Tag: Sambit Patra

Sambit Patra

  • Sambit Patra: ‘‘আপনি গোটা ভারতকেই হুমকি দিচ্ছেন, রক্ষা করছেন অনুপ্রবেশকারীদের’’, মমতাকে তোপ বিজেপির

    Sambit Patra: ‘‘আপনি গোটা ভারতকেই হুমকি দিচ্ছেন, রক্ষা করছেন অনুপ্রবেশকারীদের’’, মমতাকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি কেবল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেই নয়, গোটা দেশকেই হুমকি দিচ্ছেন।” বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ভাষাতেই আক্রমণ শানালেন বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র। অনুপ্রবেশকারী ইস্যু ও এসআইআর (SIR) নিয়ে অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে তীব্র বাক্‌যুদ্ধের পর সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনি হোটেলের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। আমরা চাইলে আপনাকে হোটেল থেকে বেরোতেই দিতাম না। আমরা আপনাকে বেরোতে দিয়েছি, এটাই আপনার সৌভাগ্য।’ এটাই প্রথম নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে।” তিনি বলেন, “আপনি অমিত শাহকে হুমকি দিচ্ছেন না, আপনি গোটা ভারতকেই হুমকি দিচ্ছেন। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।”

    বিজেপি কর্মী খুন ও অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তোপ

    সম্বিতের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের দ্বারা পশ্চিমবঙ্গে ৩০০-এরও বেশি বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। তাঁর দাবি, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডারা পশ্চিমবঙ্গে ৩০০-এর বেশি বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছে। অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়াতেই তাঁর সমস্যা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ধ্বংস করেছেন।” তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছেন।

    সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে তোপ

    সম্বিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগকেও সমর্থন করেন। তিনি বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিচ্ছে না।” এদিন সে প্রসঙ্গ টেনেই সম্বিত বলেন, “অমিত শাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি, অবিচার ও অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে রাজনীতি চলছে। মমতা সরকার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দিচ্ছে না। ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ পড়ছে বলেই তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বস্তিতে।” ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে এ রাজ্যে। মঙ্গলবার শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র বাক্যবাণ ছোড়েন।

    ভয় ও দুর্নীতি তত্ত্বে তৃণমূলকে শাহি আক্রমণ

    শাহের অভিযোগ, গত ১৪ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচয় হয়ে উঠেছে ভয় ও দুর্নীতি। রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি না দেওয়ার বিষয়েও তিনি কাঠগড়ায় তোলেন তৃণমূল পরিচালিত সরকারকে। সাংবাদিক সম্মেলনে শাহ বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন থমকে গিয়েছে। মোদি সরকারের সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এখানে কাটমানি সিন্ডিকেটের শিকার হয়েছে। গত ১৪ বছর ধরে ভয় ও দুর্নীতিই পশ্চিমবঙ্গের পরিচয়।” তিনি এও বলেছিলেন, “২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিলের পর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হলে আমরা বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন শুরু করব। এই বঙ্গভূমি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই মাটি থেকেই বিজেপির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।”

    মমতার জবাব

    শাহের অভিযোগের পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপি নেতাদের মহাভারতের দুর্যোধন ও দুঃশাসনের সঙ্গে তুলনা করেন। মমতা বলেন, “বাংলায় দুঃশাসন এসেছে। ভোট এলেই দুর্যোধন-দুঃশাসনের আবির্ভাব হয়। শকুনির শিষ্য দুঃশাসন এসেছে তথ্য সংগ্রহ করতে। আজ বলছে, আমি নাকি জমি দিইনি। আমি যদি জমি না দিতাম, তাহলে পেট্রাপোল বা আন্দালে জমি এল কোথা থেকে?” তাঁর দাবি, পেট্রাপোল ও আন্দাল, দুই জায়গায়ই সীমান্তে বেড়ার জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এসআইআর এবং অনুপ্রবেশই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মূল ইস্যু হয়ে উঠতে চলেছে।

