Tag: RSS Chief

RSS Chief

  • Mohan Bhagwat: ৭ ফেব্রুয়ারি ১০ দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন মোহন ভাগবত, থাকছে কী কী কর্মসূচি?

    Mohan Bhagwat: ৭ ফেব্রুয়ারি ১০ দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন মোহন ভাগবত, থাকছে কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসে রাজ্য সফরে আসছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সংঘ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসার কথা তাঁর। ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতায় থাকবেন সংঘ প্রধান। হাজির হবেন একাধিক কর্মসূচিতে। এর পরে ১১ তারিখেই বর্ধমানে যাবেন তিনি। সেখানে ১৬ তারিখ পর্যন্ত থাকবেন। শেষ দিনে জনসভা করবেন। আগামী মাসের ১৬ ফেব্রুয়ারি বর্ধমানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রদর্শন কর্মসূচি রয়েছে। সেই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন মোহন ভাগবত। প্রসঙ্গত কলকাতায় সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) পাঁচদিন থাকবেন। এর বেশিরভাগ সময়ই চলবে অভ্যন্তরীণ কর্মসূচি ও সাংগঠনিক। মাঝে তিনি একদিন বিশ্রাম নেবেন। সংঘ সূত্রে খবর, ওইদিনেই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন সংঘপ্রধান। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের বিজয়া দশমীতে আরএসএস পা দিচ্ছে ১০০ বছরে। এই আবহে সারা দেশেই সফর করছেন মোহন ভাগবত। শতবর্ষকে সামনে রেখে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি নিয়েছে আরএসএস। সেই অনুষ্ঠানগুলির পরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজ্যে-রাজ্যে।

    বৈঠক করবেন মধ্যবঙ্গের ৮টি জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে  

    প্রসঙ্গত, সাংগঠনিকভাবে রাজ্যে সংঘের তিনটি বিভাগ রয়েছে। উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ। বর্ধমান রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সাংগঠনিকভাবে মধ্যবঙ্গে পড়ে। এই শহরেই মধ্যবঙ্গের ৮টি জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মোহন ভাগবতের। এর আগে সাম্প্রতিককালে আরজি কর কাণ্ডে কড়া নিন্দা করে সরব হয়েছিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এবারের বাংলা সফরে তিনি কী বলেন সেটাই দেখার।

    বাংলাদেশ নিয়ে দিতে পারেন বার্তা, মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল 

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাস থেকেই উত্তপ্ত বাংলাদেশ। হিন্দুদের পর চলছে একের পর হামলা। এই আবহে বাংলাদেশে হিন্দু সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার নিন্দা করে কড়া বার্তা দিয়েছিল আরএসএস। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বার্তা দেবেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে ইতিহাসকে বিকৃত করেছিল, ’ নাগপুরে বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে ইতিহাসকে বিকৃত করেছিল, ’ নাগপুরে বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) প্রধান (RSS Chief) মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বৃহস্পতিবার বলেছেন যে ব্রিটিশরা সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। মানুষের মন মিথ্যা দিয়ে পূর্ণ করেছিল। তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশরা তাদের ক্ষমতা এবং আমাদের অজ্ঞতার কারণে মিথ্যা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

    ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে দিয়েছিল! (Mohan Bhagwat)

    নাগপুরে সোমালওয়ার এডুকেশন সোসাইটির ৭০ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) একুশ শতকে শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন আরএসএস প্রধান। তিনি বলেন, “ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে ইতিহাসকে বিকৃত করেছিল। আমাদের দেশের মানুষের মনকে অনেক মিথ্যা দিয়ে পূর্ণ করেছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা ছিল যে ভারতের বেশিরভাগ লোক বাইরে থেকে এসেছিল। ভারতকে আর্যরা আক্রমণ করেছিল, তারা দ্রাবিড়দের সঙ্গে লড়াই করেছিল ইত্যাদি। তারা প্রচার করেছিল যে নিজের দ্বারা শাসন করা ভারতীয়দের রক্তের মধ্যে নেই এবং এখানকার লোকেরা ধর্মশালায় থাকা লোকদের মতো জীবনযাপন করে।” তিনি আরও বলেন, “ব্রিটিশ শাসকদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের তাদের ইতিহাস, পূর্বপুরুষ এবং গর্বিত ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া। এই উদ্দেশ্য কার্যকরী করতে ব্রিটিশরা তথ্যের আড়ালে আমাদের মাথায় বেশ কিছু অসত্য বসিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    ধর্মের নামে পৃথিবীতে নিপীড়ন-নৃশংসতা চলছে

