Tag: Samajwadi Party

Samajwadi Party

  • PM Modi: “নারীদের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি”, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “নারীদের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি”, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নারীদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি (Womens Bill) ও দেশের অগ্রগতি—উভয়ই।” ১৮ এপ্রিল, শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় এদিন বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। বিরোধীরা সংবিধান এবং মহিলাদের আকাঙ্ক্ষা—উভয়ের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলেও তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য এই আইনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিলটি একবিংশ শতাব্দীর মহিলাদের জন্য ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী একে ‘সময়ের দাবি’ বলেও বর্ণনা করেন। তিনি এও বলেন, “ভারতের উন্নয়নের যাত্রায় নারীদের সমান অংশীদার করার জন্য এটি (বিলটি) একটি পরিষ্কার ও সৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল।” লোকসভায় বিলটি পাশ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ দেখছে কীভাবে নারীদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি ও দেশের অগ্রগতি—উভয়ই।” সংসদে বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া জানানোরও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “তাঁরা যা করেছেন, তা শুধু ডেস্কে আঘাত করা নয়, বরং মহিলাদের আত্মসম্মানের ওপর আক্রমণ।”

    বিরোধীদের আসল চেহারা প্রকাশ

    কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলিকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী তাদের সংবিধান ও নারী ক্ষমতায়নের বিরোধী বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, তারা (বিরোধীরা) ঐতিহাসিকভাবে নারীদের সংরক্ষণ আনার প্রচেষ্টায় বাধা সৃষ্টি করেছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “কংগ্রেস মহিলাদের সংরক্ষণের ধারণাকে ঘৃণা করে এবং সবসময় বাধা সৃষ্টি করেছে (Womens Bill)। বিরোধীরা দেশের সামনে তাদের আসল চেহারাও প্রকাশ করেছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি আশা করেছিলাম কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের ভুল সংশোধন করবে, মহিলাদের সমর্থনে দাঁড়াবে, কিন্তু তারা ইতিহাস গড়ার সুযোগ হারিয়েছে।” বিরোধীদের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলে তিনি জানান, তাদের কাজ আবারও প্রমাণ করেছে যে তাদের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার জাতীয় স্বার্থের ওপরে (PM Modi)।

     

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • Election Commission: সমাজবাদী সাংসদের সঙ্গে বাগদান, নির্বাচন কমিশনের কোপে পদ খোয়ালেন রিঙ্কু সিং

    Election Commission: সমাজবাদী সাংসদের সঙ্গে বাগদান, নির্বাচন কমিশনের কোপে পদ খোয়ালেন রিঙ্কু সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটার সচেতনতা অভিযান থেকে ক্রিকেটার রিঙ্কু সিংকে (Rinku Singh) সরানো হলো। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ প্রিয়া সরোজের সঙ্গে তাঁর বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ব্যক্তি ভোটার সচেতনতা কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে পারেন না। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত প্রচারমূলক উপকরণ—পোস্টার, ব্যানার, ভিডিও এবং ওয়েবসাইটের কনটেন্ট থেকে রিঙ্কু সিংকে—তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে।

    কেন সরানো হল রিঙ্কুকে

    উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফ থেকে রিঙ্কু সিংকে এসভিইইপি (সিস্টেম্যাটিক ভোটার এডুকেশন অ্যান্ড ইলেক্টোরাল পার্টিসিপেশন) অভিযানের মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। তিনি রাজ্যজুড়ে সরকারি বিজ্ঞাপন, স্টেডিয়ামের হোর্ডিং, সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার এবং ভিডিও বার্তায় অংশ নিয়েছিলেন। রাজ্যের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার দফতর জানিয়েছে, রিঙ্কু সিং (Rinku Singh) রাজ্যের একজন পরিচিত মুখ এবং তার অংশগ্রহণে ভোটার সচেতনতা প্রচারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তবে, কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হলে বা তার পক্ষপাতিত্বের সম্ভাবনা দেখা দিলে তাকে এই ধরনের উদ্যোগ থেকে বিরত রাখা হয়। এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।জানপুর জেলার নির্বাচন অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (আর্থিক ও রাজস্ব) জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পাওয়ার পর জেলা ও উপজেলা স্তরের সব এসডিএম, নির্বাচন কর্মকর্তাদের এবং এসভিইইপি টিমকে এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জুনে বাগদান সম্পন্ন