  • Rahul Gandhi: ৪৫ মিনিটে মুখে ৩৪ বার চিনের নাম! রাহুলকে ‘জিনপিং’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    Rahul Gandhi: ৪৫ মিনিটে মুখে ৩৪ বার চিনের নাম! রাহুলকে ‘জিনপিং’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্তব্য মাত্র ৪৫ মিনিটের। এই পৌনে এক ঘণ্টার বক্তব্যে অন্তত ৩৪ বার চিনের নাম নিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা ওয়েনাড়ের সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কংগ্রেস নেতার এহেন ‘চিন-প্রীতি’তে বেজায় চটেছে বিজেপি। রাহুলকে তীব্র আক্রমণ শানান পদ্ম নেতৃত্ব। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, “৪৫ মিনিটের বক্তব্যে রাহুল গান্ধী অন্তত ৩৪ বার চিন শব্দটি উল্লেখ করেছেন।”

    রাহুলের অভিযোগ (Rahul Gandhi)

    দেশের উৎপাদন ক্ষেত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ করেছিলেন রাহুল। তিনি বলেছিলেন, “চিন অন্তত এই ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে ১০ বছর এগিয়ে আছে। চিন ব্যাটারি, রোবট, মোটর-সহ নানা ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করছে। গত ১০ বছর ধরে তারা এই সব নিয়ে কাজ করছে। আর আমরা এই কাজে পিছিয়ে রয়েছি।”

    বিজেপির নিশানায় রাহুল

    রাহুলকে (Rahul Gandhi) নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্রও। তিনি ব্যঙ্গ করে তাঁকে ‘রাহুল জিনপিং’ (চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং) বলে অভিহিত করেন (Rahul Gandhi)। তিনি বলেন, “আমি তাঁকে ‘রাহুল জিনপিং’ বলেই সম্বোধন করতে চাই। তিনি চিনের নাম ৩৪ বার উচ্চারণ করেছেন। তিনি নিশ্চয়ই প্রার্থনা করছেন যেন পরের জন্মে তিনি চিনা হতে পারেন।”

    তিনি বলেন, “২০০৪-১৪ সালের কংগ্রেস শাসন আমলে ভারত ও চিনের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি ২৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল।” তিনি রাহুলের ব্যাঙ্কিং খাত সংক্রান্ত মন্তব্যও উড়িয়ে দেন। তিনি এও উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার মুদ্রা প্রকল্পের আওতায় ৫১ কোটি মানুষকে ঋণ দিয়েছে, সেখানে কংগ্রেস ইউপিআইয়ের মতো আর্থিক উদ্ভাবনের বিরোধিতা করেছিল। এটি বর্তমানে দৈনিক ৫০ কোটি লেনদেন পরিচালনা করছে।’

    প্রসঙ্গত, রাহুল বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রোগ্রামের প্রস্তাব করেছিলেন। আমার মনে হয় এটা একটা ভালো আইডিয়া। আর তার ফল তো আপনাদের সামনেই হাজির। ২০১৪ সালে (BJP) উৎপাদন ক্ষেত্রে জিডিপি ছিল ১৫.৩ শতাংশ। সেটা আরও নেমে গিয়ে হয়েছে ১২.৬ শতাংশ। ৬০ বছরে এটা সর্বনিম্ন (Rahul Gandhi)।”

  • Vice President Dhankhar: “সাংবিধানিক পদে আসীন কোনও ব্যক্তি…”, নাম না করে রাহুলকে নিশানা ধনখড়ের

    Vice President Dhankhar: “সাংবিধানিক পদে আসীন কোনও ব্যক্তি…”, নাম না করে রাহুলকে নিশানা ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম না করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করলেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Vice President Dhankhar)। তাঁর অভিযোগ, সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তি যদি দেশ-বিরোধী মন্তব্য করেন, তাহলে তার থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। আমেরিকায় রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের রেশ অব্যাহত রয়েছে। বিজেপি বিরোধী দলনেতার মন্তব্যকে ‘দেশ বিরোধী’ বলে তোপ দেগেছে। কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এবার একই কথা বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও।