    এর আগে সোমবার মহানুভব আশ্রমের শতকপূর্তি সমারোহে ভাষণ দিয়ে, আরএসএস প্রধান ভাগবত (Mohan Bhagwat) বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একসঙ্গে কাজ করার এবং তাদের ধর্ম তাদের অনুসারীদের কাছে ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কারণ ধর্ম সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি বিশ্বকে নৃশংসতার দিকে পরিচালিত করে। তিনি বলেছিলেন যে ধর্মের ভুল বোঝাবুঝির কারণে পৃথিবীতে নৃশংসতার ঘটনা ঘটে। ধর্মকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে এমন সমাজের প্রয়োজন। ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সঠিকভাবে শেখানো উচিত। ধর্মকে বুঝতে হবে, সঠিকভাবে না বুঝলে ধর্মের অর্ধেক জ্ঞান ‘অধর্ম’ হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেছিলেন যে ধর্মের অনুপযুক্ত এবং অসম্পূর্ণ জ্ঞানই ‘অধর্ম’-এর দিকে নিয়ে যায়। ধর্মের নামে পৃথিবীতে যত নিপীড়ন ও নৃশংসতা চলছে তা ধর্ম সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘ভারতের প্রাণশক্তি অন্যকে সাহায্য করার প্রেরণা দেয়’’, মূল্যবোধের কথা বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘ভারতের প্রাণশক্তি অন্যকে সাহায্য করার প্রেরণা দেয়’’, মূল্যবোধের কথা বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নিজস্ব ‘প্রাণশক্তি’ রয়েছে, তবে তা বহু মানুষের চোখে ধরা পড়ে না, কারণ ৫০০ বছরের ‘সংস্কার’ (মূল্যবোধ) আমাদের মানসিকতায় গভীরভাবে লেগে রয়েছে। মঙ্গলবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেছেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, ‘‘ষোড়শ শতাব্দীর আগে পর্যন্ত ভারত বাকি বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছিল। আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছিলাম। কিন্তু, তারপর সব থেমে গেল এবং আমাদের সভ্যতার পতন শুরু হল। কিন্তু আমাদের প্রাণশক্তি (Pran Shakti of India) আমাদের এক সূত্রে বেঁধে রাখল।’’ 

    আধ্যাত্মিক অনুশীলনে গুরুত্ব 

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। মুকুল কানিতকর রচিত ‘বনাইয়ে জীবন প্রাণবান’ বই প্রকাশ করে মোহন ভাগবত বলেন, ‘‘ভারতের প্রাণশক্তি হল সেই শক্তি, যা অন্যকে সাহায্য করার প্রেরণা দেয়। পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় বিপর্যয় ঘটুক নাকেন, শত্রু না মিত্র তার বিচার না করেই বিপদগ্রস্ত দেশের পাশে দাঁড়ায় ভারত। ভারতের একটি ‘প্রাণশক্তি’ (Pran Shakti of India) রয়েছে, যা আমাদের সামনে রয়েছে, তবে তা দেখা যায় না, কারণ ৫০০ বছরের সংস্কার আমাদের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত রয়েছে।’’ তিনি দেশবাসীকে ভারতীয় আধ্যাত্মিক অনুশীলন অনুসরণ করতে উৎসাহ দেন। তাঁর মতে, ভারতীয় আধ্যাত্মিক অনুশীলনই মানুষকে নিজেদের এবং দেশের ‘প্রাণশক্তি’ (Pran Shakti of India)  উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুন: শেষ হয়ে গেল কেরিয়ার! বজরং পুনিয়াকে চার বছরের জন্য নির্বাসিত করল নাডা