    গত জুন মাসের ৮ তারিখ জীবনের এক নয়া অধ্যায়ের সূচনা করেছেন ক্রিকেট তারকা রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। লক্ষ্ণৌ’র অভিজাত সেন্ট্রাম হোটেলে তিনি সেরেছেন বাগদান। রিঙ্কু’র হবু স্ত্রী প্রিয়া সরোজ একজন আইনজীবী। এছাড়াও অন্য একটি পরিচয় রয়েছে তাঁর। দেশের দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম সাংসদ তিনি। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতেছেন উত্তরপ্রদেশের মছলিনগর কেন্দ্র থেকে। প্রিয়া’র বাবা তুফান সরোজ’ও সমাজবাদী পার্টির বড় মাপের নেতা। দীর্ঘদিন সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে কেরাকাট জৌনপুরের বিধায়ক পদে রয়েছেন তিনি। তাই নির্বাচন কমিশন মনে করছে, ভোটার সচেতনতা অভিযান উদ্যোগে রাজনৈতিক প্রভাব পড়লে তা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। তাই সতর্কতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

     

     

     

  • Rana Sanga: ইব্রাহিম লোদি থেকে বাবর, তাঁর হাতেই হন পরাস্ত, জানুন রানা সঙ্গের বীরত্বগাথা

    Rana Sanga: ইব্রাহিম লোদি থেকে বাবর, তাঁর হাতেই হন পরাস্ত, জানুন রানা সঙ্গের বীরত্বগাথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রামজি লাল সুমন সম্প্রতি রানা সঙ্গ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সংগ্রাম সিং যিনি রানা সঙ্গ (Rana Sanga) নামে পরিচিত তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বলে উল্লেখ করেছেন সমাজবাদী পার্টির এই নেতা। এতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়ও উঠেছে এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদে। গত শনিবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ বলেন, ‘‘রানা সঙ্গ ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করার জন্য বাবরকে ভারতে ডেকেছিলেন।’’ এই কারণে রানা সঙ্গকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। তবে গবেষকরা বলছেন, ‘‘সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন দাবি বিকৃত তথ্যের উপর দাঁড়িয়ে আছে এবং এটা মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই নয়।’’ বাস্তবতা হল, রানা সঙ্গ নিজেই একাধিকবার ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এর বাইরে গুজরাট এবং মালোয়ার সুলতানের সেনাবাহিনীকে বেশ কয়েকবার পরাস্ত করেন এই ভারতীয় রাজা। শুধু তাই নয়, বায়নার যুদ্ধে রানা সঙ্গের কাছে পরাস্ত হন খোদ বাবরও।

    সংগ্রাম সিংয়ের দাপটে পরাস্ত হন বাবরও (Babar)

    ১৫২৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাবর ও সংগ্রাম সিংয়ের বাহিনী বায়নার যুদ্ধক্ষেত্রে মুখোমুখি হয়। এই যুদ্ধে বাবরের বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হয়। স্কটিশ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম এরস্কাইন লিখছেন, সংগ্রাম সিংয়ের বীরত্ব সম্পর্কে আগে থেকেই জানতেন বাবর। কিন্তু বায়নার যুদ্ধে তিনি প্রথমবারের জন্য মুখোমুখি হন এই ভারতীয় রাজার। এরস্কাইনের মতে, মুঘলরা বুঝতে পেরেছিল যে রানা সংগ্রাম সিং (Rana Sanga) আফগানদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। বায়নার যুদ্ধ সম্পর্কে মুঘল সম্রাট বাবর তাঁর আত্মজীবনী বাবরনামায় লিখছেন, ‘‘কাফেররা এত ভয়ঙ্কর যুদ্ধ করছিল যে মুঘল সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে গিয়েছিল। তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল।’’ ইতিহাসবিদ কৃষ্ণরামের মতে, সংগ্রাম সিং বাবরকে একজন অত্যাচারী এবং বিদেশি আক্রমণকারী হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি দিল্লি এবং আগ্রা জয় করে এই বিদেশি আক্রমণকারীদের শেষ করতে চেয়েছিলেন। বাবরের সঙ্গে এই যুদ্ধে (বায়নার) রানা সঙ্গকে সমর্থন করেন অনেক ভারতীয় রাজা। মারওয়ারের শাসক রাও গঙ্গার পুত্র মালদেব, চান্দেরির মেদিনী রায়, মের্তার রাইমল রাঠোর, সিরোহির আখেরাজ দুদা, ডুঙ্গারপুরের রাওয়াল উদয় সিং, সালুম্বরের রাওয়াত রত্না সিং, সাদারীর ঝালা আজা প্রমুখরা রানা সঙ্গকে (Rana Sanga) সমর্থন করেন।

