Tag: rural housing scheme

rural housing scheme

  • Paschim Banga Awas: ‘বাংলার বাড়ি’র নাম বদলে ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’, আজ থেকেই ১৮ লক্ষ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা

    Paschim Banga Awas: ‘বাংলার বাড়ি’র নাম বদলে ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’, আজ থেকেই ১৮ লক্ষ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামের বদল, টাকাও পৌঁছতে শুরু করেছে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে। একসময় কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ বাংলায় বদলে হয়েছিল ‘বাংলার বাড়ি’। এবার সেই প্রকল্পই ফের নতুন পরিচয় পেল। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ‘বাংলার বাড়ি’র নাম বদলে রাখল ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’ (Paschim Banga Awas)। একইসঙ্গে শুরু হয়ে গেল দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ প্রদান। সরকারের দাবি, ১৮ লক্ষ যোগ্য উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বৃহস্পতিবার থেকেই ৬০ হাজার টাকা করে পাঠানো হচ্ছে।

    নবান্ন (Nabanna) থেকে বড় ঘোষণা

    বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই ঘোষণা করেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি জানান, প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আজ থেকেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হয়েছে। মোট ১৮ লক্ষ মানুষ পাবেন ৬০ হাজার টাকা করে। তৃণমূল সরকারের তৈরি প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকার মধ্যে সাড়ে ১২ লক্ষই অযোগ্য। সেইসব নাম বাদ দিয়েই যোগ্য উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হচ্ছে।

    ‘রং-ধর্ম নয়, যোগ্যতাই হবে একমাত্র মাপকাঠি’

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “যোগ্যরা সবাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। উপভোক্তাদের রং দেখব না, ধর্ম দেখব না।” সরকারের এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি দারিদ্রসীমার নিচে থাকা বহু উপভোক্তা। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা হাতে পেয়ে অসমাপ্ত বাড়ির নির্মাণকাজ শেষ করার আশা দেখছেন তাঁরা।

    কীভাবে বদলেছে প্রকল্পের নাম?

    মূলত এটি কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। কিন্তু তৃণমূল সরকারের আমলে এই প্রকল্পের নাম নিয়ে আপত্তি ওঠে। সেই সময় রাজ্য সরকারের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্র প্রয়োজনীয় অর্থ দিচ্ছে না। এরপর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ঘোষণা করেন, রাজ্য সরকার নিজস্ব উদ্যোগেই প্রকল্প চালাবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্পের নাম বদলে রাখা হয় বাংলার বাড়ি। উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি হয় এবং প্রতিটি বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হয় এবং বিজেপি সরকার গঠিত হয়। নতুন সরকারের দাবি, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের মতো আবাস প্রকল্পেও দ্রুততার সঙ্গে অনুদান পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

    কেন বদল হল নাম?

    এপ্রসঙ্গে এদিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এতদিন তৃণমূল সরকারের আপত্তি ছিল মোদিজির প্রকল্পের নাম নিয়ে। গোটা দেশে যে প্রকল্পের সুবিধা দরিদ্র মানুষ পান, সেটা পশ্চিমবঙ্গে এতদিন সেই নামে চলত না। আমাদের স্পষ্ট কথা, এখন থেকে গোটা দেশের মতোই পশ্চিমবঙ্গেও কাজ হবে। তাই বাংলার বাড়ির নাম বদলে পশ্চিমবঙ্গ আবাস (Paschim Banga Awas) রাখা হচ্ছে। এদিন থেকেই দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের সময় তৈরি তালিকায় বহু অযোগ্য ব্যক্তির নাম ছিল। সেইসব নাম যাচাই করে বাদ দেওয়ার পরই বর্তমান সরকার দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ প্রদান করছে।” নামের বদলের সঙ্গে শুরু হল দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও বিতরণ। একদিকে প্রকল্পের নতুন পরিচয় পশ্চিমবঙ্গ আবাস, অন্যদিকে ১৮ লক্ষ উপভোক্তার হাতে ৬০ হাজার টাকা- এই দুই ঘোষণাকেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরছে রাজ্য সরকার।

  • PM Modi: “আমার সরকারের ১০টা বছরই উৎসর্গীকৃত দরিদ্রদের জন্য”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “আমার সরকারের ১০টা বছরই উৎসর্গীকৃত দরিদ্রদের জন্য”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার সরকারের ১০টা বছরই উৎসর্গীকৃত দরিদ্রদের জন্য।” সোমবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযানে প্রথম দফায় ৫৪০ কোটি টাকা অনুমোদন দেন। এই রুরাল হাউসিং স্কিমে উপকৃত হবেন এক লাখ মানুষ। উপভোক্তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাবেন বাড়ি, রান্নার গ্যাসের সংযোগ, বিদ্যুৎ এবং নলবাহিত পানীয় জল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের লক্ষ্যই হল, দেশের কেউ যেন জনকল্যাণমূলক এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত না হন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছানো প্রয়োজন সব চেয়ে পিছিয়ে পড়া উপজাতি ভাই ও বোনেদের কাছে। পিএম জনমন মহা অভিযানের এটাই লক্ষ্য। সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে প্রতিটি প্রকল্পের সুবিধা যেন তাদের কাছে পৌঁছায়। এখন সব চেয়ে পিছিয়ে পড়া ভাই ও বোনেরা আর সরকারি কোনও প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।”

    কী জানাল মহারাষ্ট্রের কিশোরী?

    এদিন ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কথা বলেন মহারাষ্ট্রের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযান প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে তার পরিবার। প্রধানমন্ত্রী তাকে জিজ্ঞাসা করেন স্কুলে সে কী কী সুবিধা পায়। কুমারী ভারতী নারায়ণ নামের ওই ছাত্রী জানায়, খেলাধুলোর জন্য তাদের স্কুলে মাঠ রয়েছে, থাকার জন্য হস্টেল রয়েছে। সুস্থাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারও পরিবেশন করা হয়।

    আরও পড়ুুন: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন ছত্তিশগড়ের যশপুরের একজনও। তাঁর পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচ। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় তিনি পাকা বাড়ি পেয়েছেন। পেয়েছেন বিদ্যুৎ, ট্যাপের জল এবং গ্যাস সংযোগ। ১৫ নভেম্বর লঞ্চ হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযান। বাজেট ছিল প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। দিনটি ছিল জনজাতীয় গৌরব দিবস। এই প্রকল্পে উপভোক্তারা বাড়ি, স্বচ্ছ পানীয় জল, শৌচাগার, বিদ্যুৎ, রাস্তার সুযোগ পান। জীবনযাত্রার ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধাও মেলে এই প্রকল্পে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share