Tag: sangh

sangh

  • Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাতীয় স্বার্থ কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের একচেটিয়া বিষয় হতে পারে না। এটি আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব। জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এদিন তিনি সৌরাষ্ট্র–কচ্ছ অঞ্চলের রাজকোটে অনুষ্ঠিত ‘প্রমুখজন বিচার গোষ্ঠী’তে ভাষণ দেন। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    সংঘের কার্যপ্রণালী (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “অবহেলা, বিরোধিতা ও বারবার নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, আরএসএস যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তা একমাত্র হিন্দু সমাজের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। যাঁরা জাতির জন্য কাজ করেন, তাঁরা সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকুন বা না থাকুন, আরএসএস তাঁদের নিজেদের স্বয়ংসেবক হিসেবেই মনে করে।” সংঘের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে ভাগবত বলেন, “আরএসএস কাউকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে পরিচালনা করে না। সংঘের কাজের ভিত্তি হল সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক স্নেহ ও আত্মীয়তার অনুভূতি। শাখা ব্যবস্থার মাধ্যমে মূল্যবোধ সঞ্চার করা হয় এবং স্বয়ংসেবকদের প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীকালে তাঁরা নিজেদের বিবেক ও বিচক্ষণতার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণের সিদ্ধান্ত নেন।”

    হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা

    হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা। সংঘ ভারতের সংবিধানের সঙ্গে একই দার্শনিক ভিত্তিতে কাজ করে। ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, এই কারণেই এখানে সব পথ, সম্প্রদায় ও ঐতিহ্যকে স্বাগত জানানো হয় এবং সম্মান করা হয়।” সরসংঘ চালক বলেন, “‘বসুধৈব কুটুম্বকম’, এই ভারতীয় নীতি সত্যিকারের বিশ্বায়নের প্রতীক। অন্য দেশগুলি বিশ্বকে বাজার হিসেবে দেখে (RSS), আর আমরা বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে দেখি (Mohan Bhagwat)।” প্রশ্নোত্তর পর্বে সরসংঘচালক বলেন, “জেন-জেড প্রজন্মের তরুণরা ‘সাদা খাতা’র মতো এবং তারা গভীরভাবে সৎ। সমাজকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল রপ্ত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভু হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন মানুষের প্রভু না হয়ে ওঠে, এবং তা জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে হবে।”

    মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তির প্রয়োজন

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “প্রতিবেশী এক দেশে হিন্দু–মুসলিম বিদ্বেষ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে, এমন বিভাজনমূলক চিন্তা ভারতে ছড়াতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “দুর্নীতি ব্যবস্থার চেয়ে মানুষের মনে বেশি বিদ্যমান, আর মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তি গড়ে উঠলেই দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব।” রাজকোটে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকমুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে বিশেষ পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহার করা হয়, ব্যবহার শেষে সেগুলি টবে রোপণ করা হলে মাটিতে মিশে গিয়ে উদ্ভিদে পরিণত হয়। এই উপলক্ষে পশ্চিম ক্ষেত্র সংঘচালক জয়ন্তিভাই ভাদেশিয়া, সৌরাষ্ট্র প্রান্ত সংঘচালক মুকেশভাই মালাকান-সহ (RSS) শিল্পপতি, চিকিৎসক, আইনজীবী ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন (Mohan Bhagwat)।

  • Mohan Bhagwat: “আরএসএসের মূল ভাবনা হল আত্মীয়তা বোধ,” বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “আরএসএসের মূল ভাবনা হল আত্মীয়তা বোধ,” বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) মূল ভাবনা হল সম্পর্কের অনুভূতি বা আত্মীয়তা বোধ।” পুণেয় প্রয়াত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক তথা সংঘ নেতা দাদা খাড়িওয়ালের জীবনী প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “যদি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে এক কথায় বর্ণনা করতে হয়, তবে সেই শব্দটি হবে ‘আত্মীয়তা’ বা ‘সম্পর্কের অনুভূতি’। এই অনুভূতি সমাজে আরও দৃঢ় হওয়া উচিত।” ভাগবত বলেন, “সংঘ কী করে? এটি হিন্দুদের সংগঠিত করে। এই আত্মীয়তার অনুভূতি আরও গভীর হওয়া উচিত, কারণ পুরো বিশ্ব এই অনুভূতির ওপরই নির্ভর করে।” তিনি বলেন, “প্রকৃত ঐক্য আসে সেই সাধারণ সূত্রকে চেনার মাধ্যমে যা সকলকে এক সঙ্গে যুক্ত করে। মানুষ, পশুদের মতো নয়। কারণ তারা স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠতে সক্ষম। যে এই আত্মীয়তার বোধকে বোঝে, সেই-ই প্রকৃত মানুষ।”

    আরএসএসের ভূমিকা (Mohan Bhagwat)

    আরএসএসের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি (Mohan Bhagwat) বলেন, “সংঘ কী করে? এটি তার সমস্ত কর্মসূচি, শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা এবং বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সমাজকে বারবার সেই অনুভূতির কথা মনে করিয়ে দেয়, যা তারা ভুলে গিয়েছে — ‘আপনত্ব’ বা একাত্মতা।” ভাগবত বলেন, “সংঘের প্রকৃত কাজই হল সমস্ত হিন্দু সমাজকে এই ‘আপনত্বের’ সূতোয় গাঁথা। এবং হিন্দু সমাজও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বিষয়টি মেনে নিয়েছে যে, সারা বিশ্বকে এই আপনত্বের বন্ধনে বাঁধা তাদের কর্তব্য।”

    স্বয়ংসেবকের কর্তব্য

    প্রাক্তন আরএসএস প্রধান মাধব সদাশিবরাও গোলওয়ালকর (গুরুজি নামে পরিচিত)-এর কথাও স্মরণ করেন তিনি। পরে বলেন, “একজন স্বয়ংসেবকের কর্তব্য হল নিয়মিত শাখায় যোগ দেওয়া, শিক্ষা গ্রহণ করা এবং নিঃস্বার্থভাবে সবার সেবা করা।” আধুনিক কিছু শব্দগুচ্ছ, যেমন “গিভিং ব্যাক” (ফিরিয়ে দেওয়া) প্রসঙ্গে ভাগবত বলেন, “এই ধারণা তো ভারতীয় সংস্কৃতিতে বরাবরই ছিল। এটি হল অন্যদের সেবা করার এবং একত্রে বসবাস করার কর্তব্যের অংশ।” কোনও কাজ শুরু করতে দেরি না করতে মানুষকে আহ্বান জানান ভাগবত (Mohan Bhagwat)। বলেন, “সংঘে (RSS) আমরাও এভাবেই কাজ করি। যদি কিছু করার দরকার হয়, আমরা সেটি করেই ফেলি।”

LinkedIn
Share