    একশোটিরও বেশি যুদ্ধ করেছিলেন রানা সঙ্গ (Rana Sanga)

    ব্যাপক শক্তিশালী সেনা ছিল রানা সঙ্গের। ইব্রাহিম লোদিকে একাধিকবার পরাস্ত করতে সক্ষম হন এই ভারতীয় রাজা। তাঁর দাপটের সামনে টিকতে পারতেন না অত্যাচারী সুলতানরা। এমন একজন রাজাকে কেন বাইরের কারও সাহায্য নিতে হবে? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য রানার সঙ্গের বিরোধীরা দিতে পারেননি। এমন প্রসঙ্গ নিয়ে কোনও কথা বলতেও শোনা যায়নি সমাজবাদী পার্টির সাংসদকে। জানা যায়, ১৫০৮ সালেই মেবারের শাসক হয়ে ওঠেন রানা সঙ্গ। নিজের জীবনে ১০০টিরও বেশি তিনি যুদ্ধ করেছিলেন। এরমধ্যে একমাত্র খানুয়ার যুদ্ধে তিনি পরাস্ত হয়েছিলেন। রানা সঙ্গের এই দাপট এবং বীরত্বের জন্য তাঁকে ‘হিন্দুপত’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। জানা যায়, যুদ্ধে লড়তে গিয়ে তিনি নিজের একটি চোখ এবং একটি হাতও হারিয়েছিলেন। শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে তাঁর একটি পা নষ্ট হয়ে যায়। রানা সঙ্গের বা সংগ্রাম সিংয়ের শরীরে আশিটিরও বেশি গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা যায়। তবুও কোনও কিছুতেই তিনি দমেননি।

    ২ লাখ পদাতিক বাহিনী, ৮০ হাজার ঘোড়া ছিল রানা সঙ্গের

    জানা যায়, সংগ্রাম সিংয়ের (Rana Sanga) আমলে মেবারের সীমানা দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। সে সময়ে মেবারে সীমানা ছিল পূর্বে আগ্রা, যা বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত এবং দক্ষিণে গুজরাট পর্যন্ত বিস্তৃত। রাজপুতানার ইতিহাসে নিয়ে গবেষণা করেছেন কর্নেল জেমস। তিনি জানাচ্ছেন, রানা সংগ্রাম সিংয়ের ছিল ৮০ হাজার ঘোড়া, ৫০০ হাতি এবং প্রায় দু’লক্ষ পদাতিক সৈন্য। এছাড়াও কর্নেল জেমস নিজের একাধিক লেখায় উল্লেখ করেছেন, সংগ্রাম সিংয়ের অধীনে ছিলেন ৭ জন রাজা, ৯ জন রাও, ১০৪ জন রাওয়াল। গোয়ালিয়র, আজমীর, সিক্রি, চান্দেরী, রামপুরা প্রভৃতি স্থানের রাজারা সংগ্রাম সিং-কে সম্রাট বলে গণ্য করতেন।