    কোন প্রসঙ্গে মন্তব্য

    মঙ্গলবার আমেরিকায় একটি অনুষ্ঠানে রাহুলের ভারতে ধর্মাচরনের স্বাধীনতা ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলাপচারিতায় রাহুল বলেন, “সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে তবেই আমরা সংরক্ষণ ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার কথা ভাবব। কিন্তু এখনও সেই সময় আসেনি।” সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে তিনি শিখদের প্রসঙ্গ তোলেন। এমনকী, বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাকিস্তান নীতির সমর্থন করলেও চিন নিয়ে অবস্থানের সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, ‘লাদাখে দিল্লির সমান ভূখণ্ড চিনা ফৌজের হাতে তুলে দিয়েছি আমরা। এটা বড় বিপর্যয়।’ 

    ধনখড়ের সমালোচনা

    সংসদ ভবনে রাজ্যসভার ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের তৃতীয় ব্যাচের উদ্দেশে কথা বলার সময় উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Vice President Dhankhar) নাম না করে কংগ্রেস নেতাকে আক্রমণ করেন। ধনখড় বলেন, “ভাবুন, এই স্বাধীনতা পেতে, এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে, জাতিকে রক্ষা করতে কত মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন। আমাদের ভাই-বোনেরা এখনও সীমান্তে দেশকে রক্ষা করছেন। কত মা তাঁদের ছেলেদের হারিয়েছে, স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীকে হারিয়েছে। আমরা আমাদের জাতীয়তাবাদকে নিয়ে উপহাস করতে পারি না। এই সময় দাঁড়িয়ে যদি সাংবিধানিক পদে আসীন কোনও ব্যক্তি দেশ বিরোধী কথা বলেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

    শত্রুর সঙ্গে হাত মেলাবেন না

    গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধিতা থাকতে পারে, তবে কখনওই তা দেশ-বিরোধী না হয় আর্জি উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের। তিনি বলেন, “দেশের বাইরে থাকা প্রত্যেক ভারতীয়কে এই জাতির একজন রাষ্ট্রদূত হতে হবে। সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এটির উল্টোটা করছেন তা বেদনাদায়ক। আপনি শত্রুদের অংশ হতে পারেন না। আপনি যদি নিজের স্বার্থ চরিতার্থের জন্য শত্রুদের মিত্র হন, তাহলে তা হবে নিন্দনীয়, ঘৃণ্য এবং অসহনীয়। এই দেশের সভ্যতার গভীরতা পাঁচ হাজার বছরের। কিছু লোক আমাদের জাতিকে বিভক্ত করতে চায়। এটা চরম অজ্ঞতা। তাঁরা স্বাধীনতার মূল্য বোঝে না।”   

    আরও পড়ুন: মোদির তৈরি রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি ফর্মুলা নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    রাহুলকে কটাক্ষ সম্বিতের

    ভারত সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্রও। রাহুলকে কটাক্ষ করে সম্বিত পাত্র বলেছেন, “রাহুল গান্ধীর বিরোধী দলনেতা হওয়ার ঔদ্ধত্য শুধু সংসদেই দেখা যায় না, তাঁর বোকামি আমেরিকাতেও দেখা গিয়েছে।” দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিত পাত্র বলেছেন, “আমি এই শব্দ ব্যবহার করছি, কারণ তিনি যেভাবে আমেরিকায় ভারতকে চিত্রিত করেছেন তাতে কোটি কোটি ভারতীয় আঘাত পেয়েছেন। রাহুল গান্ধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন… তিনি বিদেশের মাটিতে দেশ ও ধর্মকে বিভক্ত করার চেষ্টা করেছেন… তিনি বাইরের দেশে শিখদের সম্পর্কে কঠোর মন্তব্য করেছেন.. এটা রাষ্ট্রদ্রোহ। যেখানে রাষ্ট্রদ্রোহ হয়, তখন ‘মূর্খতা’-র মতো শব্দ ব্যবহার করা উপযুক্ত।” 

