Tag: Sanatana Dharma

Sanatana Dharma

  • Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অপমান করা এবং ঘৃণা-ভাষণ দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুর উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনকে চরম ভর্ৎসনা করল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ।  সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করা হল। হাইকোর্ট জানিয়েছে, একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়, বিশেষত যখন সেই বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করা হয়নি। এই এফআইআরটি দায়ের করা হয়েছিল মালব্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি ‘সনাতন ধর্ম’ (Sanatana Dharma) নিয়ে মন্তব্য করার জন্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin) কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

    মালব্যের প্রতিক্রিয়া আইন লঙ্ঘন করেনি (Udhayanidhi Stalin)

    বিচারপতি এস শ্রীমতী বলেন, “অমিত মালব্য কেবল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়া ভুল এবং ক্ষতিকর হবে।” বিচারপতি এও বলেন, “মালব্যের প্রতিক্রিয়া কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি এবং মামলাটি চালু রাখলে তা আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার হবে।” লাইভ ল–এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদালত এই প্রসঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত উল্লেখ করেছে, যে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, অথচ সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে যাঁরা আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তাঁরা প্রায়ই পার পেয়ে যান, কিন্তু যাঁরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    লাইভ ল–এর প্রতিবেদনে আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “এই আদালত অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, যাঁরা বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সূচনা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকেন, কিন্তু যাঁরা সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁরা আইনের কঠোরতার মুখে পড়েন। এমনকি আদালতও প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের প্রশ্ন করছে, কিন্তু যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না (Udhayanidhi Stalin)।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘সনাতন বিলোপ সম্মেলন’ (Sanatana Abolition Conference) নামে একটি অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মের তুলনা করেছিলেন ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে (Sanatana Dharma)। একে বিলোপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।

    স্ট্যালিনের মন্তব্য

    এই বক্তব্যের পর অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভাষণের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন এবং মন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন যে বক্তব্য দেন, তার একটি আনুমানিক অনুবাদ নীচে দেওয়া হল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। “কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করা যায় না, সেগুলিকে নির্মূল করতে হয়। আমরা শুধু ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া বা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না, সেগুলি নির্মূল করতে হয়। সনাতনের ক্ষেত্রেও কেবল বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত।”

    স্ট্যালিনের এই প্রতিক্রিয়ায় অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন (Sanatana Dharma), “তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের পুত্র ও ডিএমকে সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা (Udhayanidhi Stalin) করেছেন। তাঁর মতে, এর বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি ভারতের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে গণহত্যার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাঁরা সনাতন ধর্ম অনুসরণ করেন।” মালব্য আদালতে জানান, তিনি কেবল প্রকাশ্যে দেওয়া একটি বক্তব্যই শেয়ার করেছিলেন এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পোস্টগুলির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Udhayanidhi Stalin)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, সঙ্কটে মানবাধিকার

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, সঙ্কটে মানবাধিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং সনাতন ধর্মের অনুসারীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, নিপীড়ন ও বৈষম্যের ঘটনা ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন মাত্রায় পৌঁছেছে, যা (Roundup Week) ধীরে ধীরে সংঘটিত একপ্রকার গণহত্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা। দশকের পর দশক ধরে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত এই হিংসা, ঘৃণা ও বৈষম্যের প্রকৃত ব্যাপ্তি আন্তর্জাতিক মহলের নজর এড়িয়ে গিয়েছে। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য, সব মিলিয়ে হিন্দু সমাজ আজ অস্তিত্বের সঙ্কটে। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ এই সময়কালের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ভারতে সংঘটিত এমনই কয়েকটি ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হল।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    নীলগিরিতে অবৈধ প্রার্থনা সভা ও মন্দির ভাঙার হুমকি ঘিরে বিতর্ক। তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার কাণ্ডাল এলাকার কস্তুরীবাই কলোনিতে এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে প্রার্থনা সভা আয়োজন এবং মন্দির ভাঙার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাটি মূলত তফসিলি জাতিভুক্ত হিন্দুদের বসবাসস্থল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনাকরণ নামে এক ব্যক্তি সেখানে বেআইনিভাবে খ্রিস্টান প্রার্থনা সভা ও ধর্মান্তরের কার্যকলাপ চালাচ্ছিল (Hindus Under Attack)। এদিকে, প্রাক্তন সিবিআই ডিরেক্টর এম নাগেশ্বর রাওয়ের চিঠির পর অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার অমুসলিমদের মধ্যে খৎনা প্রচারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে খৎনার অস্ত্রোপচার করা হচ্ছিল (Roundup Week)।