    একাধিক যুদ্ধে পরাস্ত হন ইব্রাহিম লোদি

    জানা যায়, রানা সঙ্গ দিল্লি, মালওয়া, গুজরাটের সুলতানদের সঙ্গে ১৮টি ভয়ঙ্কর যুদ্ধে করেন। প্রত্যেকটি যুদ্ধেই তিনি জিতে যান। ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির সঙ্গে তাঁর যুদ্ধ হয়। যা খাটোলীর যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে এই রানা সঙ্গ ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করেন। ১৫১৮-১৯ সালে ইব্রাহিম লোদি ফের একবার আক্রমণ করে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু রাজস্থানের দোলপুরে ইব্রাহিম লোদি রানা সঙ্গকে ফের একবার পরাস্ত করেন। এরপরে আরও বেশ কয়েকটি যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে রানা সঙ্গ পরাস্ত করতে সক্ষম হন। ক্রমাগত যুদ্ধে পরাস্ত হওয়ার কারণে রাজস্থানে পায়ের তলার জমি হারান ইব্রাহিম লোদি। অন্যদিকে, ১৫২০ সালে রানা সঙ্গ নিজাম খানের সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করেন। এর ফলে সমগ্র উত্তর গুজরাট নিজের দখলে আনতে পারেন রানা সঙ্গ।

    বাবরকে ভারতে কারা আমন্ত্রণ জানিয়েছিল?

    অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন যে, পাঞ্জাবের গভর্নর দৌলত খান দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির স্থলাভিষিক্ত হতে চেয়েছিলেন। তিনি জানতেন যে আফগানিস্তান জয়ের পরে বাবর ভারতেই আসবেন। একইসঙ্গে ইব্রাহিম লোদির কাকা আলম খানও মসনদ দখল করতে চেয়েছিলেন। জানা যায়, আলম খান এবং দৌলত খান এই দুইজনে মিলে বাবরকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। জানা যায়, আলম খান বাবরের দরবারে গিয়েছিলেন। সেখানে আলম খান বাবরকে ভারতের রাজনৈতিক অস্থিরতার কথা জানান। পরবর্তীকালে বাবর তার দূতকে পাঞ্জাবে পাঠান। সেই দূতের কাছ থেকে যাবতীয় বিষয় জানার পরে বাবর ভারত জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। প্রথমে ১৫০৩, ১৫০৪ এরপর ১৫১৮ এবং তারপরে ১৫১৯ সালে তিনি ভারত আক্রমণ করেন। তবে কোনওবারই সফলতা পাননি। পরে ১৫২৬ সালে বাবর ইব্রাহিম লোদিকে আক্রমণ করেন ও পরাস্ত করেন। ইব্রাহিম লোদি এর আগে একাধিকবার রানা সঙ্গকে হাতে মার খেয়ে ব্যাপক দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। তাই পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে সহজেই পরাস্ত করেন বাবর (Babar)।

  • ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের কয়েকশো কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। কেবল তাই নয়, বাবু সিং কুশওয়াহা নামে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার জমিতে থাকা নির্মাণও ভেঙে দিয়েছেন (NRHM Scam) ইডির আধিকারিকরা। কুশওয়ার যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি, সেটা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কানপুর রোডে।

    এনআরএইচএম কেলেঙ্কারি (ED)

    কেন এই পদক্ষেপ ইডি-র? জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করছে ইডি। এই মামলায় কুশওয়াহার যোগ প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। এই ঘটনারই তদন্তে নেমে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার ২৫০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। এই সম্পত্তিতে থাকা সব বেআইনি নির্মাণও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার লোকজন।

    সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    প্রসঙ্গত, এনআরএইচএম কেলেঙ্কারির সময় কুশওয়াহা ছিলেন উত্তরপ্রদেশের বিএসপি সরকারের পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চার বছর জেলও খেটেছেন তিনি। এবার বাজেয়াপ্ত করা হল তাঁর সম্পত্তি। গ্রেফতার হওয়ার আগে কুশওয়াহা ছিলেন মায়াবতীর বিএসপিতে। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে তিনি অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে জৌনপুরে প্রার্থী হন সমাজবাদী পার্টির। জিতেও যান। তার পর এদিন তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)।

    আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে নাকি ‘স্মরণীয় দিন’ কাটিয়েছেন শশী! তুলোধনা করল বিজেপি

