হয়। মন্দির লাগোয়া এলাকায় মেলে মৃত বাছুর। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় (Roundup Week)। কর্নাটকের কপ্পাল জেলায় ভেঙ্কটেশ নামের এক ব্যক্তিকে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি তাঁর মুসলিম বন্ধু আজির এবং তাঁর স্ত্রী আফিয়ার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন (Hindus Under Attack)। এই রাজ্যেরই বাগালকোট জেলায় সাফিক নামে এক মুসলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে নাম ভাঁড়িয়ে বিয়ে করে। তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে। পরে নগদ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।

    লাভ জেহাদ

    পুনে জেলার নহাভি গ্রামের নিউ ইংলিশ স্কুলে অভিযোগ ওঠে যে কপালে তিলক লাগানো ছাত্রদের ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হিন্দু সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মোনালিসা ভোঁসলে নামে ১৮ বছরের এক হিন্দু তরুণীর কেরালায় গিয়ে জনৈক ফারমান খানকে বিয়ে করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে প্রভাবিত করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীর নগরে ২২ বছরের এক হিন্দু তরুণী পরিবারের সদস্যদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় মুসলিম প্রেমিকের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, এটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনা (Roundup Week)।

    বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এ তো গেল সপ্তাহান্তে দেশের ছবিটা। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব লুপ্ত হয়ে যেতে পারে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কুমিল্লা শহরের কালীগাছতলা মন্দিরে একটি হাতবোমা হামলায় মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী-সহ অন্তত তিনজন জখম হন। শনি পুজো চলার সময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরে ঢুকে বোমা ছোড়ে বলে জনান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    হিন্দু খুন

    নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, আদতে তা হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নতুন সরকারের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজন নিহত হয়েছে বলে খবর।ফেনীতে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত সাহা ডাকাতদের হাতে নিহত হয়েছে। কক্সবাজারে গণেশ পাল নামে এক হিন্দু ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে খবর। সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে চুরি হয়েছে। বিগ্রহের সোনার গয়না এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)।

    প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মার্কিন নাগরিক ওই অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা করায় তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করা হয়। কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এই বিদ্বেষকে উৎসাহিত করা হয় বলে দাবি সমালোচকদের। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখা গেলেও, ভারতের মতো তথাকথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিদ্বেষ দেখা যায় বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা হয়। যা আপাতভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ হলেও, সমালোচকদের মতে এতে রয়েছে দ্বৈত মানদণ্ড।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে অবাধে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে তা ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে। যার জেরে নজিরবিহীনভাবে চড়ছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার পারদ। ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ, এই সময়ে দেশ-বিদেশে কী কী ঘটনা ঘটেছে, তা একবার দেখে নেওয়া যাক, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা। হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট, ২০২৬ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ভারতীয় অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে একজন বিদেশি কর্মীর সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন। অভিযোগ, স্থানীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। দেরাদুন র’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে এটি ৩,৭৮,০০০-এরও বেশি ভিউ পায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাডিকেরি তালুকের নাপোকলু গ্রামে জনৈক গৌতমকে আক্রমণ করে একদল মুসলিম যুবক। হিন্দু যুবকেরা একটি পিকআপ গাড়িতে করে বললামাভাট্টিতে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু সমাবেশ সম্পর্কে মাইকিং করছিলেন। অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী যুবক মাইক ব্যবহারের বিরোধিতা করে এবং নাপোকলু শহরের পোনাড সুপারমার্কেটের কাছে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় গৌতমকে চিকিৎসার জন্য মাডিকেরির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (Roundup Week)।

    সংবাদমাধ্যমগুলির প্রবণতা

    এদিকে, ভারতের প্রধান ইংরেজি সংবাদমাধ্যমগুলির এক দশকের প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় সংবাদমাধ্যম হোলি উৎসবকে বিপদ, রোগ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং জনশৃঙ্খলার ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, এই একই পর্বে রমজানকে প্রায় একচেটিয়াভাবে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, শান্ত ও দান-ধ্যানের মাস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই বৈপরীত্য কেবল তথ্য বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি একটি বর্ণনাগত পক্ষপাতকে ইঙ্গিত করে (Hindus Under Attack)।

    হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনা

    জনৈক চন্দ্রশেখরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনি সম্পর্কিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কর্নাটকের কপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। রাজকোটের ভাগবতীপাড়া এলাকায় হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই মুসলিম যুবক মোটরসাইকেলে করে আগুনের কাছে বিপজ্জনকভাবে স্টান্ট করছিল। এতে উৎসবে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুথিলা পরিবার সংগঠনের কর্মীদের অভিযোগ, পুত্তুরে চলচ্চিত্র “দ্য কেরালা স্টোরি ২”-এর বিনামূল্যে প্রদর্শনী বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এসেছে হুমকিমূলক ফোন। আয়োজকদের মতে, ফোনকলগুলিতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, দেওয়া হয় হুমকিও (Hindus Under Attack)।

    হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    গত ৪ মার্চ দেরাদুনের গান্ধী গ্রাম এলাকায় হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি বছর পঁয়ষট্টির এক হিন্দু মহিলাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। দাবি ওঠে দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    দেশছাড়া করার কৌশল

    মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশছাড়া করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। ভোলায় কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক হিন্দু বোবা মহিলাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ায় মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ রাসেলের। রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। চালক রাকিব তাঁকে বাড়ি না নিয়ে গিয়ে শশীগঞ্জ গ্রামের একটি নির্জন সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    চাঁদা আদায়কারীদের হামলা

    চট্টগ্রামে চাঁদা আদায়কারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন আকাশ দাস। তিনি ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাসের ছেলে। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ উপজেলায় ডাকাতদের গুলিতে নিহত হন বছর সত্তরের চন্দন দে (Hindus Under Attack)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রামে মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন, যাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন। বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে এই ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়।

    এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, সবসময় যার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা মেলে না (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ উভয় জায়গায়ই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্বের দৃষ্টি এই ধরনের আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তির দিকে যায়নি, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন (Roundup Week)। ২১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়কালের এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত বিবরণে এই ধরনের অপরাধের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হল। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে মানুষকে এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন করা যাবে বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। একটি প্রাচীন মন্দিরের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ ‘অরুলমিগু কন্যাকুমারী ভাগবতী আম্মান তিরুকোভিলে’র ‘কন্নিয়াম্বালম’ কল মণ্ডপম থেকে অবিলম্বে সব দখলদারি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে এবং কাঠামোটি সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জি জয়চন্দ্রন ও বিচারপতি কেকে রামকৃষ্ণনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এন্ডাওমেন্টস (HR&CE) দফতরকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করে মন্তব্য করে যে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি “আর্থিক লাভের জন্য” ব্যবহার করা হয়েছে এবং মণ্ডপমের ভেতরে নির্মাণসামগ্রী ও ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।

    শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর

    ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে কর্নাটকের বাগালকোট শহরে কিলা ওনি এলাকায় শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর ও জুতো ছোড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের স্মরণে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি উদ্‌যাপনের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল, এমন সময় এই ঘটনা ঘটে, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে (Roundup Week)। ‘দ্য নিউজ মিনিটে’ সম্প্রতি বিনু করুণাকরণের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তিরুনাভায়ার মহা মাঘ মহোৎসবকে “গেরুয়া চিত্রনাট্য” এবং “হিন্দুত্বের রাজনৈতিক নাটক” বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এটি ২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে কেরলকে মেরুকরণ করতে পূর্ণাঙ্গ কুম্ভমেলার রূপ নেবে। সমালোচকদের মতে, অন্য ধর্মের বৃহৎ জনসমাবেশের ক্ষেত্রে নীরব থেকে এই ধরনের মন্তব্য ভণ্ড-ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচায়ক (Hindus Under Attack)।

    ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগ

    এদিকে, ওয়ারাঙ্গলের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT)-এ ছাত্রদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে (NHRC) একটি পিটিশন দাখিল হয়েছে। অভিযোগ, এনআইটি ওয়ারাঙ্গলের ১.৮কে হস্টেলে থাকা ছাত্ররা প্রায় এক বছর ধরে প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পনেরো মিনিট ধরে হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তারা হস্টেলে গিয়ে প্রার্থনা সভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাঁরা সাংবিধানিক ধর্মীয় অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, এমনকি বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয় (Roundup Week)। কর্নাটকের শিবমোগ্গা জেলার উর্গাদুর এলাকায় নাবালক ইসলামপন্থী যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে ১৬ বছর বয়সী সংকেত নামে এক হিন্দু কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি তাঁর বন্ধু গিরিশকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারান (Hindus Under Attack)।

    মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জের

    কর্নাটকের চিত্রদুর্গ শহরের সন্থে ময়দানের কাছে মোবাইল দোকান মালিক বিক্রম চৌধুরীকে মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জেরে এক ইসলামপন্থী যুবক ছুরিকাঘাত করে। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ছবিটাও এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত এবং তা ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভুয়ো ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    গণধর্ষণের অভিযোগ

    বরিশাল জেলায় এক বিবাহিত হিন্দু মহিলাকে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি কীর্তনের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে একদল হামলাকারীর কবলে পড়েন এবং তাঁকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের কলিগ্রাম গ্রামে নিশান্ত বৈদ্য নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়, যা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত বলে অভিযোগ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্যে এলেও ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে দাবি করা হয়। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না প্রচলিত আইন ও নীতির ধরণ বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। আপাতভাবে (Roundup Week) এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অসামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে (Roundup Week)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য, সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষ। ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ধরনের অপরাধগুলির একটি ছবি দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে। তাতে অন্তত বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হবেন।

    হিন্দুফোবিয়া (Hindus Under Attack)

    বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুফোবিয়াকে উসকে দেওয়ার একটি গভীর উদ্বেগজনক প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই প্রবণতার প্রভাবকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কারণ এর বহিঃপ্রকাশ ঘটছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার মাধ্যমে। বিদুথালাই চিরুথাইগল কাচ্চির প্রধান ও ইন্ডি (INDI) জোটের সাংসদ তিরুমাভালাভান সম্প্রতি এক জনসভায় চোল, পান্ড্য, চের ও পল্লব-সহ প্রাচীন তামিল রাজাদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি তামিল সভ্যতার সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অবক্ষয়ের জন্য এই রাজাদের দায়ী করেন এবং তাঁদের প্রতি প্রচলিত শ্রদ্ধা দেখাতে চাননি (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলার গজরৌলা এলাকার এক যুবকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ, সে নিজের মুসলিম পরিচয় গোপন করে ইনস্টাগ্রামে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে এক তরুণী হিন্দু মহিলাকে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন নির্যাতন করে, যার ফলস্বরূপ গর্ভধারণ ও পরে গর্ভপাত ঘটে। অভিযুক্তের নাম সাহিল (Roundup Week)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে হিন্দু নারী ও নাবালিকাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জেনেছে, স্থানীয় জিমের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক কাজ করছিল। দুই মহিলার অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষকরা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছিল। মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার দামজিপুরা এলাকায় একটি ভাইরাল ভিডিওতে গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোকান মালিক আবু খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্নাটকের ইয়াদগিরি জেলার গুরমাটকাল তালুকের পুটপাক গ্রামে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও হিন্দুবিরোধী হিংসার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেশরী ধ্বজের ছবি পোস্ট করায় এক যুবক ও তাঁর মাকে কট্টরপন্থী ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে। উত্তরপ্রদেশের আগ্রার ভগবান নগর কলোনিতে প্রায় ৪০টি হিন্দু পরিবার একযোগে বাড়িতে ‘বিক্রয়ের জন্য’ পোস্টার লাগিয়ে দেয়। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় মুসলিমদের দ্বারা ধারাবাহিক হয়রানি ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার জেরেই বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে অন্যত্র চলে যেতে চাইছেন তাঁরা। এই অভূতপূর্ব ঘটনার ফলে আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে (Roundup Week)। বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলার ডোড্ডাবল্লাপুরার শান্তি নগরে একটি মন্দিরে সকালের সুপ্রভাত স্তোত্র বাজানো নিয়ে এক ইসলামপন্থী যুবকের আপত্তিকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এ তো গেল দেশের কথা, এবার দেখে নেওয়া যাক বিদেশের ছবিটাও। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ নিরবচ্ছিন্ন এবং ধীরে ধীরে দেশটি থেকে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, নারী নির্যাতন ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য – এ সবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার কৌশল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী এক হিন্দু ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা গোটা বাংলাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা বলে মনে করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্যাম্পাসে একটি মন্দির উদ্বোধন করেন। প্রস্তাবিত মন্দির স্থলে শৌচাগার নির্মাণের প্রতিবাদে সারাদিনব্যাপী আন্দোলনের পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযান

    কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার ধানপুর ইউনিয়নের একটি হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ৩১ জানুয়ারি রাত প্রায় ১টায় সেনাবাহিনী বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর শারীরিক নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে (Roundup Week)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের মূলে রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক স্তরে এক সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব কাজ করে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর একতরফা বিধিনিষেধ ও যুক্তির অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ- উভয় ক্ষেত্রেই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলা ক্রমাগত ঘটে চলেছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Roundup Week)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে করে করে করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে অভূতপূর্ব মাত্রায় বাড়ছে হিন্দু-বিদ্বেষও। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ এই সপ্তাহে সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এই ধরনের অপরাধের একটি চিত্র তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    কর্নাটক (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই আসা যাক, ভারতের কথায়। কর্নাটকের হাভেরি জেলার ব্যাদগি তালুকের মল্লুর গ্রামে দান করা একটি জমির ওপর নির্মিত একটি সরকারি উর্দু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকালে দান করা অংশের বাইরের জমিও দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ দাতা পরিবারের সদস্য বীরাপ্পা কুলকার্নির। তিনি দখলকরা জমি ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিজয়নগর জেলার হোসপেটেতে ভয়াবহ ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রেলওয়ে স্টেশন রোড সংলগ্ন চাপালাগাড্ডা এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হয় এক মহিলার গলাকাটা দেহ। নিহতের নাম উমা (৩৫), তিন সন্তানের জননী। দাম্পত্য কলহের কারণে তিনি প্রথম স্বামী রঘু ওরফে রামাঞ্জনেয়ার থেকে প্রায় ছ’বছর ধরে আলাদা ছিলেন এবং বাবা-মায়ের বাড়িতে থাকতেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি চার মাস আগে খাজা হুসেন নামে এক ইসলামপন্থী ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন (Hindus Under Attack)।

    পুলিশের হাতে সমাজকর্মী

    গভীর রাতে ব্যানারঘাট্টা পুলিশের হাতে সমাজকর্মী পুনীত কেরেহল্লির গ্রেফতারি নিয়ে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে (Roundup Week)। অভিযোগ, বেআইনি বাংলাদেশি অভিবাসী বসতি নিয়ে নাগরিক নজরদারি দমন করতেই এই পুলিশি পদক্ষেপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মুক্তির দাবিতে ব্যাপক প্রচার শুরু হয়েছে। এদিকে, গত সাত বছরে একটি ভয়াবহ প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মুসলিম হিজড়ারা হিন্দু হিজড়াদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, শারীরিক নিপীড়ন, হুমকি ও মানসিক নির্যাতন করছেন (Hindus Under Attack)। বেলাগাভি জেলার এক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, মহম্মদ সাহিল নামে এক ইসলামপন্থী ব্যক্তি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও ধর্মান্তরের চেষ্টা করে। বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর জেলায় লাভ জেহাদের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। সুমেরপুরের এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণ, অশ্লীল ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং ধর্মান্তরের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সনাতনী সংগঠন ও ব্যবসায়ীরা বাজার বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান (Roundup Week)। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া দুটি ঘটনায় নয়া বিতর্কে জড়িয়েছেন। বেলাগাভিতে এক সরকারি অনুষ্ঠানে গেরুয়া পাগড়ি পরতে অস্বীকার করা এবং বেঙ্গালুরুতে এক ভক্তের দেওয়া গুরু রাঘবেন্দ্র স্বামীর ছবি ফিরিয়ে দেওয়া। এতে কংগ্রেস সরকারের তথাকথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন (Hindus Under Attack)।