    নির্মমভাবে খুন

    পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ায় ৭২ বছরের হরগোবিন্দ দাস ও তাঁর ৪০ বছরের ছেলে চন্দন দাসকে নির্মমভাবে খুনের ঘটনায় ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে জঙ্গিপুর ট্রায়াল কোর্ট। ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল তাঁদের বাড়ি থেকে টেনে বের করে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
    মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত দু’জনের নাম মহম্মদ ইমাম ও জাকির। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে (Hindus Under Attack)। তামিল চলচ্চিত্র সমালোচক কালিলুর রহমান সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত তেলুগু ছবি অখণ্ডা ২: থান্ডবম রিভিউ করতে গিয়ে সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক জুনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও অবৈধ গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক রমিজউদ্দিন ওরফে নাইক পলাতক। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হস্তক্ষেপে তদন্ত শুরু হয়েছে। কর্নাটকের হুব্বলির নিকার নগর–শিবানগর এলাকায় একটি আবাসিক বাড়িকে বেআইনিভাবে মসজিদে রূপান্তরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দা ও সংগঠনগুলি অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলার দাবি জানায় (Hindus Under Attack)। এই ঘটনাগুলি শুধুমাত্র বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং হিন্দুদের বিরুদ্ধে চলমান একটি বৃহত্তর মানবাধিকার সঙ্কটের প্রতিফলন বলে মত বিশ্লেষকদের।

    হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন

    বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত হামলা ক্রমশ উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। এই নির্যাতনের লক্ষ্য ধীরে ধীরে দেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করা, এমনই দাবি উঠে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায়। তাঁর মতে, চলমান প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়ন অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে একজন হিন্দুও অবশিষ্ট থাকবে না। গবেষণায় বলা হয়েছে, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণপিটুনি, হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং লাগাতার ঘৃণামূলক বক্তব্য, এই সব কৌশল ব্যবহার করে হিন্দুদের আতঙ্কিত করা হচ্ছে এবং দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    এহেন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় একটি নৃশংস ঘটনা গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ২৫ বছর বয়সি হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাস, যিনি পেশায় পোশাক কর্মী ছিলেন, তাঁকে মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে উত্তেজিত জনতা পিটিয়ে খুন করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়, পরে তাঁর নিথর দেহ একটি গাছে বেঁধে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জনসমক্ষে পোড়া দেহ ঝুলিয়ে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে অস্থিরতার মধ্যেই এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে (Roundup Week)।

    থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া 

    অন্যদিকে, ভারত ভগবান বিষ্ণুর একটি মূর্তি ভাঙার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করার একদিন পর থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কাঠোমোটি কোনও রেজিস্ট্রি করা ধর্মীয় স্থান ছিল না। থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া সীমান্তে থাই সেনার অভিযানের সময় মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ চলাকালীন কপালে তিলক পরার কারণে এক হিন্দু সেনাকে দেশ থেকে বিতাড়নের হুমকি দেওয়া হয়। তবে ব্যাপক প্রতিবাদ ও আইনি হস্তক্ষেপের পর অবশেষে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় (Hindus Under Attack)। বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে কাজ করে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম ও প্রাত্যহিক হিন্দুবিদ্বেষ কাজ করে।

    এই বিদ্বেষ অনেক সময় আইনি কাঠামো ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আড়ালে থেকে যায়, ফলে তা সহজে চোখে পড়ে না। দীপাবলিতে বাজি নিষিদ্ধকরণ তার একটি বড় উদাহরণ। ওপরে ওপরে এটি পরিবেশ রক্ষার সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে একই ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সমালোচকদের মতে, এটি হিন্দু উৎসব ও সংস্কৃতির ওপর ধারাবাহিক বিধিনিষেধ আরোপের একটি বৃহত্তর প্রবণতার অংশ (Hindus Under Attack)।