    আধ্যাত্মিকতা এবং বিজ্ঞানের বিরোধ নেই

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) মনে করেন, উন্নয়ন কেবলমাত্র আর্থিক সমৃদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। উন্নয়ন বলতে মানসিক ও বৌদ্ধিক উন্নতিকেও বোঝায়। তাঁর মতে, বিজ্ঞান হোক বা আধ্যাত্মিকতা – দুইয়েরই উদ্দেশ্য হল, মানবকল্যাণ। ভাগবত বলেন, ‘‘ঐক্য চিরন্তন, বৈচিত্রের মধ্যেও ঐক্য আছে। আমরা অন্য কারও ময়দানে গিয়ে খেলতে চাই না। আমরা বিশ্বকে আমাদের ময়দানে নিয়ে আসতে চাই। ভারতীয় সংস্কৃতি ভালো হৃদয় এবং প্রজ্ঞা প্রদান করে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আধ্যাত্মিকতা এবং বিজ্ঞান কখনও একে অপরের বিরোধী নয়। যে কোনও বিষয় আগে জানো, তারপর বিশ্বাস করো। অন্ধবিশ্বাসের স্থান নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

    RSS: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে অবশ্যই ভারত-কেন্দ্রিক হতে হবে, এমনটাই জানালেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক সম্প্রীতিরও বার্তা দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন যে, ভারতকে এমন একটা মডেল দেশে পরিণত করা হোক, যাকে অনুসরণ করতে পারে গোটা বিশ্ব। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শাখা সংগঠন ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের তিনদিনের ‘ভিশন ফর বিকশিত ভারত’, সম্মেলন শুরু হয়েছে গুরুগ্রামে। অংশগ্রহণ করেছেন দেশের তরুণ গবেষকরা।

    ভাগবতের ভাষণ (RSS) 

    সেই সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘শিক্ষাকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়, কিন্তু শিক্ষাকে অবশ্যই ভারত-কেন্দ্রিক হতে হবে। আমাদের উচিত সারা বিশ্ব থেকে ভালো ভালো ভাবগুলিকে সংগ্রহ করা। কিন্তু কখনও আমরা অন্ধ অনুগামী হব না। প্রত্যেক শিক্ষকের দায়িত্ব হল, তাঁর ছাত্রদেরকে দিশা দেখানো। যাতে তাঁদের গবেষণা ভারত-কেন্দ্রিক হতে পারে।’’ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান আরও বলেন, ‘‘আজকে সারা পৃথিবীব্যাপী মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ, ৮০ শতাংশ সংস্থানকে ভোগ করছেন। বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন এখন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে বড় সমস্যার কারণ হলে দাঁড়িয়েছে।’’ মোহন ভাগবত আরও (RSS) বলেন, ‘‘সারা বিশ্বব্যাপী বিতর্ক চলছে যে তারা উন্নয়নকে নেবে নাকি পরিবেশকে রক্ষা করবে।’’ এদিন তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের বস্তুগত বিষয়গুলির উন্নয়ন যেমন দরকার, তেমন আমাদের মনেরও উন্নয়ন দরকার। যাতে আমাদের ভিতরে সর্বদাই সমৃদ্ধি এবং সুখী ভাবটা থাকে।’’

    হাজির ইসরো চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী

    প্রসঙ্গত, এই সম্মেলনে হাজির ছিলেন ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথও। তিনি এই সম্মেলনকে সম্বোধন করে বলেন, ‘‘আমাদের চন্দ্রযান মিশন সফল হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য রয়েছে চাঁদে মানুষ পাঠানো ও ২০৪০ সালের মধ্যে নিজেদের নতুন স্পেস স্টেশন তৈরি করা।’’ এই সম্মেলনে হাজির ছিলেন নোবেল জয়ী কৈলাশ সত্যার্থীও। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমবারের জন্য ১,২০০ গবেষক এবং দু লাখ অংশগ্রহণকারী এক ছাদের তলায় এসে জড়ো হয়েছেন। এটা পৃথিবীর বড় ইভেন্ট বলা যেতে পারে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS chief: ‘‘দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ সঙ্ঘ প্রধানের

    RSS chief: ‘‘দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয়া দশমীতে আরএসএস-এর (RSS chief) নাগপুরের সভায় ফের উঠল আরজি কর কাণ্ড (RG Kar incident)। শনিবারই দশেরা উৎসবের প্রাক্কালে এই সভায় আরজি কর-কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুললেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। আরজি করের ঘটনাকে মহাভারতে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের সঙ্গেও তুলনা করলেন তিনি, এর পাশাপাশি মনে করালেন, ভরা রাজসভায় দ্রোপদীর বস্ত্রহরণের কারণেই ঘটেছিল কুরুক্ষেত্র। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক অভিযোগ তুললেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আরজি করে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার জড়িতদের আড়াল করার চেষ্টা করছে।