    ২০১১ সালে ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশনে ব্যাপক কেলেঙ্কারি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই সময় উত্তরপ্রদেশের কুর্সিতে ছিল মায়াবতী সরকার। বিএসপি সরকারের বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে সিবিআই গ্রেফতার করে কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্তাকে। গ্রেফতার করা হয় কুশওয়াহাকেও। কেবল এই কেলেঙ্কারিই নয়, আয় বহির্ভুত সম্পত্তি মামলায়ও দোষী সাব্যস্ত হন সমাজবাদী পার্টির এই সাংসদ। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ২৫টি। ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ৮টি মামলায়।

    উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি দিল্লি, হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন এলাকার ৬০টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। সেই সময় অভিযান চালানো হয়েছিল কুশওয়াহার (ED)  বাড়িতেও।এর পরেও একাধিকবার (NRHM Scam) হয়েছে অভিযান।,

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha election: ‘ক্রস ভোটিং’ উত্তরপ্রদেশেও, রাজ্যসভা নির্বাচনে অতিরিক্ত আসন পেল বিজেপি

    Rajya Sabha election: ‘ক্রস ভোটিং’ উত্তরপ্রদেশেও, রাজ্যসভা নির্বাচনে অতিরিক্ত আসন পেল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ছিল রাজ্যসভার নির্বাচন (Rajya Sabha election)। ভোটে হিমাচল প্রদেশের পাশাপাশি ‘ক্রস ভোটিং’ হল যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশেও। রামরাজ্যে ‘ক্রস ভোটিং’-এর সুফল গেল গেরুয়া শিবিরে।

    যোগী রাজ্যে ‘ক্রস ভোটিং’-এর খুঁটিনাটি

    বিধানসভার অঙ্ক অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশে রাজ্যসভার (Rajya Sabha election) ১০টি আসনের মধ্যে বিজেপির ৭ এবং সমাজবাদী পার্টির ৩টি আসনে জয়ী হওয়ার কথা। তবে ফল প্রকাশের পর দেখা গেল বিজেপি আটটি আসনে জিতে গিয়েছে। অর্থাৎ অতিরিক্ত একটি আসনে জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। যা ‘ক্রস ভোটিং’-এর সুফল। প্রত্যাশিত তিনটি আসনের মধ্যে একটি হারতে হয়েছে সমাজবাদী পার্টিকে। ‘ক্রস ভোটিং’ সামনে আসতেই কড়া বার্তা দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। যে সমস্ত বিধায়ক ‘ক্রস ভোটিং’ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে দল, এমনটাই জানিয়েছেন অখিলেশ। অন্যদিকে উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য জানিয়েছেন, এই জয় মোদিজির উন্নয়ন মন্ত্রের জয়।

    এপ্রিলেই ১৫টি রাজ্যের ৫৬ জন রাজ্যসভার সদস্য অবসর নিতে চলেছেন

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিলেই ১৫টি রাজ্যের ৫৬ জন রাজ্যসভার (Rajya Sabha election) সদস্য অবসর নিতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের ১৪টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৪১টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের বিধায়ক সংখ্যার অনুপাতে প্রার্থী দেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই ভোটপর্ব মিটেছে। মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং হিমাচলের মোট ১৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সেখানেই সামনে ‘ক্রস ভোটিং’, যা আদতে গেরুয়া শিবিরে অক্সিজেন জুগিয়েছে।