  • Mahakumbh 2025: “সনাতন ধর্ম হল ভারতের জাতীয় ধর্ম,” ঘোষণা যোগী আদিত্যনাথের

    Mahakumbh 2025: “সনাতন ধর্ম হল ভারতের জাতীয় ধর্ম,” ঘোষণা যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সনাতন ধর্ম শক্তিশালী হলে, দেশ শক্তিশালী হবে।” দিন দুয়েক আগে কথাগুলি বলেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এবার সনাতন ধর্মকে তিনি ভারতের জাতীয় ধর্ম বলে ঘোষণা করে দিলেন।

    কী বললেন যোগী আদিত্যনাথ? (Mahakumbh 2025)

    রবিবার মহাকুম্ভ ২০২৫ উপলক্ষে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “সনাতন ধর্ম হল ভারতের জাতীয় ধর্ম। এটি মানবতার ধর্ম। পুজোর প্রক্রিয়া আলাদা হতে পারে। কিন্তু ধর্ম একটাই এবং সেই ধর্ম হল সনাতন ধর্ম। কুম্ভ সেই সনাতন ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে।” তিনি বলেন, “১৪ জানুয়ারি, মকর সংক্রান্তির দিন গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে অমৃতস্নান করেছেন প্রায় ৬ কোটি ভক্ত।” তিনি বলেন, “এই ঐক্যের বার্তা মহাকুম্ভ দিয়েছে। এখানে কোনও বৈষম্য ছিল না। যারা সনাতন ধর্মের সমালোচনা করতেন, আমরা বলি, আসুন এটি দেখুন। ধৃতরাষ্ট্র হবেন না, নিজের চোখে এটি দেখুন।”

    মহাকুম্ভের বার্তা

    দিন দুয়েক আগে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “মহাকুম্ভের বার্তা হল একতা ও অখণ্ডতার বার্তা, এবং এটি বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত৷ মহাকুম্ভের অংশীদার সমস্ত সাধু, ভক্ত বা এমনকি পর্যটকরাও যদি ঐক্যের বার্তা এগিয়ে নিয়ে যান, তাহলে সনাতন ধর্মকে শক্তিশালী করা হবে এবং, যদি সনাতন ধর্ম শক্তিশালী হয়, তাহলে আমাদের দেশ শক্তিশালী হবে।”

    গত ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হয় মহাকুম্ভ উপলক্ষে মেলা। মেলা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যে অমৃতস্নানের দিন ৫টি। দুটি স্নান হয়ে গেলেও বাকি রয়েছে তিনটি। এগুলি হল, মৌনী অমাবস্যার স্নান, বসন্ত পঞ্চমীর স্নান এবং মহা শিবরাত্রির স্নান। ইতিমধ্যে প্রয়াগরাজের (Mahakumbh 2025) এই ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সেরেছেন ১২ কোটিরও বেশি মানুষ। যোগী প্রশাসনের আশা, এবার সব মিলিয়ে কুম্ভস্নান করবেন ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে কেবল দেশের লোকজনই নন, বিদেশ থেকেও দলে দলে আসছেন পর্যটক। কেউ পুণ্য লাভের (Yogi Adityanath) আশায়, কেউবা স্রেফ পর্যটক হিসেবে। মহা মিলনের এই মেলায় যেদিকেই চোখ যায়, শুধুই কালো মাথার সারি। আট থেকে আশি কে নেই ত্রিবেণী সঙ্গমের এই মেলায় (Mahakumbh 2025)!

  • Andhra Pradesh: লক্ষ্য সনাতনী ধর্মরক্ষা! ‘নরসিংহ ভারাহি গণম’ নামের সংগঠন চালু অন্ধ্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর

    Andhra Pradesh: লক্ষ্য সনাতনী ধর্মরক্ষা! ‘নরসিংহ ভারাহি গণম’ নামের সংগঠন চালু অন্ধ্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মের রক্ষা ও প্রচারের উদ্দেশে অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) উপমুখ্যমন্ত্রী তথা জনসেনা পার্টির সভাপতি পবন কল্যাণ নতুন একটি সংগঠন তৈরি করলেন। দলেরই মধ্যে এই সংগঠন তৈরি করেছেন তিনি। নাম ‘নরসিংহ ভারাহি গণম’। এইভাবেই সনাতন ধর্মের মূল্যবোধ ও বিভিন্ন তত্ত্বকথা সাধারণ মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছানো যাবে বলে মনে করছেন তিনি। একই সঙ্গে এই সংগঠন, সনাতন ধর্ম রক্ষার্থেও কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কী বললেন পবণ কল্যাণ (Andhra Pradesh)? 