    তুলনা টানলেন দ্রোপদীর বস্ত্রহরণের (RSS chief)

    কলকাতার আরজি করের সঙ্গে মহাভারতের তুলনা টেনে ভাগবতের মন্তব্য, ‘‘মনে রাখতে হবে, দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়। আরজি করে এমন জঘন্য অপরাধের পরেও অপরাধীদের আড়াল করার জন্য কিছু লোক ঘৃণ্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’’ একই সঙ্গে এদিন নাগপুরের সভায় দেশ জুড়ে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেও দেখা যায় সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতকে (RSS chief)। তাঁর মতে, সামগ্রিক ভাবে সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে। তার ফলেই ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে। আক্রান্ত হচ্ছে মাতৃশক্তি।

    অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে

    রবিবার নাগপুরে সঙ্ঘের সদর দফতরে আয়োজিত নবরাত্রির সমাপ্তি অনুষ্ঠানে শনিবার সকালে ভাগবত (RSS chief) বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনা আমাদের সকলের কলঙ্ক (RG Kar incident)। এমন ঘটনা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়। আর ঘটলে সকলকে একসঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হবে। কিন্তু সেখানে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে।’’ আরজি করের ঘচনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নেমেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ধর্মতলায় এখনও কয়েকজন বসে রয়েছেন আমরণ অনশনে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদেরও সমর্থন করেছেন আরএসএস প্রধান। তাঁর মন্তব্য, ‘‘পুরো দেশ আজ ডাক্তার ভাইদের পাশে রয়েছে।’’

     

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বৃহস্পতিবারই তাঁর এক বক্তব্যে বলেন, ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত।’’  তিনি জানান, করোনা মহামারীর পর থেকে সমগ্র বিশ্ব উপলব্ধি করেছে যে ভারতই সারা দুনিয়াকে শান্তি এবং সুখের দিশা দেখাতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, একমাত্র সনাতন ধর্মই মানব সভ্যতার কল্যাণের কথা ভাবে। মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) তাঁর এদিনের বক্তব্যে আরও বলেন, ‘‘বিগত ২,০০০ বছর ধরে অনেক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে গোটা পৃথিবী কিন্তু এই সমস্ত কিছুই মানব সভ্যতাকে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু একমাত্র ভারতবর্ষের চিরাচরিত জীবন পদ্ধতি, ভারতবর্ষকে নতুনভাবে সারা দুনিয়াকে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির দিশা দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

    সনাতন ধর্ম অভিজাত প্রাসাদ থেকে নয়, আশ্রম ও অরণ্য থেকে উঠে এসেছে (Mohan Bhagwat)

    বৃহস্পতিবারই সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন, বিকাশ ভারতী নামের একটি সংগঠনের বৈঠকে। এই বৈঠকে হাজির ছিলেন গ্রামীণ স্তরের কর্মীরা। সেখানেই এই কথাগুলি বলেন সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। তিনি আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্ম অভিজাত প্রাসাদ থেকে নয়, আশ্রম ও অরণ্য থেকে উঠে এসেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত কিছুতেই পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমাদের প্রকৃতি কখনও বদলায়নি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সময়ের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রয়োজন হল নতুন পথ এবং পদ্ধতিকে গ্রহণ করা।’’ মোহন ভাগবত এদিন আরও বলেন, ‘‘প্রত্যেককে মানব সভ্যতা তথা সমাজের কল্যাণের জন্য বিরামহীন কাজ করে যাওয়া উচিত।

    আমাদের মনটা এক এবং যেটা অন্য কোনও দেশে দেখা যায় না 

    তিনি আরও (RSS) বলেছেন, ‘‘উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে আমাদের আরও কাজের প্রয়োজন, সেখানকার শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজে আমাদের আরও জোর দিতে হবে।’’ বনাঞ্চলের মানুষরা শান্তিপূর্ণ এবং সরল জীবন যাপন করেন বলেও জানান তিনি। মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) এদিন আরও বলেন, ‘‘বিভিন্ন পদ্ধতিতে ৩৩ কোটি দেবদেবীকে আমরা পুজো করি। ৩,৮০০ এরও বেশি ভাষা রয়েছে ভারতে, যেখানে মানুষ একের সঙ্গে অপরের কথা বলে। আমাদের খাদ্যাভাসের মধ্যেও অনেক রকমের বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায়। এই সমস্ত কিছু সত্ত্বেও আমাদের মনটা এক এবং যেটা অন্য কোনও দেশে দেখা যায় না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রামলালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন’’, মন্তব্য মোহন ভাগবতের