    হিমাচলে পরাস্ত সিংভি

    হিমাচল প্রদেশে (Rajya Sabha Election) ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। তা সত্ত্বেও এখানে মুখ থুবড়ে পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। বিজেপির চেয়ে তাদের বিধায়ক সংখ্যাও ঢের বেশি। তা সত্ত্বেও বিজেপি প্রার্থী হর্ষ মহাজন জয়ী হয়েছেন ক্রশ ভোটিংয়ের জেরে। এখানে হর্ষর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভি। তাঁকে জেতাতে হুইপ জারি করেছিল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তার পরেও রোখা যায়নি ক্রস ভোটিং। সিংভি বলেন, “গতকাল রাত থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election 2024: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    Rajya Sabha Election 2024: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে রাজ্যসভার ১৫টি আসনের জন্য আজ মঙ্গলবার হতে চলেছে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে, ১০টি আসনে লড়াই হবে উত্তরপ্রদেশে। পাশাপাশি নির্বাচন হচ্ছে হিমাচল প্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্নাটকেও। উত্তরপ্রদেশে ১০টির মধ্য ৭টি আসনে বিজেপি প্রার্তীর জয় নিশ্চিত। অষ্টম আসনেও অঙ্কের বিচারে কিছুটা এগিয়েই রয়েছে পদ্ম শিবির। কর্নাটকেও লড়াই চলছে। হিমাচলের একটি আসনেও প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। সেখানে ক্রস ভোটিং হতে পারে বলে অনুমান রাজনীতির কারবারিদের। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ৫টা থেকে শুরু হবে গণনা।

    উত্তরপ্রদেশের সমীকরণ

    সংখ্যার হিসাবে উত্তরপ্রদেশের সাতটি আসনে বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) শিবিরের তিন প্রার্থীর জয় চলতি মাসের গোড়া পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় লোক দলের এনডিএ-তে যোগদান এবং দু’জন এসপি বিধায়কের প্রকাশ্যে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণার পরে ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। বিজেপি প্রথমে সাত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও, বিরোধী শিবিরের দোলাচল দেখে অষ্টম আসনেও প্রার্থী দিয়েছে। বতর্মানে ৪০৩ আসনের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় চারটি আসন খালি। ভোট দেবেন ৩৯৯ জন বিধায়ক। রাজ্যসভায় এক জন প্রার্থীকে জিততে পেতে হবে ৩৭টি ভোট। আট প্রার্থীকে জেতাতে বিজেপির প্রয়োজন ২৯৬টি ভোট। তাঁদের পক্ষে ২৮৬টি ভোট নিশ্চিত। এছাড়াও বাকি ১০টি ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রেও আশাবাদী গেরুয়া শিবির। এসপি-র দুই বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিজেপিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।  এই পরিস্থিতিতে চাপে রয়েছেন অখিলেশ যাদব। নিজেদের তিন প্রার্থীকে জেতাতে সমাজবাদী পার্টির প্রয়োজন ১১১টি ভোট। তাদের বিধায়ক সংখ্যা ১০৮ হলেও অনেকে দলের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে বিজেপিকে ভোট দেবে বলে জানিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ধাক্কা কংগ্রেসে, ঝাড়খণ্ডের একমাত্র সাংসদ গীতা কোড়া গেলেন বিজেপিতে

    কর্নাটকেও ভোট

    চারটি আসনের মধ্যে কংগ্রেসের তিনটি এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির একটিতে জেতার কথা। কিন্তু আর এক বিরোধী দল জেডিএসের সঙ্গে জোট বেঁধে দু’টি আসনে লড়তে নেমেছে পদ্মশিবির। কংগ্রেসের অজয় মাকেন, সৈয়দ নাসির হুসেন এবং জি সি চন্দ্রশেখর ভোটে লড়ছেন। বিজেপি-র প্রার্থী নারায়ণসা ভেন্ডেজ। কর্নাটকে ২২৪ জন বিধায়ক। এর মধ্যে কংগ্রেসের ১৩৫ জন। বিজেপি-র ৬৬ এবং জেডিএসের ১৯ জন। তিনজন প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত করতে গেলে ১৩৫ জনেরই ভোট প্রয়োজন কংগ্রেসের। একটি ভোটও বিরোধী শিবিরের দিকে ঝুঁকলে কপাল পুড়বে কংগ্রেসের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Azam Khan: যোগীর বিরুদ্ধে ‘হেট স্পিচ’ মামলায় দোষী সাব্যস্ত আজম খান, তিন বছরের সাজা ঘোষণা আদালতের