    গত সপ্তাহে শুক্রবার একটি সভাতে (Andhra Pradesh) পবন কল্যাণ ব্যাখ্যা করেন নরসিংহ ভারাহি গণমের কাজ ঠিক কী হতে চলেছে। তিনি সেখানেই বলেছিলেন, ‘‘মন্দির উন্নয়ন থেকে সনাতন ধর্মকে রক্ষা, সব কাজই করবে এই সংগঠন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি সমস্ত ধর্মকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমার ধর্মকে বহুক্ষেত্রেই অশ্রদ্ধা এবং হুমকির সম্মুখীন হতে  হচ্ছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মের ওপর যখনই আঘাত আসে তখন কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। এই সমালোচকরাও এখন সিলেক্টিভ প্রতিবাদ করেন।’’

    হিন্দুদের জেগে ওঠার সময় এসেছে 

    একই সঙ্গে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধেও সরব হন অন্ধপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী (Andhra Pradesh) এবং তিনি (Pawan Kalyan) বলেন, ‘‘হিন্দুদের জেগে ওঠার সময় এসেছে এবং তাদের কর্তব্য হল যখনই, যে কোনও রকমের আঘাতকে প্রতিহত করা। যথাযথ মূলক ব্যবস্থা নেওয়া তাদের বিরুদ্ধে যারা সনাতন ধর্মকে ছোট করছে।’’ একইসঙ্গে সমাজ মাধ্যমে হিন্দুধর্ম বিরোধী যে কোনও পোস্টের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী (Pawan Kalyan)। তিনি আরও বলেন, ‘‘একটি ভয়মুক্ত পরিবেশেই হিন্দুরা যেন তাঁদের ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান করতে পারেন, সে ব্যবস্থাও আমাদের তৈরি করতে হবে।’’ অন্ধ্রপ্রদেশের সমগ্র প্রশাসনের কাছে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন যে মন্দির রক্ষায় এবং ভক্তদের রক্ষায় বিশেষত মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে যেন তারা কাজ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi in Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে ১৪ জন মহিলা সমেত ৩০ জন মুসলিম ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    Ghar Wapsi in Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে ১৪ জন মহিলা সমেত ৩০ জন মুসলিম ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে (Ghar Wapsi in Madhya Pradesh) ৩০ জন মুসলিম ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতনে ফিরে এলেন। ইন্দোরের সামাজিক সংগঠন ‘সাঝা সংস্কৃত মঞ্চ’- এর সভাপতি শ্যাম পাওয়ারি এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘৩০ জন মানুষ ‘ঘর ওয়াপসি’ করেছেন স্বেচ্ছায়। সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন। ইসলামকে ত্যাগ করেছেন। তাঁদের সনাতন ধর্মে ফিরে আসাটা সম্পূর্ণ আইনিভাবে বৈধ এবং তা ‘মধ্যপ্রদেশ রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যাক্ট-২০২১’ অনুসারে হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত ৩০ জনের মধ্যে ১৪ জন মহিলা রয়েছেন।

    অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় ইন্দোরের বিখ্যাত খরজানা গণেশ মন্দিরে

    ‘সাঝা সংস্কৃত মঞ্চে’র সভাপতি পাওয়ারি আরও জানিয়েছেন, যাঁরা ‘ঘর ওয়াপসি’ করেছেন, তাঁদের পূর্বপুরুষরা ইন্দোরে থাকতেন। কিছু জনের পূর্বপুরুষ পশ্চিম মধ্যপ্রদেশে (Ghar Wapsi in Madhya Pradesh) বাস করতেন। তাঁরা সকলেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন। প্রসঙ্গত, সনাতন ধর্মে ফিরে আসার এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় ইন্দোরের বিখ্যাত খরজানা গণেশ মন্দিরে।

