Tag: Samrat Choudhary

  • Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরি (Samrat Choudhary)। বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ পাটনার রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান সে রাজ্যের রাজ্যপাল সৈয়দ আটা হাসনাইন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের শাসকজোটের দুই বৃহত্তম শরিক বিজেপি এবং জেডিইউ-র নেতারা। প্রসঙ্গত, এই প্রথম বিহারে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলেন। অতীত হয়ে গেল নীতীশ কুমার জমানা। বাংলার প্রতিবেশী রাজ্যের ২৪তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট। সকাল ১১টায় এক সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সম্রাট চৌধুরী। অন্যদিকে, নতুন সরকারে জেডিইউ কোটা থেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজেন্দ্র যাদব ও বিজয় চৌধুরী।

    নতুন সরকারকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস

    হিন্দি বলয়ের রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানায়াতে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলই। এবার সেই তালিকায় জুড়ল বিহারের নাম। সম্রাট চৌধুরীই যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, মঙ্গলবার সেকথা জানান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ চৌহান। মঙ্গলবারই সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন নীতীশ কুমার। যিনি বর্তমান সংসদে রাজ্যসভার সদস্য। বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “এখন থেকে নতুন সরকার বিহারের কাজ দেখভাল করবে। নতুন সরকার আমার পূর্ণ সমর্থন এবং পরামর্শ পাবে।”

    সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল হবে

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েই নীতীশ কুমার প্রসঙ্গে সম্রাট চৌধুরী বলেন, “শ্রদ্ধেয় নীতীশ কুমার জি শিখিয়েছেন কী ভাবে সরকার চালাতে হয়। কী ভাবে বিহারে সুশাসন বজায় রাখতে হবে তাও শিখিয়ে গিয়েছেন নীতীশ কুমার।” একইসঙ্গে সম্রাট চৌধুরীর দাবি, “আমি বিহারবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বিহারের সমৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য আমরা একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, নীতীশ কুমার যে সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন দেখিয়েছেন সেই স্বপ সফল করার পথে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

    সম্রাট চৌধুরীর রাজনৈতিক পথ

    গত দু’বছর ধরে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সম্রাট চৌধুরী। মাত্র ৯ বছর আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি। দ্রুত দলের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ১৯৬৮ সালে জন্ম নেওয়া চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা শকুনি চৌধুরী তারাপুর কেন্দ্র থেকে ছয়বারের বিধায়ক ছিলেন এবং মা পার্বতী দেবী ১৯৯৮ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। ১৯৯০ সালে রাজনৈতিক কেরিয়ারের শুরু হয় সম্রাটের। তিনি লালু প্রসাদের আরজেডি, নীতীশের জেডিইউ শিবির ঘুরে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। এর পরেই রকেট গতিতে উত্থান হয় সম্রাটের। ২০২৪ সালে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হওয়া। খবর ছিল, এবার তাঁকেই বিহারের মসনদে বসাতে চলেছে বিজেপি। বাস্তবেও তেমনটাই ঘটল। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত পাটলিপুত্রে কোনও বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেননি। গেরুয়া শিবিরের সেই অধরা স্বপ্ন পূরণ করলেন সম্রাট। বিহারের রাজনীতিতে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে জাতপাত। সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা (কৈরি) সম্প্রদায়ের মানুষ। নীতীশ কুমারের কুর্মি ও সম্রাট চৌধুরীর কুশওয়ায়া ভোটব্যাঙ্ক একজোট হলে বিহারে রাজনীতি এক অন্য গল্প লিখবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে গেল বিহারে। মঙ্গলবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ইস্তফা দিলেন। নীতীশের এই পদক্ষেপের ফলে বিজেপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হল, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় ভরপুর ছিল। এদিন নীতীশের শেষ সরকারি কর্মসূচি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে শেষ হয় সরকার পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় (Samrat Choudhary)।

    আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা (Nitish Kumar)

    এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নীতীশ। সকাল ১১টায় করেন প্রধান সচিবালয়ে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। দুপুর ৩টে নাগাদ রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সঈদ আটা হাসনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে। এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবরাজ সিং চৌধুরী। বিকেল ৪টেতে বিহার বিধানসভার সেন্ট্রাল হলে এনডিএ বিধায়ক দলের বৈঠক। এখানেই অনুমোদন দেওয়া হয় নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়। ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় রাজভবনে শপথ নেবেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নীতীশ কুমারের পদত্যাগ বিহারের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। প্রায় দু’দশক ধরে একাধিক মেয়াদে রাজ্য পরিচালনা করার পর তিনি সম্প্রতি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তাঁর এই পদক্ষেপ এবং বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া রাজ্য রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত (Nitish Kumar)। সম্প্রতি রেকর্ড সংখ্যক মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর তাঁর এই পদত্যাগ অপ্রত্যাশিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (Samrat Choudhary)। নীতীশের নেতৃত্ব এনডিএ জোটকে বিহারে শক্তিশালী করেছে, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সমর্থন গড়ে তোলার মাধ্যমে।

    বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    বিজেপি (এতদিন জোটের প্রধান অংশীদার ছিল) এবার প্রথমবারের মতো নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে চলেছে বলেই খবর। প্রশ্ন হল, বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে? মঙ্গলবার দুপুরে ওই পদের জন্য নাম ঘোষণা করা হয় সম্রাট চৌধুরীর (Nitish Kumar)।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নামও আলোচনায় ছিল। যদিও শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্ব বেছে নেন সম্রাটকেই। এদিকে, নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার সম্প্রতি জেডিইউতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Samrat Choudhary)। প্রসঙ্গত, বিহার এখন তার প্রথম বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য প্রস্তুত, যা এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করবে (Nitish Kumar)।

     

  • Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সঙ্গেই মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিধানসভার সচিব খ্যাতি সিং-এর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাঁরা। সেখানে হাজির ছিলেন বিহারের এনডিএ মন্ত্রিসভার দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি এবং বিজয়কুমার সিং।

    রাজ্যসভায় যাওয়ার ইচ্ছা

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজেই রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা জানান নীতীশ কুমার। ওই পোস্টে নীতীশ নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, “সংসদীয় রাজনীতি শুরু করার পর বিহারের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার বাসনা ছিল আমার। একই ভাবে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যও হতে চেয়েছিলাম আমি। সেই কারণে, এই নির্বাচনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চাইছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে লোকসভা, বিহারের আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্য হিসেবে একাধিক বার নির্বাচিত হলেও আগে কখনও রাজ্যসভায় যাননি নীতীশ।

    নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন

    গত নভেম্বর মাসেই দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ। মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০ বছর পাটনার কুর্সিতে ছিলেন তিনিই। সমাজমাধ্যমের পোস্টে সে কথা উল্লেখ করে নীতীশ লেখেন, “দুই দশকেরও বেশি আপনারা ধারাবাহিক ভাবে আমার উপর ভরসা এবং বিশ্বাস রেখেছেন। এই শক্তির জোরে আমি বিহারের সেবা করতে পেরেছি।” তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে যিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন, তাঁর প্রতি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ। ওই পোস্টেই তিনি বিহারবাসীর উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। এবং উন্নত বিহার গড়ে তোলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমার দায়বদ্ধতা একই রকমের থাকবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নতুন সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে।”

    নীতীশের জয় নিশ্চিত

    আগামী ১৬ মার্চ বিহারের পাঁচটি-সহ ১০ রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হবে। একই দিনে নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা আসনেও। তবে প্রতিটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। বিধায়কসংখ্যার নিরিখে (বিজেপির ৮৯ জন বিধায়ক, জেডিইউ-র ৮৫) দু’টি আসনে বিজেপির, আর দু’টি আসনে জেডিইউ-র জয় নিশ্চিত। কারণ বিহারের ৪১ জন বিধায়কের প্রথম পছন্দের ভোট পেলেই রাজ্যসভায় যেতে পারবেন কেউ। তবে পঞ্চম আসনটি জিততে গেলে এনডিএ শিবিরকে আরও তিন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। বিহারের বিরোধী দলগুলি (কংগ্রেস, আরজেডি, বাম) যদি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম এবং মায়াবতীর বিএসপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে পারে, তা হলে পঞ্চম আসনটি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অনুকূলে যেতে পারে।

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে

    বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ জাতীয় রাজনীতিতে চলে গেলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ ক্ষেত্রে বিধায়ক সংখ্যার হিসেবে এগিয়ে থাকা বিজেপি প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে চলেছে বলে আঁচ মিলেছে। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশের পুত্র নিশান্ত কুমার। নীতীশ-পুত্রের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি দু’দিন আগেই জানিয়েছেন দলের এক প্রবীণ নেতা। শারওয়ান কুমার নামের ওই জেডিইউ নেতা পিটিআই-কে জানান, দু’-এক দিনের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নিশান্তের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হবে। দলের তরফে তাঁকে বড় দায়িত্বও দেওয়া হবে। তবে ‘বড় দায়িত্ব’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

LinkedIn
Share