    Ram Mandir: ‘‘বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রামলালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন’’, মন্তব্য মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে ভগবানের আশীর্বাদ বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। প্রসঙ্গত ৫০০ বছরের সংঘর্ষের পর অযোধ্যায় স্থাপিত হয়েছে রাম মন্দির (Ram Mandir) । এই ঘটনাকে সর্বশক্তিমানের ইচ্ছা বলেও মন্তব্য করেন মোহন ভাগবত। সোমবারই মোহন ভাগবত হাজির ছিলেন মহারাষ্ট্রের পুনেতে। গীতা ভক্তি অমৃত মহোৎসব নামের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তিনি জানান, ভারতবর্ষের উত্থান হতেই হবে,  সারা পৃথিবীর মঙ্গলের জন্য। তিনি আরও বলেন, ‘‘২২ জানুয়ারি রাম লালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মন্দিরে, বহু সংঘর্ষের পরে এই সফলতা মিলেছে। বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রাম লালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন।’’

    শীঘ্রই শুরু হবে রামের দরবার নির্মাণের কাজ

    শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজ। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে রামের দরবার-এর প্রথম এবং দ্বিতীয় তলের নির্মাণকাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। জানা গিয়েছে, প্রভু রামের দরবারে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ। নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র শনিবারই মন্দির চত্বর (Ram Mandir) পরিদর্শন করেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন নির্মাণ কাজ শুরু হবে। একইসঙ্গে, ‘পরকোটা’-র কাজও শেষ করতে হবে। ৭৯৫ মিটার দীর্ঘ পরিক্রমা প্রাচীরের কাজও তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রথম ১১ দিনে পা পড়েছে ২৫ লাখ ভক্তের

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ৮ হাজার অতিথি সামিল হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে। তারপর থেকেই ভক্তদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়। হিসাব বলছে, প্রথম ১১ দিনে ২৫ লাখ ভক্তের পা পড়েছে রাম জন্মভূমিতে এবং মোট প্রণামী সংগৃহীত হয়েছে ১১ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা এসেছে শুধু প্রণামী বাক্স থেকেই এবং অনলাইনের মাধ্যমে প্রণামী পাঠানো হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই অযোধ্যা পৌঁছন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত। রামনগরীতে (Ram Mandir) পা রেখেই মোহন ভাগবত জানান, অযোধ্যার মন্দিরে রামলালার বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ভারতবর্ষের ‘পুনর্নির্মাণ’ অভিযানের সূচনা হতে চলেছে। এর পাশাপাশি তাঁর আরও সংযোজন, ‘দ্বন্দ্ব এবং তিক্ততা’-র অবসান হওয়া উচিত।

    গোটা সমাজের কাছে রাম হল আদর্শ

    প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায়ের ভিত্তিতে নির্মাণ হয়েছে রাম মন্দির। আজ সোমবার সেই মন্দিরে (Ram Mandir) রামলালার বিগ্রহের ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে সমাজমাধ্যমের পাতায় মোহন ভাগবত লেখেন, ‘‘গোটা সমাজের কাছে রাম হল আদর্শ। যে বিতর্ক, যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল, তা এখন শেষ হওয়া উচিত। সেই নিয়ে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা-ও শেষ হওয়া উচিত। সমাজের আলোকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ বার দেখা উচিত, যাতে ওই বিতর্ক নির্মূল হয়।’’

    রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’

    প্রসঙ্গত, ৫০০ বছরের লড়াইয়ে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)। মন্দিরের নির্মাণকে ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’ বলে উল্লেখ করেন মোহন ভাগবত। তিনি লিখেছেন, ‘‘রাম জন্মভূমিতে রামলালার প্রবেশ এবং তার প্রাণপ্রতিষ্ঠা আদতে ভারতবর্ষের পুনর্নির্মাণ অভিযানের সূচনা, বৈরিতা ছাড়া সকলকে গ্রহণ, সম্প্রীতি, ঐক্য, উন্নয়ন, শান্তির পথ দেখানোর সূচনা।’’ মোহন ভাগবতের কথায় উঠে এসেছে বিদেশি আক্রমণকারীদের প্রসঙ্গও। তিনি লিখেছেন, ‘‘বিদেশি আক্রমণকারীরা ভারতে মন্দির ধ্বংস করেছে। এক বার নয়, বার বার। ওদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় সমাজকে মনোবলহীন করে তোলা, যাতে ওরা দীর্ঘ সময় বাধাহীন ভাবে ভারতে রাজত্ব করতে পারে।’’