    মুসলমান ইনফ্লুয়েন্সার

    কেরলে সোশ্যাল মিডিয়া মুসলমান ইনফ্লুয়েন্সার শিমজিথা মুস্তাফার অভিযোগের পর ৪২ বছরের ইউ দীপক আত্মহত্যা করেন। ভাইরাল ভিডিওর জেরে জনসমক্ষে অপমানিত হয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে পরিবারের অভিযোগ। কেরল মানবাধিকার কমিশন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। উদুপিতে শতাব্দীপ্রাচীন পার্যায়া উৎসবে জেলা প্রশাসনের অংশগ্রহণ নিয়ে কংগ্রেস-বিজেপি সংঘাত তৈরি হয়েছে। কেসরি পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক। মেকআপ আর্টিস্ট রুচিকা শর্মা দাবি করেন, হিন্দু দেবী মারিয়াম্মা ও খ্রিস্টান মেরি একই, যা মিশনারি যুগের পুরনো মিথ্যাকে আবার প্রচার করেছে (Hindus Under Attack)। বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এলাকায় রোড রেজের ঘটনায় ইসলামপন্থী সৈয়দ আরবাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অবিরাম এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। সিলেটের গোয়াইনঘাটে এক হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। গোয়ালন্দ মোড়ে পেট্রোলের দাম না দিয়ে পালাতে গিয়ে এক হিন্দু কর্মী রিপন সাহাকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় (Hindus Under Attack)।

    বিদেশ

    অস্ট্রেলিয়ার খাদ্য সংস্থা মন্ডেলেজ ইন্টারন্যাশনালের পণ্যে গোপনে গরুর মাংস ব্যবহারের অভিযোগে বিশ্বজুড়ে হিন্দুরা ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ক্যারিতে শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি একে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও সূক্ষ্ম ও প্রাত্যহিক বৈষম্য হিন্দু-বিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছে। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। এটি আপাতদৃষ্টিতে পরিবেশগত হলেও, বাস্তবে দ্বিচারিতার পরিচয় দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বিদেশ, সর্বত্রই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর হামলা এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে উঠেছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন এমন একটা অবস্থায় পৌঁছেছে, যা ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। গত কয়েক দশক ধরে গভীর ও উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জেরে বিশ্ব এই হামলাগুলির প্রকৃত ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতা উপেক্ষা করে এসেছে (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছেন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষ।

    মানবাধিকার সঙ্কট (Hindus Under Attack)

    ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এমন কিছু ঘটনার একটি ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই গুরুতর মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন। প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। মাদ্রাজ হাই কোর্ট তিরুপ্পারনকুন্দ্রমে অবস্থিত অরুলমিগু সুব্রহ্মণ্য স্বামী মন্দিরের নির্বাহী আধিকারিককে কড়া প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষিত জমিতে একটি দরগার পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। আদালতের মন্তব্য, এই কাজটি ফৌজদারি অনধিকার প্রবেশের শামিল।

    অধ্যাপকের অভিযোগ

    আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক রচনা কৌশল প্রায় তিন দশক ধরে চলা ধর্মীয় বৈষম্য ও মানসিক হয়রানির গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক নিপীড়নের ফলে এমন এক শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যার কারণে ২০০৪ সালে যমজ সন্তানের গর্ভধারণের সময় তাঁর গর্ভপাত ঘটে। এএমইউয়ের উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া অডিও রেকর্ডিং ও নথিপত্রের ভিত্তিতে করা এই অভিযোগ একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার মারাত্মক লঙ্ঘন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানির চিত্র তুলে ধরে (Hindus Under Attack)।

    রাম’ শব্দে বিতর্ক

    ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলায় সরকারি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার একটি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ঘিরে ৮ জানুয়ারি বিক্ষোভ ছড়িয়ে (Roundup Week) পড়ে। প্রশ্নে একটি কুকুরের নাম হিসেবে বিকল্পের মধ্যে ‘রাম’ শব্দটি অন্তর্ভুক্ত থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ৭ জানুয়ারির পরীক্ষায় প্রশ্নটি ছিল—‘মোনার কুকুরের নাম কী?’ বিকল্প হিসেবে দেওয়া হয়েছিল ‘বালা’, ‘শেরু’, ‘নো ওয়ান’ এবং ‘রাম’। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক সিটির হুলিমাঙ্গলা এলাকায় এক উদ্বেগজনক ঘটনার সাক্ষী হল শহরটি। অবৈধ ইসলামি বসতি উচ্ছেদ অভিযানের সময় এক ইসলামপন্থী মহিলা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, জেসিবি মেশিন দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে হেব্বাগোডি থানার পুলিশ ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় (Hindus Under Attack)।

    পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার বৈরী মনোভাব

    দিল্লির তুর্কমান গেট এলাকায় ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের কাছে পুরনিগমের উচ্ছেদ অভিযানের সময় সংঘটিত হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত মহম্মদ ইমরানকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Roundup Week)। পাকিস্তানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে হিন্দু সংখ্যালঘু নাবালিকা মেয়েদের অপহরণ, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও বিয়ে একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু সিন্ধ প্রদেশেই প্রতি বছর অন্তত ১,০০০ সংখ্যালঘু মেয়ে এ ধরনের যৌন দাসত্বের শিকার হয়। এছাড়াও পাকিস্তানের হিন্দুরা প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত বৈষম্য এবং অবহেলার মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে হিন্দু মন্দিরে ঘনঘন হামলা, শিক্ষাক্রমে হিন্দুবিদ্বেষী উপস্থাপন, পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার বৈরী মনোভাব, মৌলিক অধিকার অস্বীকার এবং এমনকি অস্পৃশ্যতার মতো সামাজিক বৈষম্য। পাকিস্তানে ভিল (Bheel) সম্প্রদায়ের মহিলাকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সাম্প্রতিক ঘটনাটি পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘুদের করুণ অবস্থার আর একটি জ্বলন্ত প্রমাণ।

    প্রান্তিক ভাগচাষি নিহত

    পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে প্রভাবশালী এক জমিদারের গুলিতে কাইলাস কোলহি নামে এক প্রান্তিক ভাগচাষি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড সংখ্যালঘু গোষ্ঠী ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। গ্রামীণ সিন্ধে সামন্ততান্ত্রিক হিংসা, সংখ্যালঘু অধিকার ও বিচারহীনতার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি আবারও সামনে এসেছে। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে পদক্ষেপ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের সুরক্ষার দাবিতে সড়ক ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করে (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত এবং পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণহামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য, এইসব পদ্ধতি ব্যবহার করে হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে।

    দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত

    বাংলাদেশ পুলিশ ময়মনসিংহে দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এক মসজিদের ইমাম ইয়াসিন আরাফতকে গ্রেফতার করেছে। এই গ্রেফতারিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ ঘটনাটি বাংলাদেশ-সহ আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং ভারত থেকেও কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছিল। শরীয়তপুর জেলায় সংঘটিত এক নৃশংস হামলায় জখম হয়ে বছর পঞ্চাশের ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে খবর। তিনি ডামুড্যা উপজেলার তিলই গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি ওষুধের দোকান ও মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মালিক ছিলেন। ৩১ ডিসেম্বর রাতে কেওড়ভাঙা বাজারের কাছে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয় (Roundup Week)।

    হিন্দু ব্যক্তির নতুন হত্যাকাণ্ড

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে এক হিন্দু ব্যক্তির নতুন হত্যাকাণ্ডে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা জয় মহাপাত্রকে স্থানীয় এক ব্যক্তি মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং পরে বিষ প্রয়োগ করে বলে পরিবারের অভিযোগ। তাঁকে সিলেটের এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (Hindus Under Attack)। উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশের এক ঘটনায় চুরির অভিযোগে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান মিঠুন সরকার নামে একজন। এটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসার আর একটি উদাহরণ। পাবনা জেলার প্রখ্যাত হিন্দু সংগীতশিল্পী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের প্রবীণ নেতা প্রলয় চাকীর মৃত্যু হয়েছে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে হিন্দুবিদ্বেষ, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ভেতরে প্রোথিত। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্য ও স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও জনপরিসরে হিন্দুবিদ্বেষের আর একটি সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Roundup Week)। এই সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না বিদ্যমান আইন ও তার প্রয়োগের ধরন এবং সামগ্রিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে বাজি পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তার একটি ভালো উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি দূষণ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর ধারাবাহিক বিধিনিষেধ এবং এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে সুসংগত যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে সংশ্লিষ্ট দ্বৈত মানদণ্ডই স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share