Tag: rural employment

  • VB-G RAM-G: পশ্চিমবঙ্গে ১২৫ দিনের কাজের জন্য ১,২৬৪ কোটি টাকা বরাদ্দ, বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    VB-G RAM-G: পশ্চিমবঙ্গে ১২৫ দিনের কাজের জন্য ১,২৬৪ কোটি টাকা বরাদ্দ, বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের মাত্র দু’মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই রাজ্যের জন্য ১২৫ দিনের গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পে প্রথম কিস্তির অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ঘোষণা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের জন্য ১,২৬৪.৪৯ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১ জুলাই থেকে রাজ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন বিজেপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি কেন্দ্রের তরফে রাজ্যের জন্য অন্যতম বড় আর্থিক বরাদ্দ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রবিবার কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য ‘বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’ প্রকল্পের প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড়ার ঘোষণা করেন।

    দেশজুড়ে ২৫,৮৬৩ কোটি টাকার বরাদ্দ

    কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এদিন গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য মোট ২৫,৮৬৩ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ, যেখানে দেওয়া হয়েছে ৩,২১০.৭৬ কোটি টাকা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই ওই রাজ্যে বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রাখা হয়েছে।

    দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ

    বিগত সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ দীর্ঘ সময় ধরে আটকে ছিল। কেন্দ্রের অভিযোগ ছিল, প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম, ভুয়ো নাম অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত অসঙ্গতির কারণে প্রকৃত শ্রমিকদের কাছে মজুরি পৌঁছাতে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল রাজ্যে পরিদর্শন করে। পরে বিভিন্ন সুপারিশের ভিত্তিতে উপভোক্তা তালিকা সংশোধন ও তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।

    এবার জোর স্বচ্ছতা ও সময়মতো মজুরি প্রদানে

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, শুধু অর্থ বরাদ্দ নয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও এবার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি মজুরি পৌঁছে দেওয়ার উপর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রতিটি স্তরে নজরদারি আরও কঠোর করা হবে যাতে সরকারি অর্থের অপব্যবহার রোধ করা যায় এবং প্রকৃত উপভোক্তারাই এর সুবিধা পান।

    ১০০ দিনের বদলে এখন ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান

    একসময় মনরেগা (MGNREGA) নামে পরিচিত এই গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’ বা ভিবি-জিরাম-জি। নতুন কাঠামোয় বছরে কর্মসংস্থানের সীমা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, এর ফলে গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য পূরণ হবে। পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম বড় আর্থিক বরাদ্দকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে প্রকল্পের বাস্তবায়ন, শ্রমিকদের সময়মতো মজুরি প্রদান এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়গুলিই সবচেয়ে বেশি নজরে থাকবে।

  • VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে ‘বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫’। নয়া আইনের আওতায় সারা (VB G RAM G) দেশে গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে (Minimum Wage)। পাশাপাশি যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের নিশ্চিত মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    বাড়ল গড় দৈনিক মজুরি (VB G RAM G)

    নয়া ব্যবস্থায় জাতীয় স্তরে ঘোষিত গড় দৈনিক মজুরি ২৯৮.৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩২৭.৪ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ গড়ে ১০ শতাংশেরও বেশি মজুরি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, দেশের কোনও এলাকায়ই ঘোষিত ন্যূনতম দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার নীচে থাকবে না। সমস্ত রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং নির্ধারিত মজুরি অঞ্চলের জন্য সংশোধিত মজুরির হার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং হিমাচল প্রদেশে দৈনিক মজুরি ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নতুন আইনে গ্রামীণ পরিবারগুলির জন্য নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সীমা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হবে।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সরকারের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে তোলা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামে মহিলাদের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। নতুন আইন নির্বিঘ্নে কার্যকর করতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য অন্তর্বর্তী বরাদ্দ হিসেবে ৯৫ হাজার ৬৯২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিয়েছে। এই অর্থ কর্মসংস্থান অব্যাহত রাখা, সময়মতো মজুরি দেওয়া এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের কাজে ব্যয় করা হবে। কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫ গ্রামীণ ভারতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই আইন গ্রামীণ শ্রমিকদের আরও বেশি জীবিকা সুরক্ষা, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাস জোগাবে (VB G RAM G)।”

    সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন

    তিনি বলেন, “১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের আইনি নিশ্চয়তা গ্রামীণ পরিবারের পাশে থাকার সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। সরকারের অগ্রাধিকার হল, প্রত্যেক যোগ্য শ্রমিক যাতে প্রয়োজনের সময় কাজ পান, তা নিশ্চিত করা (Minimum Wage)।” মন্ত্রী জানান, নয়া আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও কারিগরি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে উঠবে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন আরও জোরদার হবে এবং আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নাগরিকদের শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর গ্রাম গড়ে তোলার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান (VB G RAM G)।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন যাঁরা

    এই আইনের জাতীয় সূচনা অনুষ্ঠান হয় বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপমুখ্যমন্ত্রী কোনিদেলা পবন কল্যাণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী চন্দ্র শেখর পেম্মাসানি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানে নতুন কর্মসূচির সূচনা, উপভোক্তাদের গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কার্ড বিতরণ, নতুন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম চালু, বিভিন্ন (Minimum Wage) প্রকাশনা প্রকাশ, উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং আইন কার্যকর করতে একাধিক উদ্যোগেরও সূচনা করা হয় (VB G RAM G)।

     

  • 100 Days Work Restart: ‘ডবল ইঞ্জিন’ বাংলায় বড় সিদ্ধান্ত! ১ জুন থেকেই বাংলায় ফের ১০০ দিনের কাজ, তবে বাদ পড়ছে এই ২ জেলা

    100 Days Work Restart: ‘ডবল ইঞ্জিন’ বাংলায় বড় সিদ্ধান্ত! ১ জুন থেকেই বাংলায় ফের ১০০ দিনের কাজ, তবে বাদ পড়ছে এই ২ জেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর প্রশাসনিক গতি বাড়াতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নতুন সরকার। এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করলেন, আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় ফের চালু হতে চলেছে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প বা মনরেগা। সোমবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্যের ৩৪টি দফতরের সচিবদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে এই নির্দেশ দেন তিনি। তবে আপাতত দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় এই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে না বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদে

    নবান্ন সূত্রের খবর, এই দুই জেলাতেই পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, ভুয়ো জব কার্ড তৈরি, কাজ না করেই টাকা তোলা, কাজের খতিয়ানে কারচুপি এবং কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের মতো একাধিক অনিয়ম হয়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে। তাই তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ওই দুই জেলায় প্রকল্প চালু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ বাদে বাকি সমস্ত জেলাতেই দ্রুত গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প শুরু করতে হবে। কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এলেই যাতে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় এবং প্রকল্পে গতি আনা সম্ভব হয়, সেই প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে।

    বিতর্কের সূত্রপাত ২০২২ সালে

    উল্লেখ্য, বাংলায় ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে। কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ ছিল, পশ্চিমবঙ্গে মনরেগা প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে। ভুয়ো জব কার্ড, বেআইনি নিয়োগ এবং কাজের হিসাবপত্রে অসংখ্য অসঙ্গতির অভিযোগ সামনে আসে। এর পরেই কেন্দ্র ‘৭ নম্বর ধারা’ প্রয়োগ করে বাংলার জন্য মনরেগার সমস্ত তহবিল এবং বকেয়া অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়। তৎকালীন তৃণমূল সরকার অবশ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলে। তাদের দাবি ছিল, বাংলার গরিব মানুষের প্রাপ্য টাকা আটকে রাখা হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। বকেয়া টাকার দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলনেও নামে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নেতৃত্বে রাজধানীতে ধরনা কর্মসূচিও হয়েছিল। অন্যদিকে কেন্দ্রের বক্তব্য ছিল, আগের খরচের পূর্ণ হিসাব এবং দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নতুন করে অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব নয়।

    উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’

    রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এখন ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’-এর তত্ত্ব সামনে এনে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নতুন সরকার মনে করছে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয় থাকলে গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের কাজ আরও দ্রুত এগোবে। সেই লক্ষ্যেই ১ জুন থেকে পুনরায় প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, তৃণমূল আমলে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকার ‘কর্মশ্রী’ নামে একটি বিকল্প প্রকল্প চালু করেছিল। সেখানে জব কার্ড হোল্ডারদের ৫০ থেকে ৭০ দিনের কাজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে নতুন সরকার ফের কেন্দ্রীয় মনরেগা প্রকল্প চালু করার উপরেই জোর দিচ্ছে।

    নিয়মিত সমন্বয় বৈঠক…

    শুধু ১০০ দিনের কাজ নয়, প্রশাসনিক সমন্বয় বাড়াতেও বড় পদক্ষেপ করেছে নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রতি মাসে সব দফতরের সচিবদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় বৈঠক করা হবে। প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি।

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

LinkedIn
Share