    ভারতীয় সমাজে বিশ্বাস, নীতি, অঙ্গীকার কখনওই নত হয়নি

    প্রসঙ্গত, ১৫২৮ সালে রাম মন্দির (Ram Mandir) ধ্বংস করে সেই স্থানে বাবরি মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। একথাও উল্লেখ পেয়েছে মোহন ভাগবতের লেখায়। তবে ভারতের ক্ষেত্রে বিদেশি আক্রমণকারীদের কৌশল খাটেনি বলেই মনে করেন মোহন ভাগবত। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয় সমাজে বিশ্বাস, নীতি, অঙ্গীকার কখনওই নত হয়নি। প্রতিহত করার লড়াই এখানে ক্রমাগত চলেছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এই কারণেই বার বার জন্মভূমি (রাম)-র দখল নিয়ে সেখানে মন্দির নির্মাণের চেষ্টা হয়েছে। তার জন্য অনেক যুদ্ধ, লড়াই, আত্মত্যাগও হয়েছে। রাম জন্মভূমি ইস্যু ভারতবাসীর মর্মে প্রবেশ করেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “জাতিপ্রথা আসলে পুরোহিতদের তৈরি”, দাবি আরএসএস প্রধানের

    Mohan Bhagwat: “জাতিপ্রথা আসলে পুরোহিতদের তৈরি”, দাবি আরএসএস প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাস্ত্রে উঁচুনিচু জাত বলে কিছু হয় না। ঈশ্বরের সামনে সব মানুষই সমান। এমনই দাবি করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “জাতিভেদ প্রথা আসলে পুরোহিতদের তৈরি।”

    কী বললেন মোহন ভগবত? 

    এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে শাস্ত্র নিয়ে যারা ব্যবসা করেন, তাদের একহাত নেন মোহন ভগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “ঈশ্বরের কাছে সকলেই সমান। সেখানে জাতি কিংবা শ্রেণির ভিত্তিতে কোনও ভেদাভেদ নেই। শাস্ত্রের নামে অনেক পণ্ডিত যা বলেন, তা আসলে মিথ্যা। জাতির মধ্যে উঁচু নিচু ভেদাভেদ করার কথা শাস্ত্রে বলা হয়নি, তা আসলে পুরোহিত শ্রেণির তৈরি করা।”

    আরও পড়ুন: নারীর যৌনসুখ কমাতে যৌনাঙ্গচ্ছেদন! ঘৃণ্য প্রথার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন

    সন্ত শিরোমণি রোহিদাস-এর ৬৪৭ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মুম্বইয়ের রবীন্দ্র নাট্য মন্দিরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মোহন ভগবত (Mohan Bhagwat)। সেখানেই তাঁর গলায় শোনা যায় এই উদারনীতির কথা। এর আগে সাধারণত আরএসএসের নেতাদের মুখে কট্টরনীতির কথাই শোনা গিয়েছে বার বার। কিন্তু এবারের আরএসএস প্রধানেফ মুখে শোনা গেল অন্যরকম সুর। জাতপাতের ভেদাভেদকে সরিয়ে রেখে মানবতার কথা বললেন সংঘ প্রধান। তুলসীদাস, কবীর, সুরদাসের মতো ধর্মপ্রচারকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এই মনিষীদের মতোই সাধারণ মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছতে পেরেছিলেন সন্ত শিরোমণি রোহিদাস। শুনিয়েছিলেন সত্য, সংবেদন, পবিত্রতা এবং নিরন্তর কঠোর পরিশ্রমের মন্ত্র। শাস্ত্রের বিচারে ব্রাহ্মণদের হারানো তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না, কিন্তু সাধারণ মানুষকে ঈশ্বরের অভিমুখী করে তুলতে পেরেছিলেন তিনি।”

    এরপরেই পুরোহিতদের (Mohan Bhagwat) একাংশকে নিশানা করে তিনি বলেন, “আমরা যে যাই কাজ করি না কেন, সবকিছুই সমাজের উপকার করে। আর সেই বিচারে কোনও কাজের ছোট বড় হয় না। তাহলে মানুষের মধ্যেই বা বৈষম্য থাকবে কেন?