    প্রসঙ্গত, এর আগেই রাহুলের (Rahul Gandhi) মন্তব্যের সমালোচনা করে বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়িয়ে জাতীয়তাবাদ বিরোধী মন্তব্য করা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। বিদেশের মঞ্চও তার ব্যক্তিক্রম নয়। এভাবে রাহুল দেশের নিরাপত্তা ও ভাবাবেগকে আঘাত করছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ লিখিছিলেন, ‘ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং তথ্য ছাড়াই মন্তব্য করে দেশের সম্মান ডুবিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।’ মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমরের সঙ্গে রাহুলের সাক্ষাৎ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বাংলায় গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক হত্যা! রাহুল গান্ধী চুপ কেন? প্রশ্ন সম্বিত পাত্রের

    Panchayat Election 2023: বাংলায় গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক হত্যা! রাহুল গান্ধী চুপ কেন? প্রশ্ন সম্বিত পাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্র সমর্থিত প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে গণতন্ত্রের হত্যা করা হল। পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) হিংসা সম্পর্কে মন্তব্য করলেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অধীনে বাংলায় উত্তরোত্তর হিংসা বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে ‘নির্মম বন্দ্যোপাধ্যায়’ বলে কটাক্ষ করেছেন। 

    বিরোধী দলগুলিকে প্রশ্ন

    পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ভোটগ্রহণ ও ভোটগণনাকে কেন্দ্র করে বেলাগাম হিংসা নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। সেখানেই বাংলার হিংসার বিষয়ে নীরব থাকার জন্য দেশের অন্যান্য বিরোধী দলগুলিকেও একহাত নিয়েছেন সম্বিত পাত্র। তিনি প্রশ্ন ছোড়েন, “রাহুল গান্ধীর ‘মহব্বত কা দুকান’ কোথায় গেল? বাংলার নির্বাচনে হিংসা নিয়ে রাহুল গান্ধী নিশ্চুপ কেন?” সম্বিত পাত্র দাবি করেন, আসলে রাহুল গান্ধী যে কোনও উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চান। তাই কংগ্রেস কর্মীদের হত্যার পরও, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাত মেলাতে দ্বিধা করবেন না। তাই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের এই হিংসা দেখেও না দেখার ভান করছেন, চুপ করে আছেন। সম্বিত বলেন, “বাংলার গণতন্ত্র রক্তস্নাত। এখানে ভোট হলে মানুষের প্রাণ চলে যায়। এখানে নিয়ম কানুনের কোনও বালাই নেই।”

    আরও পড়ুন: তোলা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী, জ্ঞান হারালেন বিজেপি সাংসদ, শান্তিপুরে গণনা বন্ধ

    গণতন্ত্র রক্তস্নাত

    এদিন সম্বিত পাত্র বলেন, ‘ভোটকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে মানুষের মৃত্যুমিছিলের তালিকা দেখলে বোঝা যায় বাংলায় গণতন্ত্র কী ভাাবে দিনে দিনে রসাতলে গিয়েছে। এখনো পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। লোকের মুখে মুখে ফিরছে বোমা, গুলি, রিগিং ও ছাপ্পা শব্দগুলি। বিরোধী দলের একের পর এক সমর্থকের মৃত্যু হচ্ছে। এমনকী যারা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন এমন মানুষেরও প্রাণ গিয়েছে। আর নির্মম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব চোখ বুজে দেখছেন। এই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা – মাটি – মানুষ’? শুধুমাত্র বিজেপি কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে এমনটা নয়। নিহতদের মধ্যে সিপিএম, কংগ্রেসের কর্মীরাও আছেন। প্রাণ গিয়েছে সাধারণ মানুষের। যারা শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য রাজ্যে এসেছিলেন। শুধুমাত্র তৃণমূলকে ভোট না দেওয়ায় কারণে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, বাংলার হিংসা নিয়ে তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করে রিপোট তৈরি করবে বিজেপি। এনআইএ ও সিবিআই তদন্তের বিষয়েও বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sambit Patra: ‘মমতা সকালে এক রকম কথা বলেন, সন্ধ্যায় অন্য রকম’, অভিযোগ সম্বিতের