    Azam Khan: যোগীর বিরুদ্ধে ‘হেট স্পিচ’ মামলায় দোষী সাব্যস্ত আজম খান, তিন বছরের সাজা ঘোষণা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) উদ্দেশে ‘হেট স্পিচ’ বা বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে সেই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন সমাজবাদী পার্টির শীর্ষস্থানীয় বর্ষীয়ান ‘বাহুবলী’ নেতা আজম খান (Azam Khan)। আজম খানের সঙ্গে আরও দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার, উত্তর প্রদেশের রামপুরের একটি আদালত এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করল। আদালত তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। একইসঙ্গে তাঁকে ২০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    আজম খানের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ উঠেছিল? ঘটনাটি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময়ের। সেসময় যোগী আদিত্যনাথ ও তৎকালীন জেলাশাসক আইএএস আধিকারিক অঞ্জনেয় কুমার সিংয়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ভোটের প্রচারে তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। যা নিয়ে আদালতে অভিযোগ করেন আইনজীবী তথা বিজেপি নেতা আকাশ সাক্সেনা। সেই সময় আজম খানের বিরুদ্ধে আইপিসির ১৫৩এ ধারায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতার প্রচারের জন্য এবং ৫০৫-১ এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫১-র ১২৫ ধারা অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

    তবে কী বলেছিলেন তিনি? লোকসভার নির্বাচনের সময় তিনি প্রচারে গিয়ে বলেছিলেন, “আপনি ধর্মের তথাকথিত ধ্বজাধারী ও গোরক্ষনাথ মন্দিরের পুরোহিত। কিন্তু, তার পাশাপাশি আপনি একজন যাদব পুলিশকর্মীকে খুনও করেছেন।” এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বিজেপি নেতা আকাশ সাক্সেনা। এরপর আজ সেই মামলায় রায় ঘোষণা করা হল। বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, আজম খান দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংসতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং তিনি অশালীন ভাষাও ব্যবহার করেছিলেন, তাই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

    স্বাভাবিকভাবেই আদালতের এই রায়ের ফলে সমাজবাদী পার্টির সদস্য সহ অখিলেশ যাদবের অস্বস্তি আরও বেড়ে গেল। তিন বছরের জন্য কারাদণ্ড হওয়ার ফলে, উত্তর প্রদেশ বিধানসভার সদস্যপদও হারাবেন তিনি। প্রসঙ্গত, এর আগেও দুবছরের জন্য জেলে ছিলেন। একটি প্রতারণার মামলায় জেলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। চলতি বছরের মে মাসেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন আজম খান। কিন্তু ফের তাঁকে অন্য মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে হাজতবাসের নির্দেশ দেওয়া হল।

  • Mulayam Singh Yadav: প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদব, রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া

    Mulayam Singh Yadav: প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদব, রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদব (Mulayam singh Yadav)। সোমবার মৃত্যু হয় উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়মের। বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২২ অগাস্ট হরিয়ানার গুরগাঁওয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। অক্টোবরের ২ তারিখে মুলায়মকে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউতে (ICU)। এদিন সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    ১৯৩৯ সালের ২২ নভেম্বর উত্তর প্রদেশের এটাওয়া জেলার সাইফাই গ্রামে জন্ম মুলায়ম সিং যাদবের (Mulayam singh Yadav)। সুঘর সিং যাদব ও মূর্তি দেবীর সন্তান ছিলেন তিনি। সর্বশ্রী মধু লিমায়ে, কর্পুরী ঠাকুর, রাম সেবক যাদব, রাজ নারায়ণ এবং জনেশ্বর মিশ্রের মতো রাজনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার পরেই রাজনীতির জগতে পা রাখেন মুলায়ম। ডঃ রাম মনোহর লোহিয়ার সমাজবাদী ভাবধারায় প্রাণিত হয়েছিলেন তিনি।

    উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে মুলায়ম সিং যাদব (Mulayam singh Yadav) প্রথমবার জয়ী হন ১৯৬৭ সালে। তার ঠিক দু বছরের মাথায় বসেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। ১৯৯২ সালে দল গড়েন নিজে। নাম দেন সমাজবাদী পার্টি (Samajwadi Party)। ১৯৯৩ সালে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে জিততে মুলায়ম গাঁটছড়া বাঁধেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে।