    অনুষ্ঠানটিতে হাজির ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারাও

    ইন্দোরের ওই গণেশ মন্দিরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হয়। রীতি মেনে প্রত্যেকে সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী নিলফার যিনি পরিচিত হলেন নিকিতা নামে। অন্যদিকে, ৩৪ বছর বয়সী আকসার তিনি পরিচিত হলেন আকাঙ্ক্ষা নামে। গোটা অনুষ্ঠানটিতে হাজির ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারাও। তাঁরা বলেন, ‘‘যাঁরা ইসলামকে পরিত্যাগ করে সনাতন ধর্মকে গ্রহণ করলেন, তাঁদের মধ্যে একটি বালক ছিল যার নাম রোহিত। কয়েক বছর আগেও সে হিন্দু ছিল। কিন্তু তাকে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তকরণ করা হয়। পুনরায় সে সনাতন ধর্মে ফিরে এল।’’ তবে এটাই নতুন বা প্রথম নয়। চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল ওই একই মন্দিরে ৯ জন মুসলিম ইসলামকে পরিত্যাগ করে সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন।

    কী বলছে প্রশাসন? (Ghar Wapsi in Madhya Pradesh)

    ‘সাঝা সংস্কৃত মঞ্চে’র সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রত্যেকেরই সনাতন ধর্মে ফিরে আসাটা আইনিভাবে বৈধ। তাঁরা কোর্টে এফিডেফিট জমা করেছেন। ৩০ জন মুসলিমের সনাতন ধর্মে ফিরে আসার কথা স্বীকার করেছে স্থানীয় প্রশাসনও। এর পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন (Madhya Pradesh) আরও জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি যেখানে বলা হচ্ছে, কোনও রকম চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ওই মুসলিমরা হিন্দু হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘‘পরিণাম কী হতে পারে…’’, সনাতন-মন্তব্য মামলায় উদয়নিধিকে তোপ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘‘পরিণাম কী হতে পারে…’’, সনাতন-মন্তব্য মামলায় উদয়নিধিকে তোপ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন উদয়নিধি স্ট্যালিন। এনিয়ে এবার অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেল দেশের শীর্ষ আদালতকে (Supreme Court)। এদিনই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। শীর্ষ আদালত উদয়নিধি স্ট্যালিনের উদ্দেশে বলে, ‘‘আপনি কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন। আপনি একজন মন্ত্রী। প্রতিক্রিয়ার দেওয়ার আগে আপনার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আপনার জানা উচিত এর পরিণাম কী হতে পারে।’’ এছাড়াও এই মন্তব্য সাংবিধানিকভাবে দেওয়া মৌলিক অধিকার বাক-স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার অপব্যবহার বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) এদিন উদয়নিধির হয়ে মামলাটি লড়েন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

    দেশের একাধিক রাজ্যে দায়ের হয়েছিল এফআইআর

    গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে উদয়নিধি স্ট্যালিনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং কর্নাটকের একাধিক জায়গায় এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রতিবাদে সামিল হয় অসংখ্য অরাজনৈতিক হিন্দু সংগঠনও। সমস্ত মামলাগুলোকে একত্রিত করার পরে উদয়নিধির (Supreme Court) বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করা হয়। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ওঠে মামলাটি।

    ঠিক কী বলেছিলেন উদয়নিধি?

    তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। গত ২ সেপ্টেম্বর তিনি বলেছিলেন, ‘‘সনাতন ধর্মের শুধু বিরোধিতা করলেই হবে না, তা বিলুপ্ত করা উচিত। আমরা ম্যালেরিয়া, করোনার বিরোধিতা করে চুপ থাকতে পারি না। আমাদের নির্মূল করতে হবে। তেমনভাবে সনাতন ধর্মকেও নির্মূল করতে হবে। সনাতন ধর্ম সাম্যের পরিপন্থী।’’ তাঁর এই মন্তব্যের পরেই বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিজেপি বিরোধী দলগুলি মেকি ধর্মনিরপেক্ষতার কারণে সেসময় সনাতন ধর্ম বিরোধী মন্তব্যের বিরোধিতা করেনি। উদয়নিধি সেসময় নিজের বক্তব্য অনড় থেকে বলেন, ‘‘আমার কথার ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। সনাতন প্রথার বিরুদ্ধে বলেছি মানে এই নয় যে, গণহত্যার কথা বলেছি। এই সনাতন প্রথা যুগ যুগ ধরে জাতপাত, ধর্মের বেড়াজালে রেখে দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে পায়ের নীচে রেখেছে। একে নিশ্চিহ্ন না করলে মানুষের সার্বিক উন্নতি সম্ভব নয়। তাই আমি আমার বক্তব্য থেকে সরছি না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share