    Sambit Patra: ‘মমতা সকালে এক রকম কথা বলেন, সন্ধ্যায় অন্য রকম’, অভিযোগ সম্বিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা (Mamata Banerjee) সকালে এক রকম কথা বলেন, সন্ধ্যায় আর এক রকম। রাহুল ইস্যুতে মমতার অবস্থানকে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র (Sambit Patra)। সোমবার সল্টলেকে রাজ্য বিজেপির অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করেন সম্বিত। সেখানেই তিনি নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, আমি তো অবাক হয়ে যাই। মমতা সকালে এক রকম কথা বলেন, সন্ধ্যায় আর এক রকম। সকালে ফুল নিয়ে গান্ধী পরিবারের কাছে যান, সন্ধ্যায় আবার বলেন রাহুলের দ্বারা হবে না। তিনি বলেন, আগে মমতাজিকে জিজ্ঞাসা করে আসুন, রাহুলের দ্বারা কিছু হবে, না হবে না?

    সম্বিত পাত্র (Sambit Patra) বলেন…

    মোদি পদবি নিয়ে বির্তকিত মন্তব্য করার দায়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে দু বছরের কারাদণ্ড দেয় গুজরাটের সুরাট আদালত। সেই সঙ্গে করা হয় জরিমানাও। ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আবদেন করার সুযোগও রাহুলকে দেয় আদালত। দু বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় নিয়ম মেনে সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে রাহুলের। তার পরেই রাহুলের পাশে দাঁড়ান তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন তাকেই কটাক্ষ করেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র (Sambit Patra)। তাঁর প্রশ্ন, মমতা কি আদৌ কংগ্রেসের পাশে্ রয়েছেন? রাহুলকেও একহাত নিয়েছেন সম্বিত। তিনি বলেন, কেন দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি রাহুলের আস্থা নেই? কেন ওবিসি সম্প্রদায়কে অপমান করেও তিনি ক্ষমা চেয়ে নেননি? আদালতে সে সুযোগ তো তাঁর ছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘মহরমের শোভাযাত্রায় অস্ত্র থাকলে প্ররোচনা ছড়ায় না তো?’, হাওড়াকাণ্ডে মন্তব্য সুকান্তর

    তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রের প্রতি রাহুল ও তাঁর দল এত অবিশ্বাসী কেন? রাহুল মানেই ভারত নয়, ভারত মানেই রাহুল নন, সেটা মনে রাখা দরকার। তিনি বলেন, গান্ধী পরিবারের জন্য দেশের আইন বদলাবে না।বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র (Sambit Patra) বলেন, কংগ্রেসের ঔদ্ধত্য দেখুন। রাহুলের এজেন্ট বিদেশে গিয়ে রাহুল ইস্যুতে কী সব বিবৃতি দিচ্ছে দেখুন। গান্ধী পরিবারের জন্য দেশে আলাদা আইন হবে কেন? আপামর দেশবাসী কি দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক? তিনি বলেন, ইউপিএ সরকারের জমানায় আনা আইনেই রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে। যেভাবে কংগ্রেস ও রাহুল বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থার ওপর আক্রমণ করছেন, তা নজিরবিহীন। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সহ কয়েকটি রাজ্যে সন্ত্রাসের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share