Tag: sail

sail

  • PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। অবশ্য এই অনুমতি সবাইকে নয়, ভারত (PM Modi) হেভি ইলেকট্রিক্যালস এবং স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মতো কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে। সরকারি সূত্রের খবর, এটি করা হয়েছে আগের বিধিনিষেধ শিথিল করার পর।

    শিথিল করা হল বিধিনিষেধ (PM Modi)

    গত মাসে একটি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, ২০২০ সালের প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর চিনা সরঞ্জাম কেনার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, ভারত তা শিথিল করতে যাচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ ও কয়লা কোম্পানিগুলি সীমিত পরিসরে আমদানি শুরু করতে পারবে, কারণ যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও প্রকল্প বিলম্ব ক্রমেই বাড়ছিল। এরপরেই ভারত চিনের ওপর বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিধিনিষেধও শিথিল করেছে। নয়া নিয়ম শিথিলের আওতায়, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সরঞ্জাম নির্মাতা ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস চিন থেকে ২১ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে পারবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। একই ধরনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়াকেও। অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকেও কয়লা-গ্যাসিফিকেশন (coal-gasification) সরঞ্জাম সংগ্রহের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষ

    ২০২০ সালে হিমালয় সীমান্তে গলওয়ানে ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর নয়াদিল্লি চিনা পণ্য ও বিনিয়োগের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের পুনর্বিন্যাস শুরু হওয়ায়, সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিশীল রাখা এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ভারত এখন চিনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের কথা বিবেচনা করছে (PM Modi)। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছর পর প্রথমবার চিন সফর করেছিলেন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করেছিলেন তিনি। এর পর দুই দেশ সরাসরি ফ্লাইট চালু করে এবং নয়াদিল্লি চিনা ব্যবসায়িক পেশাজীবীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে।

    চলতি মাসে জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত চুক্তিতে অংশ নেওয়া চিনা দরদাতাদের (bidders) আর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা অনুমোদনের জন্য সরকারি কমিটির কাছে রেজিস্ট্রি করতে হবে না। এর আগে এই মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চিনা বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। মূলধন সঙ্কট কমাতেই এটি করা হয় (China)। অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয় এই বিধিনিষেধ শিথিল করা (PM Modi)।

     

  • Durgapur: সেইলের জমিতে উচ্ছেদের আগে দিতে হবে পুনর্বাসন, দাবি বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়ার

    Durgapur: সেইলের জমিতে উচ্ছেদের আগে দিতে হবে পুনর্বাসন, দাবি বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি ওয়ার্ডে সেইল-এর জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল দুর্গাপুর (Durgapur)। ঠিক তখন সাংবাদিক বৈঠকে দুর্গাপুরের ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সেইল-এর জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে মানুষের পাশেই থাকলেন বিজেপি সাংসদ এসএস আলুওয়ালিয়া। বিজেপি সাংসদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করলে বুলডোজারের সামনে আমি রুখে দাঁড়াবো। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সেইল-এর অধীনস্থ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা এবং মিশ্র ইস্পাত কারখানার জমি দখল করে বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়াতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    নিজের বাড়িতে (Durgapur) সাংবাদিক সম্মেলন

    সেইল উচ্ছেদের নোটিশ দিতেই পুনর্বাসবের দাবিতে দুর্গাপুরের ৩২ এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডের মানুষ বিক্ষোভে নেমেছে। পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা হলে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়ার। শনিবার সকালে দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে সাংসদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সম্প্রসারণ করতে যেমন জমির প্রয়োজন, তেমনি ওই জমির উপর বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদ করতে গেলে পুনর্বাসনের প্রয়োজন। পুনর্বাসন যতক্ষণ না দেওয়া হবে, ততক্ষণ জমি কেউ ছাড়বেন না। কেন্দ্রীয় সংস্থা উচ্ছেদ করতে গেলে বুলডোজারের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্ছেদ রুখবো। দুর্গাপুর (Durgapur) থেকে কড়া হুঁশিয়ারি বিজেপি সাংসদের।

    আরও কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    এছাড়াও তিনি জানান, তিনি সাংসদ হওয়ার আগে দুর্গাপুর (Durgapur) ইস্পাত কারখানা অর্থাৎ সেইল-এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ সমস্ত রাজনৈতিক দলই চেয়েছে, সাধারণ মানুষ চেয়েছে, আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারণ তো আর হাওয়ায় হবে না, তার জন্য জমি দরকার। কিন্তু যাঁরা এত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আগে করতে হবে এবং সেজন্য সবাইকে হাতে হাত মিলিয়ে একমত হতে হবে। কারণ  দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারণ হলে তাতে উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি হবে, তেমন কর্মসংস্থানও বাড়বে। কিন্তু জমির জন্য তা করা যাচ্ছে না। তাই বসবাসকারীরা জমি ছেড়ে দিলে এই কারখানা আরও বৃহৎ আকার ধারণ করবে। তবে তার আগে পুনর্বাসন হওয়াটাও ভীষণভাবে জরুরি। যাঁরা এত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের সঙ্গে তিনি রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share