    যদিও শাস্ত্রব্যবসায়ীদের বিঁধলেও হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলেননি আরএসএস প্রধান (Mohan Bhagwat)। তাঁর মত, “কোনও পরিস্থিতিতেই নিজের ধর্ম ত্যাগ করা উচিত নয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     
  • Mohan Bhagwat: নেতাজি জন্ম-জয়ন্তী পালন! কালই রাজ্যে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: নেতাজি জন্ম-জয়ন্তী পালন! কালই রাজ্যে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কলকাতায় আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। থাকবেন আগামী সোমবার পর্যন্ত। ছ’দিনের সফরের বেশিটা জুড়েই থাকবে সাংগঠনিক বৈঠক। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্টদের সঙ্গে কলকাতায় দেখা করবেন ভাগবত। সবটাই একান্তে। রুদ্ধদ্বার। শেষ দিন শহিদ মিনারে প্রকাশ্য কর্মসূচি। এমনই হয়ে থাকে আরএসএস তথা ভাগবতের যে কোনও রাজ্য সফরের কর্মসূচিতে। অতীতে বাংলা তথা কলকাতাতেও হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সঙ্ঘের তরফে ভাগবতের সফরসূচি ঘোষণা করা হয়।

    নেতাজি জয়ন্তী পালন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে মূল বক্তা ছিলেন সঙ্ঘের সাংগঠনিক পূর্ব ক্ষেত্রের (পূর্ব ভারত) সঙ্ঘচালক (সভাপতি) অজয়কুমার নন্দী। ছিলেন দক্ষিণবঙ্গের প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায়, কলকাতার প্রচার প্রমুখ শুভ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা।  রাজ্যের প্রচার প্রমুখ বিপ্লব বলেন, ‘‘সঙ্ঘ তো বরাবরই পরিবর্তনের পক্ষে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্যই প্রায় শতবর্ষ বয়স হতে চলা সঙ্ঘ এখনও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক এবং জীবন্ত। আমরা বিশ্বাস করি, আদর্শ অটুট রেখে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহিরাঙ্গে বদল আনতে হয়।’’ আগামী বৃহস্পতিবার শহরের কোনও হোটেলে বিশিষ্টদের নিয়ে একান্তে কথা বলবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।  তবে সেখানে কে কে আসবেন তা এখনও প্রকাশ করেনি সঙ্ঘ। তবে অনুমান করা হচ্ছে কলকাতার বাসিন্দা তিন বিখ্যাত ধ্রুপদী শিল্পী অজয় চক্রবর্তী, রাশিদ খান এবং তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার আমন্ত্রণ পেতে পারেন। কারণ, গত কয়েক বছরে ‘সম্পর্ক তৈরি করতে’ এঁদের বাড়িতে গিয়েছিলেন ভাগবত।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরের অক্টোবরেই সম্পন্ন হবে রাম মন্দিরের প্রথম তলার নির্মাণ!

    এ বার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে কলকাতায় থাকছেন ভাগবত। সেই কারণে ২৩ জানুয়ারি শহিদ মিনারে সঙ্ঘ ‘নেতাজি লহ প্রণাম’ অনুষ্ঠান করবে। থাকবেন ভাগবত। এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে অজয়কুমার বলেন, ‘‘নেতাজি জয়ন্তী পালন সঙ্ঘের কাছে নতুন কিছু নয়। স্বয়ংসেবকদের দৈনিক প্রাতঃস্মরণ মন্ত্রেই নেতাজি রয়েছেন। সঙ্ঘস্থান মানে শাখায় জন্মদিন অনুষ্ঠানও হয়।’’ ওই অনুষ্ঠানে মোহন ভাগবতের থাকা প্রসঙ্গে অজয়কুমার জানান, ‘‘এটা ঘটনাচক্র। এক বছর আগে থেকেই সরসঙ্ঘচালক কবে, কোন রাজ্যে যাবেন সেটা ঠিক হয়ে থাকে। এটাই আমাদের ধারা। এমন একটা দিনে তাঁকে কলকাতায় পাওয়া যাচ্ছে দেখেই ওই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share