    আরও পড়ুন : খুনের ভার পড়েছিল নূপুর শর্মাকে! উত্তর প্রদেশ পুলিশের জালে জঙ্গি

    রাজনৈতিক কেরিয়ারে বহুবার বিতর্কে জড়িয়েছেন মুলায়ম সিং যাদব (Mulayam singh Yadav)। সব চেয়ে বেশি বিতর্কিত বিষয়টি হল ১৯৯০ সালে অযোধ্যায় করসেবকদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। ওই বছর নভেম্বরে করসেবা করছিলেন করসেবকরা। সেই সময় উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন মুলায়ম সিং যাদব। গুলি চালনার নির্দেশ দেন তিনি। মৃত্যু হয় বেশ কয়েকজন করসেবকের। এঁদের মধ্যে ছিলেন কলকাতার দুই করসেবকও। একজন রাম কোঠারি, অন্যজন তাঁর ভাই শরদ কোঠারি। এই ঘটনার ঠিক বছরের মাথায় পুরোপুরি ধূলিস্যাৎ হয়ে যায় অযোধ্যার বিতর্কিত কাঠামো।

    করসেবা করতে গিয়ে করসেবকরা নিহত হওয়ায় জনগণের একাংশ তাঁকে ‘মোল্লা মুলায়ম’ তকমা দেয়। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মুলায়ম সিং যাদব (Mulayam singh Yadav) উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনবার। বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন আটবার। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Raj Babbar: ২৬ বছরের পুরনো মামলায় ২ বছরের কারাদন্ড রাজ বব্বরের! জানুন পুরো ঘটনা

    Raj Babbar: ২৬ বছরের পুরনো মামলায় ২ বছরের কারাদন্ড রাজ বব্বরের! জানুন পুরো ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে মামলা চলার পর অবশেষে ২ বছর কারাদণ্ডের সাজা পেলেন অভিনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাজ বব্বর (Raj Babbar)। ১৯৯৬ সালে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election) সময় এক পোলিং অফিসারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় তাঁর সাজা ঘোষণা করা হল।

    আরও পড়ুন:দেশে এই প্রথম সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী অ-মুসলিম, অতিরিক্ত দায়িত্ব স্মৃতি ইরানিকে

    ১৯৯৬ সালের ২ মে পোলিং অফিসারটি ওয়াজিরগঞ্জ পুলিশ থানায় (Wazirganj Police station) রাজ বব্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করছিলেন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং হামলার জন্য এদিন আদালত অভিনেতা রাজ বব্বরকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি অন ডিউটি পোলিং অফিসারকে শারীরিক নিগ্রহেরও অভিযোগ ছিল রাজ বব্বরের বিরুদ্ধে। ভোট চলাকালীন জোর করে বুথে প্রবেশ করার ফলে ও সরকারি আধিকারিকের ওপর হামলা চালানোয় উত্তরপ্রদেশের এমপি এমএলএ কোর্ট রাজ বব্বরকে সাজা শোনায়।  শুধুমাত্র ২ বছরের কারাদন্ড দেয়নি, আদালত তাঁকে ৮,৫০০ টাকার জরিমানাও করেছে। রায় ঘোষণার সময় রাজ বব্বর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে রাজ সমাজবাদী পার্টিতে (Samajwadi Party) ছিলেন এবং লখনউ (Lucknow) থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নির্বাচনের সময় পোলিং অফিসারের সঙ্গে প্রথমে তাঁর কথা কাটাকাটি হয় ও পরে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। তিনি তখম এই দোষ মেনে নিলে তাঁকে জেলে পর্যন্ত পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে যান। বর্তমানে রায়দানের সময়ে তিনি এই অভিযোগকে অস্বীকার করছেন।

    আরও পড়ুন: গুলিবিদ্ধ জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    ভারতীয় দণ্ডবিধির আইপিসি (IPC) ১৪৩, ৩৩২, ৩৫৩, ৩২৩, ৫০৪, ১৮৮ ধারায় রাজ বব্বর এবং অরবিন্দ যাদবের (Arvind Yadav) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act) ছাড়াও ফৌজদারী সংশোধনী আইনেও (Criminal Law Amendment Act) আদালতে রাজ বব্বরের নামে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছিল। 

LinkedIn
Share